
লোহাগাড়ার চট্টগ্রাম জেলা প্রতিনিধি :
আমাদের অনেক সহযোদ্ধা রয়েছেন যারা বছরের পর বছর দলের জন্য ত্যাগ স্বীকার করেছেন, দলের কঠিন দুঃসময়ে ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে আন্দোলন সংগ্রাম করেছেন।
নিজেদের কষ্টে উপার্জিত পকেটের টাকা খরচ করে নেতাকর্মীদের চাঙ্গা রেখেছেন।
তাঁরা কেউ স্বার্থের জন্য রাজনীতি করেনি,শহীদ জিয়ার আদর্শ বোকে ধারন করে একটু সম্মান নিয়ে বাঁচতে চেয়েছেন,
অথচ এই সু সময়ে এসেও তাঁরা সেই আগের মতই অবহেলিত রয়েই গেল, বিন্দু পরিমাণ সুযোগ সুবিধা পাইনি দল থেকে।
এখনও পর্যন্ত ওয়ার্ড, ইউনিয়নে যুবদল ছাত্রদলের কোন কমিটি নেই?? অনেক জায়গায় জেলা উপজেলায় পর্যন্ত নেই,যেখানে যাদের কমিটি আছে তাদের এই নিয়ে বিন্দুমাত্র মাথাব্যথা নেই।
অনেক এমপি, মন্ত্রী দুঃসময়ে পাশে থাকা ত্যাগীদের বেমালুম ভুলে গেছেন, সব জায়গায় টাকা ওয়ালা আত্মীয় স্বজন আর হাইব্রিডদের ছড়াছড়ি।।
আজ ভাবতেই অবাক লাগে যখন জুলাই যুদ্ধাদের তালিকা হয় তখন ভোলার নুরে আলম আব্দুর রহিমদের কথা কেউ তুলে ধরে না, দীর্ঘ ১৭ বছর ফ্যাসিবাদী সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন সংগ্রাম করতে গিয়ে কত নেতা কর্মী গুম হয়েছেন খুন হয়েছেন তাদের কেউ মনে রাখে না, তাদের কথা কেউ কোন প্রোগ্রামে তুলে ধরে না,
সবাই জুলাই নিয়ে ব্যস্ত, এই জুলাই জুলাই করতে গিয়ে দীর্ঘ ১৭ বছরের ত্যাগীদের ভুলে যাচ্ছেন?!
এভাবে চলতে থাকলে ভবিষ্যত নেতৃত্ব কঠিন হবে, নেতৃত্ব সংকটে পড়বে দল।
যেখানে ত্যাগীরা হারিয়ে যাচ্ছে সেখানে নতুন নেতৃত্ব তৈরি করা কঠিন হবে, নতুন কেউ দলের দিকে আগ্রহ প্রকাশ করবে না।
দুঃসময়ের একজন সাধারণ কর্মী হিসেবে যতটুকু বুঝেছি আগে কী কঠিন ছিল ভবিষ্যত এর চেয়েও কঠিন হবে, তখন হয়তো কর্মী খুঁজে পাওয়া যাবে না?
সম্পাদক ও প্রকাশক : সুমন আহমেদ, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: বাইপাইল মোড়া আশুলিয়া সাভার। মোবাইল:
দৈনিক বাংলাদেশ ক্রাইম