
মৌলভীবাজার প্রতিনিধি:
মৌলভীবাজারে ৭ বছরের শিশুকে বলাৎকার: ধামাচাপার চেষ্টা করে ব্যর্থ পরে শিশুটিকে হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করা হয়।
মৌলভীবাজারের রাজনগর উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়নের কাশিমপুর গ্রামে সাত বছরের এক শিশু বলাৎকারের শিকার হয়েছে। ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করা হলেও সাংবাদিকদের তৎপরতায় তা ব্যর্থ হয় এবং মুমূর্ষু অবস্থায় শিশুটিকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ সূত্রের বরাতে জানা গেছে, কাশিমপুর গ্রামের সুধন দাশের ৭ বছর বয়সী শিশু সন্তান অন্তর দাশকে সকালে স্থানীয় কৈছর মিয়ার ফিশারিতে ডেকে নিয়ে যায় সেখানে কর্মরত শ্রমিক হুমায়ুন (৩৫)। হুমায়ুন একই গ্রামের আছদ্দর মিয়ার ছেলে। ফিশারিতে কাজের একপর্যায়ে নির্জন স্থানে নিয়ে শিশুটিকে নির্মমভাবে ব|লা|ৎ|কা|র করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে।
ঘটনাটি জানাজানি হলে একশ্রেণির প্রভাবশালী মহল বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার জন্য তৎপর হয়ে ওঠে। ঘটনা ধামাচাপার চেষ্টার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যান এক গনমাধ্যমকর্মী। সেখানে তাঁকে নানা ধরনের হুমকি-ধমকি ও প্রশাসনিক চাপের মুখে পড়তে হলেও তিনি পিছু হটেননি। সারাদিনের প্রতিকূলতা পেরিয়ে রাত প্রায় ৮টার দিকে তিনি নিজ উদ্যোগে শিশুটিকে উদ্ধার করে মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে নিয়ে যান।
বর্তমানে শিশু অন্তর দাশ মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালের পুরাতন ভবনের দ্বিতীয় তলার সার্জারি-২ ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন রয়েছে। হাসপাতালের চিকিৎসকরা তার শারীরিক অবস্থার ওপর নজর রাখছেন।
এ বিষয়ে জানতে রবিবার দুপুরে রাজনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফরিদ উদ্দিন এর সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, অভিযুক্ত আসামিকে গ্রেপ্তারে অভিযান পরিচালনা চলমান রয়েছে তবে এ বিষয়ে পরিবার থেকে এখনও কোন অভিযোগ দায়ের করা হয়নি। অভিযোগ পেলে মামলা দায়ের করা হবে।
এ ঘটনায় পুরো রাজনগর এলাকায় তীব্র ক্ষোভ ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় সচেতন মহল ও ভুক্তভোগীর পরিবার অবিলম্বে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত নিশ্চিত করে অভিযুক্ত হুমায়ুনকে গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জোরালো দাবি জানিয়েছেন।
সম্পাদক ও প্রকাশক : সুমন আহমেদ, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: বাইপাইল মোড়া আশুলিয়া সাভার। মোবাইল:
দৈনিক বাংলাদেশ ক্রাইম