Category: শুভ জন্মদিন

  • নজিপুরে নিউরো মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডাঃ ফজলুল কবির ভূঁইয়ার (৪৫ তম) জন্মদিন উদযাপিত


    নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি:
    নজিপুর সিটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অত্যন্ত আনন্দঘন ও উৎসবমুখর পরিবেশে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিউরো মেডিসিন বিভাগের প্রখ্যাত সহকারী অধ্যাপক ডাঃ মোঃ ফজলুল কবির ভূঁইয়া (পাভেল)-এর ৪৫তম জন্মদিন উদযাপন করা হয়েছে।

    গতকাল শুক্রবার (৫ জুন, ২০২৬) ডায়াগনস্টিক সেন্টার কার্যালয়ে এক ঘরোয়া অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই বিশিষ্ট চিকিৎসকের জন্মদিনের কেক কাটা হয়। (নোট: আজ ৬ জুন শনিবার হওয়ায়, গতকাল শুক্রবার ৫ জুন ছিল)।
    অনুষ্ঠানের মূল আয়োজক ও নজিপুর সিটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারের পরিচালক আলহাজ্ব মোঃ হারুন রশিদ উপস্থিত থেকে ডাঃ ফজলুল কবির ভূঁইয়া (পাভেল)-কে জন্মদিনের শুভেচ্ছা ও আন্তরিক অভিনন্দন জানান।
    এ সময় সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে পরিচালক মোঃ হারুন রশিদ বলেন।

    ডাঃ ফজলুল কবির ভূঁইয়া (পাভেল) স্যার আমাদের অঞ্চলের সাধারণ মানুষের চিকিৎসাসেবায় এক অনন্য ভূমিকা পালন করে যাচ্ছেন। তাঁর মতো একজন মানবিক ও দক্ষ চিকিৎসক আমাদের মাঝে সেবা দিচ্ছেন, এটি আমাদের জন্য অত্যন্ত গর্বের। তাঁর ৪৫তম জন্মদিনে আমরা তাঁর সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু এবং উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করি।

    অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে নজিপুর সিটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারের সকল কর্মকর্তা, কর্মচারী ও স্টাফবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। উপস্থিত সকলেই প্রিয় চিকিৎসককে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান এবং তাঁর দীর্ঘায়ু কামনা করে দোয়া করেন। পরিশেষে মিষ্টি মুখ করানোর মধ্য দিয়ে চমৎকার এই আয়োজনের সমাপ্তি ঘটে।

  • জাতীয় কবি নজরুলের ১২৬ তম জন্মবার্ষিকী আজ

    জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম।

     

    অনলাইন ডেস্ক: বাংলা সাহিত্যের উজ্জ্বল নক্ষত্র জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের আজ ১২৬ তম জন্মবার্ষিকী। দিনটি পালিত হচ্ছে গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায়।

    তিনি ১৩০৬ বঙ্গাব্দের ১১ জ্যৈষ্ঠ, মঙ্গলবার, ২৪ মে ১৮৯৯ খ্রিস্টাব্দে পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার আসানসোল মহকুমার চুরুলিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। শৈশব-কৈশোর-তারুণ্য জীবনের পরতে পরতে সংগ্রাম করতে হয়েছে তাঁকে। জড়িয়েছিলেন নানা পেশায়। ১৯১৭ সালে যোগ দেন সেনাবাহিনীতে। অংশ নেন প্রথম বিশ্বযুদ্ধেও।

    কবি কাজী নজরুল ইসলাম ছিলেন একাধারে কবি, গীতিকার, সুরকার, নাট্যকার, সাংবাদিক, দার্শনিক ও সমাজচিন্তক। বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে যার স্থান চিরভাস্বর। তাঁর সাহিত্যকর্ম ও সংগীত প্রজন্মের পর প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করে আসছে, সমাজ পরিবর্তনের পথ দেখাচ্ছে।

    কাজী নজরুল ইসলাম একটা প্রতিষ্ঠান ও আন্দোলনের নাম, যুগে যুগে এক জীবন্ত আদর্শ। কবিতা, উপন্যাস, নাটক, সঙ্গীত আর দর্শনেও নজরুলের অনবদ্য উপস্থিতি বর্ণাঢ্য করেছে বাংলা সাহিত্যকে। কবি কাজী নজরুল ইসলামের জীবনের সূচনা হয়েছিল দারিদ্র্য আর সংগ্রামের মধ্য দিয়ে। ছোটবেলায় পিতৃহারা নজরুল মসজিদের মুয়াজ্জিন হিসেবে কাজ করেছেন, লেটো গানে অংশ নিয়েছেন। কঠিন জীবনসংগ্রাম তাকে দমাতে পারেনি। তিনি সাহিত্য ও সংগীতের মাধ্যমে সমাজের বৈষম্য, শোষণ, কুসংস্কার ও ধর্মীয় গোঁড়ামির বিরুদ্ধে সংগ্রাম চালিয়ে গেছেন।

    কবি কাজী নজরুল ইসলামের সাহিত্য জীবনের সূচনা ঘটে বিশ শতকের দ্বিতীয় দশকে। তৎকালীন প্রভাবশালী কবি-সাহিত্যিকদের সংস্পর্শে আসেন তিনি। ১৯২২ সালে প্রকাশিত হয় তার বিখ্যাত কবিতা ‘বিদ্রোহী’ যা বাংলা সাহিত্যে সৃষ্টি করে নতুন এক ধারা। এই কবিতায় কবি নিজের আত্মাকে রূপ দিয়েছেন এক বিরাট শক্তিতে, যিনি অন্যায়, শোষণ ও ভণ্ডামির বিরুদ্ধে উচ্চারণ করেন সাহসের ঘোষণা।

    এই কবিতা কবি কাজী নজরুল ইসলামকে শুধু সাহিত্যের জগতে নয়, রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনেও পরিচিত করে তোলে। তার লেখা প্রবন্ধ, কবিতা ও গল্প ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের বিরুদ্ধে গণচেতনাকে উজ্জীবিত করে।

    কাজী নজরুল ইসলামের অমর সৃষ্টি প্রায় চার হাজার গান। এসব গান লিখে ও সুর দিয়ে তিনি বাংলা সংগীতকে সমৃদ্ধ করেছেন। তাঁর গানে আছে প্রেম, প্রতিবাদ, ধর্মীয় ভাব, আধ্যাত্মিকতা এবং সাম্যবাদের স্পষ্ট প্রকাশ। কাজী নজরুল ইসলাম তাঁর গদ্য সাহিত্যে তুলে ধরেছেন সমাজে বিদ্যমান কুসংস্কার, ধর্মীয় গোঁড়ামি ও লিঙ্গ বৈষম্যের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ। তার উপন্যাস ‘মৃত্যুক্ষুধা’ ও ‘কুহেলিকা’ প্রগতিশীল চিন্তার ধারক।

    যুগবাণী, দুর্দিনের যাত্রী, রাজবন্দির জবানবন্দি প্রভৃতি প্রবন্ধগ্রন্থে তিনি সমসাময়িক সমাজ ও রাজনীতির নির্ভীক সমালোচনা করেছেন।

    বর্তমান পৃথিবীতে যখন বিদ্বেষ, ধর্মীয় অসহিষ্ণুতা ও বৈষম্য বাড়ছে, তখন তাঁর অমর সৃষ্টি আমাদের জন্য ‘আলোর দিশারি’। কাজী নজরুল বাংলা সাহিত্যে এক বিস্ময়কর দ্যুতি। তাঁর জন্মবার্ষিকী স্মরণ করিয়ে দেয় যে কবির আদর্শ ও ভাবনা আজও প্রাসঙ্গিক। বৈষম্য, ধর্মীয় অসহিষ্ণুতা ও সামাজিক অবিচার যখন বিশ্বজুড়ে উদ্বেগের বিষয়, তখন তাঁর জীবনদর্শন আলো জ্বালাতে পারে।

    কবিতার জন্যে জেলেও যেতে হয়েছিল কবিকে। ‘আনন্দময়ীর আগমনে’ কবিতার জন্য নজরুলকে দেওয়া হয় এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড।

    সাহিত্যের পাশাপাশি সংগীত ও চলচ্চিত্র পরিচালনাও করেছেন নজরুল। নিজের পরিচালিত চলচ্চিত্র ‘ধ্রুব’তে অভিনয়ও করেছিলেন। তাই শুধু কবি পরিচয়েই আবদ্ধ নন কাজী নজরুল।

    কবি নজরুলকে সপরিবারে ১৯৭২ সালে স্বাধীন বাংলাদেশে নিয়ে আসা হয়। এরপর মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি বাংলাদেশেই ছিলেন। ১৯৭৬ সালের ২৯ আগস্ট তৎকালীন পিজি হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন এই মহাবিদ্রোহী ও প্রেমিক পুরুষ।

    ‘মসজিদেরই পাশে আমার  কবর দিও ভাই’ গানে ব্যক্ত কবির এ ইচ্ছের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) কেন্দ্রীয় মসজিদের পাশেই তাঁকে সমাহিত করা হয়।;

  • সাংবাদিক পুত্র রিয়াজুস সালেহীন রাকিন এর ৮ম শুভ জম্মদিন

    নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক স্বদেশ দর্পণ পত্রিকার সহ-সম্পাদক এস. এম. রিয়াজুল ইসলাম রিপন এর একমাত্র পুত্র রিয়াজুস সালেহীন রাকিন এর ৮ম শুভ জন্মদিন আজ। ২০১৭ সালের ১০ই মে পৃথিবী আলো করে তার মা-বাবার কোলজুড়ে জন্ম নিয়েছিল রিয়াজুস সালেহীন রাকিন। এই শুভ জন্মদিনে তার দীর্ঘায়ু কামনা ও শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করেছেন দৈনিক স্বদেশ দর্পণ পত্রিকার পরিবার, সেই সাথে দীর্ঘায়ু কামনা করেছেন তার পিতা-মাতা, দাদা-দাদু, চাচা-চাচি, ফুফা-ফুফি, নানা-নানী, মামা খালাসহ সকল আত্মীয় স্বজনরা আগামী দিনে সুস্বাস্থ্য, সমৃদ্ধি ও উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ গড়ার লক্ষে দোয়া কামনা করেছেন।

    রিয়াজুস সালেহীন রাকিনের শুভ জন্মদিনে আমরা এই প্রত্যয় করছি যে-
    স্বাশত এই জন্মদিন তোমার
    স্বগত হোক বার বার
    ধরণীর ম্লান অভ্র কুঞ্জে
    রূপ রঙে করুক আবার
    ধুয়ে যাক সব কষ্ট দুঃখ গ্লানি
    তোমার হাসির ছোয়া লেগে
    সুরভিত হোক সকল প্রাণী

    ;