Blog

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে নারী ও কন্যাশিশুর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে ব্র্যাকের অ্যাডভোকেসি ডায়ালগ অনুষ্ঠিত


    চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি
    নারী ও কন্যাশিশুর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব জোরদারকরণের লক্ষ্যে চাঁপাইনবাবগঞ্জে একটি অ্যাডভোকেসি ডায়ালগ অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (২৩ জুন) সকাল ১১ টায় ব্র্যাক জেন্ডার জাস্টিস অ্যান্ড ডাইভারসিটির উদ্যোগে এই ডায়ালগের আয়োজন করা হয়। ​চাঁপাইনবাবগঞ্জ উপজেলা পরিষদ মিনি কনফারেন্স রুমে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন, সদর উপজেলার নির্বাহী অফিসার মারুফ আফজাল রাজন।

    অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক সিদ্দিকা সোহেলী রশীদ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মোসাঃ সাহিদা আখতার, চাঁপাইনবাবগঞ্জ যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক স্বপন কুমার কর্মকার, ব্র্যাক চাঁপাইনবাবগঞ্জের রিজিওনাল ম্যানেজার মরমিতাজ ইসলাম, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ব্র্যাক ডিস্ট্রিক্ট করডিনেটর মোমেনা খাতুন, সদর উপজেলার সমাজসেবা অফিসার কাঞ্চন কুমার দাস, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সিসিডিবির এরিয়া ম্যানেজার পিটার সরকার ও বিভিন্ন প্রোগ্রামের ম্যানেজমেন্ট কর্মীসহ কমিউনিটির সদস্য এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার প্রতিনিধি, সুশীল সমাজের ব্যক্তিবর্গ এবং স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

    ​ডায়ালগে বক্তারা বলেন, “নারী ও কন্যাশিশুর প্রতি সহিংসতা দূর করতে কেবল সরকারি উদ্যোগই যথেষ্ট নয়, এর জন্য সরকারি ও বেসরকারি উভয় খাতের সমন্বিত অংশীদারিত্ব অত্যন্ত জরুরি।” সমাজে সচেতনতা বৃদ্ধি, আইনি সহায়তার সহজলভ্যতা এবং অপরাধীদের দ্রুত শাস্তির আওতায় আনার মাধ্যমে একটি নিরাপদ পরিবেশ গড়ে তোলার ওপর জোর দেন তারা।

    অনুষ্ঠানে ব্র্যাকের স্লোগান—“নারী ও কন্যাশিশুর প্রতি সহিংসতার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করি, প্রতিরোধ গড়ি, প্রতিকার করি”—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা এবং করণীয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। উপস্থিত অতিথিরা প্রত্যেকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে এই সহিংসতা প্রতিরোধে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

  • আওয়ামী সন্ত্রাসীর বিচারের দাবিতে যাত্রাবাড়ীতে জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত


    স্টাফ রিপোর্টার:
    আওয়ামী লীগের শাসনামলে সংঘটিত বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড, জুলুম ও নির্যাতনের বিচারের দাবিতে বিশাল বিক্ষোভ মিছিল ও সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের যাত্রাবাড়ি জোন।

    আজ (মঙ্গলবার) সকাল ১১ টায় যাত্রাবাড়ী ও ডেমরা থানা জামায়াতে ইসলামীর যৌথ উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল ও সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। বিক্ষোভ মিছিলে প্রধান হিসবে নেতৃত্ব দেন ঢাকা-৫ আসনের সংসদ সদস্য এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কেন্দ্রীয় শুরা সদস্য জনাব কামাল হোসেন।

    মিছিলটি শহিদ ফারুখ রোড থেকে শুরু হয়ে যাত্রাবাড়ীর গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে। উক্ত মিছিলে জামায়াত-শিবিরের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মীসহ সর্বস্তরের সাধারণ মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করে। মিছিল থেকে আওয়ামী সন্ত্রাসীদের অনতিবিলম্বে গ্রেফতার এবং বিচারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেওয়া হয়।

    বিক্ষোভ মিছিল শেষে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য জনাব কামাল হোসেন বলেন, “বিগত ১৬ বছর ধরে আওয়ামী সন্ত্রাসীরা দেশের মানুষের ওপর যে নির্মম নির্যাতন, খুন ও গুমের রাজত্ব কায়েম করেছিল, তার সুষ্ঠু বিচার নিশ্চিত করতে হবে।গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করতে হবে। মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত ও জুলাই শহীদদের খুনিদের বিচার করতে হবে এবং কোনো অবস্থায় আওয়ামী লীগকে বাংলাদেশের রাজনীতিতে আর সুযোগ দেওয়া যাবে না।

    সমাবেশে যাত্রাবাড়ি ও ডেমরার জামায়াতের স্থানিয় নেতারা বলেন, জনগণের অধিকার হরণকারী ও গণহত্যাকারীদের আইনের আওতায় এনে শাস্তি না দেওয়া পর্যন্ত দেশের মানুষ রাজপথ ছাড়বেনা। দেশের শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে হলে সকল অপরাধী ও ফ্যাসিবাদীদের দ্রুত বিচারের মুখোমুখি করতে হবে। এ বিষয়ে প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে।

  • নেত্রকোনায় মাদক,সন্ত্রাস,চাঁদাবাজমুক্ত পৌরসভা গড়তে চান জনপ্রিয় মেয়র প্রার্থী কে আর খান পাঠান সাহের


    নেত্রকোনা প্রতিনিধি : আসন্ন পৌরসভা নির্বাচনকে ঘিরে ইতোমধ্যে ব্যাপক আলোচনা ও জনমত তৈরি হয়েছে। এরই মধ্যে নেত্রকোনা পৌরসভায় জনপ্রিয়তার দিক থেকে শীর্ষে উঠে এসেছেন মেয়র প্রার্থী কে আর খান পাঠান সাহের।মাদক,সন্ত্রাস চাঁদাবাজমুক্ত ও যুবকদের কর্মসংস্থান যুক্ত নেত্রকোনা পৌরসভা গড়ার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন নেত্রকোনা পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী কে আর খান পাঠান সাহের। পৌরসভা নির্বাচনের দিনক্ষন চূড়ান্ত না হলেও নেত্রকোনা পৌরসভায় বইছে আগাম নির্বাচনী হাওয়া। নেত্রকোনা পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র প্রার্থীরা আগাম প্রার্থী হওয়ার জানান দিচ্ছেন। নির্বাচনে বেশ কয়েকজন মেয়র প্রার্থীর নাম শোনা গেলেও বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম ময়মনসিংহ বিভাগীয় শাখার সহ সাংগঠনিক সম্পাদক বিশিষ্ট সমাজসেবক কে আর খান পাঠান সাহেরের নাম আলোচিত হচ্ছে। তিনি সম্প্রতি অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষের পক্ষে দিন রাত অবিরাম গনগংযোগ করেছেন। তিনি ভোটারদের আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছেন।

    মেয়র প্রার্থী কে আর খান পাঠান সাহের বলেন, জনতার অকুন্ঠ সমর্থন নিয়ে সন্ত্রাস মাদকমুক্ত বেকার নারী ও পুরুষের কর্মসংস্থান যুক্ত একটি পৌরসভা গড়তে চাই। এবার নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী হিসেবে কে আর খান পাঠান সাহের সাধারন মানুষের কাছে জনপ্রিয় মেয়র প্রার্থী হিসাবে যোগ্যতা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে বলে পৌরসভার একাধিক নাগরিক ভোটাররা জানান।

    এদিকে নেত্রকোনা পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা মো. জসিম নামে এক ভোটার বলেন, শান্তশিষ্ট ভদ্র মেয়র প্রার্থী হিসেবে জনপ্রিয়তার দিক দিয়ে কে আর খান পাঠান সাহের এগিয়ে রয়েছেন। তিনি তার বিবৃতিতে নেত্রকোনা পৌরবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।নেত্রকোনা পৌরসভার স্থানীয় বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে জনসেবামূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জন করেছেন তিনি। এলাকার উন্নয়ন, শিক্ষাব্যবস্থার প্রসার, সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণসহ নানা ক্ষেত্রে তার ভূমিকা প্রশংসিত হয়েছে। স্থানীয় ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে আরও জানা গেছে,কে আর খান পাঠান সাহেরকে একজন সৎ, যোগ্য ও জনবান্ধব প্রার্থী হিসেবে দেখছেন তারা। তরুণ সমাজের মধ্যেও তার ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। বিভিন্ন সভা-সমাবেশে তার উপস্থিতি এবং জনসম্পৃক্ততা অন্য প্রার্থীদের তুলনায় বেশি বলেও মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

    এদিকে নেত্রকোনা পৌরসভার একাধিক ভোটার বলেন, “আমরা এমন একজন প্রার্থী চাই, যিনি আমাদের সমস্যার কথা বুঝবেন এবং সমাধানে কাজ করবেন।কে আর খান পাঠান সাহের সেই যোগ্যতা রাখেন।”রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান প্রেক্ষাপটে কে আর খান পাঠান সাহেরের জনপ্রিয়তা নির্বাচনের ফলাফলে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।

    বিএনপির তৃণমূলের দলীয় নেতাকর্মীরা বলেন তিনি নির্বাচিত হলে দলের জন্য ভালো হবে।নেত্রকোনা পৌরসভার নির্বাচনকে ঘিরে বিএনপির তৃণমূলের নেতাকর্মীরা আরও বলেন,কে আর খান পাঠান সাহেরের যোগ্য নেতৃত্বই দলকে এগিয়ে নেবে। তিনি একজন যোগ্য, সৎ ও গ্রহণযোগ্য নেতা। কে আর খান পাঠান সাহের নির্বাচিত হলে দল আরও শক্তিশালী হবে এবং জনগণের আস্থা বৃদ্ধি পাবে।এদিকে নেত্রকোনা পৌরসভার স্থানীয় পর্যায়ের ব্যবসায়ীরা বলেন, “আমরা চাই এমন নেতৃত্ব, যিনি ব্যবসায়ীদের ঐক্যবদ্ধ রাখতে পারবেন এবং সাধারণ ব্যবসায়ীদের পাশে থাকবেন সেটা কে আর খান পাঠান সাহেরের ভেতর আছে।

    এদিকে, কে আর খান পাঠান সাহের তার নির্বাচনী প্রচারণায় উন্নয়ন ও সেবার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছেন। তিনি বলেন, “জনগণের ভালোবাসাই আমার শক্তি। নির্বাচিত হলে এই ভালোবাসার প্রতিদান দিতে মানুষের পাশে থেকে কাজ করে যাব ইনশাআল্লাহ।

    ২২/০৬/২০২৬ ইং

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে অবৈধ করাত-কলের বিরুদ্ধে বন বিভাগের অভিযান, ৪ জনকে জরিমানা


    চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি:
    চাঁপাইনবাবগঞ্জে অবৈধ করাত-কলের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে বন বিভাগ। রাজশাহী সামাজিক বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও)-এর নির্দেশনায় এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলা প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে সোমবার (২২ জুন) বিকেল ৫টায় সদর উপজেলার সুন্দরপুর ইউনিয়নের বাগচর গ্রামের মোল্লান মোড়ে একটি মোবাইল কোর্ট অভিযান পরিচালিত হয়।

    অভিযান চলাকালে করাত-কল বিধিমালা-২০১২ লঙ্ঘন করে লাইসেন্স ছাড়াই কয়েকটি করাত-কল পরিচালনার প্রমাণ পাওয়া যায়। এ সময় আইন অমান্য করে করাত-কল পরিচালনার দায়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত চার ব্যক্তিকে মোট ১৮ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা করেন।

    জরিমানাপ্রাপ্তরা হলেন— সদর উপজেলার সুন্দরপুর ইউনিয়নের বাগচর গ্রামের আমির হোসেনের ছেলে মো. মোক্তার হোসেন (৩ হাজার টাকা), মুনসুর আলীর ছেলে মো. আত্তাব উদ্দিন (৫ হাজার টাকা), আব্দুল লতিবের ছেলে শুকুরুদ্দীন (৫০০ টাকা) এবং মো. দাউদ আলীর ছেলে আবু বাক্কার (১০ হাজার টাকা)।
    ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. ইকরামুল হক নাহিদ।

    অভিযানে সহকারী বন সংরক্ষক নায়েমা আক্তারসহ বন বিভাগ ও প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। বন বিভাগের সহকারী বনসংরক্ষক নায়েমা আক্তার জানান, পরিবেশ সংরক্ষণ, বনজ সম্পদের সুরক্ষা এবং সরকারি বিধিমালা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে অবৈধ করাত-কলের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, বনজ সম্পদের অবৈধ ব্যবহার ও পরিবেশের ক্ষতি রোধে আইন প্রয়োগের পাশাপাশি সচেতনতামূলক কার্যক্রমও জোরদার করা হবে। অবৈধ করাত-কল পরিচালনার বিরুদ্ধে নিয়মিত নজরদারি ও অভিযান পরিচালনা করা হবে বলেও তারা উল্লেখ করেন।

  • পলাশী দিবসকে রাষ্ট্রীয়ভাবে পালনের দাবি বিপ্লবী পরিষদের


    ঢাকা প্রতিনিধি:
    ১৭৫৭ সালের ২৩শে জুন পলাশীর যুদ্ধে বাংলার স্বাধীনতা হরণের ঘটনাকে জাতির ইতিহাসে সবচেয়ে বড় বিপর্যয় আখ্যা দিয়ে দিনটিকে রাষ্ট্রীয়ভাবে পালন করার দাবি জানিয়েছে জাতীয় বিপ্লবী পরিষদ।

    আজ সোমবার সন্ধ্যায় জাতীয় বিপ্লবী পরিষদের আহবায়ক খোমেনী ইহসান ও সদস্য সচিব ডা. নাবিল আহমদ পলাশি দিবস উপলক্ষে জাতীয় বিপ্লবী পরিষদ কর্তৃক আয়োজিত এক আলোচনা সভায় এ কথা বলেন।

    তারা বলেন ১৭৫৭ সালের ২৩শে জুন পলাশীর আম্রকাননে বাংলার স্বাধীনতার সূর্য অস্তমিত হয়েছিল। একটি প্রহসনমূলক যুদ্ধের মাধ্যমে বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব সিরাজউদ্দৌলার পতন হয় এবং এর ফলশ্রুতিতে শুরু হয় ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির প্রায় দুশো বছরের ঔপনিবেশিক শাসন। এই পরাধীনতার শৃঙ্খলে আবদ্ধ হওয়ার পর এ অঞ্চলের জনগণের উপর নেমে আসে অবর্ণনীয় শোষণ ও নির্যাতন। বিশেষ করে মুসলিম জনগোষ্ঠীর ভূমি ও অধিকার হরণ করে তাদের প্রান্তিক অবস্থানে ঠেলে দেওয়া হয় এবং কৃষিনির্ভর অর্থনীতিকে ধ্বংস করে সম্পদ লুণ্ঠন করা হয়।

    আলোচনা সভায় উপস্থিত আলোচকবৃন্দ বলেন, ঔপনিবেশিক শাসনামলে বারবার কৃত্রিম দুর্ভিক্ষ সৃষ্টি করে কোটি কোটি মানুষের জীবন কেড়ে নেওয়া হয়েছে, যা ছিল গণহত্যার নামান্তর। ১৭৭০ সালের ছিয়াত্তরের মন্বন্তর এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকালীন ১৯৪৩ সালের দুর্ভিক্ষ ছিল এর নির্মম উদাহরণ। এই দুর্ভিক্ষগুলো ঔপনিবেশিক শাসনের ভয়াবহ পরিণতি এবং মানবতাবিরোধী অপরাধের নিকৃষ্ট দৃষ্টান্ত।

    জাতীয় বিপ্লবী পরিষদের নেতৃবৃন্দ বলেন, ২৩শে জুন শুধুমাত্র একটি তারিখ নয়, এটি আমাদের জাতির জীবনে আত্মমর্যাদা, সার্বভৌমত্ব এবং স্বাধীনতার গুরুত্ব স্মরণ করিয়ে দেওয়ার একটি প্রতীক। এই দিনে আমাদের পূর্বপুরুষদের সংগ্রাম, আত্মত্যাগ এবং ঔপনিবেশিক শাসনের বিরুদ্ধে প্রতিরোধকে স্মরণ করা অত্যন্ত জরুরি।

    ১৭৫৭ সালের ২৩শে জুনের এই ঐতিহাসিক এবং শোকাবহ দিনটিকে ‘পলাশী দিবস’ হিসেবে রাষ্ট্রীয়ভাবে পালন করার জোর দাবি জানান বিপ্লবী পরিষদের আহবায়ক ও সদস্য সচিব। তারা বলেন, এই দাবি বাস্তবায়নের মাধ্যমে জাতি তার অতীত ইতিহাসকে সম্মান জানাবে এবং ভবিষ্যৎ পথচলায় সঠিক দিকনির্দেশনা লাভ করবে।

  • নিষিদ্ধ গোষ্ঠীর অপতৎপরতা রোধে সতর্ক থাকার আহ্বান: নুর-বীন আব্দুর রহমান রাহাত


    নিজস্ব প্রতিবেদক:
    ঢাকা মহানগর পূর্ব ছাত্রদলের গণমাধ্যম বিষয়ক সম্পাদক মোঃ নুর-বীন আব্দুর রহমান রাহাত বলেছেন, দেশে কোনো নিষিদ্ধ বা সহিংস গোষ্ঠী যেন কোনো ধরনের বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে না পারে, সে বিষয়ে প্রশাসনের পাশাপাশি সচেতন নাগরিক ও রাজনৈতিক কর্মীদেরও সতর্ক থাকতে হবে।

    সোমবার এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, “দেশের শান্তি, স্থিতিশীলতা ও জননিরাপত্তা বিঘ্নিত করার যেকোনো অপচেষ্টা প্রতিহত করতে সবাইকে সজাগ থাকতে হবে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি জনগণের সচেতন ভূমিকাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

    তিনি আরও বলেন, “যারা দেশের স্বাভাবিক পরিবেশ নষ্ট করতে চায় কিংবা অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করার চেষ্টা করে, তাদের ব্যাপারে কোনো ধরনের উদাসীনতার সুযোগ নেই। এ বিষয়ে আমাদের অবস্থান অত্যন্ত স্পষ্ট।”
    রাহাত বলেন, “ম্যাসেজ ক্লিয়ার— দেশের শান্তি-শৃঙ্খলা বিনষ্টের কোনো অপচেষ্টাকে একচুলও ছাড় দেওয়া হবে না। আইন ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেকোনো অপতৎপরতার মোকাবিলা করতে হবে।

    তিনি সংশ্লিষ্ট সকল নেতাকর্মী ও সাধারণ জনগণের প্রতি সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সন্দেহজনক বা উসকানিমূলক কোনো কার্যক্রম পরিলক্ষিত হলে তা দ্রুত প্রশাসনের নজরে আনা উচিত।

    বিবৃতিতে তিনি দেশের শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের সহযোগিতা কামনা করেন।

  • ​কিশোরগঞ্জ জেলা কারাগার পরিদর্শনে ডিসি, দিলেন একগুচ্ছ নির্দেশনা

    কটিয়াদী(​কিশোরগঞ্জ)প্রতিনিধি:
    কিশোরগঞ্জ জেলা কারাগারের সার্বিক ব্যবস্থাপনা, বন্দিদের সুযোগ-সুবিধা ও কল্যাণমূলক কার্যক্রম সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন জেলার মান্যবর জেলা প্রশাসক জনাব সোহানা নাসরিন।

    ​আজ (২২জুন) জেলা কারাগার প্রাঙ্গণে পৌঁছালে জেলা প্রশাসককে কারা কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করা হয়।

    ​গার্ড অব অনার গ্রহণ শেষে জেলা প্রশাসক কারাগারের সার্বিক পরিবেশ, বন্দিদের আবাসন ব্যবস্থা, চিকিৎসাসেবা এবং অন্যান্য কল্যাণমূলক কার্যক্রম ঘুরে দেখেন। এ সময় তিনি বন্দিদের জন্য প্রস্তুতকৃত খাদ্যের মান ও রান্নাঘরের পরিচ্ছন্নতা যাচাই করেন।

    ​পরিদর্শনকালে জেলা প্রশাসক কারাবন্দিদের সাথে সরাসরি মতবিনিময় করেন এবং তাদের বিভিন্ন অভিযোগ, সমস্যা ও প্রত্যাশার কথা মনোযোগ সহকারে শোনেন। বন্দিদের উত্থাপিত বিভিন্ন প্রতিকারযোগ্য বিষয়সমূহ দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের তাৎক্ষণিক প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করেন।

    ​জেলা প্রশাসকের বিশেষ নির্দেশনাসমূহ:
    *​খাদ্যের মান নিয়ন্ত্রণ: বন্দিদের জন্য সরবরাহকৃত খাদ্যের গুণগত মান বজায় রাখা এবং কারা ক্যান্টিনে বিক্রিত পণ্যের মূল্য ও মান নিয়মিত তদারকি করা।

    *​চিকিৎসা নিশ্চিতকরণ: অসুস্থ বন্দিদের যথাযথ চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা, প্রয়োজনীয় ওষুধের পর্যাপ্ত সরবরাহ বজায় রাখা এবং নিয়ম অনুযায়ী পুষ্টিকর খাদ্য সরবরাহ করা।

    *​মানবিক পরিবেশ: বন্দিদের মানবিক মর্যাদা রক্ষা এবং সংশোধনমুখী পরিবেশ বজায় রাখা।

    ​”কারাগার হোক কার্যকর শোধনাগার”
    ​পরিদর্শন শেষে জেলা প্রশাসক কারা কর্তৃপক্ষকে বন্দিদের পুনর্বাসনমূলক কার্যক্রম আরও জোরদার করার আহ্বান জানান। তিনি প্রত্যাশা ব্যক্ত করে বলেন
    ​”কারাগার কেবল শাস্তি কার্যকরের স্থান নয়, বরং একজন মানুষকে সৎ ও দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে সমাজে ফিরিয়ে দেওয়ার একটি কার্যকর শোধনাগার। এই লক্ষ্য অর্জনে কারা কর্তৃপক্ষের আন্তরিকতা, দায়িত্বশীলতা ও মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি অব্যাহত রাখতে হবে।”
    ​কারাগার পরিদর্শনের সময় জেলা প্রশাসন ও কারা কর্তৃপক্ষের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

  • যশোরে সম্পন্ন হলো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও ফ্যাক্ট চেকিং বিষয়ক ৩ দিনের প্রশিক্ষণ


    যশোর প্রতিনিধি:প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশের আয়োজনে যশোরে তিন দিনব্যাপী ‘মাল্টিমিডিয়া, এআই ও ফ্যাক্ট চেকিং’ বিষয়ক সাংবাদিকতা প্রশিক্ষণ কর্মশালা শেষ হয়েছে।

    সোমবার (২২ জুন) বিকালে যশোর প্রেসক্লাব মিলনায়তনে এই সমাপনী ও সনদপত্র বিতরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন ন্যাশনাল এডিটর কাউন্সিলের সদস্য শান্তনু ইসলাম সুমিত।

    তিনি বলেন, তথ্যপ্রযুক্তির যুগে ভুল তথ্য ও গুজব প্রতিরোধে সাংবাদিকদের জন্য মাল্টিমিডিয়া, এআই এবং ফ্যাক্ট চেকিংয়ের কৌশল জানা অত্যন্ত জরুরি।

    এই প্রশিক্ষণ সাংবাদিকদের পেশাগত মানোন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলেও অভিমত ব্যক্ত করেন তিনি। এসময় তিনি ভুয়া ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচারণা মোকাবিলায় গণমাধ্যমকে আরও দায়িত্বশীল ও সতর্ক থাকার আহ্বান জানান।

    অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালী যুক্ত হয়ে বক্তব্য রাখেন পিআইবির মহাপরিচালক ফারুক ওয়াসিফ। প্রেস ক্লাব যশোরের সাধারণ সম্পাদক তৌহিদুর রহমানের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন পিআইবির প্রশিক্ষক সাহানোয়ার সাইদ শাহীন, যশোরের সাংবাদিক সাইফুল ইসলাম সজল, মহসিন মিলন প্রমুখ। তিন দিনের প্রশিক্ষণ কর্মশালায় দুটি ব্যাচে জেলা ও উপজেলার ৭০ জন গণমাধ্যমকর্মী অংশ নেন।

    এর আগে, গত শনিবার তিন দিনব্যাপী এই গুরুত্বপূর্ণ প্রশিক্ষণ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছিলেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।

  • সেনাবাহিনী পিক-আপ ভ্যানের সাথে ঔষধ কোম্পানী কাভার ভ্যানের সংঘর্ষ

    খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি:
    খাগড়াছড়ি-চট্টগ্রাম সড়কের মানিকছড়ি উপজেলার মহামুনি টিলায় সেনাবাহিনীর একটি পিক-আপ ভ্যানের সাথে অ্যারিস্টো ফার্মা ঔষধ কোম্পানির একটি দ্রুতগতির কাভার ভ্যানের সংঘর্ষের ঘটনায় ঘটেছে।

    সোমবার (২২ জুন) সকালে এ দূর্ঘটনা ঘটে। এতে দুটির গাড়ি সামনের অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

    জানা গেছে, সেনাবাহিনীর পিকআপ ভ্যানটি (নম্বর ৯০৩৯) নয়াবাজার আর্মি ক্যাম্পের উদ্দেশ্যে রওনা হয়ে মহামুনি টিলা এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা খাগড়াছড়ি গামী অ্যারিস্টোফার্মা ওষুধ কোম্পানির দ্রুতগতির পিকআপ ভ্যান (ঢাকা মেট্রো-ম-১১-৭৭৩৬) নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে এবং সেনাবাহিনীর গাড়িটিকে সরাসরি সামনে থেকে সজোরে ধাক্কা দেয়।

    এ দুর্ঘটনায় সেনাবাহিনীর পিকআপে থাকা একজন আনসার সদস্য এবং অ্যারিস্টোফার্মা কোম্পানির একজন এসআর (সেলস রিপ্রেজেন্টেটিভ) সামান্য আহত হয়েছে। ঘটনার পরপরই স্থানীয় লোকজন ও নিরাপত্তা রক্ষী বাহিনীর সদস্যরা দ্রুত এগিয়ে এসে আহতদের উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন। দুর্ঘটনার কারণে মহাসড়কে কিছুক্ষণ যানবাহন চলাচলে বিঘ্ন ঘটলেও পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।

  • কুবির বাংলা বিভাগ ও বাংলা একাডেমির আয়োজনে দুই দিনব্যাপী সেমিনার শুরু 


    কুবি প্রতিনিধি: 
    কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগ ও বাংলা একাডেমির যৌথ আয়োজনে ঔপন্যাসিক ও গল্পকার হাসান আজিজুল হক এবং সাহিত্যিক ও সম্পাদক মোহাম্মদ লুৎফর রহমান স্মরণে দুই দিনব্যাপী সেমিনার শুরু হয়েছে।

    সোমবার (২২ জুন) সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ও মানবিক অনুষদের সম্মেলন কক্ষে প্রথম দিনের সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।

    প্রথম দিনের সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সোলায়মান। আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মহীবুল আজীজ। এছাড়াও আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুবির বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. কামরুন নাহার, বাংলা একাডেমির অফিসার শাহ্ মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান এবং বিভাগের অন্যান্য শিক্ষকবৃন্দ।

    সেমিনারে বক্তারা হাসান আজিজুল হকের সাহিত্যকর্ম, দর্শন, মানবতাবোধ ও বাংলা সাহিত্যে তাঁর অবদান নিয়ে আলোচনা করেন। 

    সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক  ড. মোহাম্মদ সোলায়মান বলেন, “হাসান আজিজুল হক বাংলা সাহিত্যের এমন একজন শক্তিমান লেখক, যিনি মানুষের জীবনসংগ্রাম ও সামাজিক বৈষম্য তাঁর গল্প-উপন্যাসে ফুটিয়ে তুলেছেন। তিনি কখনো সস্তা জনপ্রিয়তার জন্য লেখেননি, বরং সত্যকে প্রতিষ্ঠা করার জন্য লিখেছেন।”

    সেমিনারের আলোচক চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. মহীবুল আজিজ বলেন, “আমি বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র ছিলাম। পরবর্তীতে ভালো লাগা ও আগ্রহ থেকেই বাংলা সাহিত্য নিয়ে পড়াশোনা শুরু করি। আমার বিশ্বাস, কোনো বিষয়ে আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে অধ্যয়ন করলে এবং সেই বিষয়ে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনের লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে গেলে সফল হওয়া সম্ভব।”

    বাংলা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ গোলাম মাওলা বলেন, “এম.এ. শ্রেণিতে অধ্যয়নকালে আমার থিসিসের বিষয় ছিল হাসান আজিজুল হকের গল্প। তাঁর প্রথম প্রকাশিত ‘পাতালে হাসপাতালে’ গ্রন্থটির প্রথম সংস্করণের একটি কপি এখনও আমার ব্যক্তিগত সংগ্রহে সংরক্ষিত রয়েছে। একজন পাঠক ও গবেষক হিসেবে এটি আমার জন্য অত্যন্ত মূল্যবান সম্পদ।”

    তিনি আরো বলেন, “হাসান আজিজুল হক তাঁর অসাধারণ গল্প শৈলী, মানবজীবনের গভীর উপলব্ধি এবং সমাজবাস্তবতার অনন্য উপস্থাপনার মাধ্যমে বাংলা সাহিত্যে স্থায়ী আসন লাভ করেছেন। তাঁর সাহিত্যকর্মই তাঁকে আজ সর্বজন পরিচিত ও অনুকরণীয় ব্যক্তিত্বে পরিণত করেছে।”

    প্রথম দিনের সেমিনারের সভাপতি বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. জি. এম. মনিরুজ্জামান বলেন, “দুই দিনব্যাপী এই আয়োজনের উদ্দেশ্য শুধু হাসান আজিজুল হককে স্মরণ করা নয়, বরং তাঁর জীবন ও সাহিত্যকর্ম থেকে শিক্ষা গ্রহণ করা। তিনি জীবনসংগ্রাম, সামাজিক বৈষম্য ও মানবিক সংকটকে সাহিত্যে অসাধারণভাবে তুলে ধরেছেন।”