Author: DBC

  • আশুলিয়ায় সাংবাদিকদের নামে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন

    আশুলিয়ায় সাংবাদিকদের নামে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন

    আলমাস হোসাইন :
    আশুলিয়ায় কর্মরত সাংবাদিকদের নামে দায়ের করা মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে সাভার ও আশুলিয়ার গণমাধ্যমকর্মীরা।

    বুধবার (৫ নভেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে আশুলিয়া রাজত্ব সার্কেল ভবনের সামনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

    বক্তারা অভিযোগ করেন, আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কোনো প্রকার প্রাথমিক তদন্ত ছাড়াই সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন চুরির মামলা গ্রহণ করেছেন। এ কাজে সহযোগিতা করেছেন আওয়ামী লীগের ঢাকা জেলা বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক গাজী নাছরীন আক্তার।

    আশুলিয়া প্রেস ক্লাবের সভাপতি লাইজু আহম্মেদ চৌধুরী বলেন,

    সাংবাদিকদের কণ্ঠরোধ করতে চুরির মতো মিথ্যা মামলা দায়ের করা হচ্ছে। আমরা এই হয়রানিমূলক মামলার তীব্র নিন্দা জানাই এবং অনতিবিলম্বে তা প্রত্যাহারের দাবি জানাই। অন্যথায় সাংবাদিক সমাজ বৃহত্তর আন্দোলনে যেতে বাধ্য হবে।

    তিনি আরও জানান, এর আগেও একই ওসির বিরুদ্ধে সাংবাদিকদের নামে মিথ্যা মামলা গ্রহণের অভিযোগ উঠেছে।

    আশুলিয়া প্রিন্ট মিডিয়া জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও নয়া দিগন্তের প্রতিনিধি তুহিন আহমেদ বলেন,

    আমরা শুধুমাত্র জনস্বার্থে তথ্য জানতে চাই, ব্যক্তিগত স্বার্থে নয়। তাই আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দেওয়া হচ্ছে। তবে এতে আমরা ভয় পাব না, আমাদের সাংবাদিকতা থামানো যাবে না।

    এ সময় আশুলিয়া প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ওমর ফারুক, সাংগঠনিক সম্পাদক নজরুল ইসলাম মানিক, যুগ্ম সম্পাদক মশিউর রহমান, প্রচার সম্পাদক মো. শফিউল্লাহসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিকরা বক্তব্য দেন।

    বক্তারা একযোগে হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহার ও নাছরীন আক্তারের বিরুদ্ধে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।

    মানববন্ধনে আশুলিয়া রিপোর্টার্স ইউনিটি, প্রেসক্লাব, প্রিন্ট মিডিয়া জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনসহ সাভার, আশুলিয়া ও ধামরাই অঞ্চলে কর্মরত প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার শতাধিক সাংবাদিক অংশ নেন।

  • কক্সবাজারে মানবসেবার অঙ্গীকার: সম্পাদক আনোয়ার হোসেন আকাশকে শুভেচ্ছা জ্ঞাপন

    কক্সবাজারে মানবসেবার অঙ্গীকার: সম্পাদক আনোয়ার হোসেন আকাশকে শুভেচ্ছা জ্ঞাপন

    মোঃআনজার শাহ

    দৈনিক স্বাধীন সংবাদ পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন আকাশকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়েছেন কক্সবাজারের কৃতি সন্তান মোঃ শাহাদাত হোসেন। তিনি দৈনিক প্রাইভেট ডিটেকটিভ পত্রিকার চট্টগ্রাম বিভাগীয় ব্যুরো চিফ এবং কলাতলীর হানিমুন রিসোর্টের মালিক।
    সম্প্রতি অনুষ্ঠিত এই সৌজন্য সাক্ষাতে উপস্থিত ছিলেন দৈনিক স্বাধীন সংবাদ পত্রিকার কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধি মোঃ আব্দুল গফুর। উষ্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত এ মতবিনিময় সভায় সাংবাদিকতা, সামাজিক দায়বদ্ধতা এবং দেশের ইতিবাচক পরিবর্তনে গণমাধ্যমের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা হয়।
    সম্পাদক মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন আকাশ বলেন, “গণমাধ্যমের শক্তি যখন মানুষের কল্যাণে ব্যবহৃত হয়, তখন সমাজ সত্যিকার অর্থে আলোকিত হয়। তরুণ সাংবাদিকদের অবশ্যই সত্য ও ন্যায়ের পথে থেকে দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা চর্চা করতে হবে।”
    শাহাদাত হোসেন বলেন, “দৈনিক স্বাধীন সংবাদ জাতীয়ভাবে নির্ভরযোগ্য সংবাদ পরিবেশনের যে আস্থা তৈরি করেছে, তা আমাদের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস। আমরা বিশ্বাস করি, সত্যনিষ্ঠ সাংবাদিকতাই পারে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে।”
    এদিকে কক্সবাজারে অসহায় ও গরিব মানুষের পাশে দাঁড়াচ্ছে জনপ্রিয় সামাজিক সংগঠন ‘হেলপ ইথুথ ক্লাব কক্সবাজার’। সংগঠনটি নিয়মিত মানবসেবামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। সংগঠনের সভাপতি আব্দুর রহিম বাবু বলেন, “মানবসেবাই আমাদের মূল লক্ষ্য। মানুষ মানুষের জন্য— এই মহান বিশ্বাস থেকেই আমরা প্রতিদিন মাঠে কাজ করছি। দুস্থ ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।”
    স্থানীয় সচেতন মহল বলছেন, ফুলেল শুভেচ্ছা ও সৌহার্দ্যের এই মুহূর্ত শুধুমাত্র সাংবাদিকতার পেশাগত বন্ধন নয়, বরং সমাজে মানবিকতার আলো ছড়িয়ে দেওয়ার এক অনুপ্রেরণামূলক দৃষ্টান্ত। গণমাধ্যম ও সামাজিক সংগঠনের এমন সহযোগিতা সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তনের পথ সুগম করবে বলে আশা করা যাচ্ছে।

  • বরিশালে সাংবাদিকতার নামে চাঁদাবাজি ও অপসাংবাদিকতা বন্ধে ঐক্যবদ্ধ ৩৫ সংগঠন

    বরিশালে সাংবাদিকতার নামে চাঁদাবাজি ও অপসাংবাদিকতা বন্ধে ঐক্যবদ্ধ ৩৫ সংগঠন

    স্টাফ রিপোর্টার :
    সাংবাদিকতার পবিত্র পেশার নামে দালালি, চাঁদাবাজি, অপসাংবাদিকতা প্রতিরোধে ঐক্যবদ্ধ হয়েছেন বরিশালের পেশাদার সাংবাদিকরা। সোমবার (৩ নভেম্বর ২০২৫) বরিশাল শহরের হোটেল কিংফিশারে আয়োজিত এক জরুরি মতবিনিময় সভায় সাংবাদিকতার নামে অনৈতিক কর্মকাণ্ডের তীব্র প্রতিবাদ জানানো হয়।
    বরিশাল অনলাইন সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি মামুনুর রশীদ নোমানীর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেষ্ঠ সাংবাদিক
    আলম রায়হান।

    সভায় বক্তব্য রাখেন,হাবিবুর রহমান, কাজী জাহাঙ্গীর হোসেন,শেখ শামিম,এস এম আলামিন, এস আলাল, বেল্লাল শিকদার,নাজমুল হক, খান আরিফ, খান বশির, আনোয়ার হোসেন, কামরুল হাসান মৃধা, এনায়েত মোল্লা, সাইফুল ইসলাম খোকন ও ফেরদাউসসহ বরিশালের বিভিন্ন পত্রিকার সম্পাদক, বার্তা সম্পাদক, সিনিয়র রিপোর্টার ও মাঠপর্যায়ের সাংবাদিকরা। বরিশালের পেশাদার সাংবাদিকদের ৩৫টি সংগঠনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত মতবিনিময়
    সভায় বক্তারা বলেন, সাংবাদিকতা সমাজের দর্পণ ও সত্য প্রকাশের মাধ্যম। কিন্তু কিছু ব্যক্তি সাংবাদিকতার নাম ব্যবহার করে সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করছে, তথ্যের নামে ভয়ভীতি দেখিয়ে চাঁদাবাজি করছে যা সাংবাদিকতার নৈতিকতার পরিপন্থী। এ ধরনের অপসাংবাদিকতা রোধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে।
    বক্তারা আরও বলেন, পেশাদার সাংবাদিক সংগঠনগুলোর সমন্বয়ে একটি যৌথ কমিটি গঠন করা হবে, যারা ভুয়া সাংবাদিক চিহ্নিতকরণ, সাংবাদিকতার মান রক্ষা এবং প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।
    সভা শেষে বরিশালের সাংবাদিক সমাজ এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন,
    সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে সাংবাদিকতা আমাদের অঙ্গীকার, আর অপসাংবাদিকতার বিরুদ্ধে লড়াই আমাদের দায়িত্ব।
    এই মতবিনিময় সভার মাধ্যমে বরিশালের সাংবাদিক সমাজে পেশাগত শৃঙ্খলা, নৈতিকতা ও ঐক্যের নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপিত হয়েছে।

  • আশুলিয়া সাবরেজিস্ট্রি অফিসের ছয়জনকে রাষ্ট্রীয় ক্ষতিকারক ব্যক্তি ঘোষণা সনদ স্থগিত, অফিসে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা

    আশুলিয়া সাবরেজিস্ট্রি অফিসের ছয়জনকে রাষ্ট্রীয় ক্ষতিকারক ব্যক্তি ঘোষণা সনদ স্থগিত, অফিসে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা

    আলমাস হোসাইন : ঢাকা জেলা প্রতিনিধি
    আশুলিয়া সাবরেজিস্ট্রি অফিসের ছয়জন সনদধারীকে রাষ্ট্রীয় ক্ষতিকারক ব্যক্তি হিসেবে ঘোষণা করেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। একই সঙ্গে তাঁদের সনদের কার্যকারিতা অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত করা হয়েছে এবং অফিস প্রাঙ্গণে প্রবেশে কড়া নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।

    সোমবার (৩ নভেম্বর) দুপুরে আশুলিয়া সাবরেজিস্ট্রি অফিস থেকে জারি করা এক অফিসিয়াল বিজ্ঞপ্তিতে এই সিদ্ধান্তের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, উল্লিখিত ব্যক্তিদের কর্মকাণ্ড রাষ্ট্রীয় স্বার্থবিরোধী এবং প্রশাসনিক শৃঙ্খলাবিরোধী হওয়ায় এ কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

    স্থগিতকৃত সনদধারীরা হলেন— মো. আলমগীর হোসেন (সনদ নং–১০৮, সাভার), মো. মোতালেব হোসেন (সনদ নং–৪১২, সাভার), অনিক হাসান দিলবর (সনদ নং–৪১৮, সাভার), মো. রেজাউল করিম (সনদ নং–২০৭, সাভার), মো. ফজলুর রহমান (সনদ নং–১৩৮, সাভার) এবং মো. মনসুর রহমান (সনদ নং–১৫, আশুলিয়া)।

    বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, রাষ্ট্রীয় স্বার্থের পরিপন্থী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগের ভিত্তিতে এই প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে এ বিষয়ে সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত তাঁদের অফিসে প্রবেশ সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

    প্রয়োজনে তাঁদের বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ করা হয়েছে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

    একাধিক সূত্র জানায়, সম্প্রতি রেজিস্ট্রি সংক্রান্ত বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ ওঠার পর বিষয়টি তদন্তে আসে। প্রাথমিক অনুসন্ধানে রাষ্ট্রীয় স্বার্থের পরিপন্থী কর্মকাণ্ডের প্রমাণ পাওয়ার পরই এই কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

    স্থানীয় প্রশাসনের এক কর্মকর্তা বলেন, রাষ্ট্রের ক্ষতি হয় এমন কোনো কর্মকাণ্ড বা দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না। আশুলিয়া সাবরেজিস্ট্রি অফিসের পরিবেশ সুশৃঙ্খল রাখতে প্রশাসন কঠোর অবস্থানে রয়েছে।

    এদিকে এই সিদ্ধান্তে এলাকাজুড়ে আলোচনার ঝড় বইছে। স্থানীয়রা প্রশাসনের এমন পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়ে বলছেন, এতে রেজিস্ট্রি অফিসে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বাড়বে।

    শেষ কথা:
    রাষ্ট্রীয় স্বার্থবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িতদের বিরুদ্ধে আশুলিয়া সাবরেজিস্ট্রি অফিসের এমন কঠোর পদক্ষেপ প্রশাসনিক স্বচ্ছতার নতুন দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখা হচ্ছে।

  • পরকীয়ার জেরে অটোরিকশাচালক রাব্বি খুন: ঘাতক স্বামী-স্ত্রী গ্রেপ্তার

    পরকীয়ার জেরে অটোরিকশাচালক রাব্বি খুন: ঘাতক স্বামী-স্ত্রী গ্রেপ্তার

    আলমাস হোসাইন : ঢাকা জেলা প্রতিনিধি
    সাভারের কলমা এলাকায় পরকীয়ার জের ধরে অটোরিকশাচালক ফজলে রাব্বি (২২)-কে হত্যা করে মরদেহ বস্তাবন্দি করে ফেলে রাখার ঘটনায় জড়িত স্বামী-স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

    রবিবার (২ নভেম্বর) দুপুরে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সাভার মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জুয়েল মিয়া।
    এর আগে শনিবার টাঙ্গাইল সদর থানা এলাকার বেলটিয়াবাড়ি থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

    গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন—সাভারের কলমা উত্তরপাড়ার জাকির আলী ভূঁইয়ার ছেলে আবির হোসেন রাতুল (২৩) এবং তার স্ত্রী ফাহিমা আক্তার ইতি (২৩)। ঘটনার পর তারা টাঙ্গাইল শহরে আত্মগোপনে ছিলেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

    নিহত রাব্বি একই এলাকার মৃত ছবদর খানের ছেলে। জীবিকার তাগিদে তিনি অটোরিকশা চালাতেন।

    পুলিশ জানায়, গত ৩০ অক্টোবর বিকেলে উত্তর কলমা এলাকার স্ট্রবেরি বাগানসংলগ্ন জঙ্গল থেকে ফজলে রাব্বির বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় রাব্বির মামা ওহাব আলী (৪০) বাদী হয়ে সাভার মডেল থানায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

    তদন্তে উঠে আসে, রাব্বির সঙ্গে রাতুলের স্ত্রী ইতির অবৈধ সম্পর্ক ছিল। এ ঘটনাতেই ক্ষিপ্ত হয়ে রাতুল পরিকল্পিতভাবে রাব্বিকে হত্যা করে।

    ওসি জুয়েল মিয়া বলেন, পুলিশ ও র‍্যাবের যৌথ অভিযানে টাঙ্গাইল থেকে হত্যাকাণ্ডে জড়িত স্বামী-স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আদালতে তাদের পাঠানো হয়েছে।

  • গাজীপুর-৪ আসনে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যোগ্য প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন প্রত্যাশী ফ.ম. মমতাজ উদ্দিন (রেনু)

    গাজীপুর-৪ আসনে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যোগ্য প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন প্রত্যাশী ফ.ম. মমতাজ উদ্দিন (রেনু)

    স্টাফ রিপোর্টার:

    কাপাসিয়া, গাজীপুর-৪ আসনে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যোগ্য প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন প্রত্যাশী ফ.ম. মমতাজ উদ্দিন (রেনু) আসন্ন জাতীয় ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে কাপাসিয়া-গাজীপুর-৪ আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী। তিনি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার আদর্শে উজ্জীবিত, দেশনায়ক জনাব তারেক রহমান প্রদত্ত ৩১ দফা বাস্তবায়নের মাধ্যমে অন্যায়, সন্ত্রাস ও মাদকমুক্ত আধুনিক কাপাসিয়া গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন। তিনি উপজেলার বারিষাব ইউনিয়নের কীর্তনিয়া গ্রামের ফকির বাড়ির কৃতি সন্তান, জনাব সিরাজ উদ্দিনের ছেলে। তিনি ১৯৬২ সালের ১১ আগস্ট জন্ম গ্রহণ করেন।

    ফ.ম. মমতাজ উদ্দিন (রেনু) বাংলাদেশের রাজনীতিতে দীর্ঘসময় ধরে সক্রিয় ভূমিকা পালন করছেন। তিনি সদস্য, আহ্বায়ক কমিটি, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি), গাজীপুর জেলা; সিনিয়র সহ-সভাপতি, কাপাসিয়া উপজেলা বিএনপি; সাবেক সভাপতি, বারিষাব ইউনিয়ন বিএনপি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ১৯৮৯ থেকে ২০০৩ পর্যন্ত তিনি বারিষাব ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য ছিলেন। ২০০৩ থেকে ২০০৫ পর্যন্ত সিনিয়র সহ-সভাপতি হিসেবে, ২০০৫ থেকে ২০০৯ পর্যন্ত সভাপতি হিসেবে, ২০০৯ থেকে ২০২২ পর্যন্ত সিনিয়র সহ-সভাপতি হিসেবে এবং ২০২৩ থেকে ২০২৫ পর্যন্ত পুনরায় সিনিয়র সহ-সভাপতি হিসেবে কাপাসিয়া উপজেলা বিএনপিতে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি ২০২৫ সালের নবগঠিত আহ্বায়ক কমিটি, গাজীপুর জেলা সদস্য হিসেবেও আছেন।

    ফ.ম. মমতাজ উদ্দিন (রেনু) বলেন, তিনি যদি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন, তাহলে তাঁর নেতৃত্বে কাপাসিয়ার গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, বিদ্যালয়, বিদ্যুৎ সংযোগ, গ্যাস, কাপাসিয়া কলেজ সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, খাল খননসহ অসংখ্য উন্নয়নমূলক কাজ সম্পন্ন করবেন। তিনি উল্লেখ করেন, তিনি বহুবার রাজনৈতিক হামলা ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন, কিন্তু কখনোই নেতৃত্ব, সাংগঠনিক দায়িত্ব ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের সংগ্রাম থেকে পিছু হটেননি। তিনি দলের নেতাকর্মীদের পাশে মানবিক সহানুভূতি নিয়ে দাঁড়িয়েছেন, তাদের চিকিৎসা, আইনি সহায়তা ও আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছেন।

    তিনি আরও বলেন, ভয়াবহ ওয়ান-ইলেভেন বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ইতিহাসের এক কালো অধ্যায়। সে সময়ে তিনি দীর্ঘদিন কারাবরণ করেছেন এবং ভয়াবহ নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমানসহ দলের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে তিনি কারাগারে বন্দি ছিলেন। হামলা-মামলা ও নির্যাতন তাঁকে কখনোই দমিয়ে রাখতে পারেনি; বরং প্রতিকূলতা তাঁকে জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনে আরও দৃঢ় আত্মনিয়োগ করতে অনুপ্রাণিত করেছে।

    ফ.ম. মমতাজ উদ্দিন বলেন, তাঁর প্রেরণা ও রাজনৈতিক দীক্ষা শুরু হয় নবম শ্রেণীতে পড়াকালীন, ১৯৮০ সালে। জাতীয়তাবাদী দলের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান কাপাসিয়ার টেক এলাকায় খাল খননের কর্মসূচিতে হেলিকপ্টার যোগে এসেছিলেন, এবং ভাগ্যক্রমে তিনি সেখানে শহীদ প্রেসিডেন্টের সাথে হাত মেলানোর সুযোগ পেয়েছিলেন। এটি তাঁকে বিএনপির আদর্শ ও শহীদ প্রেসিডেন্টের জীবনাদর্শ ধারণ করে রাজনৈতিক জীবনে কাজ করতে অনুপ্রাণিত করেছে। তিনি মনে করেন, বিএনপির জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড তাঁকে রাজনীতিতে সক্রিয় ভূমিকা নিতে উদ্বুদ্ধ করেছে।

    তিনি আরও বলেন, বর্তমান প্রেক্ষাপটে দেশনায়ক জনাব তারেক রহমান প্রদত্ত ৩১ দফা বাস্তবায়নের মাধ্যমে দুর্নীতি, সন্ত্রাস, মাদকমুক্ত, উন্নয়ন ও অগ্রগতির পথে আধুনিক কাপাসিয়া পুনর্গঠন এবং কাপাসিয়ার জনগণের ভাগ্য পরিবর্তনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে চান। ফ.ম. মমতাজ উদ্দিন (রেনু) উপস্থিত নেতাকর্মী ও সাংবাদিকদের বলেন, “কাপাসিয়ার আপামর জনগণের কল্যাণই আমার রাজনীতির মূল লক্ষ্য। দুর্নীতি, মাদক ও সন্ত্রাসমুক্ত একটি আধুনিক, উন্নত কাপাসিয়া গঠনই হবে আমার সর্বোচ্চ অঙ্গীকার।”

    কাপাসিয়া গাজীপুর-৪ আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশীদের মধ্যে ফ.ম. মমতাজ উদ্দিন (রেনু) কে একজন যোগ্য ক্লিন ইমেজ প্রার্থী হিসেবে মনে করেন সাধারণ ভোটার ও তৃণমূল নেতাকর্মীরা। তাই আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কাপাসিয়া গাজীপুর-৪ আসনটি বিএনপির চেয়ারপার্সন সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে উপহার দেয়ার জন্য নির্বাচনী মাঠে যোগ্য প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন প্রত্যাশী ফ.ম. মমতাজ উদ্দিন (রেনু)। জনমত যাচাই-বাছাই করে বিএনপি থেকে ধানের শীষ প্রতীক প্রদানের জন্য দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ হাইকমান্ডের দৃষ্টি কামনা করেছেন ক্লিন ইমেজের সাধারণ জনগণ ও স্থানীয় নেতাকর্মীরা।

  • কক্সবাজারে ট্যুরিস্ট পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি আপেল মাহমুদ সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে উন্নয়ন মূলক কাজের অগ্রদূত

    কক্সবাজারে ট্যুরিস্ট পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি আপেল মাহমুদ সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে উন্নয়ন মূলক কাজের অগ্রদূত

    স্টাফ রিপোর্টার:

    পর্যটন শহর কক্সবাজারে ট্যুরিস্ট পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি আপেল মাহমুদ জনকল্যাণ এবং নিরাপত্তা বৃদ্ধির মাধ্যমে এলাকায় নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে তিনি কক্সবাজারকে দেশের অন্যতম নিরাপদ পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে নেতৃত্ব দিচ্ছেন।

    ডিআইজি আপেল মাহমুদ দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে পর্যটন পুলিশের কার্যক্রমকে আরও সুসংগঠিত ও জনগণমুখী করার জন্য একাধিক উন্নয়নমূলক উদ্যোগ হাতে নিয়েছেন। নিরাপদ পর্যটন নিশ্চিত করা, স্থানীয় পর্যটকদের সেবা দেওয়া এবং অপরাধ রোধে কার্যকর নীতি গ্রহণের মাধ্যমে তিনি এলাকার সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন।

    স্থানীয়রা বলছেন, “ডিআইজি আপেল মাহমুদ আমাদের এলাকায় নিরাপত্তার মান অনেক উন্নত করেছেন। তার নির্দেশনায় পর্যটকরা নিরাপদ বোধ করছেন এবং স্থানীয় ব্যবসায়ীরা আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে তাদের কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।” পর্যটন শিল্পের উন্নয়নের পাশাপাশি তিনি ট্যুরিস্ট পুলিশের আধুনিকীকরণ এবং প্রশিক্ষণেও জোর দিয়েছেন। নতুন প্রযুক্তি ও উন্নত সরঞ্জাম ব্যবহারের মাধ্যমে পুলিশি কার্যক্রম আরও ফলপ্রসূ হয়েছে।

    তিনি নিয়মিতভাবে স্থানীয় জনগণের সঙ্গে সংলাপ স্থাপন করেন, সমস্যা শুনেন এবং তা সমাধানের জন্য দ্রুত পদক্ষেপ নেন। স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তিনি সমন্বিত কর্মসূচি গ্রহণ করেছেন, যা কক্সবাজারকে নিরাপদ ও সুশৃঙ্খল পর্যটন শহর হিসেবে পরিচিতি দিচ্ছে।

    ডিআইজি আপেল মাহমুদ বলেন, “আমার লক্ষ্য হলো কক্সবাজারকে একটি এমন পর্যটনকেন্দ্র বানানো যেখানে সবাই নিরাপদ, শান্তিপূর্ণ এবং স্বাচ্ছন্দ্যে ভ্রমণ করতে পারবে। সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করাই আমাদের মূল নীতি।”

    তার নেতৃত্বে ট্যুরিস্ট পুলিশ শুধুমাত্র অপরাধ রোধে নয়, পর্যটন সংক্রান্ত সেবা ও সহায়তাতেও জনগণের পাশে রয়েছে। স্থানীয় ব্যবসায়ীরা এবং পর্যটকরা তার কার্যক্রমকে ইতিবাচকভাবে অভিহিত করছেন। এ ছাড়া স্থানীয় সম্প্রদায়ের সঙ্গে সমন্বয় বাড়িয়ে ট্যুরিস্ট পুলিশের কার্যক্রম আরও ফলপ্রসূ হয়েছে।

    বিশ্লেষকরা মনে করেন, কক্সবাজারে পর্যটন নিরাপত্তা, উন্নয়নমূলক কর্মসূচি এবং জনগণমুখী দৃষ্টিভঙ্গির মাধ্যমে ডিআইজি আপেল মাহমুদ একটি নতুন মানদণ্ড স্থাপন করেছেন। সততা, নিষ্ঠা এবং দায়িত্ববোধের সমন্বয়ে তিনি ট্যুরিস্ট পুলিশকে উন্নয়নমূলক ও জনগণমুখী প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলছেন।

    এভাবে ডিআইজি আপেল মাহমুদ কক্সবাজারের পর্যটন শিল্পের নিরাপত্তা ও উন্নয়নের ক্ষেত্রে এক অনন্য উদাহরণ তৈরি করেছেন, যা স্থানীয় জনগণ এবং পর্যটকদের মধ্যে ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

    Post Views: 42

  • দাউদকান্দি উপজেলায় জাতীয় সমবায় দিবস-২০২৫ অনুষ্ঠিত।

    দাউদকান্দি উপজেলায় জাতীয় সমবায় দিবস-২০২৫ অনুষ্ঠিত।

    দাউদকান্দি উপজেলায় জাতীয় সমবায় দিবস-২০২৫ অনুষ্ঠিত।

    রিপোর্টার কুমিল্লা।

    কুমিল্লা দাউদকান্দি উপজেলায় ৫৪ তম জাতীয় সমবায় দিবস-২০২৫ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। উক্ত সভায় সাম্য ও সমতায় দেশ গড়বে সমবায় এই প্রতিপাদ্য কে সামনে রেখে ৫৪ তম সমবায় দিবস উপলক্ষে সারা দেশের ন্যায় দাউদকান্দি উপজেলায় আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আজ শনিবার বেলা ১১ টার দিকে জেলা প্রশাসন ও সমবায় বিভাগের আয়োজনে দাউদকান্দি উপজেলা সম্মেলন কক্ষে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    আলোচনা সভায় দাউদকান্দি উপজেলা সমবায় অফিসার আলমগীর হোসেন এর সভাপতিত্বে ও সঞ্চালনা করেন মনির উদ্দিন সাধারণ সম্পাদক ধানসিড়ি সমবায় সমিতি।

    প্রধান অতিথি ছিলেন জনাবা নাসরিন আক্তার দাউদকান্দি উপজেলা নির্বাহী অফিসার। বিশেষ অতিথি ছিলেন সহকারী কমিশনার ভূমি জনাব রেদয়ান ইসলাম, জনাব গোলাম মহিউদ্দিন মাহমুদ তালুকদার সভাপতি দাউদকান্দি উপজেলা কেন্দ্রীয় সমবায় সমিতি ।

    আরো উপস্থিত ছিলেন মোহাম্মদ বোরহান উদ্দিন ধানসিড়ি সমবায় সমিতি সভাপতি রেহানা আক্তার ক্লাসিক বহুমুখী সমবায় সমিতি , জামাল উদ্দিন সদস্য ধানসিড়ি সমবায় সমিতি , মোহাম্মদ সালাউদ্দিন টাক্টর মালিক সমবায় সমিতি , দাউদাউকান্দি ১৫টি উপজেলার বিভিন্ন সমবায় সমিতির সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও শতাধিক সদস্যগন ও গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও সাংবাদিকগণ উপস্থিত ছিলেন।

    এসময় বক্তারা বলেন , সমবায়ভিত্তিক অর্থনৈতিক কার্যক্রম পরিচালনার মাধ্যমে একটি আত্মনির্ভরশীল বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব। ‘বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার সমবায় খাতকে আধুনিক ও গতিশীল করতে নানামুখী উদ্যোগ নিয়েছে। কৃষি, মৎস্য, পশুপালন, সঞ্চয় ও ঋণদান এবং কুটিরশিল্প প্রভৃতি ক্ষেত্রে সমবায়ভিত্তিক অর্থনৈতিক কার্যক্রম পরিচালনার মাধ্যমে একটি আত্মনির্ভরশীল বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব বলে ব্যক্ত করেন।

  • পিরোজপুরে ধাওয়া ইউনিয়নের সচিব শ্যামল বড়ালের বিরুদ্ধে কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগ

    স্টাপ রিপোর্টার:পিরোজপুর জেলার ভান্ডারিয়া উপজেলার দাওয়া ইউনিয়ন পরিষদের অতিরিক্ত দায়িত্ব সচিব শ্যামল বড়ালের বিরুদ্ধে কোটি টাকার অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, তিনি সরকারি বরাদ্দ ও তহবিলের অর্থ অপব্যবহার করে ব্যক্তিগতভাবে লাভবান হচ্ছেন। এই অভিযোগে এলাকায় চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে, এবং শ্যামল বড়ালের বিরুদ্ধে দ্রুত তদন্ত ও শাস্তির দাবি তুলেছেন ভুক্তভোগীসহ সাধারণ জনগণ।

    স্থানীয় সূত্র জানায়, শ্যামল বড়াল ভান্ডারিয় সদর গৌরিপুর ইউনিয়নের সচিব থাকাকালীন দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন প্রকল্পের বরাদ্দ থেকে অর্থ আত্মসাৎ করে আসছেন। বিশেষ করে রাস্তা নির্মাণ, সেচ প্রকল্প ও অনুদান প্রদানের ক্ষেত্রে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, সরকারি বরাদ্দে প্রকৃত সুবিধাভোগীরা বঞ্চিত হলেও, ঘনিষ্ঠ মহল ও স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী এসব তহবিল থেকে লাভবান হচ্ছে। বর্তমানে তিনি দাওয়া ইউনিয়ন পরিষদের অতিরিক্ত দায়িত্বে সচিব হিসেবে কর্মরত।

    এ প্রসঙ্গে অভিযুক্ত অতিরিক্ত দায়িত্ব সচিব শ্যামল বড়ালের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি বলেন আমি এখানে নতুন এসেছি। তবে ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান টুলু ডাকুয়া ও তার সহযোগী মিরাজের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রয়েছে বলে শুনেছি।

    সূত্র মতে, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় এদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাস ও দুর্নীতির নানা অভিযোগ উঠলেও তা ধামাচাপা পড়ে যায়।

    এ বিষয়ে একাধিক ভুক্তভোগী দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। দুদক সূত্রে জানা গেছে, শ্যামল বড়াল পূর্বে মিরাজ ও মহারাজের দুর্নীতির প্রত্যক্ষ সাক্ষী ছিলেন। তদন্ত কর্মকর্তারা মনে করছেন, শ্যামল বড়ালকে গ্রেপ্তার করে জিজ্ঞাসাবাদ করলে প্রকৃত তথ্য বেরিয়ে আসবে।

    দুর্নীতির এই অভিযোগে দাওয়া ইউনিয়নে নেমেছে চাঞ্চল্য, এবং সচিবের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন সচেতন নাগরিকরা।

    লোকমুখে এখন একই কথা, গৌরিপুর ইউনিয়ন খেয়ে এখন আসছে দাওয়া ইউনিয়ন খেতে।

  • রাজাপুর-কাঁঠালিয়া উন্নয়ন ফোরামের কমিটি গঠন সভাপতি আবু ইউসুফ সেক্রেটারি জসীম উদ্দীন

    রাজাপুর-কাঁঠালিয়া উন্নয়ন ফোরামের কমিটি গঠন সভাপতি আবু ইউসুফ সেক্রেটারি জসীম উদ্দীন

    ঝালকাঠি প্রতিনিধি:
    ঝালকাঠি জেলার সংসদীয় আসন ১২৫ ঝালকাঠি-১ আসনের উন্নয়নের জন্য রাজাপুর-কাঁঠালিয়া উন্নয়ন ফোরাম নামে একটি সংগঠনের আত্মপ্রকাশ করেছে। একই দিনে ওই সংগঠনের কমিটিও গঠন করা হয়।

    গত ১৫ অক্টোবর বুধবার বেলা ১১ টায় সংগঠনের রাজাপুরের অস্থায়ী কার্যালয়ে এ কমিটি গঠন অনুষ্ঠিত হয়।

    রাজাপুর-কাঁঠালিয়া উপজেলার বিভিন্ন শ্রেণী পেশার লোকদের নিয়ে সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সাধারণ সভায় সকলের মতামতের ভিত্তিতে ঝালকাঠি জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির এডভোকেট হাফিজুর রহমানকে সংগঠনের প্রধান উপদেষ্টা করে মাওলানা মোঃ আবু ইউসুফকে সভাপতি নির্বাচিত করা হয় এবং মাওলানা মোঃ জসিম উদ্দিনকে সেক্রেটারি মনোনীত করা হয়। এছাড়াও ১৫১ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি করা হয়।

    ঝালকাঠি -১ (রাজাপুর- কাঁঠালিয়া) আসনের দল-মত, জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সকল শ্রেণী পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন।

    সংসদীয় আসন ঝালকাঠি-১ এর দুই উপজেলার বিভিন্ন সেক্টরে পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা করা হয়।