Author: DBC

  • চট্টগ্রাম বিআরটিএ অফিসে দুর্নীতির শাসন চালাচ্ছেন আব্দুল মতিন

    চট্টগ্রাম বিআরটিএ অফিসে দুর্নীতির শাসন চালাচ্ছেন আব্দুল মতিন

    স্টাফ রিপোর্টার:

    বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)-এর চট্টগ্রাম মেট্রো-২ অফিসের মালিকানা বদল শাখায় অব্যাহত রয়েছে দাপট ও দুর্নীতির রাজত্ব। এখানে সহকারী মোটরযান পরিদর্শক আব্দুল মতিন সিন্ডিকেটের মাধ্যমে অফিসের যাবতীয় কার্যক্রম এককভাবে নিয়ন্ত্রণ করে আসছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

    স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আব্দুল মতিন পূর্বে যশোর ও পিরোজপুর বিআরটিএ অফিসেও একই কৌশলে নিজের আধিপত্য বিস্তার করে কোটি কোটি টাকার অনিয়ম করেছে। সেই অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে এখন চট্টগ্রাম অফিসে একই প্যাটার্নে সিন্ডিকেট গড়ে তোলেন এবং দৌরাত্ম্য চালাচ্ছেন। চট্টগ্রামে মোটরযান পরিদর্শকের দায়িত্ব পালনকারী অন্যান্য কর্মকর্তাদের কার্যক্রমও মূলত তার নিয়ন্ত্রণাধীন বলে জানা গেছে।

    ভুক্তভোগীরা জানান, যশোর ও পিরোজপুরে মোটরযান পরিদর্শকের পদ শূন্য থাকায় তিনি নিজেই সকল কাজ দেখাশোনা করতেন, আর কারো মাথায় হাত তোলা হত না। এই সব সুযোগ-সুবিধা তাকে দিয়েছে তার ক্ষমতাধর রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতা। তার ঘনিষ্ঠ আত্মীয় তথা আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী নেতা এডি হবিগঞ্জ আব্দুর রশিদের নাম তার পেছনে জড়িয়ে রয়েছে। স্থানীয়রা দাবি করেন, এডি হবিগঞ্জই তার ‘ক্লোজ রিলেটিভ’ এবং সেই সম্পর্কের জোরে আব্দুল মতিন এ অবস্থানে রয়েছে।

    সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষ জানায়, এখানে নিয়ম কানুন না মেনেই তাদের বিভিন্ন অজুহাতে হয়রানি করা হয়। কেউ যদি সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেন, তাদের হুমকি-ধামকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। এছাড়া দুর্নীতির মাধ্যমে নিজের জন্য গড়ে তুলেছেন বহুমূল্য স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ। চাকরি ও বদলির নামে তদবির ব্যবসাও চালাচ্ছেন আব্দুল মতিন, যেখানে ঘুষের বিনিময়ে বিভিন্ন কর্মকর্তা-কর্মচারীকে ইচ্ছেমতো বদলি করিয়ে দেন।

    অভিযোগের সত্যতা জানতে চেয়ে মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে আব্দুল মতিন বেশ কিছু অভিযোগ স্বীকার করেছেন বলে জানা গেছে।

    চট্টগ্রাম থেকে আমাদের প্রতিবেদক এই বিষয়ে বিস্তারিত অনুসন্ধান চালিয়ে যাচ্ছে। আগামী সংখ্যায় আরও বিস্তৃত প্রতিবেদন প্রকাশ করা হবে। দুর্নীতিবাজ এই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি সাধারণ মানুষের। কারণ, দীর্ঘদিনের এই অনিয়ম ও দুর্নীতির কারণে সেবা নিতে গিয়ে তারা চরম দুর্ভোগে পড়ছেন।

    চট্টগ্রাম বিআরটিএ অফিসের দুর্নীতির বিরুদ্ধে পদক্ষেপ না নিলে সড়ক পরিবহন ব্যবস্থার স্বচ্ছতা ও সাধারণ মানুষের স্বার্থ ক্ষুণ্ণ হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

    ;

  • মিরপুর বিআরটিএ শাখায় ঘুষ ও দুর্নীতির মহোৎসব

    মিরপুর বিআরটিএ শাখায় ঘুষ ও দুর্নীতির মহোৎসব

    স্টাফ রিপোর্টার: 

    ঢাকার মিরপুর বিআরটিএ’র মালিকানা বদলের শাখাটি এখন যেন ঘুষবাজদের জন্য এক বৈধ কারখানা। এর মূল নিয়ন্ত্রক হিসেবে উঠে আসছেন সহকারী পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ার) শেখ মোঃ রাজীবুল ইসলাম। দীর্ঘ বছর ধরে রাজনৈতিক পরিচয়কে ঢাল বানিয়ে, তিনি রাষ্ট্রের সম্পদ লুটপাট করে ব্যক্তিগত সাম্রাজ্য গড়েছেন। ‘সেবা’ বলতে এখানে বোঝানো হয় জনগণের শোষণ ও হয়রানি। রাজীবুল ইসলামের অফিস এখন ঘুষ ও দালালের নির্ভর এক দুর্গ, যেখানে টাকা না দিলে কোনো কাজ হয় না। সাধারণ মানুষকে দিনের পর দিন ঘুরিয়ে ফেলে কাগজপত্রের মধ্যে আটকে রাখা হয়, আর দালালদের মাধ্যমে বড় অংকের টাকা দিলে কয়েক ঘণ্টার মধ্যে কাজ সম্পন্ন হয়। অফিসে দালালদের আনাগোনা অবাধে, যেখানে সবুজ, জিকু বাবু, সজীব, রাশেদ সোহেল, মিলন প্রমুখ নতুন দালালদের নিয়ে ঘোরাফেরা করেন। প্রতিটি গাড়ির মালিকানা বদলের জন্য তারা হাজার হাজার টাকা নিয়ে থাকে, যার অধিকাংশই রাজীবুল ইসলামের পকেটে যায়।

    রাজনৈতিক ছায়ায় এই দুর্নীতি আজ একটি জাল সৃষ্ট করেছে। একজন সরকারি কর্মকর্তা হলেও, রাজীবুল ইসলাম নিজেকে সব কিছু থেকে উপরে মনে করেন। আওয়ামী লীগের পরিচয় কাজে লাগিয়ে বছরের পর বছর দুর্নীতি চালিয়ে যাচ্ছেন, কোনো জবাবদিহিতা নেই। তার নামে ও স্ত্রীর নামে রাজধানীর বিভিন্ন অভিজাত এলাকায় ফ্ল্যাট, প্লট ও দামি গাড়ি থাকা সত্ত্বেও তার সরকারি বেতন সেই দামী সম্পদের সাথে মেলেনা। আইন অন্ধ নাকি প্রশাসনের পৃষ্ঠপোষকতা, প্রশ্নটা এখন সাধারণ মানুষের মুখে মুখে। এই দুর্নীতিবাজকে রক্ষা করতে এমনকি দুর্নীতি দমন কমিশনও নীরব। নিয়মিত অনুসন্ধান করলে তার ব্যাংক হিসাব, স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ এবং ক্যাশ লেনদেন থেকে কোটি টাকার দুর্নীতির তথ্য সামনে আসবে।

    সচেতন মহল দাবী করছেন, শেখ মোঃ রাজীবুল ইসলাম শুধু ঘুষখোর নয়, তিনি বিআরটিএ’র দুর্নীতির সিন্ডিকেটের শীর্ষ নেতা। তাকে দ্রুত অপসারণ করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনা উচিত। প্রধান উপদেষ্টা, দুদক এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে এই বিষয়ে হস্তক্ষেপ করতে হবে।

    (পর্ব ১) বিস্তারিত শীঘ্রই…

    ;

  • টাঙ্গাইলে এটিএন বাংলার ক্যামেরা পারসন সুজনকে পিটিয়ে হত্যার চেষ্টা

    টাঙ্গাইলে এটিএন বাংলার ক্যামেরা পারসন সুজনকে পিটিয়ে হত্যার চেষ্টা

    টাঙ্গাইল প্রতিনিধি: 

    টাঙ্গাইলে এটিএন বাংলার ক্যামেরা পারসন সুজন মিয়াকে পিটিয়ে হত্যা চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার চর পাকুল্যা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
    এ ঘটনায় রাতে আহত সুজন মিয়া টাঙ্গাইল সদর থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। লিখিত অভিযোগে জানা যায়, শুক্রবার বিকেলে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার চর পাকুল্যা গ্রামে হাডুডু খেলা খেলা চলছিলো। এসময় সুজন মিয়া খেলার নিউজ কাভার করছিলেন। এক পর্যায়ে খেলার রেফারীর ছেলে রোমান সুজনকে অশ্লীল গালিগালাজ করে।
    সুজন এর প্রতিবাদ করলে রোমান প্রথমে মুখে এলোপাথারী ভাবে কিল ও ঘুষি মারে। পরে আরো কয়েকজন মিলে সুজনকে বাঁশের লাঠি দিয়ে এলোপাথারীভাবে শরীরের বিভিন্নস্থানে পিটাতে থাকে। এসময় সুজনের গলায় থাকা স্বর্ণের চেইন ছিনিয়ে নেয় তারা। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় টাঙ্গাইল সদর হাসপাতালে গিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা নেয় সুজন।
    এ ব্যাপারে এটিএন বাংলার ক্যামেরা পারসন সুজন মিয়া বলেন, খেলার নিউজ কাভারের এক পর্যায়ে হঠাৎ করেই আমাকে হত্যার উদ্দেশ্য পিটিয়ে আহত করা হয়েছে। বিষয়টি পূর্ব পরিকল্পিত মনে হয়েছে আমার।
    এক পর্যায়ে আমাকে হত্যা করে লাশ গুম করে ফেলার হুমকি দেয় তারা। আমি এ ঘটনায় নিরাপত্তাহীনতায় ভুগিতেছি। আমি দোষীদের গ্রেপ্তারের দাবি করছি। এ ব্যাপারে টাঙ্গাইল সদর থানার ওসি তানভীর আহমেদ বলেন, অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

    ;

  • পার্বত্য অঞ্চল নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র চালানো হচ্ছে: সালাহউদ্দিন

    পার্বত্য অঞ্চল নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র চালানো হচ্ছে: সালাহউদ্দিন

    বাংলাদেশ ক্রাইম ডেস্ক:

     

    পার্বত্য অঞ্চল নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র চালানো হচ্ছে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, এই ষড়যন্ত্র যাতে সফল না হয় সেজন্য সবাইকে সজাগ থাকতে হবে এবং অখন্ড বাংলাদেশ ও ‘সবাই বাংলাদেশি’ এই পরিচয়কে দৃঢ়ভাবে ধারণ করতে হবে।

    শনিবার (৯ আগস্ট) দুপুরে রাজধানীর সিআরডিএফ মিলনায়তনে আয়োজিত আদিবাসী, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠি ও জাতীয় নিরাপত্তা বিষয়ক গোলটেবিল বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন।

    সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, “দেশকে শক্তিশালী রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তুলতে সব নৃগোষ্ঠী, উপজাতি, আধা উপজাতিসহ সবাইকে বাংলাদেশি হতে হবে। একটি জাতি গঠনে ভাষা, একক সংস্কৃতি ও ধর্মই প্রধান বিষয় নয়; বরং বিভিন্ন ভাষাভাষী, ধর্মাবলম্বী ও ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর সম্মিলিত উপস্থিতিই জাতির পরিচয় দেয়।”

    তিনি আরও বলেন, “পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীকে সমাজের মূল স্রোতে আনতে কোটা ব্যবস্থা রাখা হয়েছে, যাতে তারা প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে না পড়ে। এটি বিশ্বের প্রায় সব দেশে রয়েছে এবং আগামী ৫০-১০০ বছর পর হয়তো এর প্রয়োজন থাকবে না।”

    বিএনপির এই নেতা উল্লেখ করেন, “বিগত সময়ে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এই জাতিকে বিভক্ত করার মানসিকতা দেখা গেছে। স্বাধীনতার ৫০ বছর পরও বিভিন্ন পক্ষ-বিপক্ষের কথায় আমাদের বিভক্ত করা হয়েছে। যারা মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষে ছিল বলে আলাদা করতে চেয়েছিল, তারাও বিজয়ের পর তা অস্বীকার করেনি।”

    তিনি ফ্যাসিবাদবিরোধী ঐক্য নষ্ট না হওয়ার জন্য সতর্ক থাকার কথাও বলেন।

    ;

  • ডেমরায় যুবদলের বৃক্ষরোপণ ও বিএনপির ৩১ দফা লিফলেট বিতরণ কর্মসূচি সম্পন্ন

    ডেমরায় যুবদলের বৃক্ষরোপণ ও বিএনপির ৩১ দফা লিফলেট বিতরণ কর্মসূচি সম্পন্ন

    বাংলাদেশ ক্রাইম ডেস্ক: 

    ঢাকার ডেমরা থানা ৬৯ নম্বর ওয়ার্ডে বাংলাদেশের পরিবেশ ও রাজনীতির পাশাপাশি সাধারণ জনগণের মধ্যে রাজনৈতিক সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে যুবদলের বিশেষ একটি কর্মসূচি গতকাল (৯ আগস্ট) সফলভাবে আয়োজন করা হয়। ডেমরা থানার যুবদলের এই উদ্যোগের মূল অংশ ছিল বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) কর্তৃক প্রণীত ৩১ দফা কর্মসূচির রূপরেখাসম্পন্ন লিফলেট বিতরণ।

    পরিবেশ রক্ষায় সচেতনতা সৃষ্টি ও সামাজিক দায়বদ্ধতা বৃদ্ধি করা এই কর্মসূচির প্রধান লক্ষ্য হলেও রাজনৈতিক গুরুত্বেও এর বিশেষ তাৎপর্য ছিল। বিশেষত বিএনপির ৩১ দফা কর্মসূচির মূল বার্তাগুলো সাধারণ জনগণের কাছে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে লিফলেট বিতরণ কার্যক্রম সম্পাদিত হয়। ডেমরা থানা বিএনপির বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা এ অনুষ্ঠানে সক্রিয় অংশগ্রহণ করেন।

    ডেমরা থানা বিএনপির প্রস্তাবিত নেতা মোঃ আনিসুজ্জামান ও যুবদলের আহ্বায়ক ডা. রফিকের নেতৃত্বে আয়োজিত বৃক্ষরোপণ ও লিফলেট বিতরণ অনুষ্ঠানে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন এবং পুরো কর্মসূচিকে সাফল্যমণ্ডিত করতে কাজ করেছেন।

    বৃহত্তর জনগণের কল্যাণ ও পরিবেশের টেকসই সংরক্ষণে সংগঠিত এই কর্মসূচিতে বিশেষ বক্তব্য রাখেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণের ডেমরা থানা বিএনপির অভিভাবক, জাতীয়তাবাদী দলের বিশিষ্ট নেতা আলহাজ্ব নবী উল্লাহ নবী। তিনি বৃক্ষরোপণের প্রয়োজনীয়তা ও গুরুত্বের ওপর জোর দিয়ে বলেন,
    “গাছ লাগান, পরিবেশ বাঁচান—এটি শুধু পরিবেশ নয়, দেশের ভবিষ্যতের প্রতি আমাদের দায়বদ্ধতা। আমাদের নেতাকর্মীরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে দেশের স্বার্থ রক্ষায়, মাটির সম্মান রক্ষায় কাজ করতে হবে।”

    তিনি আরও বলেন,
    “বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ জিয়াউর রহমানের ১৯ দফা, দলের চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার ‘ভিশন ২০৩০’ এবং ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সংশোধিত ২৭ দফার রূপরেখার সফল বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশের দুর্নীতি দমন, সংবিধান ও সংস্থাগুলোর সুষ্ঠু কার্যক্রম নিশ্চিতকরণ, বেকার ভাতা প্রদানের মাধ্যমে রাষ্ট্র কাঠামোর সংস্কার এবং গণতান্ত্রিক ও অর্থনৈতিক মুক্তি অর্জনের ক্ষেত্রে বড় অগ্রগতি সম্ভব হবে।”

    নবী উল্লাহ নবী উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করেন, “২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচনে ৫ আসনে জনতার অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সফল এমপি নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে তিনি (বিএনপি) মানুষের কল্যাণে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। তাই তিনি সকল গণমানুষের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছেন, ‘ধানের শীষ’ প্রতীকে ভোট দিয়ে দেশের সঠিক নেতৃত্ব গঠনে সহযোগিতা করার জন্য।”

    কর্মসূচির শেষ পর্যায়ে অংশগ্রহণকারীদের মাঝে বিএনপির ৩১ দফার রূপরেখাসহ উন্নয়নমুখী বার্তা সংবলিত লিফলেট বিতরণ করা হয়, যা সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলে। এই উদ্যোগ থেকে প্রত্যাশা করা হচ্ছে, পরিবেশ সচেতনতা ও রাজনৈতিক স্বচ্ছতা বৃদ্ধি পাবে এবং সাধারণ মানুষের মাঝে দলের মুল্যবোধ ও অঙ্গীকার ব্যাপকভাবে পৌঁছাবে।

    ;

  • ওয়াহিদুজ্জামান দিপুর ছোঁয়াতে বদলাতে পারে বাগেরহাট -১ আসনের জনগণের ভাগ্য

    ওয়াহিদুজ্জামান দিপুর ছোঁয়াতে বদলাতে পারে বাগেরহাট -১ আসনের জনগণের ভাগ্য

    এইচ এম হাকিম:


    আওয়ামী লীগ সরকারের পালা বদলের পর সুস্থ ধারার রাজনীতি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে আসন্ন এয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে সকল দলের প্রার্থীরা মাঠ গুছাতে সক্রিয় হয়ে উঠেছে।

    সারা দেশের ন্যায় বাগেরহাট-১ আসনে মাঠ গোছাতে ব্যস্ত সময় পার করছেন বাগেরহাট আইনজীবী সমিতির বারংবার নির্বাচিত সভাপতি, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য, বারংবার কারাবরণকারী বিএনপি নেতা শেখ ওয়াহিদুজ্জামান দিপু।
    বাগেরহাট জেলা বিএনপি সহ তৃণমূল পর্যায়ের নেতা কর্মীদের মাঝে দলীয় শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে নিরলসভাবে ভূমিকা পালন করে চলেছেন শেখ ওয়াহিদুজ্জামান দিপু।

    বাগেরহাট-১ (ফকিরহাট, মোল্যাহাট, চিতলমারী) উপজেলার বিএনপি নেতা-কর্মীসহ সাধারণ মানুষের মাঝে দল-মত নির্বিশেষে মানবতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করে সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের কাছে মানবতার ফেরিওয়ালা হিসেবে খেতাব অর্জন করতে সক্ষম হয়েছেন শেখ ওয়াহিদুজ্জামান দিপু।

    তার রাজনৈতিক দীর্ঘ ক্যারিয়ারে বিএনপির জন্য ত্যাগ স্বীকার এবং এলাকায় মানবিক দৃষ্টান্ত স্থাপনের কারণে এবারের এয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি থেকে শেখ ওয়াহিদুজ্জামান দিপুকে মনোনয়ন দেওয়ার জন্য দাবি জানিয়েছেন বাগেরহাট-১ আসনের বাসিন্দারা।
    যদি এবারও শেখ ওয়াহিদুজ্জামান দিপুকে বিএনপি থেকে মনোনয়ন দেওয়া হয়, তবে তাকে বিপুল ভোটে নির্বাচিত করে বিএনপিকে বাগেরহাট-১ আসন উপহার দেবেন বলে জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

    এ বিষয়ে ফকিরহাট উপজেলার আব্দুর রাজ্জাক নামের এক মৎস চাষি জানিয়েছেন, “শেখ ওয়াহিদুজ্জামান দিপু ভাই আমাদের এলাকার সন্তান। বিগত দিনগুলোতে কেউ বিপদে পড়লে তার কাছে গেলে তিনি কাউকে খালি হাতে ফেরত দিয়েছেন এমন নজির খুব কম আছে। তিনি দল-মত নির্বিশেষে মানবসেবায় কাজ করে চলেছেন।”

    এ বিষয়ে চিতলমারী উপজেলার কৃষক আব্দুর রহিম বলেন, “দিপু ভাই সব সময় বাগেরহাটবাসীর স্বার্থ রক্ষার্থে রাজনীতি করেন। তিনি অন্য রাজনৈতিক নেতাদের মতো নন। তার কাছ থেকে সকল প্রকার আইনি সুযোগ-সুবিধা বিনা মূল্যেই ভোগ করা যায়। তিনি যদি বিএনপি থেকে মনোনয়ন পান, জনগণ তাকে বিপুল সংখ্যক ভোট দিয়ে নির্বাচিত করবে। ২০০৮ সালে তিনি শেখ হাসিনার বিপক্ষে বিএনপি থেকে প্রার্থী হয়ে ধানের শীষ প্রতীকে বিপুল ভোট পেয়েছেন। জুলুমকারী হাসিনার পতন হয়েছে। ঐ সময়ে দিপু ভাই শেখ পরিবারের অনেক নির্যাতন সহ্য করেছেন। তাই বিএনপির জাতীয় পর্যায়ের নেতাদের কাছে দাবী একটাই, এবারও শেখ ওয়াহিদুজ্জামান দিপুকে বিএনপি থেকে দলীয় মনোনয়ন দেওয়া হোক।”

    মোল্যাহাটের ছাত্রনেতা ফুরকান বলেন, “শেখ ওয়াহিদুজ্জামান দিপু বিগত দিনে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় থাকার সময় নেতা-কর্মিদের নামে যতো মামলা হয়েছিল সব তিনি নিজ খরচে মেকাবিলা করেছেন এবং নেতা-কর্মিদের পরিবারের খোঁজ খবর নিয়েছেন, এখনো নিচ্ছেন। বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য শেখ ওয়াহিদুজ্জামান দিপু ভাই আমাদের বাগেরহাট-১ আসনের এমপি হলে তিনি জনগণের জন্য আরও ভালোভাবে কাজ করতে পারবেন বলে আশা করি।”

    ফকিরহাট, মোল্যাহাট, চিতলমারী উপজেলার বিএনপি সহ সহযোগী অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীদের সাথে নিয়ে বাগেরহাট-১ আসনের নেতা-কর্মীদের সাথে কাজ করে চলেছেন শেখ ওয়াহিদুজ্জামান দিপু।

    বাগেরহাট-১ আসনের এলাকাবাসী দলের হাইকম্যান্ডের কাছে দাবি তুলেছেন শেখ ওয়াহিদুজ্জামান দিপুকে এয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি থেকে দলীয় মনোনয়ন দেওয়ার জন্য।
    এয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অ্যাডভোকেট শেখ ওয়াহিদুজ্জামান দিপু কি পেতে পারেন বিএনপির দলীয় মনোনয়ন!!

    ;

  • আগামী দিনে দেশ পরিচালনার সবচেয়ে বেশি সম্ভাবনা বিএনপির: তারেক রহমানের প্রত্যাশা

    আগামী দিনে দেশ পরিচালনার সবচেয়ে বেশি সম্ভাবনা বিএনপির: তারেক রহমানের প্রত্যাশা

    বাংলাদেশের ক্রাইম ডেস্ক:

     বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান আগামী দিনে দেশের নেতৃত্ব দানের সবচেয়ে বেশি সম্ভাবনা দলটির রয়েছে বলে আশা প্রকাশ করেছেন। শনিবার (৯ আগস্ট) রাজধানীর কাকরাইলে উইলস লিটল ফ্লাওয়ার স্কুল প্রাঙ্গণে ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) জাতীয় সম্মেলনে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

    তারেক রহমান বলেন, “মানুষ বিএনপির কাছে তাদের প্রত্যাশার কথা তুলে ধরে। তারা বিশ্বাস করে, বিএনপি যথাযথ উদ্যোগ গ্রহণ করবে। আগামী দিনে দেশের পরিচালনার দায়িত্ব নেওয়ার সবচেয়ে বেশি সম্ভাবনা বিএনপির রয়েছে, অবশ্যই একটি নির্বাচনের মাধ্যমে। এজন্য জনগণ বিএনপির কাছ থেকে ভালো কিছু এবং পরিবর্তনের প্রত্যাশা করে। আমাদের সেই শুরুটা করতে হবে।”

    তিনি আরও বলেন, “গত ৫ আগস্ট বাংলাদেশে বহুল প্রত্যাশিত একটি পরিবর্তন এসেছে। ওই দিন দেশের মানুষ যেন বুক ভরে শ্বাস নিতে পেরেছে।”

    নিজেকে কার্ডিয়াক রোগী উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, “আমি একজন কার্ডিয়াক রোগী। আমার যখন অ্যাটাক হয়, শারীরিক চাপ কমানোর পর যখন স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসি, ঠিক সেরকম ওই ৫ আগস্ট দেশের মানুষের বুক ভরে শ্বাস নেওয়ার অনুভূতি পেয়েছি।”

    বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আরও বলেন, “বর্তমানে সমগ্র বাংলাদেশ একটি পরিবর্তনের জন্য আকাঙ্ক্ষিত। প্রত্যেক মানুষ একটি ভালো পরিবর্তন চাইছে, যেন সামনে দিনগুলো উন্নত হয়। তবে বাস্তবতা হলো সঙ্গে সঙ্গে সবকিছু ভালো হবে না, এটা মেনে নিয়ে উদ্যোগ নিতে হবে।”

    দলের অভ্যন্তরীণ গণতন্ত্রের বিষয়ে তারেক রহমান বলেন, “রাজনৈতিক দলগুলো সাধারণত গণতন্ত্রের কথা বলে, কিন্তু নিজেদের মধ্যে সেই প্র্যাকটিস পুরোপুরি বাস্তবায়ন করে না। তবে ড্যাবের এই কাউন্সিল প্রমাণ করবে যে সব দল একরকম নয়।”

    তিনি বাংলাদেশের বহুদলীয় গণতন্ত্রের পৃষ্ঠপোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ভূমিকাও স্মরণ করে বলেন, “তিনি এই দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র চালু করেছিলেন। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া স্বৈরাচার পরাজিত করে সংসদীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছেন। আমাদের এখন সেই ধারাবাহিকতাকে ধরে রাখতে হবে এবং গণতন্ত্রের ভিত্তিকে আরো মজবুত করতে হবে।”

    তারেক রহমানের এই বক্তব্য আগামী দিনের রাজনীতিতে বিএনপির সম্ভাবনা ও নেতৃত্ব বিষয়ে নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি করেছে বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

    ;

  • ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরে নতুন দানবের আগমন, নিয়োগ বাণিজ্য সম্পন্ন করার জন্য (ডিএডি জলিল)

    ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরে নতুন দানবের আগমন, নিয়োগ বাণিজ্য সম্পন্ন করার জন্য (ডিএডি জলিল)

    ওয়াহিদ হোসেন: 

    ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের রিফর্ম সেলে উন্নয়নের কথা বলে (মূল পোস্টিং বগুড়া) বগুড়া জেলা খালি রেখে উপসহকারী পরিচালক আ. জলিলকে ঢাকা নিয়ে এসেছেন অধিদপ্তরের গুটিকয়েক অফিসার তাদের স্বার্থ উদ্ধার করার জন্য। কে এই জলিল? তিনি একাধারে দীর্ঘদিন সিনিয়র স্টেশন অফিসার হিসাবে সিদ্দিকবাজারে কর্মরত ছিলেন এবং সাবেক ডিজি আলী আহমদের সাথে তার ঘনিষ্ঠতা ছিল। তার কথা ছাড়া সাবেক ডিজি চলতেন না। সেই সুযোগে নিয়োগ বাণিজ্য, বদলি বাণিজ্য, টেন্ডার বাণিজ্য—এমন কিছু নাই যা সে করেনি।

    সে অধিদপ্তরের প্রশিক্ষণ শাখায় ডিএডি হিসাবে কর্মরত থাকার সময় ৫০ কোটি টাকার হিসাব দিতে না পারায় তাকে বগুড়া বদলি করা হয়। পুরো টাকা তিনি একাই আত্মসাৎ করেন, কোটি কোটি টাকা আয় করে ডলার বানিয়ে তার আমেরিকা প্রবাসী ভাইয়ের নিকট পাঠান, ভাই আবার দেশে পাঠায়। এ ছাড়া সে নিজেকে ব্যাপক বুদ্ধিজীবী মনে করে ফায়ার সার্ভিসকে ধ্বংসের পায়তারা করছে।

    ইতিমধ্যে মহাপরিচালক মহোদয়—যিনি একজন ভদ্রলোক—তাকে কুবুদ্ধি দিয়ে ৪২ কোটি টাকা ফেরত প্রদান করেছেন কোনো কেনাকাটা না করে। ফলে গামবুট, হেলমেট, ডেলিভারি হোজ, ব্রাঞ্চ পাইপের অভাবে ভুগছে স্টেশনগুলো। তিনি কৌশলে বদলি ও তদন্ত কমিটির সদস্য সচিব হয়েছেন। তা ছাড়া সমস্ত দলবাজীর অন্যতম হোতা এই জলিল। দ্রুত গতিতে তাকে অধিদপ্তর থেকে না সরালে যেকোনো মুহূর্তে বিডিআর বিদ্রোহের মতো ঘটনা ঘটতে পারে।

    সমস্ত অফিসার হতবাক—এই দালাল কিভাবে আবার অধিদপ্তরে এল? এ বিষয়ে তাকে ফোন করলে বলেন, “সুযোগ ছিল, টাকা কামাইছি, আপনার সমস্যা কি?”

    পরবর্তীতে থাকবে বিস্তারিত… চলবে।

    ;