Author: DBC

  • সংবাদ প্রকাশ করায় সম্পাদককে হত্যার হুমকির প্রতিবাদে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত

    সংবাদ প্রকাশ করায় সম্পাদককে হত্যার হুমকির প্রতিবাদে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত

    স্টাফ রিপোর্টার:


    দৈনিক স্বাধীন সংবাদ পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক মোঃ আনোয়ার হোসেন আকাশের প্রাণনাশের হুমকি প্রদানকারী নারায়ণগঞ্জ জেলা পাসপোর্ট অফিসের উপসহকারী দুর্নীতিবাজ সাবেক ছাত্রলীগ নেতা ফারুক আহমেদকে আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে প্রত্যাহার ও সাংবাদিক সাগর চৌধুরির মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে আজ, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৫, বুধবার, জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস এন্ড প্রেস সোসাইটির মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

    মানববন্ধনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী তাঁতী দলের যুগ্ম আহ্বায়ক কাজি মনিরুজ্জামান, জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার মহাসচিব আলমগীর গনি, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের কার্যনির্বাহী সদস্য রাজু আহমেদ, দৈনিক সবুজ বাংলাদেশ পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক মোঃ মাসুদ, সাংবাদিক নেতা আবুল বাসার মজুমদার, সাংবাদিক মোহাম্মদ হোসেন হ্যাপী, সাংবাদিক সম্রাট, সাংবাদিক মোঃ ইসলাম উদ্দিন তালুকদার, সাংবাদিক আলাউদ্দিনসহ আরও অনেকে। মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস এন্ড প্রেস সোসাইটির চেয়ারম্যান মোঃ আনোয়ার হোসেন আকাশ।

    ঘটনার বিবরণ

    নারায়ণগঞ্জ আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসকে এখন দুর্নীতি ও ঘুষখোরদের আখড়ায় পরিণত হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। দীর্ঘদিন ধরে এ অফিসে সেবাগ্রহীতাদের কাছ থেকে ঘুষ ছাড়া কোনো কাজ হয় না। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, সংবাদকর্মীরা তথ্য সংগ্রহে গেলে তাদেরকেও অফিস প্রাঙ্গণে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না। শুধু তাই নয়, সাংবাদিকদের লাঞ্ছিত করার ঘটনাও একাধিকবার ঘটেছে।

    স্থানীয় সূত্র জানায়, সম্প্রতি এই পাসপোর্ট অফিসের এক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) মামলা দায়ের করেছে। এর পর থেকেই কর্মকর্তাদের মধ্যে আতঙ্ক দেখা দেয়। দুর্নীতিতে জড়িত অনেকেই নিজেদের কার্যক্রম গোপন রাখতে মরিয়া হয়ে ওঠেন। সেই আতঙ্ক থেকেই সাংবাদিকদের প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হচ্ছে।

    এই বিষয়ে একাধিক পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদে বলা হয়েছে, পাসপোর্ট অফিসের উপসহকারী হাট খালিশপুর, মহেশপুর, ঝিনাইদহ জেলার আরমান আলী সরদার ও মোছাম্মদ নবিছন নেছার পুত্র ফারুক আহমেদ এই অপকর্মের মূল হোতা। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, নারায়ণগঞ্জ আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের উপ-পরিচালক শামীম এসব অপকর্মের কিছুই জানেন না। দেখা গেছে, উপ-পরিচালকের নাম বিক্রি করে পাসপোর্ট অফিসের বদনাম করছে এই ফারুক।

    গত সোমবার, ০১ সেপ্টেম্বর, দৈনিক স্বাধীন সংবাদ পত্রিকার শেষের পাতায় ফারুকের অপকর্ম নিয়ে সংবাদ প্রকাশিত হয়। পরে ফারুক দৈনিক স্বাধীন সংবাদ পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক মোঃ আনোয়ার হোসেন আকাশের সাথে ফোনে যোগাযোগ করে বলেন, আসেন আমরা রিলেশন করি। গতকাল সন্ধ্যায় ফোন দিয়ে বলেন, আমি একটি প্রতিবাদলিপি দিব এবং একসঙ্গে চা খাবো। যদি কষ্ট করে একটু জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মেট্ট লাউঞ্জে আসেন।

    দৈনিক স্বাধীন সংবাদ পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক মোঃ আনোয়ার হোসেন আকাশ ওই সময় তোপখানা রোডে থাকায় আনুমানিক ৭:৩০ ঘটিকায় মেট্ট লাউঞ্জে গিয়ে ফারুকের সাথে সাক্ষাৎ করেন। এক পর্যায়ে ফারুকের সাথে অনেক লোক এসে বসে। কেউ বলে ঠিকাদার, কেউ বলে সাবেক ছাত্রদল নেতা। এ সময় দুর্নীতিবাজ ফারুক বলেন, “আজকের মধ্যে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ না দিলে আগামীকাল থেকে ঢাকা শহরের যেখানে পাবো সেখানেই আমার লোক তোকে জানে মেরে ফেলবে।”

    এসময় সম্পাদকের সাথে এসটিভি বায়ান্নর স্টাফ রিপোর্টার মোঃ শামীম মিয়া উপস্থিত ছিলেন। এবং অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন ফারুক ও তার সাথে থাকা ব্যক্তিরা। পরে কৌশলে একজন সাংবাদিককে রিসিভ করার কথা বলে মেট্ট লাউঞ্জ থেকে স্বাধীন সংবাদ পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক এবং সাংবাদিক শামীম মিয়া বেরিয়ে আসতে সক্ষম হন।

    এ বিষয়ে আজ শাহবাগ থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করা হবে বলে জানা গেছে।

    ;

  • ভুল তথ্য দিয়ে সংবাদ প্রচার করায় অধ্যক্ষের পক্ষ হতে যাত্রাবাড়ী আইডিয়াল স্কুল এন্ড কলেজের সংবাদ সম্মেলন।

    ভুল তথ্য দিয়ে সংবাদ প্রচার করায় অধ্যক্ষের পক্ষ হতে যাত্রাবাড়ী আইডিয়াল স্কুল এন্ড কলেজের সংবাদ সম্মেলন।

    স্টাফ রিপোর্টার মোঃ আবুল হায়াত

    ষড়যন্ত্রমূলক মিথ্যা ও অসত্য তথ্য দিয়ে সংবাদ প্রকাশ করায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন যাত্রাবাড়ী আইডিয়াল স্কুল এন্ড কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ জনাব মরিয়ম বেগম।

    রবিবার (৮ই সেপ্টেম্বর ) বিকালে যাত্রাবাড়ী আইডিয়াল স্কুল এন্ড কলেজের মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন এডহক কমিটির সভাপতি ও শিক্ষকগন।

    অধ্যক্ষ জনাব মরিয়ম বেগম লিখিত বক্তব্যে বলেন, আমি দীর্ঘদিন সহকারী প্রধান শিক্ষক হিসেবে শিক্ষকতা করে আসছি । গত প্রায় ১০ বছর এই স্কুলে চাকুরীকালীন আমার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ ছিলনা।

    হঠাৎ একটি চক্র ও আমার স্কুলের প্রাথমিক শাখার সহকারী শিক্ষক জনাব সৈয়দা আরিফুন নাহার, সাবেক প্রধান শিক্ষক জনাব মো: মনিরুজ্জামান হাওলাদার, সহকারী শিক্ষক জনাব হোসেন আফরোজ আরা শিল্পী, সহকারী শিক্ষক হাসনা খানমসহ কতিপয় বিপথগামী শিক্ষক আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের ছক আকতে থাকেন। তারা 5 আগস্টের পর মব সৃষ্টি করে অধ্যক্ষের কক্ষে থাকা আলমারি ভেঙ্গে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ন নথি, 03টি ল্যাপটপ, নগদ টাকাসহ মূল্যবান জিনিসপত্র লুট করে নিয়ে যায় যার ভিডিও সংরক্ষন করা আছে।
    ভিডিওটি দেখে প্রতিষ্ঠান পরিচালনা কমিটি প্রাথমিক শাখার সহকারী শিক্ষক সৈয়দা আরিফুন নাহারকে দু দুবার শোকজ করা হয়। এরই প্রেক্ষিতে ক্ষিপ্ত হয়ে আমার কাছ থেকে অনৈতিক সুবিধা না পেয়ে এসব মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করে আমাকে হয়রানি ও মিডিয়াকে অসত্য তথ্য দিয়ে মিথ্যা সংবাদ প্রকাশের মাধ্যমে আমার প্রতিষ্ঠান ও আমাকে হেও করার চেষ্টা করেছে ফলে প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হচ্ছে। অপরদিকে সাবেক প্রধান শিক্ষক জনাব মো: মনিরুজ্জামান হাওলাদারের অনিয়ম ও দূনীতির কারনে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, ঢাকা, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর(মাউশি) কর্তৃক তাকে দায়িত্ব হতে অব্যাহতি প্রদান করার পর তিনি রাগের বশবর্তি হয়ে তার অনুগত শিক্ষকদের মাধ্যমে এখনো প্রতিষ্ঠানে নৈরাজ্য সৃষ্টি করছে। ডিআইএ কর্তৃক তদন্ত রিপোর্টে তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়মসহ তিনকোটি উনিশ লক্ষ টাকা আত্নস্যাৎতের বিষয়ে রিপোর্টে উল্লেখ করেছেন।
    তিনি এসব ষড়যন্ত্র মূলক মিথ্যা অভিযোগ ও সংবাদ প্রকাশের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন। সেই সাথে তার বিরুদ্ধে দায়েরকৃত অভিযোগের নিরপেক্ষ ও সঠিক তদন্তেরও দাবি জানান সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কাছে।;

  • গৌরনদী প্রকল্প কর্মকর্তা আওয়ামী লীগের দোসর সালাউদ্দিন সম্পদের পাহাড় গড়েছেন

    গৌরনদী প্রকল্প কর্মকর্তা আওয়ামী লীগের দোসর সালাউদ্দিন সম্পদের পাহাড় গড়েছেন

    বরিশাল ব্যুরো চীফ : 

    বরিশালের গৌরনদী উপজেলার প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) আওয়ামী লীগের দোসর মো. সালাউদ্দিনের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। তিনি বর্তমানে ওই উপজেলার প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সালাউদ্দিনের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে যে, তিনি আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে যোগদানের পর থেকেই নিজেকে ছাত্রলীগ নেতা পরিচয় দিয়ে এবং ক্ষমতাসীন দলের প্রভাবশালী নেতাদের ঘনিষ্ঠজন দাবি করে অফিসে প্রভাব বিস্তার করতেন। বিভিন্ন সময় তিনি নিজেকে সাবেক হুইপ আসম ফিরোজ বা সাবেক দুর্যোগ ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী মহিবুর রহমানের ঘনিষ্ঠজন হিসেবে পরিচয় দিয়ে নানা কাজে সুবিধা আদায় করতেন।

    ইউনিয়ন পরিষদের একাধিক চেয়ারম্যান ও সদস্য অভিযোগ করেন, টিআর, কাবিখা, কাবিটা ও ব্রিজ নির্মাণ প্রকল্পের কাজ থেকে দোসর মো. সালাউদ্দিন প্রায় ১০ শতাংশ কমিশন নিতেন। স্থানীয় প্রভাবশালী নেতাদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ থাকার কারণে তার বিরুদ্ধে কেউ মুখ খোলার সাহস পেত না। বিশেষ করে গত বছরের ৫ আগস্ট ক্ষমতার পরিবর্তনের পর তিনি কখনো নিজেকে জামায়াতের, আবার কখনো বিএনপির লোক হিসেবে পরিচয় দিতে শুরু করেছেন।

    টিআর-কাবিখা প্রকল্পের কয়েকজন সভাপতি ও ইউপি সদস্য (নাম প্রকাশ না করার শর্তে) জানিয়েছেন, আগের সরকারের আমলে তিনি আওয়ামী লীগের দাপট দেখিয়ে প্রকল্প থেকে কমিশন আদায় করতেন। বর্তমানেও তিনি একইভাবে কমিশন নিচ্ছেন। অভিযোগ রয়েছে, তার এই কার্যক্রম এখন আশরাফুল নামের এক বহিরাগতকে দিয়ে পরিচালনা করানো হচ্ছে।

    খোঁজে জানা গেছে, পটুয়াখালী জেলার বাউফলের বাসিন্দা আওয়ামী লীগের দোসর মো. সালাউদ্দিন ২০২৩ সালের ৫ ডিসেম্বর গৌরনদী উপজেলায় যোগদান করেন। এর আগে তিনি সিলেটের জৈন্তাপুর এবং পিরোজপুর সদরে প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। জৈন্তাপুরে দায়িত্ব পালনের সময়ও তিনি ব্যাপক অনিয়মের সঙ্গে জড়িয়ে ছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। জনরোষের মুখে তাকে রাতের আঁধারে সেখান থেকে চলে যেতে হয়েছিল। পিরোজপুর সদরে যোগ দিলেও সেখানে অনিয়মের কারণে ছয় মাসের বেশি স্থায়ী হতে পারেননি।

    সূত্রে জানা গেছে, সালাউদ্দিনের বেশির ভাগ টাকা তার স্ত্রী, শ্যালক ও শ্যালিকাদের নামে রয়েছে। বরিশালসহ রাজধানীর ঢাকাতেও রয়েছে তার স্ত্রীর নামে পস্নট ও ফ্ল্যাট। এ বিষয়ে জনসার্থে একটি মানবাধিকার সংস্থার মাধ্যমে দুর্নীতি দমন সংস্থা (দুদক)-এর কাছে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

    এ বিষয় অভিযোগ অস্বীকার করে আওয়ামী লীগের দোসর মো. সালাউদ্দিন বলেন, “আমিকেন এদেশের অনেকেই আওয়ামী লীগের সঙ্গে জড়িত ছিল। এখন অনেকে ভোল পালটিয়ে অন্য কথা বলছে। তাছাড়া রাজনীতির জায়গায় রাজনীতি, কাজের জায়গায় কাজ আর চাকরির জায়গায় চাকরি। আপনাদের সাংবাদিকদের আমি ভালো করেই চিনি। দিতে পারলে ভালো, না দিতে পারলে খারাপ। এরপর তিনি সাংবাদিকদের পাল্টা প্রশ্ন করেন, সত্যি করে বলেন তো, আপনি যে অফিসে চাকরি করেন সেখানে কি আপনার কোন বেতনভাতা আছে? নাই, তারপরও তো আপনারা ভালোই চলেন। তাই আসেন, নিজেদের ভালো সম্পর্ক গড়ে তুলি।”

    এ বিষয়ে জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তার সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। তবে বরিশালের জেলা প্রশাসক জানিয়েছেন, “সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে অভিযুক্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

    ;

  • মিরপুর বিআরটিএ দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ সহকারী পরিচালক ইমরানের বিরুদ্ধে

    মিরপুর বিআরটিএ দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ সহকারী পরিচালক ইমরানের বিরুদ্ধে

    সুমন খান:

    রাজধানীর মিরপুর-১৩ এ অবস্থিত বিআরটিএ ঢাকা মেট্রো-০১ অফিস দীর্ঘদিন ধরে সাধারণ মানুষের ভোগান্তির কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। সেখানে বর্তমানে কর্মরত শেখ মোঃ ইমরান, সহকারী পরিচালক—তার বিরুদ্ধে একের পর এক দুর্নীতি ও অনিয়মের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।

    দালালচক্রের স্বর্গরাজ্য:
    অনুসন্ধানে জানা গেছে, মিরপুর বিআরটিএ অফিস কার্যত দালালদের দখলে। সাধারণ মানুষ সরাসরি সেবা পেতে গেলে নানা অজুহাতে হয়রানির শিকার হন। অথচ দালালের মাধ্যমে গেলে অল্প সময়েই কাঙ্ক্ষিত কাজ হয়ে যায়—তবে বিনিময়ে গুনতে হয় মোটা অঙ্কের টাকা। এই দালালচক্রের পেছনে শক্তিশালী মদদদাতা হিসেবে উঠে এসেছে সহকারী পরিচালক শেখ মোঃ ইমরানের নাম।

    ঘুষ-অনিয়মের অঘোষিত নিয়ম:
    অভিযোগকারীরা জানিয়েছেন, ড্রাইভিং লাইসেন্স, গাড়ির রেজিস্ট্রেশন, ফিটনেস নবায়নসহ যেকোনো কাজে সরকারি ফি’র বাইরে অতিরিক্ত টাকা দিতে হয়। অভিযোগ রয়েছে, এসব ঘুষের বড় অংশ নিয়মিতভাবে নির্দিষ্ট মহলে পৌঁছে যায়। ফলে অনিয়ম যেন অঘোষিত নিয়মে পরিণত হয়েছে।

    ভুয়া কাগজে গাড়ি রেজিস্ট্রেশন:
    আরেকটি চাঞ্চল্যকর তথ্য হলো—ভুয়া কাগজপত্র ব্যবহার করে গাড়ি রেজিস্ট্রেশনের একাধিক ঘটনা ঘটেছে। অনুসন্ধানে দেখা যায়, ইমরানের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ সহযোগিতা ছাড়া এসব বেআইনি কার্যক্রম সম্ভব নয়। এর ফলে রাষ্ট্র বিপুল রাজস্ব হারাচ্ছে, আর সড়কে বেআইনি যানবাহনের সংখ্যা বাড়ছে দিন দিন। অনেকেই অভিযোগ করে বলেন, শেখ মোঃ ইমরান এই অবৈধ ব্যবসা করে গাড়ি-বাড়ি করেছেন। শুধু তাই নয়, টাকার শহরে কয়েকটি বাড়ি এবং ফ্ল্যাটও রয়েছে। আরও অভিযোগ রয়েছে, তার মিরপুরে দুইটি বাড়ি আছে, মোহাম্মদপুর ও বসিলা ব্রিজের আবাসিক এলাকায় কয়েকটি কারখানাও গড়ে তুলেছেন। শুধু তাই নয়, তার স্ত্রী এবং সন্তানদের অনেকেরই ব্যাংক ব্যালেন্স আছে বলে অনেকে অভিযোগ করেন।

    ভুক্তভোগীদের আর্তনাদ:
    একজন ভুক্তভোগী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন—সরকার নির্ধারিত ফি জমা দিয়েও আমরা সেবা পাই না। ঘুষ ছাড়া কোনো কাজ হয় না। দালালের কাছে গেলে সব সহজ, কিন্তু নিজেরা গেলে হয়রানি ছাড়া কিছুই নেই।

    জনমনে ক্ষোভ:
    সচেতন মহল মনে করছে, একটি রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে এমন দুর্নীতি চলতে থাকলে দেশের সড়ক পরিবহন ব্যবস্থা ধ্বংসের মুখে পড়বে। তাই অবিলম্বে শেখ মোঃ ইমরানের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট তদন্ত ও কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি উঠেছে জনমনে।

    গণমাধ্যম কর্মী তার কাছে জানতে চাইলে, “আপনার বিরুদ্ধে অনেক অভিযোগ আছে, এগুলো কি সত্য না মিথ্যা?”
    সে উত্তরে বলেন, “আমি যদি কারো পক্ষে যাই তাহলে ভালো, আর যদি কোন বিপক্ষে যাই তাহলে আমি খারাপ; অভিযোগের শেষ নেই। কে শুনে কার কথা, তার যে কথা সেই কাজ।” হঠাৎ করে একটি মুঠোফোনে আসলো, “আমার একটি কাজ করে দিতে হবে।” তার চোখের এবং হাতের ইশারায় সে কথাগুলো এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। মেসেজের মাধ্যমে দুই দালালকে ডেকে তার ফাইলগুলো অন্য রুমে নিয়ে কাজ করার জন্য নির্দেশ দেন।

    ;

  • যাত্রাবাড়ী থানার ওসি অপারেশন খালেদের ছত্রছায়ায় আবাসিক হোটেল আয়শা মনিতে চলছে অসামাজিক কার্যকলাপ

    যাত্রাবাড়ী থানার ওসি অপারেশন খালেদের ছত্রছায়ায় আবাসিক হোটেল আয়শা মনিতে চলছে অসামাজিক কার্যকলাপ

    স্টাফ রিপোর্টার:

    রাজধানীর যাত্রাবাড়ী চৌরাস্তার ৩৩৯/এ দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী ইলিশ কাউন্টার সংলগ্ন একটি ভবনের হোটেল আয়শা মনি আবাসিক হোটেল নাম দিয়ে চলছে দেদারসে অবৈধ কার্যকলাপ।

    ম্যানেজার তোফাজ্জেল ও মালিক সাগর দীর্ঘদিন যাবৎ যাত্রাবাড়ীতে আবাসিক হোটেলের নাম দিয়ে দেহ ব্যবসা চালাচ্ছে। রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থেকে দেশের দক্ষিণ অঞ্চলে যাতায়াত করে হাজার হাজার মানুষ। দক্ষিণ অঞ্চল থেকে ঢাকায় আসা মানুষজন রাতে থাকার জন্য আবাসিক হোটেলগুলোয় যায়। কিন্তু এসব হোটেলে থাকতে গিয়ে অনেকেই পড়ে বিপাকে, শিকার হয় ব্ল্যাকমেইলের।

    জানা যায়, যাত্রাবাড়ী থানার ওসি অপারেশন খালেদের ছত্রছায়ায় এই অসামাজিক কার্যকলাপ চালাচ্ছে হোটেলের মালিক ও ম্যানেজাররা।

    এ বিষয়ে ম্যানেজার তোফাজ্জেল বলেন, “যা করি দেখতেই তো পারছেন। আশেপাশের সবকিছুই ম্যানেজ করেই চলতে হয়। তাছাড়া প্রশাসনের লোকজনও এখানে আসা-যাওয়া করে।”

    মালিক সাগর বলেন, “আমার ঢাকা শহরে আরো অনেক ব্যবসা আছে। দেশের মানুষের সমস্যা হয় না, সমস্যা একমাত্র আপনাদের মতো সাংবাদিকদের। একসময় এসে চা খেয়ে যাবেন।”

    বরিশাল থেকে আসা এক ব্যক্তি নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “রাত বেশি হওয়ার কারণে হোটেল আয়শা মনিতে গিয়ে রুম ভাড়া নেই। কিছুক্ষণ পরেই রুমের বাইরে থেকে দরজায় কিছু মহিলা নক করে। অবস্থা বেগতিক দেখে রাতে না থেকেই চলে আসি।”

    আবাসিক হোটেল আয়শা মনি বন্ধ করার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।

    ;

  • বিএনপি নেতা হেলাল খানের গণজোয়ার, সিলেট-৬ আসনে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু

    বিএনপি নেতা হেলাল খানের গণজোয়ার, সিলেট-৬ আসনে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু

    স্টাফ রিপোর্টার:

    বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর জাতীয় নির্বাহী কমিটির সম্মানিত সদস্য, জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থা (জাসাস)-এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটির আহবায়ক এবং সিলেট-৬ (বিয়ানীবাজার ও গোলাপগঞ্জ) আসনের সম্ভাব্য সংসদ সদস্য প্রার্থী, জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার প্রাপ্ত নায়ক হেলাল খান বর্তমানে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোড়ন তুলেছেন। রাজনৈতিক পরিমণ্ডলে তাঁর আবির্ভাব যেন এক অগ্নিশিখার মতো, যিনি স্বচ্ছতা, দৃঢ়তা এবং সাংগঠনিক সক্ষমতার মূর্ত প্রতীক হয়ে জনগণের কাছে আস্থার প্রতীক হয়ে উঠছেন।

    এলাকার জনপদ জুড়ে ইতোমধ্যেই হেলাল খানের প্রচারণা ও শোডাউন ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি করেছে। বিয়ানীবাজার ও গোলাপগঞ্জের গ্রামীণ পথ থেকে শুরু করে শহরের অভিজাত মহল পর্যন্ত, সর্বত্র তাঁর কর্মীদের দৃপ্ত পদচারণা এবং প্রচারণার ঝড় বইছে। ঘরে ঘরে গিয়ে মানুষের কাছে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের ৩১ দফা কর্মসূচি নিয়েও সরাসরি কথা বলছেন, তাদের দুঃখ-দুর্দশা শোনা এবং সমস্যার স্থায়ী সমাধানের অঙ্গীকার তাঁকে সাধারণ জনগণের কাছে আপনজনের মর্যাদায় অধিষ্ঠিত করেছে।

    স্থানীয় জনমত বিশ্লেষণে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে, দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত এবং পিছিয়ে পড়া সিলেট-৬ আসনের মানুষ হেলাল খানের মধ্যে খুঁজে পাচ্ছেন একটি নির্ভরযোগ্য নেতৃত্বের ছায়া। তাঁর রাজনৈতিক অবস্থান কেবল দলীয় সীমারেখায় সীমাবদ্ধ নয়, বরং তিনি সংস্কৃতি, সমাজ ও জনকল্যাণমূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরেই জনগণের সাথে নিবিড়ভাবে যুক্ত। এ কারণে তাঁকে কেন্দ্র করে যে গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে, তা প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের জন্য নিঃসন্দেহে অস্বস্তিকর বাস্তবতা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

    হেলাল খানের নেতৃত্বে সম্প্রতি অনুষ্ঠিত শোডাউনগুলো সিলেট-৬ আসনে অভূতপূর্ব চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে। এ প্রান্ত থেকে ও প্রান্তে পায়ে হেঁটে শোভাযাত্রা, বিশাল মানবসমাবেশ এবং গণমিছিল জনমনে এক ধরনের আত্মবিশ্বাস তৈরি করেছে। এসব শোডাউন কেবল শক্তির প্রদর্শনী নয়, বরং জনগণকে সাথে নিয়ে পরিবর্তনের অঙ্গীকারের এক দৃশ্যমান রূপ। তিনি দৃঢ়তার সাথে ঘোষণা দিয়েছেন: “সিলেট-৬ আসনের জনগণের ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটাতে হলে, দুর্নীতি, বৈষম্য ও অব্যবস্থাপনার বিরুদ্ধে কঠিন অবস্থান নিতে হবে।”

    শুধু সিলেট-৬ আসন নয়, বৃহত্তর সিলেটের জনগণের পাশে থাকারও অঙ্গিকার বদ্ধোপরিকর এবং জনাব তারেক রহমানের বিনির্মাণ বাংলাদেশ গড়ারও প্রতিশ্রুতি নিয়েছেন এই উদীয়মান নেতা।

    নায়ক হেলাল খান শুধুমাত্র একজন রাজনীতিবিদ নন, তিনি একজন সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বও বটে। চলচ্চিত্র জগতের খ্যাতি এবং সাংস্কৃতিক অঙ্গনে দীর্ঘদিনের সম্পৃক্ততা তাঁকে সাধারণ মানুষের কাছে সহজলভ্য ও গ্রহণযোগ্য করে তুলেছে। এ সাংস্কৃতিক উত্তরাধিকার রাজনৈতিক নেতৃত্বের সাথে একাকার হয়ে তাঁকে দিয়েছে এক ভিন্নমাত্রার গ্রহণযোগ্যতা। ফলে জনসাধারণের মধ্যে তাঁর প্রতিচ্ছবি হয়ে উঠেছে স্বচ্ছ, সৎ ও বলিষ্ঠ নেতৃত্বের প্রতীক।

    বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় সিলেট-৬ আসনে হেলাল খানের নাম এখন প্রতিটি আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু। বাজার-ঘাট, চায়ের দোকান কিংবা সামাজিক আড্ডায় সর্বত্র শোনা যাচ্ছে তাঁর প্রসঙ্গ। মানুষ বলছে: “আমাদের জন্য এমন একজন নেতা দরকার, যিনি কেবল নির্বাচনকেন্দ্রিক রাজনীতি করবেন না, বরং সবসময় জনগণের সাথে থাকবেন।”

    নায়ক হেলাল খান তাঁর দৃঢ় নেতৃত্ব, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং জনবান্ধব মনোভাব দিয়ে ইতোমধ্যেই প্রমাণ করেছেন যে তিনি কেবল একজন প্রার্থী নন, বরং সিলেট-৬ আসনের মানুষের কাছে আশার প্রতীক। গণমানুষের আকাঙ্ক্ষা ও প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটাতে তিনি মাঠে নেমেছেন এক অকুতোভয় যোদ্ধার মতো। তাঁর এই গণঅভিযান কেবল নির্বাচনকেন্দ্রিক কর্মসূচি নয়, বরং একটি নতুন রাজনৈতিক সংস্কৃতির সূচনা।

    এলাকার মানুষ তাই বিশ্বাস করছে, সময় এসেছে নেতৃত্বের মেরুকরণ ভেঙে দিয়ে একজন সৎ, সাহসী ও সংস্কৃতিমনা নেতাকে সংসদে পাঠানোর। আর সে নেতৃত্বের নাম—নায়ক হেলাল খান।

    ;

  • বিআরটিএ ঢাকা মেট্রো-১ এর সহকারী পরিচালক জিয়াউর রহমানের বিরুদ্ধে দূর্নীতির অভিযোগ

    বিআরটিএ ঢাকা মেট্রো-১ এর সহকারী পরিচালক জিয়াউর রহমানের বিরুদ্ধে দূর্নীতির অভিযোগ

    স্টাফ রিপোর্টার:

    ঢাকার মিরপুরে অবস্থিত বিআরটিএ ঢাকা মেট্রো-১ সার্কেলের পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স ইস্যু ও নবায়ন শাখার সহকারী পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) জিয়াউর রহমানের বিরুদ্ধে গোপন সূত্রে পাওয়া অভিযোগ ও অনুসন্ধানে প্রতিসামঞ্জস্য পাওয়া গেছে, যা সাধারণ মানুষ ও লাইসেন্সপ্রার্থী ভুক্তভোগীদের জন্য বড় ধরণের সমস্যা তৈরি করেছে।

    সূত্র জানায়, জিয়াউর রহমান শাখার দায়িত্বে থাকা অবস্থায় লাইসেন্স ইস্যু ও নবায়ন প্রক্রিয়ায় দালালদের প্রাধান্য দিয়েছেন। সাধারণ মানুষ যিনি সরকারি নিয়ম মেনে আবেদন করেছেন, তারা বারবার অফিস থেকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়। এতে ভুক্তভোগীরা বাধ্য হয়ে দালালদের দ্বারস্থ হয়েছেন। এই প্রক্রিয়ায় জিয়াউর রহমান সরাসরি দালালদের সুবিধা দিয়েছেন এবং ঘুষ নেওয়ার মাধ্যমে সরকারি সেবা দখল করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

    এক ভুক্তভোগী বলেন,
    “আমরা সকল প্রক্রিয়া ঠিকঠাক মেনে লাইসেন্সের জন্য আবেদন করেছি। কিন্তু দালাল ছাড়া কোনো কাজ হয়নি। যারা জিয়াউর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ রাখে, তারা সহজেই লাইসেন্স পান, অন্যদের শুধু ঘুরিয়ে দেওয়া হয়।”

    অভিযোগ অনুযায়ী, জিয়াউর রহমান:

    • লাইসেন্স ইস্যু প্রক্রিয়ায় দালালদের নিয়ন্ত্রণ দিয়েছেন।

    • সাধারণ আবেদনকারীদের লম্বা সময় ধরে অপেক্ষায় রাখা হয়েছে।

    • সরকারি ফি ও প্রক্রিয়াকে অকার্যকর করে দালালদের মাধ্যমে লাইসেন্স বিক্রি বা ইস্যু করানো হয়েছে।

    • ভুক্তভোগীদের ওপর প্রশাসনিক বাধা সৃষ্টি করেছেন।

    ভুক্তভোগীদের অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে, জিয়াউর রহমান সরাসরি কোনো মন্তব্য করেননি। তবে শাখার অন্যান্য কর্মকর্তা বিষয়টি গোপন রাখার চেষ্টা করছেন।

    প্রশাসনের এক কর্মকর্তা জানান,
    “যদি সরকারি কর্মকর্তা বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়, তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া বাধ্যতামূলক। তবে এতদিন কোনো প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি, যা জনগণের জন্য উদ্বেগজনক।”

    ভুক্তভোগীরা দাবি করেছেন, জিয়াউর রহমানের কারণে সরকারি লাইসেন্স প্রক্রিয়া ভুক্তভোগীদের জন্য কঠিন হয়ে গেছে। দালালদের মাধ্যমে লাইসেন্স ইস্যু প্রক্রিয়া চালু থাকায়, সাধারণ মানুষ প্রশাসনিক অবহেলা ও দুর্নীতির শিকার হচ্ছেন।

    ;

  • ঘুষ বাণিজ্যে অব্যাহত চট্টগ্রাম বিআরটিএর সহকারী পরিচালক রায়হানা আক্তার উর্থী

    ঘুষ বাণিজ্যে অব্যাহত চট্টগ্রাম বিআরটিএর সহকারী পরিচালক রায়হানা আক্তার উর্থী

    স্টাফ রিপোর্টারঃ


    ঢাকা, রাজশাহী, খুলনা, বরিশালসহ দেশের বিভিন্ন বিআরটিএ অফিসে দুর্নীতির অভিযোগে অনেক কর্মকর্তা-কর্মচারী বদলি হলেও এখনো চট্টগ্রাম জেলা সার্কেলে বহাল তবিয়তে দায়িত্ব পালন করছেন সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) সহকারী পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) রায়হানা আক্তার উর্থী।

    ২০২৫ সালের ৭ মে দুদক চট্টগ্রাম সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১ এ অভিযান চালায়। এ সময় রায়হানা আক্তার উর্থীর অফিসেও তল্লাশি করা হয়। সেখানে ড্রাইভিং লাইসেন্স, রেজিস্ট্রেশন, ফিটনেস ও রুট পারমিটসহ বিভিন্ন সেবায় ঘুষ গ্রহণের প্রমাণ মেলে।

    সূত্র জানায়, রায়হানা আক্তার উর্থী এর আগে চট্টগ্রাম মেট্রো সার্কেল-১ ও ২ এবং জেলা সার্কেল মিলিয়ে প্রায় ৯ বছর দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি আবারো চট্টগ্রাম জেলা সার্কেলে কর্মরত।

    অভিযোগ রয়েছে, রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতায় তিনি সবসময় প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। শেখ হাসিনা সরকারের সময় চাকরিতে যোগদানকারী এই কর্মকর্তা আওয়ামী লীগের ঘনিষ্ঠ মহলে পরিচিত। চাকরিজীবনের পুরোটা সময় মূলত চট্টগ্রাম ও ঢাকা হেড অফিস ছাড়া অন্য কোথাও বদলি হননি।

    সাবেক যোগাযোগমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের ঘনিষ্ঠ মহলের সঙ্গে যোগাযোগ থাকার কারণেই তিনি দীর্ঘদিন গুরুত্বপূর্ণ সার্কেলে টিকে থাকতে পেরেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

    সরকার পরিবর্তনের পরও রায়হানা আক্তার উর্থী ঘুষের মাধ্যমে সেবা বাণিজ্য চালিয়ে যাচ্ছেন। বলা হয়, রেজিস্ট্রেশন ও ফিটনেসের মতো সেবা ঘুষ ছাড়া কোনোভাবে অনুমোদন করা হয় না। তার অফিস কক্ষ সবসময় বন্ধ থাকে এবং দালাল ছাড়া সেখানে প্রবেশ করা যায় না।

    ঘুষের বিনিময়ে মালিক বা যানবাহন উপস্থিত না থাকলেও কাগজপত্রে রেজিস্ট্রেশন বা ফিটনেস সম্পন্ন করে দেওয়া হয়। অথচ সরকারি নিয়ম অনুযায়ী, এসব সেবার সময় মালিক ও যানবাহনের উপস্থিতি বাধ্যতামূলক।

    একজন ভুক্তভোগী জানান, দালাল ছাড়া ফাইল জমা দিলে নানা অজুহাতে তা ফেরত দেওয়া হয়। অথচ দালালের মাধ্যমে ২৫ থেকে ৩০ হাজার টাকা দিলে ত্রুটিপূর্ণ কাগজও অনুমোদন হয়ে যায়।

    এ ছাড়া অভিযোগ রয়েছে, তিনি রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় কোটি কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ গড়ে তুলেছেন। ভুয়া ফিটনেস সনদ, নকল রেজিস্ট্রেশন ছাড়পত্র, সরকারি সিল জালিয়াতি এবং ঘুষ বাণিজ্যের একাধিক প্রমাণও পাওয়া গেছে।

    সম্প্রতি এক জাতীয় দৈনিকের অনুসন্ধানে দেখা যায়, চট্টগ্রাম বিআরটিএ অফিসে ড্রাইভারদের রানার কার্ডে কিছু না লিখেই ফেরত পাঠানো হচ্ছে। পরে দালালরা যাদের নাম রাত্রে লিখে রাখে, তারাই পাশ করছে।

    একজন ভুক্তভোগী বলেন, “প্রতিদিন অসংখ্য ড্রাইভার কেঁদে ফিরে যায় এখান থেকে। টাকা না দিলে দক্ষ চালকরাও ফেল হয়ে যায়, আর টাকা দিলে নামমাত্র পরীক্ষা দিয়েই পাশ।”

    দালালরা প্রতিজন চালকের কাছ থেকে ৩,৫০০ থেকে ৫,০০০ টাকা পর্যন্ত নেয়।

    এভাবে প্রতিদিন লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন রায়হানা আক্তার উর্থী ও তার দালাল চক্র।

    বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, তার নামে-বেনামে ঢাকায় রয়েছে একাধিক ফ্ল্যাট ও জমি, এছাড়াও ব্যাংক হিসাবে কোটি কোটি টাকার অপ্রদর্শিত অর্থ মজুদ রয়েছে।

    চট্টগ্রামের সৎ কর্মকর্তা ও সচেতন নাগরিকরা দ্রুত এই কর্মকর্তাকে দুর্নীতির অভিযোগে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।

    ;

  • প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

    প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

    গত ৯ই আগস্ট ২০২৫ দৈনিক ঢাকার ক্রাইম পত্রিকায় ২০০০ পিস ইয়াবা সহ মাদক ব্যবসায়ীকে ছাড়িয়ে নিল ৪৯ ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম বাদল  শীর্ষক প্রতিবেদনটি আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে, যা সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট এবং অসত্য। আসলে ঐদিন এলাকাবাসী একটি বেগে মোড়ানো প্যাকেটে ইয়াবা উদ্ধার করে। সাধারণ জনগণের জটলা দেখে আমি সেখানে যাই। মাদকদ্রব্য উদ্ধার হয়েছে দেখে আমি প্রথমেই থানার এসি সাহেবকে ফোন দেই। তিনি ফোন রিসিভ না করায় আমি এসআই ফারুক সাহেবকে জানাই। ফারুক সাহেব জানান, রাত প্রায় ১টা ৩০ মিনিট হয়ে যাওয়ায় কাল সকালে এসে তিনি সেগুলো নিয়ে যাবেন। পরবর্তীতে আমি পরদিন আমার সভাপতি সহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে যাত্রাবাড়ী থানার এসি সাহেবের কাছে সেই প্যাকেট জমা দিয়ে দেই থানায়। অথচ আমার প্রতিপক্ষ শত্রুরা, গাপটি মেরে থাকা আওয়ামী দোসররা, সাংবাদিক ভাইদেরকে মিথ্যা তথ্য দিয়ে আমার দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের ক্ষতি সাধনের চেষ্টা করছে। যা অত্যন্ত দুঃখজনক এবং নিন্দনীয়। আমার দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে এই ধরনের কোনো অভিযোগ অদ্যবধি হয় নাই। আমি এই প্রকাশিত সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।

    নিবেদক
    সাইফুল ইসলাম বাদল
    সদস্য সচিব, ৪৯ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপি

    ;

  • আশুলিয়ায় সাংবাদিক অপহরণ ও হত্যার পরিকল্পনা, দুজন গ্রেপ্তার 

    আশুলিয়ায় সাংবাদিক অপহরণ ও হত্যার পরিকল্পনা, দুজন গ্রেপ্তার 

    ঢাকার আশুলিয়ায় বেসরকারি টেলিভিশন ৭১টিভির আশুলিয়া প্রতিনিধি জাহিদুল ইসলাম অনিক কে অপহরণ ও হত্যা চেষ্টার ঘটনা ঘটেছে। ঘটনাস্থল থেকে দুজনকে আটক করে থানায় হস্তান্তর করেছে স্থানীয়রা।

    মঙ্গলবার (১২ই আগস্ট) সকালে আসামী দুজনকে আদালতে পাঠানোর বিষয়ে নিশ্চিত করে আশুলিয়া থানার পরিদর্শক (অপারেশন) সফিকুল ইসলাম সুমন। এর আগে সোমবার রাত সাড়ে দশটার দিকে আশুলিয়ার বাইপাইলে এঘটনা ঘটে। পরে ভুক্তভোগী সাংবাদিক জাহিদুল ইসলাম অনিককে উদ্ধার করে প্রথমে ধামরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নেওয়া হয়। পরে তাকে স্থানীয় একটি ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়েছে।

    হামলার শিকার ৭১ টেলিভিশন আশুলিয়া প্রতিনিধি জাহিদুল ইসলাম অনিক বলেন, গত কাল রাতে একটি অনুসন্ধান শেষ করে একটি চায়ের দোকানে যাচ্ছিলাম। সেখানে আগে থেকে দুজন মোটরসাইকেল নিয়ে অপেক্ষা করছিলেন। পরে  সেখান থেকে বাসায় উদ্দেশ্যে রওনা হলে তারা মোটরসাইকেল নিয়ে আমার পিছু নেয়। আমি বাইপাইল বাসস্ট্যান্ড এসে পৌছলে তাদের আরও একটি প্রাইভেটকারে চার জনকে দেখা যায়। কোন কিছু বুঝে উঠার আগেই দেশী অস্ত্র নিয়ে আমার উপর হামলা চালায় ও প্রাইভেটকারে উঠিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। পরে এগিয়ে আসলে সবাই পালিয়ে যায়। সেসময় দুজনকে আটক করে থানায় খবর দেয়।

    জাহিদুল ইসলাম অনিক আরও বলেন,  আমার অনুসন্ধান ছিলো ফার্মেসি নামের আড়ালে মাদক দ্রব্য সরবরাহ ও বিক্রি নিয়ে। এই নিয়ে তারা আমাকে টার্গেট রাখে। তারা জানতো আমি কাজ শেষে আশুলিয়ার পল্লীবিদ্যুৎ এলাকায় যাবো। তাদের পরিকল্পনা ছিল যেকোন ভাবে অপ্রীতিকর পরিস্থিতি তৈরি করে আমাকে অপহরণ করা। সেসময় তাদের পরিকল্পনা বুঝতে পেরে ওই স্থান ত্যাগ করি। কিন্ত তারা পিছু নেয় এবং তাদের পূর্ব পরিকল্পনার অনুযায়ী আগে থেকেই দেশীয় অস্ত্র ও প্রাইভেটকার নিয়ে বাইপাইল আমার বাসায় যাওয়ার সড়কে অবস্থান নিয়ে রাখে। তারা চেষ্টা করেছে গাড়িতে উঠিয়ে নেওয়ার। একজন দাড়ালো অস্ত্র দিয়ে মারার চেষ্টা করেছে। কিন্ত আঘাত লাগেনি। এছাড়া মারধর করেছে বাকীরা। সেসময় স্থানীয়রা এগিয়ে আসলে প্রাইভেটকার নিয়ে চারজন পালিয়ে যায়। বাকী দুজন মোটরসাইকেল স্ট্যার্ট না হওয়ায় পালিয়ে যেতে পারেনি। পরে তাদের আটক করে পুলিশে খবর দেয়। আমাকে উদ্ধার করে প্রথমে ধামরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে স্থানীয় একটা ক্লিনিকে ভর্তি করে।

    এবিষয়ে আশুলিয়া থানার পরিদর্শক (অপারেশন) সফিকুল ইসলাম সুমন জানান,  ঘটনার সংবাদ পাওয়ার পর পর কয়েকটি টীম ঘটনাস্থলে পাঠিয়েছে। দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকিদের গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে। সেইসাথে গ্রেপ্তার দুজনকে আদালতে প্রেরণ করা হচ্ছে।;