Author: DBC

  • ঘুষ না দেওয়ায় কোম্পানীগঞ্জে ৯০টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বিভিন্ন খাতের বিল আটকে রাখার অভিযোগ


    নোয়াখালীর প্রতিনিধি:

    নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর বিভিন্ন খাতের বরাদ্দের বিল ছাড়ে অনিয়ম ও ঘুষ দাবির অভিযোগ উঠেছে উপজেলা শিক্ষা অফিসারের বিরুদ্ধে। তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সংশ্লিষ্ট শিক্ষা কর্মকর্তা।

    একাধিক শিক্ষক অভিযোগ করেন, উপজেলার প্রায় ৯০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কন্টিনজেন্সি বিল, বিদ্যুৎ বিল, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বিল, বিভিন্ন দিবস উদযাপন ব্যয়, প্রাক্-প্রাথমিক শিক্ষার উপকরণ ক্রয়, ক্রীড়া কার্যক্রম’র অর্থ জুলাই মাস’র ১২ তারিখ পেরিয়ে গেলেও এখনো ছাড় করা হয়নি। তাঁদের দাবি, ঘুষ না দেওয়ায় এসব বিল আটকে রাখা হয়েছে।

    অভিযোগে আরও বলা হয়,অড়িট খরচ’র কথা বলে বিল ছাড়ের ক্ষেত্রে অবৈধ অর্থ দাবি করা হচ্ছে। এ অর্থ সংগ্রহে কয়েকজন অসাধু প্রধান শিক্ষক মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। এতে উপজেলার অধিকাংশ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শিক্ষা অফিস এবং কয়েকজন শিক্ষক নেতার কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছেন বলে দাবি করেন ভুক্তভোগীরা।

    এ বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মোহা:আশরাফ-উল-আলম অভিযোগের সত্যতা অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, অফিসে জনবল সংকটের কারণে বিল প্রক্রিয়াকরণে কিছুটা বিলম্ব হয়েছে। আজই বিলগুলো ছাড় করে দেওয়া হবে। ঘুষ বা অবৈধ অর্থ দাবি করার অভিযোগের কোনো সত্যতা নেই।

    তবে, অভিযোগকারী শিক্ষকদের দাবি, বিল ছাড়ের পুরো প্রক্রিয়া তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ সীমান্তে ৫৩ বিজিবির অভিযানে ১২৪ বোতল ভারতীয় এস্কাফ সিরাপ জব্দ

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি:

    চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান চালিয়ে ১২৪ বোতল ভারতীয় নেশাজাতীয় এস্কাফ সিরাপ জব্দ করেছে চাঁপাইনবাবগঞ্জ ব্যাটালিয়ন (৫৩ বিজিবি)। তবে এ ঘটনায় কোনো চোরাকারবারিকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

    রোববার (১২ জুলাই) রাত আনুমানিক ২টার দিকে ৫৩ বিজিবির অধীনস্থ মনোহরপুর বিওপির সদস্যরা শিবগঞ্জ উপজেলার দুর্লভপুর ইউনিয়নের মনোহরপুর গ্রামে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানে মালিকবিহীন অবস্থায় ১২৪ বোতল ভারতীয় এস্কাফ সিরাপ উদ্ধার করা হয়।

    বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, উদ্ধার হওয়া সিরাপগুলোর আনুমানিক বাজারমূল্য ৪৯ হাজার ৬০০ টাকা। জব্দকৃত মাদকদ্রব্য পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য শিবগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

    এদিকে, ৫৩ বিজিবির তথ্য অনুযায়ী, চলতি জুলাই মাসে ব্যাটালিয়নের বিভিন্ন অভিযানে একজন আসামিকে আটকসহ মোট ২৭১ বোতল এস্কাফ সিরাপ, ৬৪ বোতল ফেয়ারডিল সিরাপ এবং ৪৬ বোতল মদ জব্দ করা হয়েছে। উদ্ধার হওয়া এসব মাদকদ্রব্যের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ২ লাখ ৩ হাজার ১০০ টাকা।

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ ব্যাটালিয়নের (৫৩ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল কাজী মুস্তাফিজুর রহমান, পিএসসি বলেন, সীমান্ত এলাকায় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, পুশ-ইন প্রতিরোধ, চোরাচালান দমন এবং সরকারের মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বাস্তবায়নে বিজিবি সর্বোচ্চ সতর্কতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

  • বৃষ্টি প্লাবিত ৪৮ নং ওয়ার্ড পরিদর্শন করলেন কমিশনার প্রার্থী ওয়াকিল উদ্দিন রিফাত


    যাত্রাবাড়ি, ঢাকা প্রতিনিধি:
    কয়েকদিনের অতিবৃষ্টির ফলে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ৪৮ নং ওয়ার্ডের নিম্নাঞ্চলসমূহে তীব্র জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। আকস্মিক এই জলাবদ্ধতায় প্লাবিত এলাকার সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনে চরম জনদুর্ভোগ নেমে এসেছে। এই পরিস্থিতিতে আজ প্লাবিত এলাকাগুলো সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত ৪৮ নং ওয়ার্ড কমিশনার পদপ্রার্থী অ্যাডভোকেট ওয়াকিল উদ্দিন (রিফাত)।

    সরেজমিনে পরিদর্শনের সময় অ্যাডভোকেট ওয়াকিল উদ্দিনের সাথে উপস্থিত ছিলেন যাত্রাবাড়ী পশ্চিম থানার আইন ও মানবাধিকার সম্পাদক অ্যাডভোকেট মাসুদুর রহমানসহ ওয়ার্ডের বিভিন্ন স্তরের দায়িত্বশীল ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

    পরিদর্শনকালে নেতৃবৃন্দ জলাবদ্ধতায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার সর্বস্তরের মানুষের সাথে সরাসরি কথা বলেন এবং তাদের দুর্ভোগের খোঁজখবর নেন। এ সময় স্থানীয় বাসিন্দারা ড্রেনেজ ব্যবস্থার ত্রুটি এবং পানি নিষ্কাশনের ধীরগতির কারণে সৃষ্ট ভোগান্তির কথা তুলে ধরেন। ভোগান্তির শিকার নাগরিকদের আশ্বস্ত করে কমিশনার পদপ্রার্থী অ্যাডভোকেট ওয়াকিল উদ্দিন (রিফাত) বলেন, “টানা বৃষ্টিতে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে জনগণের যে কষ্ট হচ্ছে, তা সত্যিই দুঃখজনক। আমরা সাধারণ মানুষের পাশে আছি।
    এই তীব্র জলাবদ্ধতা ও জনদুর্ভোগ থেকে দ্রুততম সময়ে মুক্তির জন্য এবং সমস্যা সমাধানে প্রয়োজনীয় সব ধরনের কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

    পরিদর্শন শেষে নেতৃবৃন্দ এই প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও জনদুর্ভোগ থেকে সবাইকে হেফাজত করার জন্য আল্লাহর কাছে দোয়া ও মোনাজাত করেন।

  • কক্সবাজারের টেকনাফ সীমান্ত এলাকায় বসবাসকারী ২০০ জন বন্যার্ত পরিবারের সদস্যদের মাঝে ত্রান সামগ্রী সহায়তা দিয়েছে ৬৪ বিজিবি।

    টেকনাফ, কক্সবাজার :

    অদ্য ১২ জুলাই ২০২৬ তারিখে উখিয়া ব্যাটালিয়ন (৬৪ বিজিবি) এর অধীনস্থ হোয়াইক্যং বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকার কোনাপাড়া গ্রামে বসবাসরত স্থানীয় বন্যার্তদের মাঝে ত্রান সামগ্রী বিতরণ করা হয়। উখিয়া ব্যাটালিয়ন (৬৪ বিজিবি) এর সার্বিক ব্যবস্থাপনায় উক্ত ত্রান সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কর্নেল মোঃ মহিউদ্দীন আহমেদ, পিবিজিএম, বিজিবিএমএস, সেক্টর কমান্ডার, সেক্টর সদর দপ্তর, রামু। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন অত্র ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেঃ কর্নেল মোঃ জহিরুল ইসলাম, জি, উপ-অধিনায়ক মেজর ইশতিয়াক আহমেদ, ভারপ্রাপ্ত কোয়ার্টার মাষ্টার সহকারী পরিচালক মোঃ মাসুদ রানা, হোয়াইক্যং ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মোঃ শাহজালাল ইসলাম, ১নং ওয়ার্ড মেম্বার সিরাজুল মোস্তফা লালু, উখিয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি এ্যাডভোকেট হাসান সিদ্দিকী, হোয়াইক্যং ইউনিয়নের যুবদলের সভাপতি জুনায়েদ আলী চৌধুরী, সদস্য মোঃ সাইফুল ইসলাম এবং স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, জনসাধারণ, ইলেকট্রনিক্স মিডিয়া ও পত্রিকার সাংবাদিককর্মী।
    প্রধান অতিথি বলেন, সীমান্তে অর্পিত দায়িত্ব এর পাশাপাশি বিজিবি বিভিন্ন ধরনের সামাজিক ও মানবিক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। সীমান্তের জনগণ বিজিবি এর উপর আস্থা রাখছে এবং তারাও বিভিন্ন কাজে বিজিবিকে সহায়তা করছে। বিজিবি এর এই ধরনের উদ্যোগ স্থানীয় জনগণের মাঝে প্রশংসিত হচ্ছে। ভবিষ্যতেও উখিয়া ব্যাটালিয়ন (৬৪ বিজিবি) এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে।
    বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ, কক্সবাজার রিজিয়নের রামু সেক্টরের অধীনস্থ উখিয়া ব্যাটালিয়ন (৬৪ বিজিবি) সদা জাগ্রত অতন্দ্র প্রহরী থেকে সীমান্ত নিরাপত্তায় বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের বাংলাদেশ-মায়ানমার সীমান্তে দায়িত্ব পালন করছে। সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি উখিয়া ব্যাটালিয়ন (৬৪ বিজিবি) সীমান্তবর্তী জনপদের “আস্থার প্রতীক” হিসেবে দৃষ্টান্ত স্থাপনে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।

  • বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে রামগড় ৪৩ বিজিবি, খাদ্যসামগ্রী বিতরণ


    খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি:
    পাহাড়ের টানা বৃষ্টির ও প্রাকৃতিক দুর্যোগ ক্ষতিগ্রস্ত খাগড়াছড়ি জেলায় রামগড় উপজেলার ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে রামগড় ৪৩ বিজিবি। দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শনের পাশাপাশি পানিবন্দী ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেছে সীমান্তরক্ষী বাহিনী।

    রবিবার (১২ জুলাই) ৪৩ বিজিবির জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. আহসান উল ইসলাম উপজেলার বিভিন্ন ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি টানা বৃষ্টিতে সৃষ্ট জলাবদ্ধতা, বন্যা পরিস্থিতি এবং ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের দুর্ভোগ সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন। পরিদর্শনকালে জোন কমান্ডার স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে তাদের ক্ষয়ক্ষতি, জরুরি প্রয়োজন এবং চলমান পরিস্থিতির বিষয়ে খোঁজখবর নেন। পরে বিজিবির পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্ত ও পানিবন্দী পরিবারের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়।

  • সালথায় খাল খননের পর  বাড়তি ৭৩ লাখ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দিলেন ইউএনও দবির উদ্দিন

    ফরিদপুর প্রতিনিধি:
    ফরিদপুরের সালথা উপজেলার তিনটি ইউনিয়নের খাল পুনঃখনন প্রকল্প সফলভাবে সম্পন্ন করে সব ব্যয় নির্বাহের পর উদ্বৃত্ত ৭৩ লাখ ৩৬ হাজার ৩৬৫ টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দিয়ে সততা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার এক অনন্য দৃ’ষ্টা’ন্ত স্থাপন করেছেন সালথা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ দবির উদ্দিন।

    সরকারি টাকার সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করে প্রশংসায় ভাসছেন সালথা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ দবির উদ্দিন।

    উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, আটঘর, রামকান্তপুর ও সোনাপুর ইউনিয়নের মোট ৪ দশমিক ৫৩৫ কিলোমিটার দীর্ঘ তিনটি খাল পুনঃখনন প্রকল্পে সরকারের বরাদ্দ ছিল ১ কোটি ৬৭ লাখ ৪৯ হাজার ৪০৯ টাকা। প্রায় তিন মাস ধরে পরিচালিত এ প্রকল্পে শ্রমিকের মজুরি ও অন্যান্য আনুষঙ্গিক ব্যয় পরিশোধের পর থেকে যাওয়া ৭৩ লাখ ৩৬ হাজার ৩৬৫ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত হিসেবে জমা দেওয়া হয়েছে।

    সংশ্লিষ্টরা জানান, দেশের বিভিন্ন স্থানে খাল খনন প্রকল্প নিয়ে নানা অনিয়ম ও অপব্যয়ের অভিযোগ উঠলেও সালথায় প্রকল্পটি স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার সঙ্গে বাস্তবায়িত হয়েছে। সরকারি অর্থের অপচয় না করে সঠিকভাবে প্রকল্প সম্পন্ন করায় উপজেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগ স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, জনপ্রতিনিধি ও সাধারণ মানুষের প্রশংসা কুড়িয়েছে।

    উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার (পিআইও) কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ফরিদপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম রিংকু প্রকল্পটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। প্রকল্পের অগ্রগতি ও কাজের মান পরিদর্শনে আসেন ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক মাজহারুল ইসলাম। পরিদর্শন শেষে তারা উভয়েই কাজের মান, ফিনিশিং এবং স্বচ্ছ বাস্তবায়নের প্রশংসা করেন।

    এ বিষয়ে সালথা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ দবির উদ্দিন বলেন, উন্নয়ন কাজের প্রতিটি ধাপে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও সততা নিশ্চিত করাই আমাদের মূল অঙ্গীকার। সরকারি অর্থ জনগণের সম্পদ। তাই এর যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করা আমাদের দায়িত্ব। প্রকল্পে প্রয়োজনীয় ব্যয় নির্বাহের পর যে অর্থ অবশিষ্ট ছিল তা সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়া হয়েছে। আমি যেখানেই দায়িত্ব পালন করি, প্রতিটি কাজ নিজের দায়িত্ব মনে করেই সম্পন্ন করার চেষ্টা করি।
    স্থানীয়দের মতে, সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পে এমন স্বচ্ছতা ও সাশ্রয়ী ব্যবস্থাপনা অন্যদের জন্যও অনুসরণীয় উদাহরণ হয়ে থাকবে।

    এর আগে মোঃ দবির উদ্দিন নগরকান্দা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে দ্বায়িত্ব পালন করেছেন। সেখানকার সাধারণ জনগণ এখনও তার কর্মকান্ডের কথা স্বরণ করেন।

    নগরকান্দা প্রেসক্লাবের সিনিয়র সহ-সভাপতি বিলায়েত হোসেন লিটন বলেন, সাবেক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ দবির উদ্দিন একজন ভালো মনের অফিসার। তিনি অল্প সময়েই নগরকান্দা উপজেলার সর্বস্তরের জনগণের মন জয় করতে সক্ষম হয়েছিলেন, তিনি নগরকান্দা প্রেসক্লাবের উন্নয়ন কাজের জন্য  প্রায় দুই লক্ষ সরকারী টাকা অনুদানের ব্যবস্থা করে দেন।

    নগরকান্দা প্রশাসনের কর্মকর্তারাও তার ব্যবহারের প্রশাংসা করে বলেন তিনি একজন সত্যিকারের মানবিক অফিসার।

  • দক্ষিণ রাঙ্গুনিয়ায় টয়লেটের পানি নিয়ে বিরোধ: চাচাতো ভাইয়ের লাঠির আঘাতে যুবকের মৃত্যু


    রাঙ্গুনিয়া প্রতিনিধি:
    চট্টগ্রামের দক্ষিণ রাঙ্গুনিয়ায় বাড়ির সীমানার পাশে টয়লেটের পানি নিষ্কাশনকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে ওবাইদুল (৩৫) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে।

    রোববার (১২ জুলাই) বিকেল আনুমানিক ৩টার দিকে উপজেলার পদুয়া ইউনিয়ন এর নাপিতপুকুরিয়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

    নিহত ওবাইদুলের পিতা ইদ্রিস মিয়া। তিনি নাপিতপুকুরিয়া গ্রামের ডাক্তার শায়ের আহম্মদের বাড়ির বাসিন্দা।

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, টয়লেটের পানি ছাড়াকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে প্রথমে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। এ সময় অভিযুক্ত ইমাম হাসান (চুক্কু) (২৭), পিতা বুদুরুছ মিয়া, একই এলাকার বাসিন্দা, তার মায়ের মাথায় আঘাত লেগে রক্তাক্ত হওয়ার ঘটনা দেখে হাতে থাকা মোটা লাঠি দিয়ে ওবাইদুলের ঘাড়ে আঘাত করেন। এতে তিনি গুরুতর আহত হন।

    স্বজনরা দ্রুত তাকে রাঙ্গুনিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

    জানা গেছে, নিহত ও অভিযুক্ত পরস্পরের আপন চাচাতো ভাই এবং উভয়েই ডাক্তার শায়ের আহম্মদের ভাতিজা।

    ঘটনার খবর পেয়ে দক্ষিণ রাঙ্গুনিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হিলাল উদ্দিন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এ ঘটনায় অভিযুক্তের বড় ভাই এমরান হোসেন (বাচা) ও তার পিতা বুদুরুস মিয়াকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নেওয়া হয়েছে। এছাড়া অভিযুক্ত ইমাম হাসান (চুক্কু) পলাতক রয়েছেন জানা যায়।

    তবে ঘটনার বিষয়ে দক্ষিণ রাঙ্গুনিয়া থানার পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক বক্তব্য এবং মামলার বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি। পুলিশের তদন্ত শেষে প্রকৃত ঘটনার কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।

  • নেত্রকোনায় হামলায় জখম নারীর অভিযোগ না নিয়ে ঘটনা সালিশে সমাধানের পরামর্শ ওসির


    নেত্রকোনা প্রতিনিধি:
    নেত্রকোনার বারহাট্টা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) চম্পক দামের বিরুদ্ধে মারধরে জখম হওয়া এক নারীর থঅভিযোগ না নিয়ে সালিশে সমস্যা সমাধানের পরামর্শ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগীদের দাবি, ওসি চম্পক দাম লিখিত অভিযোগ না নিয়ে বিষয়টি সালিশের মাধ্যমে নিষ্পত্তির পরামর্শ দেন। পরে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার হস্তক্ষেপে অভিযোগ গ্রহণ করা হলেও দুই পক্ষকে থানায় ডেকে আলোচনা করেই শেষ করা হবে জানান ওসি।

    শনিবার দিবাগত রাতে বারহাট্টা থানায় এ ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগীরা হলেন,উপজেলার সিংধা ইউনিয়নের আলোকদিয়া গ্রামের আব্দুল্লাহর স্ত্রী মুক্তা বেগম (৪৫) ও তাঁর মেয়ে আঁখি আক্তার (২৮)। হামলাকারী বাদশা মিয়া(৩৬)এই ইউনিয়নের পাশ্ববর্তী ধনপুর গ্রামের মৃত নুর হাকিমের ছেলে। তিনি মৎস্য ব্যবসায়ী।

    অভিযোগ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার দুপুরে বারহাট্টা উপজেলার ধনপুর গ্রামে আঁখি আক্তারের স্বামী বাদশা মিয়া (৩৬) শ্বশুরবাড়িতে গিয়ে তাঁকে মারধর করেন। এ সময় মেয়েকে রক্ষা করতে গেলে বাদশা লাঠি দিয়ে শাশুড়ি মুক্তা বেগমের পিঠে আঘাত করলে তিনি রক্তাক্ত হন।

    এসময় তাকে কিল ঘুষি ও টেনে হিঁচড়ে আহত করা হয়। স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এসে মা-মেয়েকে উদ্ধার করে মোহনগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। রাত প্রায় ১০টার দিকে তাঁরা বারহাট্টা থানায় লিখিত অভিযোগ দিতে যান। সেখানে গিয়ে অভিযুক্ত বাদশা মিয়াকে আগেই থানায় উপস্থিত দেখতে পান বলে দাবি করেন তাঁরা। মুক্তা বেগম বলেন, আমরা লিখিত অভিযোগ দিতে চাইলে ওসি প্রথমে তা গ্রহণ করেননি। আগামী বুধবার থানায় উভয় পক্ষকে ডেকে সালিশের মাধ্যমে সমাধান করা হবে বলে জানান তিনি।

    এসব বলে অভিযোগ না নিয়েই তিনি আমাদেরকে বাড়ি পাঠিয়ে দেন। পরে আত্মীয়স্বজনের পরামর্শে রাস্তা থেকে ফেরত গিয়ে অভিযোগ লিখে জমা দিয়ে আসি। আমাদের পরিচিত একজন পুলিশের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে বিষয়টি জানালে ওসি কিছুটা নমনীয় হয় এবং অভিযোগ নিতে রাজি হয়। হয়। অভিযোগ নেওয়ার পরও ওসি বলেন, এ বিষয়ে বুধবার থানায় আলোচনা হবে, এরপর প্রয়োজন হলে মামলা হবে।

    তিনি আরও বলেন, থানায় গিয়ে দেখি আগে থেকেই অভিযুক্ত বাদশা সেখানে অবস্থান করছে। পুলিশের সাথে তার বেশ সখ্য। তাই হয়তো আমাদের অভিযোগ নিতে চাইছে না পুলিশ। এত বড় জখমের পর কেন অভিযোগ নিতে চাইছে না বুঝতে পারছি না। আমরা তো সালিশ চাই না। আর থানা তো সালিশের জায়গা না।

    একই অভিযোগ করেন অপর ভুক্তভোগী আঁখি আক্তার। তিনি বলেন, শেষমেশ অভিযোগ দিয়েও ন্যায়বিচার পাওয়া নিয়ে আমরা শঙ্কায় আছি। কারণ বদশার সাথে পুলিশের ভালো সম্পর্ক দেখলাম। আমাদেরকে পিটিয়ে রক্তাক্ত করে আগেই থানায় গিয়ে পুলিশের সাথে আড্ডা দিচ্ছে। ওসি বাদশার বিরুদ্ধে অভিযোগ না নিয়ে উল্টো তার সাথে আলাপ করছিল। সালিশের সময় দিচ্ছে। ঊর্ধ্বতন কর্তমপক্ষের কাছে আমরা এর বিচার চাই।

    ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, ২০২৩ সালে আঁখি আক্তারের সঙ্গে বাদশা মিয়ার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই যৌতুকের দাবিতে নির্যাতন শুরু হয়। কয়েক লাখ টাকা দেওয়ার পরও নির্যাতন বন্ধ হয়নি। এ ঘটনায় গত বছরের নভেম্বরে আঁখি আক্তার আদালতে একটি মামলা করেন। মামলাটি চলমান রয়েছে। তাঁদের এক বছর বয়সী একটি সন্তান রয়েছে। সম্প্রতি বাদশা মিয়া গোপনে আরেকটি বিয়ে করেছেন।

    এ নিয়ে দাম্পত্য বিরোধ আরও তীব্র হয় এবং আঁখি আক্তার সন্তানকে নিয়ে বাবার বাড়িতে অবস্থান করছিলেন। গতকাল শনিবার দুপুরে বাড়িতে গিয়ে আঁখিকে মারধর শুরু করে বাদশা। এসময় মেয়েকে বাঁচাতে এলে মা মুক্তা বেগমকে লাঠি দিয়ে পিঠে আঘাত করে রক্তাক্ত করেন বাদশা। এছাড়াও কিল ঘুষি মেরে টেনে হিঁচড়ে আহত করা হয়।

    এ বিষয়ে জানতে হামলাকারী বাদশা মিয়ার ব্যবহৃত মোবাইলফোনে একাধিকবার কল করা হলেও বন্ধ পাওয়া যায়। অভিযোগের বিষয়ে বারহাট্টা থানার ওসি চম্পক দাম বলেন, আভিযোগ নেওয়া হয়েছে। পারিবারিক বিষয় আলোচনা করে শেষ করে দিতে বলা হয়েছে।

    তবে জখমি মুক্তা বেগমের অভিযোগ নেওয়ার বিষয়টি তিনি এড়িয়ে যান। বিষয়টি অবহিত করলে জেলা পুলিশের মুখপাত্র অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বিশেষ শাখা) হাফিজুল ইসলাম বলেন, হামলায় জখমের ঘটনায় অভিযোগ নেওয়ার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। এমন ঘটনায় থানায় সালিসের নিয়ম নেই। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

  • রাঙ্গুনিয়ায় বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আলমগীর হোসেন ড্রাইভার

    রাঙ্গুনিয়া প্রতিনিধিঃ

    ভারী বর্ষণ, ভয়াবহ বন্যা ও পাহাড়ধসে বিপর্যস্ত রাঙ্গুনিয়ার ৬ নং পোমরা ইউনিয়নের দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আলমগীর হোসেন ড্রাইভার।

    রবিবার (১২ জুলাই) তিনি জঙ্গল পোমরা জিয়ানগরের দক্ষিণ পাশের আশ্রয়ণ প্রকল্পসহ ক্ষতিগ্রস্ত বিভিন্ন এলাকা সরেজমিনে পরিদর্শন করেন। এ সময় নিজের অর্থায়নে ২০টি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে খাদ্যসামগ্রী ও জরুরি সহায়তা বিতরণ করেন।

    পরিদর্শনকালে আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দারা জানান, টানা বর্ষণ ও পাহাড়ধসের কারণে রাস্তাঘাট মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ফলে শিশু, নারী ও বৃদ্ধসহ শতাধিক মানুষ চরম দুর্ভোগে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। স্থানীয়রা দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি সংসদ সদস্যের সহযোগিতা কামনা করেন।

    দুর্যোগের শুরু থেকেই আলমগীর হোসেন ড্রাইভার ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে ঘুরে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের খোঁজখবর নিচ্ছেন এবং নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী খাদ্যসামগ্রী, বিশুদ্ধ পানি ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় সহায়তা পৌঁছে দিচ্ছেন।

    আলমগীর হোসেন ড্রাইভার বলেন,”পোমরা ইউনিয়নের প্রতিটি মানুষ আমার পরিবারের সদস্য। দুর্যোগের এই সময়ে তাদের পাশে থাকা আমার দায়িত্ব। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত আমার সাধ্যমতো সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে, ইনশাআল্লাহ।”

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন মুহাম্মদ আব্দুল হামিদ, মুহাম্মদ সোলতান আহমদ, মুহাম্মদ রফিক, মুহাম্মদ সোলতান আহমদ (২), মুহাম্মদ নঈম উদ্দিন, মুহাম্মদ কাইছার হামিদ রুবেল, মুহাম্মদ ফয়েজ সাজু আকতার, সুমি বেগম সহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

  • সেনবাগ কল্যাণ সমিতির নির্বাচন সম্পন্ন সভাপতি এ বি এম ফারুক, সাধারণ সম্পাদক আবদুল হালিম নির্বাচিত


    নোয়াখালী জেলা প্রতিনিধি:
    ঢাকাস্থ সেনবাগবাসীর ঐতিহ্যবাহী সামাজিক সংগঠন সেনবাগ কল্যাণ সমিতি-এর ২০২৬–২০২৮ মেয়াদের দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। নির্বাচনে সভাপতি পদে এ বি এম ফারুক এবং সাধারণ সম্পাদক পদে আবদুল হালিম নির্বাচিত হয়েছেন।

    শনিবার (১১ জুলাই ২০২৬) ঢাকার টিকাটুলিস্থ দেলোয়ার কমপ্লেক্সে অবস্থিত সমিতির অস্থায়ী কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত নির্বাচনের পর ৩৪ সদস্যবিশিষ্ট কার্যনির্বাহী পরিষদের নাম ঘোষণা করেন নির্বাচন কমিশনার মো. মোজাম্মেল হোসেন (সেলিম)।

    নির্বাচিত অন্যান্য নেতৃবৃন্দ হলেন— সহ-সভাপতি মো. ইউনুছ পাটোয়ারী (বাচ্চু), মো. আবুল কাশেম (বীমা কাশেম), এ. কে. এম. শওকত আলী চৌধুরী, মো. ইমাম হোসেন মজুমদার, মো. জাফর আহম্মদ, মিয়া মোহাম্মদ শরীফ উল্লাহ, মো. সামসুল হক ও মো. শরীফ হোসেন।

    এ ছাড়া যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন মাসুদ পারভেজ, আবু জাফর সাইফুল্লাহ (হেলাল) ও প্রফেসর মো. আবদুস ছাত্তার। অর্থ সম্পাদক আবদুর রশিদ পাটোয়ারী, সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মোস্তফা ও মো. আতাউর রহমান (সুজন), আইন বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার ফামিদা আখতার, প্রচার সম্পাদক মো. দেলোয়ার হোসেন, সহ-প্রচার সম্পাদক মো. ফিরোজ আলম, সাহিত্য ও ক্রীড়া সম্পাদক আবু সাকের, সমাজসেবা সম্পাদক ইমতিয়াজ একরাম (রবি), বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক মো. কামাল হোসেন, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক মো. সালেহ আহাম্মদ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক সম্পাদক খালেদা আখতার (রানু) নির্বাচিত হয়েছেন।

    কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন মকবুল আহম্মেদ, মোহাম্মদ শাহজাহান পাটোয়ারী, মো. সাহাদাত হোসেন, মো. শহিদ উল্লাহ ভুঁইয়া, হাজী আবু তালেব, মো. সামসুর রহমান (বাবুল), মো. গিয়াস উদ্দিন (হৃদয়), শেখ তমিজ উদ্দিন এবং আবদুল ওহাব।

    নবনির্বাচিত নেতৃবৃন্দ সেনবাগবাসীর কল্যাণে ঐক্য, সহযোগিতা ও সামাজিক উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডকে আরও বেগবান করতে সম্মিলিতভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।