Author: DBC

  • তৃণমূলের আস্থা ও ত্যাগের প্রতীক আবুল বাশার: বাঁকা ইউনিয়নে বিএনপির সম্ভাব্য শক্তিশালী মুখ

    তৃণমূলের আস্থা ও ত্যাগের প্রতীক আবুল বাশার: বাঁকা ইউনিয়নে বিএনপির সম্ভাব্য শক্তিশালী মুখ

    স্টাফ রিপোর্টার:

    চুয়াডাঙ্গা জেলার জীবননগর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী বাঁকা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) থেকে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে সর্বস্তরের নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মুখে মুখে এখন একটিই নাম—আবুল বাশার।

    বাঁকা ইউনিয়ন বিএনপির বর্তমান সফল সাধারণ সম্পাদক এবং বিশিষ্ট সমাজসেবক আবুল বাশার তৃণমূল থেকে উঠে আসা এক লড়াকু সৈনিক। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের দীর্ঘ ১৬ বছরের দুঃশাসন, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা এবং চরম প্রতিকূলতার মাঝেও জীবননগর ও বাঁকা ইউনিয়নের প্রতিটি ওয়ার্ডের নেতাকর্মীদের আগলে রেখেছেন তিনি।

    দলের প্রতি তার অবিচল আনুগত্যের প্রমাণ মেলে তার রাজনৈতিক জীবনের পদাঙ্ক লক্ষ্য করলে। স্বৈরাচারী আমলে মিথ্যা ও গায়েবি মামলার শিকার হয়ে তাকে ১২টি রাজনৈতিক মামলার বোঝা মাথায় নিতে হয়েছে। সহ্য করতে হয়েছে জেল-জুলুম ও অমানবিক নির্যাতন। দীর্ঘ এক মাস কারাবরণ করেও তিনি আদর্শ থেকে বিচ্যুত হননি। উল্টো কারাগার থেকে ফিরে দ্বিগুণ উদ্দীপনায় রাজপথে সক্রিয় থেকেছেন এবং নিজের পকেটের অর্থ ব্যয় করে অবরুদ্ধ ও নির্যাতিত দলীয় নেতাকর্মীদের পাশে দাঁড়িয়েছেন, দিয়েছেন নিয়মিত আর্থিক ও আইনি সহযোগিতা।

    শুধু দলীয় গণ্ডিতেই নয়, করোনাকালীন চরম সংকটের সময় তিনি সাধারণ মানুষের মাঝে ত্রাণসামগ্রী ও আর্থিক অনুদান নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন। তৎকালীন স্বৈরাচারী আওয়ামী লীগের একচ্ছত্র আধিপত্যের সময়েও তিনি জনগণের ভোটে মেম্বার নির্বাচিত হয়ে সাহসিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন। সে সময় দলীয় নেতাকর্মী ও এলাকার মানুষের পক্ষে কথা বলায় এবং অন্যায়ের প্রতিবাদ করায় তৎকালীন আওয়ামী লীগের চেয়ারম্যান তার ৩১ মাসের ইউনিয়ন পরিষদের সম্মানী ভাতা আবুল বাশারকে দেননি। কিন্তু কোনো অন্যায় বা চাপের কাছে মাথা নত করেননি আবুল বাশার।

    রাজনৈতিক অঙ্গনের পাশাপাশি সামাজিক পরিমণ্ডলেও আবুল বাশারের সুনাম সর্বজনবিদিত। তিনি বর্তমানে এলাকার স্বনামধন্য সামাজিক সংগঠন ‘লোকমর্চা’-এর সাধারণ সম্পাদক হিসেবে অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন। সমাজে রন্ধ্রে রন্ধ্রে ছড়িয়ে পড়া বাল্যবিবাহের অভিশাপ থেকে তরুণ প্রজন্মকে রক্ষা করতে বিগত ৭ বছর ধরে তিনি মাঠপর্যায়ে আপসহীনভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।

    একই সঙ্গে তিনি সমাজকে কলঙ্কমুক্ত করতে মাদকের বিরুদ্ধে শতভাগ জিরো টলারেন্স নীতি ও কঠোর অবস্থান বজায় রেখেছেন এবং ভবিষ্যতেও এই ধারা অব্যাহত রাখার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন। এলাকার প্রতিটি অঞ্চলের অসহায়, দরিদ্র, দিনমজুর ও হতদরিদ্র মানুষের বিপদে-আপদে তিনি নিজের উপার্জিত অর্থ দিয়ে পরম বন্ধুর মতো পাশে দাঁড়িয়েছেন, যা তাকে বাঁকা ইউনিয়নের সাধারণ মানুষের হৃদয়ে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে।

    আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে তৃণমূলের সাধারণ নেতাকর্মী ও আপামর জনসাধারণের মাঝে আবুল বাশারের পক্ষে ব্যাপক গণজোয়ার ও সুদৃঢ় সমর্থন সৃষ্টি হয়েছে। দল ও সমাজের প্রতি এমন ত্যাগী, সৎ, সাহসী ও পরীক্ষিত নেতাকে যদি আসন্ন বাঁকা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বিএনপি থেকে চূড়ান্ত দলীয় মনোনয়ন দেওয়া হয়, তবে বিপুল জনসমর্থন নিয়ে তিনি জয়লাভ করবেন বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও সাধারণ ভোটাররা শতভাগ নিশ্চিত।

    আবুল বাশার স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছেন, দল তাকে মূল্যায়ন করলে এবং দলের পক্ষ থেকে তাকে সমর্থন করলে তিনি বাঁকা ইউনিয়নের সর্বস্তরের জনগণকে সঙ্গে নিয়ে ভোটের নীরব বিপ্লবের মাধ্যমে এই ইউনিয়নটি দেশনায়ক তারেক রহমান ও বিএনপিকে উপহার দেবেন।

    চেয়ারম্যান নির্বাচিত হতে পারলে তিনি জরাজীর্ণ রাস্তাঘাট সংস্কার, অবহেলিত গ্রামীণ অবকাঠামোর আধুনিকায়ন এবং দরিদ্র ও দুস্থ মানুষের জীবনমান উন্নয়নে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনবেন। একই সঙ্গে তিনি বাঁকা ইউনিয়ন পরিষদকে একটি আধুনিক, জবাবদিহিমূলক ও দুর্নীতিমুক্ত প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের জন্য প্রশাসনিক সেবা শতভাগ নিশ্চিত ও সহজলভ্য করার অঙ্গীকার করেছেন।

    এলাকার সাধারণ ভোটারদের দাবি—ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠা, সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত এবং বাঁকা ইউনিয়নকে একটি আদর্শ ও মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলতে আবুল বাশারের মতো সুযোগ্য ও জনদরদী নেতার কোনো বিকল্প নেই।

  • ন্যায্য মজুরির দাবিতে বেনাপোল বন্দরে শ্রমিকদের কর্মবিরতি, আশ্বাসে এক মাসের জন্য স্থগিত আন্দোলন

    শার্শা,যশোর প্রতিনিধি: ন্যায্য মজুরির দাবিতে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি ও আন্দোলনে নেমেছিলেন বেনাপোল স্থল বন্দর হ্যান্ডলিং শ্রমিক ইউনিয়ন ৮৯১ ও ৯২৫- এই দুইটি সংগঠনের শ্রমিকরা।

    রবিবার (১৪ জুন২০২৬) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বেনাপোল স্থল বন্দরের প্রধান ফটকের সামনে রাজপথে অবস্থান নিয়ে কর্মবিরতি পালন করেন তারা।

    আন্দোলনরত শ্রমিকদের অভিযোগ, ২০১২ সালে বেনাপোল পোর্ট কর্তৃপক্ষ আমদানিকারকদের কাছ থেকে প্রতি টন পণ্য হ্যান্ডলিং বাবদ ৩৩ টাকা আদায় করলেও শ্রমিকরা পেতেন মাত্র ১৮ টাকা। বর্তমানে ২০২৬ সালে সেই হ্যান্ডলিং চার্জ বেড়ে ৭৮ টাকায় উন্নীত হলেও শ্রমিকদের মজুরি এখনো ১৮ টাকাতেই সীমাবদ্ধ রয়েছে।

    শ্রমিকদের দাবি, প্রতি টন পণ্য হ্যান্ডলিংয়ে ম্যানুয়াল শ্রমিকদের মজুরি ৩৫ টাকা এবং অন্যান্য ক্ষেত্রে ৩০ টাকা নির্ধারণ করতে হবে।

    পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে আন্দোলনস্থলে উপস্থিত হন বেনাপোল স্থল বন্দরের পরিচালক শামীম হোসেন, বেনাপোল সি অ্যান্ড এফ এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দ, ৮৯১ শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মাসুদুর রহমান রিন্টু ও সাধারণ সম্পাদক লিটন, ৯২৫ শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি তবিবুর রহমান এবং সাধারণ সম্পাদক সহিদ আলী।

    পরে শ্রমিক নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে বন্দর কর্তৃপক্ষ ও সংশ্লিষ্ট নেতৃবৃন্দ শ্রমিকদের দাবিগুলো এক মাসের মধ্যে বাস্তবায়নের আশ্বাস দেন। এ সময় তারা আন্দোলনকারীদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য দিয়ে জানান, শ্রমিকদের দাবি যথাযথভাবে বিবেচনা করা হবে এবং দ্রুত সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন, বেনাপোল স্থলবন্দর হ্যান্ডেলিং শ্রমিক ইউনিয়ন ৯২৫ এর সহ-সাধারণ সম্পাদক (১) মোঃ আব্দুল মজিদ ও সহ-সাধারণ সম্পাদক(২) মোঃ জিয়াউর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ রফিকুল ইসলাম,সহ ও সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ ইদ্রিস আলী ডাক্তার,প্রচার সম্পাদক ওমর ফারুক, কোষাধ্যক্ষ মোঃ সবুজ হোসেন কার্যনির্বাহী সদস্য মোঃ কামরুজ্জামান সহ ৮৯১ ও ৯২৫ এর সকল শ্রমিক বৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

    বাংলাদেশ সরকারের বাজেট প্রণয়নের চলমান সময় বিবেচনায় নিয়ে এবং বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আলহাজ্ব অনিন্দ্য ইসলাম অমিতের সার্বিক তত্ত্বাবধানে শ্রমিকরা তাদের কর্মসূচি এক মাসের জন্য স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নেন।

    তবে শ্রমিক নেতারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তাদের দাবি বাস্তবায়ন না হলে এক মাস পর পুনরায় অনির্দিষ্টকালের জন্য সকল ধরনের কাজকর্ম বন্ধ রেখে আরও কঠোর আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

    শ্রমিকদের এ কর্মসূচির কারণে সকালে বন্দর এলাকায় কিছু সময়ের জন্য কর্মচাঞ্চল্যে স্থবিরতা দেখা দিলেও আলোচনার মাধ্যমে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসে।

  • পানছড়িতে মারমা ঐক্য পরিষদ সংগঠন’কে গতিশীল করার লক্ষ্যে সাংগঠনিক সভা অনুষ্ঠিত 

    খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি: খাগড়াছড়ি জেলা পানছড়ি উপজেলা শাখা বাংলাদেশ মারমা ঐক্য পরিষদ আয়োজনে সংগঠনে তৃণমূল পর্যায়ে কর্মীদের সুসংগঠিত ও সংগঠন’কে গতিশীল করার লক্ষ্যে সাংগঠনিক সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    শনিবার (১৩জুন) বিকেলে পানছড়ি কুড়াদিয়াছড়া ৪নং লতিবান ইউনিয়ন পরিষদ কক্ষে সাংগঠনিক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে ।

    সাংগঠনিক সভাতে বাংলাদেশ মারমা ঐক্য পরিষদে জেলা কমিটি সহ-সভাপতি সুইলাপ্রু মারমা সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ মারমা ঐক্য পরিষদ খাগড়াছড়ি জেলা কমিটি সিনিয়র সহ-সভাপতি সুধা অং মারমা, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, স্থায়ী কমিটি উপদেষ্টা মংমংশে মাষ্টার, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অংহ্লাপ্রু মারমা, থোয়াইহ্লাপ্রু মারমাসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনে নেতৃবৃন্দ।

    বক্তৃরা বক্তব্য বলেন, মারমা সম্প্রদায়ের অধিকার প্রতিষ্ঠা, বৈষম্যহীন সমাজ বিনির্মাণ এবং তৃণমূল পর্যায়ে সংগঠনের কার্যক্রম আরও গতিশীল ও সুসংগঠিত করা মূল উদ্দেশ্য।

  • বিরামপুরের ৩নং খানপুর ইউনিয়নে ‘৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন

    দিনাজপুর জেলা প্রতিনিধি: পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা এবং সবুজ বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে সরকার ঘোষিত ‘৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলার ৩নং খানপুর ইউনিয়নে আনুষ্ঠানিকভাবে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে।শনিবার (১৩ জুন ২০২৬) সকালে ৩নং খানপুর ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোগে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান চিন্তরঞ্জন পাহান। বিশেষ অতিথি ছিলেন বিরামপুর উপজেলা পরিসংখ্যান কর্মকর্তা পিয়াস ইবনে হাবিব।

    খানপুর ইউনিয়নের একটি গ্রামীণ সড়কে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ইউপি সদস্যবৃন্দ, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সুধীজন, বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এবং নারী-পুরুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে ব্যানার উন্মোচনের মাধ্যমে কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক সূচনা করা হয়। অনুষ্ঠানে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় গ্রাম পুলিশ সদস্যরা দায়িত্ব পালন করেন।আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বৃক্ষরোপণের বিকল্প নেই।

    পরিবেশ রক্ষা ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য বাসযোগ্য পৃথিবী নিশ্চিত করতে সরকারের ঘোষিত এই কর্মসূচিকে সফল করতে সমাজের প্রতিটি মানুষকে এগিয়ে আসতে হবে।

    পাশাপাশি ফলদ, বনজ ও ঔষধি গাছ রোপণের পাশাপাশি সেগুলোর যথাযথ পরিচর্যার ওপরও গুরুত্বারোপ করা হয়।অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে প্রধান অতিথি, বিশেষ অতিথি ও উপস্থিত অতিথিবৃন্দ সড়কের দুই পাশে বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা রোপণ করেন। এ সময় সবুজায়নের এই মহৎ উদ্যোগ সফল করতে সকলের সম্মিলিত অংশগ্রহণ ও সহযোগিতা কামনা করা হয়।

  • উজিরপুরে ডিবি পুলিশের বিশেষ অভিযান, ৩ কেজি গাঁজা ও অস্ত্রসহ নারী আটক

    উজিরপুর (বরিশাল) প্রতিনিধিঃ বরিশালের উজিরপুর উপজেলায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে ৩ কেজি গাঁজা ও দুটি দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করেছে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। অভিযানে মাহমুদা বেগম (৩৮) নামে এক নারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে অভিযানের মূল লক্ষ্য হিসেবে চিহ্নিত কথিত মাদক কারবারি নজরুল বেপারী পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

    শনিবার (১৩ জুন) ভোররাত প্রায় ৪টার দিকে উপজেলার ওটরা ইউনিয়নের কেশবকাটি গ্রামে ডিবি পুলিশের একটি বিশেষ দল এ অভিযান পরিচালনা করে। পুলিশ জানায়, দীর্ঘদিন ধরে নজরুল বেপারীর বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসার অভিযোগ ছিল। বিষয়টি নিয়ে গোয়েন্দা নজরদারি চালানোর পর গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাঁর বাড়িতে অভিযান চালানো হয়। তল্লাশির একপর্যায়ে বাড়ির একটি কক্ষ থেকে ৩ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। একই সঙ্গে একটি চাপাতি ও একটি ধারালো ছোরাও জব্দ করা হয়, যা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে ব্যবহারের আশঙ্কায় জব্দ তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।

    অভিযানের সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে নজরুল বেপারী কৌশলে পালিয়ে যেতে সক্ষম হলেও ঘটনাস্থল থেকে তাঁর স্ত্রী মাহমুদা বেগমকে আটক করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ ও ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার হওয়া আলামতের ভিত্তিতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। ডিবি পুলিশের কর্মকর্তারা জানান, পলাতক নজরুলকে গ্রেপ্তারের লক্ষ্যে সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। পাশাপাশি তাঁর মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত অন্য কোনো ব্যক্তি বা চক্র রয়েছে কি না, তাও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

    উজিরপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ রকিবুল ইসলাম বলেন, উদ্ধার হওয়া গাঁজা ও দেশীয় অস্ত্রের ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃত মাহমুদা বেগমকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। তিনি আরও জানান, মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির অংশ হিসেবে নিয়মিত অভিযান পরিচালিত হচ্ছে এবং পলাতক আসামিকে আইনের আওতায় আনতে সর্বাত্মক চেষ্টা চলছে।

    অভিযানের সময় ওটরা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ মাসুদ মোল্লা উপস্থিত ছিলেন। তিনি বলেন, মাদক একটি সামাজিক ব্যাধি, যা পরিবার ও সমাজকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেয়। তাই মাদক নির্মূলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এমন অভিযান অত্যন্ত সময়োপযোগী ও প্রশংসনীয়। তিনি বলেন, প্রশাসনের পাশাপাশি জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতা, অভিভাবক এবং সচেতন নাগরিকদের সমন্বিত উদ্যোগ ছাড়া মাদকের বিস্তার পুরোপুরি রোধ করা সম্ভব নয়।

    স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, কেশবকাটি এলাকাসহ আশপাশের গ্রামগুলোতে মাঝে মধ্যেই মাদক ব্যবসার অভিযোগ শোনা যায়। তাঁদের দাবি, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যদি নিয়মিত গোয়েন্দা নজরদারি ও বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে, তাহলে মাদক কারবারিদের দৌরাত্ম্য অনেকটাই কমে আসবে। একই সঙ্গে যুবসমাজকে মাদকের ভয়াবহ ছোবল থেকে রক্ষা করা সম্ভব হবে এবং এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা ও সামাজিক নিরাপত্তা আরও জোরদার হবে।

  • ধামইরহাটে দুই দিনব্যাপী আদিবাসী ফুটবল টুর্নামেন্ট শুরু

    ধামইরহাট নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি: নওগাঁর ধামইরহাটে জগদল আদিবাসী ফুটবল একাদশের আয়োজনে শুরু হয়েছে দুই দিনব্যাপী ‘আদীবাসী ফুটবল টুর্নামেন্ট’। ১২ ও ১৩ জুন স্থানীয় জগদল আদিবাসী স্কুল ও কলেজ মাঠে এই খেলা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

    জগদল আদিবাসী স্কুল ও কলেজের অধ্যক্ষ জনাব মো: ইলিয়াস আলমের সভাপতিত্বে টুর্নামেন্টটি উদ্বোধন করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা জনাব মাথাই টুডু। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ধামইরহাট উপজেলা চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আলহাজ্ব মো: রুহুল আমিন।

    1. বিশেষ অতিথি হিসেবে স্থানীয় বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। পুরো টুর্নামেন্টটি পরিচালনা করছেন জগদল আদিবাসী ফুটবল একাদশের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মি. ফিলিমোন টুডু। খেলা দেখতে মাঠে স্থানীয় ক্রীড়ামোদীদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে।
  • বজ্রপাতে নিহত জুয়েলের পরিবারের পাশে ইঞ্জি: এনামুল হক এমপি

    নওগাঁর পত্নীতলা উপজেলায় বজ্রপাতে মো: জুয়েল হোসেন (৪৫) নামের এক ব্যক্তির আকস্মিক ও মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি:তিনি উপজেলার ঘোষনগর ইউনিয়নের ঘোষনগর দক্ষিণ পাড়ার বাসিন্দা ছিলেন।

    পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, আজ বিকেল ৩:৩০ মিনিট আকস্মিক বজ্রপাতের শিকার হন জুয়েল হোসেন। পরে তাকে উদ্ধার করা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। তার এই অকাল মৃত্যুতে এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

    এদিকে দুর্ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত ছুটে যান জননেতা ইঞ্জি: এনামুল হক এমপি। তিনি নিহতের শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের সাথে সাক্ষাৎ করেন এবং গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেন। এ সময় তিনি পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দেন এবং মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন।

    তিনি বলেন, “এই আকস্মিক ক্ষতি কাটিয়ে ওঠার ভাষা কারো জানা নেই। মহান আল্লাহ তায়ালা মরহুমকে জান্নাতুল ফেরদৌসের মেহমান হিসেবে কবুল করুন এবং এই কঠিন সময়ে পরিবারটিকে ধৈর্য ধারণ করার শক্তি দান করুন।”

  • চ্যারিটি ব্লাড ইউনিটের ৫ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি: মানবতার সেবায় রক্তের বন্ধনকে শক্তিশালী করার প্রত্যয়ে পথচলা স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন চ্যারিটি ব্লাড ইউনিট পেরিয়েছে গৌরবময় পাঁচটি বছর। অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর অঙ্গীকার নিয়ে গড়ে ওঠা এ সংগঠনের ৫ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ শনিবার সকাল ১০টায় শহরের ফুলকুড়ি ইসলামী একাডেমির হলরুমে উৎসবমুখর ও আবেগঘন পরিবেশে উদযাপিত হয়েছে।

    অনুষ্ঠানে সংগঠনের সভাপতি ওয়ালিদ হাসান মাইনুল সঞ্চালনার দায়িত্ব পালন করেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের প্রধান উপদেষ্টা ডাঃ মোঃ আব্দুস সামাদ। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ ডাঃ বিপ্লব কুমার মজুমদার।

    বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফুলকুড়ি ইসলামী একাডেমির প্রধান শিক্ষক মোঃ আব্দুল আহাদ, চ্যারিটি ব্লাড ইউনিটের উপদেষ্টা মোঃ মুনিরুল ইসলাম, মোঃ আবুল কালাম, মোঃ আবুল বাশার, মোঃ জমশেদ আলী, সিনিয়র সাংবাদিক মোঃ ফয়সাল, মোঃ জহুরুল ইসলামসহ সংগঠনের সদস্যবৃন্দ ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।

    অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে কার্যক্রম শুরু হয়। এরপর অতিথিবৃন্দ ও সংগঠনের সদস্যদের উপস্থিতিতে কাটা হয় ৫ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কেক। কেক কাটার সেই মুহূর্তে যেন ভেসে ওঠে গত পাঁচ বছরের অসংখ্য স্মৃতি—রাতের আঁধারে জরুরি রক্তের খোঁজে ছুটে চলা, অসহায় রোগীর মুখে স্বস্তির হাসি, আর মানবতার ডাকে সাড়া দেওয়া শত শত তরুণের আত্মত্যাগ।

    আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, স্বেচ্ছায় রক্তদান কেবল একটি সামাজিক কাজ নয়, এটি মানুষের প্রতি মানুষের ভালোবাসার এক অনন্য প্রকাশ। চ্যারিটি ব্লাড ইউনিট প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই বিনামূল্যে রক্ত সংগ্রহ ও সরবরাহের মাধ্যমে অসংখ্য মানুষের জীবন বাঁচাতে কাজ করে যাচ্ছে। সমাজে মানবিক মূল্যবোধ জাগ্রত করা এবং তরুণদের স্বেচ্ছাসেবামূলক কাজে উদ্বুদ্ধ করার ক্ষেত্রেও সংগঠনটি প্রশংসনীয় ভূমিকা পালন করছে।

    বক্তারা আরও বলেন, রক্তের অভাবে যেন কোনো মায়ের কোল খালি না হয়, কোনো সন্তান যেন তার প্রিয়জনকে হারিয়ে না ফেলে এই স্বপ্ন নিয়েই চ্যারিটি ব্লাড ইউনিটের পথচলা। আগামী দিনগুলোতেও মানবতার কল্যাণে আরও বৃহত্তর পরিসরে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তারা।

    কেক কাটার পর অনুষ্ঠানে উপস্থিত সকলের হাতে পরিবেশবান্ধব উদ্যোগের অংশ হিসেবে ফলজ গাছের চারা বিতরণ করা হয়। মানবসেবার পাশাপাশি পরিবেশ রক্ষার এমন ব্যতিক্রমী উদ্যোগ উপস্থিত সবার প্রশংসা কুড়ায়। অতিথিরা বলেন, রক্তদান যেমন একটি জীবন বাঁচায়, তেমনি একটি গাছ ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য বয়ে আনে সুস্থ ও সুন্দর পৃথিবীর বার্তা।

    অনুষ্ঠানটি আনন্দঘন ও আবেগময় পরিবেশে সম্পন্ন হয়। মানবতার জয়গান গেয়ে, মানুষের পাশে থাকার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে চ্যারিটি ব্লাড ইউনিট নতুন উদ্যমে এগিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করে। পাঁচ বছরের এই যাত্রা কেবল একটি সংগঠনের নয়, এটি অসংখ্য মানুষের ভালোবাসা, বিশ্বাস ও মানবতার এক অনন্য ইতিহাস।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিএমডিএ’র বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন, ৫ বছরে ২৭ লাখ গাছ লাগানোর পরিকল্পনা

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি: দেশব্যাপী আগামী পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে চাঁপাইনবাবগঞ্জে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেছে বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিএমডিএ)।

    শনিবার (১৩ জুন) বিকেল সাড়ে ৩টায় জেলার নাচোল উপজেলার বিএমডিএ কর্তৃক পুনঃখননকৃত তেঘরিয়া খালের দুই পাড়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন চাঁপাইনবাবগঞ্জের জেলা প্রশাসক আবু ছালেহ মো. মুসা জঙ্গী। এর আগে একই দিনে কক্সবাজারের মালুমঘাট সংরক্ষিত বনাঞ্চলে দেশব্যাপী ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এরই ধারাবাহিকতায় জেলার এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হয়।

    উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিএমডিএ চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আল মামুনুর রশীদ, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ড. মো. ইয়াছিন আলী, নাচোল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা প্রিয়াংকা দাস, বিএমডিএ নাচোল জোনের সহকারী প্রকৌশলী মো. রেজাউল করিমসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

    অনুষ্ঠানে বিএমডিএ’র নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আল মামুনুর রশীদ জানান, আসন্ন বর্ষা মৌসুমে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় বিএমডিএ’র উদ্যোগে প্রায় ১ লাখ ৭০ হাজার বৃক্ষ রোপণের পরিকল্পনা রয়েছে।

    এছাড়া বর্তমান সরকারের উদ্যোগে আগামী পাঁচ বছরে জেলায় প্রায় ২৭ লাখ বৃক্ষ রোপণের কর্মসূচি বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। বক্তারা পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা এবং সবুজায়ন বৃদ্ধিতে ব্যাপক বৃক্ষরোপণের গুরুত্ব তুলে ধরেন। তারা সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি সাধারণ মানুষকেও বেশি বেশি গাছ লাগানোর আহ্বান জানান।

  • কাঁঠালিয়ায় মৎস্য চাষীদের প্রশিক্ষণ সম্পন্ন, ৩২ জন পাচ্ছেন ঋণ সহায়তা

    ঝালকাঠি প্রতিনিধি: ঝালকাঠির কাঁঠালিয়ায় মৎস্য চাষীদের প্রশিক্ষণ সম্পন্ন, ৩২ জন পাচ্ছেন ঋণ সহায়তা মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধি, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার সম্প্রসারণ এবং গ্রামীণ অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে ঝালকাঠির কাঁঠালিয়ায় সমবায়ী মৎস্য চাষীদের জন্য আয়োজিত পাঁচ দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মসূচি সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।

    শনিবার (১৩ জুন) উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঝালকাঠি-১ (কাঁঠালিয়া-রাজাপুর) আসনের সংসদ সদস্য মো. রফিকুল ইসলাম জামাল।

    প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, মৎস্য খাতে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি করতে পারলে উৎপাদন বাড়বে, নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে এবং গ্রামীণ অর্থনীতি আরও সমৃদ্ধ হবে। সমবায়ের মাধ্যমে স্ব-কর্মসংস্থান সৃষ্টির এ ধরনের উদ্যোগ দেশের টেকসই উন্নয়ন অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

    উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা মৎস্য বিভাগের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এ প্রশিক্ষণ কর্মসূচি গত ৯ জুন শুরু হয়ে ১৩ জুন সমাপনী অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে শেষ হয়।

    পাঁচ দিনের প্রশিক্ষণে প্রশিক্ষকের দায়িত্ব পালন করেন উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা নাহিদা আক্তার। কর্মসূচিতে উপজেলার বিভিন্ন এলাকার ৩২ জন নারী ও পুরুষ সমবায়ী মৎস্যজীবী অংশগ্রহণ করেন।

    আয়োজক সূত্রে জানা গেছে, প্রশিক্ষণ সফলভাবে সম্পন্ন করা প্রত্যেক অংশগ্রহণকারীকে সরকারি উদ্যোগে ৮০ হাজার টাকা করে ঋণ সহায়তা প্রদান করা হবে, যা তাদের মৎস্য চাষ ও সংশ্লিষ্ট কর্মকাণ্ড সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

    সমাপনী অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মকবুল হোসেন সভাপতিত্ব করেন।

    এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন কাঁঠালিয়া থানার ওসি (তদন্ত) হারান চন্দ্র পাল, উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. জালালুর রহমান আকনসহ উপজেলা প্রশাসন, মৎস্য বিভাগ এবং স্থানীয় বিভিন্ন পর্যায়ের প্রতিনিধিরা।

    অনুষ্ঠান শেষে প্রশিক্ষণার্থীরা এ ধরনের বাস্তবমুখী প্রশিক্ষণ আয়োজনের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং অর্জিত জ্ঞান মাঠপর্যায়ে কাজে লাগিয়ে মাছের উৎপাদন বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করান।