Category: প্রচ্ছদ

  • মোহনগঞ্জে সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মাঝে বিনা মূল্যে চিকিৎসাসেবা ও ওষুধ বিতরণ

    নেত্রকোনা প্রতিনিধি : নেত্রকোনার মোহনগঞ্জ পৌরসভার কাউন্সিলর প্রার্থী রুহুল কদ্দুস শাওনের উদ্যোগে সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জন্য বিনা মূল্যে চিকিৎসাসেবা ও ওষুধ বিতরণ করা হয়েছে। গত সোমবার (১৫ জুন) মোহনগঞ্জ পৌর এলাকার ২ নং ওয়ার্ডে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার অসচ্ছল ও নিম্নআয়ের মানুষের জন্য এ চিকিৎসাসেবা কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। এতে স্থানীয় শতাধিক মানুষ চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় ওষুধ বিনা মূল্যে পান।

    আয়োজক সূত্রে জানা যায়, সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। চিকিৎসাসেবা নিতে আসা অনেকেই এমন উদ্যোগকে সময়োপযোগী উল্লেখ করে সন্তোষ প্রকাশ করেন।

    সেবা নিতে আসা উপকারভোগীরা জানান, বর্তমান সময়ে চিকিৎসা ব্যয় ও ওষুধের উচ্চমূল্যের কারণে অনেক নিম্নআয়ের মানুষ প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। এমন পরিস্থিতিতে বিনা মূল্যে চিকিৎসাসেবা ও প্রয়োজনীয় ওষুধ বিতরণের এ উদ্যোগ তাদের জন্য আশীর্বাদস্বরূপ।

    কাউন্সিলর প্রার্থী রুহুল কদ্দুস শাওন জানান, সমাজের পিছিয়ে পড়া ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানো সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ। ভবিষ্যতেও এমন মানবিক ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড অব্যাহত রাখার চেষ্টা থাকবে।

  • বুড়িচংয়ে কিশোর গ্যাংয়ের দুই সদস্য আটক

    বুড়িচং (কুমিল্লা) প্রতিনিধি: কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলায় অভিযান চালিয়ে কথিত কিশোর গ্যাংয়ের দুই সদস্যকে আটক করেছে পুলিশ। তাদের বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইনে দায়ের করা একটি মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ছিল বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

    মঙ্গলবার (১৬ জুন) উপজেলার বুড়িচং সদর ইউনিয়নের জগতপুর গ্রামে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।

    আটককৃতরা হলেন জগতপুর (জাবক্সি ভূঁইয়া বাড়ি) এলাকার আব্দুল হান্নান ভূঁইয়ার ছেলে শরিফুল ইসলাম শ্রাবণ (২৩) এবং একই গ্রামের ফুল মিয়ার ছেলে মো. ফয়সাল (২০)।

    পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বিশেষ ক্ষমতা আইনে দায়ের করা একটি মামলার আসামি হিসেবে তাদের বিরুদ্ধে আদালত থেকে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি ছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাদের অবস্থান শনাক্ত করে অভিযান পরিচালনা করা হয়।

    বুড়িচং থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. জয়নাল আবেদীনের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করে।

    বুড়িচং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লুৎফুর রহমান বলেন, সম্প্রতি কিশোর গ্যাংয়ের মহড়ার ঘটনায় জড়িতদের শনাক্তে পুলিশ কাজ করছে। ভিডিও ফুটেজ ও অন্যান্য তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে দুইজনকে আটক করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

    তিনি আরও বলেন, উপজেলায় কিশোর গ্যাং, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটাতে পারে এমন যেকোনো অপতৎপরতার বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

  • মহাসড়কে শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা জোরদারে বুড়িচংয়ে হাইওয়ে পুলিশের মতবিনিময় সভা

    বুড়িচং (কুমিল্লা) প্রতিনিধি: ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে কুমিল্লার ময়নামতি ক্রসিং হাইওয়ে থানার উদ্যোগে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

     

    সোমবার (১৬ জুন) নিমসার কলেজে অনুষ্ঠিত এ সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হাইওয়ে পুলিশ কুমিল্লা রিজিয়নের পুলিশ সুপার (অতিরিক্ত ডিআইজি পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ শাহিনুর আলম খান।

     

    সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি অ্যাডভোকেট মো. শরিফুল ইসলাম। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক ও ময়নামতি হাইওয়ে ক্রসিং থানার পুলিশিং কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো. আমির হোসেন বাদল।

     

    মতবিনিময় সভায় মহাসড়কে যানবাহনের শৃঙ্খলা বজায় রাখা, সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধ, ট্রাফিক আইন মেনে চলা, যাত্রী ও চালকদের সচেতনতা বৃদ্ধি এবং নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়।

     

    বক্তারা বলেন, মহাসড়কে দুর্ঘটনা কমাতে চালক, যাত্রী, পরিবহন মালিক এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। সড়ক পরিবহনে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা ও জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হাইওয়ে পুলিশ নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

     

    সভায় প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন কুমিল্লা হাইওয়ে পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কীর্তিমান চাকমা। বিশেষ মেহমান হিসেবে বক্তব্য রাখেন কুমিল্লা সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার আনোয়ার হোসেন।

     

    বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ময়নামতি হাইওয়ে ক্রসিং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল মমিন, বুড়িচং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ লুৎফুর রহমান এবং দেবপুর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ সুরেজিত বড়ুয়া।

     

    এছাড়া বক্তব্য দেন ময়নামতি হাইওয়ে ক্রসিং থানার পুলিশিং কমিটির সভাপতি ইয়ার আহমেদ, মোকাম ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. মনিরুল ইসলাম এবং নিমসার বাজার কমিটির ইজারাদার মো. সফিকুল ইসলাম ভূঁইয়া।

     

    সভায় স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, পরিবহন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, ব্যবসায়ী, গণ্যমান্য ব্যক্তি ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন।

     

    আয়োজকরা জানান, মহাসড়কে নিরাপদ ও সুশৃঙ্খল পরিবেশ বজায় রাখতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের সচেতনতামূলক ও জনসচেতনতা বৃদ্ধিমূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

  • সদরপুরে কিশোর নিখোঁজ, সন্ধান চেয়ে পরিবারের আকুতি

    সদরপুর (ফরিদপুর) প্রতিনিধি: ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলার নয়াকান্দি গ্রামের এক কিশোর বাড়ি থেকে বাইসাইকেল নিয়ে বের হওয়ার পর থেকে নিখোঁজ রয়েছে। পরিবারের সদস্যরা সম্ভাব্য সব স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি।

     

    নিখোঁজ কিশোরের নাম সামিউল মল্লিক। তিনি মিরাজুল মল্লিকের ছেলে। তাদের বাড়ি সদরপুর উপজেলার হাট কৃষ্ণপুর ডাকঘরের আওতাধীন নয়াকান্দি গ্রামে।

     

    পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, সোমবার সন্ধ্যার পর সামিউল একটি বাইসাইকেল নিয়ে বাড়ি থেকে বের হয়। এরপর থেকে তিনি আর বাড়িতে ফেরেননি। আত্মীয়-স্বজন ও পরিচিত বিভিন্ন স্থানে খোঁজ নেওয়া হলেও এখন পর্যন্ত তার কোনো সন্ধান মেলেনি। এ ঘটনায় পরিবারের সদস্যদের মধ্যে চরম উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে।

     

    সামিউলের সন্ধান পেলে বা তার অবস্থান সম্পর্কে কোনো তথ্য জানা থাকলে দ্রুত পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করার জন্য সবার প্রতি অনুরোধ জানানো হয়েছে।

     

    পরিবারের পক্ষ থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মাধ্যমে সংবাদটি ছড়িয়ে দিয়ে সামিউলকে খুঁজে পেতে সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতা কামনা করা হয়ে

  • বিরামপুরে পুলিশের সাঁড়াশি অভিযানে বিপুল পরিমাণ মাদক জব্দ, ৫ কারবারি গ্রেফতার

    বিরামপুর (দিনাজপুর)প্রতিনিধি: দিনাজপুরের বিরামপুরে মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের চলমান কঠোর অভিযানে আবার বড় ধরনের সাফল্য এসেছে। পৃথক তিনটি গোয়েন্দাভিত্তিক অভিযানে মোট ১ হাজার ৪০ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট, ৪০ পিস ইয়াবা, ১০ লিটার চোলাই মদ এবং মাদক বিক্রির ৪ হাজার টাকা নগদ জব্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় পাঁচজন কথিত মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে বিরামপুর থানা পুলিশ।

    থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বিরামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলামের সার্বিক দিকনির্দেশনায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এসব অভিযান পরিচালিত হয়।

    প্রথম অভিযানে গত ১৫ জুন ২০২৬ বিকেল ৩টা ১০ মিনিটে বিরামপুর পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের মাহমুদপুর (মুন্সিপাড়া) এলাকায় বিরামপুর ইন্টারন্যাশনাল মহিলা মাদ্রাসার সামনে থেকে মো. আসমান আলী (৫২)-কে ১ হাজার ১০ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ আটক করা হয়।একই দিন বিকেল ৫টা ৩০ মিনিটে উপজেলার ৩ নম্বর খানপুর ইউনিয়নের বটতলী এলাকায় অভিযান চালিয়ে মারিয়া সরেন (৫০)-কে ১০ লিটার চোলাই মদসহ গ্রেফতার করা হয়।

    এছাড়া, ১৬ জুন রাত ১টা ৫৫ মিনিটে বিরামপুরের পাবনা হোটেলের পেছনে বিশেষ অভিযান চালিয়ে মো. তাজমল হোসেন (৪৬), মোছা. লাইলী বেগম (৩৭) ও মো. সবুজ (২৩)-কে আটক করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে ৪০ পিস ইয়াবা, ৩০ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট এবং মাদক বিক্রির নগদ ৪ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়।পুলিশ জানায়, পৃথক তিনটি ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে তিনটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

    গ্রেফতারকৃত পাঁচজনকে আইনগত প্রক্রিয়া শেষে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।বিরামপুর থানা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মাদক নির্মূলে গোয়েন্দা তথ্যনির্ভর ও লক্ষ্যভিত্তিক অভিযান ভবিষ্যতেও আরও জোরদারভাবে অব্যাহত থাকবে।

  • মাদারগঞ্জের প্রশাসনকে ম্যানেজ করে আশ্রয়ণ পুকুরে বালু উত্তোলন – হাতিয়ে নিচ্ছে কোটি টাকা

    মাদারগঞ্জের প্রশাসনকে ম্যানেজ করে আশ্রয়ণ পুকুরে বালু উত্তোলন – হাতিয়ে নিচ্ছে কোটি টাকা

    মাদারগঞ্জ প্রতিনিধি : জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলার বালিজুড়ি ইউনিয়নের চর নাংলা বাঁধসংলগ্ন আশ্রয়ণ প্রকল্পের সংরক্ষিত পুকুর থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে। প্রশাসনের নাকের ডগায় সরকারি নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেট দীর্ঘদিন ধরে এ কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এক প্রভাবশালী নেতার নেতৃত্বে গড়ে ওঠা একটি সিন্ডিকেট প্রতিদিন লাখ লাখ টাকার বালু উত্তোলন ও বিক্রি করছে। অভিযোগ রয়েছে, স্থানীয় প্রশাসনের কতিপয় অসাধু কর্মকর্তাকে ম্যানেজ করেই এ অবৈধ বাণিজ্য পরিচালিত হচ্ছে। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, আশ্রয়ণ প্রকল্পের পুকুরে একাধিক শক্তিশালী ড্রেজার মেশিন বসিয়ে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে।

    ড্রেজারের মাধ্যমে পাইপলাইন টেনে উত্তোলিত বালু সরাসরি বিভিন্ন নির্মাণাধীন স্থাপনা, বসতভিটার ভরাট কাজ এবং পুকুরে সরবরাহ করা হচ্ছে। তিনটি পৃথক পয়েন্টে দিন-রাত অবিরাম বালু পরিবহন চলতে দেখা গেছে। স্থানীয়দের আশঙ্কা, এভাবে বালু উত্তোলন অব্যাহত থাকলে আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘরবাড়ি, রাস্তা এবং আশপাশের কৃষিজমি মারাত্মক ভাঙন ও ধসের ঝুঁকিতে পড়বে।

    সরকারি পুকুর থেকে বালু বা মাটি কাটার কোনো বিধান না থাকলেও সিন্ডিকেটটি পুকুরটিকে অস্বাভাবিক গভীর করে বালু উত্তোলন করছে। ড্রেজার মালিক আব্দুর রহিম সবুজ (৩৮) সাংবাদিকদের জানান, প্রতি এক হাজার ঘনফুট বালু ৬ হাজার টাকা দরে বিক্রি করা হচ্ছে। জানা গেছে, চর নাংলা আদর্শগ্রাম আশ্রয়ণ প্রকল্পের ৩৭টি পরিবারের মধ্যে পুকুরটি বন্দোবস্ত দেওয়া হয়েছিল। এ বিষয়ে কয়েকজন উপকারভোগী জানান, মাছ চাষের জন্য পুকুরে পর্যাপ্ত গভীরতা না থাকায় তারা বালু উত্তোলন করছেন। তবে স্থানীয়দের দাবি, গত এক সপ্তাহে এ পুকুর থেকে কোটি টাকারও বেশি বালু বিক্রি করা হয়েছে। পরিবেশবাদী ও সচেতন মহলের অভিযোগ, বালু উত্তোলনের এই লাভজনক ব্যবসার কারণেই প্রশাসন কার্যত নির্বিকার ভূমিকা পালন করছে।

    সাংবাদিকরা একাধিকবার বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করলেও এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। গত ১১ জুন সরেজমিন তদন্ত শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রাসেল দিও বলেন, “আশ্রয়ণ প্রকল্পের পুকুর থেকে বালু উত্তোলনের কোনো অনুমতি নেই। অভিযোগ পেয়েছি।

    দ্রুত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে বালু উত্তোলনের সরঞ্জাম জব্দ করা হবে এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ”তবে অভিযোগ রয়েছে, ওই বক্তব্য দেওয়ার কয়েক দিন পরও বালু উত্তোলন বন্ধে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বক্তব্য জানতে যোগাযোগ করা হলে তিনি ছুটিতে থাকায় তার মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

    স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, প্রশাসনের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ সহযোগিতা ছাড়া এত বড় পরিসরে অবৈধ বালু উত্তোলন সম্ভব নয়। তারা অবিলম্বে এ অবৈধ কর্মকাণ্ড বন্ধ, জড়িতদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং আশ্রয়ণ প্রকল্পের সম্পদ রক্ষায় কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

  • রায়গঞ্জে সাজু ফাউন্ডেশনের ৫০ হাজার বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির সূচনা

    রায়গঞ্জ (সিরাজগঞ্জ) উপজেলা সংবাদদাতা: পরিবেশ রক্ষা ও সবুজ বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেছে সাজু পল্লী উন্নয়ন ও মানবিক ফাউন্ডেশন।

    মঙ্গলবার (১৬ জুন) উপজেলার সোনাখাড়া ইউনিয়নের ঐতিহাসিক জয়সাগর দীঘির পাড় এলাকায় বৃক্ষ রোপন কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়। ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও সমাজসেবক মো. সাজু আহমেদের উদ্যোগে ৫০ হাজার বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির প্রথম ধাপের কার্যক্রম এদিন সম্পন্ন করা হয়।

    অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন রায়গঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল কুদ্দুস মণ্ডল। এ সময় সোনাখাড়া ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব আব্দুল মোন্নাফ সরকারসহ স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

    উপস্থিত বক্তারা বলেন, বর্তমান সময়ে জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশ দূষণ বিশ্বব্যাপী বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় বৃক্ষরোপণের মতো জনকল্যাণমূলক উদ্যোগ অত্যন্ত প্রশংসনীয়। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার পাশাপাশি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ ও বাসযোগ্য পৃথিবী গড়ে তুলতে সবাইকে বৃক্ষরোপণে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তারা।

    আয়োজক সূত্রে জানা যায়, কর্মসূচির আওতায় পর্যায়ক্রমে রায়গঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা রোপণ করা হবে। পাশাপাশি গাছের পরিচর্যা ও সংরক্ষণে স্থানীয় জনগণকে সম্পৃক্ত করার উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে।

    কর্মসূচিতে স্থানীয় বাসিন্দা, স্বেচ্ছাসেবক এবং পরিবেশপ্রেমী মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ লক্ষ্য করা যায়। অনুষ্ঠানের শেষে জয়সাগর দীঘি পাড় এলাকায় বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা রোপণ করা হয়।

  • খানাখন্দে ভরা সড়ক মেরামত করে আলোচনায় বাঁকা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী আবুল বাশার

    খানাখন্দে ভরা সড়ক মেরামত করে আলোচনায় বাঁকা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী আবুল বাশার

    স্টাফ রিপোর্টার:

    চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার বাঁকা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ও ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল বাশার নিজ অর্থায়নে জনকল্যাণমূলক কাজ করে সর্বস্তরের মানুষের মাঝে ব্যাপক আলোচনায় এসেছেন।

    সম্প্রতি তিনি সম্পূর্ণ নিজস্ব উদ্যোগে ও ব্যক্তিগত অর্থায়নে উপজেলার জোড়া ব্রিজ থেকে বিজিবি ক্যাম্প হয়ে প্রতাপপুর পর্যন্ত যাতায়াতের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে বেহাল ও খানাখন্দে ভরা রাস্তাটি ইট ও আদলা দিয়ে চলাচলের উপযোগী করে মেরামত করে দিয়েছেন।

    রাস্তাটির এই বেহাল দশার কারণে দীর্ঘদিন ধরে এলাকাবাসী ও পথচারীদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছিল এবং প্রায়ই ছোট-বড় দুর্ঘটনা ঘটত। সরকারি বরাদ্দের অপেক্ষা না করে জনসাধারণের এই চরম দুর্ভোগ লাঘবে আবুল বাশারের এমন দ্রুত ও মানবিক পদক্ষেপে এলাকাবাসীর মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে এবং তিনি সর্বসাধারণের কাছে ভূয়সী প্রশংসা কুড়িয়েছেন।

    স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, আবুল বাশার সবসময়ই এলাকার মানুষের যেকোনো সমস্যায় এবং সুখে-দুঃখে পাশে দাঁড়ান। দীর্ঘদিন ধরে তিনি নিজ উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে বিভিন্ন সামাজিক, ধর্মীয় ও উন্নয়নমুখী কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছেন, যা তাকে সাধারণ মানুষের মাঝে অত্যন্ত জনপ্রিয় করে তুলেছে।

    সমাজসেবা ও মানবউন্নয়নের এই ধারাবাহিকতায় আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে বাঁকা ইউনিয়নের সাধারণ মানুষের মুখে মুখে এখন তার নাম শোনা যাচ্ছে।

    দলমত নির্বিশেষে সাধারণ মানুষ মনে করছেন, আবুল বাশারের মতো একজন জনবান্ধব, নিঃস্বার্থ ও উন্নয়নকামী মানুষ জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হলে বাঁকা ইউনিয়নের সামগ্রিক উন্নয়ন ও জনগণের অধিকার নিশ্চিত হবে।

    এলাকাবাসীর এই ভালোবাসার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আবুল বাশার জানান, পদের লোভ বা প্রচারের জন্য নয়, বরং মানবিক দায়বদ্ধতা ও মানুষের প্রতি ভালোবাসা থেকেই তিনি সবসময় কাজ করে আসছেন। ভবিষ্যতে নির্বাচিত হতে পারলে বাঁকা ইউনিয়নকে একটি আদর্শ, উন্নত ও দুর্নীতিমুক্ত মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলতে নিজের জীবন উৎসর্গ করবেন।

  • তৃণমূলের আস্থা ও ত্যাগের প্রতীক আবুল বাশার: বাঁকা ইউনিয়নে বিএনপির সম্ভাব্য শক্তিশালী মুখ

    তৃণমূলের আস্থা ও ত্যাগের প্রতীক আবুল বাশার: বাঁকা ইউনিয়নে বিএনপির সম্ভাব্য শক্তিশালী মুখ

    স্টাফ রিপোর্টার:

    চুয়াডাঙ্গা জেলার জীবননগর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী বাঁকা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) থেকে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে সর্বস্তরের নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মুখে মুখে এখন একটিই নাম—আবুল বাশার।

    বাঁকা ইউনিয়ন বিএনপির বর্তমান সফল সাধারণ সম্পাদক এবং বিশিষ্ট সমাজসেবক আবুল বাশার তৃণমূল থেকে উঠে আসা এক লড়াকু সৈনিক। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের দীর্ঘ ১৬ বছরের দুঃশাসন, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা এবং চরম প্রতিকূলতার মাঝেও জীবননগর ও বাঁকা ইউনিয়নের প্রতিটি ওয়ার্ডের নেতাকর্মীদের আগলে রেখেছেন তিনি।

    দলের প্রতি তার অবিচল আনুগত্যের প্রমাণ মেলে তার রাজনৈতিক জীবনের পদাঙ্ক লক্ষ্য করলে। স্বৈরাচারী আমলে মিথ্যা ও গায়েবি মামলার শিকার হয়ে তাকে ১২টি রাজনৈতিক মামলার বোঝা মাথায় নিতে হয়েছে। সহ্য করতে হয়েছে জেল-জুলুম ও অমানবিক নির্যাতন। দীর্ঘ এক মাস কারাবরণ করেও তিনি আদর্শ থেকে বিচ্যুত হননি। উল্টো কারাগার থেকে ফিরে দ্বিগুণ উদ্দীপনায় রাজপথে সক্রিয় থেকেছেন এবং নিজের পকেটের অর্থ ব্যয় করে অবরুদ্ধ ও নির্যাতিত দলীয় নেতাকর্মীদের পাশে দাঁড়িয়েছেন, দিয়েছেন নিয়মিত আর্থিক ও আইনি সহযোগিতা।

    শুধু দলীয় গণ্ডিতেই নয়, করোনাকালীন চরম সংকটের সময় তিনি সাধারণ মানুষের মাঝে ত্রাণসামগ্রী ও আর্থিক অনুদান নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন। তৎকালীন স্বৈরাচারী আওয়ামী লীগের একচ্ছত্র আধিপত্যের সময়েও তিনি জনগণের ভোটে মেম্বার নির্বাচিত হয়ে সাহসিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন। সে সময় দলীয় নেতাকর্মী ও এলাকার মানুষের পক্ষে কথা বলায় এবং অন্যায়ের প্রতিবাদ করায় তৎকালীন আওয়ামী লীগের চেয়ারম্যান তার ৩১ মাসের ইউনিয়ন পরিষদের সম্মানী ভাতা আবুল বাশারকে দেননি। কিন্তু কোনো অন্যায় বা চাপের কাছে মাথা নত করেননি আবুল বাশার।

    রাজনৈতিক অঙ্গনের পাশাপাশি সামাজিক পরিমণ্ডলেও আবুল বাশারের সুনাম সর্বজনবিদিত। তিনি বর্তমানে এলাকার স্বনামধন্য সামাজিক সংগঠন ‘লোকমর্চা’-এর সাধারণ সম্পাদক হিসেবে অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন। সমাজে রন্ধ্রে রন্ধ্রে ছড়িয়ে পড়া বাল্যবিবাহের অভিশাপ থেকে তরুণ প্রজন্মকে রক্ষা করতে বিগত ৭ বছর ধরে তিনি মাঠপর্যায়ে আপসহীনভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।

    একই সঙ্গে তিনি সমাজকে কলঙ্কমুক্ত করতে মাদকের বিরুদ্ধে শতভাগ জিরো টলারেন্স নীতি ও কঠোর অবস্থান বজায় রেখেছেন এবং ভবিষ্যতেও এই ধারা অব্যাহত রাখার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন। এলাকার প্রতিটি অঞ্চলের অসহায়, দরিদ্র, দিনমজুর ও হতদরিদ্র মানুষের বিপদে-আপদে তিনি নিজের উপার্জিত অর্থ দিয়ে পরম বন্ধুর মতো পাশে দাঁড়িয়েছেন, যা তাকে বাঁকা ইউনিয়নের সাধারণ মানুষের হৃদয়ে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে।

    আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে তৃণমূলের সাধারণ নেতাকর্মী ও আপামর জনসাধারণের মাঝে আবুল বাশারের পক্ষে ব্যাপক গণজোয়ার ও সুদৃঢ় সমর্থন সৃষ্টি হয়েছে। দল ও সমাজের প্রতি এমন ত্যাগী, সৎ, সাহসী ও পরীক্ষিত নেতাকে যদি আসন্ন বাঁকা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বিএনপি থেকে চূড়ান্ত দলীয় মনোনয়ন দেওয়া হয়, তবে বিপুল জনসমর্থন নিয়ে তিনি জয়লাভ করবেন বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও সাধারণ ভোটাররা শতভাগ নিশ্চিত।

    আবুল বাশার স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছেন, দল তাকে মূল্যায়ন করলে এবং দলের পক্ষ থেকে তাকে সমর্থন করলে তিনি বাঁকা ইউনিয়নের সর্বস্তরের জনগণকে সঙ্গে নিয়ে ভোটের নীরব বিপ্লবের মাধ্যমে এই ইউনিয়নটি দেশনায়ক তারেক রহমান ও বিএনপিকে উপহার দেবেন।

    চেয়ারম্যান নির্বাচিত হতে পারলে তিনি জরাজীর্ণ রাস্তাঘাট সংস্কার, অবহেলিত গ্রামীণ অবকাঠামোর আধুনিকায়ন এবং দরিদ্র ও দুস্থ মানুষের জীবনমান উন্নয়নে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনবেন। একই সঙ্গে তিনি বাঁকা ইউনিয়ন পরিষদকে একটি আধুনিক, জবাবদিহিমূলক ও দুর্নীতিমুক্ত প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের জন্য প্রশাসনিক সেবা শতভাগ নিশ্চিত ও সহজলভ্য করার অঙ্গীকার করেছেন।

    এলাকার সাধারণ ভোটারদের দাবি—ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠা, সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত এবং বাঁকা ইউনিয়নকে একটি আদর্শ ও মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলতে আবুল বাশারের মতো সুযোগ্য ও জনদরদী নেতার কোনো বিকল্প নেই।

  • ধামসোনা ইউনিয়ন ছাত্রদলের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হোসেন খান

    ধামসোনা ইউনিয়ন ছাত্রদলের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হোসেন খান

    আশুলিয়া (ঢাকা) প্রতিনিধি:

    ঢাকার আশুলিয়া থানা ছাত্রদলের অধীন ধামসোনা ইউনিয়ন ছাত্রদলের পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। নবগঠিত এই কমিটিতে সহ-সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্ব পেয়েছেন মো. হোসেন খান।

    শুক্রবার (০৫ জুন) সকালে আশুলিয়া থানা ছাত্রদলের সভাপতি সানোয়ার ও সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল হাবিব স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে কমিটির অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়।

    বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, সংগঠনের তৃণমূল পর্যায়ের কার্যক্রমকে আরও শক্তিশালী ও গতিশীল করার লক্ষ্যে ধামসোনা ইউনিয়ন ছাত্রদলের এই পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

    নবগঠিত কমিটির নেতাকর্মীদের দলীয় শৃঙ্খলা মেনে সংগঠনের আদর্শ বাস্তবায়নে কাজ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

    নবনির্বাচিত সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মো. হোসেন খান প্রতিক্রিয়ায় বলেন, সংগঠনের প্রতি আস্থা রাখার জন্য তিনি কৃতজ্ঞ এবং অর্পিত দায়িত্ব নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করে ধামসোনা ইউনিয়ন ছাত্রদলের কার্যক্রম আরও গতিশীল করতে কাজ করবেন।

    এদিকে স্থানীয় ছাত্রদল নেতাকর্মীদের মধ্যে নতুন কমিটি গঠনের খবরে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে। তারা আশা প্রকাশ করেছেন, নতুন নেতৃত্বের মাধ্যমে ইউনিয়ন পর্যায়ে সংগঠনের কার্যক্রম আরও বেগবান হবে।