Category: প্রচ্ছদ

  • সড়কে ইট-বালু লোড-আনলোডে বাড়ছে দুর্ঘটনার ঝুঁকি, ভোগান্তিতে চরভদ্রাসনের মানুষ

    চরভদ্রাসন (ফরিদপুর) প্রতিনিধি: ফরিদপুরের চরভদ্রাসন উপজেলায় রোডস অ্যান্ড হাইওয়ের আওতাধীন সড়কের বিভিন্ন স্থানে দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে ট্রাক ও ট্রলি পার্কিং করে ইট-বালু লোড-আনলোড করার অভিযোগ উঠেছে। এতে সড়ক সংকুচিত হয়ে যানবাহন চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি হচ্ছে এবং প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, চরভদ্রাসন সদর ইউনিয়নের নজুর দোকান এলাকা থেকে আমিরে ব্রিজ পর্যন্ত সড়কের একাধিক স্থানে নিয়মিতভাবে ট্রাক ও অন্যান্য ভারী যানবাহন দাঁড় করিয়ে নির্মাণসামগ্রী ওঠানো-নামানো করা হয়। ফলে ব্যস্ত সময়ে সড়কে যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে এবং সাধারণ মানুষের চলাচলে দুর্ভোগ বাড়ছে।

    স্থানীয়দের অভিযোগ, সড়কের পাশের কিছু নির্মাণসামগ্রী ব্যবসায়ী দীর্ঘদিন ধরে রাস্তার ওপর ট্রাক দাঁড় করিয়ে ইট ও বালু খালাস করলেও এ বিষয়ে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না। এতে পথচারী, শিক্ষার্থী ও ছোট যানবাহনের চালকদের প্রতিনিয়ত ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে।

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক বাসিন্দা জানান, বছরের পর বছর ধরে সড়ক দখল করে মালামাল লোড-আনলোডের কাজ চললেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে উল্লেখযোগ্য কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। বিষয়টি কর্তৃপক্ষের নজরে থাকলেও সমস্যা সমাধানে দৃশ্যমান উদ্যোগের অভাব রয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।

    এলাকার কয়েকজন বাসিন্দা জানান, রাস্তার ওপর ট্রাক দাঁড় করিয়ে মালামাল ওঠানো-নামানোর কারণে প্রায়ই ছোটখাটো দুর্ঘটনা ঘটছে। এছাড়া সড়কের পাশে গাছের গুঁড়ি ও অন্যান্য মালামাল ফেলে রাখার কারণে অনেক স্থানে রাস্তা আরও সরু হয়ে গেছে। ফলে মোটরসাইকেল, অটোরিকশা ও অন্যান্য ছোট যানবাহনের জন্য ঝুঁকি বেড়েছে।

    বিশেষ করে স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থীরা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে বলে জানান স্থানীয়রা। তারা দ্রুত অবৈধ পার্কিং ও সড়ক দখল বন্ধে প্রশাসন, সড়ক ও জনপথ বিভাগ এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

    স্থানীয়দের দাবি, সড়কে অবাধে ইট-বালু লোড-আনলোড কার্যক্রম বন্ধ এবং অবৈধভাবে পার্কিং করা যানবাহনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হলে দুর্ঘটনার ঝুঁকি কমবে এবং সাধারণ মানুষের চলাচল স্বাভাবিক হবে।

  • রাজশাহীতে যুবককে পিটিয়ে হত্যা 

    রাজশাহী জেলা প্রতিনিধি:রাজশাহীতে চোর সন্দেহে এক যুবককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগে উঠেছে । রাজশাহী নার্সিং কলেজের তিন শিক্ষার্থীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রাজশাহী মেডিকেল কলেজ এলাকার চারু মামার ক্যান্টিনের সামনে এ ঘটনা ঘটে।

    নিহত রাকিবুল হাসান রকি (৩২) নগরের হেতেমখাঁ কারিগরপাড়া এলাকার বাসিন্দা। গ্রেপ্তার হওয়া তিনজন হলেন রাজশাহী নার্সিং কলেজের শিক্ষার্থী আতিক, সৈয়ব ও ফাহিম।

    পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় চুরির সন্দেহে রাকিবুল হাসানকে আটক করেন কয়েকজন শিক্ষার্থী। পরে তাকে স্ট্যাম্প দিয়ে মারধর করা হয়। এতে তার দুই হাত, দুই পা ও পিঠে গুরুতর আঘাত লাগে। একপর্যায়ে গুরুতর আহত অবস্থায় রাত সাড়ে ৮টার দিকে তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে , কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

    ঘটনার পর পুলিশ তদন্ত শুরু করে। শুক্রবার রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে রাকিবুলের মরদেহের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে।

    রাজপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম আজাদ জানান, নিহতের বোন বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। ওই মামলায় শুক্রবার সকালে রাজশাহী নার্সিং কলেজের তিন শিক্ষার্থীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে ,

    ঘটনার বিস্তারিত বিষয়ে পরে নগর পুলিশের মিডিয়া শাখা থেকে জানানো হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। এ বিষয়ে আরও অধিক তদন্ত চলছে ।

  • একুশে পদকপ্রাপ্ত কবি আল মুজাহিদের ইন্তেকাল

    ঢাকা – প্রতিনিধি:একুশে পদকপ্রাপ্ত বিশিষ্ট কবি, গবেষক ও সাহিত্যপ্রেমী কবি আল মুজাহিদী আর নেই। শুক্রবার (১৯ জুন) দুপুরে রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি ইন্তেকাল করেন। ইন্না-লিল্লাহ ও ইন্না ইলাহি রাজিয়্যুন।

    ১৯৪৩ সালের ১ জানুয়ারি জন্ম নেওয়া আল মুজাহিদী ষাটের দশকের বাংলা কবিতার অন্যতম ব্যক্তিত্ব। তার কবিতায় বাংলাদেশের মাটি, মানুষ, ইতিহাস, সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও ধর্মিয় নৈতিক মূল্যবোধ ফুটে উঠতো।

    সাহিত্যজীবনে তিনি কবিতার পাশাপাশি গল্প, উপন্যাস, নাটক ও প্রবন্ধ রচনা করেছেন। তিনি দীর্ঘদিন দৈনিক ইত্তেফাকের সাহিত্য সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং বাংলা সাহিত্য অঙ্গন সহ কবিতা বাংলাদেশের দায়িত্বশীল পর্যায়ে ভূমিকা পালন করেছেন।

    তিনি বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০০৩ সালে একুশে পদক পান । তরুন লেখক জসিম উদ্দিন বিজয় ও শাহাদাৎ সরকার বলেন, তার মৃত্যু বাংলা সাহিত্যে অঙ্গনের জন্য অপূরণীয় ক্ষতি।

  • অষ্টগ্রামে কালনী নদী থেকে যুবকের থেঁতলানো মরদেহ উদ্ধার

    মোঃ আল আমিন,বিশেষ প্রতিনিধি: কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রাম উপজেলার আব্দুল্লাহপুর এলাকায় কালনী নদীর তীর থেকে মুখমণ্ডল থেঁতলানো অবস্থায় শফিক মিয়া (৩৫) নামে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার সকালে কয়েকজন এলাকাবাসী নদীর তীরে একটি মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেন। পরে অষ্টগ্রাম থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।

    নিহত শফিক মিয়া আব্দুল্লাহপুর ইউনিয়নের পশ্চিমপাড়া গ্রামের আজিজুল হকের ছেলে।

    প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য, মরদেহটির মুখমণ্ডল থেঁতলানো ছিল এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে। ঘটনাটি হত্যাকাণ্ড কিনা, তা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে নানা আলোচনা চলছে।

    অষ্টগ্রাম থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রোকনুজ্জামান জানান, আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য কিশোরগঞ্জ শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

  • কটিয়াদীতে ওসির ঝটিকা অভিযান: বিপুল অস্ত্র, নগদ পৌনে ২ লাখ টাকা ও ইয়াবাসহ সুমি গ্রেফতার

    কটিয়াদী(কিশোরগঞ্জ)প্রতিনিধি: কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলা চরঝকালিয়া গ্রামে ৪৪ পিস ইয়াবা, বিপুল পরিমান দেশীয় অস্ত্র ও মাদক বিক্রির নগদ ১লক্ষ ৭০ হাজার টাকা সহ সুমা আক্তার ওরফে সুমি (৩২) নামে এক মহিলাকে গ্রেফতার করেছে কটিয়াদী মডেল থানা পুলিশ।

     

    বুধবার(১৭ই জুন) রাত আট ঘটিকায় জালালপুর ইউনিয়নের চরঝাকালিয়া গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

     

    কটিয়াদী মডেল থানার ওসি( তদন্ত) মোঃ শ্যামল মিয়া এ তথ্যটি নিশ্চিত করেন। গ্রেফতারকৃত সুমা আক্তার ওই গ্রামেরই ইয়াবা সম্রাট লিটনের স্ত্রী।

     

    জানা যায়, কটিয়াদী মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ রফিকুল ইসলামের নেতৃত্বে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বুধবার দিবাগত রাত ৮ ঘটিকার দিকে জালালপুর ইউনিয়নের চরঝাকালিয়া গ্রামের চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী সুমা আক্তারের বাড়িতে এক অভিযান চালানো হয়।

     

    এ সময় ৪৪ পিছ ইয়াবা ট্যাবলেট, মাদক বিক্রির এক লক্ষ ৭০ হাজার টাকা এবং রামদা, ডেগার, ছুরি, চাইনিজ কুড়াল ও লোহার হাতুড়ি সহ বিপুল পরিমান দেশীয় অস্ত্র সহ সুমা আক্তারকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

     

    অভিযানের সময় অভিযুক্ত মাদক সম্রাট লিটন সাম্প্রতিক মাদক মামলায় গ্রেফতার হয়ে জেল হাজতে বন্দি আছে ।

     

    উল্লেখযোগ্য যে, মাদকসম্রাট লিটন গত ৫ই এপ্রিল উপজেলার জালালপুর ইউনিয়নের ফেকামারা গ্রাম থেকে ৭৩ পিস ইয়াবার ট্যাবলেট সহ পুলিশ তাকে আটক করে। তার বিরুদ্ধে সাতটি মাদক মামলা, একটি দাঙ্গা হাঙ্গামা মামলা ও একটি ডাকাতির প্রস্তুতিকালীন ধৃত মামলা সহ মোট ৯টি মামলা রয়েছে। লিটন জেলে যাওয়ার পর তার দুই স্ত্রী বর্তমানে এই মাদক ব্যবসা চালিয়ে আসছিল।

     

    কটিয়াদী মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম জানান, আটককৃত সুমার বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদক নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলা দায়ের করে আদালতে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। এ সময় তিনি আর ও বলেন মাদক, সন্ত্রাস ও জুয়ার বিরুদ্ধে পুলিশের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

     

    এসময় তিনি স্পষ্ট ভাষায় হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, “মাদক ব্যবসায়ী যত বড় প্রভাবশালীই হোক না কেন, কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না। কটিয়াদী উপজেলাকে সম্পূর্ণ মাদক ও অপরাধমুক্ত করতে আমাদের এই ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি এবং বিশেষ চিরুনি অভিযান অতীতেও ছিল, বর্তমানেও আছে এবং ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।” তিনি মাদকের সামাজিক কুফল তুলে ধরে তরুণ সমাজকে বাঁচাতে এবং কটিয়াদী থেকে মাদক, সন্ত্রাস ও জুয়া চিরতরে নির্মূল করতে স্থানীয় সচেতন নাগরিক ও সাংবাদিকদের তথ্য দিয়ে পুলিশকে সহযোগিতা করার জোরালো আহ্বান জানান।

  • দিওড় ইউনিয়নে কৃষকদের মাঝে বীজ ও সার বিতরণ, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধিতে কৃষক দলের উদ্যোগ

    বিরামপুর (দিনাজপুর)প্রতিনিধি: দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলার ৪ নম্বর দিওড় ইউনিয়নে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের সহায়তা এবং গ্রামীণ অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে কৃষকদের মাঝে বীজ ও সার বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী কৃষক দল, দিওড় ইউনিয়ন শাখার উদ্যোগে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে কৃষি উপকরণ বিতরণ করা হয়।অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন দিওড় ইউনিয়ন কৃষক দলের সভাপতি মোঃ রেজওয়ান আলী।

    প্রধান উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত থেকে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন বিরামপুর উপজেলা কৃষক দলের সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ রফিকুল ইসলাম মাস্টার।এসময় উপস্থিত ছিলেন দিওড় ইউনিয়ন কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক মোঃ সাখাওয়াত হোসেন, দিওড় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ আব্দুল মালেক মণ্ডলসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, কৃষক দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং বিপুলসংখ্যক কৃষক।কর্মসূচির আওতায় প্রতিটি কৃষককে ৫ কেজি উন্নতমানের বীজ, ১০ কেজি ডিএপি সার এবং ১০ কেজি পটাশ সার বিতরণ করা হয়। আয়োজকদের মতে, কৃষি উপকরণের মূল্যবৃদ্ধির কারণে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের উৎপাদন ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় তারা নানা সংকটে পড়ছেন।

    সেই ব্যয় কিছুটা কমানো এবং কৃষকদের উৎপাদনে উৎসাহিত করাই এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।বক্তারা বলেন, দেশের খাদ্য নিরাপত্তা, কর্মসংস্থান এবং গ্রামীণ অর্থনীতির বিকাশে কৃষির ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কৃষকদের প্রয়োজনীয় সহায়তা, উন্নত জাতের বীজ, কৃষি প্রশিক্ষণ এবং সহজ শর্তে কৃষিঋণের সুযোগ নিশ্চিত করা গেলে কৃষি খাত আরও সমৃদ্ধ হবে।সভাপতির বক্তব্যে মোঃ রেজওয়ান আলী বলেন, “কৃষক বাঁচলে দেশ বাঁচবে। কৃষকদের উৎপাদনমুখী কর্মকাণ্ডে সহায়তা এবং তাদের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠায় আমাদের এ ধরনের উদ্যোগ ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

    প্রধান অতিথির বক্তব্যে মোঃ রফিকুল ইসলাম মাস্টার বলেন, “বাংলাদেশের উন্নয়নের অন্যতম চালিকাশক্তি কৃষি। কৃষকদের স্বার্থ রক্ষা ও উৎপাদন বৃদ্ধি নিশ্চিত করতে সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগ আরও জোরদার করা প্রয়োজন।”অনুষ্ঠানে উপস্থিত কৃষকরা এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, কৃষি উপকরণের ক্রমবর্ধমান দামের কারণে চাষাবাদ পরিচালনা কঠিন হয়ে পড়েছে।

    সময়মতো বীজ ও সার সহায়তা পাওয়ায় তারা আসন্ন মৌসুমে ভালো ফলনের আশা করছেন।স্থানীয়দের প্রত্যাশা, কৃষকদের উৎপাদন সক্ষমতা বৃদ্ধি, আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন এবং টেকসই কৃষি ব্যবস্থা গড়ে তুলতে এ ধরনের কৃষকবান্ধব কর্মসূচি ভবিষ্যতেও ধারাবাহিকভাবে পরিচালিত হবে।

     

    তাং ১৮/০৬/২০২৬

  • পাওনা টাকা চাওয়ায় নারীদের শ্লীলতাহানি ও প্রাণনাশের হুমকি, প্রতিকার চেয়ে ভুক্তভোগীদের সংবাদ সম্মেলন

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি:উপযুক্ত নথিপত্র এবং প্রমাণ থাকার পরও নিজেদের আইনসংগত পাওনা টাকা ফেরত চাইতে গিয়ে চরম বর্বরতা ও লাঞ্ছনার শিকার হয়েছেন ভুক্তভোগী পরিবারগুলো। পাওনা টাকা পরিশোধ না করে উল্টো নারীদের ওপর শারীরিক নির্যাতন, শ্লীলতাহানি এবং পরবর্তীতে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে অবিরাম প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় একটি প্রভাবশালী মহলের বিরুদ্ধে। এই অন্যায়ের সুষ্ঠু বিচার, দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং নিজেদের জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবিতে বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) বিকেলে একটি অফিসে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলন এই অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার।

    অভিযুক্তরা হলেন, মূল হোতা ও হুমকি দাতা হিসেবে চারজনের নাম উল্লেখ করেছেন ভুক্তভোগীরা। তারা হলেন— এনজিওর মালিক মো: কামরুজ্জামান হাসান, তার ভাই মো: শাহাদাত হোসেন, আরিফ এবং মো: আক্তারুল ইসলাম। তাদের সকলের বাড়ি সদর উপজেলার বালিয়াডাঙ্গা ইউনিয়নে।

    সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী পরিবারের অসহায় নারীরা উপস্থিত হয়ে সাংবাদিকদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন এবং তাদের ওপর ঘটে যাওয়া নির্মম নির্যাতনের বিবরণ তুলে ধরেন।

    সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য ও মৌখিক অভিযোগে ভুক্তভোগীরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে প্রায় ৪০ লক্ষ পাওনা টাকা ফেরত পাওয়ার জন্য তারা চেষ্টা চালিয়ে আসছিলেন। কিন্তু বিবাদীরা টাকা ফেরত দিতে অস্বীকৃতি জানায় এবং এক পর্যায়ে টাকা চাইতে গেলে তাদের ওপর অতর্কিত হামলা করা হয়। এই হামলায় নারীদের শ্লীলতাহানি ও মারধর করা হয়। এখানেই শেষ নয়, ঘটনার পর থেকে ভুক্তভোগীদের মুখ বন্ধ রাখতে এবং আইনি পদক্ষেপ থেকে বিরত রাখতে মোবাইল ফোনে প্রতিনিয়ত খুন ও গুম করার হুমকি দেওয়া হচ্ছে।

    সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত বক্তা ও ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা আক্ষেপ করে বলেন, প্রকাশ্য দিবালোকে নারীদের ওপর এমন নির্যাতন এবং পরবর্তীতে ক্রমাগত প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার পরও অপরাধীরা বুক ফুলিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে। বর্তমানে এই প্রভাবশালী চক্রের অব্যাহত হুমকির মুখে ভুক্তভোগী পুরো পরিবারটি চরম আতঙ্কে এবং সাংবাদিক পরিচয় দানকারী শাহাদাত হোসেন নিরাপত্তাহীনতায় দিন কাটাচ্ছেন।

    তারা যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছেন। সংবাদ সম্মেলন থেকে অসহায় পরিবারটি অবিলম্বে এই ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত নিশ্চিত করে দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও আইনের আওতায় আনার জন্য এবং তাদের জানমালের নিরাপত্তা প্রদানের জন্য স্থানীয় প্রশাসনসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন মহলের জরুরি ও সরাসরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

    অভিযুক্ত কামরুজ্জামান হাসানকে একাধিকবার ফোন দিলেও তার সাড়া পাওয়া যায় নি।

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) একরামূল হোসাইন বলেন, বিষয়টি আপনার মাধ্যমে জানলাম। অভিযোগের বিষয়টি খতিয়ে দেখবো, তারপর প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবো।

  • বাংলা একাডেমিতে গবেষণা-প্রবন্ধ প্রণয়ন বিষয়ক দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

    ঢাকা – প্রতিনিধি:আজ ১৮ই জুন ২০২৬ বৃহস্পতিবার বাংলা একাডেমির গবেষণা উপবিভাগের আয়োজনে বাংলা একাডেমি প্রবর্তিত তিনমাস মেয়াদি গবেষণা-প্রবন্ধ প্রণয়ন কর্মসূচির তৃতীয় পর্যায়ে চূড়ান্তভাবে মনোনীত প্রার্থীদের নিয়ে দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। বাংলা একাডেমির সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ সভাগৃহে এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।

    সকালে নিবন্ধন এবং মনোনীত প্রার্থীদের সঙ্গে বাংলা একাডেমির চুক্তিপত্র সম্পাদনের মধ্য দিয়ে কর্মশালার কার্যক্রম শুরু হয়।

    এরপর প্রথম পর্বে বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক অধ্যাপক মোহাম্মদ আজম ‘প্রবন্ধ রচনার পরিকল্পনা ও কৌশল’ বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রদান করেন। তিনি গবেষণা-প্রবন্ধ রচনার ক্ষেত্রে বিষয় নির্বাচন, গবেষণা-পরিকল্পনা, যুক্তি নির্মাণ, তথ্য-উপাত্ত ব্যবহারের পদ্ধতি এবং প্রবন্ধের সামগ্রিক কাঠামো নির্মাণের প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে আলোচনা করেন।

    দ্বিতীয় পর্বে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. তারিক মনজুর ‘প্রবন্ধ সম্পাদনা ও বানাননীতি’ বিষয়ে আলোচনা করেন। তিনি প্রবন্ধের ভাষা, শৈলী, সম্পাদনাকৌশল, বানানের শুদ্ধতা এবং একাডেমিক লেখার ক্ষেত্রে ভাষাগত সতর্কতার গুরুত্ব তুলে ধরেন।

    তৃতীয় পর্বে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. সৈয়দ নিজার ‘গবেষণা প্রবন্ধ লিখন পদ্ধতি’ বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রদান করেন। এ পর্বে গবেষণা-প্রশ্ন নির্ধারণ, তাত্ত্বিক কাঠামো, পদ্ধতিগত শৃঙ্খলা, তথ্য-ব্যবহার এবং প্রবন্ধের বিশ্লেষণধর্মী বিন্যাস নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

    চতুর্থ পর্বে বাংলা একাডেমির গবেষণা উপবিভাগের উপপরিচালক ড. সাইমন জাকারিয়া ‘গবেষণা-প্রবন্ধ বৃত্তির আওতায় প্রবন্ধ রচনার সীমারেখা’ বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রদান করেন। তিনি বাংলা একাডেমির গবেষণা-প্রবন্ধ প্রণয়ন কর্মসূচির লক্ষ্য, প্রবন্ধ প্রস্তুতের নিয়মাবলি, গঠনশৈলী, পর্ববিন‍্যাস, শব্দসংখ‍্যার বিষয়ে মনোনীত প্রার্থীদের দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।

    কর্মশালায় অংশগ্রহণকারী গবেষকরা বিভিন্ন পর্বে প্রশিক্ষকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং গবেষণা-প্রবন্ধ প্রণয়নের প্রাথমিক ও ব্যবহারিক দিক সম্পর্কে ধারণা লাভ করেন। দিনব্যাপী কর্মশালার শেষে মুক্ত আলোচনার আয়োজন করা হয়।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে ডিবির অভিযানে ৮০০ ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি:চাঁপাইনবাবগঞ্জে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশের অভিযানে ৮০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে। এ সময় দুইজন কথিত মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করা হয়।বুধবার (১৭ জুন) রাত ১০টা ৫ মিনিটের দিকে সদর মডেল থানার বারোঘরিয়া ইউনিয়নের বারোঘরিয়া বাজার সংলগ্ন দৃষ্টিনন্দন মাঠের দক্ষিণ পাশে একটি বটগাছের সামনে ফাঁকা স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার গৌতম কুমার বিশ্বাস-এর নির্দেশনায় এবং জেলা গোয়েন্দা শাখার অফিসার ইনচার্জ মো. ওবাইদুল হকের তত্ত্বাবধানে এসআই (নিঃ) পলাশ চন্দ্র চৌধুরীর নেতৃত্বে ডিবির একটি দল অভিযান পরিচালনা করে।

    গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন শিবগঞ্জ উপজেলার শেখটোলা এলাকার মৃত কাউসার আলীর ছেলে মো. এস. এম. মহিউদ্দিন (৩৪) এবং সদর উপজেলার হাট রামচন্দ্রপুর পুরানটোলা এলাকার মো. একরামুল হকের ছেলে মো. এনায়েতুল্লাহ ওরফে সিজার (৩৫)।

    অভিযানকালে তাদের হেফাজত থেকে ৮০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত ইয়াবা জব্দ করা হয়েছে এবং এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
    পুলিশ জানিয়েছে, মাদক নির্মূল ও মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে জেলা পুলিশ নিয়মিত অভিযান অব্যাহত রেখেছে।

  • আমতলীতে প্রাথমিক চক্ষু স্বাস্থ্য পরিচর্যা বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

    আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি : বরগুনার আমলেীতে ইসপাহানি ইসলামিয়া চক্ষু ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল ,আমতলী আই সার্জারি সেন্টারের আয়োজনে এবং দি ফ্রেড হলোজ ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায়, কমিউনিটি লিডার এব্ং প্রান্তিক লিডার ও প্রান্তিক নারী – পুরুষ নিয়ে এক সচেতনতামূলক কর্মশালা বৃহস্পতিবার বেলা ১১ টায় অনুষ্ঠিত হয় । কর্মশালায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন ,আমতলী আই সেন্টারের কনসালট্যান্ট ইন চার্জ ডা: খান এ সায়েম।

    কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন , আমতলী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো: সফিউল আলম, এন,এস,এস,এর নির্বাহী পরিচালক অ্যাড, শাহাবুদ্দিন পানন্না , আমতলী প্রেসক্লাবের সভাপতি মো: রেজাউল করিম , সাংবাদিক জাকির হোসেন , প্রোগ্রাম কো-অর্ডিনেটর মোসা: বেবী নাজনীন ,আউটরিচ ম্যানেজার মো: সাইফুল ইসলাম , প্রধান শিক্ষক মো: শাহ আলম কবির ,মোয়জ্জেম হোসেন , গাজী গোলাম ফারুক , মাহাবুবুর রহমান, আওলাদ হোসেন (প্রমুখ) ।

    দি ফ্রেড হলোজ ফাউন্ডেশন বরিশাল ভিশন :২০৩০ ইনক্লসিভ অ্যান্ড এলিমিনেশন অব ক্যাটারাক্ট ব্যাকলক প্রজেক্ট এর আওতায় বরগুনা জেলাকে ছানিমুক্ত করার লক্ষ্যে কার্য্ক্রম চলমান রয়েছে।

    ইসপাহানী ইসলামিয়া চক্ষু ইনস্টিটিউট আমতলী আই সেন্টরের সহযোগিতায় বাস্তবায়িত এ উদ্যেগের মাধ্যমে প্রান্তিক ও সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর মানসম্মত ও সহজলভ্য চক্ষু চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে বলে কর্মশালায় জানানো হয় । #