কবিরহাট উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সোহেল রানা বহিষ্কার।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দল নোয়াখালী জেলা শাখার অধীনস্ত কবিরহাট উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সোহেল রানা দলের শৃঙ্খলা পরিপন্থী বিভিন্ন কর্মকান্ডের সাথে জড়িত থাকায় জেলা স্বেচ্ছাসেবক দল তাকে বহিষ্কার করে। বিষয়ে জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি সাবের আহমেদ ও সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান মিজান এর নির্দেশক্রমে দপ্তর সম্পাদক মাহবুব আহমেদ তাকে বহিষ্কার করেন।
Category: রাজনীতি
-

দলের শৃঙ্খলা পরিপন্থী কাজ করায় কবিরহাট উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা বহিষ্কার।
-

গাজীপুর-৪ আসনে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যোগ্য প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন প্রত্যাশী ফ.ম. মমতাজ উদ্দিন (রেনু)
স্টাফ রিপোর্টার:
কাপাসিয়া, গাজীপুর-৪ আসনে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যোগ্য প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন প্রত্যাশী ফ.ম. মমতাজ উদ্দিন (রেনু) আসন্ন জাতীয় ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে কাপাসিয়া-গাজীপুর-৪ আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী। তিনি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার আদর্শে উজ্জীবিত, দেশনায়ক জনাব তারেক রহমান প্রদত্ত ৩১ দফা বাস্তবায়নের মাধ্যমে অন্যায়, সন্ত্রাস ও মাদকমুক্ত আধুনিক কাপাসিয়া গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন। তিনি উপজেলার বারিষাব ইউনিয়নের কীর্তনিয়া গ্রামের ফকির বাড়ির কৃতি সন্তান, জনাব সিরাজ উদ্দিনের ছেলে। তিনি ১৯৬২ সালের ১১ আগস্ট জন্ম গ্রহণ করেন।
ফ.ম. মমতাজ উদ্দিন (রেনু) বাংলাদেশের রাজনীতিতে দীর্ঘসময় ধরে সক্রিয় ভূমিকা পালন করছেন। তিনি সদস্য, আহ্বায়ক কমিটি, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি), গাজীপুর জেলা; সিনিয়র সহ-সভাপতি, কাপাসিয়া উপজেলা বিএনপি; সাবেক সভাপতি, বারিষাব ইউনিয়ন বিএনপি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ১৯৮৯ থেকে ২০০৩ পর্যন্ত তিনি বারিষাব ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য ছিলেন। ২০০৩ থেকে ২০০৫ পর্যন্ত সিনিয়র সহ-সভাপতি হিসেবে, ২০০৫ থেকে ২০০৯ পর্যন্ত সভাপতি হিসেবে, ২০০৯ থেকে ২০২২ পর্যন্ত সিনিয়র সহ-সভাপতি হিসেবে এবং ২০২৩ থেকে ২০২৫ পর্যন্ত পুনরায় সিনিয়র সহ-সভাপতি হিসেবে কাপাসিয়া উপজেলা বিএনপিতে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি ২০২৫ সালের নবগঠিত আহ্বায়ক কমিটি, গাজীপুর জেলা সদস্য হিসেবেও আছেন।
ফ.ম. মমতাজ উদ্দিন (রেনু) বলেন, তিনি যদি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন, তাহলে তাঁর নেতৃত্বে কাপাসিয়ার গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, বিদ্যালয়, বিদ্যুৎ সংযোগ, গ্যাস, কাপাসিয়া কলেজ সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, খাল খননসহ অসংখ্য উন্নয়নমূলক কাজ সম্পন্ন করবেন। তিনি উল্লেখ করেন, তিনি বহুবার রাজনৈতিক হামলা ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন, কিন্তু কখনোই নেতৃত্ব, সাংগঠনিক দায়িত্ব ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের সংগ্রাম থেকে পিছু হটেননি। তিনি দলের নেতাকর্মীদের পাশে মানবিক সহানুভূতি নিয়ে দাঁড়িয়েছেন, তাদের চিকিৎসা, আইনি সহায়তা ও আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছেন।
তিনি আরও বলেন, ভয়াবহ ওয়ান-ইলেভেন বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ইতিহাসের এক কালো অধ্যায়। সে সময়ে তিনি দীর্ঘদিন কারাবরণ করেছেন এবং ভয়াবহ নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমানসহ দলের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে তিনি কারাগারে বন্দি ছিলেন। হামলা-মামলা ও নির্যাতন তাঁকে কখনোই দমিয়ে রাখতে পারেনি; বরং প্রতিকূলতা তাঁকে জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনে আরও দৃঢ় আত্মনিয়োগ করতে অনুপ্রাণিত করেছে।
ফ.ম. মমতাজ উদ্দিন বলেন, তাঁর প্রেরণা ও রাজনৈতিক দীক্ষা শুরু হয় নবম শ্রেণীতে পড়াকালীন, ১৯৮০ সালে। জাতীয়তাবাদী দলের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান কাপাসিয়ার টেক এলাকায় খাল খননের কর্মসূচিতে হেলিকপ্টার যোগে এসেছিলেন, এবং ভাগ্যক্রমে তিনি সেখানে শহীদ প্রেসিডেন্টের সাথে হাত মেলানোর সুযোগ পেয়েছিলেন। এটি তাঁকে বিএনপির আদর্শ ও শহীদ প্রেসিডেন্টের জীবনাদর্শ ধারণ করে রাজনৈতিক জীবনে কাজ করতে অনুপ্রাণিত করেছে। তিনি মনে করেন, বিএনপির জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড তাঁকে রাজনীতিতে সক্রিয় ভূমিকা নিতে উদ্বুদ্ধ করেছে।
তিনি আরও বলেন, বর্তমান প্রেক্ষাপটে দেশনায়ক জনাব তারেক রহমান প্রদত্ত ৩১ দফা বাস্তবায়নের মাধ্যমে দুর্নীতি, সন্ত্রাস, মাদকমুক্ত, উন্নয়ন ও অগ্রগতির পথে আধুনিক কাপাসিয়া পুনর্গঠন এবং কাপাসিয়ার জনগণের ভাগ্য পরিবর্তনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে চান। ফ.ম. মমতাজ উদ্দিন (রেনু) উপস্থিত নেতাকর্মী ও সাংবাদিকদের বলেন, “কাপাসিয়ার আপামর জনগণের কল্যাণই আমার রাজনীতির মূল লক্ষ্য। দুর্নীতি, মাদক ও সন্ত্রাসমুক্ত একটি আধুনিক, উন্নত কাপাসিয়া গঠনই হবে আমার সর্বোচ্চ অঙ্গীকার।”
কাপাসিয়া গাজীপুর-৪ আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশীদের মধ্যে ফ.ম. মমতাজ উদ্দিন (রেনু) কে একজন যোগ্য ক্লিন ইমেজ প্রার্থী হিসেবে মনে করেন সাধারণ ভোটার ও তৃণমূল নেতাকর্মীরা। তাই আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কাপাসিয়া গাজীপুর-৪ আসনটি বিএনপির চেয়ারপার্সন সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে উপহার দেয়ার জন্য নির্বাচনী মাঠে যোগ্য প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন প্রত্যাশী ফ.ম. মমতাজ উদ্দিন (রেনু)। জনমত যাচাই-বাছাই করে বিএনপি থেকে ধানের শীষ প্রতীক প্রদানের জন্য দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ হাইকমান্ডের দৃষ্টি কামনা করেছেন ক্লিন ইমেজের সাধারণ জনগণ ও স্থানীয় নেতাকর্মীরা।
-

বিএনপি নেতা হেলাল খানের গণজোয়ার, সিলেট-৬ আসনে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু
স্টাফ রিপোর্টার:
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর জাতীয় নির্বাহী কমিটির সম্মানিত সদস্য, জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থা (জাসাস)-এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটির আহবায়ক এবং সিলেট-৬ (বিয়ানীবাজার ও গোলাপগঞ্জ) আসনের সম্ভাব্য সংসদ সদস্য প্রার্থী, জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার প্রাপ্ত নায়ক হেলাল খান বর্তমানে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোড়ন তুলেছেন। রাজনৈতিক পরিমণ্ডলে তাঁর আবির্ভাব যেন এক অগ্নিশিখার মতো, যিনি স্বচ্ছতা, দৃঢ়তা এবং সাংগঠনিক সক্ষমতার মূর্ত প্রতীক হয়ে জনগণের কাছে আস্থার প্রতীক হয়ে উঠছেন।
এলাকার জনপদ জুড়ে ইতোমধ্যেই হেলাল খানের প্রচারণা ও শোডাউন ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি করেছে। বিয়ানীবাজার ও গোলাপগঞ্জের গ্রামীণ পথ থেকে শুরু করে শহরের অভিজাত মহল পর্যন্ত, সর্বত্র তাঁর কর্মীদের দৃপ্ত পদচারণা এবং প্রচারণার ঝড় বইছে। ঘরে ঘরে গিয়ে মানুষের কাছে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের ৩১ দফা কর্মসূচি নিয়েও সরাসরি কথা বলছেন, তাদের দুঃখ-দুর্দশা শোনা এবং সমস্যার স্থায়ী সমাধানের অঙ্গীকার তাঁকে সাধারণ জনগণের কাছে আপনজনের মর্যাদায় অধিষ্ঠিত করেছে।
স্থানীয় জনমত বিশ্লেষণে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে, দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত এবং পিছিয়ে পড়া সিলেট-৬ আসনের মানুষ হেলাল খানের মধ্যে খুঁজে পাচ্ছেন একটি নির্ভরযোগ্য নেতৃত্বের ছায়া। তাঁর রাজনৈতিক অবস্থান কেবল দলীয় সীমারেখায় সীমাবদ্ধ নয়, বরং তিনি সংস্কৃতি, সমাজ ও জনকল্যাণমূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরেই জনগণের সাথে নিবিড়ভাবে যুক্ত। এ কারণে তাঁকে কেন্দ্র করে যে গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে, তা প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের জন্য নিঃসন্দেহে অস্বস্তিকর বাস্তবতা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
হেলাল খানের নেতৃত্বে সম্প্রতি অনুষ্ঠিত শোডাউনগুলো সিলেট-৬ আসনে অভূতপূর্ব চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে। এ প্রান্ত থেকে ও প্রান্তে পায়ে হেঁটে শোভাযাত্রা, বিশাল মানবসমাবেশ এবং গণমিছিল জনমনে এক ধরনের আত্মবিশ্বাস তৈরি করেছে। এসব শোডাউন কেবল শক্তির প্রদর্শনী নয়, বরং জনগণকে সাথে নিয়ে পরিবর্তনের অঙ্গীকারের এক দৃশ্যমান রূপ। তিনি দৃঢ়তার সাথে ঘোষণা দিয়েছেন: “সিলেট-৬ আসনের জনগণের ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটাতে হলে, দুর্নীতি, বৈষম্য ও অব্যবস্থাপনার বিরুদ্ধে কঠিন অবস্থান নিতে হবে।”
শুধু সিলেট-৬ আসন নয়, বৃহত্তর সিলেটের জনগণের পাশে থাকারও অঙ্গিকার বদ্ধোপরিকর এবং জনাব তারেক রহমানের বিনির্মাণ বাংলাদেশ গড়ারও প্রতিশ্রুতি নিয়েছেন এই উদীয়মান নেতা।
নায়ক হেলাল খান শুধুমাত্র একজন রাজনীতিবিদ নন, তিনি একজন সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বও বটে। চলচ্চিত্র জগতের খ্যাতি এবং সাংস্কৃতিক অঙ্গনে দীর্ঘদিনের সম্পৃক্ততা তাঁকে সাধারণ মানুষের কাছে সহজলভ্য ও গ্রহণযোগ্য করে তুলেছে। এ সাংস্কৃতিক উত্তরাধিকার রাজনৈতিক নেতৃত্বের সাথে একাকার হয়ে তাঁকে দিয়েছে এক ভিন্নমাত্রার গ্রহণযোগ্যতা। ফলে জনসাধারণের মধ্যে তাঁর প্রতিচ্ছবি হয়ে উঠেছে স্বচ্ছ, সৎ ও বলিষ্ঠ নেতৃত্বের প্রতীক।
বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় সিলেট-৬ আসনে হেলাল খানের নাম এখন প্রতিটি আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু। বাজার-ঘাট, চায়ের দোকান কিংবা সামাজিক আড্ডায় সর্বত্র শোনা যাচ্ছে তাঁর প্রসঙ্গ। মানুষ বলছে: “আমাদের জন্য এমন একজন নেতা দরকার, যিনি কেবল নির্বাচনকেন্দ্রিক রাজনীতি করবেন না, বরং সবসময় জনগণের সাথে থাকবেন।”
নায়ক হেলাল খান তাঁর দৃঢ় নেতৃত্ব, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং জনবান্ধব মনোভাব দিয়ে ইতোমধ্যেই প্রমাণ করেছেন যে তিনি কেবল একজন প্রার্থী নন, বরং সিলেট-৬ আসনের মানুষের কাছে আশার প্রতীক। গণমানুষের আকাঙ্ক্ষা ও প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটাতে তিনি মাঠে নেমেছেন এক অকুতোভয় যোদ্ধার মতো। তাঁর এই গণঅভিযান কেবল নির্বাচনকেন্দ্রিক কর্মসূচি নয়, বরং একটি নতুন রাজনৈতিক সংস্কৃতির সূচনা।
এলাকার মানুষ তাই বিশ্বাস করছে, সময় এসেছে নেতৃত্বের মেরুকরণ ভেঙে দিয়ে একজন সৎ, সাহসী ও সংস্কৃতিমনা নেতাকে সংসদে পাঠানোর। আর সে নেতৃত্বের নাম—নায়ক হেলাল খান।
;
-

পার্বত্য অঞ্চল নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র চালানো হচ্ছে: সালাহউদ্দিন
বাংলাদেশ ক্রাইম ডেস্ক:
পার্বত্য অঞ্চল নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র চালানো হচ্ছে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, এই ষড়যন্ত্র যাতে সফল না হয় সেজন্য সবাইকে সজাগ থাকতে হবে এবং অখন্ড বাংলাদেশ ও ‘সবাই বাংলাদেশি’ এই পরিচয়কে দৃঢ়ভাবে ধারণ করতে হবে।
শনিবার (৯ আগস্ট) দুপুরে রাজধানীর সিআরডিএফ মিলনায়তনে আয়োজিত আদিবাসী, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠি ও জাতীয় নিরাপত্তা বিষয়ক গোলটেবিল বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, “দেশকে শক্তিশালী রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তুলতে সব নৃগোষ্ঠী, উপজাতি, আধা উপজাতিসহ সবাইকে বাংলাদেশি হতে হবে। একটি জাতি গঠনে ভাষা, একক সংস্কৃতি ও ধর্মই প্রধান বিষয় নয়; বরং বিভিন্ন ভাষাভাষী, ধর্মাবলম্বী ও ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর সম্মিলিত উপস্থিতিই জাতির পরিচয় দেয়।”
তিনি আরও বলেন, “পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীকে সমাজের মূল স্রোতে আনতে কোটা ব্যবস্থা রাখা হয়েছে, যাতে তারা প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে না পড়ে। এটি বিশ্বের প্রায় সব দেশে রয়েছে এবং আগামী ৫০-১০০ বছর পর হয়তো এর প্রয়োজন থাকবে না।”
বিএনপির এই নেতা উল্লেখ করেন, “বিগত সময়ে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এই জাতিকে বিভক্ত করার মানসিকতা দেখা গেছে। স্বাধীনতার ৫০ বছর পরও বিভিন্ন পক্ষ-বিপক্ষের কথায় আমাদের বিভক্ত করা হয়েছে। যারা মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষে ছিল বলে আলাদা করতে চেয়েছিল, তারাও বিজয়ের পর তা অস্বীকার করেনি।”
তিনি ফ্যাসিবাদবিরোধী ঐক্য নষ্ট না হওয়ার জন্য সতর্ক থাকার কথাও বলেন।
;
-

ডেমরায় যুবদলের বৃক্ষরোপণ ও বিএনপির ৩১ দফা লিফলেট বিতরণ কর্মসূচি সম্পন্ন
বাংলাদেশ ক্রাইম ডেস্ক:
ঢাকার ডেমরা থানা ৬৯ নম্বর ওয়ার্ডে বাংলাদেশের পরিবেশ ও রাজনীতির পাশাপাশি সাধারণ জনগণের মধ্যে রাজনৈতিক সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে যুবদলের বিশেষ একটি কর্মসূচি গতকাল (৯ আগস্ট) সফলভাবে আয়োজন করা হয়। ডেমরা থানার যুবদলের এই উদ্যোগের মূল অংশ ছিল বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) কর্তৃক প্রণীত ৩১ দফা কর্মসূচির রূপরেখাসম্পন্ন লিফলেট বিতরণ।
পরিবেশ রক্ষায় সচেতনতা সৃষ্টি ও সামাজিক দায়বদ্ধতা বৃদ্ধি করা এই কর্মসূচির প্রধান লক্ষ্য হলেও রাজনৈতিক গুরুত্বেও এর বিশেষ তাৎপর্য ছিল। বিশেষত বিএনপির ৩১ দফা কর্মসূচির মূল বার্তাগুলো সাধারণ জনগণের কাছে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে লিফলেট বিতরণ কার্যক্রম সম্পাদিত হয়। ডেমরা থানা বিএনপির বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা এ অনুষ্ঠানে সক্রিয় অংশগ্রহণ করেন।
ডেমরা থানা বিএনপির প্রস্তাবিত নেতা মোঃ আনিসুজ্জামান ও যুবদলের আহ্বায়ক ডা. রফিকের নেতৃত্বে আয়োজিত বৃক্ষরোপণ ও লিফলেট বিতরণ অনুষ্ঠানে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন এবং পুরো কর্মসূচিকে সাফল্যমণ্ডিত করতে কাজ করেছেন।
বৃহত্তর জনগণের কল্যাণ ও পরিবেশের টেকসই সংরক্ষণে সংগঠিত এই কর্মসূচিতে বিশেষ বক্তব্য রাখেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণের ডেমরা থানা বিএনপির অভিভাবক, জাতীয়তাবাদী দলের বিশিষ্ট নেতা আলহাজ্ব নবী উল্লাহ নবী। তিনি বৃক্ষরোপণের প্রয়োজনীয়তা ও গুরুত্বের ওপর জোর দিয়ে বলেন,
“গাছ লাগান, পরিবেশ বাঁচান—এটি শুধু পরিবেশ নয়, দেশের ভবিষ্যতের প্রতি আমাদের দায়বদ্ধতা। আমাদের নেতাকর্মীরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে দেশের স্বার্থ রক্ষায়, মাটির সম্মান রক্ষায় কাজ করতে হবে।”তিনি আরও বলেন,
“বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ জিয়াউর রহমানের ১৯ দফা, দলের চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার ‘ভিশন ২০৩০’ এবং ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সংশোধিত ২৭ দফার রূপরেখার সফল বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশের দুর্নীতি দমন, সংবিধান ও সংস্থাগুলোর সুষ্ঠু কার্যক্রম নিশ্চিতকরণ, বেকার ভাতা প্রদানের মাধ্যমে রাষ্ট্র কাঠামোর সংস্কার এবং গণতান্ত্রিক ও অর্থনৈতিক মুক্তি অর্জনের ক্ষেত্রে বড় অগ্রগতি সম্ভব হবে।”নবী উল্লাহ নবী উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করেন, “২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচনে ৫ আসনে জনতার অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সফল এমপি নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে তিনি (বিএনপি) মানুষের কল্যাণে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। তাই তিনি সকল গণমানুষের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছেন, ‘ধানের শীষ’ প্রতীকে ভোট দিয়ে দেশের সঠিক নেতৃত্ব গঠনে সহযোগিতা করার জন্য।”
কর্মসূচির শেষ পর্যায়ে অংশগ্রহণকারীদের মাঝে বিএনপির ৩১ দফার রূপরেখাসহ উন্নয়নমুখী বার্তা সংবলিত লিফলেট বিতরণ করা হয়, যা সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলে। এই উদ্যোগ থেকে প্রত্যাশা করা হচ্ছে, পরিবেশ সচেতনতা ও রাজনৈতিক স্বচ্ছতা বৃদ্ধি পাবে এবং সাধারণ মানুষের মাঝে দলের মুল্যবোধ ও অঙ্গীকার ব্যাপকভাবে পৌঁছাবে।
;
-

আগামী দিনে দেশ পরিচালনার সবচেয়ে বেশি সম্ভাবনা বিএনপির: তারেক রহমানের প্রত্যাশা
বাংলাদেশের ক্রাইম ডেস্ক:
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান আগামী দিনে দেশের নেতৃত্ব দানের সবচেয়ে বেশি সম্ভাবনা দলটির রয়েছে বলে আশা প্রকাশ করেছেন। শনিবার (৯ আগস্ট) রাজধানীর কাকরাইলে উইলস লিটল ফ্লাওয়ার স্কুল প্রাঙ্গণে ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) জাতীয় সম্মেলনে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
তারেক রহমান বলেন, “মানুষ বিএনপির কাছে তাদের প্রত্যাশার কথা তুলে ধরে। তারা বিশ্বাস করে, বিএনপি যথাযথ উদ্যোগ গ্রহণ করবে। আগামী দিনে দেশের পরিচালনার দায়িত্ব নেওয়ার সবচেয়ে বেশি সম্ভাবনা বিএনপির রয়েছে, অবশ্যই একটি নির্বাচনের মাধ্যমে। এজন্য জনগণ বিএনপির কাছ থেকে ভালো কিছু এবং পরিবর্তনের প্রত্যাশা করে। আমাদের সেই শুরুটা করতে হবে।”
তিনি আরও বলেন, “গত ৫ আগস্ট বাংলাদেশে বহুল প্রত্যাশিত একটি পরিবর্তন এসেছে। ওই দিন দেশের মানুষ যেন বুক ভরে শ্বাস নিতে পেরেছে।”
নিজেকে কার্ডিয়াক রোগী উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, “আমি একজন কার্ডিয়াক রোগী। আমার যখন অ্যাটাক হয়, শারীরিক চাপ কমানোর পর যখন স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসি, ঠিক সেরকম ওই ৫ আগস্ট দেশের মানুষের বুক ভরে শ্বাস নেওয়ার অনুভূতি পেয়েছি।”
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আরও বলেন, “বর্তমানে সমগ্র বাংলাদেশ একটি পরিবর্তনের জন্য আকাঙ্ক্ষিত। প্রত্যেক মানুষ একটি ভালো পরিবর্তন চাইছে, যেন সামনে দিনগুলো উন্নত হয়। তবে বাস্তবতা হলো সঙ্গে সঙ্গে সবকিছু ভালো হবে না, এটা মেনে নিয়ে উদ্যোগ নিতে হবে।”
দলের অভ্যন্তরীণ গণতন্ত্রের বিষয়ে তারেক রহমান বলেন, “রাজনৈতিক দলগুলো সাধারণত গণতন্ত্রের কথা বলে, কিন্তু নিজেদের মধ্যে সেই প্র্যাকটিস পুরোপুরি বাস্তবায়ন করে না। তবে ড্যাবের এই কাউন্সিল প্রমাণ করবে যে সব দল একরকম নয়।”
তিনি বাংলাদেশের বহুদলীয় গণতন্ত্রের পৃষ্ঠপোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ভূমিকাও স্মরণ করে বলেন, “তিনি এই দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র চালু করেছিলেন। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া স্বৈরাচার পরাজিত করে সংসদীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছেন। আমাদের এখন সেই ধারাবাহিকতাকে ধরে রাখতে হবে এবং গণতন্ত্রের ভিত্তিকে আরো মজবুত করতে হবে।”
তারেক রহমানের এই বক্তব্য আগামী দিনের রাজনীতিতে বিএনপির সম্ভাবনা ও নেতৃত্ব বিষয়ে নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি করেছে বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন।
;
-

জাতীয় সঙ্কট নিরসনে সংলাপে জোর দিয়েছেন জামায়াত আমির
নিজস্ব প্রতিনিধি: জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান সংঘাত ও কাদা ছোড়াছুড়ি পরিহার করে জাতীয় সংকট নিরসনে অর্থবহ সংলাপের ওপর জোর দিয়েছেন।
আজ শনিবার সকালে রাজধানীর আলফালাহ মিলনায়তনে দলের কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরার অধিবেশনে তিনি এই মন্তব্য করেন।
তিনি বলেন, জাতিকে অনিশ্চয়তার মধ্যে ফেলে দেয়া কোনো অবস্থাতেই ঠিক না। সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে জামায়াতে ইসলামী, তবে তারা কোনো ধরনের বিচলিত না হয়ে সতর্ক অবস্থান নিয়েছে।
নির্বাচন প্রসঙ্গে জামায়াত আমির বলেন, বিগত সরকারের কর্মকাণ্ডের কারণে নির্বাচন সম্পর্কে মানুষের মধ্যে এক ধরনের অনীহা সৃষ্টি হয়েছে। নির্বাচনকে অর্থবহ করতে হলে একটি গ্রহণযোগ্য সংস্কার জরুরি, যদিও এই সংস্কারের কোনো সুস্পষ্ট রোডম্যাপ এখনো জনগণের সামনে আসেনি।
তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, গ্রহণযোগ্য নির্বাচন না হলে জনগণ তা প্রত্যাখ্যান করবে।
মানবিক করিডর প্রসঙ্গে ডা. শফিকুর রহমান জাতীয় নিরাপত্তার গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, এ বিষয়ে সরকারের উচিত সব পক্ষের সাথে বসে ভেবেচিন্তে সিদ্ধান্ত নেয়া। জামায়াত চায়, সরকার এ ধরনের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে যেন কোনো তাড়াহুড়ো না করে এবং জাতীয় স্বার্থকে সর্বাগ্রে স্থান দেয়।;
-

এনবিআর বিলুপ্তির সিদ্ধান্তে তীব্র প্রতিবাদ ও চেয়ারম্যানের অপসারণ দাবি
নিজস্ব প্রতিনিধি: এনবিআর বিলুপ্তির সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে রাজস্ব প্রশাসনে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। বুধবার থেকে সংস্থাটির চেয়ারম্যানকে লাগাতার অসহযোগিতার কর্মসূচি ঘোষণা করেছে এনবিআর সংস্কার ঐক্য পরিষদ।
পাশাপাশি তাদের তিনটি প্রধান দাবি হলো— জারিকৃত অধ্যাদেশ বাতিল, এনবিআর চেয়ারম্যানের অপসারণ ও পরামর্শক কমিটির সুপারিশ ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা।
১২ মে সরকার এনবিআর বিলুপ্তির অধ্যাদেশ জারি করে। এই অধ্যাদেশের বিরুদ্ধে এনবিআরের অধীন কাস্টমস, ভ্যাট ও আয়কর বিভাগের কর্মকর্তারা এক সপ্তাহ ধরে ধারাবাহিকভাবে প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করছেন। এর ধারাবাহিকতায় বুধবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এনবিআর সংস্কার ঐক্য পরিষদ এসব দাবি জানিয়েছে।
এর আগে দুপুরে এনবিআর কার্যালয়ে এ নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন এনবিআর সংস্কার ঐক্য পরিষদের নেতারা।
আন্দোলনকারী কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অভিযোগ, এত বড় প্রশাসনিক পরিবর্তন অত্যন্ত গোপন প্রক্রিয়ায় সম্পন্ন হয়েছে। ব্যবসায়ী সংগঠন, সুশীল সমাজ, গবেষণাপ্রতিষ্ঠান, এমনকি এনবিআরের নিজস্ব কর্মকর্তাদের মতামত না নিয়েই অধ্যাদেশটি চূড়ান্ত করা হয়। ফলে এর স্বচ্ছতা ও গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে।
এর আগে ১৪-১৫ ও ১৭-১৯ মে পর্যন্ত জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের বিভিন্ন দফতরে আংশিক কলমবিরতি পালন করা হয়। তবে ২০ মে অর্থ উপদেষ্টার সঙ্গে সভার কারণে কর্মসূচি এক দিনের জন্য স্থগিত রাখা হয়েছিল।
সভায় আলোচনার পর হতাশ প্রতিনিধিদল
২০ মে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়। এনবিআর সংস্কার ঐক্য পরিষদের ১৩ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল ওই সভায় অংশ নেয়। সভায় অর্থ উপদেষ্টা ছাড়াও দু’জন উপদেষ্টা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন রাজস্ব সংস্কার পরামর্শক কমিটির সদস্য, এনবিআরের সাবেক সদস্য, অর্থ বিভাগের সচিব ও এনবিআর চেয়ারম্যান।
প্রতিনিধিদলের অভিযোগ, ১৩ সদস্যের মধ্যে মাত্র দু’জনকে কথা বলার সুযোগ দেওয়া হয়। অর্থ উপদেষ্টা সভার শুরুতেই জানান, তিনি দীর্ঘ আলোচনা করবেন না এবং ছয় থেকে সাত মিনিটের মধ্যে বক্তব্য শেষ করতে হবে।
সভায় রাজস্ব সংস্কার পরামর্শক কমিটির সদস্যরা বলেন, জারিকৃত অধ্যাদেশ তাদের সুপারিশের প্রতিফলন নয়। তারা এনবিআর অক্ষুণ্ন রেখে কর্মকর্তাদের মধ্য থেকেই নতুন দুই প্রতিষ্ঠানের নেতৃত্ব নির্ধারণের পক্ষে মত দেন। অন্যদিকে সভায় উপস্থিত দু’জন উপদেষ্টা অধ্যাদেশের পক্ষে অবস্থান নেন।
সভা শেষে অর্থ উপদেষ্টা গণমাধ্যমকে জানান, ব্যবসায়ীদের স্বার্থে এই অধ্যাদেশ জারি হয়েছে এবং তা বহাল থাকবে। তবে পরামর্শক কমিটির মাধ্যমে কিছু বিষয় সমন্বয়ের চেষ্টা করা হবে। এমনকি তিনি এ–ও বলেন, আন্দোলন চলমান থাকবে কি না, তাতে কিছু আসে–যায় না। এনবিআর সংস্কার ঐক্য পরিষদ বলেছে, সভায় কথার সুযোগ না দিয়ে একতরফাভাবে ‘ফলপ্রসূ’ বলার প্রচেষ্টা তাদের আহত করেছে।
পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে আন্দোলন আরও সংগঠিত করার লক্ষ্যে এনবিআরের তিন বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সমন্বয়ে অ্যাডহক কমিটি গঠনের প্রক্রিয়া প্রায় চূড়ান্ত। বৃহস্পতিবার গ্রেড-১০ ও তদূর্ধ্ব কর্মকর্তাদের তালিকা প্রকাশ করা হবে।
আন্দোলনকারীদের দাবি, এনবিআর চেয়ারম্যান সরকারের নীতিনির্ধারকদের কাছে সঠিক তথ্য উপস্থাপন না করে প্রকৃত অবস্থা আড়াল করেছেন। ফলে এই সংকট সৃষ্টি হয়েছে।
এনবিআর সংস্কার ঐক্য পরিষদের পরবর্তী কর্মসূচি
১. ২১ মে সংবাদ সম্মেলনের পর থেকে এনবিআরের চেয়ারম্যানের সঙ্গে লাগাতার অসহযোগ কর্মসূচি পালন করা হবে;
২. ২২ মে দুপুরে এনবিআর সংস্কার ঐক্য পরিষদের দাবি নিয়ে প্রধান উপদেষ্টা বরাবর স্মারকলিপি প্রদান;
৩. ২২ মে এনবিআর এবং ঢাকা ও ঢাকার বাইরে নিজ নিজ দফতরে অবস্থান কর্মসূচি পালন। তবে রফতানি ও আন্তর্জাতিক যাত্রীসেবা এর আওতামুক্ত থাকবে;
৪. ২৪ ও ২৫ মে কাস্টম হাউস, এলসি স্টেশন ব্যতীত ট্যাক্স, কাস্টমস ও ভ্যাট বিভাগের সব দফতরে পূর্ণাঙ্গ কর্মবিরতি। এই দুই দিন কাস্টম হাউস, এলসি স্টেশনগুলোয় সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত কর্মবিরতি চলবে। তবে রফতানি ও আন্তর্জাতিক যাত্রীসেবা কর্মবিরতির আওতামুক্ত থাকবে;
৫. ২৬ মে থেকে আন্তর্জাতিক যাত্রীসেবা ব্যতীত ট্যাক্স, কাস্টমস ও ভ্যাট বিভাগের সব দফতরে পূর্ণাঙ্গ কর্মবিরতি চলবে।;
-

জাহাঙ্গীর কবির নানক ও তার স্ত্রী-কন্যার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা
নিউজ ডেস্ক: আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক ও তার স্ত্রী-কন্যার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে আদালত। বুধবার (১৪ মে) দুদকের আবেদনের প্রেক্ষিতে ঢাকার মহানগর জেষ্ঠ বিশেষ জজ জাকির হোসেন গালিব এই আদেশ দেন
এর আগে টেলিকম কোম্পানির মাধ্যমে ২৬০ কোটি টাকা পাচারের অভিযোগে নানকের বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক। ওই মামলায় নানকের স্ত্রী ও মেয়েকেও আসামি করা হয়েছে।
মামলার এজাহারে বলা হয়, সৈয়দা আরজুমান বানু ও এস আমরীন রাখি রাতুল টেলিকম লিমিটেডের চেয়ারম্যান ও পরিচালকের দায়িত্বে থাকার সময় মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে ২৫৯ কোটি ৬২ লাখ ৫ হাজার ১৫৮ টাকার সমমূল্যের ৩ কোটি ৩২ লাখ ৮৪ হাজার ৬৮১ মার্কিন ডলার পাচার করে শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন।
এ সময় জাহাঙ্গীর কবির নানক এমপি ও মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তার প্রভাব খাটিয়ে মুদ্রা পাচারে তার স্ত্রী ও মেয়ে সহযোগিতা করে দণ্ডবিধি এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনে শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন।;
-

সাবেক সামরিক অফিসার ও সদস্যদের নিয়ে আত্মপ্রকাশের অপেক্ষায় নতুন রাজনৈতিক দল
নিউজ ডেস্ক: ‘বাংলাদেশ ২.০’ গড়ার আহ্বানে সাবেক সামরিক অফিসার ও সদস্যদের নিয়ে আত্মপ্রকাশের অপেক্ষায় একটি নতুন রাজনৈতিক দল। ‘সবার উপরে দেশ’- শ্লোগানে জুনের মাঝামাঝি সময়ে আত্মপ্রকাশ ঘটতে পারে দলটির।
মঙ্গলবার (১৩ মে) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর-রুনি মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দিয়েছেন দলটির উদ্যোক্তারা। দলটির নাম চূড়ান্ত করা না হলেও আলোচনায় আছে ‘ন্যাশনাল রিপাবলিক পার্টি’ নামটি।
উদ্যোক্তারা জানান, সকল রাজনৈতিক দলের সমান অধিকার, ইনসাফভিত্তিক সমাজ ব্যবস্থা, কল্যাণমুখী রাষ্ট্র গঠন ও স্থায়ী সুশাসন প্রতিষ্ঠাই হবে নতুন দলটির মুখ্য উদ্দেশ্য। এ সময় সাবেক সামরিক অফিসারদের পাশাপাশি বেসামরিক পেশাজীবীদেরও দলে যোগ দিতে আহ্বান জানান উদ্যোক্তারা।;