Blog

  • আশুলিয়ায় গার্মেন্টস কর্মকর্তা শ্রীলঙ্কান নাগরিকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

    আশুলিয়ায় গার্মেন্টস কর্মকর্তা শ্রীলঙ্কান নাগরিকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

    আলমাস হোসাইন :
    ঢাকা জেলার আশুলিয়ায় সানাত সুজিবা প্যারেরা হাপুরাচিগে (৫৫) নামের এক শ্রীলঙ্কান নাগরিকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

    বুধবার (২৯ অক্টোবর) বিকেলে আশুলিয়ার একটি বহুতল ভবনের তৃতীয় তলায় ভাড়া নেওয়া ফ্ল্যাট থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

    নিহত সানাত সুজিবা প্যারেরা হাপুরাচিগে আশুলিয়ার ডিইপিজেড এলাকার তালিশমান লিমিটেড গার্মেন্টসের কাটিং ম্যানেজার হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিকেলে নিহতের সহকর্মীরা ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করেও সাড়া না পেয়ে তার ফ্ল্যাটে যান। দরজা বন্ধ অবস্থায় দেখতে পেয়ে ডাকাডাকি করেও কোনো সাড়া না পেয়ে তারা দরজা ভেঙে প্রবেশ করলে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় তার মরদেহ দেখতে পান।

    খবর পেয়ে আশুলিয়া থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে।

    আশুলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল হান্নান জানান, মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। মৃত্যুর সঠিক কারণ তদন্তের পর জানা যাবে।

  • আশুলিয়ায় নকল ওষুধের কারখানায় র‍্যাবের অভিযান, আটক ১

    আশুলিয়ায় নকল ওষুধের কারখানায় র‍্যাবের অভিযান, আটক ১

    আলমাস হোসাইন :
    ঢাকার আশুলিয়ায় গোপন একটি নকল ওষুধ তৈরির কারখানায় অভিযান চালিয়েছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব-৪)। এ সময় বিপুল পরিমাণ ভেজাল ওষুধ, কেমিক্যাল, বোতল, লেবেল ও তৈরির সরঞ্জাম জব্দ করা হয়। অভিযানে কারখানার ম্যানেজারকে আটক করা হয়েছে।

    মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) দুপুর ১টার দিকে আশুলিয়ার বাইপাইল পশ্চিমপাড়া এলাকার মোতালেব ভিলা নামের ছয়তলা ভবনে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

    আটক ব্যক্তির নাম জিসান (২৮)। তিনি পাবনা জেলার বাসিন্দা এবং কারখানাটির ম্যানেজার হিসেবে কাজ করতেন বলে জানিয়েছে র‍্যাব।

    র‍্যাব জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তারা জানতে পারে—উক্ত ভবনের ছাদের একটি কক্ষে বিভিন্ন নামিদামি কোম্পানির নামে ভেজাল ওষুধ উৎপাদন করা হচ্ছে। পরে অভিযান চালিয়ে সেখান থেকে বিপুল পরিমাণ বোতল, লেবেল, কেমিক্যাল, প্যাকেট ও ওষুধ তৈরির সরঞ্জাম জব্দ করা হয়।

    একই ভবনের দ্বিতীয় ও নিচতলায় থাকা গাজী মেডিসিন পয়েন্ট’ নামের দুটি গোডাউন এবং নিচতলার ‘গাজী মেডিসিন ডিস্ট্রিবিউশন’ নামে ওষুধের দোকান থেকেও বিপুল পরিমাণ নকল ও অনুমোদনহীন বিদেশি ওষুধ উদ্ধার করা হয়।

    র‍্যাবের প্রাথমিক তথ্যে জানা যায়, ‘গাজী মেডিসিন ডিস্ট্রিবিউশন’ নামের বৈধ বিক্রয়কেন্দ্রের আড়ালে এই নকল ওষুধগুলো বাজারজাত করা হতো।

    অভিযানের নেতৃত্ব দেওয়া র‍্যাব সদর দপ্তরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আবু হাসান জানান, র‍্যাব-৪ ও ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের যৌথ উদ্যোগে ভবনটিতে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। এখানে বিপুল পরিমাণ নকল, আনরেজিস্টার্ড ও অনুমোদনহীন বিদেশি ওষুধ পাওয়া গেছে, যা মানুষের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর।

    তিনি আরও বলেন, “কারখানার মালিক পলাতক থাকলেও ম্যানেজারকে আটক করা হয়েছে এবং তাকে দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। জব্দ করা সব মালামাল ধ্বংস করা হবে এবং মালিকের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

    অভিযানে ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন।

  • ভয়ংকর দালাল চক্রের কবলে ময়মনসিংহ  আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস — সেবা নয়, চলছে ব্যবসা!

    ভয়ংকর দালাল চক্রের কবলে ময়মনসিংহ আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস — সেবা নয়, চলছে ব্যবসা!

    স্টাফ রিপোর্টার :

    সরকারি সেবা খাতে জনবান্ধব দৃষ্টান্ত স্থাপনের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের অঙ্গীকার থাকলেও,ময়মনসিংহ আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে সেই প্রতিশ্রুতি যেন হারিয়ে গেছে দুর্নীতির ঘূর্ণিপাকে। সরকারি এই অফিস এখন যেন পরিণত হয়েছে ব্যক্তিগত ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে—যেখানে ঘুষ ছাড়া ‘সেবা’ পাওয়া মানেই দুরাশা! সরাসরি আবেদন মানেই হয়রানি! ভুক্তভোগীদের অভিযোগ—যদি কোনো আবেদনকারী দালালের সাহায্য ছাড়াই সরাসরি আবেদন করেন, তাহলে শুরু হয় হয়রানির মহড়া। প্রয়োজনীয় কাগজপত্রে নানা অজুহাত দেখিয়ে আবেদন বাতিল করা হয়, আবার কখনও সামান্য ভুল ধরিয়ে নতুন করে ফাইল জমা দিতে বলা হয়। একেক ধাপে একেক অজুহাত—শেষ পর্যন্ত আবেদনকারী বাধ্য হন দালালের দ্বারস্থ হতে।

    ময়মনসিংহ জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে আগত সেবা প্রত্যাশীরা বলেন,“আমরা একেকজন একেক জায়গা থেকে আসি,তাই ঐক্য গড়ার সুযোগ নেই। একা একা প্রতিবাদ করলে শুধু হয়রানি বাড়ে। শেষ পর্যন্ত ঘুষ না দিলে পাসপোর্ট পাওয়া সম্ভব হয় না।” দালাল সিন্ডিকেটের নেপথ্যে অফিসের লোকজন! –জাতীয় লেভেলের অপরাধ বিভাগের একটি সাংবাদিক অনুসন্ধান টিমের নীরব পর্যবেক্ষণে উঠে এসেছে ভয়ংকর সব তথ্য। অফিসের অভ্যন্তরে কর্তৃপক্ষের ছত্রছায়ায় গড়ে উঠেছে শক্তিশালী দালাল সিন্ডিকেট—যার নেতৃত্বে রয়েছেন কথিত এক রহিম নামের ব্যক্তি। এই রহিমের অধীনে জমা হওয়া আবেদনপত্রগুলোতে বিশেষ কোড বা চিহ্ন ব্যবহার করা হয়,যা কেবল অফিসের নির্দিষ্ট কর্মকর্তা ও দালাল চক্রের সদস্যরাই বুঝতে পারে। সাধারণ মানুষের পক্ষে সেই চিহ্ন বোঝা সম্ভব নয়।

    সূত্র জানায়,প্রতিদিন এই সিন্ডিকেটের মাধ্যমে লক্ষ লক্ষ টাকা এবং মাসে কোটি টাকার বেশি ঘুষের লেনদেন হয়! অভিযোগের আঙুল উপ-পরিচালক ও সহকারী পরিচালকের দিকে! –ভুক্তভোগী ও স্থানীয় সূত্র মতে,পাসপোর্ট অফিসের উপ-পরিচালক (ডিডি) শাহ মুহাম্মদ ওয়ালি উল্লাহ এবং উপ-সহকারী পরিচালক (এডি) মুহাম্মদ জামাল উদ্দিন–এর নীরব আশীর্বাদেই এসব চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। অফিসের সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক মোঃ রফিকুল ইসলাম এবং রেকর্ড কিপার দেবাশীষ দাস সরাসরি ঘুষ বণ্টন ও আবেদন ব্যবস্থাপনায় যুক্ত—এমন তথ্যও অনুসন্ধান টিম পেয়েছে। –তবে অভিযুক্তরা কেউই অভিযোগ স্বীকার করতে রাজি নন। তাদের বক্তব্য—“সব অভিযোগ রাজনৈতিক বা প্রতিহিংসামূলক।” সাংবাদিকদেরও ঘুষের ভাগ! ভয়াবহ তথ্য হলো—এই অফিস থেকে নাকি প্রতি মাসে কিছু স্থানীয় সাংবাদিকদেরও দেওয়া হয় নির্দিষ্ট অঙ্কের টাকা,যেন এসব দুর্নীতির খবর প্রকাশ না পায়! ফলে জনগণের দুর্ভোগ প্রকাশ্যে আসার আগেই চাপা পড়ে যায় ঘুষ ও দালালির খবর! দুদক অফিস পাশে,তবুও নীরবতা! সবচেয়ে বিস্ময়কর বিষয়—দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)-এর ময়মনসিংহ আঞ্চলিক কার্যালয় এই পাসপোর্ট অফিসের পাশের ভবনেই অবস্থিত! তবুও এতবড় অনিয়মের বিরুদ্ধে তারা এখনো পর্যন্ত কোনো দৃশ্যমান ব্যবস্থা নেয়নি। সচেতন মহল প্রশ্ন তুলেছে—“দুদকের চোখে কি এতদিন কিছুই পড়েনি?” সচেতন মহলের ক্ষোভ ও হুঁশিয়ারি– স্থানীয় সচেতন মহল ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “পাসপোর্ট অফিসে ঘুষের রাজত্ব বহুদিনের। প্রশাসন ও দুদক একে অপরের দিকে তাকিয়ে থাকে—কেউ উদ্যোগ নেয় না। কিন্তু এবার যদি সরকারের হাইকমান্ড বা সেনা গোয়েন্দা সংস্থা বিষয়টি তদন্তে নেয়,তাহলে দৃষ্টান্ত স্থাপন সম্ভব।” তারা আরও বলেন,“এই সিন্ডিকেটের দুঃসাহস এখানেই—কারণ তাদের পৃষ্ঠপোষকতা পাচ্ছে প্রভাবশালী রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহল থেকে।” ঢাকা ক্রাইম টিমের প্রশংসা: এই ভয়াবহ বাস্তবতা দেশের সামনে তুলে ধরায় ঢাকা ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন টিম–কে অভিনন্দন জানিয়েছেন সাধারণ মানুষ ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা।

    তাদের মতে—এই প্রতিবেদন প্রশাসনের চোখ খুলে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট,যদি সরকারের শীর্ষ পর্যায় থেকে আন্তরিক তদন্ত শুরু হয়। আইন ও প্রশাসনের অবস্থান: সরকারি বিধিমালা অনুযায়ী,পাসপোর্ট ইস্যু প্রক্রিয়ায় কোনো মধ্যস্বত্বভোগীর সুযোগ নেই। প্রত্যেক নাগরিক নির্ধারিত ফি জমা দিয়ে সরাসরি আবেদন করতে পারেন। তবে সেই নিয়ম বাস্তবে কার্যকর না হওয়ায় সরকার-ঘোষিত “দুর্নীতিমুক্ত সেবা” নীতির সঙ্গে এই বাস্তবতা সম্পূর্ণ সাংঘর্ষিক। জনগণের প্রত্যাশা: এখন সবার একটাই দাবি—এই অভিযোগগুলো দ্রুত তদন্ত করে দোষীদের আইনের আওতায় আনা হোক। দুদক ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় যদি নিরপেক্ষ তদন্তে এগিয়ে আসে,তাহলে হয়তো ময়মনসিংহ আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস থেকে দুর্নীতির এই কালো অধ্যায় একদিন মুছে যাবে। অনুসন্ধানী টিমের প্রত্যাশা: সরকারের হাইকমান্ড যেন এ বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নেয়—যাতে জনগণ বুঝতে পারে,রাষ্ট্রের কোনো প্রতিষ্ঠানই আইনের ঊর্ধ্বে নয়।

  • আশুলিয়ায় ফুটপাত হকারমুক্ত, স্বস্তিতে ভাদাইল গ্রামের কয়েক লাখ মানুষ

    আশুলিয়ায় ফুটপাত হকারমুক্ত, স্বস্তিতে ভাদাইল গ্রামের কয়েক লাখ মানুষ

    আলমাস হোসাইন

    আশুলিয়ার নবীনগর–চন্দ্রা মহাসড়কের ঢাকাগামী লেন ও ভাদাইলগামী রাস্তায় নির্বিঘ্নে চলাচলের পথ তৈরি হয়েছে—ফুটপাত এখন সম্পূর্ণ হকারমুক্ত। এলাকাবাসীর উদ্যোগে এই উদ্যোগ বাস্তবায়নের ফলে দীর্ঘদিনের ভোগান্তি থেকে মুক্তি পেয়েছেন ভাদাইলসহ আশপাশ এলাকার কয়েক লাখ মানুষ।

    মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) সকালে ভাদাইল ফ্রেন্ডস ক্লাবের উদ্যোগে এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের সহযোগিতায় ঢাকা এক্সপোর্ট প্রসেসিং জোন (ডিইপিজেড) পুরাতন জোনের বিপরীতে মহাসড়কের ফুটপাত থেকে হকারদের সরিয়ে দেওয়া হয়।

    স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ডিইপিজেড থেকে ভাদাইলমুখী আঞ্চলিক সড়কের মুখে ফুটপাতটি দীর্ঘদিন ধরে হকারদের দখলে ছিল। প্রতিদিনই এখানে দোকান বসিয়ে ফুটপাত দখল করত হকাররা। ফলে মহাসড়ক ও সংযোগ সড়কে প্রায়ই তীব্র যানজট সৃষ্টি হতো। এতে কয়েক লাখ মানুষের চলাচলে চরম দুর্ভোগ দেখা দিত। বিশেষ করে প্রতিদিন কর্মস্থলে যাওয়া শ্রমিক, শিক্ষার্থী এবং রোগীরা এই যানজটের কারণে ভোগান্তিতে পড়তেন।

    এলাকাবাসীর মতে, হকারমুক্ত উদ্যোগের ফলে এখন মহাসড়ক আগের চেয়ে অনেক বেশি খোলামেলা ও চলাচলযোগ্য হয়েছে।

    স্থানীয় বাসিন্দা জুবায়ের আহমেদ বলেন,

    খুব ভালো একটি কাজ হয়েছে। আগে প্রতিদিন এই রাস্তায় ভয়াবহ যানজট থাকত। এখন আশা করা যায়, পথচলা অনেক সহজ হবে। সবাই যদি সচেতনভাবে নিজ নিজ জায়গা পরিষ্কার রাখি, তাহলে এলাকা আরও সুন্দর হয়ে উঠবে।

    একজন গাড়িচালক মনিরুল ইসলাম জানান,

    ফুটপাত হকারমুক্ত হওয়ায় রাস্তা এখন অনেক পরিষ্কার ও প্রশস্ত লাগছে। আগের মতো আর জ্যামের আশঙ্কা নেই।

    স্থানীয় প্রবীণ ব্যক্তি রফিকুল ইসলাম বলেন,

    ভাদাইলের যুব সমাজ আজ সত্যিকারের নেতৃত্ব দেখিয়েছে। দীর্ঘদিনের ভোগান্তি থেকে আমাদের মুক্তি দিয়েছে তারা। এজন্য আমরা সবাই কৃতজ্ঞ।

    এই কার্যক্রমের নেতৃত্ব দেন ভাদাইল ফ্রেন্ডস ক্লাবের সভাপতি ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী তরুণ সমাজসেবক হাজী মো. ইসরাফিল হোসেন। তিনি বলেন,

    দীর্ঘদিন ধরে হকারদের দখলে থাকার কারণে রাস্তা সংকীর্ণ হয়ে প্রতিনিয়ত যানজট সৃষ্টি হতো। তাই আমাদের ক্লাবের সদস্যরা স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, যুবসমাজ ও ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে নিয়ে ফুটপাত হকারমুক্ত করার উদ্যোগ নিয়েছি। এটি কোনো বিরোধের বিষয় নয়, বরং মানুষের স্বস্তির জন্য করা একটি সচেতনতা কার্যক্রম।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন—ভাদাইল ফ্রেন্ডস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন, সদস্য আবুল কালাম আজাদ, আলী হোসেন, দীন মোহাম্মদ, মকবুল হোসেন, আলমগীর হোসেন, ইয়ার হোসেন, সুলতান আহমেদ, মাসুদ রানা প্রমুখ।

    এলাকাবাসী এখন আশা করছেন, এই উদ্যোগ ধারাবাহিকভাবে বজায় থাকবে এবং আশুলিয়ার অন্য এলাকাগুলিতেও একইভাবে ফুটপাত ও রাস্তা হকারমুক্ত করার পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

    যেখানে রাস্তা মানুষের, সেখানে প্রতিবন্ধকতার জায়গা নেই এই বার্তাই দিয়েছে ভাদাইলের তরুণ সমাজ।

  • আশুলিয়ায় সেনাবাহিনীর উদ্যোগে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প, বিনামূল্যে চিকিৎসা ও ওষুধ বিতরণ

    আশুলিয়ায় সেনাবাহিনীর উদ্যোগে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প, বিনামূল্যে চিকিৎসা ও ওষুধ বিতরণ

    আলমাস হোসাইন :

    ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার-এর আওতায় মোতায়েনকৃত জামগড়া আর্মি ক্যাম্পের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় আশুলিয়ায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে বিনামূল্যের চিকিৎসা সেবা ক্যাম্প।

    আগামী বুধবার (২৯ অক্টোবর) সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত আশুলিয়ার ঘোষবাগ এলাকায় গ্রামীণ কনভেনশন সেন্টারে অনুষ্ঠিত হবে এই মেডিকেল ক্যাম্প।

    বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৯ পদাতিক ডিভিশনের তত্ত্বাবধানে আয়োজিত এ ক্যাম্পে আশুলিয়ার বাইপাইল, ভাদাইল, নরসিংহপুর, জিরাবো, ইয়ারপুর, বাগবাড়ি, তৈয়বপুর, ইউসুফ মার্কেট ও কাশিমপুরসহ আশপাশের এলাকার দুস্থ ও অসহায় জনগণ বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা ও ওষুধ পাবেন।

    চিকিৎসা সেবায় অংশ নেবেন মেডিসিন, শিশু, চক্ষু, চর্ম ও যৌন, স্ত্রীরোগ ও ধাত্রীবিদ্যা, নাক-কান-গলা বিভাগের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকগণ।

    সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, চিকিৎসা গ্রহণে ইচ্ছুকদের নাম নিবন্ধনের জন্য জামগড়া আর্মি ক্যাম্পের মোবাইল নম্বর ০১৭৬৯-০৯৫৩৪৯–এ যোগাযোগ অথবা এসএমএসের মাধ্যমে (রোগীর নাম, বয়স, পেশা, মাসিক আয় ও রোগের সংক্ষিপ্ত বিবরণ) পাঠাতে হবে।

    প্রতি ঘণ্টায় ৭০ জন করে সর্বোচ্চ ৫০০ জন রোগীকে চিকিৎসা ও ওষুধ প্রদান করা হবে বলে জানিয়েছে সেনাবাহিনী।

    নির্ধারিত দিনে সময়মতো উপস্থিত হয়ে চিকিৎসা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট এলাকার সকল দরিদ্র জনগণকে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

    রেজিস্ট্রেশনের শেষ সময়: আগামী ২৮ অক্টোবর।
    যোগাযোগ: জামগড়া আর্মি ক্যাম্প
    মোবাইল: ০১৭৬৯-০৯৫৩৪৯

  • কুমিল্লা শহরে যানজট নিরেশনে সাধারণ মানুষের ভিক্ষুক

    কুমিল্লা শহরে যানজট নিরেশনে সাধারণ মানুষের ভিক্ষুক

    কুমিল্লা নগরীতে যানজট নিরসন ও সড়কে বিশৃঙ্খলা বন্ধে বিক্ষোভ

    নিজস্ব প্রতিবেদক
    ২৭ অক্টোবর ২০২৫

    কুমিল্লা নগরীতে যানজট নিরসন ও সড়কে বিশৃঙ্খলা বন্ধের দাবি জানিয়ে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে ‘যানজট মুক্ত কুমিল্লা চাই’ একটি সমাজিক সংগঠন। সোমবার (২৭ অক্টোবর) বেলা সাড়ে ১০টায় কান্দিরপাড় পূবালী চত্বরে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

    সমাবেশে বক্তব্য রাখেন সেভ দ্য হিউম্যান সোসাইটির চেয়ারম্যান মিয়া মোহাম্মদ তৌফিক, কুমিল্লা ইনকিলাব মঞ্চের আহবায়ক গোলাম মোহাম্মদ সামদানী, যানজট মুক্ত কুমিল্লা চাই-এর আহবায়ক ইঞ্জিনিয়ার রাশেদুল হাসান, কুমিল্লা যানজট নিরসন কমিটির সদস্য মুজাহিদ চৌধুরী, সদস্য সাজিদুল ইসলাম রাফি, আমরা কুমিল্লা সন্তানের আবদুল হান্নান, নিরাপদ সড়ক আন্দোলের ইমতিয়াজ, যানজট মুক্ত কুমিল্লা চাই এর সদস্য আবু ছালেহ মো. মাসুদ, মুকুল, ওমর ফারুক আফজাল প্রমুখ।

    সমাবেশে বক্তারা বলেন, নগরীতে ৪০ হাজারেরও বেশি অবৈধ অটোরিকশা চলাচল করে। যেখানে ১০ হাজার অটোরিকশা ধারণক্ষমতা নেই। কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনে কিছু আসাধু কর্মকর্তাসহ হাতে গোনা কয়েকজন ব্যক্তি অর্থনৈতিক সুবিধা নেয়ার কারণেই নগরী যানজট মুক্ত করা যাচ্ছেনা।

    বক্তরা আরও বলেন, আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় জেলা প্রশাসক যানজট নিরসনে অটোরিকশা কমিয়ে ৭ হাজারে আনা হবে জানালেও দৃশ্যমান কোন কিছুই লক্ষ্য করা যাচ্ছে না। সিটি করপোরেশন এক্ষেত্রে উদাসীন। নিয়ম বহির্ভূত পার্কিং জোন ছাড়া মেইন সড়কের পাশে বহুতল ভবন নির্মান, যত্রতত্র পার্কিং যানজটের অন্যতম কারন। বিশেষ করে খোলার দিনগুলোতে স্কুল ছুটির পর শহর এক প্রকার অচল হয়ে পরে। সড়কে ভোগান্তি কমাতে দ্রুত প্রদক্ষেপ গ্রহণ করুন। অন্যথায় আমরা রাস্তায় নেমে পড়বো।

    এই শহরে যানবাহনে চাঁদাবাজী চলবে না ঘোষণা দিয়ে বক্তরা বলেন, চকবাজার, কান্দিরপাড়, শাসনগাছা, টমছমবীজ ও জাঙ্গালীয়ায় কারা চাঁদা তোলেন আমরা জানি। এই টাকার ভাগ কে কে পান তাও আমরা জানি। আজকের পর থেকে সড়কে শৃঙ্খলা ফিরে না এলে এবং চাঁদাবাজী বন্ধ না হলে, আমরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লাইভ করে তা প্রকাশ করে দিবো।

    যানজট নিরসনে ১০ দাবি:
    ১। কুমিল্লা শহরে সীমিত সংখ্যক অটো এবং মিশুক চলতে পারবে এবং তাদেরকে চিহ্নিত করতে নিদিষ্ট ড্রেস ও আইডি কার্ড প্রদান করতে হবে
    ২। প্রত্যেক রোডের ভাড়া প্রশাসন কর্তৃক নির্ধারণ চার্ট আকারে প্রকাশ করতে হবে।
    ৩। শহরের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ট্রাফিক পুলিশের সংখ্যা বাড়াতে হবে। প্রয়োজনে ট্রাফিক সহায়তাকারী নিয়োগ প্রদান করতে হবে।
    ৪। অবৈধ পার্কিং ও ফুটপাত স্থায়ীভাবে অপসারণ করতে প্রতিনিয়ত মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করতে হবে।
    ৫। কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন ভোটার ব্যতীত কেউ অটো বা মিশুকের মালিক হতে পারবে না। একজন ব্যক্তি সর্বোচ্চ একটি অটো বা মিশুকের মালিক হতে পারবেন।
    ৬। নির্ধারিত অটো এবং মিশুক নিদিষ্টস্থানে দাঁড়িয়ে যাত্রী উঠা-নামা করাবে। প্রয়োজনে তাদের প্রশিক্ষণ দিতে হবে।
    ৭। চিহ্নিত (ড্রেস পড়া) অটো এবং মিশুক চালকদের প্রশাসন কর্তৃক অহেতুক ভুগান্তি করা যাবে না।
    ৮। চুরি, ছিনতাই প্রতিরোধে পুলিশের টহল টিম বাড়াতে হবে।
    ৯। শহরের যেসব রোডের অবস্থা বেহাল, সে সব রোড দ্রুত সময়ের মধ্যে সংস্কার করাতে হবে।
    ১০। উল্লেখিত দাবিসমূহ দ্রুত বাস্তবায়নের লক্ষ্যে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক অথবা সমপর্যায়ের কোনো সরকারি কর্মকর্তাকে প্রধান করে একটি টাস্কফোর্স কমিটি গঠন করে দিতে হবে।

  • গৌরীপুর পুলিশ ফাঁড়ির এসআই সিদ্দিকের সততা ও মানবিকতায় সন্তুষ্ট এলাকাবাসী

    গৌরীপুর পুলিশ ফাঁড়ির এসআই সিদ্দিকের সততা ও মানবিকতায় সন্তুষ্ট এলাকাবাসী

    দাউদকান্দি (কুমিল্লা) সংবাদদাতা:

    দাউদকান্দি থানার গৌরীপুর পুলিশ ফাঁড়িতে দায়িত্ব পালন করছেন উপ-পরিদর্শক (এসআই) সিদ্দিকুল ইসলাম, যিনি সততা, নিষ্ঠা ও মানবিকতার সঙ্গে কাজ করে এলাকাবাসীর আস্থা অর্জন করেছেন।

    স্থানীয়রা জানিয়েছেন, সাধারণ মানুষের বিভিন্ন সমস্যা ও নিরাপত্তা-সংক্রান্ত বিষয়গুলোতে তিনি দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করেন এবং সহযোগিতা করেন। তার এই মানবিক ও পেশাদার আচরণের কারণে এলাকার জনগণের মধ্যে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে।

    এক এলাকাবাসী বলেন—

    “এসআই সিদ্দিক একজন ভালো মনের মানুষ। তিনি সবসময় আমাদের পাশে থাকেন এবং আইনশৃঙ্খলা উন্নয়নে আন্তরিকভাবে কাজ করছেন।”

    পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে তিনি এলাকায় শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন। আশা করা হচ্ছে, তার এই দায়িত্ববোধ ও উদ্যোগ ভবিষ্যতেও দাউদকান্দি অঞ্চলে আইনশৃঙ্খলা ও জননিরাপত্তা রক্ষায় কার্যকর হবে।

  • জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ঘাস কাটা মেশিনের ব্লেডে যুবক গুরুতর আহত

    জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ঘাস কাটা মেশিনের ব্লেডে যুবক গুরুতর আহত

    আলমাস হোসাইন,
    জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) ঘাস কাটা মেশিনের ভাঙা ব্লেড ছিটকে এসে মাথায় ঢুকে গুরুতর আহত হয়েছেন সাব্বির হোসেন সুমন (২৬) নামের এক যুবক।

    শনিবার বিকেল সাড়ে চারটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে এ দুর্ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা।

    আহত সুমন সাতক্ষীরা জেলার বাসিন্দা। তিনি জাবি স্পোর্টস ক্লাব আয়োজিত তিন দিনব্যাপী নাইট ফুটবল টুর্নামেন্ট উপলক্ষে মাঠের পাশে দেওয়া একটি স্টলে কাঁকড়া ফ্রাই বিক্রি করছিলেন।

    প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, টুর্নামেন্টের শেষ দিনে মাঠের ঘাস কাটছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মচারী আবুল হোসেন। একপর্যায়ে মেশিনের ব্লেড ভেঙে দূরে ছিটকে গিয়ে সুমনের মাথায় আঘাত হানে।

    পরে তাঁকে উদ্ধার করে প্রথমে সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে তাঁর অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় চিকিৎসকেরা তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানোর পরামর্শ দেন।
    ঘাস কাটা কর্মচারী আবুল হোসেন বলেন,ঘাস কাটার সময় মেশিনে ইট লেগেছিল। এত বড় দুর্ঘটনা হবে, তা ভাবিনি।

    বিশ্ববিদ্যালয়ের শারীরিক শিক্ষা বিভাগের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক নাসরিন বেগম বলেন,দুর্ঘটনার খবর পেয়ে আমরা দ্রুত আহত ব্যক্তিকে হাসপাতালে নিয়ে যাই। পরে তাঁকে ঢাকা মেডিকেলে স্থানান্তর করা হয়।

    শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত শনিবার রাতেই সুমনের মাথায় অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়েছে। তবে তিনি এখনও আশঙ্কামুক্ত নন। তাঁকে ৭২ ঘণ্টা পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।

  • মিরপুরে আবাসিক হোটেল সেরাটনে চলছে মাদক ও ব্ল্যাকমেইল ব্যবসা

    মিরপুরে আবাসিক হোটেল সেরাটনে চলছে মাদক ও ব্ল্যাকমেইল ব্যবসা

    স্টাফ রিপোর্টার:

    রাজধানীর মিরপুর-১০ এলাকায় একটি আবাসিক হোটেল নাম দিয়ে অসামাজিক কার্যকলাপ ও অবৈধ ব্যবসা চালানোর অভিযোগ পাওয়া গেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ‘সেরাটন’ নামের এই হোটেলটি আসলে মাদক ব্যবসা এবং ব্ল্যাকমেইলিং-এর কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। হোটেলটির মালিক হাসান ও তার সহযোগীরা দীর্ঘদিন ধরে এই কার্যকলাপে লিপ্ত।

    স্থানীয়দের অভিযোগ, হোটেলটিতে আসছে বিভিন্ন বয়সী তরুণ-তরুণী এবং ব্যক্তিগত সম্পর্কের সুযোগে তাদের চাঁদা আদায় ও ব্ল্যাকমেইলিং করা হচ্ছে। পাশাপাশি, হোটেলটিতে নিয়মিত মাদকদ্রব্য বিক্রি ও সেবন করা হচ্ছে। এ কারণে আশেপাশের এলাকার সাধারণ মানুষ এবং ব্যবসায়ী মহল চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে।

    স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, “এই হোটেলে নীরবভাবে মাদক বিক্রি ও ব্ল্যাকমেইলিং হচ্ছে। বহু পরিবার এ ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত। আমরা বারবার প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়েছি, কিন্তু কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।”

    অপরদিকে, মিরপুর থানার একজন পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, “আমরা খবর পেয়েছি, হোটেলটি বিভিন্ন অবৈধ কার্যকলাপে জড়িত। বিষয়টি তদন্তের জন্য একটি দল গঠন করা হয়েছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে অভিযান চালিয়ে অবৈধ কার্যকলাপ বন্ধ করার চেষ্টা করা হবে।”

    স্থানীয় ব্যবসায়ী ও এলাকাবাসী হোটেলটির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানাচ্ছেন। তারা বলছেন, “যদি প্রশাসন অবিলম্বে ব্যবস্থা না নেয়, তবে আশেপাশের এলাকা অনিরাপদ হয়ে যাবে। হোটেলটির কর্মকাণ্ড বন্ধ করতে সরকারের তৎপরতা প্রয়োজন।”

    এ ঘটনা রাজধানীর মিরপুরের শান্তিপ্রিয় বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে। নিরাপত্তা বাহিনীকে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে, যাতে তরুণ সমাজ এবং সাধারণ মানুষ এই ধরনের অপরাধের শিকার না হন।

  • ঢাকা প্রেস ক্লাবের নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি অনুমোদিত নিজস্ব প্রতিবেদক  ॥

    ঢাকা প্রেস ক্লাবের নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি অনুমোদিত নিজস্ব প্রতিবেদক ॥

    সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীন সমাজসেবা অধিদপ্তর ঢাকা প্রেস ক্লাবের নতুন কার্যনির্বাহী কমিটির অনুমোদন দিয়েছে। ১৫ অক্টোবর ২০২৫ তারিখে ঢাকার জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপপরিচালক ও নিবন্ধন কর্তৃপক্ষ আবু সাঈদ মোঃ কাওছার রহমান স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এই অনুমোদন দেওয়া হয়।

    পত্র নং ৪১.০১.২৬০০.০০০.২৮.১৪৮৯.৯৭-১৫১৫ অনুযায়ী, নির্বাচন কমিশনের সুপারিশ এবং সভাপতি কর্তৃক প্রেরিত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে ১১ সদস্যবিশিষ্ট কার্যনির্বাহী পরিষদকে ২১ অক্টোবর ২০২৫ থেকে ২০ অক্টোবর ২০২৭ পর্যন্ত দুই বছরের জন্য অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

    নতুন কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যরা হলেন: সভাপতি: দীপংকর গৌতম, সহ-সভাপতি: মোহাম্মদ মাসুদ ও মোঃ মনিরুজ্জামান মিয়া, সাধারণ সম্পাদক: সাদেক মাহমুদ (পাভেল), যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক: শিকদার নুর ই আলম সিদ্দিকী মুরাদ, সাংগঠনিক সম্পাদক: মনিরুল ইসলাম, প্রচার ও গবেষণা সম্পাদক: খন্দকার শাহ্ নূহ, দপ্তর সম্পাদক: মোঃ মিজানুর রহমান, সমাজকল্যাণ, ত্রাণ ও পুনর্বাসন সম্পাদক: মোঃ রফিকুল ইসলাম, অর্থ সম্পাদক: মঞ্জুর হোসেন মজুমদার, নির্বাহী সদস্য: সরদার মোহাম্মদ শওকত উল আলম (সুমন)

    অফিস আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে, এই কমিটির বিরুদ্ধে কোনো আপত্তি উত্থাপিত হলে এবং তদন্তে তা সত্য প্রমাণিত হলে কমিটির অনুমোদন বাতিল করা হবে।

    ঢাকা প্রেস ক্লাব (নিবন্ধন নং ঢ-০২০২৯) ১২ এপ্রিল ১৯৮৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। বর্তমানে এটি তার ৩৮ বছর পূর্ণ করেছে। ক্লাবের স্থায়ী ঠিকানা ১৩/২-বি, কে এম দাস লেন, টিকাটুলি, ঢাকা-১২০৩।

    নতুন কার্যনির্বাহী কমিটির অনুমোদনের ফলে ক্লাবের কার্যক্রমে নতুন গতি ও উদ্যম সৃষ্টি হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্ট সাংবাদিক ও সদস্যরা। এই কমিটি আগামী দুই বছর ক্লাবের বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করবে এবং সাংবাদিক সম্প্রদায়ের কল্যাণে কাজ করবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।