Blog

  • হাসনাত আবদুল্লাহর গাড়িতে হামলা চালিয়েছে দুর্বৃত্তরা

    হাসনাত আবদুল্লাহর গাড়িতে হামলা চালিয়েছে দুর্বৃত্তরা

     নিউজ ডেস্ক:   গাজীপুরে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহর গাড়িতে হামলা চালিয়েছে দুর্বৃত্তরা। রোববার (৪ মে) গাজীপুরের চান্দনা চৌরাস্তায় সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা নাগাদ এ হামলার ঘটনা ঘটে।

    ঘটনা জানাজানির সঙ্গে সঙ্গেই যমুনা টেলিভিশনের পক্ষ থেকে যোগাযোগ করা হয় হাসনাতের সাথে। তিনিও হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

    এর কিছুক্ষণের মধ্যেই এনসিপির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম তার ভেরিফায়েড ফেসবুকে এ নিয়ে স্ট্যাটাস দিয়েছেন।

    পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‘হাসনাতের গাড়িতে ১০-১২ জন সন্ত্রাসী গাজীপুর এলাকায় হামলা করেছে। গাড়ির গ্লাস ভেঙে গিয়েছে, হাত রক্তাক্ত হয়েছে। আশেপাশে যারা আছেন, হাসনাতকে প্রটেক্ট করুন।’

    অন্যদিকে এনসিপির আরেক নেতা হান্নান মাসউদ তার পোস্টে লিখেছেন, ‘গাজীপুরের চান্দনায় হাসনাত আবদুল্লাহর গাড়িতে হামলা হয়েছে। আশেপাশে যারা আছেন, দ্রুত এগিয়ে আসেন, প্লিজ।’

    গাজীপুর মেট্টোপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার রবিউল হাসান বলেন, গাজীপুরের সালনার কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় একটি অনুষ্ঠান শেষে তিনি ঢাকায় ফিরছিলেন। চান্দনা চৌরাস্তা এলাকায় তার গাড়ি বহর জ্যামে আটকে থাকাবস্থায় ৪/৫টি মোটরসাইকেলে তার গাড়ি হামলা করে। হামলায় তিনি হাতে আঘাতপ্রাপ্ত হন এবং গাড়ির গ্লাস ভেঙ্গে যায়। তার কাছ থেকে বিস্তারিত জেনে তাকে নিরাপদে ঢাকায় পৌঁছে দেয়া হয়েছে।

    তিনি আরও বলেন, হামলাকারীদের খুঁজে বের করতে এ ঘটনায় ইতিমধ্যে তদন্ত শুরু হয়েছে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

    এদিকে এ বিষয়ে রাজধানীর বাংলামোটরে এনসিপির কার্যালয়ে রাতেই ব্রিফ করবে দলটি।;

  • কোচেই সমাধান দেখছেন ব্রাজিলিয়ান কিংবদন্তি কাফু

    কোচেই সমাধান দেখছেন ব্রাজিলিয়ান কিংবদন্তি কাফু

    খেলাধুলা ডেস্ক:    কার্লো আনচেলত্তির জন্য অপেক্ষা করার সময়সীমা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে ব্রাজিল ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (সিবিএফ)। এদিকে ২৫ মে’র আগে নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে কথা বলতে নারাজ রিয়াল মাদ্রিদ বস। তবে আনচেলত্তির প্রশংসা করলেও আপাতত স্থানীয় কোচেই সমাধান দেখছেন ব্রাজিলিয়ান কিংবদন্তি কাফু। পাশাপাশি দেশি কোচ নিয়েই ৫ বার বিশ্বকাপ জয়ের কথাও মনে করিয়ে দিলেন সাবেক এই বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক।

    সবশেষ ২০২২ কাতার বিশ্বকাপে ভরাডুবির পর থেকেই ইউরোপিয়ান কোচের সন্ধানে নেমেছে ব্রাজিল। রোনালদো নাজারিও ও অনেকে বিদেশি কোচের পক্ষে থাকলেও রিভালদোর মতো অনেকে আবার বিপক্ষেও ছিলেন। বিশেষ করে রিয়াল মাদ্রিদের কোচ কার্লো আনচেলত্তির দিকে বিশেষ নজর ছিল সেলেসাওদের। আনচেলত্তির কোচ হওয়ার কথা থাকলেও পরে সেটি হয়নি। কিন্তু এখন আবার দৃশ্যপটে আনচেলত্তি।

    লা লিগার শিরোপা দৌড়ে রিয়াল মাদ্রিদের ভাগ্য নির্ধারিত হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে চায় তারা। তবে কোচ আনচেলত্তির প্রশংসা করলেও আপাতত স্থানীয় কোচেই সমাধান দেখছেন কাফু।

    তিনি বলেন, যদি আনচেলত্তিকে নির্বাচন করা হয়, তবে আমরা তাঁকে স্বাগত জানাব। কিন্তু আমরা একমাত্র দল হিসেবে পাঁচবার বিশ্বকাপ জিতেছি বিদেশি কোচ ছাড়াই। আমাদের সব সময় দেশি কোচই ছিল, এটাই ব্যাপার। ব্যাপারটা এমন না যে একজন বিদেশি কোচের জাতীয় দলে আসা উচিত। কিন্তু আমি এই বিশ্বকাপের জন্য ব্রাজিলিয়ান কোচের ওপরই বাজি ধরব।

    এদিকে, সময়ের সাথে সাথে বাড়ছে রিয়াল মাদ্রিদ থেকে আনচেলত্তির সম্ভাব্য বিদায়ের। একই সঙ্গে তার ব্রাজিল জাতীয় দলের দায়িত্ব নেয়ার সম্ভাবনাও যেন বাড়ছে। তবে এসব নিয়ে একেবারেই নিশ্চুপ অভিজ্ঞ এই কোচ। লা লিগা শেষের আগে নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে কোন কিছু বলতে নারাজ এই ইতালিয়ান মাস্টারমাইন্ড।

    আনচেলত্তি বলেন, এই ক্লাব, খেলোয়াড় এবং সমর্থকদের আমি খুব ভালোবাসি। তাদের প্রতি আমার যথেষ্ট সম্মানও আছে। আমি আমার ভবিষ্যৎ নিয়ে চলতি মাসের ২৫ তারিখের পর কথা বলব, তার আগে নয়।

    লা লিগায় রিয়াল নিজেদের শেষ ম্যাচ খেলবে ২৫ মে রিয়াল সোসিয়েদাদের বিপক্ষে।

    এখন দেখার বিষয় পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের ডাগআউটে কাকে দেখা যায়। বিগত ২ দশক ধরে হেক্সা শিরোপার স্বপ্ন দেখে যাচ্ছে সেলেসাওরা।;

  • গাঁজা চাষ ও সেবনের বৈধতায় বিশাল র‍্যালি মেক্সিকোতে

    গাঁজা চাষ ও সেবনের বৈধতায় বিশাল র‍্যালি মেক্সিকোতে

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক:  গাঁজা চাষ ও সেবনের বৈধতা চেয়ে বিশাল র‍্যালির আয়োজন করেছে মেক্সিকানরা। শনিবার (৩ মে) দেশটির রাজধানী মেক্সিকো সিটির প্রধান সড়কে জড়ো হয় সবাই।

    এসময় গাঁজা সেবনে আইনত জটিলতায় ক্ষোভ ঝাড়েন তারা। সরকারের কাছে অনুমতি চান ব্যক্তিগতভাবে গাঁজা চাষ ও সেবনের জন্য।

    ২০১৭ সাল থেকে চিকিৎসাক্ষেত্রে গাঁজার ব্যবহারকে অনুমোদন দিয়েছিল মেক্সিকো সরকার। পরে ২০২১ সালে শুধু মাত্র প্রাপ্ত বয়স্কদের এই নেশাদ্রব্যটি প্রকাশ্যে সেবনে স্বীকৃতি দেয়া হয়। তবে ব্যক্তিগত ব্যবহারে এখনও রয়েছে আইনত জটিলতা। এদিকে বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে গাঁজার বিক্রয় এখনও নিষিদ্ধ মেক্সিকোতে।;

  • তুরিন আফরোজের ডক্টরেট ডিগ্রি ভুয়া, জানিয়েছে অস্ট্রেলিয়ার সিডনির ইউএনএসডব্লিউ

    তুরিন আফরোজের ডক্টরেট ডিগ্রি ভুয়া, জানিয়েছে অস্ট্রেলিয়ার সিডনির ইউএনএসডব্লিউ

    নিউজ ডেস্ক:   আইনজীবী ও আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের (আইসিটি) সাবেক প্রসিকিউটর ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজের ডক্টরেট ডিগ্রি ভুয়া বলে জানিয়েছে অস্ট্রেলিয়ার সিডনির ইউনিভার্সিটি অব নিউ সাউথ ওয়েলস (ইউএনএসডব্লিউ)।

    রোববার (৪ মে) সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে তুরিন আফরোজের পারিবারিক সম্পত্তি সংক্রান্ত মামলায় দাখিল করা এক নথিতে উঠে আসে এ তথ্য। আইনজীবী ব্যারিস্টার এ এস এম সাজ্জাদ হায়দার বিষয়টি জানিয়েছেন।

    তিনি বলেন, তুরিন আফরোজ যে অধ্যাপকের অধীনে সিডনির বিশ্ববিদ্যালয়ে পিএইচডি সম্পন্ন করেছেন বলে দাবি করেন, সেই অধ্যাপক ই-মেইলে জানিয়েছেন তিনি পিএইচডি পর্বটি শেষ করতে পারেননি।

    রাষ্ট্রপক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তুরিন আফরোজের শিক্ষাগত যোগ্যতা সংক্রান্ত নথি আনতে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে চিঠি পাঠানো হয়েছিল। উত্তরে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানায়, এ বিষয়ে তাদের কাছে কোনো রেকর্ড নেই। তথ্যটি প্রকাশ্যে আসার পর বিষয়টি ঘিরে আইন অঙ্গনে চলছে তুমুল আলোচনা।

    এর আগে, ১৩ মার্চ আপিল বিভাগে বাড়ি সংক্রান্ত মামলার শুনানিতে অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার অনীক আর হক বলেন, ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর থাকা অবস্থায় ক্ষমতার সব রকম অপব্যবহার করেছেন। তখন সে ছিল পরাক্রমশালী। এক মুহূর্তের মধ্যে তার মাকে বাড়ি থেকে বের করে দিয়েছেন।

    প্রসঙ্গত, গত ২০ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর উত্তরায় পাঁচতলা বাড়িতে তুরিন আফরোজের মা শামসুন্নাহার বেগম এবং তার ভাই শিশির আহমেদ শাহনেওয়াজের বসবাস করা নিয়ে বিচারিক আদালতের স্থিতাবস্থার আদেশ বাতিল করে দেন হাইকোর্ট। এর ফলে ওই বাড়িতে শামসুন্নাহার বেগম ও শাহনেওয়াজের বসবাসের ক্ষেত্রে আর কোনো আইনগত বাধা নেই বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা।;

  • মানবিক করিডর ইস্যুতে কোনও চুক্তি করেনি বাংলাদেশ : নিরাপত্তা উপদেষ্টা

    মানবিক করিডর ইস্যুতে কোনও চুক্তি করেনি বাংলাদেশ : নিরাপত্তা উপদেষ্টা

    নিউজ ডেস্ক: মানবিক করিডর ইস্যুতে কোনও চুক্তি বা সমঝোতা করেনি বাংলাদেশ।এমন তথ্য জানিয়েছন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমান।

    রোববার (৪ মে) রোহিঙ্গা ইস্যুতে এক সেমিনারে তিনি একথা জানান।

    তিনি বলেন, বাংলাদেশ হয়ে রাখাইনে মানবিক সহায়তা করিডরের জন্য আরাকান আর্মির সঙ্গে যোগাযোগ হয়েছে। জাতিসংঘ এটি পরিচালনা করবে। এর মাধ্যমে ত্রাণ ও খাদ্য যাবে, কোনও অস্ত্র নয়। এই যোগাযোগ রাখাইনে নিরাপদ পরিস্থিতি প্রতিষ্ঠায় সহায়তা করবে বলে জানান তিনি।

    তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ মিয়ানমারের সার্বভৌমত্বকে শ্রদ্ধা করে, দেশটিকে অস্থিতিশীল করার কোনো ইচ্ছা বাংলাদেশের নেই। রোহিঙ্গা ইস্যুতে খলিলুর রহমান বলেন, রোহিঙ্গারা অবশ্যই ফিরে যাবে। এটা সহজ না হলেও সরকার তা বাস্তবায়ন করবে।

    সেমিনারে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন বলেন, রোহিঙ্গাদের মতো সংকটগুলো শান্তিপূর্ণভাবে নয়, সংঘাতের মধ্য দিয়েই সমাধান হয়। ইতিহাস তাই বলে।

    এ সময় ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধসহ আফ্রিকার বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর স্বাধীনতা যুদ্ধকে উদাহরণ হিসেবে দেখান উপদেষ্টা।;

  • মাধ্যমিক পর্যায়ে প্রতিবন্ধী, এতিম এবং দুস্থ ও অসচ্ছল পরিবারের মেধাবী শিক্ষার্থীদের ভর্তির নিশ্চয়তা দেবে সরকার

    মাধ্যমিক পর্যায়ে প্রতিবন্ধী, এতিম এবং দুস্থ ও অসচ্ছল পরিবারের মেধাবী শিক্ষার্থীদের ভর্তির নিশ্চয়তা দেবে সরকার

    নিউজ ডেস্ক:   মাধ্যমিক পর্যায়ে প্রতিবন্ধী, এতিম এবং দুস্থ ও অসচ্ছল পরিবারের মেধাবী শিক্ষার্থীদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তি নিশ্চিত করতে সহায়তা দেবে সরকার। শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্টের মাধ্যমে দেয়া হবে এ আর্থিক সহায়তা।

    শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্টের ওয়েবসাইট থেকে জানা যায়, প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থী, এতিম শিক্ষার্থী, ভূমিহীন পরিবারের সন্তান, নদীভাঙন পরিবারের সন্তান, অসচ্ছল বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান, প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত এবং দুস্থ পরিবারের সন্তান এই ভর্তি সহায়তা প্রাপ্তির ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার পাবে। এ জন্য শিক্ষার্থীদের তাদের দাবির স্বপক্ষে প্রয়োজনীয় প্রমাণপত্র অনলাইনে আবেদনের সময় আপলোড করতে হবে।

    ট্রাস্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ২০২৫ শিক্ষাবর্ষে মাধ্যমিক ও সমমান শ্রেণিতে ভর্তি হওয়া অথবা অধ্যয়নরত যোগ্য শিক্ষার্থীরা অনলাইনে আবেদন করতে পারবে। আগামী ২২ মে আবেদন শেষ হবে।

    আগ্রহী শিক্ষার্থীদের https://www.eservice.pmeat.gov.bd/admission ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে বিস্তারিত তথ্য জেনে অনলাইনে আবেদন করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।

    একই সঙ্গে ওয়েবসাইটে ভর্তি সহায়তার জন্য প্রয়োজনীয় প্রত্যয়নপত্রের ফরম এবং আবেদন প্রক্রিয়াও বিস্তারিত নির্দেশনা দেয়া রয়েছে।;

  • ভায়াদোলিদের বিপক্ষে ২-১ গোলের জয় পেয়েছে বার্সেলোনা

    ভায়াদোলিদের বিপক্ষে ২-১ গোলের জয় পেয়েছে বার্সেলোনা

    খেলাধুলা ডেস্ক:   রাতে লা লিগার ম্যাচে শুরুতে গোল হজম করলেও শেষ পর্যন্ত ভায়াদোলিদের বিপক্ষে ২-১ গোলের জয় পেয়েছে বার্সেলোনা। এই জয়ে রিয়াল মাদ্রিদের সঙ্গে সাত পয়েন্টের ব্যবধান বাড়ালো কাতালান জায়ান্টরা।

    সাত মাস পর ইনজুরি কাটিয়ে মাঠে ফেরা বার্সা কিপার স্টেগেনকে শুরুতেই পরীক্ষা ফেলে স্বাগতিকরা। ম্যাচের ৬ মিনিটেই ভায়াদোলিদকে লিড এনে দেন রাউল।

    গোল শোধে মরিয়া হয়ে উঠলেও বার্সার আক্রমণগুলো প্রতিহত হচ্ছিল ভায়াদোলিদের রক্ষণে। শেষ পর্যন্ত পিছিয়ে থেকেই বিরতিতে যায় কাতালানরা।

    দ্বিতীয়ার্ধে বাড়ে বার্সার আক্রমণের ধার। ম্যাচের ৫৪ মিনিটে বার্সাকে সমতায় ফেরান রাফিনিয়া। এর ছয় মিনিট পর চমৎকার গোলে দলকে এগিয়ে নেন লোপেস। এরপর আর কোন গোল না হলে জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে ফ্লিকের দল।

    উল্লেখ্য, ৩৪ ম‍্যাচে ২৫ জয় ও চার ড্রয়ে ৭৯ পয়েন্ট নিয়ে টেবিল টপার বার্সেলোনা। এক ম‍্যাচ কম খেলা রেয়াল মাদ্রিদ ৭২ পয়েন্ট নিয়ে আছে দুই নম্বরে।;

  • সামরিক সক্ষমতায় কে এগিয়ে ভারত না পাকিস্তানের !

    সামরিক সক্ষমতায় কে এগিয়ে ভারত না পাকিস্তানের !

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক:   পাকিস্তানের ব্যালিস্টিক মিসাইল মহড়ার পর থেকেই আলোচনায় পাক-ভারত ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা। দুই দেশেরই সমরভাণ্ডারে রয়েছে পরমাণু অস্ত্র বহনে সক্ষম বিভিন্ন পাল্লার মিসাইল। এরমধ্যে ভারতের ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা রীতিমতো তাক লাগানোর মতো।

    সর্বোচ্চ ১৬ হাজার কিলোমিটার পাল্লার মিসাইল রয়েছে দেশটির সমরভাণ্ডারে। অন্যদিকে পাকিস্তানের ক্ষেপণাস্ত্রগুলো তৈরি করা হয়েছে ভারতকে টার্গেট করেই।

    পরমাণু কর্মসূচি শুরুর পর থেকেই মিসাইল ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রামে জোর দেয় পাকিস্তান। সময়ের সাথে সাথে উন্নতি ঘটানো হয় দেশটির ক্ষেপণাস্ত্রে। বর্তমানে আবদালি, নাসর, ঘোরি এবং গজনবির মতো স্বল্প এবং মাঝারি পাল্লার বিভিন্ন ধরণের ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে পাকিস্তানের সমরভাণ্ডারে। যেগুলো সর্বোচ্চ ৫০ কিলোটন অস্ত্র নিয়ে আঘাত হানতে পারে ২ হাজার ৭শ কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুতে।

    পরমাণু অস্ত্রের পাশাপাশি প্রচলিত অস্ত্র বহনেও সক্ষম বিভিন্ন ধরণের ক্রুজ এবং ব্যালিস্টিক মিসাইল তৈরি করেছে দেশটি। রয়েছে জার্ব, আবাবিল, তৈমুর এবং বাবুরের মতো মিসাইল। যেগুলো জাহাজ, ট্যাংক এবং সাবমেরিন ধ্বংসে ব্যবহার করা হয়।

    ক্ষেপণাস্ত্র ইস্যুতে ভারতের সক্ষমতাও তাক লাগানোর মতো। পাকিস্তান-চীনের মতো শক্রু মোকাবেলায় বহুমুখি ক্ষেপণাস্ত্র প্রকল্প হাতে নেয় দিল্লি। দেশটির সমরভান্ডারে রয়েছে অগ্নির মতো পরমাণু অস্ত্র বহনে সক্ষম ব্যালিস্টিক মিসাইল যা ১৬ হাজার কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম।

    এছাড়াও পৃথ্বি, সূর্য, কালামের মতো স্বল্প এবং মাঝারি পাল্লার ব্যলিস্টিক মিসাইল রয়েছে ভারতের। পাশাপাশি ব্রহ্ম এবং নির্ভয়ের মতো ক্রুজ মিসাইল রয়েছে দেশটির কাছে। যেগুলো পরমাণু এবং প্রচলিত দুই ধরণের অস্ত্র বহনেই সক্ষম।

    অন্যদিকে নাগ, অমোঘ, রুদ্র, অস্ত্র, ত্রিশূলের মতো ট্যাংক, জাহাজ এবং সাবমেরিন বিধ্বংসী বিভিন্ন ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে ভারতের কাছে। যেগুলো, আকাশ, ভূমি এবং জাহাজ থেকে উৎক্ষেপণ করা যায়।

    তবে ভারতের সামরিক সক্ষমতাকে সবদিক থেকে এগিয়ে রেখেছে এর স্যাটেলাইট বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র। চীন, রাশিয়া এবং যুক্তরাষ্ট্রের পর ভারত চতুর্থ দেশ যার সমরভাণ্ডারে রয়েছে স্যাটেলাইট বিধ্বংসী মিসাইল।;

  • সিআইএ -র প্রায় ১২শ’ কর্মী ছাঁটাইয়ের পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের

    সিআইএ -র প্রায় ১২শ’ কর্মী ছাঁটাইয়ের পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স এজেন্সি (সিআইএ) থেকে প্রায় ১২শ’ কর্মী ছাঁটাইয়ের পরিকল্পনা করছে যুক্তরাষ্ট্রের ৪৭তম প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সিআইএ-এর পাশাপাশি অন্যান্য গোয়েন্দা সংস্থাগুলো থেকেও হাজারের বেশি কর্মী কমানোর পরিকল্পনা চলছে। শনিবার (৩ মে) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের গণমাধ্যম ওয়াশিংটন পোস্ট এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

    প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ট্রাম্প প্রশাসন সিআইএতে পরিকল্পিত ছাঁটাই সম্পর্কে আইন প্রণেতাদের অবহিত করেছে। এই প্রক্রিয়া কয়েক বছর ধরে চলবে। মূলত নতুন নিয়োগ কমিয়ে পদ কমানো হবে, সরাসরি কর্মী ছাঁটাইয়ের মাধ্যমে নয়।

    সিআইএর এক মুখপাত্র বলেন, সিআইএর পরিচালক জন র‌্যাটক্লিফ প্রশাসনের জাতীয় নিরাপত্তা অগ্রাধিকারের প্রতি সিআইএ কর্মীবাহিনী যাতে সাড়া দিতে পারে, তা নিশ্চিত করতে দ্রুত পদক্ষেপ নিচ্ছেন।

    তিনি আরও বলেন, এই পদক্ষেপগুলো সিআইএকে নতুন শক্তিতে উজ্জীবিত করার, উদীয়মান নেতাদের জন্য সুযোগ তৈরি করার এবং সিআইএকে নিজের লক্ষ্য পূরণের জন্য আরও ভালোভাবে অবস্থান তৈরি করার সামগ্রিক কৌশলের অংশ।;

  • করিডর ইস্যুতে একাট্টা প্রায় সব দলই

    করিডর ইস্যুতে একাট্টা প্রায় সব দলই

    নিউজ ডেস্ক::  দেশের রাজনীতিতে গেল কদিন ধরেই আলোচনা মানবিক করিডর ইস্যুতে। বলা হচ্ছে, রাখাইনে জাতিসংঘের ত্রাণ পাঠাতে দেশের ভূমি ব্যবহারে সম্মত সরকার।

    এ জায়গাতেই আপত্তি রাজনৈতিক দলগুলোর। আলাপ-আলোচনা ও ঐকমত্য ছাড়া তাড়াহুড়া করে করিডর দেয়ার সিদ্ধান্তে উদ্বিগ্ন রাজনৈতিক দলগুলো। নেতারা বলছেন, রাখাইনের বাস্তব পরিস্থিতি জেনেবুঝে করিডরের বহুমাত্রিক ঝুঁকি বিশ্লেষণ করে এমন সিদ্ধান্ত নেয়া জরুরি।

    বিষয়টি নিয়ে কথা বলে জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর অধ্যাপক মুজিবুর রহমানের সঙ্গে। তিনি বলেন, এই উপকার করতে গিয়ে অন্য কারও ক্ষতি করতে যাওয়া মোটেও ঠিক হবে না। এটা বাংলাদেশের জনগণও মানবে না। দেশের সকল রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে কথা বলে ঝুঁকিপূর্ণ এই বিষয়টি সুরাহা করা উচিত।

    আলোচিত এই করিডরের ধরণ, নিরাপত্তা কারা দেবে, এটি নিয়ে চীন-ভারতসহ এ অঞ্চলের দেশগুলোর মনোভাব অনেককিছুই স্পষ্ট নয় এখনও। সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে তা নিয়ে জনগণের মনোভাব বোঝা আবশ্যক ছিল বলেও মনে করেন নেতারা।

    এ বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বিপ্লবী ওয়ার্কাস পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক বলেন, এটি ‘সামরিক করিডর’ হয়ে যায় কিনা, তা দেখতে হবে। তাই নিজেদের মধ্যে বোঝাপড়া ছাড়া এমন সিদ্ধান্ত কার্যকরের কোনো সুযোগ নেই।

    একইরকম শঙ্কা নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্নারও। তিনি প্রশ্ন করেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার কার সাথে কথা বলে এমন সিদ্ধান্ত নিলো? এমন গুরুত্বপূর্ণ নীতিগত সিদ্ধান্ত এত জলদি করে তারা নিলো কীভাবে?

    এই করিডর দেয়া হলে সেটি রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে ফেরত পাঠাতে ভূমিকা রাখতে পারে কিনা, সেটিও বুঝতে চান নেতারা। গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি বলেন, সরকার যে সিদ্ধান্তই নিক না কেন, তা জনগণের জানা থাকা দরকার। তাহলে জনগণ সে সব সিদ্ধান্তের সঙ্গে থাকবে।

    এনসিপির যুগ্ম সদস্যসচিব আলাউদ্দিন মোহাম্মদও এমন সিদ্ধান্তের সঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলোর সংশ্লিষ্টতার ওপর গুরুত্ব দেন। বলেন, সিদ্ধান্ত অবশ্যই নিতে হবে সব স্টেকহোল্ডারদের সাথে কথা বলে।

    রাজনৈতিক নেতাদের মতে, এমন উদ্যোগের ফলে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের বিষয়টি আরও ঝুলে যেতে পারে। কারণ বাংলাদেশে থাকা ১৫ লাখ রোহিঙ্গার কাউকেই ফেরত পাঠানো যায়নি গেল আট বছরে। বরং এখনও প্রায়ই শতশত রোহিঙ্গা মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসছে বাংলাদেশে।;