Blog

  • পর্দায় অনুপস্থিত আরিফিন শুভ ফিরলেন স্বরূপে

    পর্দায় অনুপস্থিত আরিফিন শুভ ফিরলেন স্বরূপে

    বিনোদন ডেস্ক:     দীর্ঘ দিন পর্দায় অনুপস্থিত আরিফিন শুভ ফিরলেন স্বরূপে। সেটাও মাত্র ১৯ সেকেন্ডের এক প্রমো ভিডিওতে; যা নায়ক তার ফেসবুকে যুক্ত করে ক্যাপশন জুড়েছেন, আসিতেছে। যদিও কী আসছে সেটা বরাবরের মতই রহস্য জিইয়ে রেখেছেন ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় এই চিত্রনায়ক।

    শুভর সেই ১৯ সেকেন্ডের প্রমোতে দেখা গেছে, নৃশংস এক নির্যাতনের দৃশ্য। যেখানে শুভ একজনের প্রাইভেট পার্টে আগুন ধরিয়ে দিয়েছেন। এমন ভিডিওর পর সতর্কবার্তাও দিয়েছেন শুভ; অনুরোধ রেখেছেন, বাড়িতে বা কোথাও এমন কাজের (ভিডিওর মত) চেষ্টা না করার।

    তবে এই ভিডিওটি কীসের সেটা সুনির্দিষ্ট করে জানাননি শুভ। সেখানেই প্রশ্ন কী আসছে আরিফিন শুভর? বর্তমানে হাতে আছে ৫টা প্রজেক্ট আছে এই তারকার। সনি লিভের ‘জ্যাজ সিটি’, চরকির ‘লুহু’, ‘ঠিকানা বাংলাদেশ’, ‘নীলচক্র’ আর ‘নূর’ সিনেমা।

    তবে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, শুভর ভিডিও দৃশ্যটি ‘নীলচক্র’ সিনেমার। সাসপেন্স থ্রিলার ঘরনার সিনেমাটি আসছে ঈদে মুক্তি পাবে। যা পরিচালনা করেছেন মিঠু খান। সিনেমাটিতে আরও অভিনয় করেছেন মন্দিরা চক্রবর্তী, ফজলুর রহমান বাবু, শিরীন আলম, খালেদা আক্তার কল্পনা, শাহেদ আলী, টাইগার রবি, মনির আহমেদ শাকিল, প্রিয়ন্তী ঊর্বী, মাসুম রেজওয়ান প্রমুখ। আরিফিন শুভ এখন মুম্বাইয়ে ব্যস্ত আছেন তার প্রথম হিন্দি ওয়েব সিরিজ ‘জ্যাজ সিটি’ কাজ নিয়ে।;

  • কুয়েট উপাচার্য ড. মুহাম্মদ মাছুদ ও উপ-উপাচার্য ড. শেখ শরীফুল আলমকে অব্যাহতি

    কুয়েট উপাচার্য ড. মুহাম্মদ মাছুদ ও উপ-উপাচার্য ড. শেখ শরীফুল আলমকে অব্যাহতি

    নিউজ ডেস্ক:   রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলরের অনুমোদনে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) উপাচার্য ড. মুহাম্মদ মাছুদ ও উপ-উপাচার্য ড. শেখ শরীফুল আলমকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে।

    শুক্রবার (২৫ এপ্রিল) শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত পৃথক পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। এতে সিনিয়র সহকারী সচিব এ এস এম কাসেম সই করেন।

    ভিসিকে অব্যাহতি দেয়ার প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলেরর অনুমোদনক্রমে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০০৩-এর ধারা ১০ (২) অনুযায়ী এই বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর পদে ইতঃপূর্বে নিয়োগকৃত অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ মাছুদকে তার নিজ বিভাগে প্রত্যাবর্তনের নিমিত্ত ভাইস-চ্যান্সেলর পদের আদেশ প্রত্যাহারপূর্বক তাকে উক্ত পদ থেকে অব্যাহতি প্রদান করা হলো।

    অপর প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলরের অনুমোদনক্রমে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০০৩-এর ধারা ১২ (২) অনুযায়ী এই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইসচ্যান্সেলর পদে ইতঃপূর্বে নিয়োগকৃত অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলমকে তার নিজ বিভাগে প্রত্যাবর্তনের নিমিত্ত প্রো-ভাইস-চ্যান্সেলর পদের আদেশ প্রত্যাহারপূর্বক তাকে উক্ত পদ থেকে অব্যাহতি প্রদান করা হলো।

    প্রজ্ঞাপন দুইটিতে উল্লেখ করা হয়, জনস্বার্থে এ আদেশ জারি করা হয়েছে।

    এর আগে, গত বুধবার দিবাগত রাতে কুয়েটের উপাচার্য ও উপ-উপাচার্যকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি প্রদানের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. মামুন অর রশিদের সই করা বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

    শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, অনতিবিলম্বে একটি সার্চ কমিটি গঠনের মাধ্যমে এ দুটি পদে নতুন নিয়োগ প্রদান করা হবে। অন্তর্বর্তীকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়মিত কার্যক্রম চালু রাখার স্বার্থে জ্যেষ্ঠ অধ্যাপকগণের মধ্য থেকে একজনকে সাময়িকভাবে উপাচার্যের দায়িত্ব অর্পণ করা হবে।

    প্রসঙ্গত, গত ১৮ ফেব্রুয়ারি কুয়েটে ছাত্ররাজনীতি বন্ধের দাবিকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনায় অর্ধ-শতাধিক শিক্ষার্থী আহত হন। পরদিন প্রশাসনিক ভবনসহ সব একাডেমিক ভবনে তালা ঝুলিয়ে দেন শিক্ষার্থীরা। ওই দিন দুপুরে সিন্ডিকেট সভায় কুয়েটে সব ধরনের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত হয়।

    তারপর ২০ ফেব্রুয়ারি ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ সমাবেশ করে সব রাজনৈতিক ছাত্রসংগঠনকে ‘না’ বলে দেন শিক্ষার্থীরা। একই সঙ্গে তারা উপাচার্যের পদত্যাগ দাবি করেন।

    পরে ২৫ ফেব্রুয়ারি সব আবাসিক হল অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়। এরপর আবাসিক হল খুলে দেয়ার দাবিতে ১৩ এপ্রিল বিকেল থেকে শিক্ষার্থীরা প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থান নেন।

    এই আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় গত রোববার (২০ এপ্রিল) উপাচার্যের পদত্যাগের ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম দেয়া হয়। বেঁধে দেয়া সময়ের মধ্যে পদত্যাগের ঘোষণা না আসায় অনশনে বসেন শিক্ষার্থীরা।

    এই পরিস্থিতিতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সি আর আবরার বুধবার সকাল পৌনে ১০টার দিকে কুয়েট ক্যাম্পাসে পৌঁছান। তবে দীর্ঘ সময় বুঝিয়েও তিনি অনশন ভাঙাতে পারেননি।

    কীভাবে এই আন্দোলন ছয় দফা থেকে উপাচার্যের পদত্যাগের এক দফা দাবিতে পরিণত হলো, সে বিষয়টি শিক্ষার্থীরা উপদেষ্টাকে বলেন। এ সময় আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা উপাচার্যবিরোধী স্লোগান দিতে থাকেন।

    এরপর বুধবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সভায় কুয়েটের ৩৭ শিক্ষার্থীর বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করে নেয়ার পাশাপাশি সব হল খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কার্যক্রম আগের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ৪ মে শুরু হবে বলে সভায় সিদ্ধান্ত হয়।

    আমরণ অনশন কর্মসূচির তৃতীয় দিনে শারীরিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়েন অনেক শিক্ষার্থী। তবে উপাচার্যের অপসারণ না হওয়া পর্যন্ত অনশন চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্তে অনড় থাকেন তারা।

    এ পরিস্থিতিতে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) গঠন করা কমিটির তিন সদস্য কুয়েট ক্যাম্পাসে যায়। রাতে উপাচার্য ও উপ উপাচার্যের অপসারণের বার্তা দিয়ে তারা শিক্ষার্থীদের অনশন ভাঙান।;

  • পারভেজ হত্যা: বিচারের দাবিতে মানববন্ধন

    পারভেজ হত্যা: বিচারের দাবিতে মানববন্ধন

    নিউজ ডেস্ক:   রাজধানীর বনানীতে প্রাইমএশিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী পারভেজ হত্যায় জড়িতদের দ্রুত বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ করেছে তার সহপাঠীরা।

    বৃহস্পতিবার (২৪ এপ্রিল) দুপুরে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতে চত্বরে তারা এই বিক্ষোভ করে।

    শিক্ষার্থীরা বলেন, পারভেজকে যারা প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা করেছে তাদের অনেকেই এখনও গ্রেফতার হয়নি। দ্রুত তাদের গ্রেফতারসহ অপরাধীদের কঠোর শাস্তি দাবি করেন তারা। এছাড়া, শিক্ষাঙ্গনে বহিরাগত প্রবেশ বন্ধ ও নৈরাজ্যকর পরিস্থিতি ঠেকাতে প্রশাসনের কঠোর পদক্ষেপ দাবি করেন শিক্ষার্থীরা।

    প্রসঙ্গত, গত ১৯ এপ্রিল বনানীতে ছুরিকাঘাতে নিহত হন প্রাইমএশিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী জাহিদুল ইসলাম পারভেজ। তিনি টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ২২৩ ব্যাচের ছাত্র।

    এ ঘটনায় নিহতের মামাত ভাই হুমায়ুন কবীরের করা মামলায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের দুই নেতাসহ আটজনের নাম উল্লেখ করা হয়। এছাড়া, অজ্ঞাতনামা আরও ২৫-৩০ জনকে আসামি করা হয়।

    এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত পাঁচজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।;

  • ওটিটি প্ল্যাটফর্মে মুক্তি পেলো কামার আহমাদ সাইমনের ‘একটি সূতার জবানবন্দি’

    বিনোদন ডেস্ক:   ২০১৩ সালের আজকের এই দিনের কথা কারও মনে থাকুক বা থাকুক, দেশের ইতিহাসে দিনটি লেখা থাকবে কালো অধ্যায় হিসেবে। সেদিন সকাল ৮টা ৪৫ মিনিটে ঢাকার সাভারে রানা প্লাজা নামের ভবনটি ধসে পড়ে। এ দুর্ঘটনায় সেখানে থাকা গার্মেন্টসের ১ হাজার ১৭৫ জন শ্রমিক নিহত এবং দুই হাজারেরও বেশি মানুষ আহত হন।

    আর তাইতো রানা প্লাজার সেই দিনকে স্বরণে রেখে আজ দেশীয় একটি ওটিটি প্ল্যাটফর্মে মুক্তি পেলো কামার আহমাদ সাইমনের ‘একটি সূতার জবানবন্দি’।

    অন্য সবার মতো ঘটনাটি নিয়ে মানসিক পীড়ায় ছিলেন নির্মাতা সাইমন। মানুষের গতিময় জীবন অনেক কষ্টকেই পত্রিকার পাতা ওলটানোর মতো ভুলিয়ে দেয়। তারপরও কিছু ঘটনায় জিজ্ঞাসা থেকে যায়, বহুদিন তাড়া করে বেড়ায়। তাজরীনের ঘটনা থেকেই সেই তাড়না অনুভব করছিলেন সাইমন।

    রানা প্লাজা ট্র্যাজেডির পর আর বসে থাকতে পারেননি, ২০১৫ সালে নির্মাণ করেন ’একটি সূতার জবানবন্দী’–(টেস্টিমনি অব আ থ্রেড)।

    নির্মাতার ভাষ্যে, একজন নাগরিকের দায় থেকেই বানিয়েছি ছবিটি। রানা প্লাজা ট্র্যাজেডির এক যুগ পর ’একটি সুতার জবানবন্দী’ উন্মুক্ত হলো সব দর্শকদের জন্য। ২৪ এপ্রিল এটি মুক্তি পেয়েছে দেশের জনপ্রিয় ওটিটি প্ল্যাটফর্মে। বিনা খরচে ’একটি সুতার জবানবন্দী’ ওটিটিতে দেখতে পারবেন দর্শকরা। অর্থাৎ মোবাইল বা পিসিতে অ্যাপ ইনস্টল করলেই দর্শকরা এটি দেখতে পারবেন।

    রানা প্লাজা নিয়ে একটা ফিচার ছবি বানানোর ইচ্ছা ছিল, কামার আহমাদ সাইমনের। তার রিসার্চ ম্যাটারিয়াল থেকেই এই বানানো ‘একটি সূতার জবানবন্দী’।

    আকিরা কুরোসাওয়ার ’রাশোমন’–এর অনুপ্রেরণায়, ’একটি সূতার জবানবন্দী’ ৫২ মিনিটের একটি কোলাজ। আধুনিক ইতিহাসের সবচেয়ে মারাত্মক কাঠামোগত ব্যর্থতার সংখ্যার পিছনে মানুষের মুখ খুঁজে বের করার চেষ্টায় একটি মনোলগ কোলাজ।

    জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পুরস্কার বিজয়ী নির্মাতা কামার আহমাদ সাইমন ‘একটি সূতার জবানবন্দী’ স্ক্রিপ্টের জন্য ২০১৩ সালে পেয়েছিলেন ‘দ্য এশিয়ান পিচ’ পুরস্কার। ২০১৫ সালে নির্মাণের পর এর প্রথম প্রদর্শনী হয় ২০১৬ সালে।

    ‘একটি সূতার জবানবন্দী’র মাধ্যমে রানা প্লাজা ট্র্যাজেডি এবং এর সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোকে চারটি দৃষ্টিভঙ্গীতে দেখার চেষ্টা করা হয়েছে। যেখানে বিভিন্ন তথ্য বিশ্লেষণ করেছেন পোশাকশিল্প নেত্রী নাজমা আক্তার, বিজিএমইএ–এর সাবেক সভাপতি রুবানা হক, চিত্রশিল্পী দিলারা বেগম জলি, অর্থনীতিবিদ ও অধ্যাপক এম এম আকাশ।

    ’একটি সূতার জবানবন্দী’ ২০১৩ সালে পায় এশিয়ান পিচ পুরষ্কার। কামার আহমাদ সাইমনের রচনা ও পরিচালিত ’মনোলগ কোলাজটি’ প্রযোজনা করেছেন সারা আফরীন। প্রযোজা প্রতিষ্ঠান সূচনা প্রযোজিত ছবিটি যৌথ প্রযোজনা করেছে এশিয়ার অন্যতম চারটি টেলিভিশন- জাপানের এন এইচ কে, কোরিয়ার কে বি এস, তাইওয়ানের পি টি এস ও সিঙ্গাপুরের মিডিয়াকর্প।;

  • স্থগিত হলো সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের ১৫তম আসর

    স্থগিত হলো সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের ১৫তম আসর

     খেলাধুলা ডেস্ক:   আরও একবার স্থগিত হলো সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের ১৫তম আসর। ২০২৬ সালে আসরটি আয়োজন হবে বলে প্রাথমিকভাবে জানিয়েছে সাউথ এশিয়ান ফুটবল ফেডারেশন (সাফ)।

    আজ বৃহস্পতিবার (২৪ এপ্রিল) নিজেদের ওয়েবসাইটে এক বিজ্ঞপ্তি দিয়ে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে দক্ষিণ এশিয়ার ফুটবলের অভিভাবক সংস্থাটি।

    চলতি বছর জুনের শেষ দিকে শুরু হওয়ার কথা ছিল সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ। সেই অনুযায়ী দুই মাস বাকি থাকলেও ভেন্যু ও সূচি নির্ধারণ করা হচ্ছিল না। তাতে শঙ্কা বাড়ছিল। শেষ পর্যন্ত আসরটি ২০২৬ সাল পর্যন্ত স্থগিত করার সিদ্ধান্ত এলো।

    আগামী বছর পর্যন্ত আসরটি স্থগিত করলেও কবে, কোথায় আসরটি অনুষ্ঠিত হবে, তা জানায়নি সাফ। ২০২৬ সাল বিশ্বকাপের বছর বিধায় বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে পরবর্তীতে জানানো হবে বলে জানায় সংস্থাটি।

    এ পর্যন্ত সাফের ১৪টি আসর মাঠে গড়িয়েছে। ভারত চ্যাম্পিয়ন হয়েছে সর্বোচ্চ ৯বার এবং মালদ্বীপ ২ বার। বাংলাদেশ, আফগানিস্তান ও শ্রীলঙ্কা একবার করে পেয়েছে শিরোপার স্বাদ।;

  • অপহৃত চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫ শিক্ষার্থীকে ছেড়ে দিয়েছে অপহরণকারীরা

    অপহৃত চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫ শিক্ষার্থীকে ছেড়ে দিয়েছে অপহরণকারীরা

    স্টাফ রিপোর্ট :  খাগড়াছড়িতে বিজু উৎসব থেকে ফেরার পথে অপহৃত চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫ শিক্ষার্থীকে ছেড়ে দিয়েছে অপহরণকারীরা। বৃহস্পতিবার (২৪ এপ্রিল) দুপুরে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখার তথ্য, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক রিবেক চাকমা।

    মুক্তি পাওয়া শিক্ষার্থীরা হলেন- পিসিপি চবি শাখার সদস্য ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী রিশন চাকমা, চারুকলা ইনস্টিটিউটের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী অলড্রিন ত্রিপুরা, একই বিভাগ ও একই শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মৈত্রীময় চাকমা, নাট্যকলা বিভাগের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী দিব্যি চাকমা এবং প্রাণীবিদ্যা বিভাগের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী লংঙি ম্রো।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, অপহৃত পাঁচ শিক্ষার্থীর মুক্তির দাবিতে সাধারণ শিক্ষার্থী, প্রগতিশীল ব্যক্তি ও ছাত্রসংগঠন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের সাধারণ শিক্ষার্থীরা আন্দোলন গড়ে তোলেন। অবশেষে ব্যাপক জনরোষের মুখে পড়ে অপহরণকারীরা কয়েক দফায় মুক্তি দিয়েছে।

    বিবৃতিতে পিসিপি শিক্ষার্থীদের মুক্তির আন্দোলনে সোচ্চার থাকা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন, খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়েছে।

    পাঁচ পাহাড়ি শিক্ষার্থী অপহরণের ঘটনায় শুরু থেকে ইউপিডিএফকে দায়ী করে আসছে জেএসএস–সমর্থিত পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের সভাপতি নিপুন ত্রিপুরা। তবে ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন ইউপিডিএফের অন্যতম জেলা সংগঠক অংগ্য মারমা।;

  • জম্মু ও কাশ্মীরে হামলায় ২৬ জনের প্রাণহানির ঘটনায় পাকিস্তানকে দায়ী করেছে ভারত

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক:  ভারত-নিয়ন্ত্রিত জম্মু ও কাশ্মীরের পাহেলগামে বন্দুকধারীদের হামলায় ২৬ জনের প্রাণহানির ঘটনায় পাকিস্তানকে দায়ী করেছে ভারত। হামলার ঘটনার পর চিরবৈরী প্রতিবেশী পাকিস্তানের বিরুদ্ধে একের পর এক পদক্ষেপ নিচ্ছে নয়াদিল্লি। এসব পদক্ষেপের মধ্যে পাকিস্তানি নাগরিকদের সব ধরনের ভিসা স্থগিতসহ বেশ কয়েকটি বিষয়ে নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়েছে।

    পাহেলগামে সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় ভারতের বেশ কয়েকটি কূটনৈতিক পদক্ষেপ নেয়ার একদিন পর পাল্টা ব্যবস্থার ঘোষণা দিয়েছে পাকিস্তান। দেশটির মধ্য দিয়ে তৃতীয় কোনো দেশের সঙ্গে ভারতের সব ধরনের বাণিজ্য স্থগিত করেছে ইসলামাবাদ। এক প্রতিবেদনে ব্রিটিশ সংবাদ সংস্থা রয়টার্স এ তথ্য জানায়।

    প্রতিবেদনে বলা হয়, স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (২৪ এপ্রিল) প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরীফের নেতৃত্বে জাতীয় নিরাপত্তা কমিটির (এনএসসি) বৈঠকের পর পাকিস্তান থেকে এ প্রতিক্রিয়া জানানো হয়।

    এদিকে, আজ বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরীফের কার্যালয় থেকে পাঠানো এক বিবৃতিতে পাক সরকার বলছে, সিন্ধু পানি চুক্তি স্থগিত রাখার ভারতীয় ঘোষণাকে পাকিস্তান তীব্রভাবে প্রত্যাখ্যান করে। পাকিস্তানকে বরাদ্দকৃত পানি প্রবাহে বাধা দেয়া বা চুক্তি স্থগিত করা  যুদ্ধের শামিল হিসেবে বিবেচিত হবে।;

  • পাকিস্তানের সঙ্গে করা সিন্ধুর পানির বণ্টন ‍চুক্তি স্থগিতের ঘোষণা দিয়েছে ভারত

    পাকিস্তানের সঙ্গে করা সিন্ধুর পানির বণ্টন ‍চুক্তি স্থগিতের ঘোষণা দিয়েছে ভারত

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক:  ছয় দশকেরও আগে প্রতিবেশী দেশ পাকিস্তানের সঙ্গে করা সিন্ধুর পানির বণ্টন ‍চুক্তি স্থগিতের ঘোষণা দিয়েছে ভারত। সম্প্রতি দেশটির কাশ্মিরের পেহলগামে সন্ত্রাসী হামলার জেরের প্রতিক্রিয়ায় এমন সিদ্ধান্ত নেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। দু’দেশের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও পররাষ্ট্রনীতিতে এটি যেন প্রতিকূল পরিবেশ সৃষ্টিরই আগমনী বার্তা।

    কী আছে এই চুক্তিতে
    চুক্তির সেই ধারা অনুযায়ী সিন্ধু নদের ছয়টি অভিন্ন নদীর পানি বণ্টনের বিষয় উল্লেখ রয়েছে। যাতে রাভি, বিয়াস ও সুললেজ নদীর পানি ভারতের এবং সিন্ধু, ঝিলুম ও চিনাব নদীর পানি পাকিস্তানের পাওয়ার কথা বলা হয়েছে। তবে চুক্তি স্থগিতের ঘোষণা আসায় এই ধারা মোড় নিতে পারে অন্যভাবে, যা পাকিস্তানের জন্য অবশ্যই সুখকর হবে না।

    এই চুক্তির আওতায় উজানের দেশ ভারত জলবিদ্যুৎ উৎপাদন এবং সীমিত সেচের মতো কাজে পশ্চিমের নদীগুলো ব্যবহারের অধিকার রাখে। তবে চুক্তিতে বলা আছে সেই কাজটি এমনভাবে করতে হবে, যাতে নদীর প্রবাহ ঘুরে না যায়। পাকিস্তানের জন্য এই চুক্তি অনেক বড় কিছু। দেশটির নির্দিষ্ট একটি অঞ্চলে সম্পূর্ণ সেচ ব্যবস্থা ও কৃষিকাজে অপরিহার্য ভূমিকা রাখে এই নদীগুলো। তাই সামান্য প্রবাহ বাধা পেলে, এর রেশ নেতিবাচকভাবে বড় পরিসরে ঘটার সম্ভাবনাই বেশি।

    অবশ্য, চুক্তি স্বাক্ষরের সময় এর মেয়াদ শেষের তারিখ কিংবা স্থগিতের কোনো বিধান রাখা হয়নি।

    ভারতের নতুন সিদ্ধান্তে পানি বণ্টন যেভাবে হতে পারে
    নয়াদিল্লির নতুন সিদ্ধান্তে এই প্রশ্ন সবার আগে আসে- ভারত কি পাকিস্তানে পানির প্রবাহ বন্ধ করতে কিংবা প্রবাহে কোনো সরাসরি বাধা সৃষ্টি করতে পারে কি না? এর সহজ উত্তর হলো, না।

    সিন্ধু, ঝিলুম ও চিনাব বড় নদী। বছরের মে-সেপ্টেম্বরে বরফ গলার ফলে এই নদীগুলো কয়েক বিলিয়ন ঘনমিটার পানি বহন করে। নদীগুলোর উজানে ভারতের বেশকিছু অবকাঠামো রয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে বাগলিহার ও কিষাণগঙ্গা বাঁধ। তবে এর কোনোটিই বিপুল পরিমাণ পানি ধরে রাখার মতো শক্তিশালী নয়। ভারত যদি তার বিদ্যমান সমস্ত বাঁধের পানি ছেড়েও দেয়, তবুও মোট পানি প্রবাহে খুব বেশি পরিবর্তনই ঘটবে না।

    ভারত ইতোমধ্যেই চুক্তির অধীনে বরাদ্দকৃত পূর্বের নদীগুলোর বেশিরভাগ পানি ব্যবহার করে, তাই সেই নদীগুলোতে যেকোনো নতুন পদক্ষেপে ভাটি অঞ্চলে সীমিত প্রভাব পড়বে।

    তবে পাকিস্তানের জন্য উদ্বেগের বিষয় হলো শুষ্ক মৌসুমে কী ঘটবে, যখন অববাহিকায় পানির প্রবাহ কম থাকে। তখন চুক্তির অনুপস্থিতি তারা তীব্রভাবে অনুভব করতে পারে। এক্ষেত্রে পানি প্রবাহ নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে পাকিস্তানের ওপর ভারতের কর্তৃত্ব তৈরি হতে পারে। তবে সেই কাজটিও সহজ নয়। যেকোনো বড় আকারের বাঁধ বা জলপথ পরিবর্তনে নেয়া নতুন প্রকল্প নির্মাণে বহু বছর সময় লাগে। আর ভারতীয় কাশ্মিরে তেমন স্থান সীমিত এবং তা করা ভূতাত্ত্বিকভাবেও চ্যালেঞ্জিং। এর খরচ যেমন বিশাল, তা রাজনৈতিকভাবেও হবে ঝুঁকিপূর্ণ।

    অপরদিকে, পাকিস্তানও দীর্ঘদিন ধরে বলে আসছে, ভারত যদি পশ্চিমের নদীগুলোতে পানি ধরে রাখার মতো কিছু করে, তবে তা সম্ভাব্য যুদ্ধের দিকে ঠেলে দেয়ার পরিস্থিতি তৈরি করবে। স্যাটেলাইটের যুগে এই ধরনের কাঠামো গোপনে তৈরি করাও সম্ভবপর নয়। আবার চিনাব বা ঝিলুমের মতো নদীতে পানি ধরে রাখতে গেলে ভারতে নিজস্ব উজানের অঞ্চলগুলোতেও বন্যার ঝুঁকি থাকে।

    পাকিস্তানের ওপর সম্ভাব্য প্রভাব
    ভারতের এই পদক্ষেপে সার্বিক সীমাবদ্ধতা সামনে এলেও চুক্তি সুরক্ষার বিষয়টি এখনও গুরুত্বপূর্ণ। এর কারণ এই নয় যে, একদিন বাদেই পানি আসা বন্ধ হয়ে যাবে। বরং নয়াদিল্লি এটি খুব সম্ভত করবেও না।

    সিন্ধু, ঝিলম ও চিনাবের প্রবাহ পাকিস্তানের কৃষি ও বিদ্যুৎ ব্যবস্থার মেরুদণ্ড। আর এই মুহূর্তে পাকিস্তানের কাছে এর কোনও বিকল্প নেই। পাকিস্তানের সেচ ব্যবস্থা বিশ্বের বৃহত্তম সেচ ব্যবস্থাগুলোর একটি, আর এটি পশ্চিমের নদীগুলোর ওপর নির্ভরশীল। এই নদীগুলোর পানির ওপর খালগুলোও নির্ভরশীল, পানিপ্রবাহে সামান্যতম ব্যাঘাত ঘটলেও সেচব্যবস্থা ভেঙে পড়তে শুরু করবে। এক্ষেত্রে সবচেয়ে তাৎক্ষণিক ঝুঁকি হল স্থিতিশীলতার অভাব।

    পাকিস্তানের জিডিপির ২১ শতাংশই কৃষির ওপর নির্ভরশীল। দেশটির ৪৫ শতাংশ কর্মজীবীর কর্মসংস্থানও হয় কৃষি খাতে। এই আবহে পাকিস্তান যদি সিন্ধুর পানি থেকে বঞ্জিত হয়, তাহলে তাদের অর্থনীতিতে বড় রকমের প্রভাব পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

    পশ্চিমের নদীগুলো পাকিস্তানে পানির প্রধান উৎস। পাকিস্তানের জন্য তাই পানি প্রবাহ অব্যাহত থাকা খুবই জরুরি। তারপর রয়েছে বিদ্যুৎ। পাকিস্তানের বিদ্যুতের এক-তৃতীয়াংশ জলবিদ্যুৎ থেকে আসে। উজানের প্রবাহ হ্রাস পেলে বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা কমে যেতে পারে।

    ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট যা বলে
    সিন্ধুর পানি চুক্তি তার স্থায়িত্বের জন্য প্রশংসিত হলেও গত দশক ধরেই এটি চাপের মধ্যে রয়েছে। ২০১৩ সালে একটি সালিশি আদালত পাকিস্তানের পক্ষে রায় দেয় এবং ভারতকে কিষাণগঙ্গা প্রকল্পের ভাটিতে ন্যূনতম প্রবাহ ছেড়ে দিতে বাধ্য করে। কিন্তু, ২০১৬ সালের উরি হামলার পর সেই ধারায় পরিবর্তন আসতে শুরু করে। ভারত নিয়মিত সহযোগিতা স্থগিত করে, দীর্ঘকাল ধরে স্থগিত রাখা বাঁধ প্রকল্পের দ্রুত অনুমোদন শুরু করে এবং পানিকে তারা নিরাপত্তা সংক্রান্ত আলোচনার হাতিয়ার করে।

    তখনও ভারত বলেছিল যে তারা চুক্তির মধ্যে থেকেই কাজ করবে। কিন্তু ২০২৩ সালে সেটিও পরিবর্তিত হতে শুরু করে, যখন ভারত আনুষ্ঠানিকভাবে দ্বাদশ অনুচ্ছেদের ৩ ধারা (যে বিধান অনুসারে কেবল পারস্পরিক সম্মতির মাধ্যমেই চুক্তি সংশোধন করা যায়) প্রয়োগ করে এবং জলবায়ু পরিবর্তন, জাতীয় উন্নয়নের প্রয়োজনীয়তা এবং পাকিস্তানের বাধার কারণ দেখিয়ে চুক্তি পর্যালোচনার অনুরোধ করে। পাকিস্তান পর্যালোচনার প্রস্তাব নাকচ করে দেয়।

    ভারতের সাম্প্রতিক ঘোষণায় ১৯৬০ সালের পর এই প্রথম চুক্তির বাইরে চলে যাওয়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে। তবে এটি একটি দর কষাকষির কৌশল নাকি স্থায়ী বিচ্ছেদ, তা এখনও দেখার বাকি।

    উল্লেখ্য, সিন্ধু এবং এর উপনদীগুলো হাজার হাজার বছর ধরে একটি সভ্যতাকে টিকিয়ে রেখেছে। সময়ের পরিক্রমায় এখন দুটি আধুনিক পারমাণবিক শক্তিধর দেশের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত এর গতিপথ। এখন দেখার বিষয়, পানিপ্রবাহের পাশাপাশি পাক-ভারত দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক কতটা পরিবর্তিত হয়।;

  • কাতারের প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশকে পূর্ণ সমর্থন এবং দেশ পুনর্গঠন ও উন্নয়নে সর্বাত্মক সহায়তা দানের আশ্বাস

    কাতারের প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশকে পূর্ণ সমর্থন এবং দেশ পুনর্গঠন ও উন্নয়নে সর্বাত্মক সহায়তা দানের আশ্বাস

    নিউজ ডেস্ক:  কাতারের প্রধানমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আব্দুল রহমান বিন জসিম আল থানির সঙ্গে বৈঠক করেছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। চারদিনের কাতার সফরের শেষদিনে আজ বৃহস্পতিবার (২৪ এপ্রিল) দোহায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়।

    সাক্ষাৎকালে কাতারের প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টার নেতৃত্বের প্রতি পূর্ণ সমর্থন ব্যক্ত করেন এবং দেশের পুনর্গঠন ও উন্নয়নে সর্বাত্মক সহায়তা প্রদানের আশ্বাস দেন। পাশাপাশি বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছে দিতে তার এক কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেয়ার ঘোষণা দেন।

    অন্যদিকে, প্রধান উপদেষ্টা দেশের প্রায় ১৮ কোটি জনসংখ্যা, বিশেষ করে যুবসমাজের স্বপ্ন পূরণের লক্ষ্যে ‘নতুন বাংলাদেশ’ গড়ার জন্য কূটনৈতিক, আর্থিক ও বিনিয়োগ সহায়তা চান।

    কাতারের প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশে দশ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা শরণার্থীকে আশ্রয়ের ভূমিকার জন্য প্রশংসা করেন এবং সংকট সমাধানে আন্তর্জাতিক সহায়তা জোরদারের আহ্বান জানান। তিনি রোহিঙ্গা শরণার্থীদের প্রতি কাতারের অব্যাহত সমর্থন এবং টেকসই সমাধানের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন।

    এ সময় দুই নেতা ফিলিস্তিনের গাজার পরিস্থিতি নিয়েও আলোচনা করেন। তখন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন, জ্বালানি উপদেষ্টা ফওজুল কবীর খান, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমান, এসডিজি বিষয়ক সমন্বয়কারী লামিয়া মোরশেদ উপস্থিত ছিলেন।;

  • শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে কুয়েটের ৩৭ শিক্ষার্থীর সাময়িক বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার

    শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে কুয়েটের ৩৭ শিক্ষার্থীর সাময়িক বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার

    নিউজ ডেস্ক:   শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) ৩৭ শিক্ষার্থীর সাময়িক বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করা হয়েছে। একইসঙ্গে খুলে দেয়া হচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাতটি আবাসিক হল।

    বুধবার (২৩ এপ্রিল) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়টি ১০২তম জরুরি সিন্ডিকেট সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

    এছাড়াও সিন্ডিকেট সভায় আগামী ৪ মে থেকে শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করার পূর্বের সিদ্ধান্ত বহাল রাখা হয়েছে। এর আগে বেলা সাড়ে ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনে উপাচার্য অধ্যাপক র্ড. মোহাম্মদ মাছুদের সভাপতিত্বে জরুরি সিন্ডিকেট সভায় বসে কর্তৃপক্ষ।

    এদিকে বুধবার সকাল ১০টার দিকে ক্যাম্পাসে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনায় বসেন শিক্ষা উপদেষ্টা সি. আর. আবরার। তবে উপাচার্যের পদত্যাগ বা অপসারণ না করা পর্যন্ত নিজেদের অবস্থানে অনড় থাকার কথা জানান শিক্ষার্থীরা।

    পরে শিক্ষা উপদেষ্টা জানান, এ বিষয়ে ইউজিসি তিন সদস্যের একটি কমিটি করেছে। সেই কমিটি যে সুপারিশ করবে, আইনের মধ্যে থেকে সেই আলোকে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তাই সেই সময়টুকু পর্যন্ত ধৈর্য ধরে অনশন কর্মসূচি প্রত্যাহারের আহ্বান জানানো হয় আন্দোলনরতদের। তবে শিক্ষা উপদেষ্টা চলে যাওয়ার পর ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ করেন শিক্ষার্থীরা।

    অন্যদিকে দুপুরে ক্যাম্পাসে সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষকরা জানান, ১৮ ফেব্রুয়ারির সংঘর্ষের ঘটনায় প্রকৃত দোষীদের শাস্তি নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত ক্লাসে ফিরবেন না তারা। দোষীদের শাস্তির বিষয়ে শিক্ষার্থীদের দাবির সঙ্গে একমত সব শিক্ষক। এ বিষয়ে শিক্ষার্থীদের একাধিকবার বোঝানো হলেও আন্দোলন থেকে সরে আসেনি তারা। এটিকে পরিকল্পিত বলে মনে করেন শিক্ষকরা। একইসাথে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, উপাচার্যের পদত্যাগের দাবি প্রত্যাখ্যান করেছেন শিক্ষকরা। তারা মনে করেন, এই দাবি শিক্ষকদের অপমানের শামিল।

    প্রসঙ্গত, গত ১৮ ফেব্রুয়ারি কুয়েট শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বহিরাগতদের সংঘর্ষ হয়। এরপর আন্দোলনের মুখে শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করা হয়। পরে সংঘর্ষের ঘটনায় ৩৭ শিক্ষার্থীকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করা হয়। শিক্ষা কার্যক্রম শুরু, সংঘর্ষের ঘটনায় প্রকৃত দোষীদের শাস্তিসহ বিভিন্ন দাবিতে আন্দোলনে নামেন শিক্ষার্থীরা। পরে যা রূপ নেয় উপাচার্য অপসারণের এক দফা দাবিতে। আগামী ৪ মে থেকে কুয়েটের শিক্ষা কার্যক্রম শুরুর কথা রয়েছে।;