Blog

  • সাভার-আশুলিয়ায় মাদক ও চাঁদাবাজ দমনে জনগণের সহায়তা চাইলেন এমপি ডা. সালাউদ্দিন বাবু

    সাভার-আশুলিয়ায় মাদক ও চাঁদাবাজ দমনে জনগণের সহায়তা চাইলেন এমপি ডা. সালাউদ্দিন বাবু

    আলমাস হোসাইন | ঢাকা প্রতিনিধি
    ঢাকার সাভার ও আশুলিয়াকে মাদক ও চাঁদাবাজমুক্ত করতে জনসম্পৃক্ত উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন স্থানীয় সংসদ সদস্য ডা. দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিন বাবু। অপরাধ দমনে সরাসরি জনগণের সহযোগিতা কামনা করে তিনি এলাকার মাদক কারবারি ও চাঁদাবাজদের বিষয়ে তথ্য প্রদানের আহ্বান জানিয়েছেন। একই সঙ্গে তথ্যদাতার পরিচয় সম্পূর্ণ গোপন রাখার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।
    শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ আহ্বান জানান। পোস্টে সংসদ সদস্য উল্লেখ করেন, মাদক ব্যবসায়ী ও চাঁদাবাজদের নাম, ঠিকানা এবং মোবাইল নম্বর সংগ্রহ করে তার ব্যক্তিগত হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে (০১৭২২২২২২০৮) পাঠানোর জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে। তিনি স্পষ্টভাবে জানান, তথ্য প্রদানকারীর পরিচয় সর্বোচ্চ গোপনীয়তার সঙ্গে সংরক্ষণ করা হবে।
    এছাড়া কেউ সরাসরি কথা বলে তথ্য জানাতে চাইলে শুক্রবার দিবাগত রাত ১২টা থেকে রাত ২টার মধ্যে উল্লিখিত নম্বরে যোগাযোগ করার সুযোগ থাকবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
    সাভার ও আশুলিয়া দেশের অন্যতম বৃহৎ শিল্পাঞ্চল হওয়ায় এখানে দীর্ঘদিন ধরে মাদক কারবার ও চাঁদাবাজির অভিযোগ বিদ্যমান। শিল্পাঞ্চলকে ঘিরে গড়ে ওঠা অপরাধচক্র স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের জন্য উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। অনেক ক্ষেত্রেই ভুক্তভোগীরা ভয়ের কারণে মুখ খুলতে সাহস পান না।
    এ প্রেক্ষাপটে সংসদ সদস্যের সরাসরি ও প্রযুক্তিনির্ভর এই উদ্যোগকে সময়োপযোগী পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন স্থানীয়রা। তথ্যদাতার পরিচয় গোপন রাখার নিশ্চয়তা দেওয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে আস্থা তৈরি হবে এবং অপরাধ দমনে কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সচেতন মহল।
    অপরাধমুক্ত, নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ সাভার-আশুলিয়া গড়ে তুলতে জনপ্রতিনিধির এই উদ্যোগ কতটা কার্যকর হয়, এখন সেটিই দেখার বিষয়।

  • এয়ারপোর্ট রোডে হচ্ছে চট্টগ্রামের প্রথম সাইকেল ট্র্যাক : মেয়র শাহাদাত হোসেন

    এয়ারপোর্ট রোডে হচ্ছে চট্টগ্রামের প্রথম সাইকেল ট্র্যাক : মেয়র শাহাদাত হোসেন

     

    মোঃ সোহেল

    চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র শাহাদাত হোসেন বলেছেন, পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত ও বিমানবন্দর সংলগ্ন সড়কের পাশে চট্টগ্রামের প্রথম সাইকেল ট্র্যাক নির্মাণ করা হচ্ছে। নগরবাসী ও পর্যটকদের জন্য নিরাপদ, পরিবেশবান্ধব ও আধুনিক যোগাযোগব্যবস্থা নিশ্চিত করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। রাস্তার মাঝখানে কার্বস্টোন দিয়ে মিড আইলেন্ড, রাস্তার দুইপাশে চলাচলের জন্য দৃষ্টিনন্দন ফুটপাত এবং রাস্তার একপাশে ল্যান্ড স্কেপিং ওয়াক ওয়ে সহ সাইকেল ট্র্যাক নির্মাণ করা হচ্ছে।

    তিনি বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারী) বিকেলে বিমানবন্দর এলাকায় চলমান সড়ক নির্মাণ কার্যক্রম পরিদর্শনকালে এসব কথা বলেন।

    তিনি বলেন, চট্টগ্রামকে বাণিজ্যিক রাজধানী হিসেবে গড়ে তোলার যে পরিকল্পনা বিএনপি সরকারের রয়েছে, তা বাস্তবায়িত হলে এই নগরীতে ব্যাপক শিল্পায়ন ঘটবে। দেশি বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য উন্নত অবকাঠামো এবং আন্তর্জাতিক মানের যোগাযোগব্যবস্থা নিশ্চিত করা হবে। সেই লক্ষ্যেই বিমানবন্দর ও পতেঙ্গা সৈকত এলাকাকে আধুনিকায়নের আওতায় আনা হয়েছে।

    মেয়র আরও বলেন, বিমানবন্দর এলাকা একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশদ্বার। প্রতিদিন অসংখ্য দেশি বিদেশি যাত্রী এই পথ ব্যবহার করেন। তাই এই এলাকায় নান্দনিক, সুপরিকল্পিত ও টেকসই অবকাঠামো গড়ে তোলা সময়ের দাবি। সাইকেল ট্র্যাক নির্মাণের মাধ্যমে একদিকে যেমন পরিবেশবান্ধব যাতায়াত উৎসাহিত হবে, অন্যদিকে পর্যটন খাতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হবে।

    তিনি জানান, পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত বর্তমানে চট্টগ্রামের অন্যতম জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্র। সেখানে প্রতিদিন হাজারো দর্শনার্থী ভিড় করেন। সৈকত ও বিমানবন্দর সড়ককে সংযুক্ত করে একটি নিরাপদ সাইকেল লেন নির্মিত হলে পর্যটকরা স্বাচ্ছন্দ্যে সমুদ্রতীর ঘুরে দেখতে পারবেন। এতে যানজট কমবে, দূষণ হ্রাস পাবে এবং স্বাস্থ্যসচেতন জীবনযাপনে নাগরিকরা উৎসাহিত হবেন।

    মেয়র শাহাদাত বলেন, উন্নত বিশ্বের বিভিন্ন নগরে সাইকেল লেন নগর পরিকল্পনার গুরুত্বপূর্ণ অংশ। চট্টগ্রামেও ধাপে ধাপে আধুনিক নগর ব্যবস্থাপনা চালু করা হবে। এই প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে টেকসই নগর উন্নয়নের একটি নতুন অধ্যায় সূচিত হবে।

    তিনি সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী ও কর্মকর্তাদের কাজের গুণগত মান বজায় রেখে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রকল্প শেষ করার নির্দেশ দেন। পাশাপাশি সড়ক নির্মাণকাজে জনভোগান্তি কমাতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের কথাও উল্লেখ করেন।

  • বিক্রিত জমি পুনর্দখলের অভিযোগ: আশুলিয়ায় বাড়িতে হামলা, থানায় লিখিত অভিযোগ

    বিক্রিত জমি পুনর্দখলের অভিযোগ: আশুলিয়ায় বাড়িতে হামলা, থানায় লিখিত অভিযোগ

    সাভার (ঢাকা) প্রতিনিধি:
    ঢাকার আশুলিয়ায় বিক্রি করা জমি দুই বছর পর পুনরায় দখলের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে বিক্রেতাদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ভাড়াটিয়াদের দেশীয় অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে মারধর এবং বাড়ি থেকে বের করে দেওয়ার হুমকি দেওয়ার অভিযোগও পাওয়া গেছে। ভুক্তভোগী বাড়ির মালিক বিষয়টি উল্লেখ করে আশুলিয়া থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
    মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে আশুলিয়া থানায় অভিযোগটি দায়ের করেন ভুক্তভোগী মো. আনোয়ার হোসেন (৫৮)। এর আগে সোমবার দিবাগত রাত আনুমানিক ১টা এবং মঙ্গলবার সকাল ১১টার দিকে আশুলিয়ার দক্ষিণ ভাদাইল এলাকায় ইসরাফিল মাদ্রাসা সংলগ্ন স্থানে এ ঘটনা ঘটে বলে জানা গেছে।
    অভিযুক্ত হিসেবে দক্ষিণ ভাদাইল এলাকার আবুল খায়ের (৬০) ও ইদ্রিস আলী (৫০)-এর নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
    অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, প্রায় দুই বছর আগে অভিযুক্তদের কাছ থেকে ৭ শতাংশ জমি ক্রয় করেন আনোয়ার হোসেন। পরবর্তীতে সেখানে বাড়ি নির্মাণ করে তিনি নিজে বসবাসের পাশাপাশি কয়েকটি ইউনিট ভাড়া দিয়ে আসছিলেন। তবে গত দুই মাস ধরে অভিযুক্তরা জমিটি পুনরায় নিজেদের দখলে নেওয়ার চেষ্টা শুরু করেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
    ঘটনার বিবরণে বলা হয়, সোমবার গভীর রাতে আনোয়ার হোসেন বাড়িতে অনুপস্থিত থাকার সুযোগে অভিযুক্তরা ৭–৮ জন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকে সঙ্গে নিয়ে দেশীয় অস্ত্রসহ বাড়িতে প্রবেশ করে। এ সময় তারা ভাড়াটিয়াদের ভয়ভীতি প্রদর্শন করে, জোরপূর্বক ভাড়া আদায়ের চেষ্টা চালায় এবং বাসা ছেড়ে দেওয়ার হুমকি দেয়। পরদিন মঙ্গলবার সকালেও তারা পুনরায় দলবল নিয়ে এসে বাড়ির বাসিন্দাদের দ্রুত স্থান ত্যাগের নির্দেশ দেয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
    ভুক্তভোগী আনোয়ার হোসেন বলেন, আমি বৈধভাবে জমি ক্রয় করে বাড়ি নির্মাণ করেছি। এখন তারা প্রভাব খাটিয়ে জমিটি দখল করতে চাচ্ছে। বিষয়টি আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা করলে আমাকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। বর্তমানে আমি ও আমার পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।
    এ বিষয়ে আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রুবেল হাওলাদার বলেন, জমি সংক্রান্ত একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগের বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
    এ ঘটনায় এলাকায় উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা দ্রুত প্রশাসনিক হস্তক্ষেপের মাধ্যমে পরিস্থিতি শান্তিপূর্ণভাবে সমাধানের দাবি জানিয়েছেন।

  • চাঁদা দাবিকে কেন্দ্র করে আশুলিয়ায় ব্যবসায়ীর ওপর হামলা, গুরুতর আহত

    চাঁদা দাবিকে কেন্দ্র করে আশুলিয়ায় ব্যবসায়ীর ওপর হামলা, গুরুতর আহত

    আশুলিয়া প্রতিনিধি :

    ঢাকার আশুলিয়ায় চাঁদা দাবিকে কেন্দ্র করে এক ব্যবসায়ীর ওপর সন্ত্রাসী হামলার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় জাকির হোসেন (৩৯) নামে এক ব্যবসায়ী গুরুতর আহত হয়েছেন। শুক্রবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) রাত আনুমানিক ১০টার দিকে আশুলিয়ার পাবনাটেক এলাকায় এ ঘটনা ঘটে বলে জানা গেছে।
    অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি চাঁদা দাবি করলে ভুক্তভোগী তা দিতে অস্বীকৃতি জানান। এর জেরে হামলাকারীরা তার ওপর চড়াও হয়ে কিল-ঘুষি ও লাঠি দিয়ে মারধর করে। একপর্যায়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে তাকে গুরুতর জখম করা হয়। হামলার পর আশপাশের লোকজন দ্রুত তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করেন।
    ভুক্তভোগীর অভিযোগ, দেলোয়ার ফরাজীর নেতৃত্বে এ হামলার ঘটনা ঘটেছে। অভিযুক্ত দেলোয়ার ফরাজী (পিতা: সিরাজ ফরাজী) পাবনাটেক এলাকায় নিজেকে একটি রাজনৈতিক দলের নেতা হিসেবে পরিচয় দিয়ে আসছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
    এ ঘটনায় আহত ব্যবসায়ী আশুলিয়া থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
    আশুলিয়া থানা পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগটি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করা হচ্ছে এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
    এ ঘটনায় এলাকায় উদ্বেগ ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।

  • চট্টগ্রাম ওয়াসা কার্যালয়ে সাংবাদিক লাঞ্ছনার অভিযোগ মানববন্ধনে দোষীদের শাস্তি ও নিরাপদ কর্মপরিবেশের দাবি

    চট্টগ্রাম ওয়াসা কার্যালয়ে সাংবাদিক লাঞ্ছনার অভিযোগ মানববন্ধনে দোষীদের শাস্তি ও নিরাপদ কর্মপরিবেশের দাবি

    মোঃ সোহেল

    চট্টগ্রাম ওয়াসার নতুন ভবন কার্যালয়ে সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে সাংবাদিকদের লাঞ্ছিত ও পেশাগত দায়িত্ব পালনে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনার প্রতিবাদে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন সাংবাদিকরা। অভিযুক্ত হিসেবে ওয়াসা শ্রমিক দলের মানিকসহ কয়েকজনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।

    মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকাল সাড়ে তিনটায় চট্টগ্রাম ওয়াসা কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, গত সোমবার দুপুরে চট্টগ্রাম ওয়াসা জাতীয়তাবাদী শ্রমিক কর্মচারী দলের নাম ভাঙিয়ে মহিউদ্দিন মানিক, মোঃ মিয়া ও বোরহান উদ্দিন সাংবাদিকদের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ আচরণ করেন। এ সময় সংবাদ সংগ্রহে বাধা দেওয়া হয় এবং কয়েকজন সাংবাদিকের গায়ে হাত তোলার চেষ্টা করা হয় বলেও দাবি করা হয়। ঘটনায় সাংবাদিক আব্দুল আওয়াল মুন্না, ইব্রাহিমসহ একাধিক গণমাধ্যমকর্মী ভুক্তভোগী হন বলে জানানো হয়।
    বক্তারা বলেন, পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় এ ধরনের আচরণ শুধু ব্যক্তি সাংবাদিকের প্রতি অবমাননা নয়, বরং গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও বাকস্বাধীনতার জন্যও হুমকি। তারা ঘটনাটিকে সাংবাদিক সমাজের কণ্ঠরোধের অপচেষ্টা হিসেবে উল্লেখ করেন।
    মানববন্ধন থেকে অবিলম্বে দোষীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানানো হয়। পাশাপাশি ভবিষ্যতে সাংবাদিকদের নিরাপদ ও নির্বিঘ্নে কাজের পরিবেশ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানানো হয়। অন্যথায় আরও কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারিও দেন বক্তারা।

    মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, সিএইচডিনিউজ২৪-এর নির্বাহী সম্পাদক মাসুদ রানা, চট্টগ্রাম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সোহাগ আরেফিন, সাংবাদিক জিয়াউল হক ইমন, রানা সাত্তার, ইফতেখার নুর তিশন, হুমায়ূন কবির হিরু, নিজাম উদ্দিন খান, আরিয়ান লেলিন, রিয়াজ উদ্দিন, আনোয়ার হোসেনসহ অন্যান্যরা। ভুক্তভোগী সাংবাদিক আব্দুল আওয়াল মুন্না ও ইব্রাহিমও এ সময় বক্তব্য রাখেন।

    গণমাধ্যমকর্মীদের ওপর হামলা ও হয়রানি বন্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়ে বক্তারা বলেন, দায়ীদের বিরুদ্ধে দৃশ্যমান ব্যবস্থা না নিলে এমন ঘটনা পুনরাবৃত্তির ঝুঁকি থেকেই যাবে।

  • গৌরীপুরে এস আই সিদ্দিককে ম্যানেজ করে ভূমি দখল করছেন একরাম ও রমজান বাহিনী

    গৌরীপুরে এস আই সিদ্দিককে ম্যানেজ করে ভূমি দখল করছেন একরাম ও রমজান বাহিনী

    রিয়াদুল ইসলাম আফজাল:

    কুমিল্লা জেলার দাউদকান্দি উপজেলার গৌরীপুর এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে একটি প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে ভূমি দখল ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, একরাম ও রমজান নেতৃত্বাধীন একটি বাহিনী গত প্রায় ১৭ বছর ধরে এলাকায় প্রভাব বিস্তার করে আসছে এবং বিভিন্ন কৌশলে জমি দখল করছে।

    অভিযোগ রয়েছে, একরাম বাহিনীর সদস্যরা দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধকে পুঁজি করে প্রকৃত মালিকদের ভয়ভীতি দেখিয়ে জমি দখলে নিচ্ছে। স্থানীয় সূত্র জানায়, গৌরীপুর এলাকায় প্রতি শতাংশ জমির মূল্য বর্তমানে প্রায় পাঁচ থেকে ছয় কোটি টাকা পর্যন্ত উঠেছে। ফলে এই এলাকার জমির চাহিদা অত্যন্ত বেশি। এই উচ্চমূল্যের সুযোগ নিয়েই চক্রটি সক্রিয় হয়েছে বলে অভিযোগ ভুক্তভোগীদের।

    একাধিক সূত্রের দাবি, একরাম এর দশ ভাইয়ের মধ্যে কয়েকজন ইতোমধ্যে এলাকা ছেড়ে পালিয়ে গেছে অথবা আত্মগোপনে রয়েছে। তবে একরাম ও রমজান এখনো এলাকায় অবস্থান করছেন এবং তাদের প্রভাব অটুট রয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয়দের ভাষ্য, জমি সংক্রান্ত যেকোনো বিরোধে তারা প্রভাব খাটিয়ে নিজেদের পক্ষে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়।

    এ ঘটনায় গৌরীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপ-পরিদর্শক (এসআই) সিদ্দিকের ভূমিকাও প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর একটি অংশের দাবি, দীর্ঘদিন একই এলাকায় দায়িত্ব পালনের কারণে তিনি স্থানীয় অপরাধ জগতের নানা তথ্য সম্পর্কে অবগত এবং প্রভাবশালীদের সঙ্গে তার সখ্যতা রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, একরাম-রমজান বাহিনীকে ‘ম্যানেজ’ করেই জমি দখলের কাজ সহজ করা হচ্ছে।

    তবে এ বিষয়ে অভিযুক্ত এসআই সিদ্দিকের বক্তব্য ভিন্ন। তিনি জানান, সংশ্লিষ্ট জমি নিয়ে উভয় পক্ষ আদালতে মামলা করেছেন এবং বিষয়টি বিচারাধীন। তার দাবি, পুলিশ আইনি প্রক্রিয়া অনুযায়ী কাজ করছে।

    অন্যদিকে, নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ভুক্তভোগী অভিযোগ করেন, তুচ্ছ বিষয় বা মাদক সংক্রান্ত অভিযোগের অজুহাতে অনেককে আটক করে পরে অর্থের বিনিময়ে ছেড়ে দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। তাদের ভাষ্য, “টাকা দিলে সব ঠিক হয়ে যায়”—এমন ধারণা এলাকায় ছড়িয়ে পড়েছে। যদিও এসব অভিযোগের সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

    গৌরীপুর পুলিশ ফাঁড়ির সামনেই একটি জমি নিয়ে চলমান বিরোধের কথাও জানিয়েছেন স্থানীয়রা। সংশ্লিষ্ট জমির মালিক নিরাপত্তার কারণে নাম প্রকাশ করতে রাজি হননি। তিনি দাবি করেন, প্রভাবশালীদের ভয়ে তিনি প্রকাশ্যে কথা বলতে পারছেন না।

    এলাকাবাসীর দাবি, ভূমি দখল, ভয়ভীতি ও পুলিশের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ—সবকিছু মিলিয়ে গৌরীপুরে এক ধরনের আতঙ্কজনক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। তারা বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

    গৌরীপুরবাসীর প্রত্যাশা, ভূমিদস্যুদের প্রভাব ও হয়রানি থেকে মুক্তি মিলবে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করবে।

  • চুয়াডাঙ্গা-২ আসনে দাড়িপাল্লার বিপুল জয়: রুহুল আমিন এগিয়ে ছেচল্লিশ হাজারের বেশি ভোটে

    চুয়াডাঙ্গা-২ আসনে দাড়িপাল্লার বিপুল জয়: রুহুল আমিন এগিয়ে ছেচল্লিশ হাজারের বেশি ভোটে

    এইচ এম হাকিম:

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চুয়াডাঙ্গা-২ আসনে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন জামায়াতে ইসলামী–সমর্থিত দাড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী রুহুল আমিন। বিজিএম‌ই এর সভাপতি বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী মাহমুদ হাসান খান বাবুকে ব্যাপক ব্যবধানে পরাজিত করে তিনি বিজয়ী হন।

    স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এ আসনের মোট ভোটকেন্দ্র ছিল ১৭৪টি। এর মধ্যে গণনা হওয়া কেন্দ্রের হিসাব অনুযায়ী ইসি ও মাঠ–পর্যায়ের তথ্য নিম্নরূপ—
    প্রাপ্ত ভোট
    ধানের শীষ: ১,৬৩,২৯৯
    দাড়িপাল্লা: ২,১০,১১১
    ফলে দাড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী রুহুল আমিন ৪৬,৮১২ ভোট বেশি পেয়ে এগিয়ে রয়েছেন এবং বেসরকারিভাবে বিজয়ী হিসেবে ঘোষিত হয়েছেন।

    এ আসনের দামুড়হুদা, জীবননগর এবং সদর উপজেলার কয়েকটি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত চুয়াডাঙ্গা-২ দীর্ঘদিন ধরেই প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ এলাকা হিসেবে পরিচিত।
    এবারও উত্তেজনা ছিল তুঙ্গে। তবে শেষ পর্যন্ত দাড়িপাল্লা প্রতীকই ব্যাপক ভোটে এগিয়ে বিজয়ের মুকুট অর্জন করে।

    নির্বাচন-পরবর্তী আনুষ্ঠানিক ফলাফল ঘোষণা সাপেক্ষে চূড়ান্ত তথ্য জানাবে নির্বাচন কমিশন।

  • ঢাকা-১৯ এ শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণ শেষে নজর এখন ফলাফলে

    ঢাকা-১৯ এ শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণ শেষে নজর এখন ফলাফলে

    আলমাস হোসাইন | ঢাকা প্রতিনিধি
    ঢাকা-১৯ (সাভার-আশুলিয়া) আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে। সকাল সাড়ে সাতটা থেকে শুরু হওয়া ভোটগ্রহণ দিনভর চলে নির্ধারিত সময় পর্যন্ত। বিভিন্ন কেন্দ্রে ছিল চোখে পড়ার মতো ভোটার উপস্থিতি। কোথাও দীর্ঘ লাইন, কোথাও মাঝারি ভিড়—সব মিলিয়ে ভোটারদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে সরগরম ছিল পুরো এলাকা।
    সাভার পৌরসভা, আশুলিয়া, বিরুলিয়া ও শিমুলিয়ার বিভিন্ন কেন্দ্রে নারী ভোটারদের উপস্থিতি ছিল উল্লেখযোগ্য। তরুণ ও নতুন ভোটারদের অংশগ্রহণও ছিল লক্ষণীয়। আশুলিয়ার জামগড়া এলাকার ভোটার রোকেয়া বেগম বলেন, আমরা উন্নয়ন ও নিরাপত্তা চাই। যে এগুলো নিশ্চিত করবে, তাকেই ভোট দিয়েছি। এমন প্রত্যাশাই যেন প্রতিফলিত হয়েছে দিনভর ভোটকেন্দ্রগুলোতে।
    ভোটের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত মাঠে সক্রিয় ছিলেন দুই প্রধান প্রার্থী। ধানের শীষের প্রার্থী ডা. দেওয়ান মো. সালাউদ্দিন উন্নয়ন, আইনশৃঙ্খলা ও কর্মসংস্থানের বিষয়গুলোকে অগ্রাধিকার দিয়ে প্রচার চালান। ভোট শেষে তিনি বলেন, ভোটারদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি পরিবর্তনের ইঙ্গিত বহন করছে। অন্যদিকে ১১ দলীয় জোটসমর্থিত প্রার্থী দিলসানা পারুল দাবি করেন, মানুষ উন্নয়নের ধারাবাহিকতার পক্ষেই রায় দিয়েছে বলে তিনি আশাবাদী।
    ভোটের দিন বড় ধরনের কোনো সহিংসতার খবর পাওয়া যায়নি। কয়েকটি কেন্দ্রে ধীরগতির ভোটগ্রহণ নিয়ে সাময়িক অসন্তোষ দেখা দিলেও প্রশাসনের হস্তক্ষেপে দ্রুত পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। পুরো এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর টহল ও নজরদারি ছিল জোরদার।
    বিশ্লেষকদের মতে, শিল্পাঞ্চলভিত্তিক এই আসনে শ্রমজীবী ভোটার ও নতুন ভোটারদের অংশগ্রহণ ফল নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। উভয় শিবিরই জয়ের ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী অবস্থান নিয়েছে।
    এখন শুরু হয়েছে ভোট গণনার কার্যক্রম। নির্বাচন কমিশন সূত্র জানিয়েছে, গণনা শেষে দ্রুত ফলাফল ঘোষণা করা হবে। রাত যত গভীর হবে, ততই স্পষ্ট হবে—সাভার-আশুলিয়ার এই গুরুত্বপূর্ণ আসনের বিজয়ের মুকুট উঠছে কার হাতে।

  • ভোটকেন্দ্র পরিদর্শনে ডা. দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দীন বাবু

    ভোটকেন্দ্র পরিদর্শনে ডা. দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দীন বাবু

    সুষ্ঠু পরিবেশে ভোটগ্রহণ, বিজয় নিয়ে আশাবাদী বিএনপি প্রার্থী

    আলমাস হোসাইন | ঢাকা প্রতিনিধি
    ঢাকা-১৯ (সাভার-আশুলিয়া) আসনের বাংলাদেশ জাতীয়বাদী দল বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের মনোনীত প্রার্থী ডা. দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দীন বাবু নির্বাচনী এলাকার বিভিন্ন ভোটকেন্দ্র পরিদর্শন করেছেন।

    ভোটগ্রহণ শুরুর পর তিনি সাভারের জিরাবো দেওয়ান ইদ্রিস কলেজ কেন্দ্রসহ একাধিক কেন্দ্র ঘুরে দেখেন। এসময় তিনি গাজীর চট, আড়পাড়া মন্ডল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং সড়কের অপর পাশে অবস্থিত নারী ভোটারদের জন্য নির্ধারিত কয়েকটি কেন্দ্র পরিদর্শন করেন।

    ডেন্ডাবর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে ডা. সালাউদ্দীন বাবু বলেন,আজ সকালে আমি নিজে জিরাবো দেওয়ান ইদ্রিস কলেজ কেন্দ্রে ভোট দিয়েছি। এটি আমার নিজ গ্রাম এবং এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটি আমি নিজেই প্রতিষ্ঠা করেছি। বিভিন্ন কেন্দ্র ঘুরে যে চিত্র দেখেছি, তাতে ভোটের পরিবেশ সন্তোষজনক। ভোটাররা উৎসবমুখর পরিবেশে স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোট দিচ্ছেন।

    তিনি আরও বলেন, আমার কাছে মনে হচ্ছে এই সুষ্ঠু পরিবেশ বিকাল পর্যন্ত বজায় থাকবে। এর অন্যতম কারণ হলো আমরা সবাই আচারবিধি মেনে, সহিষ্ণুতা ও স্বচ্ছতার সঙ্গে নির্বাচন পরিচালনার চেষ্টা করেছি। তার ইতিবাচক প্রতিফলন আজ ভোটকেন্দ্রগুলোতে দেখা যাচ্ছে। আমি বিশ্বাস করি, নির্বাচন সুষ্ঠুভাবেই সম্পন্ন হবে।

    নিজের প্রার্থীতা ও নির্বাচনী প্রচারণা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমি এই এলাকার পরিচিত মুখ। আগেও সংসদ সদস্য ছিলাম। একটি রাজনৈতিক পরিবারের সন্তান হিসেবে দীর্ঘদিন মানুষের পাশে থেকেছি। গত ১৭ মাস ধরে নিয়মিত গণসংযোগ করেছি। বিশেষ করে শেষ দুই মাসে আমি অন্য যেকোনো প্রার্থীর চেয়ে বেশি মানুষের কাছে গেছি এবং ভোটারদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলেছি।

    ডা. সালাউদ্দীন বাবু আরও বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছর আমরা নানা ভাবে বঞ্চিত ও লাঞ্ছিত হয়েছি। আজ ভোটারদের যে আগ্রহ ও অংশগ্রহণ দেখছি, তাতে মনে হচ্ছে তারা যোগ্যতা, পরিশ্রম ও বাস্তবতা বিবেচনা করেই সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন।

    সবশেষে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, আমি বিশ্বাস করি, আজ রাতে ফলাফলে দেখা যাবে ভোটাররা আমাকে তাদের জনপ্রতিনিধি হিসেবে বেছে নিয়েছেন। ইনশাআল্লাহ, আমি বিজয়ী হবো। এটাই আমার আশা ও বিশ্বাস।

  • আশুলিয়ায় এক হাজার ৪০ পিস ইয়াবাসহ আটক ১

    আশুলিয়ায় এক হাজার ৪০ পিস ইয়াবাসহ আটক ১

    আলমাস হোসাইন | ঢাকা প্রতিনিধি:
    আশুলিয়ায় সামরিক বাহিনীর ট্রাকশুট পরিধান করে মাদক পাচারের সময় এক হাজার ৪০ পিস ইয়াবা বড়িসহ এক মাদক কারবারিকে আটক করেছে সেনাবাহিনীর গোয়েন্দা সংস্থা।

    মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) দুপুর দেড়টার দিকে সাভার ক্যান্টনমেন্ট এলাকার নবীনগর উত্তরবঙ্গ পরিবহন কাউন্টারের সামনে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়।

    আটক ব্যক্তির নাম সাদ্দাম হোসেন (৩৫)। তিনি কক্সবাজার জেলার দক্ষিণ কলাতলী বালুতলী এলাকার মোজাম্মেল হকের ছেলে।

    সেনা গোয়েন্দা সূত্রে জানা যায়, সাদ্দাম হোসেন সামরিক বাহিনীর ট্রাকশুট পরে নিজেকে সেনা সদস্য হিসেবে পরিচয় দেওয়ার চেষ্টা করেন। এতে সাধারণ মানুষের সন্দেহ এড়ানোর পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজর ফাঁকি দিয়ে মাদক পাচারের পরিকল্পনা ছিল তার।

    সূত্র জানায়, সাদ্দাম হোসেন তার সহযোগী বালুতলী রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বাসিন্দা ইয়ার মোহাম্মদ (৩০) কে সঙ্গে নিয়ে আনুমানিক এক হাজার ৪০ পিস ইয়াবা গাজীপুরের কোনাবাড়ী এলাকায় এক ব্যক্তির কাছে হস্তান্তরের উদ্দেশ্যে সাভার থেকে নবীনগরের দিকে রওনা হন। তারা উত্তরবঙ্গ পরিবহন কাউন্টারে এসে গাজীপুরগামী একটি গাড়িতে ওঠার চেষ্টা করছিল।

    এ সময় সেখানে দায়িত্বরত সেনা গোয়েন্দা মাঠকর্মীদের সন্দেহ হলে তাদের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করা হয়। পরবর্তীতে তল্লাশি চালিয়ে সাদ্দাম হোসেনের কাছ থেকে এক হাজার ৪০ পিস ইয়াবা বড়ি উদ্ধার করা হয়। অভিযানের মুহূর্তে তার সহযোগী ইয়ার মোহাম্মদ কৌশলে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।

    সেনা গোয়েন্দা সূত্র আরও জানায়, আটক সাদ্দাম হোসেন দীর্ঘদিন ধরে মাদক পাচারের সঙ্গে জড়িত ছিল বলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তথ্য পাওয়া গেছে। উদ্ধারকৃত ইয়াবাগুলো কক্সবাজার থেকে ঢাকাসহ আশপাশের শিল্পাঞ্চলে সরবরাহের পরিকল্পনা ছিল।

    অভিযান শেষে আটক সাদ্দাম হোসেনকে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আশুলিয়া থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। পলাতক ইয়ার মোহাম্মদকে আটক করতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র। এটাকে শিরোনাম চেঞ্জ করে মার্জিত ভাষায় একটি নিউজ সাজিয়ে দেন