মনুমুখ ইউনিয়নের সাধু হাটি গ্রামে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে পিটিয়ে আহত ৫


মৌলভীবাজার প্রতিনিধি:
মৌলভীবাজার সদর উপজেলার ২নং মনুমুখ ইউনিয়নের পশ্চিম সাধুহাটি গ্রামে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে বসতবাড়িতে জোরপূর্বক প্রবেশ করে হামলা, মারধর ও ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। এতে একই পরিবারের ষাটোর্ধ্ব এক বৃদ্ধা, তাঁর ছেলে ও পুত্রবধূসহ তিনজন আহত হয়েছেন।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগী বৃদ্ধা মোছা: মালা বেগম (৬০) বাদী হয়ে প্রতিবেশী আনকার মিয়া (৪৫), আনছার মিয়া (৪৮) ও শরীফ মিয়াসহ (২২) তিনজনের নাম উল্লেখ করে মৌলভীবাজার সদর মডেল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

অভিযোগ ও স্থানীয় সূত্রের বরাত দিয়ে জানা যায়, পশ্চিম সাধুহাটি গ্রামের মৃত সাদিক মিয়ার স্ত্রী মালা বেগমের পরিবারের সাথে প্রতিবেশী আনকার মিয়া ও আনছার মিয়াদের জায়গা-জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। উক্ত বিরোধের জের ধরে গত ২৮ জুলাই দুপুর আনুমানিক ২টার দিকে বিবাদীরা দেশীয় অস্ত্র, কাঠের রোল ও লাঠিসোটা নিয়ে মালা বেগমের বসতবাড়িতে ঢুকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ শুরু করে।

এ সময় গালিগালাজের প্রতিবাদ করলে হামলাকারীরা প্রথমে মালা বেগমের পুত্রবধূ হাজেরা বেগমকে (৩০) এলোপাতাড়ি মারধর করে শরীরে লীলাফুলা জখম করে। তাকে বাঁচাতে মালা বেগম ও তাঁর ছেলে আল-আমিন (৪০) এগিয়ে এলে হামলাকারীরা কাঠের বর্গা ও লাঠি দিয়ে তাঁদের ওপরও চড়াও হয় এবং ব্যাপক মারধর করে।

একপর্যায়ে হামলাকারীরা বসতঘরের দরজা-জানালাসহ বিভিন্ন আসবাবপত্র ভাঙচুর করে আনুমানিক ১৫ হাজার টাকার ক্ষতিসাধন করে। তাঁদের চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে হামলাকারীরা ঘটনা নিয়ে মামলা না করার জন্য এবং পরিবারটিকে ভিটেমাটি ছাড়া করার প্রকাশ্যে হুমকি দিয়ে কেটে পড়ে।

পরে স্থানীয়দের সহায়তায় আহতদের উদ্ধার করে মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাজেরা বেগমকে হাসপাতালে ভর্তি করেন এবং মালা বেগম ও আল-আমিনকে প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করেন।

এ বিষয়ে ভুক্তভোগী মালা বেগম জানান, “প্রতিবেশীদের হামলায় আমরা গুরুতর আহত হয়েছে। চিকিৎসার জন্য ব্যস্ত থাকা ও স্থানীয়ভাবে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা চলায় থানায় অভিযোগ দিতে কিছুটা বিলম্ব হয়েছে। আমরা এই হামলার সুষ্ঠু বিচার ও নিরাপত্তা চাই।”

মৌলভীবাজার সদর মডেল থানার নিয়ন্ত্রণাধীন শেরপুর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই মোঃ ওবায়দুল্লাহ বলেন, শুনেছি থানায় অভিযোগ দেওয়া হয়েছে,অভিযোগ এর কপি আমার হাতে এলে ঘটনাটি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

নিউজটি আপনার স্যোসাল নেটওয়ার্কে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Many players prefer ultra casino because of its balance between functionality and simplicity. Avoiding overly complex menus helps users stay focused on games. This is particularly important for mobile casino players using smaller screens.