Author: DBC

  • বিদেশফেরত যুবক সবুজ আজ প্রতিবন্ধী: একটি কৃত্রিম পায়ের অপেক্ষায় নতুন জীবনের স্বপ্ন

    সদরপুর উপজেলা প্রতিনিধি:সদরপুর উপজেলার এক সাধারণ পরিবারের ছেলে সবুজ। পুরো নাম হয়তো অনেকেই জানেন না, কিন্তু এলাকার মানুষ তাকে চিনতেন ‘সবুজ’ নামেই। তার মা জবেদা বেগমকে সবাই ডাকতেন ‘সবুজের মা’ বলে। সেই পরিচয়েই তিনি পরিচিত ছিলেন আমাদের পরিবারেও। ছোটবেলা থেকে সবুজকে দেখেছি। মায়ের সঙ্গে প্রায়ই আমাদের বাড়িতে আসত সে। চঞ্চল, হাসিখুশি আর ভদ্র স্বভাবের একটি ছেলে ছিল সবুজ।

    তাদের পরিবারটি ছিল অভাব-অনটনের সঙ্গে লড়াই করা একটি সাধারণ পরিবার। সংসারে ছিল নানা কষ্ট, নানা সীমাবদ্ধতা। তবুও স্বপ্ন দেখা থেমে থাকেনি। পরিবারের মুখে হাসি ফোটানোর স্বপ্ন নিয়ে বড় হয়েছিল সবুজ। তার একটি বড় বোন ছিল, নাম বেবি। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে বেবি আজ আর পৃথিবীতে নেই। পরিবারের একের পর এক দুঃখ-কষ্টের মাঝেও জীবনযুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছিল সবুজ।

    একসময় সংসারের হাল ধরতে বিদেশেও পাড়ি জমিয়েছিল সে। হাজারো তরুণের মতো সেও স্বপ্ন দেখেছিল নিজের ভাগ্য পরিবর্তনের। বিদেশে কষ্ট করে উপার্জন করে পরিবারকে স্বচ্ছল করার ইচ্ছা ছিল তার। কিন্তু মানুষের জীবনে কখন কোন ঘটনা অপেক্ষা করে থাকে, তা কেউ জানে না।

    সম্প্রতি সদরপুর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত একটি সরকারি অনুষ্ঠানে বহুদিন পর হঠাৎ দেখা হয়ে গেল সবুজের সঙ্গে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক। বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কার্যক্রমের পাশাপাশি সেখানে উপকারভোগীদের মাঝে বিভিন্ন সরকারি সেবা ও সহায়তা প্রদান করা হচ্ছিল। এর মধ্যে প্রতিবন্ধী নাগরিকদের জন্য ‘সুবর্ণ নাগরিক কার্ড’ বিতরণও ছিল।

    অনুষ্ঠান শেষে হলরুম থেকে বের হয়ে আসছিলাম। এমন সময় পেছন থেকে একটি পরিচিত কণ্ঠ ভেসে এলো—

    “মামা, কেমন আছেন?”

    আমি থেমে গেলাম। কণ্ঠস্বরটি পরিচিত মনে হলেও মানুষটিকে চিনতে পারছিলাম না। কিছুক্ষণ তাকিয়ে থাকার পর সে আবার বলল—

    “মামা, চিনতে পারছেন না? আমি সবুজ।”

    কথাটি শুনে আমি বিস্মিত হয়ে গেলাম। সামনে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষটি সেই সবুজ, কিন্তু তাকে যেন আগের মতো লাগছিল না। তার শারীরিক অবস্থার দিকে তাকিয়ে আমার মনে প্রশ্ন জাগল—

    “তোমার এমন অবস্থা হলো কীভাবে?”

    প্রশ্নের উত্তরে সবুজ জানাল, প্রায় দুই বছর আগে সদরপুর সোনালী ব্যাংকের সামনে একটি মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনার শিকার হয় সে। দুর্ঘটনায় তার ডান পা গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। দীর্ঘদিন চিকিৎসা চললেও শেষ পর্যন্ত চিকিৎসকরা তার পা রক্ষা করতে পারেননি। জীবন বাঁচানোর জন্য হাঁটুর নিচ থেকে ডান পা কেটে ফেলতে হয়।

    কথাগুলো বলতে গিয়ে সবুজের চোখে ছিল অসহায়ত্বের ছাপ। আর আমার চোখের সামনে ভেসে উঠছিল সেই ছোট্ট ছেলেটির মুখ, যে একসময় দৌড়ে বেড়াত, হাসত, স্বপ্ন দেখত। আজ সেই সবুজ একটি পা হারিয়ে জীবনের কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছে।

    দুর্ঘটনার পর তার জীবন অনেকটাই বদলে গেছে। স্বাভাবিকভাবে চলাফেরা করা, কাজ করা, পরিবারের দায়িত্ব পালন করা—সবকিছুই হয়ে উঠেছে কঠিন। একজন কর্মক্ষম যুবক থেকে সে আজ শারীরিক প্রতিবন্ধিতার সঙ্গে লড়াই করা একজন মানুষ।

    তবে সবুজ হার মানেনি। সে এখনও বেঁচে থাকার স্বপ্ন দেখে, স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে চায়। চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী একটি উন্নতমানের কৃত্রিম পা লাগাতে পারলে সে আবার স্বাভাবিকভাবে চলাফেরা করতে পারবে, কাজ করতে পারবে, নিজের জীবনকে নতুন করে গড়ে তোলার সুযোগ পাবে।

    কিন্তু সেই স্বপ্নের সামনে সবচেয়ে বড় বাধা অর্থ। একটি মানসম্মত কৃত্রিম পা সংযোজনের জন্য প্রয়োজন কয়েক লক্ষ টাকা। দরিদ্র পরিবারের পক্ষে এই ব্যয় বহন করা প্রায় অসম্ভব। ফলে অর্থের অভাবে তার চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের স্বপ্ন অনিশ্চয়তার মধ্যে ঝুলে আছে।

    বাংলাদেশে অসংখ্য মানুষ মানবিক সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়ে অসহায় মানুষের জীবন বদলে দিয়েছেন। সমাজের বিত্তবান ব্যক্তি, প্রবাসী বাংলাদেশি, সামাজিক সংগঠন এবং মানবিক হৃদয়ের মানুষদের সম্মিলিত উদ্যোগ একজন সবুজের জীবনকে নতুন করে আলোকিত করতে পারে।

    আজকের এই আবেদন কোনো দান নয়, বরং একজন সংগ্রামী মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান। যে যুবক একসময় নিজের পরিবারকে সুখী করার জন্য বিদেশে গিয়েছিল, আজ সে নিজেই সমাজের সহযোগিতার প্রত্যাশী।

    সবুজের গল্প শুধু একজন মানুষের গল্প নয়; এটি আমাদের সমাজের অনেক সংগ্রামী মানুষের গল্প, যারা দুর্ঘটনা, দারিদ্র্য ও প্রতিকূলতার সঙ্গে লড়াই করে বেঁচে আছেন। তাদের পাশে দাঁড়ানো আমাদের সামাজিক ও মানবিক দায়িত্ব।

    আসুন, আমরা সবাই মিলে সবুজের পাশে দাঁড়াই। একটি কৃত্রিম পা হয়তো তার হারিয়ে যাওয়া অঙ্গ ফিরিয়ে দিতে পারবে না, কিন্তু তাকে আবার হাঁটার শক্তি, বাঁচার সাহস এবং নতুন জীবনের স্বপ্ন ফিরিয়ে দিতে পারে।

    ফী আমানিল্লাহ।

  • ‎বোরকা পরে অভিযানে পুলিশ, ইয়াবাসহ গ্রেফতার স্বামী-স্ত্রী ‎ ‎

    মোঃ আল-আমিন বিশেষ প্রতিনিধি:
    ‎কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রাম উপজেলায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে ১৬৭ পিস ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত এক স্বামী-স্ত্রীকে আটক করা হয়েছে। সোমবার (৮ জুন) রাত আনুমানিক ১০টার দিকে অষ্টগ্রাম থানা পুলিশের একটি বিশেষ দল অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করে।
    ‎
    ‎আটককৃতরা হলেন পূর্ব অষ্টগ্রাম ইউনিয়নের শেখেরহাটি এলাকার বাসিন্দা রাহিম ভুইয়া (৪০) এবং তার স্ত্রী রিমা বেগম টুক্কি (৩৬)।
    ‎
    ‎পুলিশ জানায়, দীর্ঘদিন ধরে ওই দম্পতি এলাকায় মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে নজরদারিতে ছিলেন। গোপন তথ্যের ভিত্তিতে তাদের ধরতে অষ্টগ্রাম থানা পুলিশের একটি দল বিশেষ কৌশল অবলম্বন করে অভিযান পরিচালনা করে।
    ‎
    ‎অভিযানের অংশ হিসেবে কয়েকজন পুলিশ সদস্য নিজেদের পরিচয় গোপন রাখতে ছদ্মবেশ ধারণ করেন। কেউ বোরকা পরে নারী সেজে এবং কেউ অটোরিকশা চালকের বেশে অভিযানে অংশ নেন। পরিকল্পিত এই অভিযানে পুলিশ দ্রুত ওই দম্পতির বাড়িতে পৌঁছে তল্লাশি চালায়।
    ‎
    ‎তল্লাশিকালে তাদের কাছ থেকে ১৬৭ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। পরে ঘটনাস্থল থেকেই রাহিম ভুইয়া ও রিমা বেগম টুক্কিকে আটক করা হয়।
    ‎
    ‎পুলিশের দাবি, আটক দুজনই এলাকায় পরিচিত মাদক কারবারি এবং তাদের বিরুদ্ধে পূর্বেও একাধিক মাদকসংক্রান্ত মামলা রয়েছে।
    ‎
    ‎এদিকে পুলিশের এই ব্যতিক্রমী ও সফল অভিযানে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাদের মতে, মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে এমন কার্যকর উদ্যোগ আরও জোরদার করা প্রয়োজন।
    ‎
    ‎
    ‎
    ‎
    ‎মোঃ আল-আমিন অষ্টগ্রাম উপজেলা প্রতিনিধি:
    ‎
    ‎কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রাম উপজেলায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে ১৬৭ পিস ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত এক স্বামী-স্ত্রীকে আটক করা হয়েছে। সোমবার (৮ জুন) রাত আনুমানিক ১০টার দিকে অষ্টগ্রাম থানা পুলিশের একটি বিশেষ দল অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করে।
    ‎
    ‎আটককৃতরা হলেন পূর্ব অষ্টগ্রাম ইউনিয়নের শেখেরহাটি এলাকার বাসিন্দা রাহিম ভুইয়া (৪০) এবং তার স্ত্রী রিমা বেগম টুক্কি (৩৬)।
    ‎
    ‎পুলিশ জানায়, দীর্ঘদিন ধরে ওই দম্পতি এলাকায় মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে নজরদারিতে ছিলেন। গোপন তথ্যের ভিত্তিতে তাদের ধরতে অষ্টগ্রাম থানা পুলিশের একটি দল বিশেষ কৌশল অবলম্বন করে অভিযান পরিচালনা করে।
    ‎
    ‎অভিযানের অংশ হিসেবে কয়েকজন পুলিশ সদস্য নিজেদের পরিচয় গোপন রাখতে ছদ্মবেশ ধারণ করেন। কেউ বোরকা পরে নারী সেজে এবং কেউ অটোরিকশা চালকের বেশে অভিযানে অংশ নেন। পরিকল্পিত এই অভিযানে পুলিশ দ্রুত ওই দম্পতির বাড়িতে পৌঁছে তল্লাশি চালায়।
    ‎
    ‎তল্লাশিকালে তাদের কাছ থেকে ১৬৭ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। পরে ঘটনাস্থল থেকেই রাহিম ভুইয়া ও রিমা বেগম টুক্কিকে আটক করা হয়।
    ‎
    ‎পুলিশের দাবি, আটক দুজনই এলাকায় পরিচিত মাদক কারবারি এবং তাদের বিরুদ্ধে পূর্বেও একাধিক মাদকসংক্রান্ত মামলা রয়েছে।
    ‎
    ‎এদিকে পুলিশের এই ব্যতিক্রমী ও সফল অভিযানে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাদের মতে, মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে এমন কার্যকর উদ্যোগ আরও জোরদার করা প্রয়োজন।
    ‎

  • নিয়ামতপুরে ঘূর্ণিঝড়ে লণ্ডভণ্ড জনজীবন নিঃস্ব বহু পরিবার সরকারি সহায়তার আকুতি ​

    নিয়ামতপুর নওগাঁ প্রতিনিধিঃ

    ​নওগাঁর নিয়ামতপুর উপজেলার রসুলপুর ইউনিয়নের পানিহারা গ্রামের কয়েকটি পাড়ায় গত বৃহস্পতিবার (৪ জুন) আঘাত হানা আকস্মিক ও শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। মাত্র আধাঘন্টার তীব্র ঝড়ে নোয়াপাড়া, ডাঙ্গাপাড়া, চকমানপুর ও ভত্তাপাড়া এলাকার ঘরবাড়ি এলোমেলো হয়ে গেছে। পুরো উপজেলায় বৃষ্টিপাত হলেও কেবলমাত্র এই এলাকাটিতে ঘূর্ণিঝড়ের তাণ্ডবে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে।

    ​সরোজমিনে গিয়ে দেখা গেছে , ঝড়ের তীব্রতায় নোয়াপাড়ার অধিকাংশ দরিদ্র পরিবারের ঘরের টিনের চাল উড়ে গেছে এবং বৃষ্টিতে মাটির দেওয়াল ধসে পড়েছে। এতে করে পরিবারগুলো এখন মানবেতর জীবনযাপন করছে।

    ​দুর্ভোগের শিকার ৭০ বছর বয়সী নোয়াপাড়ার বাসিন্দা শিলু বাশিকী অশ্রুসিক্ত চোখে বলেন, বয়সের ভারে তেমন কোনো কাজ করতে পারি না। অনেক কষ্টে মাথা গোঁজার ঠাঁই হিসেবে একটি মাত্র ঘর ছিল, কিন্তু ঝড়ে তাও উড়িয়ে নিয়ে গেছে। এখন মাথা গোঁজার মতো কোনো জায়গা নেই। সরকারি সহায়তা না পেলে খোলা আকাশের নিচে থাকতে হবে।

    ​একই পাড়ার ক্ষতিগ্রস্ত জোহান হেমরম বলেন, বৃহস্পতিবারের ঘূর্ণিঝড়ে আমাদের পাড়ার প্রায় প্রতিটি বাড়িরই কম-বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তবে আমার বাড়ির অবস্থা সবচেয়ে শোচনীয়। আমরা মানবেতর অবস্থায় দিন কাটাচ্ছি। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের ঘরবাড়ি মেরামতের জন্য দ্রুত সরকারি সহায়তার দাবি জানাচ্ছি।

    ​​নিয়ামতপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মুর্শিদা খাতুন জানান,ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষয়ক্ষতির বিষয়টি তিনি অবগত ছিলেন না। তবে তিনি দ্রুত ইউনিয়ন পরিষদের মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা যাচাই করে ত্রাণ সহায়তার প্রদানের আশ্বাস দিয়েছেন। তিনি আরও বলেন, অতীতেও দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়িয়েছে প্রশাসন, এবারও ক্ষতিগ্রস্তদের সহযোগিতা করা হবে।

    ​স্থানীয়রা জানিয়েছেন, ঘূর্ণিঝড়টি এলাকাভিত্তিক হওয়ায় ক্ষয়ক্ষতির মাত্রা অত্যন্ত ভয়াবহ। দ্রুত সরকারি সহায়তা না পেলে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর জন্য ঘুরে দাঁড়ানো কঠিন হয়ে পড়বে। তাই তারা সরকারের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের জরুরি দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন

  • বুড়িচংয়ে সরকারি রাস্তার ইট তুলে জনদুর্ভো তদন্তের নির্দেশ দিলেন ইউএনও

    বুড়িচং (কুমিল্লা) প্রতিনিধি: কুমিল্লার বুড়িচংয়ে উপজেলা পরিষদের উন্নয়ন তহবিলের অর্থায়নে নির্মিত একটি রাস্তার ইটের সলিং তুলে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী এলাকাবাসীর পক্ষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

    অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, বুড়িচং পৌরসভার ৮ নং ওয়ার্ডের উত্তরপাড়া এলাকায় সাধারণ মানুষের চলাচলের সুবিধার্থে প্রায় তিন বছর আগে উপজেলা পরিষদের উন্নয়ন তহবিলের অর্থায়নে একটি রাস্তা নির্মাণ করা হয়। রাস্তার ওপর ইটের সলিং বসানো হলে এলাকাবাসী, স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী এবং স্থানীয় কয়েকটি পরিবারের সদস্যরা দীর্ঘদিন ধরে এটি ব্যবহার করে আসছিলেন।

    স্থানীয়দের অভিযোগ, রাস্তার পাশে বসবাসকারী কাসেম মিয়া, তার স্ত্রী রাশেদা আক্তার ও ছেলে শাকিল দীর্ঘদিন ধরে ওই সড়ক ব্যবহার নিয়ে আপত্তি জানিয়ে আসছিলেন। তারা বিভিন্ন সময়ে পথচারীদের চলাচলে বাধা প্রদান করেন। একপর্যায়ে তারা রাস্তার ইটের সলিং তুলে ফেলেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

    এতে সড়কটি ব্যবহারে জনসাধারণকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। বিশেষ করে শিক্ষার্থী ও বৃদ্ধদের চলাচলে সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে বলে এলাকাবাসী জানান।

    এ ঘটনায় একই এলাকার বাদশা মিয়ার ছেলে মো. শাহিন মিয়া এলাকাবাসীর পক্ষে বুড়িচং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন, অভিযুক্তরা শুধু রাস্তার ইটই তুলে ফেলেননি, বরং ওই পথে চলাচলকারী মানুষদেরও বাধা দিয়ে আসছেন।

    অভিযোগে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করে রাস্তা উন্মুক্ত রাখা এবং সরকারি সম্পদের ক্ষতি করার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে।

    এ বিষয়ে বুড়িচং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তানভীর হোসেন বলেন, “বিষয়টি নিয়ে একটি অভিযোগ পেয়েছি। রাস্তাটি ইউনিয়ন পরিষদের অর্থায়নে নির্মাণ করা হয়েছিল। স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যকে ঘটনাটি তদন্ত করে প্রতিবেদন দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

  • আমতলীতে ডাকাতি স্বর্ণালংকার লুট

    আমতলী(বরগুনা) প্রতিনিধি: আমতলী উপজেলার গুলিশাখালী ইউনিয়নের কালিবাড়ী গ্রামের ডা. মতি মিয়ার বাড়ীতে ডাকাতি সংঘটিত হয়েছে। ডাকাতদল ১৯ ভরি স্বর্নালংকার ও নগদ ৪০ হাজার টাকা নিয়েছে।

    ঘটনা ঘটেছে সোমবার দিবাগত গভীর রাতে। মঙ্গলবার সকালে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। জানাগেছে, সোমবার দিবাগত গভীর রাতে ৮/১০ জনের মুখোশধারী ডাকাতদল অবসরপ্রাপ্ত উপ কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার ডা. আব্দুল মতি মিয়ার ঘরের জানালার গ্রীল ভেঙেকমধ্যে প্রবেশ করে। ঘরে থাকা ডা. মতি মিয়ার ছোট ভাই আব্দুস সালামকে বেধে ফেলে।

    পরে ঘরের আলমিরা ভেঙে সমুদয় মালামাল তছনছ করে আমলিরায় থাকা ১৯ ভরি স্বর্নালংকার ও নগদ ৪০ হাজার টাকা নিয়ে যায়। বাড়ীর মালিক ডা. আব্দুল মতি মিয়া বলেন, মুখোশ পরিহীন ৮-১০ জনের একটি ডাকাতদল জানালার গ্রীল ভেঙ্গে ভিতরে প্রবেশ করে।

    তারা আমার আমলিরায় থাকা ১৯ ভরি স্বনালংকার ও নগদ ৪০ হাজার টাকা লুট করেছে। এ ঘটনায় আৃি মামলা করবো। আমতলী থানার ওসি আবু সাহাদাৎ মো. হাচনাইন পারভেজ বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। অভিিপেলে আইন ব্যাবস্থা নেয়া হবে।

  • বুড়িচংয়ে মহাসড়কে হাইওয়ে পুলিশের গাড়িতে হামলা ভাঙচুর

    (কুমিল্লা) প্রতিনিধি:ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার নিমসার বাজার এলাকায় হাইওয়ে পুলিশের গাড়িতে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে।

     

    মঙ্গলবার (৯ জুন) সকাল ১১টার দিকে মহাসড়কের নিমসার সবজি বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয় এবং কিছু সময়ের জন্য মহাসড়কে যান চলাচলেও বিঘ্ন ঘটে।

     

    বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ময়নামতি হাইওয়ে ক্রসিং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবদুল মমিন।

    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ময়নামতি হাইওয়ে থানার একটি টহল দল মহাসড়কে শৃঙ্খলা ফেরানোর লক্ষ্যে চলাচলরত কয়েকটি অবৈধ থ্রি-হুইলার আটক করে। এ সময় থ্রি-হুইলার চালকরা ক্ষুব্ধ হয়ে সংঘবদ্ধভাবে পুলিশের ওপর হামলা চালায়। হামলার একপর্যায়ে হাইওয়ে পুলিশের একটি গাড়ি ভাঙচুর করা হয়। এতে গাড়িটি ব্যপক ক্ষতিগ্রস্ত হয় বলে জানা গেছে।

    ময়নামতি হাইওয়ে ক্রসিং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবদুল মমিন জানান, অবৈধ থ্রি-হুইলার আটকের পর ৩০ থেকে ৩৫ জনের একটি সংঘবদ্ধ দল পুলিশের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। হামলাকারীরা পুলিশের গাড়িতে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে ও পিটিয়ে ভাঙচুর করে এবং পরিস্থিতি উত্তপ্ত করে তোলে।

    খবর পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।

    তিনি আরও জানান, ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।

  • পুলিশের অভিযানের পরেও ভূইয়াগাঁতী বাসস্ট্যান্ডে যানজট পথচারীদের দুর্ভোগ

    রায়গঞ্জ (সিরাজগঞ্জ ) উপজেলা সংবাদদাতা:

    সিরাজগঞ্জ রায়গঞ্জের ঢাকা – রংপুর মহাসড়কেরভূইয়াগাঁতী বাসস্ট্যান্ডে অটোরিকশা সিএনজি ও ভ্রাম্যমাণ দোকানের দখলে থাকায় যানজটে পথচারীদের দুর্ভোগ বাড়ছে।

    দীর্ঘদিন ধরে এ পরিস্থিতি চললেও কার্যকর সমাধান না হওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে দিন দিন ক্ষোভ বাড়ছে।

    মঙ্গলবার (৯ জুন) সরেজমিনে দেখা যায়, ভূইয়াগাঁতী আন্ডারপাসের নিমগাছী মোড় এবং রায়গঞ্জমুখী সড়কের গ্রামীণ ব্যাংক সংলগ্ন এলাকায় অটোরিকশা ও সিএনজির অবাধ অবস্থানের কারণে প্রায়ই যানজট সৃষ্টি হচ্ছে। এছাড়া ভূইয়াগাঁতী স্কুল থেকে নিমগাছীগামী সড়কের একাংশ নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ দোকানের দখলে থাকায় পথচারীদের চলাচল অত্যন্ত কষ্টকর হয়ে পড়েছে। পুরো এলাকাটি যেন অটোরিকশা ও সিএনজির অস্থায়ী গ্যারেজে পরিণত হয়েছে।

    স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থীসহ সাধারণ পথচারীদের প্রতিদিন নানা ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে। সড়কে অবৈধভাবে যানবাহন দাঁড়িয়ে থাকা এবং দোকানপাট বসানোর কারণে দুর্ঘটনার ঝুঁকি বেড়ে চলেছে।

    বিগত কয়েকদিনে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর গত ৭ জুন সিরাজগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (রায়গঞ্জ সার্কেল) সাইফুল ইসলাম খান অভিযান পরিচালনা করেন। তবে স্থানীয় সচেতন মহলের অভিযোগ, অভিযানের সময় পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হলেও পরে আবার আগের অবস্থায় ফিরে যায়।

    একজন পথচারী বলেন, “প্রশাসন তাদের দায়িত্ব পালন করছে। তবে সমস্যা সমাধানে সবার সহযোগিতা ও সচেতনতা প্রয়োজন। অটোরিকশা ও সিএনজির জন্য নির্ধারিত গ্যারেজের ব্যবস্থা করা হলে পরিস্থিতির উন্নতি হতে পারে।”

    স্থানীয়দের অভিযোগ, সন্ধ্যার পর মহাসড়কের বড় অংশ ফল, সবজি, মাছ, ফুচকা, চটপটিসহ বিভিন্ন ভ্রাম্যমাণ দোকানের দখলে চলে যায়। এতে যানবাহন চলাচল ব্যাহত হচ্ছে।

  • ইমারত পরিদর্শক শিহাব উদ্দিনের ছত্রছায়ায় রাজউক নিয়মবহির্ভূত ভবন নির্মাণের অভিযোগ

    ইমারত পরিদর্শক শিহাব উদ্দিনের ছত্রছায়ায় রাজউক নিয়মবহির্ভূত ভবন নির্মাণের অভিযোগ

    স্টাফ রিপোর্টার:

    রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানার ধনিয়া-রসুলপুর এলাকার ফুলকুঁড়ি স্কুল গলির ভিতরে রাজউক অনুমোদন ও ইমারত বিধিমালা উপেক্ষা করে একাধিক বহুতল ভবন নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, এলাকায় গড়ে ওঠা এসব ভবনে কোনো ধরনের সেটব্যাক, খালি জায়গা কিংবা নির্মাণ বিধিমালা মানা হচ্ছে না।

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকার কুতুবখালী-ধনিয়া ৫৩৬ নম্বর এলাকায় আরিফুর রহমান নামের এক ব্যক্তি দুটি বহুতল ভবন নির্মাণ করছেন। সরু গলির ভেতরে নির্মিত এসব ভবনের কারণে আশপাশের বাসিন্দারা চরম দুর্ভোগে পড়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন তারা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক স্থানীয় বাসিন্দা জানান, “ভবন দুটির নির্মাণকাজ শুরু থেকেই নিয়মকানুন উপেক্ষা করা হচ্ছে। গলির ভেতরে এত বড় ভবন নির্মাণের কারণে আলো-বাতাসের পথ বন্ধ হয়ে যাচ্ছে, চলাচলেও সমস্যা তৈরি হয়েছে।”

    এদিকে, অভিযোগ রয়েছে রাজউকের জোন–৭ এর ইমারত পরিদর্শক মোঃ শিহাব উদ্দিনের ‘ছত্রছায়া’ বা নীরব সহযোগিতায় এসব নির্মাণকাজ চলছে। তবে এসব অভিযোগের কোনো আনুষ্ঠানিক প্রমাণ এখনো পাওয়া যায়নি। এক স্থানীয় বাসিন্দার ভাষ্য অনুযায়ী, “পরিদর্শকের সঙ্গে আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা চলছে বলেও শোনা যাচ্ছে। তবে এটি যাচাই করা যায়নি।” অন্যদিকে, এলাকাবাসীর অভিযোগ—বারবার অভিযোগ দেওয়ার পরও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেয়নি। ফলে অবৈধ নির্মাণ কার্যক্রম দিন দিন আরও বিস্তৃত হচ্ছে।

    এ বিষয়ে রাজউক বা সংশ্লিষ্ট ইমারত পরিদর্শকের পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত তদন্ত করে অনিয়মিত নির্মাণ বন্ধ করা না হলে ভবিষ্যতে বড় ধরনের দুর্ঘটনার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। এলাকাবাসী সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

  • রাস্তা সংস্কারের দাবিতে ফুঁসছে এলাকাবাসী

    পত্নীতলা নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি: নওগাঁর পত্নীতলা উপজেলার নজিপুর-গবনপুর-চণ্ডীপুর-মেছের বাজার-শিমুলিয়া হয়ে তীরমনি পর্যন্ত বিস্তৃত আঞ্চলিক সড়কটি এখন যেন এক মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে।

    দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে কোনো সংস্কার না হওয়ায়, ১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ এই সড়কের পিচ-খোয়া উঠে গিয়ে তৈরি হয়েছে ছোট-বড় অসংখ্য বিপজ্জনক গর্ত।
    স্থানীয়দের তথ্যমতে, প্রতিদিন আমাইড় ও ঘোষনগর ইউনিয়নের প্রায় ১০ থেকে ১৫ হাজার মানুষ এই সড়ক দিয়ে যাতায়াত করেন।

    অথচ দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য, দীর্ঘ এই রাস্তার মাত্র ৩ থেকে ৪ কিলোমিটার কোনোমতে চলাচলের উপযোগী থাকলেও, বাকি প্রায় ১১ কিলোমিটার অংশই এখন সম্পূর্ণ অযোগ্য হয়ে পড়েছে।

    মূল ভোগান্তি যেখানে:
    ঝুঁকিতে রোগী ও গর্ভবতী মায়েরা: খানাখন্দে ভরা এই রাস্তা দিয়ে কোনো মুমূর্ষু বা গর্ভবতী রোগীকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া চরম ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ঝাঁকুনিতে রোগীর অবস্থা আরও সংকটাপন্ন হয়ে পড়ে।
    অর্থনৈতিক ও যাতায়াত স্থবিরতা: ভাঙাচোরা রাস্তার কারণে প্রতিনিয়ত বিকল হচ্ছে যানবাহন, নষ্ট হচ্ছে মূল্যবান সময় ও অর্থ।

    এলাকাবাসীর আকুতি: “আমরা ট্যাক্স দিই, ভোট দিই, অথচ বছরের পর বছর এই ভাঙা রাস্তা দিয়ে আমাদের যাতায়াত করতে হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আমাদের বিনীত দাবি—কাগজে-কলমে নয়, দ্রুত বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ নিয়ে এই সড়কটি সংস্কার করা হোক এবং আমাদের দীর্ঘদিনের এই নরকযন্ত্রণা থেকে মুক্তি দেওয়া হোক।

    এলাকার সাধারণ মানুষের এখন একটাই দাবি, কর্তৃপক্ষ যেন আর কালক্ষেপণ না করে দ্রুত এই সড়কটির টেকসই সংস্কার নিশ্চিত করেন।

  • নেত্রকোণায় ছোট বাজারে ঘোরাঘুরির সময় রোহিঙ্গা আটক

    নেত্রকোণায় ছোট বাজার থেকে ঘোরাঘুরির সময় রোহিঙ্গা নাগরিক আট

    নেত্রকোনা প্রতিনিধি : নেত্রকোণা জেলা শহরে সোমবার রাতে ছোটবাজার এলাকা থেকে সন্দেহজনকভাবে ঘোরাঘুরির সময় এক রোহিঙ্গা নাগরিককে আটক করেছে নেত্রকোণা মডেল থানা পুলিশ। জানা যায়, সোমবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে তাঁকে আটক করা হয়।

    আটক ব্যক্তির নাম মো. কারিম (৩০)। তিনি কক্সবাজারের ওয়াইকাম এলাকার ফালনখালী গ্রামের বাসিন্দা বলে পুলিশ জানিয়েছে। বর্তমানে তিনি নেত্রকোণা মডেল থানা পুলিশের হেফাজতে রয়েছেন।

    পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নেত্রকোণা মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আমিনুলের নেতৃত্বে একটি চৌকস টিম জেলা শহরের ছোটবাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে সন্দেহজনকভাবে ঘোরাঘুরির সময় মো. কারিমকে আটক করে। পরে তাঁকে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।

    প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, গত ৬ জুন তিনি চট্টগ্রাম থেকে “সোনারতরী পরিবহন” নামের একটি বাসে করে নেত্রকোণায় আসেন। তবে কী উদ্দেশ্যে তিনি জেলায় এসেছিলেন, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

    এ ব্যাপারে নেত্রকোণা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন সরকার-এর কাছে জানতে চাইলে তিনি ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, আটক ব্যক্তির পরিচয় ও অবস্থান সংক্রান্ত তথ্য যাচাই করা হচ্ছে। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

    ০৯/০৬/২০২৬ ইং