Author: DBC

  • কটিয়াদীতে বিশ্বকাপ ফুটবলের তুমুল উন্মাদনা পতাকা ও জার্সি বিক্রির ধুম

    কটিয়াদী(কিশোরগঞ্জ)প্রতিনিধি:

    বিশ্বকাপ ফুটবলের আকাশছোঁয়া উন্মাদনা ছড়িয়ে পড়তে শুরু করেছে কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে।

    চলতি বছরের ১১ জুন পর্দা উঠতে যাচ্ছে বিশ্ব ফুটবলের সবচেয়ে বড় এই মহাযজ্ঞের। দিন যতই ঘনিয়ে আসছে, ততই বাড়ছে ফুটবলপ্রেমীদের উৎসাহ-উদ্দীপনা। প্রিয় দলকে সমর্থন জানাতে ইতিমধ্যেই সমর্থকরা সংগ্রহ করছেন পছন্দের দলের জার্সি ও পতাকা।

    ​সরেজমিনে দেখা যায়, কটিয়াদী বাজারসহ উপজেলার বিভিন্ন পাড়া-মহল্লার ক্রীড়াসামগ্রীর দোকানগুলোতে বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া বিভিন্ন দেশের পতাকা ও জার্সি বিক্রির হিড়িক পড়েছে। বিশেষ করে আর্জেন্টিনা, ব্রাজিল, সৌদি আরব ও বাংলাদেশের পতাকা দোকানের সামনে সারিবদ্ধভাবে টাঙিয়ে রাখা হয়েছে। ক্রেতাদের আকৃষ্ট করতে বাহারি রঙের পতাকা ও জার্সিতে সাজানো হয়েছে পুরো দোকান।

    ​ব্যবসায়ীরা জানান, বেশ কয়েকদিন আগে থেকেই পতাকা ও জার্সি বিক্রি শুরু হয়েছে। বিশ্বকাপের সময় যত এগিয়ে আসছে, বেচাকেনাও তত বাড়ছে। বাজারে বিভিন্ন আকার ও মানের পতাকা এবং নান্দনিক ডিজাইনের জার্সি পাওয়া যাচ্ছে। মান ও প্রকারভেদে এগুলোর দামেও রয়েছে ভিন্নতা।

    ​স্থানীয় একটি দোকানের কর্মচারী ইব্রাহিম বলেন, “বিশ্বকাপ ফুটবলকে সামনে রেখে পতাকার চাহিদা প্রতিনিয়ত বাড়ছে। ফুটবলপ্রেমীরা পছন্দের দলের জার্সির খোঁজে আসছেন। টুর্নামেন্ট শুরু হতে আর মাত্র ৩ দিন বাকি থাকায় এখন বিক্রি একদম তুঙ্গে।

    ​স্থানীয় ফুটবলপ্রেমীরা জানান, বিশ্বকাপকে ঘিরে কটিয়াদী উপজেলার বিভিন্ন পাড়া-মহল্লায় ইতিমধ্যেই উৎসবের আমেজ তৈরি হয়েছে। অনেকেই নিজেদের বাড়ি, দোকান ও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে প্রিয় দলের পতাকা টাঙানোর প্রস্তুতি নিচ্ছেন। মাঠের লড়াই শুরুর আগেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও চলছে পছন্দের দল নিয়ে জমজমাট আলোচনা-সমালোচনা ও সমর্থনের তুমুল প্রচারণা।

    ​কটিয়াদী সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের সামনে ভ্যানে করে জার্সি ও পতাকা বিক্রি করছিলেন আবদুল কাদির। তিনি জানান, বিশ্বকাপ এলেই তিনি এই ব্যবসায় নামেন। প্রায় দুই দশক ধরে এই মৌসুমি ব্যবসা করে আসছেন তিনি।

    ​আবদুল কাদির তাঁর পণ্যের দামের বিবরণ দিয়ে বলেন, তিনি ৩ ফুটের পতাকা ১০০ টাকা, ৫ ফুটের পতাকা ২৫০ টাকা এবং ১০ ফুটের বড় পতাকা ৮০০ টাকায় বিক্রি করছেন। এছাড়া ৫ ফুটের বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা বিক্রি করছেন ১৫০ টাকায়।

    ​বেচাকেনা নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করে আবদুল কাদির বলেন, “ঈদের আগে বিক্রি বেশ ভালো ছিল। অনেকেই বাড়ি ফেরার সময় সন্তানদের জন্য জার্সি ও পতাকা কিনে নিয়ে গেছেন। এবার ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনার পতাকা তুলনামূলক বেশি বিক্রি হচ্ছে। তবে গত বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার পতাকার চাহিদা ছিল আকাশচুম্বী।” খেলা শুরু হলে বিক্রি আরও বাড়বে বলে আশা প্রকাশ করেন এই বিক্রেতা। আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিলের পাশাপাশি স্পেন, পর্তুগাল, ফ্রান্স ও জার্মানির পতাকাও বিক্রি হচ্ছে বলে জানান তিনি।

    ​এদিকে জার্সিতে নাম ও নম্বর লেখার কাজেও ব্যস্ততা বেড়েছে কারিগরদের। নাম লেখার কারিগর রিয়াদুল ইসলাম সোহাগ বলেন, “সাধারণ জার্সিতে সাধারণ রঙ দিয়ে নাম লেখাতে ৫০ টাকা, সাদা স্টিকার দিয়ে ১০০ টাকা আর অফিশিয়াল জার্সিতে প্রিমিয়াম কোয়ালিটিতে নাম লেখাতে ১৫০ টাকা নেওয়া হচ্ছে।” তিনি আরও জানান, এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি নাম লেখা হচ্ছে আর্জেন্টিনার জার্সিতে। এরপরই রয়েছে ব্রাজিল ও পর্তুগালের অবস্থান।

    ​বোয়ালিয়া থেকে জার্সি কিনতে আসা ক্রেতা মনির হোসেন মাহিন ৮৫০ টাকা দিয়ে আর্জেন্টিনা দলের একটি জার্সি কিনেছেন। তিনি তাঁর অনুভূতি ব্যক্ত করে বলেন, “বাজারে সবকিছুর দামই এখন বাড়তি। জার্সির দাম কিছুটা বেশি হলেও ভালোবাসার দলের জন্য তা মেনে নেওয়া যায়। তবে জার্সিতে নাম লেখানোর খরচটা তুলনামূলক একটু বেশি মনে হয়েছে।”

    ​সব মিলিয়ে কটিয়াদীতে এখন মাঠের ফুটবল শুরুর আগেই যেন উৎসবের রঙিন আমেজ পূর্ণতা পেয়েছে।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে মাদকবিরোধী অভিযানে ২০ পিস ইয়াবাসহ একাধিক মামলার আসামি গ্রেফতার 

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি), জেলা কার্যালয়, চাঁপাইনবাবগঞ্জ কর্তৃক পরিচালিত একটি বিশেষ মাদকবিরোধী অভিযানে ২০ (বিশ) পিস ইয়াবাসহ এক চিহ্নিত মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করা হয়েছে।​আজ ০৭ জুন ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ তারিখ বিকেল ৪:০০টা থেকে ৪:৩০টা পর্যন্ত

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানাধীন প্রান্তিকপাড়া (রেলবস্তি) এলাকায় এই সফল অভিযানটি পরিচালিত হয়। ডিএনসি-র বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উক্ত স্থানে অভিযান চালিয়ে মোঃ হাসান তারেক ওরফে পাতান (৪১)-কে হাতেনাতে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। এ সময় তল্লাশি চালিয়ে তার হেফাজত থেকে ২০ পিস অবৈধ ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা

    মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, জেলা কার্যালয়, চাঁপাইনবাবগঞ্জ।

    ​ প্রান্তিকপাড়া (রেলবস্তি) এলাকা, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানা।​ বিকেল ০৪:০০ থেকে ০৪:৩০ ঘটিকা, ০৭ জুন ২০২৬।

    ​মোঃ হাসান তারেক ওরফে পাতান (৪১)।২০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট।

    ​মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা গেছে, গ্রেফতারকৃত হাসান তারেক ওরফে পাতান একজন পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী। সে দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে মাদক ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিল। তার বিরুদ্ধে পূর্বেরও একাধিক মাদক সংক্রান্ত মামলা রয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে সংস্থাটি।​এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিদর্শক মোঃ রফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় একটি নিয়মিত মামলা দায়েরের কার্যক্রম গ্রহণ করেছেন।

    ​মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, জেলায় মাদকের বিস্তার রোধ, যুবসমাজকে রক্ষা এবং মাদক কারবারিদের সম্পূর্ণ নির্মূল করতে চলমান এই বিশেষ আভিযানিক কার্যক্রম ভবিষ্যতেও আরও জোরদার ও গতিশীলভাবে অব্যাহত থাকবে।

  • সাঁথিয়ায় ছাত্রদলকে নিয়ে যুবদলের ভূমিকা প্রসঙ্গে বিতর্ক

    সাঁথিয়া প্রতিনিধি: পাবনার সাঁথিয়া উপজেলা ছাত্রদলের সাংগঠনিক কার্যক্রম ও নেতৃত্বের বিষয় নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে। সম্প্রতি সাঁথিয়া উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব মিজানুর রহমান বাবুল এক ফেসবুক পোস্টে দাবি করেন, উপজেলা ছাত্রদলের দীর্ঘদিন কমিটি না থাকায় অনেক মেধাবী ও পরিশ্রমী ছাত্রনেতা ছড়িয়ে-ছিটিয়ে সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। ফলে তাদের মধ্যে সমন্বয় ও নেতৃত্বের ঘাটতি দেখা দিচ্ছে।

    তিনি আরও উল্লেখ করেন, যুবদলের কেন্দ্রীয় নেতা মাসুদুল হক মাসুদের সহযোগিতায় সাঁথিয়া উপজেলা যুবদল ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সহযোগিতা ও সমন্বয়ের দায়িত্ব পালন করবে। উপজেলা ছাত্রদলের নতুন কমিটি গঠিত না হওয়া পর্যন্ত এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি জানান।

    তবে এ বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল ঢাকা মহানগর পূর্ব শাখার গণমাধ্যম বিষয়ক সম্পাদক ও ছাত্রদল নেতা মোঃ নুর-বীন আব্দুর রহমান রাহাত প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি বলেন, ছাত্রদলের উপজেলা ইউনিটকে সুসংগঠিত করা, নেতৃত্ব প্রদান এবং সাংগঠনিক তদারকি করার দায়িত্ব ছাত্রদলের জেলা কমিটির ওপর বর্তায়। এ ক্ষেত্রে যুবদলের সরাসরি মধ্যস্থতা বা নিয়ন্ত্রণমূলক ভূমিকা সংগঠনের সাংগঠনিক কাঠামোর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় বলে তিনি মত প্রকাশ করেন।

    রাহাত আরও বলেন, “ছাত্রদল একটি স্বতন্ত্র সহযোগী সংগঠন। এর সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা ও ইউনিটসমূহকে সুসংগঠিত করার জন্য দলীয় কাঠামোর মধ্যেই দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতৃবৃন্দ রয়েছেন। তাই এ দায়িত্ব ছাত্রদলের সংশ্লিষ্ট সাংগঠনিক স্তর থেকেই পালন হওয়া উচিত।”

    এদিকে বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় নেতাকর্মীদের মধ্যেও আলোচনা চলছে। অনেকেই মনে করছেন, ছাত্রদলের সাংগঠনিক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে সংশ্লিষ্ট সাংগঠনিক ইউনিটগুলোর মধ্যে সমন্বয় বৃদ্ধি প্রয়োজন।

    রাজনৈতিক মহলের মতে, উপজেলা ছাত্রদলের নতুন কমিটি গঠন হলে এ ধরনের বিতর্কের অবসান ঘটতে পারে এবং সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও সুসংগঠিত হবে।

  • শ্রীপুরের সাবেক মেয়র আনিছুর রহমান আর নেই 

    শ্রীপুর (গাজীপুর) প্রতিনিধি :গাজীপুরের শ্রীপুর পৌরসভার সাবেক মেয়র ও জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আনিছুর রহমান ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। আজ রোববার দুপুরে ঢাকার শিপ ইন্টারন্যাশনাল হাসপাতালে তাঁর মৃত্যু হয়। এদিকে ভাইয়ের মৃত্যুসংবাদ শুনে হৃদ্‌যন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে তাঁর ছোট বোন রাশিদা বেগমও মারা গেছেন।


    আনিছুর রহমানের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তাঁর ছোট ভাই মো. হাফিজুর রহমান।

    আনিছুর রহমানের বয়স হয়েছিল ৬৭ বছর। তিনি শ্রীপুর পৌরসভার মাধখলা গ্রামের মৃত হাবিবুর রহমানের ছেলে। তিনি টানা চারবার শ্রীপুর পৌরসভার মেয়র ছিলেন। এ ছাড়া জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদকসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন।

    হাফিজুর রহমান বলেন, আনিছুর রহমান দীর্ঘদিন ধরে ডায়াবেটিসসহ নানা জটিল রোগে ভুগছিলেন। কয়েক দিন ধরে তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে হাসপাতালের নিবিড় পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে (আইসিইউ) লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়। আজ দুপুরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ আনুষ্ঠানিকভাবে তাঁর মৃত্যুর বিষয়টি পরিবারের সদস্যদের নিশ্চিত করে।

    হাফিজুর রহমান আরও বলেন, বড় ভাইয়ের মৃত্যুর খবর শুনে বোনও মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন।

    নিহতের স্বজন জাহিদুল আলম রবিন বলেন, দুপুরের দিকে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। আগামীকাল সোমবার সকাল ১০টা অথবা সাড়ে ১০টার মধ্যে মরদেহ গ্রামের বাড়িতে নেওয়া হবে

  • ঝালকাঠিতে নদী ভাঙ্গন রোধে এলাকাবাসীর  মানববন্ধন অনুষ্ঠিত

    ঝালকাঠি প্রতিনিধি:  ঝালকাঠির নলছিটিতে খয়রাবাদ নদীর ভাঙন রোধে পদক্ষেপ নেয়ার দাবিতে মানববন্ধন করেছেন, উপজেলার  ভুক্তভোগী জনগন।

    রবিবার (৭ জুন) নলছিটি উপজেলা পরিষদ সংলগ্ন নলছিটি দপদপিয়া সড়কের পাশে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন বাসদ নেত্রী বরিশাল জেলা সমন্বয়ক ডা: মনিষা চক্রবর্তীসহ ভুক্তভোগী জনগন। মানববন্ধন শেষে বাসদ নেত্রী ডা: মনিষা চক্রবর্তীর নেতৃত্বে একটি মিছিল শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদিক্ষন করে।

    মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, খয়রাবাদ নদীর ভাঙনে নদী তীরের মানুষ সবকিছু হারিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। তাদের ঘরবাড়ি, কৃষি জমি সবকিছু নদী কেড়ে নিয়েছে। বর্ষা মৌসুমে এই ভাঙন আরও তীব্র আকার ধারণ করেছে। অতিদ্রুত ভাঙন রোধে পদক্ষেপ না নিলে আরও শতশত মানুষ গৃহহীন হবে।

    বাসায় নেত্রী ডা: মনিষা চক্রবর্তী বলেন, স্বাধীনতার ৫৪ বছর পার হওয়ার পর আমরা দেখতে পেয়েছি গৃহহীন মানুষের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। কোন সরকারই নদীর তীরবর্তী মানুষদের রক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ নেয়নি। বর্তমান সরকার যদি খয়রাবাদ নদীসহ অন্যান্য নদীর তীরবর্তী মানুষদের রক্ষায় পদক্ষেপ গ্রহন না করে তাহলে আমরা বুঝে নিবো দেশে কোন পরিবর্তন আসেনি।

    আরও বক্তব্য রাখেন, দপদপিয়া ইউনিয়ন নদী ভাঙন প্রতিরোধ কমিটির সদস্য সচিব মো. রমজান আকন হৃদয়, আহবায়ক ফরিদ আহমদ, স্থানীয় সমাজকর্মী বালী তাইফুর রহমান তূর্য, সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক ফ্রন্ট বরিশাল জেলা শাখার ক্রিড়া সম্পাদক গাজী বেলাল হোসেন, বাসদ বরিশাল জেলার দপ্তর সম্পাদক শহিদুল ইসলাম, সমাজতান্ত্রিক খেতমজুর ও কৃষক ফ্রন্ট বাকেরগঞ্জ উপজেলার উপদেষ্টা আমিনুর রহমান, স্থানীয় ভুক্তভোগী রহিমা বেগম, রানী বেগম, হৃদয়, হেনারা বেগম প্রমূখ।

    এসময় উপজেলার দপদপিয়া ইউনিয়নের খয়রাবাদ এলাকার বিভিন্ন শ্রেনীপেশার দুই শতাধিক নারী পুরুষ ও বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দলের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ মানববন্ধন ও মিছিলে অংশ নেন।

     

  • বিতর্কিত পুলিশ সদস্য জুয়েলকে বরখাস্ত ও আইনজীবী মিন্টুর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন

    শার্শা যশোর প্রতিনিধি   যশোরের শার্শা উপজেলার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মোস্তফা কামাল মিন্টুর বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার প্রতিবাদ ও মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে উপজেলা বিএনপি ও তার অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীসহ এলাকাবাসী।

     

    শনিবার (৬ জুন) বেলা ১১টার সময় শার্শা উপজেলা পরিষদের প্রধান ফটকের সামনে যশোর-বেনাপোল মহাসড়কের দুপাশে শার্শা উপজেলা বিএনপির ব্যানারে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিএনপি এবং তার বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী অংশগ্রহণ করেন।

     

    মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করে বলেন, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মোস্তফা কামাল মিন্টুর বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। রাজনৈতিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করা এবং জনসমর্থন থেকে বিচ্ছিন্ন করার অপচেষ্টা হিসেবে এ মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে তারা দাবি করেন।

     

    বক্তারা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি নিরপেক্ষতা বজায় রেখে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের আহ্বান জানান এবং রাজনৈতিক প্রতিহিংসামূলক কর্মকাণ্ড থেকে সরে আসার জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানান।

     

    মানববন্ধন শেষে নেতাকর্মীরা বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন এবং অ্যাডভোকেট মোস্তফা কামাল মিন্টুর বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা দ্রুত প্রত্যাহারসহ ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানান।

     

    মানববন্ধনে বক্তারা দাবি করেন, শার্শা উপজেলার আলোচিত রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব মশিয়ার রহমানের ছেলে কনস্টেবল মামুন হাসান জুয়েলকে পুলিশ বাহিনী থেকে অবিলম্বে অপসারণ করতে হবে।

     

    তার পরিবারের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে সন্ত্রাস, মাদক ব্যবসা, চোরাচালান ও বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ রয়েছে। এমন পরিবারের সদস্যকে পুলিশ বাহিনীতে নিয়োগ দেওয়ার বিষয়টি জনমনে প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।

     

    মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা বলেন, রাষ্ট্রের নিরাপত্তা ও সুশাসনের স্বার্থে বিতর্কিত নিয়োগগুলো পুনঃমূল্যায়ন করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে তারা সংশ্লিষ্ট কনস্টেবলের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানান।

     

    মানববন্ধন থেকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, পুলিশ সদর দপ্তর এবং সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কাছে স্মারকলিপি প্রদানের ঘোষণাও দেওয়া হয়। বক্তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, জনদাবি উপেক্ষা করা হলে ভবিষ্যতে আরও বৃহত্তর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

     

    এর আগে গত ৪ জুন বৃহস্পতিবার বিকালে শার্শার শ্যামলাগাছী গ্রামে মিথ্যা মামলা দিয়ে পুলিশ কনস্টেবল মামুন হাসান জুয়েল অ্যাডভোকেট মোস্তফা কামাল মিন্টুকে গ্রেফতারের চেষ্টা করে। পরে এলাকাবাসী ও স্থানীয় রাজনৈতিক ব্যক্তিদের জনরোষে গ্রেফতারে ব্যর্থ হয় পুলিশ সদস্যরা।

  • ঢাকা বিমানবন্দর রেলওয়ে স্টেশনের কার পার্কিংয়ে অবৈধ দখল ও চাঁদাবাজির অভিযোগ

     

    স্টাফ রিপোর্টার:
    ঢাকা বিমানবন্দর রেলওয়ে স্টেশনের কার পার্কিং ও ফুটপাত এলাকায় অবৈধ দখল এবং চাঁদাবাজির অভিযোগ উঠেছে। সরেজমিনে এলাকাটি ঘুরে দেখা যায়, পার্কিং ও ফুটপাতের বিভিন্ন অংশে অস্থায়ী দোকান, মাইক্রোবাস স্ট্যান্ডসহ বিভিন্ন ধরনের কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

    স্থানীয়দের অভিযোগ, এসব কার্যক্রম পরিচালনার জন্য একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেটের অনুমতি নিতে হয় এবং প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ অর্থ আদায় করা হয়। তাদের দাবি, দিনের তুলনায় সন্ধ্যা থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত এসব কার্যক্রম আরও সক্রিয় হয়ে ওঠে।
    কয়েকজন স্থানীয় ব্যক্তি অভিযোগ করেন, অবৈধ দখল ও চাঁদাবাজির সঙ্গে কিছু দায়িত্বশীল ব্যক্তির সম্পৃক্ততা রয়েছে। তাদের ভাষ্যমতে, প্রতিদিন আদায়কৃত অর্থ মধ্যরাতে ভাগ-বণ্টন করা হয় এবং এর পরিমাণ লক্ষাধিক টাকায় পৌঁছায়।

    অভিযোগে বিমানবন্দর রেলওয়ে ফারির ইনচার্জ হারুনুর রশিদ, নিরাপত্তা বিভাগের একজন কমান্ডার শহিদুল্লাহ, সিআই শাখার সালাউদ্দিন এবং হাবিলদার জিয়ার নাম উল্লেখ করা হয়েছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে তাদের বক্তব্য জানার জন্য মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

  • নেত্রকোনায় ঘুষ বানিজ্যে চ্যাম্পিয়ন সাহতা ইউনিয়ন ভূমি অফিস দেখার কেউ নেই

    নেত্রকোনা প্রতিনিধি : নেত্রকোনা জেলার বারহাট্টা উপজেলার সাহতা ইউনিয়ন ভূমি অফিস ঘুষ বানিজ্যে জেলার মধ্যে চ্যাম্পিয়ন একটি বিশেষ জরিপে এই তথ্য উঠে এসেছে।এই ঘুষ বানিজ্য চলে সাহতা ইউনিয়ন সহকারী ভূমি কর্মকর্তা শাহানা আক্তারের নেতৃত্বে এক শ্রেণীর দালালের মাধ্যমে। সরেজমিনে গিয়ে জানা গেছে, ওই অফিসের ইউনিয়ন ভূমি সহকারি কর্মকর্তা (তহসিলদার) শাহানা আক্তার টাকা ছাড়া কোনো কাজই করেন না। ভূমি সংক্রান্ত যে কোনো সেবার বিনিময়ে তিনি দালালদের মাধ্যমে সেবাগ্রহীতাদের কাছ থেকে হাতিয়ে নিচ্ছেন মোটা অঙ্কের হাজার হাজার টাকা। এই অফিসে গ্রাহকদের হয়রানি নিত্তনৈমত্তিক ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। গত কিছুদিন থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক ও বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক পত্রিকা ও পত্রিকার মাল্টিমিডিয়ায় দেখা গিয়েছে সাহতা ইউনিয়ন ভূমি অফিসে ঘুষ ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে এলাকার সচেতন মহলের ঘুষ বানিজ্যের প্রতিবাদ।

     

    সরেজমিনে গিয়ে আরও জানা গেছে, সাহতা ইউনিয়ন ভূমি অফিসে নামজারি, জমাভাগ, খাজনা আদায়, জমির পর্চা (খসড়া) তুলা সহ ভূমি সংক্রান্ত সকল কাজে সরকারি নিয়মকে তোয়াক্কা না করে অনৈতিক ভাবে এক শ্রেণীর দালালের মাধ্যমে বাড়তি টাকা নেয়া হচ্ছে।এই অফিসে চুক্তির টাকা ছাড়া কোনো ফাইলই নড়ে না। টাকা না দিলে নির্ধারিত সময়ে কোনো কাজ আদায় করা যায় না বলে অভিযোগ করেছেন সেবাগ্রহীতারা।সরেজমিনে গিয়ে আরও জানা গেছে, এই ভূমি অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা সেবাগ্রহীতাদের কাছ থেকে বাড়তি টাকা নেয়ার পরও বিভিন্ন ভাবে হয়রারি করছে এমনটাই অভিযোগে উঠেছে।

     

    এ বিষয়ে সাহতা ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব ও সাবেক ইউপি সদস্য জুবায়ের হুসেন খান রতন বলেন, সাহতা ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা শাহানা আক্তার একজন ঘুষখোর ব্যক্তি, তিনি টাকা ছাড়া কিছুই বুঝে না। তার ঘুষ বানিজ্যের বিষয় নিয়ে আমি দরবার শালিস পর্যন্ত করেছি। আমি একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে দূর্নীতি দমন কমিশন দুদকের হস্তক্ষেপ কামনা করছি। আমি এমন ঘুষখোর কর্মকর্তার শাস্তি দাবি করছি।

     

    অন্যদিকে সাহতা ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা শাহানা আক্তারের বিষয়ে সাহতা ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক আলমগীর হোসেন ঝুটন বলেন, সাহতা ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা শাহানা আক্তারের মতো একরকম ঘুষখোর কর্মকর্তা দেখতে চাই এই ভূমি অফিসে। তিনি একজন বড় মাপের ঘুষখোর কর্মকর্তা, সে টাকা ছাড়া অন্য কিছুই বুঝে না। তিনি দালালের মাধ্যমে পুরো ইউনিয়নটিকে লুটে নিয়ে যাচ্ছে। তিনি আরও বলেন, গ্রামের মানুষ সহজ সরল তারা কিছুই বুঝে না, ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা শাহানা আক্তার তার দালালের মাধ্যমে তাদের কাছ থেকে হারিয়ে নিচ্ছে হাজার হাজার টাকা। আমি এই ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা শাহানা আক্তারের ঘুষ বানিজ্যের বিষয় নিয়ে দরবার শালিস পর্যন্ত করেছি। তিনি এই অফিসে কিছু দালাল পুষে রাখে। আমি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের এই ইউনিয়নের আহবায়ক হিসেবে এই ঘুষ বানিজ্যের প্রতিবাদ জানাই।

     

    সংশ্লিষ্ট উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের অগোচরে মাঠ পর্যায়ে সাহতা ইউনিয়ন ভূমি অফিসের সহকারী ভূমি কর্মকর্তা শাহানা আক্তার সহ যারা এখানে-কর্মচারী রয়েছে তারা বিভিন্ন অনিয়ম,ঘুষ দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়ছে বলে জমির কাজে সেবা নিতে আসা ভূক্তভোগীরা অভিযোগ করেছেন।এই ভূমি অফিসে আসা এক গ্রাহক (নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক) জানান, এই অফিসের ইউনিয়ন সহকারী ভূমি কর্মকর্তা শাহানা আক্তার ভূমি অফিসে কাজে আসা গ্রাহকদের কাজ সম্পাদনের বিষয়ে টাকার বিনিময়ে দালালের মাধ্যমে চুক্তি করেন।

     

    এই ইউনিয়নের সরেজমিনে গিয়ে আরও জানা গেছে, এখানে আসা সেবা প্রাপ্তির ৯০ শতাংশ লোকই চরম হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে আজ না-কাল সময়ক্ষেপন করে। সরকারি নীতিমালা উপেক্ষা করে অতিরিক্ত হারে দাবিকৃত উৎকোচ না দিলে সেবা গ্রহীতারা পান না তাদের কাঙ্খিত সেবা। ভূক্তভোগীরা আরও জানান, এই ভূমি অফিসের ঘুষ দুর্নীতি এমন চরমে পৌঁছেছে সরকারি নীতিমালার বাইরে চুক্তি অনুযায়ী মোটা অংকের ঘুষ ছাড়া কোনো কাজেই হয় না। নামজারির তদন্ত প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য মোটা অংকের টাকা আদায় করে এই অফিসের কতিপয় কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিভিন্ন স্তরে ভাগ দেয়ার কথা বলে। ভুক্তভোগীদের দাবী এই ভূমি কর্মকর্তা শাহানা আক্তারের দুর্নীতি রোধে দুদকের সু-হস্তক্ষেপ জরুরি, সেবাগ্রহীতারা দুর্নীতি দমন কমিশন দুদকের সহযোগিতা কামনা করেন। এই ঘুষ বানিজ্যের ব্যাপারে জানতে চাইলে ইউনিয়ন সহকারী ভূমি কর্মকর্তা শাহানা আক্তার বলেন, আমার অফিসে কোনো অনিয়ম হয় না, আমার বিরুদ্ধে এসব ভিত্তিহীন অভিযোগ আনা হচ্ছে।এবং কেন তার এই ঘুষ বানিজ্য নিয়ে নিউজ করা হয়েছে, এই প্রতিনিধিকে তিনি হুমকি প্রদান করেন, তিনি বলেন তুমি পত্রিকায় লিখে আমার কিছুই করতে পারবে না। এবং তিনি এই প্রতিনিধিকে আরও বলেন, তোমরা আমার বিরুদ্ধে নিউজ করে কি করবে, তিনি আরও বলেন, আমাকে হয়তো এখান থেকে অন্য জায়গায় বদলি করে দিবে কতৃপক্ষ, এছাড়া আমার আর কিছুই হবে না।

     

     

    ০৭/০৬/২০২৬ ইং

  • ঝালকাঠির প্রতিবন্ধী বিএনপি কর্মী এমরাজকে অটোরিকশা উপহার দিলেন এ্যাড. শাহাদাৎ

    ঝালকাঠি প্রতিনিধি

    ঝালকাঠিতে বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী বিএনপি কর্মী মো. এমরাজ হাওলাদারের কর্মসংস্থানের জন্য একটি নতুন ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা উপহার দিয়েছেন জেলা বিএনপির সদস্য সচিব ও জেলা পরিষদ প্রশাসক অ্যাডভোকেট শাহাদাৎ হোসেন।

     

    শনিবার (৬ জুন) রাত ৮টায় শহরের মহিলা কলেজ রোড এলাকায় আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি নিজ হাতে এমরাজের কাছে অটোরিকশাটি হস্তান্তর করেন। এর মাধ্যমে দীর্ঘদিনের ত্যাগী এ তৃণমূল কর্মীর জন্য স্থায়ী আয়ের একটি সুযোগ সৃষ্টি হলো।

     

    অটোরিকশা হস্তান্তরকালে অ্যাডভোকেট শাহাদাৎ হোসেন বলেন, “বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) সবসময় ত্যাগী ও সংগ্রামী কর্মীদের মূল্যায়ন করে। দলের প্রতিটি কর্মীর সুখ-দুঃখে পাশে থাকা আমাদের দায়িত্ব। ভবিষ্যতেও তৃণমূলের কর্মীদের যেকোনো প্রয়োজনে আমরা পাশে থাকব।”

     

    অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সদস্য (দপ্তরের দায়িত্বে) ও ঝালকাঠি রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান মুবিন, ঝালকাঠি পৌর বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক রনি, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মো. রফিক হাওলাদার, জেলা তাঁতী দলের সভাপতি মো. বাচ্চু হাসান খানসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা।

     

    উপহার হিসেবে অটোরিকশা পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন মো. এমরাজ হাওলাদার। তিনি অ্যাডভোকেট শাহাদাৎ হোসেনের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং তাঁর সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করেন।

     

    স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীরা জানান, দলের একজন অসচ্ছল ও বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী কর্মীর পাশে দাঁড়িয়ে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে দেওয়ার এ উদ্যোগ মানবিক রাজনীতির উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।