Author: DBC

  • “ঢাকা-১০: লাঙ্গল মার্কার বহ্নি বেপারীর উৎসবমুখর গণসংযোগ”

    “ঢাকা-১০: লাঙ্গল মার্কার বহ্নি বেপারীর উৎসবমুখর গণসংযোগ”

    নিজস্ব প্রতিবেদক:

    ঢাকা ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ঢাকা-১০ আসনে সরগরম হয়ে উঠেছে নির্বাচনী মাঠ। রোববার (২৫ জানুয়ারি) দিনভর ধানমন্ডি, হাজারীবাগ ও ঝাউচর বেড়িবাঁধ এলাকায় ব্যাপক গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ করেছেন জাতীয় পার্টির মনোনীত প্রার্থী বহ্নি বেপারী। লাঙ্গল মার্কার এই প্রার্থীর পদচারণায় এদিন উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। গণসংযোগকালে বহ্নি বেপারী ভোটারদের দ্বারে দ্বারে যান এবং তাদের সুখ-দুঃখের কথা শোনেন।

    এর আগে তিনি ধানমন্ডির নিজাম শংকর প্লাজা, ইবনে সিনা হাসপাতাল গলি ও ছায়ানট প্রাঙ্গণ এলাকায় স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় অংশ নেন। এরশাদের উন্নয়নই আমাদের শক্তি ঝাউচর বেড়িবাঁধ এলাকায় এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বহ্নি বেপারী বলেন, “ঢাকার আধুনিকায়নে পল্লীবন্ধু হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের অবদান অনস্বীকার্য।

    ১৯৮৮ সালের ভয়াবহ বন্যার হাত থেকে ঢাকাবাসীকে বাঁচাতে তিনি যে ঐতিহাসিক বেড়িবাঁধ নির্মাণ করেছিলেন, আজ সেই বাঁধের ওপর দাঁড়িয়েই আমরা সমৃদ্ধির স্বপ্ন দেখছি।” তিনি আরও যোগ করেন, “ঢাকার উন্নয়নের ভিত্তি স্থাপিত হয়েছিল এরশাদ সরকারের আমলেই। মানুষ আজও তাকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করে।”

    সুষ্ঠু ভোট হলে জয়ের ব্যাপারে শতভাগ আশাবাদী নির্বাচন প্রসঙ্গে এই নারী প্রার্থী বলেন, “যদি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন হয়, তবে ঢাকা-১০ আসনে লাঙ্গল মার্কা শতভাগ বিজয়ী হবে। আমি একজন নারী প্রার্থী হিসেবে সাধারণ মানুষের অভাবনীয় সাড়া পাচ্ছি। সমাজ এগিয়ে যাচ্ছে, ভোটাররা এখন পরিবর্তন চান।” দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করে তিনি আরও বলেন, “জাতীয় পার্টি উন্নয়নের রূপকার, কোনো দুর্নীতির আখড়া নয়। আমরা চাই দুর্নীতিমুক্ত একটি রাষ্ট্র ব্যবস্থা।

    দেশ ও জনগণের কল্যাণে লাঙ্গলকে একবার সুযোগ দেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।” উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় নেতৃবৃন্দ গণসংযোগ চলাকালে বহ্নি বেপারীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন, ধানমন্ডি থানা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক শাহ আলম দেওয়ান, কলাবাগান থানা জাতীয় পার্টির সভাপতি মো. অপু শিকদার সহ ধানমন্ডি, হাজারীবাগ ও কলাবাগান এলাকার জাতীয় পার্টির বিভিন্ন স্তরের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী ও সমর্থক।

    উল্লেখ্য, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, শিশু সাহিত্যিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে পরিচিত বহ্নি বেপারী ঢাকা-১০ আসনে প্রার্থী হওয়ার পর থেকেই স্থানীয় রাজনীতির পাদপ্রদীপে উঠে এসেছেন। পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির কারণে সাধারণ ভোটারদের মাঝে তাকে নিয়ে ব্যাপক আগ্রহ দেখা যাচ্ছে।

  • শিদলাই ইউনিয়ন ভূমি অফিসে ঘুষ ও অনিয়মের অভিযোগ

    শিদলাই ইউনিয়ন ভূমি অফিসে ঘুষ ও অনিয়মের অভিযোগ

    স্টাফ রিপোর্টার:

     

    কুমিল্লা জেলার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার শিদলাই ইউনিয়ন ভূমি অফিসে ঘুষ ও অনিয়মের অভিযোগ ক্রমেই বেড়েই চলেছে। সাধারণ মানুষ জমি সংক্রান্ত কাজের জন্য গেলে এখানে সরকারি নিয়মের পরিবর্তে ব্যক্তিগত লেনদেন ও দালাল ব্যবস্থার শিকার হচ্ছেন। স্থানীয়রা জানাচ্ছেন, এই অনিয়ম ও ঘুষের কারণে সাধারণ মানুষ অর্থনৈতিক ও সামাজিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।

    সমাজের নানা ক্ষেত্রে দুর্নীতি এমন এক নোঙ্গর হয়ে দাঁড়িয়েছে, যা দেশের উন্নয়নকে বাধাগ্রস্ত করছে। শিদলাই ইউনিয়ন ভূমি অফিসও এর ব্যতিক্রম নয়। স্থানীয়দের অভিযোগ, নায়েব ভূমি সহকারী কর্মকর্তা শাহজাদী তাহমিনা, যিনি এলাকায় ‘নায়েক শাহজাদী’ নামে পরিচিত, সরকারি বেতন মাত্র ৪০–৫০ হাজার টাকার মধ্যে থাকলেও নানা অনিয়মের মাধ্যমে কোটি কোটি টাকার অঢেল সম্পদের মালিক হয়েছেন।

    ভুক্তভোগীদের বরাত দিয়ে জানা যায়, জমি সংক্রান্ত যে কোনো কাজ—খারিজ, নামজারি, খাজনা, পর্চা—শাহজাদী তাহমিনার মাধ্যমে হলে মোটা অঙ্কের অর্থ দিতে হয়। শিদলাই ইউনিয়ন পরিষদের বেড়াখলা গ্রামের রুজিনা লেখম জানান, তিনি বাবার জমি নামজারি করতে গেলে শাহজাদী তাহমিনা তার নিকট ১৯ হাজার টাকা গ্রহণ করে খারিজ কার্যক্রম সম্পন্ন করেন। একইভাবে, ইতালি প্রবাসী মোঃ ফারুক সরকার জানান, মসজিদের নামে জমি ওয়াকল করেও তিনি শাহজাদী তাহমিনার নিকট ৪২ হাজার টাকা দিয়েই নামজারি কার্যক্রম সম্পন্ন করতে বাধ্য হন।

    স্থানীয়রা আরও অভিযোগ করেছেন, জমি সংক্রান্ত কাজের জন্য ফাইল জিম্মি রাখা, দালাল ব্যবহার এবং মোটা অঙ্কের টাকা আদায়ই শিদলাই ইউনিয়ন ভূমি অফিসের মূল ধারা হয়ে দাঁড়িয়েছে। ভুক্তভোগী হালিমা আক্তার জানান, নায়েব ছাড়া কোনো কাজই এখানে হয় না, অফিসের অন্যান্য কর্মকর্তা বা কর্মচারী কার্যক্রমে সরাসরি অংশগ্রহণ করেন না।

    জমির কাজের জটিলতা অনুযায়ী অর্থের পরিমাণও ভিন্ন হয়। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, সাধারণ নামজারির জন্য কয়েক হাজার টাকা, জটিল জমির ক্ষেত্রে ১০ হাজার থেকে ২ লাখ টাকা পর্যন্ত খরচ দিতে হয়। নজরুল ইসলাম খন্দকার জানান, তার একটি জমি বিক্রির কারণে নামজারি করতে গিয়ে শাহজাদী তাহমিনা দালাল রাসেলের মাধ্যমে ১৯ হাজার টাকা নেন। এমন ঘটনা নিয়মিত পর্যায়ে ঘটছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

    শাহজাদী তাহমিনার কার্যক্রম শুধু অর্থের লেনদেনেই সীমাবদ্ধ নয়; গ্রাহকদের সঙ্গে আচরণও ন্যায্য নয়। এক প্রবাসী জানান, জমির জন্য তিনি অফিসে গেলে নায়েব তার সঙ্গে অসম্মানজনক আচরণ করেছেন এবং টাকা ছাড়া কোনো কাজ সম্পন্ন হয়নি। স্থানীয়রা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন, এই ধরনের কর্মকাণ্ড চলতে থাকলে সাধারণ মানুষের মধ্যে অসন্তোষ আরও বৃদ্ধি পাবে।

    স্থানীয় দালালরা বলছেন, নায়েবের অধীনে লেনদেনের ক্ষেত্রে দালালদের মাধ্যমে টাকা আদায় করা হয়। মোঃ আবু কাউছার জানান, জমির খাজনা আদায় ও নামজারি কার্যক্রমে নায়েবের অনুমতি ছাড়া কোনো কাজ সম্পন্ন হয় না। প্রাক্তন পুলিশ কর্মকর্তা মোঃ আবু জাহের জানান, নায়েব নিজের সুবিধার জন্য সমস্ত ফাইলের ওপর নিয়ন্ত্রণ রাখেন এবং বিনা অর্থে কোনো কাজ করতে দেন না।

    শাহজাদী তাহমিনা দীর্ঘদিন ধরে ভূমি অফিসে কাজ করছেন। সরকারি চাকরির পাশাপাশি তিনি নানাভাবে মোটা অঙ্কের সম্পদ অর্জন করেছেন। স্থানীয়দের অভিযোগ, তিনি দালালদের মাধ্যমে কাজ করান এবং জমি সংক্রান্ত যেকোনো জটিল কাজে অর্থ আদায় করে থাকেন।

    অপরাধ বিচিত্রা প্রতিনিধিকে এক সাক্ষাৎকারে নায়েব তাহমিনা বলেন, “ভাই, আমার চাকরি আর এক বছর আছে, এ সময় সংবাদ প্রকাশ না করার অনুরোধ করছি। আমি সরকারি নিয়ম মেনে কাজ করি।” অন্যদিকে, উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি ফোন রিসিভ না করার কারণে বিষয়টি যাচাই সম্ভব হয়নি। তিনি জানান, যদি যথাযথ অভিযোগ প্রমাণিত হয়, তাহলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    স্থানীয়রা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন, যদি এমন অনিয়ম চলতে থাকে, তাহলে প্রশাসনিক ব্যবস্থা ও জনবিশ্বাসের ক্ষতি হবে। শিদলাই ইউনিয়ন ভূমি অফিসের ফাইল জিম্মি, দালাল ব্যবস্থাপনা এবং মোটা অঙ্কের অর্থ আদায়ের ফলে সাধারণ মানুষ আর্থিক ও সামাজিকভাবে হুমকির মুখে পড়ছেন।

    একজন দালাল আশরাফ জানান, “আমি কাজের জন্য টাকা নিয়েছি, কিন্তু তা নায়েবকে দিয়েছি। সরকারী ফি থাকলেও নায়েবের মাধ্যমে কাজ করতে গেলে অতিরিক্ত অর্থ দিতে হয়।” ইতালি প্রবাসী মোঃ শরিফুল ইসলাম বলেন, “শাহজাদী তাহমিনা টাকা নিয়ে কাজ সম্পন্ন করেন না। আমার জমি নামজারি করতে গিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। আমি বাধ্য হয়ে উচ্চতর কর্মকর্তার কাছে যেতে বাধ্য হই।”

    বিএনপি ইউনিয়ন সভাপতি মোঃ বায়েজিদ হোসেন রানা জানান, নায়েব নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না এবং প্রতিটি ফাইলের জন্য অর্থ আদায় করেন। তিনি বলেন, “আমরা অফিসে গিয়ে বিষয়টি বুঝানোর চেষ্টা করেছি, কিন্তু নায়েব আমাদের কথা তোয়াক্কা করেন না। তিনি নিজের ঘুষের রাজত্ব বজায় রাখছেন।”

    প্রতিনিধিকে নায়েবের সঙ্গে সরাসরি সাক্ষাৎকারের সময় দেখা যায়, তিনি সাংবাদিককে চায়ের আপ্যায়নের মাধ্যমে বিষয়টি ‘নির্ধারিত’ করার চেষ্টা করেছিলেন। এই ঘটনা প্রমাণ করে, শিদলাই ইউনিয়ন ভূমি অফিসে ঘুষ ও অনিয়ম কেবল সাধারণ জনগণের জন্য নয়, সাংবাদিকতার জন্যও চ্যালেঞ্জ সৃষ্টি করছে।

    স্থানীয়রা সরকারের দ্রুত পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন। তারা আশা করছেন, নায়েব শাহজাদী তাহমিনার বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করলে ভূমি অফিসে স্বচ্ছতা ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে এবং সাধারণ মানুষ নিরাপদ ও সুবিচারমূলক সেবা পাবেন।

    শিদলাই ইউনিয়ন ভূমি অফিসে দীর্ঘদিন ধরে চলমান এই অনিয়ম এবং ঘুষের চক্র ভেঙে দেওয়া না গেলে, এটি কেবল ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলায় নয়, আশেপাশের এলাকা থেকেও ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। স্থানীয় জনগণ সতর্ক করে বলেছেন, সরকারি পদে থাকা কর্মকর্তা যদি নিজের স্বার্থে চলেন, তাহলে জনগণের আস্থা হারিয়ে যাবে এবং প্রশাসনিক ব্যবস্থার প্রতি মানুষের বিশ্বাস ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

    উপজেলা নির্বাহী অফিসার অপরাধ বিচিত্রাকে জানিয়েছেন, তিনি অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে রিপোর্ট করেছেন। সরকারি পদে থাকা কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত পদক্ষেপ নিলে শিদলাই ইউনিয়ন ভূমি অফিসের অনিয়ম বন্ধ করা সম্ভব হবে বলে আশা করছেন স্থানীয়রা।

  • ঢাকা-১০ আসনে লাঙ্গলের পক্ষে বহ্নি বেপারীর ব্যাপক গণসংযোগ

    ঢাকা-১০ আসনে লাঙ্গলের পক্ষে বহ্নি বেপারীর ব্যাপক গণসংযোগ

     

    নিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকা

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১০ আসনে জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য প্রার্থী, বিশিষ্ট শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও শিশু সাহিত্যিক বহ্নি বেপারী লাঙ্গল মার্কার সমর্থনে ব্যাপক গণসংযোগ ও নির্বাচনী প্রচারণা চালিয়েছেন। গতকাল রোববার (২৫ জানুয়ারি) রাজধানীর ধানমন্ডি ও এর আশপাশের এলাকায় ভোটারদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে তিনি ভোট প্রার্থনা করেন।

    উন্নয়ন ও ঐতিহ্যের আহ্বানে ভোটারদের দ্বারে বহ্নি বেপারী:
    গণসংযোগকালে বহ্নি বেপারী ধানমন্ডির নিজাম শংকর প্লাজা (১৫/এ), ইবনে সিনা হাসপাতাল গলি এবং ছায়ানট প্রাঙ্গণসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে সাধারণ ভোটারদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। এ সময় স্থানীয় বাসিন্দারা তাঁকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান।

    প্রার্থীকে নিয়ে জাতীয় পার্টির নেতাকর্মীরা লিফলেট বিতরণ করেন এবং সাধারণ মানুষের কাছে লাঙ্গল মার্কায় ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান। গণসংযোগকালে কলাবাগান থানা জাতীয় পার্টির সভাপতি মো. অপু সিকদার, ধানমন্ডি থানা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক শাহ আলম দেওয়ান, মহিলা নেত্রী নাজমা আক্তারসহ দলের বিভিন্ন স্তরের স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

    ‘উন্নত ঢাকার ভিত্তি গড়েছিলেন এরশাদ’:
    গণসংযোগ শেষে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বহ্নি বেপারী বলেন, “পল্লীবন্ধু হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের অবদান এ দেশের মানুষ কোনোদিন ভুলবে না। আজকের আধুনিক ও উন্নত ঢাকার রূপকার ছিলেন তিনি। বিশেষ করে ১৯৮৮ সালের প্রলয়ঙ্করী বন্যার পর ঢাকাবাসীকে রক্ষায় তিনি যে বেড়িবাঁধ নির্মাণ করেছিলেন, তা রাজধানীর উন্নয়নের মাইলফলক হয়ে আছে।”

    তিনি আরও বলেন, “হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ এই ঢাকাকে তিলোত্তমা ঢাকা হিসেবে গড়ে তুলেছিলেন। সেই তিলোত্তমা ঢাকা আর নেই। আমি নির্বাচিত হলে সেই তিলোত্তমা ঢাকাকে আবারও ফিরিয়ে আনবো। আর ঢাকা-১০ আসন থেকেই শুরু হবে তিলোত্তমা ঢাকা গড়ার কাজ।”

    তিনি আরও যোগ করেন, “জাতীয় পার্টি উন্নয়নের রাজনীতিতে বিশ্বাসী। সাধারণ মানুষ আজও এরশাদ সরকারের আমলের সুশাসনের কথা স্মরণ করে।”

    সুষ্ঠু নির্বাচনে জয়ের ব্যাপারে শতভাগ আশাবাদী:
    নির্বাচনের পরিবেশ প্রসঙ্গে বহ্নি বেপারী আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, “যদি আসন্ন নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হয়, তবে ঢাকা-১০ আসনে লাঙ্গল মার্কা শতভাগ বিজয়ী হবে, ইনশাআল্লাহ।” ভোটারদের স্বতঃস্ফূর্ত সাড়ায় তিনি জয়ের ব্যাপারে অত্যন্ত আত্মবিশ্বাসী বলে জানান। প্রচারণা শেষে লাঙ্গলের সমর্থনে নেতাকর্মীদের স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে পুরো ধানমন্ডি এলাকা।

  • ঢাকা-১০ আসনে লাঙ্গলের পক্ষে বহ্নি বেপারীর ব্যাপক গণসংযোগ

    ঢাকা-১০ আসনে লাঙ্গলের পক্ষে বহ্নি বেপারীর ব্যাপক গণসংযোগ

    নিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকা

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১০ আসনে জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য প্রার্থী, বিশিষ্ট শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও শিশু সাহিত্যিক বহ্নি বেপারী লাঙ্গল মার্কার সমর্থনে ব্যাপক গণসংযোগ ও নির্বাচনী প্রচারণা চালিয়েছেন। গতকাল রোববার (২৫ জানুয়ারি) রাজধানীর ধানমন্ডি ও এর আশপাশের এলাকায় ভোটারদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে তিনি ভোট প্রার্থনা করেন।

    উন্নয়ন ও ঐতিহ্যের আহ্বানে ভোটারদের দ্বারে বহ্নি বেপারী:
    গণসংযোগকালে বহ্নি বেপারী ধানমন্ডির নিজাম শংকর প্লাজা (১৫/এ), ইবনে সিনা হাসপাতাল গলি এবং ছায়ানট প্রাঙ্গণসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে সাধারণ ভোটারদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। এ সময় স্থানীয় বাসিন্দারা তাঁকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান।

    প্রার্থীকে নিয়ে জাতীয় পার্টির নেতাকর্মীরা লিফলেট বিতরণ করেন এবং সাধারণ মানুষের কাছে লাঙ্গল মার্কায় ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান। গণসংযোগকালে কলাবাগান থানা জাতীয় পার্টির সভাপতি মো. অপু সিকদার, ধানমন্ডি থানা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক শাহ আলম দেওয়ান, মহিলা নেত্রী নাজমা আক্তারসহ দলের বিভিন্ন স্তরের স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

    ‘উন্নত ঢাকার ভিত্তি গড়েছিলেন এরশাদ’:
    গণসংযোগ শেষে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বহ্নি বেপারী বলেন, “পল্লীবন্ধু হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের অবদান এ দেশের মানুষ কোনোদিন ভুলবে না। আজকের আধুনিক ও উন্নত ঢাকার রূপকার ছিলেন তিনি। বিশেষ করে ১৯৮৮ সালের প্রলয়ঙ্করী বন্যার পর ঢাকাবাসীকে রক্ষায় তিনি যে বেড়িবাঁধ নির্মাণ করেছিলেন, তা রাজধানীর উন্নয়নের মাইলফলক হয়ে আছে।”

    তিনি আরও বলেন, “হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ এই ঢাকাকে তিলোত্তমা ঢাকা হিসেবে গড়ে তুলেছিলেন। সেই তিলোত্তমা ঢাকা আর নেই। আমি নির্বাচিত হলে সেই তিলোত্তমা ঢাকাকে আবারও ফিরিয়ে আনবো। আর ঢাকা-১০ আসন থেকেই শুরু হবে তিলোত্তমা ঢাকা গড়ার কাজ।”

    তিনি আরও যোগ করেন, “জাতীয় পার্টি উন্নয়নের রাজনীতিতে বিশ্বাসী। সাধারণ মানুষ আজও এরশাদ সরকারের আমলের সুশাসনের কথা স্মরণ করে।”

    সুষ্ঠু নির্বাচনে জয়ের ব্যাপারে শতভাগ আশাবাদী:
    নির্বাচনের পরিবেশ প্রসঙ্গে বহ্নি বেপারী আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, “যদি আসন্ন নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হয়, তবে ঢাকা-১০ আসনে লাঙ্গল মার্কা শতভাগ বিজয়ী হবে, ইনশাআল্লাহ।” ভোটারদের স্বতঃস্ফূর্ত সাড়ায় তিনি জয়ের ব্যাপারে অত্যন্ত আত্মবিশ্বাসী বলে জানান। প্রচারণা শেষে লাঙ্গলের সমর্থনে নেতাকর্মীদের স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে পুরো ধানমন্ডি এলাকা।

  • যমুনার চরে উষ্ণতার ছোঁয়া: তিন শতাধিক শিক্ষার্থীর মুখে হাসি ফোটাল শীতবস্ত্র

    যমুনার চরে উষ্ণতার ছোঁয়া: তিন শতাধিক শিক্ষার্থীর মুখে হাসি ফোটাল শীতবস্ত্র

    আলমাস হোসাইন :
    কনকনে শীতে কাঁপছে যমুনার চরাঞ্চল। চারদিকে ধু-ধু বালুচর, কুয়াশায় ঢেকে থাকা সকাল আর ঠান্ডা বাতাসে স্কুলমুখী ছোট ছোট শিশুরা। অনেকের গায়েই নেই পর্যাপ্ত শীতের পোশাক। শীত উপেক্ষা করেই তারা ছুটে আসে পাঠশালায়—স্বপ্ন দেখার টানে।
    ঠিক এমন সময় তাদের পাশে দাঁড়াল একটি সামাজিক সংগঠন।
    মানিকগঞ্জের শিবালয় উপজেলার দুর্গম যমুনা চরাঞ্চলের আলোকদিয়া বাতেনের পাড়া নূরানী মাদরাসা মাঠে রবিবার (২৫ জানুয়ারি) ভিন্ন এক দৃশ্যের দেখা মেলে। ‘বৃন্ত’ নামের সামাজিক সংগঠনের উদ্যোগে তিন শতাধিক শিক্ষার্থীর হাতে তুলে দেওয়া হয় শীতের উষ্ণ সোয়েটার। ঢাকা উত্তর ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মাহফুজ ইকবালের নেতৃত্বে আয়োজিত এ কার্যক্রমে দুইটি মাদরাসা ও দুইটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা অংশ নেয়।
    সোয়েটার পেয়ে শিশুদের চোখেমুখে ছিল আনন্দের ঝিলিক। কেউ সঙ্গে সঙ্গেই গায়ে জড়িয়ে নেয়, কেউ আবার বন্ধুদের দেখিয়ে হাসে। যেন ছোট্ট একটি উপহারেই শীতের কষ্ট কিছুটা ভুলে গেছে তারা।
    স্থানীয়রা জানান, চরাঞ্চলের অধিকাংশ পরিবারই দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাস করে। নিত্যপ্রয়োজনীয় চাহিদা মেটাতেই যেখানে হিমশিম খেতে হয়, সেখানে শীতের বাড়তি পোশাক অনেকের জন্য বিলাসিতা। ফলে অনেক শিক্ষার্থী পুরোনো বা পাতলা কাপড় পরেই স্কুলে আসে।
    কয়েকজন শিক্ষার্থী জানায়, বাসায় শীতের কাপড় থাকলেও স্কুলে পরার মতো ভালো পোশাক ছিল না। নতুন সোয়েটার পেয়ে তারা খুব খুশি।
    উদ্যোক্তারা জানান, সমাজের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর লক্ষ্য থেকেই এ আয়োজন। মাহফুজ ইকবাল বলেন, সাধারণ মানুষের কল্যাণে কাজ করাই আমাদের দায়িত্ব। দুর্গম এ চরাঞ্চলে শিক্ষার্থীদের জন্য সামান্য কিছু করতে পেরে আমরা আনন্দিত। ভবিষ্যতেও এ ধরনের মানবিক কার্যক্রম চালু থাকবে।
    এ সময় সংগঠনের অন্যান্য নেতাকর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন।
    শীতের সকালে চরাঞ্চলের শিশুদের মুখে যে হাসি ফুটেছিল, সেটিই যেন প্রমাণ করে—সামান্য সহযোগিতাও অনেক বড় উষ্ণতা হয়ে উঠতে পারে।

  • আশুলিয়ায় অটোরিকশা চুরি চক্রের দুই সদস্য গ্রেফতার

    আশুলিয়ায় অটোরিকশা চুরি চক্রের দুই সদস্য গ্রেফতার

    আলমাস হোসাইন | ঢাকা প্রতিনিধি
    ঢাকার আশুলিয়ায় সক্রিয় অটোরিকশা চোর চক্রের দুই সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় তাদের কাছ থেকে চোরাইকৃত ৩টি মিশুক অটোরিকশা উদ্ধার করা হয়।
    শনিবার (২৪ জানুয়ারি) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ রুবেল হাওলাদার।
    পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শুক্রবার দুপুর আড়াইটার দিকে আশুলিয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রধান ফটকের সামনে অভিযান চালিয়ে একটি চোরাইকৃত মিশুক অটোরিকশাসহ মোঃ সজিব (২২) নামে এক যুবককে আটক করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে সে চক্রের আরেক সদস্য সেকেন্দারের নাম প্রকাশ করে।
    পরে রাতে আশুলিয়ার ঘোষবাগ সুতলির মোড় এলাকায় অভিযান চালিয়ে মোঃ সেকেন্দার (৩০)-কে গ্রেপ্তার করা হয়। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে স্থানীয় মোঃ হাফিজের একটি গ্যারেজে তল্লাশি চালিয়ে আরও দুটি চোরাইকৃত অটোরিকশা উদ্ধার করে পুলিশ।
    আটক সজিব ময়মনসিংহ জেলার মুক্তাগাছা থানার চেচুয়া এলাকার মৃত আনিছের ছেলে এবং সেকেন্দার গাইবান্ধা জেলার সুন্দরগঞ্জ থানার ফকিরপাড়া কাজীদাহ এলাকার মৃত আনিছুর রহমানের ছেলে। তারা বর্তমানে আশুলিয়ার জিরাবো ও ঘোষবাগ এলাকায় বসবাস করছিল বলে জানা গেছে।
    ওসি রুবেল হাওলাদার জানান, গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে আশুলিয়া থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং শনিবার সকালে তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।

  • ঢাকা জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি রুবেল হাওলাদার

    ঢাকা জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি রুবেল হাওলাদার

    আলমাস হোসাইন | ঢাকা প্রতিনিধি:
    ঢাকা জেলার শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. রুবেল হাওলাদার, পিপিএম।

    সোমবার (১৯ জানুয়ারি) দুপুরে ঢাকা জেলার ঐতিহ্যবাহী মিল ব্যারাক পুলিশ লাইন্সের কনফারেন্স রুমে অনুষ্ঠিত মাসিক কল্যাণ, প্রশাসনিক ও অপরাধ পর্যালোচনা সভায় তার হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট ও সনদপত্র তুলে দেন ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান।

    পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫ সালের ৭ ডিসেম্বর আশুলিয়া থানার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই ওসি রুবেল হাওলাদারের পেশাদার ও সময়োপযোগী নেতৃত্বে থানার সার্বিক কার্যক্রমে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি আসে। আইন-শৃঙ্ঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ, অপরাধ দমন, অপরাধীদের দ্রুত গ্রেপ্তার, মামলা গ্রহণে স্বচ্ছতা এবং জনবান্ধব পুলিশিং কার্যক্রম জোরদারে তার ভূমিকা বিশেষভাবে প্রশংসিত হয়। সার্বিক মূল্যায়নের ভিত্তিতেই তাকে ঢাকা জেলা পুলিশের শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ হিসেবে নির্বাচিত করা হয়।

    এই অর্জনে আশুলিয়াবাসীর মধ্যে সন্তোষ প্রকাশ পেয়েছে। স্থানীয় ব্যবসায়ী, জনপ্রতিনিধি ও সচেতন নাগরিকরা বলেন, ওসি রুবেল হাওলাদারের দায়িত্ব গ্রহণের পর এলাকায় পুলিশের উপস্থিতি ও সেবার মান বেড়েছে, সাধারণ মানুষ এখন আগের চেয়ে বেশি নিরাপদ বোধ করছেন।

    এ বিষয়ে ওসি মো. রুবেল হাওলাদার বলেন,ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার জনাব মো. মিজানুর রহমান স্যারের নেতৃত্বে আশুলিয়া থানার সকল অফিসার ও ফোর্স একসঙ্গে কাজ করছে। এই স্বীকৃতি পুরো টিমের সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফল। আশুলিয়াকে একটি শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদ জনপদ হিসেবে গড়ে তুলতেই আমরা কাজ করে যাচ্ছি।

  • ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সিদ্ধিরগঞ্জ থানাধীন কাঁচপুর এলাকায় ‘রিভারভিউ হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্টে’ অসামাজিক কার্যকলাপের অভিযোগ

    ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সিদ্ধিরগঞ্জ থানাধীন কাঁচপুর এলাকায় ‘রিভারভিউ হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্টে’ অসামাজিক কার্যকলাপের অভিযোগ

    1. রিপোর্ট: নিজস্ব প্রতিবেদক

    ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সিদ্ধিরগঞ্জ থানাধীন কাঁচপুর ব্রিজে ওঠার আগে বাম পাশে অবস্থিত ‘রিভারভিউ হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্ট’-এ দীর্ঘদিন ধরে দেহ ব্যবসা, মাদক সেবন ও কারবারসহ বিভিন্ন ধরনের অসামাজিক কার্যকলাপ পরিচালিত হচ্ছে বলে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় বাসিন্দা, পথচারী ও একাধিক নির্ভরযোগ্য সূত্রের দাবি, নামমাত্র একটি হোটেল-রেস্টুরেন্টের সাইনবোর্ড ব্যবহার করে প্রতিষ্ঠানটি কার্যত অনৈতিক কর্মকাণ্ডের নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে।

    অভিযোগ অনুযায়ী, হোটেলটির মালিক জাহিদ ও ম্যানেজার বাবুর প্রত্যক্ষ মদদে এসব কর্মকাণ্ড সংঘটিত হচ্ছে। এলাকাবাসীর ভাষ্য, দিনের বেলায় হোটেল-রেস্টুরেন্টের আড়ালে ব্যবসা চললেও সন্ধ্যার পর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত সেখানে অপরিচিত নারী-পুরুষের যাতায়াত বেড়ে যায় এবং সন্দেহজনক কার্যকলাপ স্পষ্টভাবে লক্ষ্য করা যায়।

    স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, মহাসড়কের পাশে গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে থাকা সত্ত্বেও দীর্ঘদিন ধরে এসব কর্মকাণ্ড নির্বিঘ্নে চলতে থাকায় সাধারণ মানুষের মধ্যে চরম আতঙ্ক ও ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে শিক্ষার্থী ও যুবসমাজের নৈতিক অবক্ষয়ের জন্য এ ধরনের কর্মকাণ্ড মারাত্মক হুমকি হয়ে উঠছে বলে মনে করছেন সচেতন নাগরিকরা।

    এ বিষয়ে অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে সাংবাদিকরা হোটেলটির ম্যানেজার বাবুর সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি অত্যন্ত দায়িত্বজ্ঞানহীন ও হুমকিমূলক বক্তব্য দেন বলে অভিযোগ রয়েছে। বাবু দাবি করেন, “আমরা থানা ম্যানেজ করেই চালাচ্ছি, আপনারা পারলে কিছু করে দেখান।” —এ ধরনের বক্তব্য প্রশাসনিক স্বচ্ছতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে।

    এলাকাবাসীর অভিযোগ, স্থানীয়ভাবে একাধিকবার আপত্তি ও অভিযোগ জানানো হলেও কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। ফলে তারা প্রশাসনের নিরপেক্ষতা ও কার্যকারিতা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করছেন।

    এ বিষয়ে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাংবাদিকদের বলেন,
    “আমার জানামতে এরকম কাজ হয় না। যেহেতু আপনি বলেছেন, আমি এক্ষুনি গাড়ি পাঠিয়ে ব্যবস্থা নিচ্ছি।”

    পরিস্থিতির ভয়াবহতা বিবেচনায় নিয়ে এলাকাবাসী এখন কেবল বেসামরিক প্রশাসনের ওপর ভরসা রাখতে পারছেন না বলে জানিয়েছেন। তাদের জোরালো দাবি, অবিলম্বে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ওই হোটেলটিতে চলমান সব ধরনের অসামাজিক ও অবৈধ কার্যক্রম বন্ধ করতে হবে এবং এর সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে হবে।

    এ বিষয়ে হোটেল মালিক মালিক জাহিদ এর বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা করা হলেও প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তাদের কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

    সচেতন মহল মনে করছেন, দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্ত ও দৃশ্যমান পদক্ষেপ না নিলে ভবিষ্যতে এই এলাকার সামাজিক পরিবেশ আরও ভয়াবহভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

  • টঙ্গীতে রাজমহল ও মঞ্জুরি দুই হোটেলে মাদক ও দেহব্যবসার অভিযোগ, স্থানীয়দের উদ্বেগ

     

    গাজীপুর প্রতিনিধি:-

    টঙ্গী বাজার রাজমহল ও মঞ্জুরী দুটি আবাসিক হোটেলে মাদক সেবন ও দেহব্যবসাসহ অবৈধ কার্যক্রম চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, ‘রাজমহল’ ও ‘মঞ্জুরি’ নামের এই দুটি হোটেলে দীর্ঘদিন ধরে এসব অসামাজিক কার্যকলাপ পরিচালিত হচ্ছে।
    এলাকাবাসীদের অভিযোগ, হোটেল দুটিতে রাতের বেলা সন্দেহজনক ব্যক্তিদের আনাগোনা দেখা যায়। বিশেষ করে তরুণ-তরুণীদের অবাধ যাতায়াত এবং মাদক সেবনের ঘটনা নিয়মিত ঘটছে বলে তারা জানান।
    একজন স্থানীয় ব্যবসায়ী নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “এই দুটি হোটেল এলাকার জন্য মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এখানে প্রতিদিন বিভিন্ন ধরনের অসামাজিক কার্যকলাপ চলে। বিষয়টি নিয়ে আমরা একাধিকবার প্রশাসনকে অবহিত করলেও কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।”
    এলাকার অভিভাবকরা জানান, হোটেল দুটির কারণে তাদের সন্তানদের নিরাপত্তা নিয়ে তারা উদ্বিগ্ন। তারা বলেন, এখানে মাদক সহজলভ্য থাকায় যুবকদের মধ্যে মাদকাসক্তি বাড়ছে।
    স্থানীয় সামাজিক সংগঠনগুলো হোটেল দুটির বিরুদ্ধে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছে। তারা বলছেন, প্রশাসনের উদাসীনতার কারণে এই অবৈধ কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
    টঙ্গী থানার একজন কর্মকর্তা জানান, এ ধরনের অভিযোগ পাওয়া গেলে তদন্ত করা হয়। তবে সুনির্দিষ্ট তথ্যপ্রমাণসহ অভিযোগ দায়ের করা হলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব।
    এলাকাবাসী বলছেন, হোটেল দুটিতে নিয়মিত অভিযান চালিয়ে অবৈধ কার্যক্রম বন্ধ করা না হলে এলাকায় সামাজিক অবক্ষয় আরও বৃদ্ধি পাবে। তারা প্রশাসনের কাছে দ্রুত এবং কার্যকর পদক্ষে আশা করেছেন।

  • আশুলিয়ার টঙ্গাবাড়ী থেকে ১০০ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

    আশুলিয়ার টঙ্গাবাড়ী থেকে ১০০ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

    আলমাস হোসাইন | ঢাকা জেলা প্রতিনিধি 
    ঢাকার আশুলিয়ায় অভিযান চালিয়ে ১০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ দুই পেশাদার মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা জেলা উত্তর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
    বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) সকালে ঢাকা জেলা উত্তর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. সাইদুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
    তিনি জানান, এর আগে বুধবার (১৪ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ১১টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আশুলিয়া থানার টঙ্গাবাড়ী এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয়ের সময় দুই কারবারিকে হাতেনাতে আটক করা হয়। এ সময় তাদের হেফাজত থেকে ১০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
    গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন— সিরাজগঞ্জ জেলার সদর থানার কোনাগাতী এলাকার মৃত আবু বক্কর সরকারের ছেলে সাকমান হোসেন (৪৬) এবং ঢাকা জেলার আশুলিয়া থানার টঙ্গাবাড়ী এলাকার মো. আ. জলিলের ছেলে মানিক (৩০)।
    ডিবি পুলিশ জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃতরা দীর্ঘদিন ধরে সাভার-আশুলিয়াসহ আশপাশের এলাকায় মাদক সরবরাহ করে আসছিল বলে স্বীকার করেছে। তারা একটি সংঘবদ্ধ মাদক চক্রের সক্রিয় সদস্য।
    এ বিষয়ে ডিবি পুলিশের ওসি মো. সাইদুল ইসলাম বলেন, গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে আশুলিয়া থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে। পরে বৃহস্পতিবার দুপুরে তাদের বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে।