Author: DBC

  • ভোটকেন্দ্র পরিদর্শনে ডা. দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দীন বাবু

    ভোটকেন্দ্র পরিদর্শনে ডা. দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দীন বাবু

    সুষ্ঠু পরিবেশে ভোটগ্রহণ, বিজয় নিয়ে আশাবাদী বিএনপি প্রার্থী

    আলমাস হোসাইন | ঢাকা প্রতিনিধি
    ঢাকা-১৯ (সাভার-আশুলিয়া) আসনের বাংলাদেশ জাতীয়বাদী দল বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের মনোনীত প্রার্থী ডা. দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দীন বাবু নির্বাচনী এলাকার বিভিন্ন ভোটকেন্দ্র পরিদর্শন করেছেন।

    ভোটগ্রহণ শুরুর পর তিনি সাভারের জিরাবো দেওয়ান ইদ্রিস কলেজ কেন্দ্রসহ একাধিক কেন্দ্র ঘুরে দেখেন। এসময় তিনি গাজীর চট, আড়পাড়া মন্ডল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং সড়কের অপর পাশে অবস্থিত নারী ভোটারদের জন্য নির্ধারিত কয়েকটি কেন্দ্র পরিদর্শন করেন।

    ডেন্ডাবর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে ডা. সালাউদ্দীন বাবু বলেন,আজ সকালে আমি নিজে জিরাবো দেওয়ান ইদ্রিস কলেজ কেন্দ্রে ভোট দিয়েছি। এটি আমার নিজ গ্রাম এবং এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটি আমি নিজেই প্রতিষ্ঠা করেছি। বিভিন্ন কেন্দ্র ঘুরে যে চিত্র দেখেছি, তাতে ভোটের পরিবেশ সন্তোষজনক। ভোটাররা উৎসবমুখর পরিবেশে স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোট দিচ্ছেন।

    তিনি আরও বলেন, আমার কাছে মনে হচ্ছে এই সুষ্ঠু পরিবেশ বিকাল পর্যন্ত বজায় থাকবে। এর অন্যতম কারণ হলো আমরা সবাই আচারবিধি মেনে, সহিষ্ণুতা ও স্বচ্ছতার সঙ্গে নির্বাচন পরিচালনার চেষ্টা করেছি। তার ইতিবাচক প্রতিফলন আজ ভোটকেন্দ্রগুলোতে দেখা যাচ্ছে। আমি বিশ্বাস করি, নির্বাচন সুষ্ঠুভাবেই সম্পন্ন হবে।

    নিজের প্রার্থীতা ও নির্বাচনী প্রচারণা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমি এই এলাকার পরিচিত মুখ। আগেও সংসদ সদস্য ছিলাম। একটি রাজনৈতিক পরিবারের সন্তান হিসেবে দীর্ঘদিন মানুষের পাশে থেকেছি। গত ১৭ মাস ধরে নিয়মিত গণসংযোগ করেছি। বিশেষ করে শেষ দুই মাসে আমি অন্য যেকোনো প্রার্থীর চেয়ে বেশি মানুষের কাছে গেছি এবং ভোটারদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলেছি।

    ডা. সালাউদ্দীন বাবু আরও বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছর আমরা নানা ভাবে বঞ্চিত ও লাঞ্ছিত হয়েছি। আজ ভোটারদের যে আগ্রহ ও অংশগ্রহণ দেখছি, তাতে মনে হচ্ছে তারা যোগ্যতা, পরিশ্রম ও বাস্তবতা বিবেচনা করেই সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন।

    সবশেষে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, আমি বিশ্বাস করি, আজ রাতে ফলাফলে দেখা যাবে ভোটাররা আমাকে তাদের জনপ্রতিনিধি হিসেবে বেছে নিয়েছেন। ইনশাআল্লাহ, আমি বিজয়ী হবো। এটাই আমার আশা ও বিশ্বাস।

  • আশুলিয়ায় এক হাজার ৪০ পিস ইয়াবাসহ আটক ১

    আশুলিয়ায় এক হাজার ৪০ পিস ইয়াবাসহ আটক ১

    আলমাস হোসাইন | ঢাকা প্রতিনিধি:
    আশুলিয়ায় সামরিক বাহিনীর ট্রাকশুট পরিধান করে মাদক পাচারের সময় এক হাজার ৪০ পিস ইয়াবা বড়িসহ এক মাদক কারবারিকে আটক করেছে সেনাবাহিনীর গোয়েন্দা সংস্থা।

    মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) দুপুর দেড়টার দিকে সাভার ক্যান্টনমেন্ট এলাকার নবীনগর উত্তরবঙ্গ পরিবহন কাউন্টারের সামনে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়।

    আটক ব্যক্তির নাম সাদ্দাম হোসেন (৩৫)। তিনি কক্সবাজার জেলার দক্ষিণ কলাতলী বালুতলী এলাকার মোজাম্মেল হকের ছেলে।

    সেনা গোয়েন্দা সূত্রে জানা যায়, সাদ্দাম হোসেন সামরিক বাহিনীর ট্রাকশুট পরে নিজেকে সেনা সদস্য হিসেবে পরিচয় দেওয়ার চেষ্টা করেন। এতে সাধারণ মানুষের সন্দেহ এড়ানোর পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজর ফাঁকি দিয়ে মাদক পাচারের পরিকল্পনা ছিল তার।

    সূত্র জানায়, সাদ্দাম হোসেন তার সহযোগী বালুতলী রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বাসিন্দা ইয়ার মোহাম্মদ (৩০) কে সঙ্গে নিয়ে আনুমানিক এক হাজার ৪০ পিস ইয়াবা গাজীপুরের কোনাবাড়ী এলাকায় এক ব্যক্তির কাছে হস্তান্তরের উদ্দেশ্যে সাভার থেকে নবীনগরের দিকে রওনা হন। তারা উত্তরবঙ্গ পরিবহন কাউন্টারে এসে গাজীপুরগামী একটি গাড়িতে ওঠার চেষ্টা করছিল।

    এ সময় সেখানে দায়িত্বরত সেনা গোয়েন্দা মাঠকর্মীদের সন্দেহ হলে তাদের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করা হয়। পরবর্তীতে তল্লাশি চালিয়ে সাদ্দাম হোসেনের কাছ থেকে এক হাজার ৪০ পিস ইয়াবা বড়ি উদ্ধার করা হয়। অভিযানের মুহূর্তে তার সহযোগী ইয়ার মোহাম্মদ কৌশলে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।

    সেনা গোয়েন্দা সূত্র আরও জানায়, আটক সাদ্দাম হোসেন দীর্ঘদিন ধরে মাদক পাচারের সঙ্গে জড়িত ছিল বলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তথ্য পাওয়া গেছে। উদ্ধারকৃত ইয়াবাগুলো কক্সবাজার থেকে ঢাকাসহ আশপাশের শিল্পাঞ্চলে সরবরাহের পরিকল্পনা ছিল।

    অভিযান শেষে আটক সাদ্দাম হোসেনকে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আশুলিয়া থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। পলাতক ইয়ার মোহাম্মদকে আটক করতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র। এটাকে শিরোনাম চেঞ্জ করে মার্জিত ভাষায় একটি নিউজ সাজিয়ে দেন

  • ভোট ও ছুটির টানে ঘরমুখো মানুষের ঢল, সাভার-আশুলিয়ায় বাস সংকট ও বাড়তি ভাড়ায় চরম ভোগান্তি

    ভোট ও ছুটির টানে ঘরমুখো মানুষের ঢল, সাভার-আশুলিয়ায় বাস সংকট ও বাড়তি ভাড়ায় চরম ভোগান্তি

    আলমাস হোসাইন | ঢাকা প্রতিনিধি
    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও টানা চার দিনের ছুটি ঘিরে সাভার-আশুলিয়া শিল্পাঞ্চল থেকে দেশের বিভিন্ন জেলায় ঘরমুখো মানুষের ঢল নেমেছে। ভোটাধিকার প্রয়োগের পাশাপাশি পরিবার-পরিজনের সঙ্গে সময় কাটাতে লাখো কর্মজীবী মানুষ বাড়ির পথে রওনা হলেও পথে পড়তে হচ্ছে চরম দুর্ভোগে।
    অতিরিক্ত যাত্রীর চাপে দেখা দিয়েছে তীব্র পরিবহন সংকট। সেই সুযোগে বিভিন্ন রুটে দ্বিগুণ থেকে তিনগুণ পর্যন্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ উঠেছে পরিবহন শ্রমিকদের বিরুদ্ধে।
    মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকেই সাভারের বাইপাইল বাসস্ট্যান্ড এলাকায় উত্তরবঙ্গগামী যাত্রীদের উপচেপড়া ভিড় দেখা যায়। অতিরিক্ত ভাড়ার প্রতিবাদে সকাল সাড়ে ৮টার দিকে ক্ষুব্ধ যাত্রীরা সড়ক অবরোধ করলে প্রায় এক ঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ থাকে। পরে প্রশাসনের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।
    গাইবান্ধাগামী যাত্রী নাসিমা বেগম জানান, নির্বাচন উপলক্ষে বাড়ি ফিরলেও অতিরিক্ত ভাড়ার কারণে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন তারা। তিনি বলেন, ছুটি হয়েছে, কিন্তু এখনো বেতন পাইনি। ভাড়া ৫০০ থেকে ১৫০০ টাকা পর্যন্ত চাওয়া হচ্ছে। বাচ্চা নিয়ে খুব কষ্টে আছি।
    জামালপুরগামী যাত্রী মুখলেস বলেন, ১৭ বছর পর ভোট দেওয়ার সুযোগ এসেছে। আগে ৩০০ টাকার ভাড়া এখন ১ হাজার টাকা চাচ্ছে। সাধারণ মানুষের পক্ষে এটা দেওয়া অসম্ভব।
    পোশাক শ্রমিক আবুল কালাম সোহাগের অভিযোগ, কারখানা ছুটি দিলেও বাসচালক ও হেলপাররা ডাবল ভাড়া নিচ্ছেন। রাজশাহী যেতে আগে ৫০০ টাকা লাগত, এখন হাজার টাকার বেশি চাচ্ছে। শ্রমিকরা এত টাকা কোথা থেকে দেবে?— প্রশ্ন তার।
    চাঁপাইনবাবগঞ্জগামী হাসান আলী বলেন, নিরাপদ যাত্রা আর বাড়তি ভাড়া না নেওয়ার কথা বলা হলেও বাস্তবে তেমন কোনো নজরদারি নেই।
    তবে সাভার হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শেখ শাহজাহান জানান, যাত্রীর চাপের কারণে বিভিন্ন স্থানে ভিড় তৈরি হচ্ছে। সড়ক অবরোধের বিষয়ে নির্দিষ্ট তথ্য এখনো পাওয়া যায়নি।
    উল্লেখ্য, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে সরকার নির্বাহী আদেশে তিন দিনের ছুটি ঘোষণা করেছে। ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি সরকারি ছুটির পাশাপাশি শিল্পাঞ্চলের শ্রমিকদের জন্য ১০ ফেব্রুয়ারি বিশেষ ছুটি থাকায় ঘরমুখো মানুষের চাপ আরও বেড়েছে।

  • ভুয়া সেনা পরিচয়ে প্রতারণা, আশুলিয়ায় যুবক আটক; ইউনিফর্ম ও নকল আইডি উদ্ধার

    ভুয়া সেনা পরিচয়ে প্রতারণা, আশুলিয়ায় যুবক আটক; ইউনিফর্ম ও নকল আইডি উদ্ধার

    আলমাস হোসাইন | ঢাকা প্রতিনিধি
    আশুলিয়ায় ভুয়া সেনা সদস্য পরিচয়ে প্রতারণার অভিযোগে এক যুবককে আটক করেছে সেনাবাহিনীর গোয়েন্দা সংস্থা। এ সময় তার কাছ থেকে সেনা ইউনিফর্মের বিভিন্ন সামগ্রী ও একটি নকল পরিচয়পত্র জব্দ করা হয়।
    আটক যুবকের নাম মো. রবিউল ইসলাম (১৯)। তিনি রংপুর জেলার গঙ্গাচড়া থানার জয়দেব মানাষ পাড়া গ্রামের মো. আজিজুল ইসলামের ছেলে।
    সেনা সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার (৮ ফেব্রুয়ারি) সকাল আনুমানিক ১১টা ৫০ মিনিটে আশুলিয়ার নবীনগর এলাকায় সন্দেহজনকভাবে ঘোরাফেরা করার সময় সেনাবাহিনীর গোয়েন্দা সদস্যদের নজরে আসেন তিনি। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে নিজেকে “সৈনিক রবিউল ইসলাম, ৯৬ ইস্ট বেঙ্গল” পরিচয় দিলেও তার বক্তব্যে অসংগতি ধরা পড়ে।
    পরবর্তীতে বিস্তারিত জিজ্ঞাসাবাদে তিনি স্বীকার করেন যে, তিনি সেনাবাহিনীর কোনো সদস্য নন এবং ভুয়া পরিচয়ে দীর্ঘদিন ধরে চলাফেরা করছিলেন।
    জিজ্ঞাসাবাদে আরও জানা যায়, ব্যক্তিগত মোবাইল ফোন ব্যবহার করে তিনি সেনা সদস্য পরিচয়ে বিভিন্ন নারীর সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করতেন এবং অনৈতিক সম্পর্ক গড়ে তোলার চেষ্টা করতেন। তার মোবাইল ফোনে সেনা ইউনিফর্ম পরিহিত অবস্থায় তোলা একাধিক ছবিও পাওয়া গেছে।
    আটকের সময় তার কাছ থেকে আর্মির ট্রাউজারের পাট্টা, কমব্যাট গেঞ্জি, কমব্যাট ব্যাগ, লেমিনেটিং করা ভুয়া সেনা আইডি কার্ডসহ জন্ম নিবন্ধন ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন কাগজপত্র উদ্ধার করা হয়।
    সেনা গোয়েন্দা সংস্থা বিষয়টি তদন্ত করছে এবং পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

  • সাংবাদিকদের নিরাপত্তা প্রশ্নে কোনো আপস নয়

    সাংবাদিকদের নিরাপত্তা প্রশ্নে কোনো আপস নয়

     

    মো: নুরে ইসলাম মিলন :
    সারাদেশে সাংবাদিকদের ওপর ধারাবাহিক হামলা, হুমকি ও হয়রানির ঘটনায় তীব্র উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা রাজশাহী বিভাগ। সংগঠনটি বলেছে, পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে সাংবাদিকরা এখন সরাসরি জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করছেন, যা স্বাধীন সাংবাদিকতা ও গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে চরমভাবে বিপন্ন করে তুলছে।
    এক বিবৃতিতে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা রাজশাহী বিভাগ জানায়, সাংবাদিকদের ওপর সংঘটিত হামলার অধিকাংশ ঘটনায় দোষীদের বিরুদ্ধে কার্যকর ও দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে না। প্রশাসনিক নিষ্ক্রিয়তা ও বিচারহীনতার সংস্কৃতির কারণে অপরাধীরা বারবার পার পেয়ে যাচ্ছে, ফলে সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনা আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে। আরও উদ্বেগজনক বিষয় হলো—অনেক ক্ষেত্রে হামলার শিকার সাংবাদিকদেরই মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলায় জড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে, যা স্বাধীন সংবাদ সংগ্রহকে দমিয়ে রাখার সুপরিকল্পিত কৌশল বলে মনে করে সংগঠনটি।
    বিবৃতিতে বলা হয়, সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের সাংবিধানিক ও নৈতিক দায়িত্ব। অথচ বাস্তবে সাংবাদিকরা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সুরক্ষা তো পাচ্ছেনই না, বরং নানা ধরনের চাপ, ভয়ভীতি ও মামলার শিকার হচ্ছেন। এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে স্বাধীন সাংবাদিকতা কার্যত অচল হয়ে পড়বে বলে হুঁশিয়ারি দেয় সংগঠনটি।
    জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা রাজশাহী বিভাগ সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি কঠোর দাবি জানিয়ে বলেছে—সাংবাদিকদের ওপর সংঘটিত প্রতিটি হামলার সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও সময়বদ্ধ তদন্ত নিশ্চিত করে প্রকৃত দোষীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনতে হবে। একই সঙ্গে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত সকল হয়রানিমূলক মামলা অবিলম্বে প্রত্যাহার করে নিরাপদ, স্বাধীন ও মর্যাদাপূর্ণ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।
    পাশাপাশি সংগঠনটি দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার স্বার্থে মাঠপর্যায়ে কর্মরত সাংবাদিকদের প্রতিও গঠনমূলক আহ্বান জানায়। বিবৃতিতে বলা হয়, বর্তমান বাস্তবতায় সংবাদ সংগ্রহের সময় সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করা জরুরি। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় কাজের সময় অবশ্যই প্রেস লেখা জ্যাকেট পরিধান, গলায় বৈধ পরিচয়পত্র দৃশ্যমান রাখা, এককভাবে না গিয়ে সহকর্মীদের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করা এবং প্রয়োজন হলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে আগেভাগে অবহিত করার পরামর্শ দেওয়া হয়। নিজের নিরাপত্তার পাশাপাশি সহকর্মীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করাও সাংবাদিকতার পেশাগত দায়িত্বের অংশ বলে উল্লেখ করা হয়।
    বিবৃতিতে আরও বলা হয়, কোনো সাংবাদিক হুমকি, বাধা, হামলা বা হয়রানির শিকার হলে তাৎক্ষণিকভাবে সংগঠন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করতে হবে এবং প্রয়োজনীয় তথ্যপ্রমাণ সংরক্ষণ করতে হবে।
    জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা রাজশাহী বিভাগ স্পষ্টভাবে জানায়—সাংবাদিকদের নিরাপত্তা প্রশ্নে কোনো ধরনের আপস করা হবে না। দাবি বাস্তবায়নে গড়িমসি করা হলে সংগঠনটি সাংবাদিক সমাজকে সঙ্গে নিয়ে কঠোর সাংগঠনিক ও আইনগত কর্মসূচি গ্রহণ করতে বাধ্য হবে।

    মো: নুরে ইসলাম মিলন
    সভাপতি
    জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা
    রাজশাহী বিভাগ।

  • সাংবাদিকতার আড়ালে ব্ল্যাকমেইল সিন্ডিকেট: ভূঁইফোড় পোর্টালের চাঁদাবাজিতে অতিষ্ঠ সরকারি কর্মকর্তারা

    নিজস্ব প্রতিবেদক:

    দেশের মূলধারার সাংবাদিকতাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে এবং প্রচলিত আইনকে তোয়াক্কা না করে ব্যাঙের ছাতার মতো গজিয়ে ওঠা একগুচ্ছ নিবন্ধনহীন ভূঁইফোড় অনলাইন নিউজ পোর্টাল বর্তমানে রীতিমতো ‘চাঁদাবাজি সিন্ডিকেটে’ পরিণত হয়েছে। ‘দৈনিক আমার স্বাধীন বাংলাদেশ’, ‘দৈনিক বাংলাদেশ আমার মাতৃভূমি’, ‘দুর্নীতির ডায়েরি’, ‘এনবিবি (NBB)’, ‘সকালের ডাক’, ‘সাজের বেলা’ ও ‘নবান্নের আলো’-এর মতো নামসর্বস্ব পোর্টালগুলো এখন সরকারি কর্মকর্তাদের ব্ল্যাকমেইল করার প্রধান হাতিয়ার হয়ে দাঁড়িয়েছে। কোনো প্রকার তথ্য-প্রমাণ বা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বক্তব্য ছাড়াই মনগড়া সংবাদ সাজিয়ে প্রথমে তা অনলাইন ও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল করা হয় এবং পরবর্তীতে সংবাদ নামানোর বিনিময়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে এই চক্রটি।

    অনুসন্ধানে দেখা গেছে, এসব নিউজ পোর্টালের ওয়েবসাইটে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের যে ঠিকানা ব্যবহার করা হয়েছে, বাস্তবে সেখানে কোনো অফিসের অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া যায়নি। এমনকি যোগাযোগের জন্য দেওয়া নম্বরগুলোও সুকৌশলে অধিকাংশ সময় বন্ধ রাখা হয়। অভিযুক্ত এসব পোর্টালের কর্তৃপক্ষের সাথে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও কাউকে পাওয়া যায়নি। তাদের অফিসিয়াল নম্বরে কল করা হলে তা বন্ধ পাওয়া যায় এবং ঠিকানায় গিয়ে কাউকে না পাওয়ায় তাদের কোনো বক্তব্য গ্রহণ করা সম্ভব হয়নি। মূলত ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকেই তারা এই সাইবার অপরাধ ও চাঁদাবাজি কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।

    সরকারি কোনো নিবন্ধন বা আইনি বৈধতা না থাকলেও এরা দীর্ঘ দিন ধরে ‘গণমাধ্যম’ পরিচয় দিয়ে বন বিভাগ, গণপূর্ত অধিদপ্তর, পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো), শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর (EED), জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর এবং স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরের কর্মকর্তাদের টার্গেট করে আসছে। বিশেষ করে বর্তমান প্রেক্ষাপটে কর্মকর্তাদের ‘আওয়ামী দোসর’ বা ‘দুর্নীতিবাজ’ সাজিয়ে তথ্যবিহীন সংবাদ প্রচারের ভয় দেখিয়ে দেদারসে চাঁদাবাজি চালানো হচ্ছে।

    ভুক্তভোগী কর্মকর্তাদের ভাষ্যমতে, এই চক্রটি অত্যন্ত সুসংগঠিত। শিক্ষা প্রকৌশল ও গণপূর্ত অধিদপ্তরের কয়েকজন প্রকৌশলী ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, এই চক্রটির যন্ত্রণায় তাঁরা অতিষ্ঠ। নিজেদের এবং পারিবারিক সম্মানের কথা চিন্তা করে অনেক সময় তাদের চাহিদা অনুযায়ী টাকা দিলেও রেহাই মেলে না। এক পোর্টালে টাকা দেওয়ার কয়েকদিন পরই অন্য একটি বেনামী পোর্টালে একই মিথ্যা তথ্য দিয়ে আবারও সংবাদ প্রচার করা হয় এবং নতুন করে টাকা দাবি করা হয়। এরা মূলত পেশাদার চাঁদাবাজ, সাংবাদিকতার সাথে এদের কোনো সম্পর্ক নেই।

    বন বিভাগের এক কর্মকর্তা জানান, এই চক্রটি দীর্ঘ সময় ধরে সাংবাদিকতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে তাদের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে। ফলে মূলধারার নিবন্ধিত গণমাধ্যমগুলোকেও সাধারণ মানুষ ও কর্মকর্তাদের নিকট সন্দেহের চোখে দেখতে হচ্ছে, যা সামগ্রিক গণমাধ্যম জগতের জন্য এক বড় হুমকি। প্রতিবেদকের হাতে আসা বেশ কিছু তথ্য-প্রমাণে দেখা যায়, এই চক্রটি তাদের চাঁদাবাজির টাকা লেনদেনে ডাচ-বাংলা ব্যাংক, বিকাশ এবং নগদ অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করছে। গণমাধ্যমের নাম ব্যবহার করে সরাসরি কর্মকর্তাদের নিকট থেকে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার একাধিক কল রেকর্ড ও লেনদেনের অকাট্য প্রমাণ এখন প্রশাসনের নাগালের মধ্যে রয়েছে।

    মানবাধিকার কর্মী ও সাংবাদিক নেতা শাহিন বিশ্বাস এ প্রসঙ্গে বলেন, “গণমাধ্যমকে বলা হয় সমাজের দর্পণ এবং মানুষের অধিকার আদায়ের শেষ অস্ত্র। অথচ নিবন্ধনহীন ভূঁইফোড় কোনো চক্র যদি এই পবিত্র সাইনবোর্ড ব্যবহার করে চাঁদাবাজি ও দস্যুতা চালায়, তবে তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসনের কঠোরতম ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। এদের কারণে মূলধারার সাংবাদিকতা আজ হুমকির মুখে।” জানা গেছে, এই সংঘবদ্ধ চাঁদাবাজ চক্রের বিরুদ্ধে এবং অবৈধ নিউজ পোর্টালগুলোর কার্যক্রম চিরতরে বন্ধের দাবিতে প্রতিটি আক্রান্ত দপ্তরের পক্ষ থেকে পৃথক মামলার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। একই সাথে বিটিআরসি (BTRC) এবং তথ্য মন্ত্রণালয়কে এসব অবৈধ সাইট বন্ধের জন্য আনুষ্ঠানিক চিঠি দেওয়ার প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে। মূলধারার গণমাধ্যমকর্মীরাও এই অপসাংবাদিকতা প্রতিহত করতে প্রশাসনের পাশে থাকার অঙ্গীকার করেছেন।

  • পুলিশ পরিচয়ে ট্রাক লুট: আশুলিয়ায় আন্তঃজেলা ডাকাত চক্রের ৪ সদস্য গ্রেপ্তার, উদ্ধার সাড়ে ১২ টন রড

    পুলিশ পরিচয়ে ট্রাক লুট: আশুলিয়ায় আন্তঃজেলা ডাকাত চক্রের ৪ সদস্য গ্রেপ্তার, উদ্ধার সাড়ে ১২ টন রড

    আলমাস হোসাইন | ঢাকা প্রতিনিধি
    ঢাকার আশুলিয়ায় পুলিশ পরিচয়ে ১৩ টন রড বোঝাই একটি ট্রাক ছিনতাইয়ের ঘটনায় আন্তঃজেলা ডাকাত চক্রের চার সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সাভার ও কেরানীগঞ্জে অভিযান চালিয়ে লুণ্ঠিত প্রায় সাড়ে ১২ টন রড উদ্ধার করা হয়েছে।
    শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে আশুলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. রুবেল হাওলাদার বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
    পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার রাতে সাভারের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে চক্রটির চার সদস্যকে আটক করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা ডাকাতির সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে এবং লুট করা মালামালের অবস্থান জানায়।
    তাদের তথ্য অনুযায়ী, সাভারের কান্দি ভাকুতা বাজারের ‘মেসার্স জাকারিয়া এন্টারপ্রাইজ’ নামের একটি দোকান থেকে ৫ হাজার ৩০০ কেজি এবং কেরানীগঞ্জের বড়াইকান্দি গ্রামের একটি পরিত্যক্ত কলমি ক্ষেত থেকে আরও ৭ হাজার ২০০ কেজি রড উদ্ধার করা হয়।
    গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন— মো. সোহেল (২৬), মো. বিজয় (২৮), মো. মানিকুল (৪১) ও চোরাই মাল ক্রেতা মো. সাইদুল ইসলাম (৩৫)।
    পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত শুক্রবার রাতে নারায়ণগঞ্জের মদনপুর থেকে ১৩ টন রড নিয়ে একটি ট্রাক টাঙ্গাইলের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। ভোর সাড়ে ৩টার দিকে আশুলিয়ার বাড়ইপাড়া এলাকায় পৌঁছালে পুলিশ পরিচয়ে ৭-৮ জনের একটি দল ট্রাকটি থামায়। পরে চালক ও হেলপারকে জিম্মি করে ট্রাকসহ রড লুট করে নিয়ে যায়।
    ওসি রুবেল হাওলাদার জানান, অভিযোগ পাওয়ার পর তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা নজরদারির মাধ্যমে দ্রুত অভিযান চালিয়ে আসামিদের গ্রেপ্তার এবং অধিকাংশ মালামাল উদ্ধার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার চারজনকে সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে। চক্রের অন্য সদস্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

  • আশুলিয়ায় দেশীয় অস্ত্রসহ যুবদল নেতা জাহাঙ্গীর মন্ডলসহ গ্রেপ্তার ৩

    আশুলিয়ায় দেশীয় অস্ত্রসহ যুবদল নেতা জাহাঙ্গীর মন্ডলসহ গ্রেপ্তার ৩

    আলমাস হোসাইন (ঢাকা) প্রতিনিধি:
    ঢাকার আশুলিয়ায় যৌথ বাহিনীর বিশেষ অভিযানে যুবদল নেতা জাহাঙ্গীর আলম মন্ডলসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় তাদের কাছ থেকে ককটেল সদৃশ বস্তুসহ বিপুল পরিমাণ দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।
    বৃহস্পতিবার (০৫ ফেব্রুয়ারি) সকাল সোয়া ৯টার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন আশুলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. রুবেল হাওলাদার।
    পুলিশ ও যৌথ বাহিনী সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ভোর রাতে আশুলিয়ার বলিভদ্র তালপট্টি এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে যুবদল নেতা জাহাঙ্গীর আলম মন্ডল এবং তার দুই সহযোগী স্বপন ও ফায়জুলকে আটক করা হয়। পরে তাদেরকে আশুলিয়া থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
    অভিযান চলাকালে তাদের হেফাজত থেকে বিপুল পরিমাণ দেশীয় অস্ত্র এবং ককটেল সদৃশ বিস্ফোরক সামগ্রী উদ্ধার করা হয়, যা এলাকায় নাশকতার আশঙ্কা তৈরি করতে পারতো বলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ধারণা।
    পুলিশ আরও জানায়, গ্রেপ্তারকৃত জাহাঙ্গীর আলম মন্ডলের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজিসহ একাধিক অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ রয়েছে।
    আশুলিয়া থানার ওসি মো. রুবেল হাওলাদার বলেন, যৌথ বাহিনীর অভিযানে আটক তিনজনকে থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে। উদ্ধারকৃত অস্ত্র ও ককটেল সদৃশ বস্তু জব্দ করা হয়েছে।
    এ ঘটনায় এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে নজরদারি জোরদার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

  • আশুলিয়ায় দেশীয় অস্ত্রসহ যুবদল নেতা জাহাঙ্গীর আলম মন্ডল গ্রেপ্তার

    আশুলিয়ায় দেশীয় অস্ত্রসহ যুবদল নেতা জাহাঙ্গীর আলম মন্ডল গ্রেপ্তার

    আশুলিয়ায় যৌথ বাহিনীর অভিযানে বিপুল পরিমাণ দেশীয় অস্ত্রসহ যুবদল নেতা জাহাঙ্গীর আলম মন্ডলসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মঙ্গলবার গভীর রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। এ সময় ধারালো অস্ত্র ও বিভিন্ন দেশীয় সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়। গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
    বিস্তারিত আসছে

  • আশুলিয়ায় দেশীয় অস্ত্রসহ যুবদল নেতা জাহাঙ্গীর আলম মন্ডল গ্রেপ্তার

    আশুলিয়ায় দেশীয় অস্ত্রসহ যুবদল নেতা জাহাঙ্গীর আলম মন্ডল গ্রেপ্তার

    আশুলিয়ায় যৌথ বাহিনীর অভিযানে বিপুল পরিমাণ দেশীয় অস্ত্রসহ যুবদল নেতা জাহাঙ্গীর আলম মন্ডলসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মঙ্গলবার গভীর রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। এ সময় ধারালো অস্ত্র ও বিভিন্ন দেশীয় সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়। গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
    বিস্তারিত আসছে