Category: প্রচ্ছদ

  • “ঢাকা-১০: লাঙ্গল মার্কার বহ্নি বেপারীর উৎসবমুখর গণসংযোগ”

    “ঢাকা-১০: লাঙ্গল মার্কার বহ্নি বেপারীর উৎসবমুখর গণসংযোগ”

    নিজস্ব প্রতিবেদক:

    ঢাকা ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ঢাকা-১০ আসনে সরগরম হয়ে উঠেছে নির্বাচনী মাঠ। রোববার (২৫ জানুয়ারি) দিনভর ধানমন্ডি, হাজারীবাগ ও ঝাউচর বেড়িবাঁধ এলাকায় ব্যাপক গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ করেছেন জাতীয় পার্টির মনোনীত প্রার্থী বহ্নি বেপারী। লাঙ্গল মার্কার এই প্রার্থীর পদচারণায় এদিন উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। গণসংযোগকালে বহ্নি বেপারী ভোটারদের দ্বারে দ্বারে যান এবং তাদের সুখ-দুঃখের কথা শোনেন।

    এর আগে তিনি ধানমন্ডির নিজাম শংকর প্লাজা, ইবনে সিনা হাসপাতাল গলি ও ছায়ানট প্রাঙ্গণ এলাকায় স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় অংশ নেন। এরশাদের উন্নয়নই আমাদের শক্তি ঝাউচর বেড়িবাঁধ এলাকায় এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বহ্নি বেপারী বলেন, “ঢাকার আধুনিকায়নে পল্লীবন্ধু হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের অবদান অনস্বীকার্য।

    ১৯৮৮ সালের ভয়াবহ বন্যার হাত থেকে ঢাকাবাসীকে বাঁচাতে তিনি যে ঐতিহাসিক বেড়িবাঁধ নির্মাণ করেছিলেন, আজ সেই বাঁধের ওপর দাঁড়িয়েই আমরা সমৃদ্ধির স্বপ্ন দেখছি।” তিনি আরও যোগ করেন, “ঢাকার উন্নয়নের ভিত্তি স্থাপিত হয়েছিল এরশাদ সরকারের আমলেই। মানুষ আজও তাকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করে।”

    সুষ্ঠু ভোট হলে জয়ের ব্যাপারে শতভাগ আশাবাদী নির্বাচন প্রসঙ্গে এই নারী প্রার্থী বলেন, “যদি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন হয়, তবে ঢাকা-১০ আসনে লাঙ্গল মার্কা শতভাগ বিজয়ী হবে। আমি একজন নারী প্রার্থী হিসেবে সাধারণ মানুষের অভাবনীয় সাড়া পাচ্ছি। সমাজ এগিয়ে যাচ্ছে, ভোটাররা এখন পরিবর্তন চান।” দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করে তিনি আরও বলেন, “জাতীয় পার্টি উন্নয়নের রূপকার, কোনো দুর্নীতির আখড়া নয়। আমরা চাই দুর্নীতিমুক্ত একটি রাষ্ট্র ব্যবস্থা।

    দেশ ও জনগণের কল্যাণে লাঙ্গলকে একবার সুযোগ দেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।” উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় নেতৃবৃন্দ গণসংযোগ চলাকালে বহ্নি বেপারীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন, ধানমন্ডি থানা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক শাহ আলম দেওয়ান, কলাবাগান থানা জাতীয় পার্টির সভাপতি মো. অপু শিকদার সহ ধানমন্ডি, হাজারীবাগ ও কলাবাগান এলাকার জাতীয় পার্টির বিভিন্ন স্তরের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী ও সমর্থক।

    উল্লেখ্য, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, শিশু সাহিত্যিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে পরিচিত বহ্নি বেপারী ঢাকা-১০ আসনে প্রার্থী হওয়ার পর থেকেই স্থানীয় রাজনীতির পাদপ্রদীপে উঠে এসেছেন। পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির কারণে সাধারণ ভোটারদের মাঝে তাকে নিয়ে ব্যাপক আগ্রহ দেখা যাচ্ছে।

  • শিদলাই ইউনিয়ন ভূমি অফিসে ঘুষ ও অনিয়মের অভিযোগ

    শিদলাই ইউনিয়ন ভূমি অফিসে ঘুষ ও অনিয়মের অভিযোগ

    স্টাফ রিপোর্টার:

     

    কুমিল্লা জেলার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার শিদলাই ইউনিয়ন ভূমি অফিসে ঘুষ ও অনিয়মের অভিযোগ ক্রমেই বেড়েই চলেছে। সাধারণ মানুষ জমি সংক্রান্ত কাজের জন্য গেলে এখানে সরকারি নিয়মের পরিবর্তে ব্যক্তিগত লেনদেন ও দালাল ব্যবস্থার শিকার হচ্ছেন। স্থানীয়রা জানাচ্ছেন, এই অনিয়ম ও ঘুষের কারণে সাধারণ মানুষ অর্থনৈতিক ও সামাজিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।

    সমাজের নানা ক্ষেত্রে দুর্নীতি এমন এক নোঙ্গর হয়ে দাঁড়িয়েছে, যা দেশের উন্নয়নকে বাধাগ্রস্ত করছে। শিদলাই ইউনিয়ন ভূমি অফিসও এর ব্যতিক্রম নয়। স্থানীয়দের অভিযোগ, নায়েব ভূমি সহকারী কর্মকর্তা শাহজাদী তাহমিনা, যিনি এলাকায় ‘নায়েক শাহজাদী’ নামে পরিচিত, সরকারি বেতন মাত্র ৪০–৫০ হাজার টাকার মধ্যে থাকলেও নানা অনিয়মের মাধ্যমে কোটি কোটি টাকার অঢেল সম্পদের মালিক হয়েছেন।

    ভুক্তভোগীদের বরাত দিয়ে জানা যায়, জমি সংক্রান্ত যে কোনো কাজ—খারিজ, নামজারি, খাজনা, পর্চা—শাহজাদী তাহমিনার মাধ্যমে হলে মোটা অঙ্কের অর্থ দিতে হয়। শিদলাই ইউনিয়ন পরিষদের বেড়াখলা গ্রামের রুজিনা লেখম জানান, তিনি বাবার জমি নামজারি করতে গেলে শাহজাদী তাহমিনা তার নিকট ১৯ হাজার টাকা গ্রহণ করে খারিজ কার্যক্রম সম্পন্ন করেন। একইভাবে, ইতালি প্রবাসী মোঃ ফারুক সরকার জানান, মসজিদের নামে জমি ওয়াকল করেও তিনি শাহজাদী তাহমিনার নিকট ৪২ হাজার টাকা দিয়েই নামজারি কার্যক্রম সম্পন্ন করতে বাধ্য হন।

    স্থানীয়রা আরও অভিযোগ করেছেন, জমি সংক্রান্ত কাজের জন্য ফাইল জিম্মি রাখা, দালাল ব্যবহার এবং মোটা অঙ্কের টাকা আদায়ই শিদলাই ইউনিয়ন ভূমি অফিসের মূল ধারা হয়ে দাঁড়িয়েছে। ভুক্তভোগী হালিমা আক্তার জানান, নায়েব ছাড়া কোনো কাজই এখানে হয় না, অফিসের অন্যান্য কর্মকর্তা বা কর্মচারী কার্যক্রমে সরাসরি অংশগ্রহণ করেন না।

    জমির কাজের জটিলতা অনুযায়ী অর্থের পরিমাণও ভিন্ন হয়। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, সাধারণ নামজারির জন্য কয়েক হাজার টাকা, জটিল জমির ক্ষেত্রে ১০ হাজার থেকে ২ লাখ টাকা পর্যন্ত খরচ দিতে হয়। নজরুল ইসলাম খন্দকার জানান, তার একটি জমি বিক্রির কারণে নামজারি করতে গিয়ে শাহজাদী তাহমিনা দালাল রাসেলের মাধ্যমে ১৯ হাজার টাকা নেন। এমন ঘটনা নিয়মিত পর্যায়ে ঘটছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

    শাহজাদী তাহমিনার কার্যক্রম শুধু অর্থের লেনদেনেই সীমাবদ্ধ নয়; গ্রাহকদের সঙ্গে আচরণও ন্যায্য নয়। এক প্রবাসী জানান, জমির জন্য তিনি অফিসে গেলে নায়েব তার সঙ্গে অসম্মানজনক আচরণ করেছেন এবং টাকা ছাড়া কোনো কাজ সম্পন্ন হয়নি। স্থানীয়রা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন, এই ধরনের কর্মকাণ্ড চলতে থাকলে সাধারণ মানুষের মধ্যে অসন্তোষ আরও বৃদ্ধি পাবে।

    স্থানীয় দালালরা বলছেন, নায়েবের অধীনে লেনদেনের ক্ষেত্রে দালালদের মাধ্যমে টাকা আদায় করা হয়। মোঃ আবু কাউছার জানান, জমির খাজনা আদায় ও নামজারি কার্যক্রমে নায়েবের অনুমতি ছাড়া কোনো কাজ সম্পন্ন হয় না। প্রাক্তন পুলিশ কর্মকর্তা মোঃ আবু জাহের জানান, নায়েব নিজের সুবিধার জন্য সমস্ত ফাইলের ওপর নিয়ন্ত্রণ রাখেন এবং বিনা অর্থে কোনো কাজ করতে দেন না।

    শাহজাদী তাহমিনা দীর্ঘদিন ধরে ভূমি অফিসে কাজ করছেন। সরকারি চাকরির পাশাপাশি তিনি নানাভাবে মোটা অঙ্কের সম্পদ অর্জন করেছেন। স্থানীয়দের অভিযোগ, তিনি দালালদের মাধ্যমে কাজ করান এবং জমি সংক্রান্ত যেকোনো জটিল কাজে অর্থ আদায় করে থাকেন।

    অপরাধ বিচিত্রা প্রতিনিধিকে এক সাক্ষাৎকারে নায়েব তাহমিনা বলেন, “ভাই, আমার চাকরি আর এক বছর আছে, এ সময় সংবাদ প্রকাশ না করার অনুরোধ করছি। আমি সরকারি নিয়ম মেনে কাজ করি।” অন্যদিকে, উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি ফোন রিসিভ না করার কারণে বিষয়টি যাচাই সম্ভব হয়নি। তিনি জানান, যদি যথাযথ অভিযোগ প্রমাণিত হয়, তাহলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    স্থানীয়রা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন, যদি এমন অনিয়ম চলতে থাকে, তাহলে প্রশাসনিক ব্যবস্থা ও জনবিশ্বাসের ক্ষতি হবে। শিদলাই ইউনিয়ন ভূমি অফিসের ফাইল জিম্মি, দালাল ব্যবস্থাপনা এবং মোটা অঙ্কের অর্থ আদায়ের ফলে সাধারণ মানুষ আর্থিক ও সামাজিকভাবে হুমকির মুখে পড়ছেন।

    একজন দালাল আশরাফ জানান, “আমি কাজের জন্য টাকা নিয়েছি, কিন্তু তা নায়েবকে দিয়েছি। সরকারী ফি থাকলেও নায়েবের মাধ্যমে কাজ করতে গেলে অতিরিক্ত অর্থ দিতে হয়।” ইতালি প্রবাসী মোঃ শরিফুল ইসলাম বলেন, “শাহজাদী তাহমিনা টাকা নিয়ে কাজ সম্পন্ন করেন না। আমার জমি নামজারি করতে গিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। আমি বাধ্য হয়ে উচ্চতর কর্মকর্তার কাছে যেতে বাধ্য হই।”

    বিএনপি ইউনিয়ন সভাপতি মোঃ বায়েজিদ হোসেন রানা জানান, নায়েব নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না এবং প্রতিটি ফাইলের জন্য অর্থ আদায় করেন। তিনি বলেন, “আমরা অফিসে গিয়ে বিষয়টি বুঝানোর চেষ্টা করেছি, কিন্তু নায়েব আমাদের কথা তোয়াক্কা করেন না। তিনি নিজের ঘুষের রাজত্ব বজায় রাখছেন।”

    প্রতিনিধিকে নায়েবের সঙ্গে সরাসরি সাক্ষাৎকারের সময় দেখা যায়, তিনি সাংবাদিককে চায়ের আপ্যায়নের মাধ্যমে বিষয়টি ‘নির্ধারিত’ করার চেষ্টা করেছিলেন। এই ঘটনা প্রমাণ করে, শিদলাই ইউনিয়ন ভূমি অফিসে ঘুষ ও অনিয়ম কেবল সাধারণ জনগণের জন্য নয়, সাংবাদিকতার জন্যও চ্যালেঞ্জ সৃষ্টি করছে।

    স্থানীয়রা সরকারের দ্রুত পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন। তারা আশা করছেন, নায়েব শাহজাদী তাহমিনার বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করলে ভূমি অফিসে স্বচ্ছতা ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে এবং সাধারণ মানুষ নিরাপদ ও সুবিচারমূলক সেবা পাবেন।

    শিদলাই ইউনিয়ন ভূমি অফিসে দীর্ঘদিন ধরে চলমান এই অনিয়ম এবং ঘুষের চক্র ভেঙে দেওয়া না গেলে, এটি কেবল ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলায় নয়, আশেপাশের এলাকা থেকেও ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। স্থানীয় জনগণ সতর্ক করে বলেছেন, সরকারি পদে থাকা কর্মকর্তা যদি নিজের স্বার্থে চলেন, তাহলে জনগণের আস্থা হারিয়ে যাবে এবং প্রশাসনিক ব্যবস্থার প্রতি মানুষের বিশ্বাস ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

    উপজেলা নির্বাহী অফিসার অপরাধ বিচিত্রাকে জানিয়েছেন, তিনি অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে রিপোর্ট করেছেন। সরকারি পদে থাকা কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত পদক্ষেপ নিলে শিদলাই ইউনিয়ন ভূমি অফিসের অনিয়ম বন্ধ করা সম্ভব হবে বলে আশা করছেন স্থানীয়রা।

  • ঢাকা-১০ আসনে লাঙ্গলের পক্ষে বহ্নি বেপারীর ব্যাপক গণসংযোগ

    ঢাকা-১০ আসনে লাঙ্গলের পক্ষে বহ্নি বেপারীর ব্যাপক গণসংযোগ

     

    নিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকা

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১০ আসনে জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য প্রার্থী, বিশিষ্ট শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও শিশু সাহিত্যিক বহ্নি বেপারী লাঙ্গল মার্কার সমর্থনে ব্যাপক গণসংযোগ ও নির্বাচনী প্রচারণা চালিয়েছেন। গতকাল রোববার (২৫ জানুয়ারি) রাজধানীর ধানমন্ডি ও এর আশপাশের এলাকায় ভোটারদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে তিনি ভোট প্রার্থনা করেন।

    উন্নয়ন ও ঐতিহ্যের আহ্বানে ভোটারদের দ্বারে বহ্নি বেপারী:
    গণসংযোগকালে বহ্নি বেপারী ধানমন্ডির নিজাম শংকর প্লাজা (১৫/এ), ইবনে সিনা হাসপাতাল গলি এবং ছায়ানট প্রাঙ্গণসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে সাধারণ ভোটারদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। এ সময় স্থানীয় বাসিন্দারা তাঁকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান।

    প্রার্থীকে নিয়ে জাতীয় পার্টির নেতাকর্মীরা লিফলেট বিতরণ করেন এবং সাধারণ মানুষের কাছে লাঙ্গল মার্কায় ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান। গণসংযোগকালে কলাবাগান থানা জাতীয় পার্টির সভাপতি মো. অপু সিকদার, ধানমন্ডি থানা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক শাহ আলম দেওয়ান, মহিলা নেত্রী নাজমা আক্তারসহ দলের বিভিন্ন স্তরের স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

    ‘উন্নত ঢাকার ভিত্তি গড়েছিলেন এরশাদ’:
    গণসংযোগ শেষে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বহ্নি বেপারী বলেন, “পল্লীবন্ধু হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের অবদান এ দেশের মানুষ কোনোদিন ভুলবে না। আজকের আধুনিক ও উন্নত ঢাকার রূপকার ছিলেন তিনি। বিশেষ করে ১৯৮৮ সালের প্রলয়ঙ্করী বন্যার পর ঢাকাবাসীকে রক্ষায় তিনি যে বেড়িবাঁধ নির্মাণ করেছিলেন, তা রাজধানীর উন্নয়নের মাইলফলক হয়ে আছে।”

    তিনি আরও বলেন, “হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ এই ঢাকাকে তিলোত্তমা ঢাকা হিসেবে গড়ে তুলেছিলেন। সেই তিলোত্তমা ঢাকা আর নেই। আমি নির্বাচিত হলে সেই তিলোত্তমা ঢাকাকে আবারও ফিরিয়ে আনবো। আর ঢাকা-১০ আসন থেকেই শুরু হবে তিলোত্তমা ঢাকা গড়ার কাজ।”

    তিনি আরও যোগ করেন, “জাতীয় পার্টি উন্নয়নের রাজনীতিতে বিশ্বাসী। সাধারণ মানুষ আজও এরশাদ সরকারের আমলের সুশাসনের কথা স্মরণ করে।”

    সুষ্ঠু নির্বাচনে জয়ের ব্যাপারে শতভাগ আশাবাদী:
    নির্বাচনের পরিবেশ প্রসঙ্গে বহ্নি বেপারী আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, “যদি আসন্ন নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হয়, তবে ঢাকা-১০ আসনে লাঙ্গল মার্কা শতভাগ বিজয়ী হবে, ইনশাআল্লাহ।” ভোটারদের স্বতঃস্ফূর্ত সাড়ায় তিনি জয়ের ব্যাপারে অত্যন্ত আত্মবিশ্বাসী বলে জানান। প্রচারণা শেষে লাঙ্গলের সমর্থনে নেতাকর্মীদের স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে পুরো ধানমন্ডি এলাকা।

  • ঢাকা-১০ আসনে লাঙ্গলের পক্ষে বহ্নি বেপারীর ব্যাপক গণসংযোগ

    ঢাকা-১০ আসনে লাঙ্গলের পক্ষে বহ্নি বেপারীর ব্যাপক গণসংযোগ

    নিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকা

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১০ আসনে জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য প্রার্থী, বিশিষ্ট শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও শিশু সাহিত্যিক বহ্নি বেপারী লাঙ্গল মার্কার সমর্থনে ব্যাপক গণসংযোগ ও নির্বাচনী প্রচারণা চালিয়েছেন। গতকাল রোববার (২৫ জানুয়ারি) রাজধানীর ধানমন্ডি ও এর আশপাশের এলাকায় ভোটারদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে তিনি ভোট প্রার্থনা করেন।

    উন্নয়ন ও ঐতিহ্যের আহ্বানে ভোটারদের দ্বারে বহ্নি বেপারী:
    গণসংযোগকালে বহ্নি বেপারী ধানমন্ডির নিজাম শংকর প্লাজা (১৫/এ), ইবনে সিনা হাসপাতাল গলি এবং ছায়ানট প্রাঙ্গণসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে সাধারণ ভোটারদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। এ সময় স্থানীয় বাসিন্দারা তাঁকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান।

    প্রার্থীকে নিয়ে জাতীয় পার্টির নেতাকর্মীরা লিফলেট বিতরণ করেন এবং সাধারণ মানুষের কাছে লাঙ্গল মার্কায় ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান। গণসংযোগকালে কলাবাগান থানা জাতীয় পার্টির সভাপতি মো. অপু সিকদার, ধানমন্ডি থানা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক শাহ আলম দেওয়ান, মহিলা নেত্রী নাজমা আক্তারসহ দলের বিভিন্ন স্তরের স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

    ‘উন্নত ঢাকার ভিত্তি গড়েছিলেন এরশাদ’:
    গণসংযোগ শেষে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বহ্নি বেপারী বলেন, “পল্লীবন্ধু হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের অবদান এ দেশের মানুষ কোনোদিন ভুলবে না। আজকের আধুনিক ও উন্নত ঢাকার রূপকার ছিলেন তিনি। বিশেষ করে ১৯৮৮ সালের প্রলয়ঙ্করী বন্যার পর ঢাকাবাসীকে রক্ষায় তিনি যে বেড়িবাঁধ নির্মাণ করেছিলেন, তা রাজধানীর উন্নয়নের মাইলফলক হয়ে আছে।”

    তিনি আরও বলেন, “হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ এই ঢাকাকে তিলোত্তমা ঢাকা হিসেবে গড়ে তুলেছিলেন। সেই তিলোত্তমা ঢাকা আর নেই। আমি নির্বাচিত হলে সেই তিলোত্তমা ঢাকাকে আবারও ফিরিয়ে আনবো। আর ঢাকা-১০ আসন থেকেই শুরু হবে তিলোত্তমা ঢাকা গড়ার কাজ।”

    তিনি আরও যোগ করেন, “জাতীয় পার্টি উন্নয়নের রাজনীতিতে বিশ্বাসী। সাধারণ মানুষ আজও এরশাদ সরকারের আমলের সুশাসনের কথা স্মরণ করে।”

    সুষ্ঠু নির্বাচনে জয়ের ব্যাপারে শতভাগ আশাবাদী:
    নির্বাচনের পরিবেশ প্রসঙ্গে বহ্নি বেপারী আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, “যদি আসন্ন নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হয়, তবে ঢাকা-১০ আসনে লাঙ্গল মার্কা শতভাগ বিজয়ী হবে, ইনশাআল্লাহ।” ভোটারদের স্বতঃস্ফূর্ত সাড়ায় তিনি জয়ের ব্যাপারে অত্যন্ত আত্মবিশ্বাসী বলে জানান। প্রচারণা শেষে লাঙ্গলের সমর্থনে নেতাকর্মীদের স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে পুরো ধানমন্ডি এলাকা।

  • ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সিদ্ধিরগঞ্জ থানাধীন কাঁচপুর এলাকায় ‘রিভারভিউ হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্টে’ অসামাজিক কার্যকলাপের অভিযোগ

    ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সিদ্ধিরগঞ্জ থানাধীন কাঁচপুর এলাকায় ‘রিভারভিউ হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্টে’ অসামাজিক কার্যকলাপের অভিযোগ

    1. রিপোর্ট: নিজস্ব প্রতিবেদক

    ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সিদ্ধিরগঞ্জ থানাধীন কাঁচপুর ব্রিজে ওঠার আগে বাম পাশে অবস্থিত ‘রিভারভিউ হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্ট’-এ দীর্ঘদিন ধরে দেহ ব্যবসা, মাদক সেবন ও কারবারসহ বিভিন্ন ধরনের অসামাজিক কার্যকলাপ পরিচালিত হচ্ছে বলে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় বাসিন্দা, পথচারী ও একাধিক নির্ভরযোগ্য সূত্রের দাবি, নামমাত্র একটি হোটেল-রেস্টুরেন্টের সাইনবোর্ড ব্যবহার করে প্রতিষ্ঠানটি কার্যত অনৈতিক কর্মকাণ্ডের নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে।

    অভিযোগ অনুযায়ী, হোটেলটির মালিক জাহিদ ও ম্যানেজার বাবুর প্রত্যক্ষ মদদে এসব কর্মকাণ্ড সংঘটিত হচ্ছে। এলাকাবাসীর ভাষ্য, দিনের বেলায় হোটেল-রেস্টুরেন্টের আড়ালে ব্যবসা চললেও সন্ধ্যার পর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত সেখানে অপরিচিত নারী-পুরুষের যাতায়াত বেড়ে যায় এবং সন্দেহজনক কার্যকলাপ স্পষ্টভাবে লক্ষ্য করা যায়।

    স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, মহাসড়কের পাশে গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে থাকা সত্ত্বেও দীর্ঘদিন ধরে এসব কর্মকাণ্ড নির্বিঘ্নে চলতে থাকায় সাধারণ মানুষের মধ্যে চরম আতঙ্ক ও ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে শিক্ষার্থী ও যুবসমাজের নৈতিক অবক্ষয়ের জন্য এ ধরনের কর্মকাণ্ড মারাত্মক হুমকি হয়ে উঠছে বলে মনে করছেন সচেতন নাগরিকরা।

    এ বিষয়ে অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে সাংবাদিকরা হোটেলটির ম্যানেজার বাবুর সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি অত্যন্ত দায়িত্বজ্ঞানহীন ও হুমকিমূলক বক্তব্য দেন বলে অভিযোগ রয়েছে। বাবু দাবি করেন, “আমরা থানা ম্যানেজ করেই চালাচ্ছি, আপনারা পারলে কিছু করে দেখান।” —এ ধরনের বক্তব্য প্রশাসনিক স্বচ্ছতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে।

    এলাকাবাসীর অভিযোগ, স্থানীয়ভাবে একাধিকবার আপত্তি ও অভিযোগ জানানো হলেও কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। ফলে তারা প্রশাসনের নিরপেক্ষতা ও কার্যকারিতা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করছেন।

    এ বিষয়ে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাংবাদিকদের বলেন,
    “আমার জানামতে এরকম কাজ হয় না। যেহেতু আপনি বলেছেন, আমি এক্ষুনি গাড়ি পাঠিয়ে ব্যবস্থা নিচ্ছি।”

    পরিস্থিতির ভয়াবহতা বিবেচনায় নিয়ে এলাকাবাসী এখন কেবল বেসামরিক প্রশাসনের ওপর ভরসা রাখতে পারছেন না বলে জানিয়েছেন। তাদের জোরালো দাবি, অবিলম্বে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ওই হোটেলটিতে চলমান সব ধরনের অসামাজিক ও অবৈধ কার্যক্রম বন্ধ করতে হবে এবং এর সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে হবে।

    এ বিষয়ে হোটেল মালিক মালিক জাহিদ এর বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা করা হলেও প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তাদের কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

    সচেতন মহল মনে করছেন, দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্ত ও দৃশ্যমান পদক্ষেপ না নিলে ভবিষ্যতে এই এলাকার সামাজিক পরিবেশ আরও ভয়াবহভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

  • বেগম খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় দোয়া মাহফিল ও পরিবহন শ্রমিকদের বিনামূল্যে চক্ষু সেবা প্রদান

    বেগম খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় দোয়া মাহফিল ও পরিবহন শ্রমিকদের বিনামূল্যে চক্ষু সেবা প্রদান

    হাসান আলী:
    তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আশু রোগমুক্তি কামনায় দোয়া মাহফিল এবং পরিবহন শ্রমিকদের জন্য বিনামূল্যে চক্ষু পরীক্ষা ও চশমা প্রদান কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়েছে। রাজধানীর সায়েদাবাদ বাস স্ট্যান্ডের পরিবহন ভবন প্রাঙ্গণে আজ মঙ্গলবার সকাল ১১টায় এ আয়োজন শুরু হয়। দিনব্যাপী এ কর্মসূচিতে বিপুলসংখ্যক পরিবহন শ্রমিক অংশগ্রহণ করেন।

    অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সড়ক পরিবহন সংগঠনের সভাপতি এম এ বাতেন, সাধারণ সম্পাদক সাইফুল আলম, সাংগঠনিক সম্পাদক জাহিদ আল লতিফ (খোকা), সায়েদাবাদ শ্রমিক পরিবহন কমিটির আহ্বায়ক আলমগীর হোসেন, সদস্য সচিব জামশেদুল আলম শ্যামল, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মুকিদুল ইসলাম রঞ্জু এবং পরিবহন মালিক–শ্রমিক সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ। তারা শ্রমিকদের কর্মপরিবেশ, স্বাস্থ্যসেবা প্রাপ্তি, সড়কে নিয়ম–শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা বিষয়ে বিভিন্ন দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য রাখেন।

    বক্তারা বলেন, শ্রমিকদের নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা অত্যন্ত জরুরি। বিশেষ করে চক্ষু সমস্যার কারণে অনেক চালক ও সহকারীর দৈনন্দিন কাজ ব্যাহত হয়, যা সড়কে দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ায়। তাই এমন উদ্যোগ প্রশংসনীয় ও প্রয়োজনীয়। তারা আরও বলেন, একজন সুস্থ শ্রমিকই সড়কে নিরাপদ সেবা দিতে পারে। শ্রমিকদের প্রতি সম্মান ও যত্ন নেওয়া সমাজের দায়বদ্ধতা।

    এসময় দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দ্রুত রোগমুক্তি ও সুস্থতা কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়। নেতৃবৃন্দ বলেন, খালেদা জিয়া দেশের গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে আজও অনুপ্রেরণা। তার সুস্থতা শুধু দলের নয়, সমগ্র জাতির কামনা।

    দিনব্যাপী অনুষ্ঠানে শ্রমিকদের চোখ পরীক্ষা করে প্রয়োজন অনুযায়ী চশমা সরবরাহ করা হয়। আয়োজকেরা জানান, ভবিষ্যতেও শ্রমিকদের জন্য এমন জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে

  • ইমারত পরিদর্শক আবুল কালাম আজাদের বিরুদ্ধে ঘুষ বাণিজ্যের বিস্তর অভিযোগ

    ইমারত পরিদর্শক আবুল কালাম আজাদের বিরুদ্ধে ঘুষ বাণিজ্যের বিস্তর অভিযোগ

    স্টাফ রিপোর্টার: 

    রাজউক কর্তৃপক্ষের বিভিন্ন জোনে দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালন করা ইমারত পরিদর্শক আবুল কালাম আজাদের বিরুদ্ধে ঘুষ লেনদেন, অনিয়ম ও দুর্নীতির বিস্তৃত অভিযোগ উঠেছে। পূর্বে রাজউকের জোন ৩/২–এ দায়িত্ব পালন করলেও বর্তমানে তিনি দায়িত্ব পালন করছেন জোন ৪/২–এ। জোন স্থানান্তর হলেও তার বিরুদ্ধে অভিযোগের ধারা থামেনি বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।

    অভিযোগ অনুযায়ী, রাজধানীর কল্যাণপুর লেকপাড় এলাকার মিনার প্রোপার্টিজ নামের একটি প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে আবুল কালাম আজাদ তিন লক্ষ টাকা ঘুষ নেন। লেনদেনে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করেন ইয়াছিন নামের একজন ব্যক্তি। অভিযোগকারীরা জানান, ভবন অনুমোদন ও নির্মাণসংক্রান্ত কাগজপত্র দ্রুত এগিয়ে দিতে এবং পরিদর্শনে ‘সমস্যা না দেখানোর’ আশ্বাস দিয়ে কালাম এ অর্থ গ্রহণ করেন।

    এছাড়া মিরপুর এলাকার বাসিন্দা শামিমা রশিদের কাছ থেকেও তিনি দুই লক্ষ টাকা ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। তার দাবি, নির্মাণাধীন ভবনের নথিপত্রে কোন ত্রুটি না ধরার প্রতিশ্রুতির বিনিময়ে পরিদর্শক কালাম এই অর্থ দাবি করেন এবং পরে গ্রহণও করেন। একইভাবে কল্যাণপুর এলাকায় আরেকটি নির্মাণাধীন ভবনের মালিকের কাছ থেকে অতিরিক্ত এক লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেন তিনি। একাধিক ভুক্তভোগীর বক্তব্যে উঠে এসেছে—অবৈধ অর্থ নেওয়াকে আবুল কালাম নিয়মিত ‘প্রক্রিয়ার অংশ’ বলেই দাবি করেন।

    রাজউকের ভেতরে ও বাইরে আলোচিত আরেক পরিদর্শক সুলাইমানের বিরুদ্ধে সম্প্রতি সাংবাদিকদের সঙ্গে দুর্ব্যবহারের অভিযোগে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধন ও প্রতিবাদের মুখে সুলাইমানকে দ্রুত চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হলেও একই ধরনের অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও আবুল কালাম আজাদ বহাল তবিয়তে দায়িত্ব পালন করছেন। এতে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সাধারণ মানুষসহ ভুক্তভোগীরা।

    রাজউকের অভ্যন্তরীণ সূত্র বলছে, আবুল কালাম আজাদ দীর্ঘদিন ধরে ‘প্রভাবশালী মহলের’ সহায়তা পেয়ে আসছেন। যার কারণে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠলেও কোন বিভাগীয় তদন্ত শুরু হয়নি। এমনকি ভুক্তভোগীরা লিখিত অভিযোগ দেওয়ার আগেই তাদের ‘সমাধানের আশ্বাস’ দেখিয়ে নিরব থাকতে বাধ্য করা হয়।

    এলাকাবাসীর অভিযোগ, ঘুষ–দুর্নীতির মাধ্যমে ভবন নির্মাণে অনিয়মকে উৎসাহিত করছেন এই কর্মকর্তা। আবুল কালামের মতো পরিদর্শকরা দুর্নীতি করলে নিয়মবহির্ভূত ভবন নির্মাণ বেড়ে যায়, যা ভবিষ্যতে ভয়াবহ দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করেন।

    এ প্রসঙ্গে ভুক্তভোগীরা দ্রুত তদন্ত ও দায়িত্বশীলদের জবাবদিহির আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন। তারা বলেন, “একজন পরিদর্শকের দুর্নীতির কারণে পুরো এলাকার নিরাপত্তা ঝুঁকিতে পড়ে। সুলাইমানকে বরখাস্ত করা হয়েছে, কিন্তু আবুল কালাম আজাদের বিরুদ্ধে কেন ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না—এটাই আমাদের প্রশ্ন।”

    রাজউক প্রশাসনের প্রতি দাবি—ঘুষ ও অনিয়মের সঙ্গে জড়িত কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক এবং নির্মাণশিল্পে স্বচ্ছতা ফিরিয়ে আনা হোক।

  • বিএনপি চেয়ারপার্সন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আশু রোগ মুক্তি ও দোয়া মাহফিল কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সহ-সাধারণ সম্পাদক রাসেল খানের উদ্যোগে।

    বিএনপি চেয়ারপার্সন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আশু রোগ মুক্তি ও দোয়া মাহফিল কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সহ-সাধারণ সম্পাদক রাসেল খানের উদ্যোগে।

    বিএনপির চেয়ারপার্সন সাবেক তিনবারের সফল প্রধানমন্ত্রী আবসহীন দেশনেত্রী গুরুতর অসুস্থ বেগম খালেদা জিয়ার জন্য আশু রোগ মুক্তি ও তার সুস্থতা কামনায় কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সহ-সাধারণ সম্পাদক রাসেল খানের সার্বিক সহযোগিতায় ও আয়োজনে পটুয়াখালী বাউফল উপজেলার ১ নং কাছি পাড়া ইউনিয়নে কারখানা গ্রামে এলাকার মুরুব্বী এবং তরুণদের নিয়ে দোয়ার আয়োজন করা হয়। দোয়া মাহফিলে বেগম খালেদা জিয়ার জন্য মহান আল্লাহতালার দরবারে উনার সুস্থতা কামনায় দোয়া করা হয়। যাতে বেগম খালেদা জিয়া দ্রুত সুস্থ হয়ে আবার নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারে এবং সাধারণ জনগণের মাঝে ফিরে আসতে পারে।

  • রনি–আমেনা চক্রের বিরুদ্ধে জনমতের ঝড়: মাদক দমনের নামে সৃষ্টি হয়েছে দুর্নীতির শিল্প!

    ময়মনসিংহ প্রতিনিধি:
    মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের (ডিএনসি) ময়মনসিংহ বিভাগীয় গোয়েন্দা কার্যালয় কি সত্যিই মাদক দমন করছে—নাকি মাদক ব্যবসায়ীদের সঙ্গে গোপন আঁতাত, মাসোয়ারা বাণিজ্য এবং “সেফ জোন” সৃষ্টির অন্ধকার চক্রে পরিণত হয়েছে? বহুদিন ধরে স্থানীয়দের মুখে মুখে ঘুরে বেড়ানো অভিযোগ এবার ভয়ংকর বাস্তবে রূপ নিয়েছে। ২০ নভেম্বর ফাঁস হওয়া এক ভয়েস রেকর্ডে ডিএনসির এএসআই আমেনা বেগম নিজ মুখে স্বীকার করেছেন—পরানগঞ্জের অবৈধ মদপল্লী থেকে তিনি নিয়মিত মাসোয়ারা নেন! কথোপকথনের অপর প্রান্তে থাকা মদ ব্যবসায়ী অমলকে গালাগালি, হুমকি, মাসোয়ারা আদায় এবং অপকর্মের বর্ণনা—সবকিছুই উঠে এসেছে অডিওটিতে। শোনা যায়—“আগে যা দিছস, এবারও তাই দিবি! আমার লাইনে চলবি—না হলে মামলা হইব!” ফাঁস হওয়া অডিও জনমনে তীব্র ক্ষোভ সৃষ্টি করেছে। প্রশ্ন—“যে বাহিনী দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে মাদক থেকে রক্ষা করার কথা, সেই কর্মকর্তারাই যদি মদপল্লীর মাসোয়ারা খেয়ে বাঁচেন—তাহলে রাষ্ট্রকে রক্ষা করবে কে?”

    অডিও ফাঁসের পর উন্মোচিত আরেক ভয়ংকর সত্যঃ রনির ডিজি অফিসে ‘অদৃশ্য ক্ষমতার ছাতা’! এএসআই আমেনা অডিওতে ভয় পেয়ে মিনতি করতে করতে বলেন—“ভাই, রনি শুনলে আমার চাকরি চলে যাবে। রনির ডিজি অফিসে বড় কর্মকর্তার সঙ্গে খুব সখ্যতা আছে! যে কাউকে বদলি করে দিতে পারে। ইতিমধ্যেই নিরপরাধ একজনকে খাগড়াছড়ি বদলি করাইছে। ভাই, আমার চাকরি খাইয়েন না…” এই কথাগুলো থেকেই স্পষ্ট—মাদক দমনকারী বাহিনীর অভ্যন্তরে একটি অদৃশ্য শক্তিশালী সিন্ডিকেট বহুদিন ধরেই সক্রিয়। ডিজি অফিস পর্যন্ত প্রভাব বিস্তারকারী এই সিন্ডিকেট—শাস্তির ভয় দূর করে অধীনস্থদের দিয়ে মাসোয়ারা কালেকশন করায়! নিজ জেলার গডফাদারদের সুরক্ষা দেয়! যাকে খুশি বদলি করার ক্ষমতা দেখায়! এএসআই আমেনার ভয়, কাঁপা কণ্ঠে মিনতি—এই সিন্ডিকেটের ভয়ংকর ক্ষমতার নির্মম প্রমাণ।

    অভিযোগের কেন্দ্রে সহকারী পরিচালক কাওসারুল হাসান রনি! রনির বাড়ি—ময়মনসিংহের ত্রিশাল! এএসআই আমেনার বাড়ি—ঈশ্বরগঞ্জ! এএসআই ফারুকের বাড়ি—নান্দাইল! একই জেলার তিন কর্মকর্তা–কর্মচারী বছরের পর বছর একই জেলায় থেকে একটি ‘সিন্ডিকেট’ তৈরি করেছেন—এমন অভিযোগ স্থানীয়দের মুখে মুখে। স্থানীয়দের প্রশ্ন—“নিজ জেলায় পোস্টিং পেয়ে কি তারা মাদক গডফাদারদের সঙ্গে যোগসাজশে দুর্নীতির সাম্রাজ্য বানিয়েছেন?” অনেকে বলছেন—“এত বিপুল দুর্নীতি একদিনে হয়নি। তাহলে কর্তৃপক্ষ এতদিন কোথায় ছিল? দেখেও কি না দেখার ভান করা হয়েছে?”

    ১. গডফাদারদের সুরক্ষা—‘মাসোয়ারা নিলেই সেফ জোন’ ঘোষণা! ময়মনসিংহ শহর ও আশপাশের এলাকায় প্রায় ২০ জন কুখ্যাত মাদক গডফাদারকে মাসোয়ারার বিনিময়ে “নিরাপদ এলাকা” ঘোষণা করা হয়েছে—এমন অভিযোগ স্থানীয়দের। তালিকায় রয়েছে—ময়না–বুচি, নজরুল–নাজু, ডালিয়া, রুমা, রুজি, স্মৃতি, কুদু, হামে, রেহেনা, দুখিনী, সুরমা, সুবর্ণা–দেলু, মোখলেস, আনু, হাফিজুল, মোফাজ্জল, আহাদ, কাইয়ুমসহ আরও অনেকে। মাসোয়ারার টাকা ভাগ হতো—এএসআই ফারুক, এএসআই মাহাবুব, সিপাহি পাবেল, সিপাহি সোহেলের মধ্যে।

    ২. নিজ জেলার মাদক ব্যবসায় অন্ধত্ব—বাইরের জেলায় ‘সাফল্যের নাটক’! রনি নিজের জেলায় থেকে গডফাদারদের সম্পূর্ণ সুরক্ষা দিয়েছেন—এমন অভিযোগ পুরনো। বেশিরভাগ মামলাই করা হয়েছে বাইরের জেলায়—যাকে বলা হচ্ছে “ফাইল সাফল্যের নাটক”।

    ৩. উদ্ধার ও মামলার অমিল—‘উদ্ধারের বড় অংশ কোথায় যায়?’ উদাহরণ: উদ্ধার ২০ কেজি গাঁজা—মামলায় ১৮ কেজি! উদ্ধার ২,০০০ ইয়াবা—মামলায় ১,৯৫০টি! নগদ টাকাও কম দেখানোর অভিযোগ! জনমনে প্রশ্ন—“বাকি অংশ কার পকেটে গেল?”

    ৪. অধীনস্থদের হঠাৎ সম্পদবৃদ্ধি—“বেতনে কীভাবে সম্ভব?” বিশেষ করে এএসআই ফারুকের—শম্ভুগঞ্জে জমি, গোয়ালকান্দিতে ১৬ শতক, সানকিপাড়ায় বাড়ি, নিজ গ্রামে আলিশান ভবন! সচেতন মহলের মন্তব্য—“এএসআইয়ের বেতনে এসব হয় না—এটাই দুর্নীতির বড় প্রমাণ।”

    ৫. রনির ব্যক্তিজীবনেও ঝড়—স্ত্রীর মামলা ও বিচ্ছেদ! পারিবারিক সূত্র বলছে—রনির ব্যক্তিজীবনে নানা অভিযোগ ও অস্থিতিশীলতা ছিল। কথা উঠছে—“নিজ পরিবারই যখন সামলাতে পারেননি—রাষ্ট্রের তরুণ সমাজকে কীভাবে রক্ষা করবেন?”

    ৬. দীপ পুনর্বাসন কেন্দ্র বন্ধ—পরিচালকের বিস্ফোরক অভিযোগ। জেলা পুরস্কারপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান দীপ পুনর্বাসন কেন্দ্র বন্ধে রনির ‘মনগড়া রিপোর্ট’ দায়ী—এমন অভিযোগ করেছেন পরিচালক মো. আরিফ সিদ্দিকী (সুমন)। তিনি বলেন—“রনি আমার শত্রুদের সঙ্গে হাত মিলিয়ে কেন্দ্র বন্ধ করিয়েছে।” সরজমিনে দেখা গেছে—অন্য পুনর্বাসন কেন্দ্রগুলোতে ভয়ংকর অনিয়ম থাকলেও সেখানে কোনো অভিযান নেই। কারণ—সেখান থেকেও আসে মাসোয়ারা! নাগরিক সমাজ বলছে—“এটি রাষ্ট্রের প্রতি সরাসরি বিশ্বাসঘাতকতা।”

    এই সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে জনমনের জোর দাবি—অবিলম্বে উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত! তদন্তের দাবিসমূহঃ ১. এএসআই আমেনার ভয়েস রেকর্ডের ফরেনসিক বিশ্লেষণ। ২. রনির দায়ের করা সব মামলার রিভিউ। ৩. উদ্ধার ও জব্দ তালিকার পূর্ণ অডিট। ৪. এএসআই ফারুক–মাহাবুবসহ সংশ্লিষ্টদের সম্পদ তদন্ত। ৫. সহকারী পরিচালক রনিকে অবিলম্বে অপসারণ। ৬. পুনর্বাসন কেন্দ্রগুলোর লাইসেন্স–বেড–অনুমোদন সংক্রান্ত ঘুষ চক্রের তদন্ত।

    অভিযুক্তদের অস্বীকার—কিন্তু প্রশ্নের পাহাড়! রনি ও তার টিম সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। কিন্তু—ভয়েস রেকর্ড, উদ্ধার–মামলার অমিল, গডফাদার সুরক্ষা, হঠাৎ সম্পদবৃদ্ধি, নিজ জেলায় বছরের পর বছর পোস্টিং! ডিজি অফিসে অদৃশ্য প্রভাব! নিরপরাধকে খাগড়াছড়িতে বদলি! চুরির অভিযুক্তকে কিশোরগঞ্জে (ভৈরবে) প্রাইজ পোস্টিং! পুনর্বাসন কেন্দ্র বন্ধের প্রশ্নবিদ্ধ রিপোর্ট! এসব মিলিয়ে সাধারণ মানুষের দাবি—“মাদক দমনের নামে দুর্নীতির সাম্রাজ্য ভেঙে দিন—নইলে জনগণের আস্থা চিরতরে ধ্বংস হয়ে যাবে।”

    জাতীয় নিরাপত্তার সংকট! এটি শুধু একটি জেলার সমস্যা নয়—এটি রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ঘোষণা করা এক নীরব যুদ্ধ। জনগণের বার্তা পরিষ্কার—“মাদক দমনের নামে দুর্নীতির সিন্ডিকেট ভেঙে দিন—না হলে দেশে মাদক ব্যবসাই সরকারি লাইসেন্স পেয়ে যাবে!”

  • কক্সবাজারে মানবসেবার অঙ্গীকার: সম্পাদক আনোয়ার হোসেন আকাশকে শুভেচ্ছা জ্ঞাপন

    কক্সবাজারে মানবসেবার অঙ্গীকার: সম্পাদক আনোয়ার হোসেন আকাশকে শুভেচ্ছা জ্ঞাপন

    মোঃআনজার শাহ

    দৈনিক স্বাধীন সংবাদ পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন আকাশকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়েছেন কক্সবাজারের কৃতি সন্তান মোঃ শাহাদাত হোসেন। তিনি দৈনিক প্রাইভেট ডিটেকটিভ পত্রিকার চট্টগ্রাম বিভাগীয় ব্যুরো চিফ এবং কলাতলীর হানিমুন রিসোর্টের মালিক।
    সম্প্রতি অনুষ্ঠিত এই সৌজন্য সাক্ষাতে উপস্থিত ছিলেন দৈনিক স্বাধীন সংবাদ পত্রিকার কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধি মোঃ আব্দুল গফুর। উষ্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত এ মতবিনিময় সভায় সাংবাদিকতা, সামাজিক দায়বদ্ধতা এবং দেশের ইতিবাচক পরিবর্তনে গণমাধ্যমের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা হয়।
    সম্পাদক মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন আকাশ বলেন, “গণমাধ্যমের শক্তি যখন মানুষের কল্যাণে ব্যবহৃত হয়, তখন সমাজ সত্যিকার অর্থে আলোকিত হয়। তরুণ সাংবাদিকদের অবশ্যই সত্য ও ন্যায়ের পথে থেকে দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা চর্চা করতে হবে।”
    শাহাদাত হোসেন বলেন, “দৈনিক স্বাধীন সংবাদ জাতীয়ভাবে নির্ভরযোগ্য সংবাদ পরিবেশনের যে আস্থা তৈরি করেছে, তা আমাদের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস। আমরা বিশ্বাস করি, সত্যনিষ্ঠ সাংবাদিকতাই পারে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে।”
    এদিকে কক্সবাজারে অসহায় ও গরিব মানুষের পাশে দাঁড়াচ্ছে জনপ্রিয় সামাজিক সংগঠন ‘হেলপ ইথুথ ক্লাব কক্সবাজার’। সংগঠনটি নিয়মিত মানবসেবামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। সংগঠনের সভাপতি আব্দুর রহিম বাবু বলেন, “মানবসেবাই আমাদের মূল লক্ষ্য। মানুষ মানুষের জন্য— এই মহান বিশ্বাস থেকেই আমরা প্রতিদিন মাঠে কাজ করছি। দুস্থ ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।”
    স্থানীয় সচেতন মহল বলছেন, ফুলেল শুভেচ্ছা ও সৌহার্দ্যের এই মুহূর্ত শুধুমাত্র সাংবাদিকতার পেশাগত বন্ধন নয়, বরং সমাজে মানবিকতার আলো ছড়িয়ে দেওয়ার এক অনুপ্রেরণামূলক দৃষ্টান্ত। গণমাধ্যম ও সামাজিক সংগঠনের এমন সহযোগিতা সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তনের পথ সুগম করবে বলে আশা করা যাচ্ছে।