Category: প্রচ্ছদ

  • গাজীপুর-৪ আসনে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যোগ্য প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন প্রত্যাশী ফ.ম. মমতাজ উদ্দিন (রেনু)

    গাজীপুর-৪ আসনে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যোগ্য প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন প্রত্যাশী ফ.ম. মমতাজ উদ্দিন (রেনু)

    স্টাফ রিপোর্টার:

    কাপাসিয়া, গাজীপুর-৪ আসনে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যোগ্য প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন প্রত্যাশী ফ.ম. মমতাজ উদ্দিন (রেনু) আসন্ন জাতীয় ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে কাপাসিয়া-গাজীপুর-৪ আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী। তিনি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার আদর্শে উজ্জীবিত, দেশনায়ক জনাব তারেক রহমান প্রদত্ত ৩১ দফা বাস্তবায়নের মাধ্যমে অন্যায়, সন্ত্রাস ও মাদকমুক্ত আধুনিক কাপাসিয়া গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন। তিনি উপজেলার বারিষাব ইউনিয়নের কীর্তনিয়া গ্রামের ফকির বাড়ির কৃতি সন্তান, জনাব সিরাজ উদ্দিনের ছেলে। তিনি ১৯৬২ সালের ১১ আগস্ট জন্ম গ্রহণ করেন।

    ফ.ম. মমতাজ উদ্দিন (রেনু) বাংলাদেশের রাজনীতিতে দীর্ঘসময় ধরে সক্রিয় ভূমিকা পালন করছেন। তিনি সদস্য, আহ্বায়ক কমিটি, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি), গাজীপুর জেলা; সিনিয়র সহ-সভাপতি, কাপাসিয়া উপজেলা বিএনপি; সাবেক সভাপতি, বারিষাব ইউনিয়ন বিএনপি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ১৯৮৯ থেকে ২০০৩ পর্যন্ত তিনি বারিষাব ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য ছিলেন। ২০০৩ থেকে ২০০৫ পর্যন্ত সিনিয়র সহ-সভাপতি হিসেবে, ২০০৫ থেকে ২০০৯ পর্যন্ত সভাপতি হিসেবে, ২০০৯ থেকে ২০২২ পর্যন্ত সিনিয়র সহ-সভাপতি হিসেবে এবং ২০২৩ থেকে ২০২৫ পর্যন্ত পুনরায় সিনিয়র সহ-সভাপতি হিসেবে কাপাসিয়া উপজেলা বিএনপিতে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি ২০২৫ সালের নবগঠিত আহ্বায়ক কমিটি, গাজীপুর জেলা সদস্য হিসেবেও আছেন।

    ফ.ম. মমতাজ উদ্দিন (রেনু) বলেন, তিনি যদি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন, তাহলে তাঁর নেতৃত্বে কাপাসিয়ার গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, বিদ্যালয়, বিদ্যুৎ সংযোগ, গ্যাস, কাপাসিয়া কলেজ সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, খাল খননসহ অসংখ্য উন্নয়নমূলক কাজ সম্পন্ন করবেন। তিনি উল্লেখ করেন, তিনি বহুবার রাজনৈতিক হামলা ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন, কিন্তু কখনোই নেতৃত্ব, সাংগঠনিক দায়িত্ব ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের সংগ্রাম থেকে পিছু হটেননি। তিনি দলের নেতাকর্মীদের পাশে মানবিক সহানুভূতি নিয়ে দাঁড়িয়েছেন, তাদের চিকিৎসা, আইনি সহায়তা ও আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছেন।

    তিনি আরও বলেন, ভয়াবহ ওয়ান-ইলেভেন বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ইতিহাসের এক কালো অধ্যায়। সে সময়ে তিনি দীর্ঘদিন কারাবরণ করেছেন এবং ভয়াবহ নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমানসহ দলের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে তিনি কারাগারে বন্দি ছিলেন। হামলা-মামলা ও নির্যাতন তাঁকে কখনোই দমিয়ে রাখতে পারেনি; বরং প্রতিকূলতা তাঁকে জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনে আরও দৃঢ় আত্মনিয়োগ করতে অনুপ্রাণিত করেছে।

    ফ.ম. মমতাজ উদ্দিন বলেন, তাঁর প্রেরণা ও রাজনৈতিক দীক্ষা শুরু হয় নবম শ্রেণীতে পড়াকালীন, ১৯৮০ সালে। জাতীয়তাবাদী দলের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান কাপাসিয়ার টেক এলাকায় খাল খননের কর্মসূচিতে হেলিকপ্টার যোগে এসেছিলেন, এবং ভাগ্যক্রমে তিনি সেখানে শহীদ প্রেসিডেন্টের সাথে হাত মেলানোর সুযোগ পেয়েছিলেন। এটি তাঁকে বিএনপির আদর্শ ও শহীদ প্রেসিডেন্টের জীবনাদর্শ ধারণ করে রাজনৈতিক জীবনে কাজ করতে অনুপ্রাণিত করেছে। তিনি মনে করেন, বিএনপির জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড তাঁকে রাজনীতিতে সক্রিয় ভূমিকা নিতে উদ্বুদ্ধ করেছে।

    তিনি আরও বলেন, বর্তমান প্রেক্ষাপটে দেশনায়ক জনাব তারেক রহমান প্রদত্ত ৩১ দফা বাস্তবায়নের মাধ্যমে দুর্নীতি, সন্ত্রাস, মাদকমুক্ত, উন্নয়ন ও অগ্রগতির পথে আধুনিক কাপাসিয়া পুনর্গঠন এবং কাপাসিয়ার জনগণের ভাগ্য পরিবর্তনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে চান। ফ.ম. মমতাজ উদ্দিন (রেনু) উপস্থিত নেতাকর্মী ও সাংবাদিকদের বলেন, “কাপাসিয়ার আপামর জনগণের কল্যাণই আমার রাজনীতির মূল লক্ষ্য। দুর্নীতি, মাদক ও সন্ত্রাসমুক্ত একটি আধুনিক, উন্নত কাপাসিয়া গঠনই হবে আমার সর্বোচ্চ অঙ্গীকার।”

    কাপাসিয়া গাজীপুর-৪ আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশীদের মধ্যে ফ.ম. মমতাজ উদ্দিন (রেনু) কে একজন যোগ্য ক্লিন ইমেজ প্রার্থী হিসেবে মনে করেন সাধারণ ভোটার ও তৃণমূল নেতাকর্মীরা। তাই আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কাপাসিয়া গাজীপুর-৪ আসনটি বিএনপির চেয়ারপার্সন সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে উপহার দেয়ার জন্য নির্বাচনী মাঠে যোগ্য প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন প্রত্যাশী ফ.ম. মমতাজ উদ্দিন (রেনু)। জনমত যাচাই-বাছাই করে বিএনপি থেকে ধানের শীষ প্রতীক প্রদানের জন্য দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ হাইকমান্ডের দৃষ্টি কামনা করেছেন ক্লিন ইমেজের সাধারণ জনগণ ও স্থানীয় নেতাকর্মীরা।

  • কক্সবাজারে ট্যুরিস্ট পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি আপেল মাহমুদ সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে উন্নয়ন মূলক কাজের অগ্রদূত

    কক্সবাজারে ট্যুরিস্ট পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি আপেল মাহমুদ সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে উন্নয়ন মূলক কাজের অগ্রদূত

    স্টাফ রিপোর্টার:

    পর্যটন শহর কক্সবাজারে ট্যুরিস্ট পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি আপেল মাহমুদ জনকল্যাণ এবং নিরাপত্তা বৃদ্ধির মাধ্যমে এলাকায় নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে তিনি কক্সবাজারকে দেশের অন্যতম নিরাপদ পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে নেতৃত্ব দিচ্ছেন।

    ডিআইজি আপেল মাহমুদ দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে পর্যটন পুলিশের কার্যক্রমকে আরও সুসংগঠিত ও জনগণমুখী করার জন্য একাধিক উন্নয়নমূলক উদ্যোগ হাতে নিয়েছেন। নিরাপদ পর্যটন নিশ্চিত করা, স্থানীয় পর্যটকদের সেবা দেওয়া এবং অপরাধ রোধে কার্যকর নীতি গ্রহণের মাধ্যমে তিনি এলাকার সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন।

    স্থানীয়রা বলছেন, “ডিআইজি আপেল মাহমুদ আমাদের এলাকায় নিরাপত্তার মান অনেক উন্নত করেছেন। তার নির্দেশনায় পর্যটকরা নিরাপদ বোধ করছেন এবং স্থানীয় ব্যবসায়ীরা আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে তাদের কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।” পর্যটন শিল্পের উন্নয়নের পাশাপাশি তিনি ট্যুরিস্ট পুলিশের আধুনিকীকরণ এবং প্রশিক্ষণেও জোর দিয়েছেন। নতুন প্রযুক্তি ও উন্নত সরঞ্জাম ব্যবহারের মাধ্যমে পুলিশি কার্যক্রম আরও ফলপ্রসূ হয়েছে।

    তিনি নিয়মিতভাবে স্থানীয় জনগণের সঙ্গে সংলাপ স্থাপন করেন, সমস্যা শুনেন এবং তা সমাধানের জন্য দ্রুত পদক্ষেপ নেন। স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তিনি সমন্বিত কর্মসূচি গ্রহণ করেছেন, যা কক্সবাজারকে নিরাপদ ও সুশৃঙ্খল পর্যটন শহর হিসেবে পরিচিতি দিচ্ছে।

    ডিআইজি আপেল মাহমুদ বলেন, “আমার লক্ষ্য হলো কক্সবাজারকে একটি এমন পর্যটনকেন্দ্র বানানো যেখানে সবাই নিরাপদ, শান্তিপূর্ণ এবং স্বাচ্ছন্দ্যে ভ্রমণ করতে পারবে। সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করাই আমাদের মূল নীতি।”

    তার নেতৃত্বে ট্যুরিস্ট পুলিশ শুধুমাত্র অপরাধ রোধে নয়, পর্যটন সংক্রান্ত সেবা ও সহায়তাতেও জনগণের পাশে রয়েছে। স্থানীয় ব্যবসায়ীরা এবং পর্যটকরা তার কার্যক্রমকে ইতিবাচকভাবে অভিহিত করছেন। এ ছাড়া স্থানীয় সম্প্রদায়ের সঙ্গে সমন্বয় বাড়িয়ে ট্যুরিস্ট পুলিশের কার্যক্রম আরও ফলপ্রসূ হয়েছে।

    বিশ্লেষকরা মনে করেন, কক্সবাজারে পর্যটন নিরাপত্তা, উন্নয়নমূলক কর্মসূচি এবং জনগণমুখী দৃষ্টিভঙ্গির মাধ্যমে ডিআইজি আপেল মাহমুদ একটি নতুন মানদণ্ড স্থাপন করেছেন। সততা, নিষ্ঠা এবং দায়িত্ববোধের সমন্বয়ে তিনি ট্যুরিস্ট পুলিশকে উন্নয়নমূলক ও জনগণমুখী প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলছেন।

    এভাবে ডিআইজি আপেল মাহমুদ কক্সবাজারের পর্যটন শিল্পের নিরাপত্তা ও উন্নয়নের ক্ষেত্রে এক অনন্য উদাহরণ তৈরি করেছেন, যা স্থানীয় জনগণ এবং পর্যটকদের মধ্যে ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

    Post Views: 42

  • পিরোজপুরে ধাওয়া ইউনিয়নের সচিব শ্যামল বড়ালের বিরুদ্ধে কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগ

    স্টাপ রিপোর্টার:পিরোজপুর জেলার ভান্ডারিয়া উপজেলার দাওয়া ইউনিয়ন পরিষদের অতিরিক্ত দায়িত্ব সচিব শ্যামল বড়ালের বিরুদ্ধে কোটি টাকার অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, তিনি সরকারি বরাদ্দ ও তহবিলের অর্থ অপব্যবহার করে ব্যক্তিগতভাবে লাভবান হচ্ছেন। এই অভিযোগে এলাকায় চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে, এবং শ্যামল বড়ালের বিরুদ্ধে দ্রুত তদন্ত ও শাস্তির দাবি তুলেছেন ভুক্তভোগীসহ সাধারণ জনগণ।

    স্থানীয় সূত্র জানায়, শ্যামল বড়াল ভান্ডারিয় সদর গৌরিপুর ইউনিয়নের সচিব থাকাকালীন দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন প্রকল্পের বরাদ্দ থেকে অর্থ আত্মসাৎ করে আসছেন। বিশেষ করে রাস্তা নির্মাণ, সেচ প্রকল্প ও অনুদান প্রদানের ক্ষেত্রে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, সরকারি বরাদ্দে প্রকৃত সুবিধাভোগীরা বঞ্চিত হলেও, ঘনিষ্ঠ মহল ও স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী এসব তহবিল থেকে লাভবান হচ্ছে। বর্তমানে তিনি দাওয়া ইউনিয়ন পরিষদের অতিরিক্ত দায়িত্বে সচিব হিসেবে কর্মরত।

    এ প্রসঙ্গে অভিযুক্ত অতিরিক্ত দায়িত্ব সচিব শ্যামল বড়ালের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি বলেন আমি এখানে নতুন এসেছি। তবে ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান টুলু ডাকুয়া ও তার সহযোগী মিরাজের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রয়েছে বলে শুনেছি।

    সূত্র মতে, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় এদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাস ও দুর্নীতির নানা অভিযোগ উঠলেও তা ধামাচাপা পড়ে যায়।

    এ বিষয়ে একাধিক ভুক্তভোগী দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। দুদক সূত্রে জানা গেছে, শ্যামল বড়াল পূর্বে মিরাজ ও মহারাজের দুর্নীতির প্রত্যক্ষ সাক্ষী ছিলেন। তদন্ত কর্মকর্তারা মনে করছেন, শ্যামল বড়ালকে গ্রেপ্তার করে জিজ্ঞাসাবাদ করলে প্রকৃত তথ্য বেরিয়ে আসবে।

    দুর্নীতির এই অভিযোগে দাওয়া ইউনিয়নে নেমেছে চাঞ্চল্য, এবং সচিবের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন সচেতন নাগরিকরা।

    লোকমুখে এখন একই কথা, গৌরিপুর ইউনিয়ন খেয়ে এখন আসছে দাওয়া ইউনিয়ন খেতে।

  • রাজাপুর-কাঁঠালিয়া উন্নয়ন ফোরামের কমিটি গঠন সভাপতি আবু ইউসুফ সেক্রেটারি জসীম উদ্দীন

    রাজাপুর-কাঁঠালিয়া উন্নয়ন ফোরামের কমিটি গঠন সভাপতি আবু ইউসুফ সেক্রেটারি জসীম উদ্দীন

    ঝালকাঠি প্রতিনিধি:
    ঝালকাঠি জেলার সংসদীয় আসন ১২৫ ঝালকাঠি-১ আসনের উন্নয়নের জন্য রাজাপুর-কাঁঠালিয়া উন্নয়ন ফোরাম নামে একটি সংগঠনের আত্মপ্রকাশ করেছে। একই দিনে ওই সংগঠনের কমিটিও গঠন করা হয়।

    গত ১৫ অক্টোবর বুধবার বেলা ১১ টায় সংগঠনের রাজাপুরের অস্থায়ী কার্যালয়ে এ কমিটি গঠন অনুষ্ঠিত হয়।

    রাজাপুর-কাঁঠালিয়া উপজেলার বিভিন্ন শ্রেণী পেশার লোকদের নিয়ে সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সাধারণ সভায় সকলের মতামতের ভিত্তিতে ঝালকাঠি জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির এডভোকেট হাফিজুর রহমানকে সংগঠনের প্রধান উপদেষ্টা করে মাওলানা মোঃ আবু ইউসুফকে সভাপতি নির্বাচিত করা হয় এবং মাওলানা মোঃ জসিম উদ্দিনকে সেক্রেটারি মনোনীত করা হয়। এছাড়াও ১৫১ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি করা হয়।

    ঝালকাঠি -১ (রাজাপুর- কাঁঠালিয়া) আসনের দল-মত, জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সকল শ্রেণী পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন।

    সংসদীয় আসন ঝালকাঠি-১ এর দুই উপজেলার বিভিন্ন সেক্টরে পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা করা হয়।

  • ভয়ংকর দালাল চক্রের কবলে ময়মনসিংহ  আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস — সেবা নয়, চলছে ব্যবসা!

    ভয়ংকর দালাল চক্রের কবলে ময়মনসিংহ আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস — সেবা নয়, চলছে ব্যবসা!

    স্টাফ রিপোর্টার :

    সরকারি সেবা খাতে জনবান্ধব দৃষ্টান্ত স্থাপনের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের অঙ্গীকার থাকলেও,ময়মনসিংহ আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে সেই প্রতিশ্রুতি যেন হারিয়ে গেছে দুর্নীতির ঘূর্ণিপাকে। সরকারি এই অফিস এখন যেন পরিণত হয়েছে ব্যক্তিগত ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে—যেখানে ঘুষ ছাড়া ‘সেবা’ পাওয়া মানেই দুরাশা! সরাসরি আবেদন মানেই হয়রানি! ভুক্তভোগীদের অভিযোগ—যদি কোনো আবেদনকারী দালালের সাহায্য ছাড়াই সরাসরি আবেদন করেন, তাহলে শুরু হয় হয়রানির মহড়া। প্রয়োজনীয় কাগজপত্রে নানা অজুহাত দেখিয়ে আবেদন বাতিল করা হয়, আবার কখনও সামান্য ভুল ধরিয়ে নতুন করে ফাইল জমা দিতে বলা হয়। একেক ধাপে একেক অজুহাত—শেষ পর্যন্ত আবেদনকারী বাধ্য হন দালালের দ্বারস্থ হতে।

    ময়মনসিংহ জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে আগত সেবা প্রত্যাশীরা বলেন,“আমরা একেকজন একেক জায়গা থেকে আসি,তাই ঐক্য গড়ার সুযোগ নেই। একা একা প্রতিবাদ করলে শুধু হয়রানি বাড়ে। শেষ পর্যন্ত ঘুষ না দিলে পাসপোর্ট পাওয়া সম্ভব হয় না।” দালাল সিন্ডিকেটের নেপথ্যে অফিসের লোকজন! –জাতীয় লেভেলের অপরাধ বিভাগের একটি সাংবাদিক অনুসন্ধান টিমের নীরব পর্যবেক্ষণে উঠে এসেছে ভয়ংকর সব তথ্য। অফিসের অভ্যন্তরে কর্তৃপক্ষের ছত্রছায়ায় গড়ে উঠেছে শক্তিশালী দালাল সিন্ডিকেট—যার নেতৃত্বে রয়েছেন কথিত এক রহিম নামের ব্যক্তি। এই রহিমের অধীনে জমা হওয়া আবেদনপত্রগুলোতে বিশেষ কোড বা চিহ্ন ব্যবহার করা হয়,যা কেবল অফিসের নির্দিষ্ট কর্মকর্তা ও দালাল চক্রের সদস্যরাই বুঝতে পারে। সাধারণ মানুষের পক্ষে সেই চিহ্ন বোঝা সম্ভব নয়।

    সূত্র জানায়,প্রতিদিন এই সিন্ডিকেটের মাধ্যমে লক্ষ লক্ষ টাকা এবং মাসে কোটি টাকার বেশি ঘুষের লেনদেন হয়! অভিযোগের আঙুল উপ-পরিচালক ও সহকারী পরিচালকের দিকে! –ভুক্তভোগী ও স্থানীয় সূত্র মতে,পাসপোর্ট অফিসের উপ-পরিচালক (ডিডি) শাহ মুহাম্মদ ওয়ালি উল্লাহ এবং উপ-সহকারী পরিচালক (এডি) মুহাম্মদ জামাল উদ্দিন–এর নীরব আশীর্বাদেই এসব চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। অফিসের সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক মোঃ রফিকুল ইসলাম এবং রেকর্ড কিপার দেবাশীষ দাস সরাসরি ঘুষ বণ্টন ও আবেদন ব্যবস্থাপনায় যুক্ত—এমন তথ্যও অনুসন্ধান টিম পেয়েছে। –তবে অভিযুক্তরা কেউই অভিযোগ স্বীকার করতে রাজি নন। তাদের বক্তব্য—“সব অভিযোগ রাজনৈতিক বা প্রতিহিংসামূলক।” সাংবাদিকদেরও ঘুষের ভাগ! ভয়াবহ তথ্য হলো—এই অফিস থেকে নাকি প্রতি মাসে কিছু স্থানীয় সাংবাদিকদেরও দেওয়া হয় নির্দিষ্ট অঙ্কের টাকা,যেন এসব দুর্নীতির খবর প্রকাশ না পায়! ফলে জনগণের দুর্ভোগ প্রকাশ্যে আসার আগেই চাপা পড়ে যায় ঘুষ ও দালালির খবর! দুদক অফিস পাশে,তবুও নীরবতা! সবচেয়ে বিস্ময়কর বিষয়—দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)-এর ময়মনসিংহ আঞ্চলিক কার্যালয় এই পাসপোর্ট অফিসের পাশের ভবনেই অবস্থিত! তবুও এতবড় অনিয়মের বিরুদ্ধে তারা এখনো পর্যন্ত কোনো দৃশ্যমান ব্যবস্থা নেয়নি। সচেতন মহল প্রশ্ন তুলেছে—“দুদকের চোখে কি এতদিন কিছুই পড়েনি?” সচেতন মহলের ক্ষোভ ও হুঁশিয়ারি– স্থানীয় সচেতন মহল ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “পাসপোর্ট অফিসে ঘুষের রাজত্ব বহুদিনের। প্রশাসন ও দুদক একে অপরের দিকে তাকিয়ে থাকে—কেউ উদ্যোগ নেয় না। কিন্তু এবার যদি সরকারের হাইকমান্ড বা সেনা গোয়েন্দা সংস্থা বিষয়টি তদন্তে নেয়,তাহলে দৃষ্টান্ত স্থাপন সম্ভব।” তারা আরও বলেন,“এই সিন্ডিকেটের দুঃসাহস এখানেই—কারণ তাদের পৃষ্ঠপোষকতা পাচ্ছে প্রভাবশালী রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহল থেকে।” ঢাকা ক্রাইম টিমের প্রশংসা: এই ভয়াবহ বাস্তবতা দেশের সামনে তুলে ধরায় ঢাকা ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন টিম–কে অভিনন্দন জানিয়েছেন সাধারণ মানুষ ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা।

    তাদের মতে—এই প্রতিবেদন প্রশাসনের চোখ খুলে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট,যদি সরকারের শীর্ষ পর্যায় থেকে আন্তরিক তদন্ত শুরু হয়। আইন ও প্রশাসনের অবস্থান: সরকারি বিধিমালা অনুযায়ী,পাসপোর্ট ইস্যু প্রক্রিয়ায় কোনো মধ্যস্বত্বভোগীর সুযোগ নেই। প্রত্যেক নাগরিক নির্ধারিত ফি জমা দিয়ে সরাসরি আবেদন করতে পারেন। তবে সেই নিয়ম বাস্তবে কার্যকর না হওয়ায় সরকার-ঘোষিত “দুর্নীতিমুক্ত সেবা” নীতির সঙ্গে এই বাস্তবতা সম্পূর্ণ সাংঘর্ষিক। জনগণের প্রত্যাশা: এখন সবার একটাই দাবি—এই অভিযোগগুলো দ্রুত তদন্ত করে দোষীদের আইনের আওতায় আনা হোক। দুদক ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় যদি নিরপেক্ষ তদন্তে এগিয়ে আসে,তাহলে হয়তো ময়মনসিংহ আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস থেকে দুর্নীতির এই কালো অধ্যায় একদিন মুছে যাবে। অনুসন্ধানী টিমের প্রত্যাশা: সরকারের হাইকমান্ড যেন এ বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নেয়—যাতে জনগণ বুঝতে পারে,রাষ্ট্রের কোনো প্রতিষ্ঠানই আইনের ঊর্ধ্বে নয়।

  • গৌরীপুর পুলিশ ফাঁড়ির এসআই সিদ্দিকের সততা ও মানবিকতায় সন্তুষ্ট এলাকাবাসী

    গৌরীপুর পুলিশ ফাঁড়ির এসআই সিদ্দিকের সততা ও মানবিকতায় সন্তুষ্ট এলাকাবাসী

    দাউদকান্দি (কুমিল্লা) সংবাদদাতা:

    দাউদকান্দি থানার গৌরীপুর পুলিশ ফাঁড়িতে দায়িত্ব পালন করছেন উপ-পরিদর্শক (এসআই) সিদ্দিকুল ইসলাম, যিনি সততা, নিষ্ঠা ও মানবিকতার সঙ্গে কাজ করে এলাকাবাসীর আস্থা অর্জন করেছেন।

    স্থানীয়রা জানিয়েছেন, সাধারণ মানুষের বিভিন্ন সমস্যা ও নিরাপত্তা-সংক্রান্ত বিষয়গুলোতে তিনি দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করেন এবং সহযোগিতা করেন। তার এই মানবিক ও পেশাদার আচরণের কারণে এলাকার জনগণের মধ্যে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে।

    এক এলাকাবাসী বলেন—

    “এসআই সিদ্দিক একজন ভালো মনের মানুষ। তিনি সবসময় আমাদের পাশে থাকেন এবং আইনশৃঙ্খলা উন্নয়নে আন্তরিকভাবে কাজ করছেন।”

    পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে তিনি এলাকায় শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন। আশা করা হচ্ছে, তার এই দায়িত্ববোধ ও উদ্যোগ ভবিষ্যতেও দাউদকান্দি অঞ্চলে আইনশৃঙ্খলা ও জননিরাপত্তা রক্ষায় কার্যকর হবে।

  • মিরপুরে আবাসিক হোটেল সেরাটনে চলছে মাদক ও ব্ল্যাকমেইল ব্যবসা

    মিরপুরে আবাসিক হোটেল সেরাটনে চলছে মাদক ও ব্ল্যাকমেইল ব্যবসা

    স্টাফ রিপোর্টার:

    রাজধানীর মিরপুর-১০ এলাকায় একটি আবাসিক হোটেল নাম দিয়ে অসামাজিক কার্যকলাপ ও অবৈধ ব্যবসা চালানোর অভিযোগ পাওয়া গেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ‘সেরাটন’ নামের এই হোটেলটি আসলে মাদক ব্যবসা এবং ব্ল্যাকমেইলিং-এর কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। হোটেলটির মালিক হাসান ও তার সহযোগীরা দীর্ঘদিন ধরে এই কার্যকলাপে লিপ্ত।

    স্থানীয়দের অভিযোগ, হোটেলটিতে আসছে বিভিন্ন বয়সী তরুণ-তরুণী এবং ব্যক্তিগত সম্পর্কের সুযোগে তাদের চাঁদা আদায় ও ব্ল্যাকমেইলিং করা হচ্ছে। পাশাপাশি, হোটেলটিতে নিয়মিত মাদকদ্রব্য বিক্রি ও সেবন করা হচ্ছে। এ কারণে আশেপাশের এলাকার সাধারণ মানুষ এবং ব্যবসায়ী মহল চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে।

    স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, “এই হোটেলে নীরবভাবে মাদক বিক্রি ও ব্ল্যাকমেইলিং হচ্ছে। বহু পরিবার এ ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত। আমরা বারবার প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়েছি, কিন্তু কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।”

    অপরদিকে, মিরপুর থানার একজন পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, “আমরা খবর পেয়েছি, হোটেলটি বিভিন্ন অবৈধ কার্যকলাপে জড়িত। বিষয়টি তদন্তের জন্য একটি দল গঠন করা হয়েছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে অভিযান চালিয়ে অবৈধ কার্যকলাপ বন্ধ করার চেষ্টা করা হবে।”

    স্থানীয় ব্যবসায়ী ও এলাকাবাসী হোটেলটির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানাচ্ছেন। তারা বলছেন, “যদি প্রশাসন অবিলম্বে ব্যবস্থা না নেয়, তবে আশেপাশের এলাকা অনিরাপদ হয়ে যাবে। হোটেলটির কর্মকাণ্ড বন্ধ করতে সরকারের তৎপরতা প্রয়োজন।”

    এ ঘটনা রাজধানীর মিরপুরের শান্তিপ্রিয় বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে। নিরাপত্তা বাহিনীকে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে, যাতে তরুণ সমাজ এবং সাধারণ মানুষ এই ধরনের অপরাধের শিকার না হন।

  • ঢাকা প্রেস ক্লাবের নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি অনুমোদিত নিজস্ব প্রতিবেদক  ॥

    ঢাকা প্রেস ক্লাবের নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি অনুমোদিত নিজস্ব প্রতিবেদক ॥

    সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীন সমাজসেবা অধিদপ্তর ঢাকা প্রেস ক্লাবের নতুন কার্যনির্বাহী কমিটির অনুমোদন দিয়েছে। ১৫ অক্টোবর ২০২৫ তারিখে ঢাকার জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপপরিচালক ও নিবন্ধন কর্তৃপক্ষ আবু সাঈদ মোঃ কাওছার রহমান স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এই অনুমোদন দেওয়া হয়।

    পত্র নং ৪১.০১.২৬০০.০০০.২৮.১৪৮৯.৯৭-১৫১৫ অনুযায়ী, নির্বাচন কমিশনের সুপারিশ এবং সভাপতি কর্তৃক প্রেরিত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে ১১ সদস্যবিশিষ্ট কার্যনির্বাহী পরিষদকে ২১ অক্টোবর ২০২৫ থেকে ২০ অক্টোবর ২০২৭ পর্যন্ত দুই বছরের জন্য অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

    নতুন কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যরা হলেন: সভাপতি: দীপংকর গৌতম, সহ-সভাপতি: মোহাম্মদ মাসুদ ও মোঃ মনিরুজ্জামান মিয়া, সাধারণ সম্পাদক: সাদেক মাহমুদ (পাভেল), যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক: শিকদার নুর ই আলম সিদ্দিকী মুরাদ, সাংগঠনিক সম্পাদক: মনিরুল ইসলাম, প্রচার ও গবেষণা সম্পাদক: খন্দকার শাহ্ নূহ, দপ্তর সম্পাদক: মোঃ মিজানুর রহমান, সমাজকল্যাণ, ত্রাণ ও পুনর্বাসন সম্পাদক: মোঃ রফিকুল ইসলাম, অর্থ সম্পাদক: মঞ্জুর হোসেন মজুমদার, নির্বাহী সদস্য: সরদার মোহাম্মদ শওকত উল আলম (সুমন)

    অফিস আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে, এই কমিটির বিরুদ্ধে কোনো আপত্তি উত্থাপিত হলে এবং তদন্তে তা সত্য প্রমাণিত হলে কমিটির অনুমোদন বাতিল করা হবে।

    ঢাকা প্রেস ক্লাব (নিবন্ধন নং ঢ-০২০২৯) ১২ এপ্রিল ১৯৮৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। বর্তমানে এটি তার ৩৮ বছর পূর্ণ করেছে। ক্লাবের স্থায়ী ঠিকানা ১৩/২-বি, কে এম দাস লেন, টিকাটুলি, ঢাকা-১২০৩।

    নতুন কার্যনির্বাহী কমিটির অনুমোদনের ফলে ক্লাবের কার্যক্রমে নতুন গতি ও উদ্যম সৃষ্টি হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্ট সাংবাদিক ও সদস্যরা। এই কমিটি আগামী দুই বছর ক্লাবের বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করবে এবং সাংবাদিক সম্প্রদায়ের কল্যাণে কাজ করবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

  • ‎নবীনগরে উপজেলা বিএনপির নেতা মকুল গুলিবিদ্ধ।

    ‎নবীনগরে উপজেলা বিএনপির নেতা মকুল গুলিবিদ্ধ।

    শাহ পরান: (উপজেলা প্রতিনিধি), ব্রাহ্মণবাড়িয়া।

    ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর পৌর এলাকার পদ্মপাড়ায় আজ শুক্রবার (২৪ অক্টোবর) রাত আনুমানিক সোয়া আটটার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

    দুর্বৃত্তদের ছোড়া গুলিতে আহত বিএনপি নেতা ও যুবদলের সাবেক আহবায়ক মফিজুর রহমান মকুলকে আশংকাজনক অবস্থায় ঢাকায় প্রেরণ করা হয়েছে।

    হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে দোষীদের গ্রেফতার ও বিচারের দাবীতে বিক্ষোভ মিছিল করেছে বিএনপি ও তার অঙ্গসংগঠনের নেতা- কর্মীরা।

    ‎পুলিশ সূত্রে জানা যায়, রাতের দিকে নিজ এলাকায় অবস্থানকালে একদল অজ্ঞাত দূর্বৃত্ত মুকুলের ওপর হামলা চালায়। এতে তিনি গুলিবিদ্ধ হন। স্থানীয়রা গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে নবীনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় প্রেরণ করেন।
    ‎
    ‎ঘটনার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। নবীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিনুর ইসলাম বলেন, “গুলিবিদ্ধের খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে যায়। বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে, জড়িতদের শনাক্তে অভিযান চলছে।”
    ‎

  • রড দিয়ে মাথা ফাটিয়েছে”—হত্যার অভিযোগে বড় ভাই-ভাবির বিরুদ্ধে মামলা

    রড দিয়ে মাথা ফাটিয়েছে”—হত্যার অভিযোগে বড় ভাই-ভাবির বিরুদ্ধে মামলা

    শেখ মামুনুর রশীদ মামুনঃ ময়মনসিংহের শম্ভুগঞ্জের বুকে নেমে এসেছে এক বেদনাময় অন্ধকার—ভাইয়ের হাতে ভাই খুন! জমিজমার ছোট্ট টুকরো নিয়ে শুরু হওয়া দ্বন্দ্ব শেষ হলো মৃত্যুতে। আর এখন,নিহতের তরুণ স্ত্রী তানজিলা আক্তার বুকফাটা কান্নায় একটাই দাবি করছেন—“আমার স্বামীকে তারা পরিকল্পিতভাবে পিটিয়ে মেরেছে। আমি ন্যায়বিচার চাই—যে করেই হোক!” নিহতের নাম আজহারুল ইসলাম চুন্নু (৩২)। এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে,গত ১৬ অক্টোবর দুপুর ২টার দিকে,শম্ভুগঞ্জে নিজ বাড়িতে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে বড় ভাই মাজহারুল ইসলাম সুমন (৩৫) ও ভাবি জান্নাত আক্তার (৩০) লোহার রড ও লাঠিসোটা নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ে। সেই বিকট সংঘর্ষে শুধু রক্ত নয়—ভ্রাতৃত্বের বন্ধনটাও ছিন্ন হয়ে যায়!
    চুন্নুর ছোট ভাই আব্দুল করিম রনি (২৫) মাথায় রডের আঘাতে গুরুতর আহত হয়।
    চুন্নু এগিয়ে এলে—“তুই আর বেঁচে থাকতে পারবি না!” চিৎকার করে বলে রডের আঘাতে তার মাথার পেছনে সজোরে আঘাত করে সুমন!
    মুহূর্তেই রক্তে ভেসে যায় উঠান। চুন্নুর হাত-পা-কোমর ভেঙে দেয় পাষণ্ডরা।

    স্থানীয়রা ছুটে এলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়, রেখে যায় রক্তাক্ত ভাইটিকে মাটিতে লুটিয়ে।
    প্রথমে তাকে চরপাড়া রাজধানী ক্লিনিকে,পরে অবস্থার অবনতি হলে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
    সেখানে ২৩ অক্টোবর সকাল ৯টায়, চিকিৎসকরা ঘোষণা দেন—“তিনি আর নেই…”

    এক ভাইয়ের হাতে আরেক ভাইয়ের মৃত্যু!
    এ কেমন নির্মম পরিণতি? ভ্রাতৃঘাতী এই ঘটনার পর শম্ভুগঞ্জে এখন নেমেছে শোক আর ক্ষোভের ছায়া।
    স্থানীয় এক প্রবীণ নাগরিকের কণ্ঠে ক্ষোভ—
    “যেখানে ভাইয়ের হাতে ভাই মরতে হয়,সেখানে সমাজে মানুষ বাঁচবে কীভাবে? প্রশাসন যদি এখনই ব্যবস্থা না নেয়,এরা আবারও হত্যা করবে!”
    নিহতের স্ত্রী তানজিলা আক্তার বলেন,“আমার স্বামীকে তারা পরিকল্পিতভাবে হত্যা করেছে। দিন দুপুরে মারতে মারতে রড দিয়ে মাথা ফাটিয়েছে। এখন তারা পলাতক—আমি আমার স্বামীর হত্যার ন্যায়বিচার চাই।”

    এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার (২৩ অক্টোবর) সকালে কোতোয়ালী মডেল থানায় তিনি একটি এজাহার দায়ের করেন। থানার ওসি মোহাম্মদ শিবিরুল ইসলাম বলেন,“এজাহার গ্রহণ করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে এটি হত্যা মামলা হিসেবে গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে। তদন্ত সাপেক্ষে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

    কিন্তু প্রশ্ন থেকে যায়—কেন এখনো অভিযুক্তরা ধরাছোঁয়ার বাইরে?
    –কবে তাদের গ্রেপ্তার হবে?
    –আর কত পরিবার এভাবে ভাইয়ের হাতে ভাইকে হারাবে? স্থানীয়দের দাবি—
    “এই হত্যার বিচার না হলে শম্ভুগঞ্জে আর কোনো ভাই নিরাপদ থাকবে না!”

    চুন্নুর লাশ এখন শীতল মাটি,কিন্তু তার স্ত্রীর চোখের আগুন নিভে যায়নি—সেই আগুনই এখন শম্ভুগঞ্জবাসীর বুকেও জ্বলছে! তারা একটাই স্লোগান তুলেছে— “ভাইয়ের হাতে ভাই খুনের বিচার চাই—বিচার চাই, বিচার চাই!”