Category: অন্যান্য

  • সদরপুরে ইঞ্জি. আঃ আজিজ সিকদার হাট-বাজারের শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত

    ফরিদপুর প্রতিনিধি:
    আজ ২৮ জুন ২০২৬, রবিবার, দুপুরে স্থানীয় অর্থনীতি, কৃষক ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের উন্নয়নে আধুনিক ও সুশৃঙ্খল বাজার ব্যবস্থা গড়ে তোলার প্রত্যয় নিয়ে ইঞ্জি. আঃ আজিজ সিকদার হাট-বাজারের শুভ উদ্বোধন ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফরিদপুর-৪ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য শহিদুল ইসলাম বাবুল। তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন, একটি পরিকল্পিত ও আধুনিক হাট-বাজার শুধু ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসারই ঘটায় না, বরং স্থানীয় অর্থনীতিকে আরও গতিশীল করে এবং কৃষক ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জন্য নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করে। এ লক্ষ্যে তিনি সংশ্লিষ্ট সকলের আন্তরিক সহযোগিতা ও সমন্বিত উদ্যোগ কামনা করেন।

    এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কাজী বদরুত জামান বদু এবং সদস্য সচিব তারিকুল ইসলাম কবির মোল্লাসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।

    আলোচনা সভা শেষে অতিথিবৃন্দ ফিতা কেটে ইঞ্জি. আঃ আজিজ সিকদার হাট-বাজারের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা করেন। নতুন এ হাট-বাজার স্থানীয় ব্যবসা-বাণিজ্য সম্প্রসারণ ও এলাকার সার্বিক অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে উপস্থিতরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

  • আফ্রিকার মোজাম্বিক প্রবাসী যুবদল নেতা ইলিয়াছকে লোহাগাড়ায় সংবর্ধনা


    লোহাগাড়ার প্রতিনিধি:
    চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার পুটিবিলা ইউনিয়নের সন্তান, আফ্রিকার মোজাম্বিক প্রবাসী যুবদল নেতা মো. ইলিয়াছ দেশে আগমন উপলক্ষে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে।

    শনিবার (২৭ জুন) রাতে উপজেলার একটি রেস্টুরেন্টে এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

    অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ফৌজুল কবির ফজলু।

    এসময় তিনি বলেন, প্রবাসীরা দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন। দেশের বাইরে থেকেও তারা নিজ এলাকার মানুষের পাশে দাঁড়াচ্ছেন এবং সামাজিক ও সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে অবদান রাখছেন। মোজাম্বিক প্রবাসী যুবদল নেতা মো. ইলিয়াছের মতো তরুণরা প্রবাসে থেকেও দেশের প্রতি ভালোবাসা ও দায়িত্ববোধের পরিচয় দিচ্ছেন।

    তিনি আরও বলেন, সংগঠনের প্রতি আনুগত্য, মানুষের কল্যাণে কাজ করা এবং ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে যাওয়ার মাধ্যমে ভবিষ্যতে আরও ভালো ভূমিকা রাখতে হবে। তিনি মো. ইলিয়াছের সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও সফলতা কামনা করেন।

    অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা যুবদলের সহ-সভাপতি আবু সেলিম চৌধুরী, লোহাগাড়া উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক এস এম আবু সাঈদ চৌধুরী টিটু, উপজেলা যুবদলের সাবেক সহ-সভাপতি তাজউদ্দিন আল নাজের ও মোরশেদ আলম।

    এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন পুটিবিলা ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব দেলোয়ার হোসেন, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আনোয়ার হোসেন, সদস্য সচিব রমজানুল কবির জয়, যুগ্ম আহ্বায়ক সাইমুন সেলিম, ছাত্রদল নেতা সাকিব আল হাসান, যুবদল নেতা আবু ছিদ্দিক, মোজাহেরুল হক, কুতুব উদ্দিন সওদাগর, আব্দুল মোনাফ, লিয়াকত হাফেজ আহমদ সওদাগর, পুটিবিলা ইউনিয়ন যুবদল নেতা নুরুল আমিন, মো. পিয়ারু ও আব্দুল আজিজসহ অনেকে।

    অনুষ্ঠানে বক্তারা প্রবাসী যুবদল নেতা মো. ইলিয়াছের সামাজিক ও সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডের প্রশংসা করেন এবং তার আগামীর সফলতা কামনা করেন।

  • রামগড়ে ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে অভিযুক্ত ব্যক্তি আটক

    খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি:
    খাগড়াছড়ির রামগড় উপজেলার পাতাছড়া ইউনিয়নের থলিপাড়া এলাকায় এক মাদ্রাসায় সপ্তম শ্রেণির (১৩) পড়ুয়া এক ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত ব্যক্তি ওমর ফারুক (৪৫)-কে আটক করেছে পুলিশ।

    ভুক্তভোগীর পরিবারের অভিযোগে জানা যায়, শুক্রবার (২৬ জুন) দুপুরে মেয়েটি তার নানাবাড়ির রান্নাঘরে একা রান্না-বান্না কাজ করছিল। তখন অভিযুক্ত ব্যক্তি জুমার নামাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে প্রতিবেশী ওমর ফারুক রান্নাঘরে প্রবেশ করে প্রথমে তাকে কুপ্রস্তাব দেন।

    কুপ্রস্তাব রাজি না হওয়া তিনি জোরপূর্বক ধর্ষণের চেষ্টা করেন এবং টানাহেঁচড়ার করেন। একপর্যায়ে ভুক্তভোগীর পরনের কাপড় ছিঁড়ে ফেলে । ঘটনা সময় মেয়েটির চিৎকার করলে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে দ্রুত পালিয়ে যায়।

    ভুক্তভোগীর আত্মীয় মইন জানান, অভিযুক্ত ব্যক্তির মেয়ে সহপাঠী। ঘটনার সময় ভুক্তভোগীর নানি পাশের জলাশয়ে মাছ ধরছিলেন এবং পরিবারের অন্য সদস্যরা আত্মীয়ের বাড়িতে ছিলেন। এ সুযোগে মেয়েটিকে একা পেয়ে চেষ্টা করেন।

    এই ঘটনা শুক্রবার রাতেই ভুক্তভোগীর মামা বাদী হয়ে রামগড় থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

    রামগড় থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. নাজির আলম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ঘটনা অভিযোগ পেয়ে পুলিশ অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তকে শনিবার সন্ধ্যায় দিকে আটক করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা প্রক্রিয়াধীন আছে । প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে তাকে আদালতে পাঠানো হবে বলে জানান।

  • লোহাগাড়ায় পল্লী বিদ্যুতের ভূতুড়ে বিল দ্বিগুণ বিল আসার অভিযোগ


    লোহাগাড়ার প্রতিনিধি:
    চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলায় পল্লী বিদ্যুতের অস্বাভাবিক ও অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল, যা স্থানীয়দের ভাষায় ‘ভূতুড়ে বিল’ নামে পরিচিত, তা নিয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন হাজারো গ্রাহক।

    চলতি মাসে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের অসংখ্য গ্রাহকের হাতে স্বাভাবিকের তুলনায় কয়েক গুণ বেশি বিদ্যুৎ বিল পৌঁছেছে। এতে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের মধ্যে চরম উদ্বেগ ও ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, বিদ্যুতের ব্যবহার আগের মতোই থাকলেও হঠাৎ করেই কয়েক হাজার থেকে শুরু করে অনেক টাকা পর্যন্ত বিল এসেছে।

    আমিরাবাদ ইউনিয়ন এলাকার পল্লী বিদ্যুৎ গ্রাহক রাকেশ শর্মা বলেন, গত মাসে তাঁর বাড়িতে বিল এসেছিল ১ হাজার ২৬৮ টাকা। কিন্তু চলতি মাসে বিদ্যুতের অতিরিক্ত বিলের কপি হাতে পেয়ে তিনি অবাক। সেখানে বিল দেখা যায় ২ হাজার ৮৫৪ টাকা। এটি কীভাবে সম্ভব, তা বুঝতে পারছেন না বলে জানান রাকেশ শর্মা। তিনি আরও বলেন, অভিযোগ দিয়েও কোনো সমাধান পাওয়া যায়নি।

    গৃহিণী হাফছা বেগম জানান, তাঁরা ভাড়া বাসায় থাকেন। গত মাসের বিলে এসেছিল ৭০০ টাকা। কিন্তু এই মাসে বিলের কপি হাতে পেয়ে দেখেন ১ হাজার ৬০০ টাকা, যা গতবারের তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি বলে অভিযোগ করেন হাফছা বেগম।

    ওসমান গনি নামের এক গ্রাহক জানান, তাঁর গত মাসের বিলে এসেছিল ১ হাজার ৭০০ টাকা। চলতি মাসের বিলের কপি হাতে পেয়ে দেখেন ২ হাজার ৯৯০ টাকা। সংসারের খরচ চালাতেই হিমশিম খেতে হচ্ছে, তার ওপর অতিরিক্ত বিলের চাপে পড়েছেন বলে জানান ওসমান গনি।
    লোহাগাড়া রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি এম হোসাইন মেহেদী জানান, গত মাসের তুলনায় চলতি মাসের বিলের কপিতে দ্বিগুণ বিল এসেছে। এই অতিরিক্ত বিল দেখে তিনি হতবাক হয়েছেন বলে জানান।

    একাধিক গ্রাহক জানিয়েছেন, মাসে যেখানে এক থেকে দুই হাজার টাকার মধ্যে বিল পরিশোধ করতেন, সেখানে এবার পাঁচ, সাত কিংবা দশ হাজার টাকারও বেশি বিল এসেছে। এমন পরিস্থিতিতে পরিবার চালানোর পাশাপাশি বিদ্যুতের অতিরিক্ত বিল পরিশোধ করা তাঁদের জন্য প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে।

    ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, বিল সংশোধনের আবেদন নিয়ে পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে গেলে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয়। অনেক সময় অভিযোগ গ্রহণ করা হলেও দ্রুত কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয় না। ফলে একদিকে অতিরিক্ত বিলের চাপ, অন্যদিকে অফিসে বারবার যাতায়াত—দুই দিক থেকেই ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন সাধারণ গ্রাহকেরা।

    এ বিষয়ে লোহাগাড়া পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ডেপুটি জেনারেল ম্যান

  • বাজারে চালসহ সব দ্রব্যের মূল্য স্থিতিশীল : খাদ্য প্রতিমন্ত্রী


    ময়মনসিংহ জেলা প্রতিনিধি:

    বাজারে চালসহ সব ধরনের দ্রব্যের মূল্য স্থিতিশীল বলে জানিয়েছেন খাদ্য ও জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আবদুল বারী।

    শনিবার (২৭ জুন) ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট দেশের মানুষের জীবনমান উন্নয়ন এবং টেকসই উন্নয়নের ভিত্তি সুদৃঢ় করার লক্ষ্যে প্রণয়ন করা হয়েছে বলে সংসদে আলোচনায় উঠে এসেছে।

    জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে এ কথা বলেন খাদ্য প্রতিমন্ত্রী। তার মতে, প্রস্তাবিত বাজেট দেশের টেকসই উন্নয়ন ও জনকল্যাণ নিশ্চিত করার পথ সুগম করবে।

    প্রতিমন্ত্রী বলেন, আগে ব্যাংক ব্যবস্থা ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল। এটাকে ঠিক করা হচ্ছে। জ্বালানি নিয়ে সংকটে ছিলাম। এই জন্য দীর্ঘ মেয়াদী সংরক্ষণে নজর দিয়েছি। গ্রামীণ অর্থনীতি চাঙা করা হয়েছে। গ্রামীণ অর্থনীতি যত দৃঢ় হবে ততোই মূল্যস্ফীতি কমবে। বর্তমানে দ্রব্যমূল্য স্থিতিশীল। হঠাৎ করে বলা হলো চালের দাম বেড়ে গেছে। আমরা বাজারে দেখলাম চালের দাম স্থিতিশীল।

    তিনি আরও বলেন, দেশে আঙ্গুর, স্ট্রবেরি, অ্যাভোকাডো চাষ হচ্ছে। মানুষকে কাজ করার সুযোগ দিলে দেশ আরও উন্নত হবে।

    সুশাসন প্রসঙ্গে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী বারী বলেন, কথা আসছে সুশাসন নিয়ে। সব নিয়োগ পদায়নে সততা দক্ষতা মেধার ওপরে গুরুত্ব দেেয়া হচ্ছে। মেধাবী সৎ দক্ষ প্রশাসন ছাড়া এই বাজেট বাস্তবায়ন সম্ভব নয়। ১৭ বছর প্রশাসন ব্যবস্থা ধ্বংস হয়ে গেছে। এটা থেকে উত্তরণে আমরা কাজ করছি। বাজেটের একটা টাকাও যেন অপচয় না হয় সেই বিষয়ে দেখা হচ্ছে। বাজেটের টাকা সঠিকভাবে ব্যবহার হলে কর্মসংস্থান ও দেশে আয় বাড়বে। এর ফলে আমরা উন্নত দেশের দিকে এগিয়ে যেতে পারবো।

  • পাটিখালঘাটা ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে আলোচনার শীর্ষে সানাউল হক মিলন


    ঝালকাঠি প্রতিনিধি
    ঝালকাঠির কাঁঠালিয়া উপজেলার ২নং পাটিখালঘাটা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা।

    বিভিন্ন অনানুষ্ঠানিক জরিপ, জনমত এবং স্থানীয়দের আলোচনায় চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে সবচেয়ে বেশি উচ্চারিত নাম হচ্ছে মো. সানাউল হক মিলন।

    দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার ফলে এলাকায় তার একটি শক্ত অবস্থান গড়ে উঠেছে।

    বর্তমানে তিনি কাঁঠালিয়া উপজেলা বিএনপির মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক ও পাটিখালঘাটা ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ন সাধারন সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন এবং তৃণমূল পর্যায়ে সক্রিয় রাজনৈতিক ভূমিকা রেখে চলেছেন।

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, একজন সফল ব্যক্তি হিসেবে সানাউল হক মিলন সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে আসছেন।

    এলাকার উন্নয়নমূলক কার্যক্রমে সম্পৃক্ততা, অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং বিভিন্ন সামাজিক উদ্যোগে নেতৃত্ব দেওয়ার মাধ্যমে তিনি সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছেন।

    যদিও এখনো ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হয়নি এবং তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রার্থিতা ঘোষণা করেননি, তবুও ২নং পাটিখালঘাটা ইউনিয়নের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মুখে মুখে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে তার নামই ঘুরছে।

    স্থানীয়দের মতে, বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে মো. সানাউল হক মিলন ইতোমধ্যে একজন শক্তিশালী প্রার্থী হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন, যা আসন্ন নির্বাচনকে আরও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ করে তুলতে পারে।

  • বারহাট্টা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা তার উপর অর্পিত কর্মকে ধর্মের ন্যায় পালন করছেন

    নেত্রকোনা প্রতিনিধি:
    নেত্রকোনা জেলার বারহাট্টা উপজেলায় যে কয়েকজন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা সাধারণ মানুষের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছেন তাদের মধ্যে মোঃ উবায়েদ উল্লাহ খান অন্যতম। তিনি সব রকম পরিস্থিতিতে সবসময়ই প্রস্তুত থাকেন। তিনি বারহাট্টা উপজেলায় যোগদানের পর থেকেই বারহাট্টা উপজেলার একপ্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে ঘুরে বেড়িয়ে চলেছেন। প্রতিটি গ্রামে গ্রামে গিয়ে সাধারণ মানুষের দুঃখ লাগবে নিরলসভাবে কাজ করছেন।উপজেলার বিভিন্ন উন্নয়নেও রেখে চলেছেন অনন্য ভূমিকা। তাঁর স্পষ্টবাদিতা ও সততায় কিছু মুষ্টিমেয় লোকের স্বার্থ নষ্ট হলেও উপজেলার আপামর জনগণ আছেন স্বস্তিতে, এমন একজন যোগ্য প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তাকে বারহাট্টা উপজেলায় পেয়ে সাধারণ জনগণ যেনো স্বস্তি ফিরে পেয়েছেন। মোঃ উবায়েদ উল্লাহ খান এমন একজন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা যিনি তার উপর অর্পিত কর্মকে ধর্মের ন্যায় পালন করে যাচ্ছেন। তার নেই কোনো ক্লান্তি বা বিশ্রামের ভাবনা। তার চিন্তা ও চেতনায় শুধু মানুষের সেবা করা।

    বারহাট্টা উপজেলার সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, বারহাট্টা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ উবায়েদ উল্লাহ খান সততার সাথে দায়িত্ব করে যাচ্ছেন। তিনি এই উপজেলায় যোগদানের পড়েই বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ করে মানবিক প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা হিসেবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার নাম ছড়িয়ে পরেছে। মানবিক বিভিন্ন কাজের জন্য সাধারণ মানুষের মনে জায়গা করে নিয়েছেন তিনি। তিনি সাধারণ মানুষের অন্তরে আছেন।উপজেলার সাধারণ মানুষের মাধ্যমে জানা যায়, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ উবায়েদ উল্লাহ খান একজন সৎ, দক্ষ ও নিষ্ঠাবান ব্যাক্তি। যে কেউ তাদের সমস্যা নিয়ে তার কাছে গিয়ে অনায়াসেই সেবা গ্রহণ করতে পারে। এছাড়াও উপজেলার কেউ কোনো দুস্থ ও অসহায় লোককে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সাহায্যের আবেদন জানালে ও তাকে অবহিত করলে তাৎক্ষণিক তিনি তার খোঁজ-খবর নিয়ে সর্বোচ্চ সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন। তার মাধ্যমে উপজেলার সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীরা তাদের অধিকার ফিরে পেয়েছে ও সরকারি সকল সাহায্য সহযোগিতা পাচ্ছে। তার নামে, বিভিন্ন শিরোনামে বিভিন্ন পোস্ট সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে নজরে এসেছে সকলের। বারহাট্টা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সেলিনা আক্তারকে নিয়ে তিনি প্রতিদিন উপজেলার এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে ছুটে চলেছেন। এছাড়াও এই উপজেলায় অনেকেই মানবেতর জীবনযাপন করছে তাদের দেখে দেখে দেওয়া হচ্ছে সরকারের বরাদ্দকৃত খাদ্য সামগ্রী।

    এছাড়াও বারহাট্টা উপজেলার সংবাদকর্মীদের মাধ্যমে অনেক মানুষকে সহায়তা করেছেন বারহাট্টা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা। বারহাট্টায় মানসিক ভারসাম্যহীনদের মাঝে খাদ্য বিতরণসহ, অনেক ভালো কাজের মাধ্যমে তিনি মানবিক কর্মকর্তা হিসেবে উপজেলার সাধারণ মানুষের মাঝে জায়গা করে নিয়েছেন। এই বিষয়ে বারহাট্টা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ উবায়েদ উল্লাহ খান বলেন, আমরা সবসময় সরকারের দেওয়া সকল প্রকার বরাদ্দ ও খাদ্য সামগ্রী জনগণের কাছে পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করি। বারহাট্টা উপজেলায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যে মানবিক পোস্টগুলো আমাদের নজরে আসে সেগুলো আমরা সাথে সাথে খোঁজ নিয়ে সমাধান করার চেষ্টা করি। মফস্বলে অনেক মানুষের খোঁজ আমাদের অজানা তাই মফস্বলের কোনো তথ্য পেলেই সে বিষয় গুলো আমি গুরুত্ব সহকারে দেখি ও সমাধান করার চেষ্টা করি। তিনি আরও বলেন, আমরা সরকারের দায়িত্ব পালন করতে এসেছি। তাই আমি আমার সাধ্য মতো চেষ্টা করি ভালো কিছু করার। আমি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সেলিনা আক্তার স্যারকে সাথে নিয়ে উপজেলার সরেজমিনে গিয়ে সকল কাজ পরিদর্শন করি। আমি আপনাদের সকলের সহযোগিতা চাই।

  • বারহাট্টা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা তার উপর অর্পিত কর্মকে ধর্মের ন্যায় পালন করছেন


    নেত্রকোনা প্রতিনিধি:
    নেত্রকোনা জেলার বারহাট্টা উপজেলায় যে কয়েকজন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা সাধারণ মানুষের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছেন তাদের মধ্যে মোঃ উবায়েদ উল্লাহ খান অন্যতম। তিনি সব রকম পরিস্থিতিতে সবসময়ই প্রস্তুত থাকেন। তিনি বারহাট্টা উপজেলায় যোগদানের পর থেকেই বারহাট্টা উপজেলার একপ্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে ঘুরে বেড়িয়ে চলেছেন। প্রতিটি গ্রামে গ্রামে গিয়ে সাধারণ মানুষের দুঃখ লাগবে নিরলসভাবে কাজ করছেন।উপজেলার বিভিন্ন উন্নয়নেও রেখে চলেছেন অনন্য ভূমিকা। তাঁর স্পষ্টবাদিতা ও সততায় কিছু মুষ্টিমেয় লোকের স্বার্থ নষ্ট হলেও উপজেলার আপামর জনগণ আছেন স্বস্তিতে, এমন একজন যোগ্য প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তাকে বারহাট্টা উপজেলায় পেয়ে সাধারণ জনগণ যেনো স্বস্তি ফিরে পেয়েছেন। মোঃ উবায়েদ উল্লাহ খান এমন একজন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা যিনি তার উপর অর্পিত কর্মকে ধর্মের ন্যায় পালন করে যাচ্ছেন। তার নেই কোনো ক্লান্তি বা বিশ্রামের ভাবনা। তার চিন্তা ও চেতনায় শুধু মানুষের সেবা করা।

    বারহাট্টা উপজেলার সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, বারহাট্টা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ উবায়েদ উল্লাহ খান সততার সাথে দায়িত্ব করে যাচ্ছেন। তিনি এই উপজেলায় যোগদানের পড়েই বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ করে মানবিক প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা হিসেবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার নাম ছড়িয়ে পরেছে। মানবিক বিভিন্ন কাজের জন্য সাধারণ মানুষের মনে জায়গা করে নিয়েছেন তিনি। তিনি সাধারণ মানুষের অন্তরে আছেন।উপজেলার সাধারণ মানুষের মাধ্যমে জানা যায়, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ উবায়েদ উল্লাহ খান একজন সৎ, দক্ষ ও নিষ্ঠাবান ব্যাক্তি। যে কেউ তাদের সমস্যা নিয়ে তার কাছে গিয়ে অনায়াসেই সেবা গ্রহণ করতে পারে। এছাড়াও উপজেলার কেউ কোনো দুস্থ ও অসহায় লোককে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সাহায্যের আবেদন জানালে ও তাকে অবহিত করলে তাৎক্ষণিক তিনি তার খোঁজ-খবর নিয়ে সর্বোচ্চ সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন। তার মাধ্যমে উপজেলার সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীরা তাদের অধিকার ফিরে পেয়েছে ও সরকারি সকল সাহায্য সহযোগিতা পাচ্ছে। তার নামে, বিভিন্ন শিরোনামে বিভিন্ন পোস্ট সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে নজরে এসেছে সকলের। বারহাট্টা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সেলিনা আক্তারকে নিয়ে তিনি প্রতিদিন উপজেলার এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে ছুটে চলেছেন। এছাড়াও এই উপজেলায় অনেকেই মানবেতর জীবনযাপন করছে তাদের দেখে দেখে দেওয়া হচ্ছে সরকারের বরাদ্দকৃত খাদ্য সামগ্রী।

    এছাড়াও বারহাট্টা উপজেলার সংবাদকর্মীদের মাধ্যমে অনেক মানুষকে সহায়তা করেছেন বারহাট্টা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা। বারহাট্টায় মানসিক ভারসাম্যহীনদের মাঝে খাদ্য বিতরণসহ, অনেক ভালো কাজের মাধ্যমে তিনি মানবিক কর্মকর্তা হিসেবে উপজেলার সাধারণ মানুষের মাঝে জায়গা করে নিয়েছেন। এই বিষয়ে বারহাট্টা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ উবায়েদ উল্লাহ খান বলেন, আমরা সবসময় সরকারের দেওয়া সকল প্রকার বরাদ্দ ও খাদ্য সামগ্রী জনগণের কাছে পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করি। বারহাট্টা উপজেলায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যে মানবিক পোস্টগুলো আমাদের নজরে আসে সেগুলো আমরা সাথে সাথে খোঁজ নিয়ে সমাধান করার চেষ্টা করি। মফস্বলে অনেক মানুষের খোঁজ আমাদের অজানা তাই মফস্বলের কোনো তথ্য পেলেই সে বিষয় গুলো আমি গুরুত্ব সহকারে দেখি ও সমাধান করার চেষ্টা করি। তিনি আরও বলেন, আমরা সরকারের দায়িত্ব পালন করতে এসেছি। তাই আমি আমার সাধ্য মতো চেষ্টা করি ভালো কিছু করার। আমি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সেলিনা আক্তার স্যারকে সাথে নিয়ে উপজেলার সরেজমিনে গিয়ে সকল কাজ পরিদর্শন করি। আমি আপনাদের সকলের সহযোগিতা চাই।

  • ইতালির রোমে নিজ বাসায় ছুরিকাঘাতে কোম্পানীগঞ্জের একই পরিবারের স্বামী-স্ত্রী ও কন্যা নিহত

    নোয়াখালী প্রতিনিধি:
    ইতালির রাজধানী রোমে নিজ বাসায় নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার একই পরিবারের তিন সদস্যকে ছুরিকাঘাতে হত্যার ঘটনা ঘটেছে।
    এ ঘটনায় পরিবারের আরও এক সদস্য আহত হয়েছেন।

    শুক্রবার (২৬ জুন) রাতে রোমের পার্শ্ববর্তী এলাকা ক্যাসালোত্তির ভিয়া মন্তিলিও এলাকায় একটি অ্যাপার্টমেন্টে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।

    নিহতরা হলেন, নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার চরকাঁকড়া ইউনিয়নের সিরাজ মিয়ার নতুন বাড়ির বাসিন্দা সিরাজুল ইসলামের ছেলে কামাল উদ্দিন বাবুল (৩৯), তার স্ত্রী (৩৮) এবং তাদের ৫ বছর বয়সী কন্যাসন্তান।

    এ ঘটনায় তাদের ২০ বছর বয়সী ছেলেও গুরুতর আহত হয়েছেন। তাকে উদ্ধার করে ইতালির স্থানীয় জেমেলি পলিক্লিনিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

    ঘটনার পর ইতালির আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং হত্যাকাণ্ডের কারণ উদঘাটনে তদন্ত কার্যক্রম শুরু করেছে।

    এদিকে একই পরিবারের ৩ সদস্যের নিহত হওয়ার খবরে কোম্পানীগঞ্জের চরকাঁকড়া এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। নিহতদের স্বজন ও এলাকাবাসীর মধ্যে গভীর শোক ও উৎকন্ঠা বিরাজ করছে।

  • দায়িত্বে ফিরলেন আলোয়া খাতুন হীরা

    রাজশাহী জেলা প্রতিনিধি:
    রাজশাহীর দাওকান্দি সরকারি কলেজের আলোচিত প্রদর্শক (সাচিবিক বিদ্যা ও অফিস ব্যবস্থাপনা) মোছা. আলোয়া খাতুন হীরার সাময়িক বরখাস্তাদেশ প্রত্যাহার করা হয়েছে। তবে তদন্তের চূড়ান্ত প্রতিবেদন ও সিদ্ধান্ত প্রকাশ না হওয়া পর্যন্ত তাকে প্রশাসনিক ও আর্থিক সংশ্লিষ্ট কমিটির কার্যক্রম থেকে বিরত থাকার নির্দেশ বহাল রয়েছে।

    রাজশাহী অঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) প্রফেসর মো. আব্দুল মান্নান স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।

    জানা যায়, গত ২৩ এপ্রিল দাওকান্দি সরকারি কলেজে সংঘটিত একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ও প্রশাসনিক কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখার স্বার্থে আলোয়া খাতুন হীরাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছিল। পরবর্তীতে বিষয়টি তদন্তে একাধিক কমিটি গঠন করা হয় এবং বিভিন্ন বিভাগের তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ শেষে তার সাময়িক বরখাস্তাদেশ প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

    তবে তদন্ত কার্যক্রম সম্পূর্ণ শেষ না হওয়া পর্যন্ত কলেজের প্রশাসনিক ও আর্থিক সংশ্লিষ্ট কমিটিগুলোর কার্যক্রম থেকে তাকে বিরত থাকার নির্দেশ বহাল থাকবে বলে অফিস আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে। একই সঙ্গে আদেশটি অবিলম্বে কার্যকর হবে বলেও জানানো হয়েছে।
    উল্লেখ্য, গত ২৩ এপ্রিল দাওকান্দি সরকারি কলেজের প্রদর্শক আলোয়া খাতুন হীরার একটি ব্যক্তিগত ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়। এরপর শিক্ষা প্রশাসনের নির্দেশনায় ঘটনাটি তদন্তের আওতায় আনা হয় এবং সাময়িক বরখাস্তের সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়।

    এ বিষয়ে রাজশাহী আঞ্চলিক মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক প্রফেসর মো. আব্দুল মান্নান বলেন, “আলোয়া খাতুন হীরার সাময়িক বরখাস্তাদেশ প্রত্যাহার করা হয়েছে। তবে তদন্তসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোর চূড়ান্ত নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত প্রশাসনিক নির্দেশনা অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

    বরখাস্তাদেশ প্রত্যাহারের খবরে কলেজ-সংশ্লিষ্টদের মধ্যে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। এখন তদন্তের চূড়ান্ত প্রতিবেদন ও পরবর্তী প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের দিকেই নজর রয়েছে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের।