Blog

  • মহাসড়কে শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা জোরদারে বুড়িচংয়ে হাইওয়ে পুলিশের মতবিনিময় সভা

    বুড়িচং (কুমিল্লা) প্রতিনিধি: ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে কুমিল্লার ময়নামতি ক্রসিং হাইওয়ে থানার উদ্যোগে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

     

    সোমবার (১৬ জুন) নিমসার কলেজে অনুষ্ঠিত এ সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হাইওয়ে পুলিশ কুমিল্লা রিজিয়নের পুলিশ সুপার (অতিরিক্ত ডিআইজি পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ শাহিনুর আলম খান।

     

    সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি অ্যাডভোকেট মো. শরিফুল ইসলাম। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক ও ময়নামতি হাইওয়ে ক্রসিং থানার পুলিশিং কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো. আমির হোসেন বাদল।

     

    মতবিনিময় সভায় মহাসড়কে যানবাহনের শৃঙ্খলা বজায় রাখা, সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধ, ট্রাফিক আইন মেনে চলা, যাত্রী ও চালকদের সচেতনতা বৃদ্ধি এবং নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়।

     

    বক্তারা বলেন, মহাসড়কে দুর্ঘটনা কমাতে চালক, যাত্রী, পরিবহন মালিক এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। সড়ক পরিবহনে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা ও জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হাইওয়ে পুলিশ নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

     

    সভায় প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন কুমিল্লা হাইওয়ে পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কীর্তিমান চাকমা। বিশেষ মেহমান হিসেবে বক্তব্য রাখেন কুমিল্লা সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার আনোয়ার হোসেন।

     

    বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ময়নামতি হাইওয়ে ক্রসিং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল মমিন, বুড়িচং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ লুৎফুর রহমান এবং দেবপুর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ সুরেজিত বড়ুয়া।

     

    এছাড়া বক্তব্য দেন ময়নামতি হাইওয়ে ক্রসিং থানার পুলিশিং কমিটির সভাপতি ইয়ার আহমেদ, মোকাম ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. মনিরুল ইসলাম এবং নিমসার বাজার কমিটির ইজারাদার মো. সফিকুল ইসলাম ভূঁইয়া।

     

    সভায় স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, পরিবহন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, ব্যবসায়ী, গণ্যমান্য ব্যক্তি ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন।

     

    আয়োজকরা জানান, মহাসড়কে নিরাপদ ও সুশৃঙ্খল পরিবেশ বজায় রাখতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের সচেতনতামূলক ও জনসচেতনতা বৃদ্ধিমূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

  • সদরপুরে কিশোর নিখোঁজ, সন্ধান চেয়ে পরিবারের আকুতি

    সদরপুর (ফরিদপুর) প্রতিনিধি: ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলার নয়াকান্দি গ্রামের এক কিশোর বাড়ি থেকে বাইসাইকেল নিয়ে বের হওয়ার পর থেকে নিখোঁজ রয়েছে। পরিবারের সদস্যরা সম্ভাব্য সব স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি।

     

    নিখোঁজ কিশোরের নাম সামিউল মল্লিক। তিনি মিরাজুল মল্লিকের ছেলে। তাদের বাড়ি সদরপুর উপজেলার হাট কৃষ্ণপুর ডাকঘরের আওতাধীন নয়াকান্দি গ্রামে।

     

    পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, সোমবার সন্ধ্যার পর সামিউল একটি বাইসাইকেল নিয়ে বাড়ি থেকে বের হয়। এরপর থেকে তিনি আর বাড়িতে ফেরেননি। আত্মীয়-স্বজন ও পরিচিত বিভিন্ন স্থানে খোঁজ নেওয়া হলেও এখন পর্যন্ত তার কোনো সন্ধান মেলেনি। এ ঘটনায় পরিবারের সদস্যদের মধ্যে চরম উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে।

     

    সামিউলের সন্ধান পেলে বা তার অবস্থান সম্পর্কে কোনো তথ্য জানা থাকলে দ্রুত পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করার জন্য সবার প্রতি অনুরোধ জানানো হয়েছে।

     

    পরিবারের পক্ষ থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মাধ্যমে সংবাদটি ছড়িয়ে দিয়ে সামিউলকে খুঁজে পেতে সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতা কামনা করা হয়ে

  • বিরামপুরে পুলিশের সাঁড়াশি অভিযানে বিপুল পরিমাণ মাদক জব্দ, ৫ কারবারি গ্রেফতার

    বিরামপুর (দিনাজপুর)প্রতিনিধি: দিনাজপুরের বিরামপুরে মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের চলমান কঠোর অভিযানে আবার বড় ধরনের সাফল্য এসেছে। পৃথক তিনটি গোয়েন্দাভিত্তিক অভিযানে মোট ১ হাজার ৪০ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট, ৪০ পিস ইয়াবা, ১০ লিটার চোলাই মদ এবং মাদক বিক্রির ৪ হাজার টাকা নগদ জব্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় পাঁচজন কথিত মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে বিরামপুর থানা পুলিশ।

    থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বিরামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলামের সার্বিক দিকনির্দেশনায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এসব অভিযান পরিচালিত হয়।

    প্রথম অভিযানে গত ১৫ জুন ২০২৬ বিকেল ৩টা ১০ মিনিটে বিরামপুর পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের মাহমুদপুর (মুন্সিপাড়া) এলাকায় বিরামপুর ইন্টারন্যাশনাল মহিলা মাদ্রাসার সামনে থেকে মো. আসমান আলী (৫২)-কে ১ হাজার ১০ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ আটক করা হয়।একই দিন বিকেল ৫টা ৩০ মিনিটে উপজেলার ৩ নম্বর খানপুর ইউনিয়নের বটতলী এলাকায় অভিযান চালিয়ে মারিয়া সরেন (৫০)-কে ১০ লিটার চোলাই মদসহ গ্রেফতার করা হয়।

    এছাড়া, ১৬ জুন রাত ১টা ৫৫ মিনিটে বিরামপুরের পাবনা হোটেলের পেছনে বিশেষ অভিযান চালিয়ে মো. তাজমল হোসেন (৪৬), মোছা. লাইলী বেগম (৩৭) ও মো. সবুজ (২৩)-কে আটক করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে ৪০ পিস ইয়াবা, ৩০ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট এবং মাদক বিক্রির নগদ ৪ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়।পুলিশ জানায়, পৃথক তিনটি ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে তিনটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

    গ্রেফতারকৃত পাঁচজনকে আইনগত প্রক্রিয়া শেষে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।বিরামপুর থানা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মাদক নির্মূলে গোয়েন্দা তথ্যনির্ভর ও লক্ষ্যভিত্তিক অভিযান ভবিষ্যতেও আরও জোরদারভাবে অব্যাহত থাকবে।

  • মাদারগঞ্জের প্রশাসনকে ম্যানেজ করে আশ্রয়ণ পুকুরে বালু উত্তোলন – হাতিয়ে নিচ্ছে কোটি টাকা

    মাদারগঞ্জের প্রশাসনকে ম্যানেজ করে আশ্রয়ণ পুকুরে বালু উত্তোলন – হাতিয়ে নিচ্ছে কোটি টাকা

    মাদারগঞ্জ প্রতিনিধি : জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলার বালিজুড়ি ইউনিয়নের চর নাংলা বাঁধসংলগ্ন আশ্রয়ণ প্রকল্পের সংরক্ষিত পুকুর থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে। প্রশাসনের নাকের ডগায় সরকারি নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেট দীর্ঘদিন ধরে এ কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এক প্রভাবশালী নেতার নেতৃত্বে গড়ে ওঠা একটি সিন্ডিকেট প্রতিদিন লাখ লাখ টাকার বালু উত্তোলন ও বিক্রি করছে। অভিযোগ রয়েছে, স্থানীয় প্রশাসনের কতিপয় অসাধু কর্মকর্তাকে ম্যানেজ করেই এ অবৈধ বাণিজ্য পরিচালিত হচ্ছে। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, আশ্রয়ণ প্রকল্পের পুকুরে একাধিক শক্তিশালী ড্রেজার মেশিন বসিয়ে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে।

    ড্রেজারের মাধ্যমে পাইপলাইন টেনে উত্তোলিত বালু সরাসরি বিভিন্ন নির্মাণাধীন স্থাপনা, বসতভিটার ভরাট কাজ এবং পুকুরে সরবরাহ করা হচ্ছে। তিনটি পৃথক পয়েন্টে দিন-রাত অবিরাম বালু পরিবহন চলতে দেখা গেছে। স্থানীয়দের আশঙ্কা, এভাবে বালু উত্তোলন অব্যাহত থাকলে আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘরবাড়ি, রাস্তা এবং আশপাশের কৃষিজমি মারাত্মক ভাঙন ও ধসের ঝুঁকিতে পড়বে।

    সরকারি পুকুর থেকে বালু বা মাটি কাটার কোনো বিধান না থাকলেও সিন্ডিকেটটি পুকুরটিকে অস্বাভাবিক গভীর করে বালু উত্তোলন করছে। ড্রেজার মালিক আব্দুর রহিম সবুজ (৩৮) সাংবাদিকদের জানান, প্রতি এক হাজার ঘনফুট বালু ৬ হাজার টাকা দরে বিক্রি করা হচ্ছে। জানা গেছে, চর নাংলা আদর্শগ্রাম আশ্রয়ণ প্রকল্পের ৩৭টি পরিবারের মধ্যে পুকুরটি বন্দোবস্ত দেওয়া হয়েছিল। এ বিষয়ে কয়েকজন উপকারভোগী জানান, মাছ চাষের জন্য পুকুরে পর্যাপ্ত গভীরতা না থাকায় তারা বালু উত্তোলন করছেন। তবে স্থানীয়দের দাবি, গত এক সপ্তাহে এ পুকুর থেকে কোটি টাকারও বেশি বালু বিক্রি করা হয়েছে। পরিবেশবাদী ও সচেতন মহলের অভিযোগ, বালু উত্তোলনের এই লাভজনক ব্যবসার কারণেই প্রশাসন কার্যত নির্বিকার ভূমিকা পালন করছে।

    সাংবাদিকরা একাধিকবার বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করলেও এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। গত ১১ জুন সরেজমিন তদন্ত শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রাসেল দিও বলেন, “আশ্রয়ণ প্রকল্পের পুকুর থেকে বালু উত্তোলনের কোনো অনুমতি নেই। অভিযোগ পেয়েছি।

    দ্রুত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে বালু উত্তোলনের সরঞ্জাম জব্দ করা হবে এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ”তবে অভিযোগ রয়েছে, ওই বক্তব্য দেওয়ার কয়েক দিন পরও বালু উত্তোলন বন্ধে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বক্তব্য জানতে যোগাযোগ করা হলে তিনি ছুটিতে থাকায় তার মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

    স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, প্রশাসনের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ সহযোগিতা ছাড়া এত বড় পরিসরে অবৈধ বালু উত্তোলন সম্ভব নয়। তারা অবিলম্বে এ অবৈধ কর্মকাণ্ড বন্ধ, জড়িতদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং আশ্রয়ণ প্রকল্পের সম্পদ রক্ষায় কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

  • রায়গঞ্জে সাজু ফাউন্ডেশনের ৫০ হাজার বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির সূচনা

    রায়গঞ্জ (সিরাজগঞ্জ) উপজেলা সংবাদদাতা: পরিবেশ রক্ষা ও সবুজ বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেছে সাজু পল্লী উন্নয়ন ও মানবিক ফাউন্ডেশন।

    মঙ্গলবার (১৬ জুন) উপজেলার সোনাখাড়া ইউনিয়নের ঐতিহাসিক জয়সাগর দীঘির পাড় এলাকায় বৃক্ষ রোপন কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়। ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও সমাজসেবক মো. সাজু আহমেদের উদ্যোগে ৫০ হাজার বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির প্রথম ধাপের কার্যক্রম এদিন সম্পন্ন করা হয়।

    অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন রায়গঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল কুদ্দুস মণ্ডল। এ সময় সোনাখাড়া ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব আব্দুল মোন্নাফ সরকারসহ স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

    উপস্থিত বক্তারা বলেন, বর্তমান সময়ে জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশ দূষণ বিশ্বব্যাপী বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় বৃক্ষরোপণের মতো জনকল্যাণমূলক উদ্যোগ অত্যন্ত প্রশংসনীয়। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার পাশাপাশি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ ও বাসযোগ্য পৃথিবী গড়ে তুলতে সবাইকে বৃক্ষরোপণে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তারা।

    আয়োজক সূত্রে জানা যায়, কর্মসূচির আওতায় পর্যায়ক্রমে রায়গঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা রোপণ করা হবে। পাশাপাশি গাছের পরিচর্যা ও সংরক্ষণে স্থানীয় জনগণকে সম্পৃক্ত করার উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে।

    কর্মসূচিতে স্থানীয় বাসিন্দা, স্বেচ্ছাসেবক এবং পরিবেশপ্রেমী মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ লক্ষ্য করা যায়। অনুষ্ঠানের শেষে জয়সাগর দীঘি পাড় এলাকায় বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা রোপণ করা হয়।

  • খানাখন্দে ভরা সড়ক মেরামত করে আলোচনায় বাঁকা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী আবুল বাশার

    খানাখন্দে ভরা সড়ক মেরামত করে আলোচনায় বাঁকা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী আবুল বাশার

    স্টাফ রিপোর্টার:

    চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার বাঁকা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ও ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল বাশার নিজ অর্থায়নে জনকল্যাণমূলক কাজ করে সর্বস্তরের মানুষের মাঝে ব্যাপক আলোচনায় এসেছেন।

    সম্প্রতি তিনি সম্পূর্ণ নিজস্ব উদ্যোগে ও ব্যক্তিগত অর্থায়নে উপজেলার জোড়া ব্রিজ থেকে বিজিবি ক্যাম্প হয়ে প্রতাপপুর পর্যন্ত যাতায়াতের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে বেহাল ও খানাখন্দে ভরা রাস্তাটি ইট ও আদলা দিয়ে চলাচলের উপযোগী করে মেরামত করে দিয়েছেন।

    রাস্তাটির এই বেহাল দশার কারণে দীর্ঘদিন ধরে এলাকাবাসী ও পথচারীদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছিল এবং প্রায়ই ছোট-বড় দুর্ঘটনা ঘটত। সরকারি বরাদ্দের অপেক্ষা না করে জনসাধারণের এই চরম দুর্ভোগ লাঘবে আবুল বাশারের এমন দ্রুত ও মানবিক পদক্ষেপে এলাকাবাসীর মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে এবং তিনি সর্বসাধারণের কাছে ভূয়সী প্রশংসা কুড়িয়েছেন।

    স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, আবুল বাশার সবসময়ই এলাকার মানুষের যেকোনো সমস্যায় এবং সুখে-দুঃখে পাশে দাঁড়ান। দীর্ঘদিন ধরে তিনি নিজ উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে বিভিন্ন সামাজিক, ধর্মীয় ও উন্নয়নমুখী কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছেন, যা তাকে সাধারণ মানুষের মাঝে অত্যন্ত জনপ্রিয় করে তুলেছে।

    সমাজসেবা ও মানবউন্নয়নের এই ধারাবাহিকতায় আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে বাঁকা ইউনিয়নের সাধারণ মানুষের মুখে মুখে এখন তার নাম শোনা যাচ্ছে।

    দলমত নির্বিশেষে সাধারণ মানুষ মনে করছেন, আবুল বাশারের মতো একজন জনবান্ধব, নিঃস্বার্থ ও উন্নয়নকামী মানুষ জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হলে বাঁকা ইউনিয়নের সামগ্রিক উন্নয়ন ও জনগণের অধিকার নিশ্চিত হবে।

    এলাকাবাসীর এই ভালোবাসার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আবুল বাশার জানান, পদের লোভ বা প্রচারের জন্য নয়, বরং মানবিক দায়বদ্ধতা ও মানুষের প্রতি ভালোবাসা থেকেই তিনি সবসময় কাজ করে আসছেন। ভবিষ্যতে নির্বাচিত হতে পারলে বাঁকা ইউনিয়নকে একটি আদর্শ, উন্নত ও দুর্নীতিমুক্ত মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলতে নিজের জীবন উৎসর্গ করবেন।

  • পত্নীতলায় ‘লাগসই প্রযুক্তির প্রয়োগ ও সম্প্রসারণ’ শীর্ষক সেমিনার ও প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত 

    নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি : টনওগাঁর পত্নীতলায় “স্থানীয়ভাবে উদ্ভাবিত লাগসই প্রযুক্তির প্রয়োগ ও সম্প্রসারণ” শীর্ষক দিনব্যাপী সেমিনার ও প্রযুক্তি প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছে। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে এবং উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

    অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বিজ্ঞানভিত্তিক বিভিন্ন উদ্ভাবনী স্টল ও প্রদর্শনী পরিদর্শন করেন পত্নীতলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং অন্যান্য আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ।

    পরিদর্শনকালে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বলেন:

    “ডিজিটাল বাংলাদেশ থেকে স্মার্ট বাংলাদেশে পদার্পণের এই সময়ে তরুণ প্রজন্ম ও স্থানীয় উদ্ভাবকদের বিজ্ঞানমনস্ক করে গড়ে তোলা অত্যন্ত জরুরি। এই ধরণের প্রদর্শনী স্থানীয় পর্যায়ে টেকসই ও লাগসই প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াতে এবং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।”

    সেমিনার পর্বে বক্তারা স্থানীয় পর্যায়ে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার, পরিবেশবান্ধব উদ্ভাবন এবং কৃষি ও শিল্প খাতে লাগসই প্রযুক্তির সম্প্রসারণের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।

    প্রদর্শনীতে উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ও স্থানীয় বিজ্ঞানমনস্ক তরুণরা তাদের নিজেদের উদ্ভাবিত বিভিন্ন পরিবেশবান্ধব ও সাশ্রয়ী প্রযুক্তি প্রদর্শন করেন। অতিথিবৃন্দ প্রতিটি স্টল ঘুরে দেখেন এবং খুদে উদ্ভাবকদের নানামুখী উদ্যোগ ও প্রতিভার প্রশংসা করেন।

    অনুষ্ঠানে উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের সরকারি কর্মকর্তা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, গণমাধ্যমকর্মী এবং স্থানীয় সুধীজন উপস্থিত ছিলেন।

  • বিরামপুরে মাদক ব্যবসায়ী ও সেবী গ্রেফতার, ভ্রাম্যমাণ আদালতে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড

    দিনাজপুর জেলা প্রতিনিধি: দিনাজপুর বিরামপুর উপজেলায় মাদকের বিরুদ্ধে প্রশাসনের চলমান কঠোর অবস্থানের অংশ হিসেবে পরিচালিত বিশেষ অভিযানে কুখ্যাত এক মাদক ব্যবসায়ী ও মাদকসেবীকে আটক করে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ৬ (ছয়) মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। মাদক নির্মূলে প্রশাসনের ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে এ অভিযান পরিচালিত হয়।

    সোমবার (১৫ জুন ২০২৬) গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিরামপুর থানা পুলিশের একটি দল অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাইফুল ইসলামের সার্বিক দিকনির্দেশনায় উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বিশেষ মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে

    অভিযানের একপর্যায়ে কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ী ও মাদকসেবী মোঃ সুমন ইসলাম (৩৮)-কে আটক করা হয়।আটক সুমন ইসলাম বিরামপুর উপজেলার পূর্বপাড়া এলাকার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা। তার পিতার নাম শহিদুল ইসলাম। দীর্ঘদিন ধরে তিনি মাদক ব্যবসা ও মাদক সেবনের সঙ্গে জড়িত ছিলেন বলে স্থানীয়ভাবে অভিযোগ রয়েছে।আটকের পর তাকে ভ্রাম্যমাণ আদালতে হাজির করা হলে আদালত মাদক-সংক্রান্ত অপরাধে দোষী সাব্যস্ত করে ৬ (ছয়) মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন।

    পরে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, মাদকের বিস্তার রোধে বিরামপুর উপজেলায় নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। মাদক ব্যবসায়ী ও মাদকসেবীদের বিরুদ্ধে গোয়েন্দা নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দাবি, মাদকের সঙ্গে জড়িত কোনো ব্যক্তি আইনের হাত থেকে রেহাই পাবে না।

    স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, যুবসমাজকে মাদকের ভয়াবহ ছোবল থেকে রক্ষা করতে এবং একটি নিরাপদ ও মাদকমুক্ত সমাজ গড়ে তুলতে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। মাদক ব্যবসা, পরিবহন, সংরক্ষণ কিংবা সেবনের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।প্রশাসন আরও জানায়, মাদক নির্মূলে সাধারণ মানুষের সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

    কোথাও মাদক ব্যবসা বা সেবনের তথ্য পাওয়া গেলে দ্রুত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে অবহিত করার জন্য সর্বস্তরের জনগণের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে। জনগণের সহযোগিতায় মাদকের বিরুদ্ধে চলমান অভিযান আরও কার্যকর হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।

  • ঝালকাঠী রিপোর্টার্স ক্লাবে নবাগত অফিসার ইনচার্জের মতবিনিময়

    ঝালকাঠি প্রতিনিধি :ঝালকাঠি সদর থানার নবাগত অফিসার ইনচার্জ মোঃ মাহমুদ হাসানের সঙ্গে রিপোর্টার্স ক্লাব ঝালকাঠির সদস্যদের এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (১৫ জুন) রাত ৮টায় রিপোর্টার্স ক্লাব ঝালকাঠির কার্যালয়ে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

     

    রিপোর্টার্স ক্লাব ঝালকাঠির সভাপতি অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান মুবিনের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক উপাধ্যক্ষ রিয়াজুল ইসলাম বাচ্চুর সঞ্চালনায় আয়োজিত এ মতবিনিময় সভায় সদর থানা এলাকায় সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন, সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধ এবং সাংবাদিক-পুলিশের পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়।

     

    সভায় সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ বলেন মাদক, ইভটিজিং, কিশোর গ্যাং, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে সাংবাদিক ও পুলিশ একযোগে কাজ করলে অপরাধ নিয়ন্ত্রণে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখা সম্ভব। পাশাপাশি জনসচেতনতা সৃষ্টি, সামাজিক সম্প্রীতি বজায় রাখা এবং নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারস্পরিক সমন্বয়ের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

    অফিসার ইনচার্জ মোঃ মাহমুদ হাসান বলেন, আমি সাংবাদিক বান্ধব মানুষ। তিনি সবসময় সাংবাদিকদের পেশাগত কাজে সহযোগিতা করার আশ্বাস দেন। তিনি আরো বলেন, গরীব অসহায় মানুষ দালাল ছাড়া আমার কাছে সরাসরি আসলে সম্ভবপর সহযোগিতা করব ইনশাল্লাহ। তিনি ঝালকাঠি বাসীর আতিথেয়তা ও সভ্যতার প্রশংসা করেন।

    এ সময় সাংবাদিকদের তথ্য সংগ্রহ ও পেশাগত দায়িত্ব পালনে সহযোগিতা বৃদ্ধি, জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে দ্রুত তথ্যপ্রাপ্তি নিশ্চিতকরণ এবং গুজব ও অপপ্রচার রোধে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের বিষয়েও আলোচনা হয়। নবাগত অভিসার ইনচার্জ সাংবাদিকদের সঙ্গে সমন্বয় রেখে জনবান্ধব ও সেবামুখী কার্যক্রম পরিচালনার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

     

    মতবিনিময় সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সদর থানার এস আই মোঃ গালিব, রিপোর্টার্স ক্লাবের সহ-সভাপতি কে এম মঞ্জুরুল ইসলাম, আজিজুর রহমান বশির, যুগ্ম সম্পাদক মোঃ মাসুম খান, আইন সম্পাদক অ্যাডভোকেট ইমাম হোসেন, দপ্তর সম্পাদক মোঃ খলিলুর রহমান, নির্বাহী সদস্য মোঃ মাহবুব হোসেন সৈকত, সফিকুল ইসলাম হিরু, সৈয়দ রুবেল, নাদিম শরীফ ও সিয়ামসহ ক্লাবের অন্যান্য সদস্যবৃন্দ।

     

    রিপোর্টার্স ক্লাবের পক্ষ থেকে নবাগত অভিসার ইনচার্জকে শুভেচ্ছা জানানো হয় এবং ঝালকাঠিতে শান্তি-শৃঙ্খলা ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় সাংবাদিক ও পুলিশের সমন্বিত উদ্যোগ অব্যাহত রাখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়।

  • সদরপুরের ঢেউখালীতে উঠান বৈঠকে নারীদের ভূমিসেবা ও ভূমির অধিকার বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি

    সদরপুর (ফরিদপুর) প্রতিনিধি: ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলার ঢেউখালী ইউনিয়নের ডিখান ডাঙ্গী এলাকায় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির মাধ্যমে নারীদের ক্ষমতায়ন প্রকল্পের উদ্যোগে গ্রামীণ নারীদের জন্য এক উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    সোমবার (১৫ জুন ২০২৬) আয়োজিত এ উঠান বৈঠকে নারীদের ‘ভূমিসেবা ও ভূমিতে নারীর অধিকার’ বিষয়ে সচেতন করা হয়। এতে অংশগ্রহণকারী নারীদের ভূমি সংক্রান্ত বিভিন্ন সরকারি সেবা, উত্তরাধিকার আইন অনুযায়ী নারীর অধিকার, নামজারি, খাজনা পরিশোধ এবং ভূমি ব্যবস্থাপনায় বিদ্যমান সুযোগ-সুবিধা সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণা দেওয়া হয়।

    আলোচনা পরিচালনা করেন সদরপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট রিফাত আনজুম পিয়া। তিনি বলেন, নারীদের ভূমি-সংক্রান্ত অধিকার সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং সরকারি সেবা সহজলভ্য করতে এ ধরনের কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। পাশাপাশি তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহারের মাধ্যমে নারীদের ক্ষমতায়ন ও আত্মনির্ভরশীলতা অর্জনের ওপরও তিনি গুরুত্বারোপ করেন।