Blog

  • নেত্রকোনায় বেস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স পিএলসি কর্তৃক মরণোত্তর চেক হস্তান্তর ও উন্নয়ন সভা অনুষ্ঠিত

    নেত্রকোনা প্রতিনিধি : করবো বীমা গড়বো দেশ উন্নয়নের বাংলাদেশ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে নেত্রকোনায় বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত ও নিয়ন্ত্রিত ইসলামী শরিয়াহ মোতাবেক পরিচালিত বেস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স পিএলসির জোন ও সার্ভিস সেন্টারে এই মরণোত্তর চেক হস্তান্তর ও উন্নয়ন সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    শনিবার (১৩ জুন) সকাল ১১টায় নেত্রকোনা জোন ও সার্ভিস সেন্টারের আয়োজনে কে এম এস টাওয়ারের ৩য় তলায় অফিস কার্যালয়ের হল রুমে এই মরণোত্তর চেক হস্তান্তর ও উন্নয়ন সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এসময় উক্ত মরণোত্তর চেক হস্তান্তর ও উন্নয়ন সভায় সভাপতিত্ব করেন নেত্রকোনা জোন ও সার্ভিস সেন্টারের এজেন্সি ডিরেক্টর শাহিন মিয়া ও সঞ্চালনা করেন এজেন্সি ডিরেক্টর হাবিবুর রহমান।

    এসময় উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন, নেত্রকোনা জেলা পরিষদ প্রশাসক মোঃ নূরুজ্জামান (এড.), এসময় প্রধান বক্তা ছিলেন বেস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স পিএলসির মূখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা এন্ড সিইও মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন, নেত্রকোনা জেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ম. কিবরিয়া চৌধুরী হেলিম, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এডভোকেট কে আর খান পাঠান সাহের, বেস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স পিএলসির ময়মনসিংহ ডিভিশনাল ইনচার্জ ও সহকারী ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ মাসুম হাসান জামাল।

    এসময় উক্ত মরণোত্তর চেক হস্তান্তর ও উন্নয়ন সভায় আমন্ত্রিত অতিথি ছিলেন, বেস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স পিএলসির এজেন্সি ডিরেক্টর মোঃ সোহাগ মিয়া, সহকারী এজেন্সি ডিরেক্টর মোছাঃ সালেহা রায়হান, মাওলানা মনিরুজ্জামান, মোঃ নূরুল ইসলাম, জুবায়ের আহমেদ মাহফুজ, মোছাঃ সুমি আক্তার। ব্রাঞ্চ ম্যানেজার মমতাজ বেগম, নূরজাহান আক্তার, শাপলা আক্তার, শাহানা আক্তার, খাদিজা আক্তার বেবি, সোহেল খান দূর্জয়, কাউসার হোসেন জানু।

    ইউনিট ম্যানেজার হাফিজা আক্তার, স্মৃতি আক্তার, করুনা আক্তার,লিপি আক্তার রুনা,লাল মিয়া,শাহিনুর রশীদ, সানাউল্লাহ শাহ, হাজেরা আক্তার, শিউলি আক্তার ও আব্দুল আলীম প্রমুখ। এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন নেত্রকোনা জোন ও সার্ভিস সেন্টারের আওতাধীন সকল উন্নয়ন কর্মী ও কর্মকর্তা এবং সম্মানিত গ্রাহকবৃন্দ।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন করেন ডিসি আবু ছালেহ মোঃ মুসা জঙ্গী

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি

    বাংলাদেশ ৬৪ জেলায় পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং সবুজায়নের প্রত্যয় নিয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে ‘৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ’ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে। শনিবার (১৩ জুন) দুপুর ১ টায় চাঁপাইনবাবগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী হরিমোহন সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এই কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

    জেলা প্রশাসন ও সামাজিক বন বিভাগ, চাঁপাইনবাবগঞ্জের যৌথ উদ্যোগে এই বিশাল বৃক্ষরোপণ যজ্ঞের সূচনা ঘটে। ​অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করেন জেলা প্রশাসক আবু ছালেহ মোঃ মুসা জঙ্গী। উক্ত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) নাকিব হাসান তরফদার। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক (উপসচিব) ও পৌরসভার প্রশাসক উজ্জ্বল কুমার ঘোষ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) এ এন এম ওয়াসিম ফিরোজ, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) শাহীন সুলতানা চাঁপাইনবাবগঞ্জ সিভিল সার্জন ডাঃ এ কে এম শাহাব উদ্দীন।

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর উপ-পরিচালক ড. মোঃ ইয়াছিন আলী, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ আনিসুর রহমান, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মারুফ আফজাল রাজন, সামাজিক বন বিভাগের সহকারী বন সংরক্ষক নায়েমা আক্তার, হরিমোহন সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) রুবিনা আনিস, অনুজ চন্দ সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট অনুজ চন্দ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মোঃ আবু সাঈদ, জেলা কর্মসংস্থান ও জেলা জনশক্তি সহকারী পরিচালক আখলাক উদ জ্জামান, পরিসংখ্যান ব্যুরো উপ-পরিচালক রাজীব কুমার কর্মকার ও জেলা ফুড অফিস সাব ইন্সপেক্টর মোঃ শহিদুল ইসলাম, চাঁপাইনবাবগঞ্জ মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিদর্শক মোঃ রফিকুল ইসলাম, হরিমোহন সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক মোঃ আবুল কালাম আজাদ প্রমুখ ।

    উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি আবু ছালেহ মোঃ মুসা জঙ্গী বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি বাসযোগ্য পৃথিবী গড়ে তুলতে বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। ৫ বছরে ২৫ কোটি গাছ লাগানোর এই মহাপরিকল্পনা জেলার পরিবেশগত উন্নয়নে এক যুগান্তকারী ভূমিকা পালন করবে। এই কর্মসূচি সফল করতে তারা সর্বস্তরের জনগণকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

    সামাজিক বন বিভাগের সহকারী বন সংরক্ষক নায়েমা আক্তার জানান, এই বছর এক লক্ষ চরাগাছ রোপন করা হবে এর মধ্যে প্রতিটি ইউনিয়নে ২০০ টি করে চারাগাছ রোপণ, পৌরসভায় ১৫০০ টি চারা গাছ রোপন ও প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ৫০ টি চারা রোপণ, এছাড়াও সরকারি রাস্তার পাশে সরকারি জায়গায় অন্যান্য চারাগাছ রোপন করা হবে। অনুষ্ঠানে হরিমোহন সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, পরিবেশবাদী সংগঠনের প্রতিনিধি এবং গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। আলোচনা সভা শেষে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে গাছের চারা রোপণ করে আনুষ্ঠানিকভাবে এই বিশাল কর্মসূচির সূচনা করা হয়।

  • ফরিদপুরে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে র্যালি ও বৃক্ষরোপণের উদ্বোধন

    সদরপুর (ফরিদপুর) প্রতিনিধি: পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলায় আনুষ্ঠানিকভাবে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে। শনিবার (১৩ জুন) সকাল ১১টায় উপজেলা পরিষদ চত্বরে আয়োজিত এ কর্মসূচির মাধ্যমে সবুজায়নের নতুন অভিযাত্রার সূচনা হয়।

    সরকার ঘোষিত পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী আয়োজনের শুরুতে উপজেলা পরিষদ চত্বর থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের করা হয়। র‌্যালিতে সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী, ইমাম, সাংবাদিক, জনপ্রতিনিধি, শিক্ষার্থী এবং বিভিন্ন সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের প্রতিনিধিরা অংশ নিয়ে পরিবেশ সংরক্ষণে জনসচেতনতার বার্তা ছড়িয়ে দেন।

    উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শরীফ শাওনের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সদরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুল আল মামুন শাহ, উপজেলা প্রকৌশলী আবুল কালাম আজাদ, উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মঞ্জুরুরুল ইসলাম, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক ডা. গোলাম রব্বানী, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কাজী বদরুতজ্জামান বদু, সদস্য সচিব তরিকুল ইসলাম কবির মোল্যা, সদরপুর সরকারি কলেজ মসজিদের পেশ ইমাম মুফতী মুহাম্মাদ জাকির হুসাইন ফরিদী-সহ উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা।

    পরে উপজেলা পরিষদ সংলগ্ন বালুর মাঠে বিভিন্ন প্রজাতির চারা রোপণের মাধ্যমে কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। এ সময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শরীফ শাওন বলেন, সরকারের ঘোষিত পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির সফল বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে সদরপুরে এ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। আগামী ১৮০ দিনের নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগকে সফল করতে তিনি সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের সক্রিয় সহযোগিতা কামনা করেন।

    তিনি আরও বলেন, একটি গাছ শুধু পরিবেশকে সবুজই করে না, বরং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য নিরাপদ ও বাসযোগ্য পৃথিবী গড়ার অন্যতম ভিত্তি হিসেবে কাজ করে। তাই সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি প্রতিটি পরিবার ও নাগরিককে নিজ নিজ অবস্থান থেকে বৃক্ষরোপণ ও পরিচর্যায় এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।

  • নির্বাচনী প্রচারণায় ভিন্ন মাত্রা: জালালপুরে আইনজীবী রফিকুল ইসলামের ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প

    কটিয়াদী(কিশোরগঞ্জ)প্রতিনিধি: কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলার জালালপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে এক ব্যতিক্রমী মানবিক উদ্যোগ নিয়েছেন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ও জেলা জজ কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী আলহাজ্ব এ্যাডভোকেট রফিকুল ইসলাম ভূঁইয়া। এলাকার দরিদ্র, অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় তাঁর একক প্রচেষ্টায় একটি বিশাল ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পের আয়োজন করা হয়।

    ​আজ সকাল ৯টায় জালালপুর আনন্দ বাজারে আনুষ্ঠানিকভাবে এই ক্যাম্পের উদ্বোধন করেন অবসরপ্রাপ্ত প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক মজিবুল হক ভূঁইয়া (বাচ্চু মাস্টার)।

    ​জালালপুর ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক আমিনুল হক ভূঁইয়ার (কাঞ্চন মাস্টার) সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জামায়াত মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী আলহাজ্ব এ্যাড. রফিকুল ইসলাম ভূঁইয়া।

    ​এ সময় স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন ইউনিয়ন জামায়াতের আমীর বিল্লাল হোসেন বিএসসি, জামায়াত নেতা হারুন-অর রশিদ, রফিক মিয়া, মিজানুর রহমান, মোনায়েম খান এবং সুজন মিয়াসহ অনেকেই।

    ​সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সকাল থেকেই চিকিৎসা নিতে আসা সাধারণ মানুষের উপচে পড়া ভিড় ছিল। প্রত্যন্ত গ্রাম থেকে আসা প্রায় ১ হাজারেরও বেশি রোগীকে অভিজ্ঞ চিকিৎসকদের মাধ্যমে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে ব্যবস্থাপত্র ও প্রয়োজনীয় ওষুধ প্রদান করা হয়। দুপুর পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে চলে এই সেবা কার্যক্রম।

    ​সেবা নিতে আসা স্থানীয় বাসিন্দারা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, “আমাদের মতো সাধারণ মানুষের জন্য এটি অত্যন্ত বড় একটি সুযোগ। প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষের সুবিধার্থে এমন পরোপকারী উদ্যোগ নিয়মিত নেওয়া প্রয়োজন।”

    ​এ বিষয়ে আয়োজক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী রফিকুল ইসলাম ভূঁইয়া জানান, “উপজেলা বা জেলা শহরগুলো মূল জনপদ থেকে বেশ দূরে হওয়ায় এখানকার দরিদ্র মানুষ উন্নত চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত হন। মূলত এই অসহায় সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতেই আমার এই ক্ষুদ্র প্রয়াস। আগামী দিনগুলোতেও আমি নিজেকে এলাকার মানুষের কল্যাণে নিয়োজিত রাখতে চাই।”

    ​ফ্রি ক্যাম্পে দিনভর রোগীদের চিকিৎসা সেবা দেন কটিয়াদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সহকারী সার্জন ডা: মো: ইফতেখারুল ইসলাম ইফতি, মেডিকেল অফিসার ডা: আনিসুর রহমান এবং রেনেসাঁ ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডা: মুস্তাফিজুর রহমান।

  • বিশ্বনাথে এনসিপির পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত

    বিশ্বনাথ প্রতিনিধি: জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) বিশ্বনাথ উপজেলা কমিটির পরিচিতি সভা আজ (১২ জুন) শুক্রবার সন্ধ্যায় একটি রেষ্ঠুরেন্ঠে অনুষ্ঠিত হয়। এনসিপি বিশ্বনাথ উপজেলার আহবায়ক (ভারপ্রাপ্ত) এম.খলিল উল্লাহ’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন সিলেট জেলা এনসিপি’র যুগ্ম আহবায়ক অ্যাডভোকেট গোলাম আকবর।

    বিশেষ অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি বক্তব্য রাখেন এনসিপি বিশ্বনাথ উপজেলা আহবায়ক নুরুল আমিন, বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন এনসিপি বিশ্বনাথ পৌর আহবায়ক সাইফুল আলম, বিশ্বনাথ উপজেলা এনসিপি’র যুগ্ম আহবায়ক সাহিদ হোসেন হেলাল, এজাজ আল-জাবেদ, মো. ইব্রাহিম, সদস্য সচিব মামুন আলী, সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব রায়হান আহমদ, সাংগঠনিক সম্পাদক সুহিস আহমদ, সদস্য খালেদ আহমদ, ইসমাঈল হাসান মুবিন, ইমাদ উদ্দিন, সাইফুল ইসলাম, বিশ্বনাথ পৌর এনসিপি’র সদস্য সচিব ইমন আহমদ, যুগ্ম আহবায়ক জাকির হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক সানি আহমদ।
    সভায় এনসিপি নেতৃবৃন্দ বলেছেন, পরিবর্তনের অঙ্গিকার নিয়ে এনসিপির জন্ম হয়েছে। বৈষম্যহীন রাষ্ঠ্র, সমাজ বির্নিমানে কাজ করছে দলটি। খুব কম সময়ে এনসিপি সারা দেশে পরিচিতি লাভ করেছে। ইনশাআল্লাহ সবার সহযোগিতায় দ্রুত সময়ের মধ্যে এনসিপি তাঁর লক্ষ্যে পৌঁছাবে।

  • রাজাপুরে স্বেচ্ছাশ্রমে ৪ কিলোমিটার কবিরাজবাড়ি খাল পরিষ্কারের উদ্যোগ

    ঝালকাঠি প্রতিনিধি:
    ঝালোকাঠির রাজাপুরে স্বেচ্ছাশ্রমের মাধ্যমে প্রায় ৪ কিলোমিটার দীর্ঘ কবিরাজবাড়ি খাল পরিষ্কার কার্যক্রম শুরু করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। শনিবার সকালে সদর এলাকার দক্ষিণ বাজার জালিয়াবাড়ি এলাকা থেকে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়।

    খান বাড়ি ও সিকদার বাড়ির উদ্যোগে জাকির খানের উদ্যোগে পরিচালিত এ অভিযানে বিভিন্ন বয়সী অর্ধশতাধিক স্বেচ্ছাসেবী অংশ নেন। খালের পানিপ্রবাহ স্বাভাবিক রাখা এবং পরিবেশ রক্ষার লক্ষ্যে তারা কচুরিপানা, আগাছা ও জমে থাকা ময়লা-আবর্জনা অপসারণ করেন।
    উদ্যোক্তারা জানান, সম্প্রতি খালটি খনন করা হলেও কচুরিপানা ও বিভিন্ন ধরনের বর্জ্যে আবারও ভরাট হয়ে পড়ে। ফলে পানিপ্রবাহ ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দাদের ভোগান্তি বাড়তে থাকে।

    অভিযানের নেতৃত্বদানকারী জাকির খান বলেন, তুলাতলা, বাইপাস, টিএন্ডটি, বাজার ও পুরাতন জেলখানাসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকা দিয়ে খালটি প্রবাহিত হয়েছে। কিন্তু বিভিন্ন স্থানে বাঁধ, দখল এবং কচুরিপানা জমে থাকায় পানির স্বাভাবিক প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। কৃষি, পরিবেশ সংরক্ষণ ও জলাবদ্ধতা নিরসনে খালটির গুরুত্ব অনেক। তাই স্থানীয়দের সহযোগিতায় আমরা স্বেচ্ছাশ্রমের মাধ্যমে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম শুরু করেছি।”

    তিনি আরও বলেন, খালের কয়েকটি স্থানে থাকা মাটির বাঁধ পর্যায়ক্রমে অপসারণ করা হবে, যাতে পানির প্রবাহ নির্বিঘ্ন থাকে।
    স্থানীয় বাসিন্দারা এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন। তাদের মতে, খালটি নিয়মিত পরিচ্ছন্ন রাখা গেলে বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা কমবে এবং এলাকার পরিবেশের উন্নয়ন ঘটবে।

    উদ্যোক্তারা জানান, খাল রক্ষা ও জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

  • ভৈরব রেলওয়ে স্টেশনে প্রতি টিকিটে ৫ টাকা বেশি নেওয়ার অভিযোগ কর্তৃপক্ষ নীরব

    শরিফ,ভৈরব উপজেলা প্রতিনিধি: কিশোরগঞ্জের ভৈরব রেলওয়ে স্টেশনে টিকিট বিক্রির সময় যাত্রীদের কাছ থেকে নির্ধারিত মূল্যের অতিরিক্ত ৫ টাকা করে আদায় করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

    দীর্ঘদিন ধরে এ অনিয়ম চললেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কার্যকর কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করছে না বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী যাত্রীরা।

    অভিযোগ অনুযায়ী‌ টিকিট কাউন্টার থেকে টিকিট ক্রয়ের সময় অনেক যাত্রীর কাছে ভাংতি টাকা না থাকার অজুহাত দেখিয়ে নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে ৫ টাকা বেশি নেওয়া হচ্ছে। যাত্রীরা অতিরিক্ত টাকা ফেরত চাইলে বিভিন্ন ধরনের অজুহাত দেওয়া হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।

    একাধিক যাত্রী জানান, প্রতিদিন অসংখ্য মানুষ ভৈরব স্টেশন থেকে বিভিন্ন গন্তব্যে যাতায়াত করেন। টিকিট প্রতি ৫ টাকা করে অতিরিক্ত আদায় করা হলেও অধিকাংশ যাত্রী বিষয়টি নিয়ে প্রতিবাদ করেন না। ফলে প্রতিদিন উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অর্থ অতিরিক্ত আদায় হচ্ছে বলে তাদের দাবি।

    স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, সরকারি নির্ধারিত ভাড়ার বাইরে অতিরিক্ত অর্থ আদায় কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। বিষয়টি তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।

    এ বিষয়ে ভৈরব রেলওয়ে স্টেশনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বক্তব্য জানতে চেষ্টা করা হলেও প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তাদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

    যাত্রীদের অভিযোগ, দ্রুত এ অনিয়ম বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা না হলে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি আরও বাড়বে। তারা সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

  • সাটুরিয়ার বালিয়াটিতে চাঁদাবাজি-হুমকির অভিযোগ: জিম্মি দশায় ৫ গ্রামের মানুষ

    মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি:সাটুরিয়া উপজেলার বালিয়াটি ইউনিয়নের ভাটারা, ভাঙাবাড়ি, গর্জনা, কড়াইল ও শিমুলিয়া গ্রামের সাধারণ মানুষের পিঠ দেয়ালে ঠেকে গেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। একের পর এক চাঁদাবাজি, জিম্মি ও ভয়ভীতির ঘটনায় এলাকাবাসী দিশেহারা।

    ভুক্তভোগীদের পক্ষ থেকে সাম্প্রতিক সময়ে বেশ কিছু সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পাওয়া গেছে:

    *১. জিম্মি করে টাকা আদায়ের অভিযোগ*
    ভাটারা গ্রামের মো. শাহীন আলম, পিতা: মন্টু অভিযোগ করেছেন, তার নিজের বাড়ি মাপার সময় বালিয়াটি ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আতোয়ার রহমান ঠান্ডু, সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান মিজান এবং স্থানীয় মাতবর মোহাম্মদ আলী জোরপূর্বক তাকে জিম্মি করে ৫০ হাজার টাকা আদায় করেন।

    *২. ব্যবসায়ীর কাছ থেকে চাঁদা*
    একই চক্রের বিরুদ্ধে ভাটারা বাজারের ব্যবসায়ী আকাশ মাহমুদের কাছ থেকে জোরপূর্বক আরও ৫০ হাজার টাকা চাঁদা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে বলে জানিয়েছেন অভিযোগকারীরা।

    *৩. ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের তহবিলে হাত*
    সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হলো, ভাঙাবাড়ি ঈদগাহ মাঠ ও কবরস্থান কমিটির তহবিল থেকেও রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে ১ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

    এছাড়া নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আরও অনেকে প্রতিনিয়ত এই চক্রের কাছ থেকে চাঁদা দাবি ও নানামুখী হুমকির শিকার হচ্ছেন বলে জানিয়েছেন।

    *এলাকাবাসীর দাবি:*
    ভয়ভীতির কারণে কেউ মুখ খুলতে সাহস পাচ্ছে না। এমতাবস্থায় এলাকাবাসী স্থানীয় প্রশাসন এবং সংশ্লিষ্ট দলের ঊর্ধ্বতন নেতৃবৃন্দের কাছে আকুল আবেদন জানিয়েছেন, অবিলম্বে এই চাঁদাবাজ চক্রের বিরুদ্ধে তদন্ত সাপেক্ষে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। সাধারণ মানুষকে এই জিম্মিদশা থেকে মুক্তি দেওয়া হোক।

  • বুড়িচংয়ে কিশোর গ্যাং লিডার ছাব্বির আটক

    বুড়িচং (কুমিল্লা) প্রতিনিধি:কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলায় অভিযান চালিয়ে কথিত কিশোর গ্যাং ‘বিকেজি (BKG)’-এর লিডার মো. ছাব্বির (২৬)কে আটক করেছে পুলিশ। তার বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইনে দায়ের করা একটি মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ছিল বলে জানিয়েছে পুলিশ।

    শুক্রবার (১২ জুন) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার বাকশীমুল ইউনিয়নের বাকশীমুল মধ্যপাড়া এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। আটক ছাব্বির ওই এলাকার আবদুল মজিদের ছেলে।

    বুড়িচং থানার এসআই মো. জয়নাল আবেদীনের নেতৃত্বে সঙ্গীয় ফোর্স অভিযান পরিচালনা করে তাকে আটক করে। পুলিশ জানায়, বিশেষ ক্ষমতা আইনে দায়ের করা মামলার ৭ নম্বর আসামি তিনি। দীর্ঘদিন ধরে তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়।

    বুড়িচং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লুৎফুর রহমান বলেন, “বিশেষ ক্ষমতা আইনের একটি মামলার পলাতক আসামি ছাব্বিরকে আজ সকালে আটক করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হবে। এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং সন্ত্রাসী ও কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে।”

    পুলিশ জানায়, আটক ছাব্বিরকে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি কিশোর গ্যাংসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িতদের বিরুদ্ধে বুড়িচং থানা পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

  • যশোরে তালাকপ্রাপ্ত স্ত্রীর জমি ও ৩ কন্যাসন্তান কেড়ে নেওয়ার ষড়যন্ত্র শাশা থানায় লিখিত অভিযোগ

    যশোর প্রতিনিধি: যশোরের শার্শা থানায় সাবেক স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে জমি জোরপূর্বক লিখে নেওয়া এবং প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ এনে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন সাকিলা খাতুন (৩০) নামের এক অসহায় নারী।গতকাল ১১ই জুন শার্শা থানায় হাজির হয়ে তিনি এই লিখিত অভিযোগ পেশ করেন।

    অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, যশোর কোতোয়ালী থানার বড় বাজার এলাকার জমির হোসেনের কন্যা সাকিলা খাতুনের সাথে শার্শা থানার শ্যামলাগাছী গ্রামের নজরুল ইসলামের ছেলে মোঃ নাজমুল ইসলামের (৪৫) বিয়ে হয়েছিল।প্রায় ১৫ বছর সংসার জীবনে তাদের তিনটি কন্যাসন্তান রয়েছে। দীর্ঘদিনের পারিবারিক কলহের জেরে সাকিলা খাতুনকে তার স্বামী নাজমুল ইসলামকে (তালাক) প্রদান করেন।
    ভুক্তভোগী সাকিলা খাতুন জানান, সংসার করাকালীন সময়ে তার স্বামী তাকে ৩১ শতক জমি লিখে দিয়েছিলেন।

    ডিভোর্সের পর ৩ কন্যাসন্তানের ভরণপোষণ ও ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে তিনি ওই ৩১ শতক জমির মধ্য থেকে ২১ শতক জমি অন্যত্র বিক্রয় করতে বাধ্য হন। কিন্তু জমি বিক্রির পর থেকেই বিবাদী নাজমুল ইসলাম, তার মা ফরিদা খাতুন (৫৫) এবং পিতা নজরুল ইসলাম (৬৬) বিভিন্নভাবে সাকিলাকে হুমকি-ধামকি দিতে শুরু করে।

    অভিযোগে সাকিলা খাতুন আরও উল্লেখ করেন যে, বিবাদীরা এলাকায় প্রভাবশালী ও মাদক ব্যবসায়ী হওয়ার কারণে স্থানীয় কেউ তাদের বিরুদ্ধে কথা বলতে সাহস পায় না। বর্তমানে বাকি থাকা ১০ শতক জমিও বিবাদীরা যোগসাজশ করে জোরপূর্বক লিখে নেওয়ার জন্য বিভিন্ন পাঁয়তারা ও ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে।এমতাবস্থায় নিজের নিরাপত্তা এবং ৩ কন্যাসন্তানের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে নিরুপায় হয়ে শার্শা থানায় এই আইনি সহায়তার আবেদন জানিয়েছেন ভুক্তভোগী নারী।

    অভিযোগপত্রে উল্লিখিত জমির বিবরণ অনুযায়ী, শ্যামলাগাছী মৌজার ২০০২ নং আর.এস দাগে ০৫ শতক এবং ২০১৪ নং দাগে ০৫ শতকসহ সর্বমোট ১০ শতক জমি অবশিষ্ট রয়েছে, যা দখল বা লিখে নেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে।

    ভুক্তভোগী সাকিলা খাতুন প্রশাসনের নিকট এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি জানিয়েছেন।