Blog

  • আশুলিয়ায় জুয়ার বিস্তার: অপরাধ বাড়ছে, নীরবতায় প্রশ্নবিদ্ধ ভূমিকা

    আশুলিয়ায় জুয়ার বিস্তার: অপরাধ বাড়ছে, নীরবতায় প্রশ্নবিদ্ধ ভূমিকা

    আশুলিয়া প্রতিনিধি:
    ঢাকার আশুলিয়া এলাকায় জুয়ার আসরকে কেন্দ্র করে বাড়ছে চুরি, ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড, এমনটাই অভিযোগ স্থানীয়দের। দীর্ঘদিন ধরে চলা এসব কর্মকাণ্ডে জননিরাপত্তা নিয়ে দেখা দিয়েছে উদ্বেগ, আর একইসঙ্গে প্রশ্ন উঠছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ভূমিকা নিয়েও।

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বগাবাড়ি বাজার এলাকার শাজাহানের একটি বহুতল ভবনে নিয়মিত বসছে একটি বড় জুয়ার আসর। অভিযোগ রয়েছে, মেহেদী ও কাজল নামের দুই ব্যক্তি এই আসর পরিচালনা করছেন।
    এলাকাবাসীর ভাষ্য, প্রভাবশালী পরিচয় ব্যবহার করে নির্বিঘ্নে এ কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন সংশ্লিষ্টরা।

    আরও অভিযোগ রয়েছে, প্রতিদিন এই আসরে বিপুল পরিমাণ টাকার লেনদেন হয়। এর প্রভাব পড়ছে আশেপাশের এলাকায়—বাড়ছে চুরি, ছিনতাইসহ নানা অপরাধ। স্থানীয়দের দাবি, জুয়ার সঙ্গে জড়িত একটি চক্রই এসব অপরাধে সক্রিয় ভূমিকা রাখছে।

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক বাসিন্দা জানান, রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে অপরিচিত লোকজনের আনাগোনা বেড়ে যায়। এরপরই আশেপাশে চুরি-ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে। আমরা আতঙ্কে থাকি, কিন্তু ভয়ে মুখ খুলতে পারি না।

    এদিকে, দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ থাকলেও দৃশ্যমান কোনো অভিযান বা ব্যবস্থা না নেওয়ায় পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। সচেতন মহল বলছে, এ ধরনের অবৈধ কর্মকাণ্ড চলতে থাকলে তা কেবল অপরাধ বাড়াবে না, সামাজিক স্থিতিশীলতাকেও ঝুঁকির মুখে ফেলবে।

    বিশেষজ্ঞদের মতে, সহজে অর্থ উপার্জনের লোভে তরুণদের একটি অংশ জুয়ার মতো অবৈধ পথে ঝুঁকে পড়ছে, যা দীর্ঘমেয়াদে সমাজের জন্য মারাত্মক হুমকি হয়ে উঠতে পারে।

    এ অবস্থায় দ্রুত তদন্ত ও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী। তাদের মতে, জুয়ার আসর বন্ধ করে দায়ীদের আইনের আওতায় আনা গেলে অপরাধ পরিস্থিতির উন্নতি সম্ভব এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তি ফিরে আসবে।

  • সাভার-আশুলিয়ায় ডিবির অভিযানে ইয়াবা-হেরোইনসহ ৭ মাদক কারবারি গ্রেফতার

    সাভার-আশুলিয়ায় ডিবির অভিযানে ইয়াবা-হেরোইনসহ ৭ মাদক কারবারি গ্রেফতার

    আলমাস হোসাইন , ঢাকা প্রতিনিধি

    সাভার ও আশুলিয়া এলাকায় জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) উত্তর-এর ধারাবাহিক বিশেষ অভিযানে ইয়াবা ও হেরোইনসহ ৭ জন মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। পৃথক তিনটি অভিযানে এসব মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়।

    ডিবি সূত্র জানায়, শনিবার (১৮ এপ্রিল) দিনব্যাপী ও রাতের বিভিন্ন সময়ে সাভার ও আশুলিয়ার একাধিক স্থানে অভিযান চালানো হয়। এসব অভিযানে মোট ১৭০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট এবং ৭০০ পুরিয়া হেরোইন (প্রায় ৭০ গ্রাম) জব্দ করা হয়।

    প্রথম অভিযানে বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে সাভারের বক্তারপুর বেদেপল্লী এলাকা থেকে মো. শাহীন (২৬) নামে এক মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে ১০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়, যার আনুমানিক মূল্য প্রায় ৩০ হাজার টাকা।

    দ্বিতীয় অভিযানে রাতের দিকে সাভার মডেল থানার আক্রান এলাকায় অভিযান চালিয়ে মো. আলীম মোল্লা (৩৮) ও মো. আকাশ (২০) নামে দুইজনকে আটক করা হয়। তাদের কাছ থেকে ৭০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট জব্দ করা হয়, যার আনুমানিক বাজারমূল্য ২১ হাজার টাকা।

    এদিকে, রাত সাড়ে ১০টার দিকে আশুলিয়ার জামগড়া কাঠালতলা এলাকায় তৃতীয় অভিযান চালিয়ে আরও চারজনকে গ্রেফতার করে ডিবি। তারা হলেন— মো. জসিম তালুকদার (৩৮), মো. রেজাউল করিম (২৪), আকবর হোসেন (৩২) ও নাজমুল হক (২৫)। এ সময় তাদের কাছ থেকে ৭০০ পুরিয়া হেরোইন উদ্ধার করা হয়, যার আনুমানিক মূল্য প্রায় ২ লাখ ১০ হাজার টাকা।

    পুলিশ জানায়, গ্রেফতারদের মধ্যে রেজাউল করিমের বিরুদ্ধে আগে একটি মাদক মামলা রয়েছে।
    গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।

    জেলা গোয়েন্দা পুলিশ জানিয়েছে, মাদক নির্মূলে এ ধরনের অভিযান চলমান থাকবে এবং অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • আশুলিয়ায় আইনজীবীদের নতুন সংগঠনের আত্মপ্রকাশ

    আশুলিয়ায় আইনজীবীদের নতুন সংগঠনের আত্মপ্রকাশ

    আলমাস হোসাইন | ঢাকা প্রতিনিধি
    আশুলিয়ায় কর্মরত আইনজীবীদের মধ্যে পারস্পরিক সম্প্রীতি, সহযোগিতা ও পেশাগত ঐক্য জোরদারের লক্ষ্য নিয়ে আত্মপ্রকাশ করেছে নতুন সংগঠন আশুলিয়া ল’ ইয়ার্স এসোসিয়েশন।

    যেথায় থাকুক—যে যেখানে, বাঁধন আছে প্রাণে প্রাণে, এই স্লোগানকে সামনে রেখে ঈদ পুনর্মিলনী ও বৈশাখী উৎসবের আনন্দঘন আয়োজনের মধ্য দিয়ে শনিবার (১৮ এপ্রিল) সংগঠনটির যাত্রা শুরু হয়।

    পল্লী বিদ্যুৎ এলাকার একটি রেস্টুরেন্টে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে আশুলিয়া অঞ্চলের বিভিন্ন স্তরের আইনজীবীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেন। দুপুর গড়াতেই অনুষ্ঠানস্থল পরিণত হয় এক প্রাণবন্ত মিলনমেলায়, যেখানে পেশাগত পরিচয়ের বাইরেও উঠে আসে সৌহার্দ্য, বন্ধুত্ব ও সহমর্মিতার বন্ধন।

    পুরো আয়োজন জুড়ে ছিল উচ্ছ্বাস, আন্তরিকতা এবং একতার বার্তা। বৈশাখী আবহে আয়োজন পায় উৎসবের রঙ, যা উপস্থিত সকলকে একসাথে উদযাপনের অনুভূতিতে আবদ্ধ করে।

    এদিন আনুষ্ঠানিকভাবে ৭ সদস্যবিশিষ্ট একটি কার্যনির্বাহী কমিটি ঘোষণা করা হয়। এতে সভাপতি নির্বাচিত হন অ্যাডভোকেট মাজহারুল আনোয়ার (টিটু) এবং সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মো. মঞ্জুর আলী।

    কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন—সিনিয়র সহ-সভাপতি রফিকুল ইসলাম সিহাব, সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট মো. ইলিয়াস হোসেন, সহ-সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মো. আখতারুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মো. সহিদুল ইসলাম এবং কোষাধ্যক্ষ অ্যাডভোকেট আব্দুর রহিম।

    নবগঠিত কমিটির নেতারা তাদের বক্তব্যে বলেন, আশুলিয়ায় আইনজীবীদের একটি সমন্বিত প্ল্যাটফর্মের প্রয়োজনীয়তা দীর্ঘদিন ধরেই অনুভূত হচ্ছিল। সেই চাহিদা থেকেই এ সংগঠনের আত্মপ্রকাশ। তারা আশা প্রকাশ করেন, এই সংগঠন পেশাগত উন্নয়ন, আইনি সহায়তা প্রদান এবং সামাজিক দায়িত্ব পালনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

    অনুষ্ঠানে উপস্থিত অন্যান্য আইনজীবীরাও নতুন এই উদ্যোগকে স্বাগত জানান। তারা বলেন, ব্যক্তিগত ও পেশাগত জীবনে একে অপরের পাশে দাঁড়ানো, অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং নতুন প্রজন্মের আইনজীবীদের সহায়তা করাই হবে সংগঠনের অন্যতম লক্ষ্য।

    আয়োজনের সাংস্কৃতিক পর্বে শিল্পী নিঝুম সরকারের সঙ্গীত পরিবেশনা উপস্থিত সবাইকে মুগ্ধ করে। তার পরিবেশিত গানগুলো মুহূর্তেই অনুষ্ঠানে অন্যরকম আবহ তৈরি করে, যেখানে অংশগ্রহণকারীরা একসাথে গানে গানে মেতে ওঠেন। এতে করে আনুষ্ঠানিকতার পাশাপাশি তৈরি হয় প্রাণখোলা আনন্দের পরিবেশ।

    অনুষ্ঠানের শেষাংশে সকলের অংশগ্রহণে একাত্মতার বার্তা তুলে ধরা হয়। বক্তারা বলেন, আইনজীবীরা সমাজের গুরুত্বপূর্ণ অংশ—তাই তাদের মধ্যে ঐক্য ও সহযোগিতা থাকলে তা সমাজের ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

    সব মিলিয়ে, উৎসবমুখর পরিবেশে শুরু হওয়া আশুলিয়া ল’ ইয়ার্স এসোসিয়েশন-এর পথচলা ভবিষ্যতে আশুলিয়ার আইন অঙ্গনে ইতিবাচক পরিবর্তন আনবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন সংশ্লিষ্টরা।

  • চাঁদাবাজদের গ্রেফতারের দাবিতে আশুলিয়ায় গার্মেন্টস শ্রমিকদের বিক্ষোভ ও মানববন্ধন

    চাঁদাবাজদের গ্রেফতারের দাবিতে আশুলিয়ায় গার্মেন্টস শ্রমিকদের বিক্ষোভ ও মানববন্ধন

    আলমাস হোসাইন | স্টাফ রিপোর্টার
    ঢাকার আশুলিয়ার বগাবাড়ী বাজারে জাতীয় গার্মেন্টস শ্রমিক ইউনিটির কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুরের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন করেছেন বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠনটির নেতাকর্মী ও শ্রমিকরা।

    বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) বিকেল সাড়ে ৫টায় বগাবাড়ী বাজারস্থ ফেডারেশন অফিসের সামনে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

    এতে সভাপতিত্ব করেন জাতীয় গার্মেন্টস শ্রমিক ইউনিটির কেন্দ্রীয় সভাপতি ফরিদুল ইসলাম। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন আশুলিয়া থানা কমিটির সভাপতি নাজমুল হক। সংহতি বক্তব্য দেন শ্রমিক নেতা অরবিন্দু বেপারী বিন্দু, মনসুর আলী,মাসুদ রানা সুলতান প্রমুখ।

    বক্তারা অভিযোগ করেন, গত ১৫ এপ্রিল সন্ধ্যা ৭টার দিকে স্থানীয় মাদক কারবারি মামুন ও তার সহযোগীরা শ্রমিক ইউনিটির কার্যালয়ে এসে হামলা ও ভাঙচুর চালায়। এ সময় আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়।

    তাদের দাবি, বেশ কিছুদিন ধরে ওই চক্রটি সংগঠনের কাছে চাঁদা দাবি করে আসছিল। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানানোয় এই হামলার ঘটনা ঘটানো হয়েছে।

    বক্তারা আরও বলেন, হামলাকারীরা হুমকি দিয়ে বলেছে, চাঁদা না দিলে সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি ফরিদুল ইসলাম ও থানা কমিটির সভাপতি নাজমুল হককে যেখানে পাওয়া যাবে, সেখানেই গুম করা হবে। এমন হুমকিতে শ্রমিকদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।

    সমাবেশ থেকে দ্রুত সময়ের মধ্যে জড়িতদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানানো হয়। একই সঙ্গে শ্রমিক সংগঠনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানান বক্তারা।

  • আশুলিয়ায় শ্রমিক সংগঠনের অফিসে হামলা, চাঁদা না পেয়ে নগদ টাকা লুটের অভিযোগ

    আশুলিয়ায় শ্রমিক সংগঠনের অফিসে হামলা, চাঁদা না পেয়ে নগদ টাকা লুটের অভিযোগ

    আশুলিয়া প্রতিনিধি:
    ঢাকার আশুলিয়ায় একটি শ্রমিক সংগঠনের অফিসে হামলা, ভাঙচুর ও নগদ টাকা লুটের অভিযোগ উঠেছে। চাঁদা না দেওয়ায় এ হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে দাবি ভুক্তভোগীদের।

    অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, আশুলিয়ার বাইপাইল বগাবাড়ী এলাকার সমির সুপার মার্কেটে অবস্থিত জাতীয় গার্মেন্টস শ্রমিক ইউনিটি ও বাংলাদেশ প্রগতিশীল গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশনের কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় সংগঠনের কর্মী দুলালী আক্তার ও আশুলিয়া থানা কমিটির সভাপতি নাজমুল হক আশুলিয়া থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

    অভিযোগে বলা হয়, মামুন মন্ডল (৪৫) ও আব্দুস সালাম (৩৫)সহ অজ্ঞাতনামা আরও ৫-৬ জন দীর্ঘদিন ধরে সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি ফরিদুল ইসলাম ফরিদের কাছে ২ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে আসছিল। চাঁদা না দেওয়ায় তারা ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে।

    ভুক্তভোগীদের দাবি, বুধবার (১৫এপ্রিল) সন্ধ্যা আনুমানিক ৭টার দিকে অভিযুক্তরা দেশীয় অস্ত্রসহ সংঘবদ্ধভাবে অফিসে প্রবেশ করে। তারা দুলালী আক্তারের সঙ্গে অসদাচরণ করে এবং অফিসের গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র তছনছ করে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গেলে নাজমুল হকের ওপরও হামলা চালানো হয়। এ সময় তার কাছ থেকে নগদ ৭০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেওয়া হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
    এছাড়া, চাঁদার টাকা না দিলে প্রাণনাশের হুমকিও দেওয়া হয়েছে বলে জানান ভুক্তভোগীরা।

    দুলালী আক্তার বলেন,দীর্ঘদিন ধরে তারা আমাদের ওপর চাপ সৃষ্টি করছিল। চাঁদা না দেওয়ায় অফিসে হামলা চালানো হয়েছে।

    নাজমুল হক বলেন,অফিসে হামলার খবর পেয়ে গেলে আমাকে মারধর করা হয় এবং আমার কাছে থাকা ৭০ হাজার টাকা নিয়ে যায়।

    কেন্দ্রীয় সভাপতি ফরিদুল ইসলাম ফরিদ বলেন, কিছুদিন ধরে মামুন নামের ওই ব্যক্তি আমার কাছে ২ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করছিল। চাঁদা না দেওয়ায় অফিসে হামলা চালানো হয়েছে বলে জানতে পেরেছি।

    এ বিষয়ে আশুলিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মাসুদ বলেন, লিখিত অভিযোগ গ্রহণ করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    এ ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে। স্থানীয়রা দ্রুত জড়িতদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

  • সাভারের নবীনগরে সেনা শপিং কমপ্লেক্সে শিশুর গলার স্বর্ণের চেইন ছিনতাই

    সাভারের নবীনগরে সেনা শপিং কমপ্লেক্সে শিশুর গলার স্বর্ণের চেইন ছিনতাই

    স্টাফ রিপোর্টার:
    সাভারের নবীনগর সেনা শপিং কমপ্লেক্সে পয়লা বৈশাখের ভিড়ের মধ্যে চার বছর বয়সী এক শিশুর গলা থেকে স্বর্ণের চেইন ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) রাত আনুমানিক ৮টার দিকে কমপ্লেক্সের ২ নম্বর গেটে এ ঘটনা ঘটে।

    ভুক্তভোগী সাংবাদিক আলমাস হোসেন জানান, বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে তিনি কেনাকাটা করতে কমপ্লেক্সে যান। কেনাকাটা শেষে বের হওয়ার সময় হঠাৎ ভিড়ের মধ্যে তার ছোট মেয়ের গলায় থাকা প্রায় ১২ আনা ওজনের স্বর্ণের চেইনটি ছিনিয়ে নেয় দুর্বৃত্তরা।

    তিনি অভিযোগ করে বলেন,মার্কেট বন্ধের সময় শুধুমাত্র ২ নম্বর গেট খোলা রাখা হয় এবং অন্য গেটগুলো বন্ধ থাকায় সেখানে তীব্র ভিড় তৈরি হয়। এই বিশৃঙ্খলার সুযোগেই ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে। বিষয়টি কোনোভাবেই মার্কেট কর্তৃপক্ষ এড়িয়ে যেতে পারে না।

    এ ঘটনায় উপস্থিত অন্য ক্রেতারাও নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তাদের দাবি, শপিং কমপ্লেক্সে নিরাপত্তা জোরদার না থাকায় চুরি, ছিনতাইসহ নানা অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটছে, যা পরিবার নিয়ে কেনাকাটায় উদ্বেগ তৈরি করছে।

    এ বিষয়ে সেনা শপিং কমপ্লেক্সের ইনচার্জ মো. হাসান বলেন,ঘটনার পরপরই সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করা হচ্ছে। জড়িতদের শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    ঘটনার পর এলাকাজুড়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থার দুর্বলতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, উৎসবকেন্দ্রিক ভিড়ের সময় বাড়তি নিরাপত্তা ও সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা জরুরি, যাতে এ ধরনের ঘটনা প্রতিরোধ করা যায়।

  • গলায় মরণব্যাধি টিউমার, তিন সন্তানকে বুকে নিয়ে মৃত্যুর অপেক্ষায় আশুলিয়ার শান্তি।

    গলায় মরণব্যাধি টিউমার, তিন সন্তানকে বুকে নিয়ে মৃত্যুর অপেক্ষায় আশুলিয়ার শান্তি।

    আলমাস হোসাইন | ঢাকা প্রতিনিধি
    গলায় ভয়াবহ টিউমারে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছেন শান্তি খাতুন (৩৫)। যে নারী একসময় স্থানীয় একটি ওয়াশিং কারখানায় কাজ করে তিন সন্তানের মুখে খাবার তুলে দিতেন, আজ তিনি নিজেই একফোঁটা খাবার গিলতে পারছেন না। অসহ্য যন্ত্রণা আর অর্থাভাবে থেমে গেছে তার চিকিৎসা।

    স্বামী মুজা অনেক আগেই তাকে ছেড়ে চলে গেছেন। দুই ছেলে ও এক মেয়েকে নিয়ে এখন সম্পূর্ণ অসহায় অবস্থায় দিন কাটছে তার। ছোট সন্তানগুলো শুধু দেখছে—তাদের মা ধীরে ধীরে নিঃশেষ হয়ে যাচ্ছেন।

    জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলার ফাজিলপুর গ্রামের মেয়ে শান্তি খাতুন স্বামীর সঙ্গে আশুলিয়ায় এসে নতুন জীবনের স্বপ্ন দেখেছিলেন। বর্তমানে তিনি পশ্চিম বাইপাইল এলাকায় একটি টিনসেট বাসায় ভাড়া থাকেন। অসুস্থতার কারণে কাজ বন্ধ, ঘরে নেই কোনো আয়।

    শান্তির ভাই আল-আমীন বলেন,আমরা গরিব মানুষ, যা ছিল সব চিকিৎসায় শেষ। এখন কিছুই নেই। কেউ সাহায্য করলে হয়তো বোনটা বাঁচবে।

    স্থানীয়দের মতে, দ্রুত চিকিৎসা পেলে তার জীবন রক্ষা সম্ভব।

    সমাজের সহানুভূতিশীল মানুষের সহযোগিতাই বাঁচাতে পারে এক মায়ের জীবন এবং তার তিন সন্তানের ভবিষ্যৎ।

  • আশুলিয়ায় বিদেশি পিস্তল ও গুলিসহ সন্ত্রাসী আটক

    আশুলিয়ায় বিদেশি পিস্তল ও গুলিসহ সন্ত্রাসী আটক

    আলমাস হোসেন | স্টাফ রিপোর্টার
    ঢাকার আশুলিয়ায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে একটি বিদেশি পিস্তল ও পাঁচ রাউন্ড গুলিসহ রুবেল (৩৫) নামে এক সন্ত্রাসীকে আটক করেছে পুলিশ।

    শুক্রবার (১০ এপ্রিল) বিকেলে আশুলিয়ার জামগড়ার ছয়তলা নামক এলাকার একটি গার্মেন্টস কারখানার ৩ নম্বর গেট সংলগ্ন স্থান থেকে তাকে আটক করা হয়।

    আটক রুবেল বরিশাল জেলার উজিরপুর উপজেলার ওটরা গ্রামের ইউসুফের ছেলে। সে চিহ্নিত সন্ত্রাসী বলে জানিয়েছে পুলিশ।

    পুলিশ সূত্রে জানা যায়, এলাকায় অস্ত্রসহ এক সন্ত্রাসীর অবস্থানের খবর পেয়ে আশুলিয়া থানা পুলিশের একটি দল সেখানে অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানের সময় রুবেলের কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল ও পাঁচ রাউন্ড তাজা গুলি উদ্ধার করা হয়। পরে তাকে আটক করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।

    আশুলিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আবু তালেব জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক ব্যক্তি নিজেকে একটি সংঘবদ্ধ অপরাধচক্রের সদস্য বলে স্বীকার করেছে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে অপহরণ, চাঁদাবাজি ও অন্যান্য অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত বলে তথ্য পাওয়া গেছে।

    পুলিশ আরও জানায়, আটক রুবেলের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। একই সঙ্গে তার সঙ্গে জড়িত অন্যান্য সহযোগীদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

    স্থানীয়দের মধ্যে এ ঘটনায় স্বস্তি ফিরে এসেছে। তারা বলছেন, এমন অভিযান নিয়মিত পরিচালনা করা হলে এলাকায় অপরাধ প্রবণতা কমে আসবে।

    আশুলিয়া থানা পুলিশ জানিয়েছে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান জোরদার করা হবে।

  • দ্বিতীয়বারের মতো ঢাকা জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচিত আশুলিয়া থানার রুবেল হাওলাদার

    দ্বিতীয়বারের মতো ঢাকা জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচিত আশুলিয়া থানার রুবেল হাওলাদার

    আলমাস হোসাইন | ঢাকা প্রতিনিধি
    আবারও ঢাকা জেলার শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ রুবেল হাওলাদার, পিপিএম। টানা সাফল্য, দক্ষ নেতৃত্ব ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে তিনি এ সম্মাননা অর্জন করেন।
    মঙ্গলবার (০৭ এপ্রিল) দুপুরে ঢাকা জেলার ঐতিহ্যবাহী মিল ব্যারাক পুলিশ লাইন্সের কনফারেন্স রুমে অনুষ্ঠিত মাসিক কল্যাণ, প্রশাসনিক ও অপরাধ পর্যালোচনা সভায় তার হাতে ক্রেস্ট ও সনদপত্র তুলে দেন ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার মোঃ মিজানুর রহমান।
    জানা গেছে, ২০২৫ সালের ৭ ডিসেম্বর আশুলিয়া থানার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে ওসি রুবেল হাওলাদারের নেতৃত্বে থানার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন, অপরাধ দমন, অপরাধীদের গ্রেফতার, মামলা গ্রহণ ও জনসেবামূলক কার্যক্রমে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি সাধিত হয়েছে। তার পেশাদারিত্ব, দায়িত্বশীলতা ও কার্যকর পদক্ষেপের কারণে তাকে ঢাকা জেলা পুলিশের শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ হিসেবে নির্বাচিত করা হয়েছে।
    এ সম্মাননা অর্জনের পর আশুলিয়াবাসীর প্রশংসায় ভাসছেন এই পুলিশ কর্মকর্তা। স্থানীয়দের মতে, তার নেতৃত্বে আশুলিয়া থানায় জনসেবার মান বৃদ্ধি পেয়েছে এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে নিরাপত্তাবোধ আরও জোরদার হয়েছে।
    প্রতিক্রিয়ায় ওসি মোঃ রুবেল হাওলাদার বলেন, “ঢাকা জেলা পুলিশের অভিভাবক জনাব মোঃ মিজানুর রহমান স্যারের নেতৃত্বে আশুলিয়া থানার সকল অফিসার ও ফোর্স নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। আশুলিয়াবাসীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য। আমরা আশুলিয়াকে একটি নিরাপদ, শান্তিপূর্ণ ও অপরাধমুক্ত এলাকা হিসেবে গড়ে তুলতে বদ্ধপরিকর।
    উল্লেখ্য, এর আগে চলতি বছরের ১৯ জানুয়ারিও তিনি প্রথমবারের মতো ঢাকা জেলার শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হিসেবে নির্বাচিত হয়েছিলেন। এবার দ্বিতীয়বারের মতো একই সম্মান অর্জন করে তিনি নতুন এক দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন।

  • বিসিবি নির্বাচন ঘিরে অভিযোগের তদন্ত প্রতিবেদন জমা পড়েছে- যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক

    বিসিবি নির্বাচন ঘিরে অভিযোগের তদন্ত প্রতিবেদন জমা পড়েছে- যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক

    আলমাস হোসাইন | ঢাকা প্রতিনিধি
    সাভারে বিকেএসপি পরিদর্শনে গিয়ে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক জানিয়েছেন, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) নির্বাচন ঘিরে অভিযোগের তদন্ত প্রতিবেদন জমা পড়েছে। এ বিষয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)কে অবহিত করার পরই পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

    দায়িত্ব গ্রহণের পর রোববার (৫এপ্রিল) প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (বিকেএসপি) পরিদর্শনে এসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

    বিকেলে বিকেএসপি ক্যাম্পাসে পৌঁছালে প্রতিমন্ত্রীকে স্বাগত জানান প্রতিষ্ঠানটির মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ সাইফ উল্লাহ।

    পরিদর্শন শেষে প্রতিমন্ত্রী বলেন, তদন্ত কমিটি তাদের প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। পরে তা নিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। তিনি বলেন, তদন্ত প্রতিবেদন আইসিসিকে জানানো হবে। এরপরই আমরা পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেব।

    বিসিবির তদন্তে সাবেক ক্রীড়া উপদেষ্টার অংশ না নেওয়ার বিষয়টি নিয়ে প্রতিমন্ত্রী জানান, এ বিষয়টি প্রতিবেদনে উল্লেখ রয়েছে এবং তা যাচাই-বাছাই করা হয়েছে। আইসিসির সঙ্গে আলোচনার পর বিস্তারিত জানানো হবে।

    এদিকে বিকেএসপিকে ঘিরে সরকারের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার বিষয়ে তিনি বলেন, এখনো দেশের অধিকাংশ পরিবার সন্তানকে খেলাধুলায় এগিয়ে নিতে সাভারের বিকেএসপিকেই প্রধান কেন্দ্র হিসেবে বিবেচনা করে। তবে সরকার চায়, ঢাকার বাইরে বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়ের বিকেএসপিগুলোতেও একই মানের সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে।

    তিনি বলেন, শুধু ঢাকাকেন্দ্রিক নয়, বিভাগীয় শহর ও জেলা পর্যায়ের বিকেএসপিগুলোতেও সাভারের মতো সুযোগ-সুবিধা বাড়ানো হবে। যাতে শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ এলাকাতেই প্রশিক্ষণের সুযোগ পায়।

    প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, নতুন করে স্কুল ফুটবলসহ বিভিন্ন ক্রীড়া কার্যক্রম বিভাগীয় পর্যায়ে বিস্তৃত করা হবে। এতে চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা ও অন্যান্য অঞ্চলের শিক্ষার্থীরা নিজ এলাকায় থেকেই প্রশিক্ষণ ও আবাসনের সুবিধা পাবে। চলতি বছরের শেষ নাগাদ সব বিকেএসপিতে সমমানের সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার লক্ষ্য রয়েছে।

    পরিদর্শনের সময় প্রতিমন্ত্রী বিকেএসপির চলমান প্রশিক্ষণ কার্যক্রম, আবাসন ও অবকাঠামো ঘুরে দেখেন এবং প্রশিক্ষণ পদ্ধতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেন। পরে তিনি জিমনেসিয়ামে প্রশিক্ষণার্থীদের শারীরিক কসরত ও বিকেএসপির অধীনে পরিচালিত ২১টি ক্রীড়া বিভাগের গেম ডিসপ্লে উপভোগ করেন।