Blog

  • কুমিল্লা বুড়িচংয়ে পুলিশ সদস্যকে কুপিয়ে আহত দুই নারী গ্রেপ্তার


    বুড়িচং (কুমিল্লা) প্রতিনিধি:
    কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলায় দায়িত্ব পালনকালে এক পুলিশ সদস্যকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করার ঘটনায় দুই নারীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় চারজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও দুইজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

    গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন উপজেলার রামচন্দ্রপুর গ্রামের ইকবাল হোসেনের স্ত্রী লিজা আক্তার এবং নেয়ামুল কবিরের স্ত্রী শেফালী বেগম।

    পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বুধবার (৩ জুন) রাত ১০টার দিকে বুড়িচং উপজেলার রামচন্দ্রপুর পূর্বপাড়া এলাকায় একটি পারিবারিক বিরোধকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় অভিযোগ এবং জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে ফোন পেয়ে তদন্তে যায় দেবপুর পুলিশ ফাঁড়ির একটি দল।

    পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছালে কয়েকজন ব্যক্তি ধারালো অস্ত্র নিয়ে তাদের ওপর হামলা চালায়। হামলার একপর্যায়ে দেবপুর পুলিশ ফাঁড়িতে কর্মরত কনস্টেবল মো. ফোরকানকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করা হয়।

    পরে সহকর্মীরা তাকে উদ্ধার করে কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে বৃহস্পতিবার সকালে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

    ঘটনার খবর পেয়ে বুড়িচং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লুৎফুর রহমানের নেতৃত্বে অতিরিক্ত পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

    বৃহস্পতিবার দুপুরে ওসি লুৎফুর রহমান জানান, পারিবারিক বিরোধকে কেন্দ্র করে সংঘটিত মারামারির ঘটনায় ৯৯৯-এর কল পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে তাদের ওপর হামলা চালানো হয়। এ ঘটনায় পুলিশের কাজে বাধা প্রদান এবং হত্যাচেষ্টার অভিযোগে চারজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও দুইজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

    তিনি আরও জানান, এ পর্যন্ত দুই নারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার তাদের কুমিল্লার আদালতে পাঠানো হয়েছে। মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

  • খাগড়াছড়িতে দীঘিনালা বেতছড়ি যুব সংঘ ক্লাবকে জার্সি বিতরণ


    খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি:
    খাগড়াছড়ি জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের পক্ষ থেকে বিভিন্ন খেলোয়াড় ও তরুণদের মাঝে জার্সি বিতরণ করেছেন দৈনিক নতুন সময়ের পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি সাংবাদিক মো: মোবারক হোসেন।

    বৃহস্পতিবার ৪ জুন দীঘিনালা উপজেলার ১নং মেরুং ইউনিয়নের বেতছড়ি ৪নং ওয়ার্ডে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে অংশগ্রহণকারীদের হাতে জার্সি তুলে দেন সাংবাদিক মোবারক হোসেন।

    অনুষ্ঠানে উপস্থিত বক্তারা বলেন, খেলাধুলা যুব সমাজকে সুস্থ ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তরুণদের খেলাধুলার প্রতি আরোও আগ্রহী করে তুলতে জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের এ উদ্যোগ প্রশংসনীয়।

    সাংবাদিক মোবারক হোসেন বলেন, ক্রীড়া চর্চা শুধু শারীরিক সুস্থতাই নিশ্চিত করে না, বরং শৃঙ্খলা, ভ্রাতৃত্ববোধ ও নেতৃত্বের গুণাবলী বিকাশেও সহায়তা করে। তিনি তরুণদের নিয়মিত খেলাধুলার পাশাপাশি সমাজের কল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে অংশ গ্রহণের আহ্বান জানান।

    উপকারভোগিরা জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, এমন উদ্যোগ তরুণ সমাজকে খেলাধুলার প্রতি আরও আগ্রহী করে তুলবে। বর্তমান সময়ে যুব সমাজকে মাদকসহ বিভিন্ন সামাজিক অপরাধ থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলার কোনো বিকল্প নেই। নিয়মিত খেলাধুলা শারীরিক ও মানসিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে এবং তরুণদের সুস্থ বিনোদনের সুযোগ সৃষ্টি করে।

    খেলোয়াড়রা জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতৃবৃন্দকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানিয়ে ভবিষ্যতেও ক্রীড়াবান্ধব এমন কার্যক্রম অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।

    জার্সি বিতরণ কালে উপস্তিত ছিলেন, দৈনিক নতুন সময় ও গণকণ্ঠ দীঘিনালা উপজেলা প্রতিনিধি সাংবাদিক লোকমান হোসেনসহ খেলোয়াড় ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

  • বিজয়নগরে ২০ কেজি গাঁজাসহ শীর্ষ মাদক কারবারি গ্রেফতার


    সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার:
    ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে পুলিশি অভিযানে ২০ কেজি গাঁজাসহ মো. বাবু মিয়া নামের এক চিহ্নিত মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার (৪ জুন) ভোররাতে উপজেলার সিঙ্গারবিল ইউনিয়নের কাশিনগর এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

    গ্রেফতারকৃত বাবু মিয়া কাশিনগর এলাকার মৃত আব্দুল আজিজের ছেলে।

    পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মাদকের একটি বড় চালান পাচার হচ্ছে—এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিজয়নগর থানা পুলিশের একটি চৌকস টিম রাত আনুমানিক ২টা ২০ মিনিটে সিঙ্গারবিল ইউনিয়নের কাশিনগর এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানকালে সন্দেহভাজন হিসেবে বাবু মিয়াকে আটক করা হয়। পরে তার হেফাজত থেকে মোট ২০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্য বিধি মোতাবেক জব্দ তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেছে পুলিশ।

    বিজয়নগর থানা পুলিশ জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃত বাবু মিয়া মাদক ব্যবসার সাথে দীর্ঘ দিন ধরে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে। তার বিরুদ্ধে ইতিপূর্বেও বিজয়নগর থানায় আরও একটি মাদক মামলা রয়েছে।

    এ বিষয়ে বিজয়নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতির অংশ হিসেবে এই অভিযান চালানো হয়েছে। গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে নতুন করে একটি মামলা রুজু করা হয়েছে এবং তাকে বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণের প্রক্রিয়া চলছে। মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে পুলিশের এমন অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি জানান।

  • নওগাঁয় পত্নীতলা উপজেলায় জানালা ভেঙে ঘরে ঢুকে মা-মেয়েকে নির্মম মারধর হাসপাতালে ভর্তি


    নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি:
    নওগাঁর পত্নীতলা উপজেলার আমাইড় ইউনিয়নের নান্দাশ গ্রামে গভীর রাতে একদল অজ্ঞাত দুর্বৃত্ত জানালা ভেঙে ঘরে ঢুকে মা ও মেয়েকে নির্মমভাবে মারধর করে গুরুতর আহত করেছে। গতকাল বুধবার (৩ জুন) দিবাগত রাতে এই বর্বরোচিত ঘটনা ঘটে। বর্তমানে আহতরা রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
    স্থানীয় ও ভুক্তভোগী পরিবার সূত্রে জানা গেছে, বুধবার রাতে নান্দাশ গ্রামের বাসিন্দা আফজাল হোসেনের পরিবারের সদস্যরা রাতের খাবার শেষে ঘুমিয়ে পড়েন। গভীর রাতে একদল অজ্ঞাতপরিচয় দুর্বৃত্ত তাদের বাড়ির জানালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে। ঘরে ঢুকেই কিছু বুঝে ওঠার আগেই তারা আফজাল হোসেনের স্ত্রী ও মেয়ের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। দুর্বৃত্তরা লাঠি ও দেশীয় অস্ত্র দিয়ে মা-মেয়েকে এলোপাতাড়ি মারধর করে রক্তাক্ত জখম করে।
    এ সময় ভুক্তভোগীদের চিৎকার ও আর্তনাদ শুনে প্রতিবেশীরা ছুটে আসলে দুর্বৃত্তরা দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয় লোকজন ঘরের ভেতর থেকে রক্তাক্ত ও অচেতন অবস্থায় মা-মেয়েকে উদ্ধার করে দ্রুত রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করেন।
    এই ন্যাক্কারজনক ঘটনার পর থেকে এলাকায় চরম আতঙ্ক ও উত্তেজনা বিরাজ করছে। তবে পূর্ব শত্রুতা নাকি চুরির উদ্দেশ্যে এই হামলা চালানো হয়েছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। স্থানীয় এলাকাবাসী এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে দোষীদের দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

  • আওয়ামী দোসর অথরাইজড অফিসার আল মামুন এর বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ

    স্টাফ রিপোর্টার:

    ঢাকার গোপীবাগ, আর কে মিশন রোড, মানিকনগর, সায়েদাবাদ, যাত্রাবাড়ি, গোলাপবাগ এলাকায় রাজউকের ৬/১ নম্বর জোনে কর্মরত অথরাইজড অফিসার আল-মামুন টাকার বিনিময়ে নিয়ম বহির্ভূত বহুতল ভবন নির্মাণে সহযোগিতা করে আসছে। অত্র এলাকায় নিয়ম বহির্ভূত ভবনগুলোতে নোটিশ, মিটার খুলে নেওয়া, মোবাইল কোর্ট বসিয়ে নিত্যদিন চলছে ঘুষ বাণিজ্য।

    রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক)-এর বেশিরভাগ কর্মকর্তা দুর্নীতির অভিযোগে অভিযুক্ত হয়েও রয়েছে বহাল তবিয়তে। কয়েকজন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুদকে চার্জশিট দিলেও তাদের তেমন একটা বেগ পেতে হয়নি। শাস্তিমূলক বদলি তো দূরের কথা, এই চক্রের টিকিট পর্যন্ত স্পর্শ করতে পারেননি কেউ।

    হাউজিং কোম্পানি ও ডেভেলপারদের স্বেচ্ছাচারিতায় গড়ে উঠছে একের পর এক ইমারত বিধিমালা লঙ্ঘনকারী বহুতল ভবন। অভিযোগ উঠেছে রাজউকের অথরাইজড অফিসার মামুন এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নীরব সহযোগিতা ও আর্থিক লেনদেনের কারণেই এসব অনিয়ম চলছে দিনের আলোয়। অথরাইজড অফিসার আল মামুনের অধীনে ৬/১ জোনে চলছে টাকার বিনিময়ে অনিয়ম ও দুর্নীতি।

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কিছু স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, ভবন নির্মাণের সময় অথরাইজড অফিসার মামুন ও সাইট পরিদর্শকদের বিভিন্ন অজুহাতে আমাদের ঘুষ দিতেই হয়।

    সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, অথরাইজড অফিসার আল-মামুন যখন ৫ নম্বর জোনের দায়িত্বে ছিলেন, তখন মোহাম্মদপুরের বাবর রোড, নুরজাহান রোড, রাজিয়া সুলতানা রোড, সাত মসজিদ হাউজিংসহ বিভিন্ন এলাকায় কোনো সাইটেই নেই রাজউকের অনুমোদিত ডিজাইন, সাইনবোর্ড বা নকশা। অথচ আইনি বাধ্যবাধকতা অনুযায়ী এসব তথ্য সাইটে দৃশ্যমান রাখা বাধ্যতামূলক।

    অনেক জায়গায় দখলকৃত খাল ও খাস জমি ভরাট করে ভবন নির্মাণ চলছে নির্ভয়ে। ডেভেলপারদের অবাধ দৌরাত্ম্য: বিইএমসি ডেভেলপারস, হামদান বিল্ডার্স ও সিমেক্স ডেভেলপারসের একাধিক ভবন রাজউকের নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও নির্মিত হচ্ছে আগের কাঠামোতেই।

    উদাহরণস্বরূপ, বাবর রোডে একটি ১০ তলা ভবন ও নুরজাহান রোডে বিইএমসি-এর একটি ৬ ও ১০ তলা ভবন নকশা ডেভিয়েশনে নির্মিত হয়েছে। যদিও রাজউক নোটিশ দিয়ে উচ্ছেদ অভিযান চালায়, পরে তা থেমে যায় অজ্ঞাত কারণে।

    অবৈধ দখল ও রাজনৈতিক প্রভাব: সাত মসজিদ হাউজিংয়ের ২ নম্বর রোডে স্থানীয় এক আওয়ামী লীগ নেতা সরকারি খালের ওপর ৬ তলা ভবন নির্মাণ করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অন্যদিকে, সাবেক ডিবি প্রধান হারুনের আত্মীয় পরিচয়দানকারী এক প্রভাবশালী ব্যক্তি নবীনগর হাউজিংয়ের ১১ নম্বর রোডে দেড় কাঠা জমিতে নির্মাণ করেছেন ৭ তলা ভবন।

    এই বিষয়ে জানতে চাইলে রাজউক জোন ৬/১–এর অথরাইজড অফিসার মামুন বলেন, “বেড়িবাঁধের বাইরের হাউজিংগুলোতে আমাদের কার্যক্রম এখনো পূর্ণমাত্রায় শুরু হয়নি, ফলে এসব অনিয়মে কাজ করতে কিছু অসুবিধা হচ্ছে। আমরা মাঝে মাঝে ইমারত পরিদর্শকদের দায়িত্ব দিই।”

    উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের প্রতিক্রিয়া: এ বিষয়ে রাজউক জোন ৬/১–এর পরিচালক হামিদুল ইসলাম বলেন, “এমন কোনো লিখিত অভিযোগ এখনো পাইনি। তবে বিষয়টি তদন্ত করে দেখব এবং অভিযোগ প্রমাণিত হলে উপযুক্ত শাস্তির ব্যবস্থা নেব।”

    জনমনে প্রশ্ন: স্থানীয়রা বলছেন, রাজউকের কর্মকর্তাদের নীরব ভূমিকা ও মাসোহারার বদলে চোখ বন্ধ করে থাকা ভবিষ্যতে এই জনবসতিপূর্ণ এলাকায় বড় ধরনের বিপর্যয়ের ঝুঁকি তৈরি করছে। অপরিকল্পিত নির্মাণের কারণে দুর্ঘটনা, জলাবদ্ধতা এবং নাগরিক দুর্ভোগ বাড়ছে।

    জানা যায়, আওয়ামী লীগের আমলেও দাপটের সঙ্গে দুর্নীতি করেছেন এই দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা আল মামুন। আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পরেও রয়ে গেছে তার দাপট।

    নড়াইল জেলার কালিয়া উপজেলার বড়নাল গ্রামের আওয়ামী পরিবারের সন্তান এই মামুন। নড়াইল-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য কবিরুল হক মুক্তির ডান হাত বলে খ্যাত এই মামুন। হাসিনা সরকার পালিয়ে যাওয়ার পর বল পাল্টে রাতারাতি বিএনপি বলে পরিচয় দেওয়ার চেষ্টা করছে এই জনদুর্ভোগ সৃষ্টিকারী কর্মকর্তা মামুন।

  • ঝালকাঠিতে ধর্ষণ প্রতিরোধে সচেতনতামূলক বিষয়ক সভা অনুষ্ঠিত


    ঝালকাঠি প্রতিনিধি
    ধর্ষণের মতো জঘন্য সামাজিক ব্যাধি প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং সম্মিলিত সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে ঝালকাঠিতে অনুষ্ঠিত হয়েছে সচেতনতামূলক সভা।

    “ধর্ষণে ভুক্তভোগীর পাশে দাঁড়াই, অপরাধীকে বয়কট করি। ধর্ষণ একটি জঘন্য অপরাধ, এর সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড। আমি প্রতিবাদী, আমি সচেতন, আমি চুপ থাকব না”—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বুধবার (৪ জুন) দুপুর ১২টায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে সভার আয়োজন করে জেলা প্রশাসন।

    ঝালকাঠি জেলা প্রশাসক মো. মমিন উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. কাওছার হোসেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. সাইফুল ইসলাম, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. তৌহিদুল ইসলাম, উপজেলা নির্বাহী অফিসার সেগুফতা মেহনাজ, মেডিকেল অফিসার ডা. সিয়াম আহমেদ, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উপ-পরিচালক মো. আলম হোসেন, জেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা দিলারা জামান, জেলা তথ্য অফিসার লেলিন বালা, রিপোটার্স ক্লাবের সভাপতি অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান মুবিন, সাধারণ সম্পাদক রিয়াজুল ইসলাম বাচ্চু, সাংবাদিক মানিক রায়, জেলা মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. সাকিনা আলম লিজাসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা।

    বক্তারা বলেন, ধর্ষণ শুধু একটি ফৌজদারি অপরাধ নয়; এটি মানবতা, নৈতিকতা ও সামাজিক মূল্যবোধের বিরুদ্ধে নৃশংস আঘাত। এ ধরনের অপরাধ প্রতিরোধে পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় ও সামাজিক সংগঠন, গণমাধ্যম এবং প্রশাসনকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। পাশাপাশি ভুক্তভোগীদের প্রতি সহমর্মিতা প্রদর্শন এবং অপরাধীদের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

    সভায় নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, কিশোর-কিশোরীদের নৈতিক ও মানবিক শিক্ষা, পারিবারিক মূল্যবোধের চর্চা, সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি এবং আইনের কঠোর প্রয়োগের মাধ্যমে ধর্ষণসহ নারী নির্যাতন প্রতিরোধের বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

    আলোচকরা বলেন, ধর্ষণমুক্ত ও নিরাপদ সমাজ গঠনে শুধু আইন প্রয়োগই যথেষ্ট নয়; প্রয়োজন সামাজিক আন্দোলন, সচেতন নাগরিক ভূমিকা এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে সম্মিলিত প্রতিবাদ। এ লক্ষ্যে সমাজের সকল স্তরের মানুষকে আরও সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

  • অষ্টগ্রামে দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর রহমতের বৃষ্টি স্বস্তি ফিরেছে জনজীবনে ‎


    ‎মোঃ আল-আমিন, বিশেষ প্রতিনিধি:
    ‎দীর্ঘ কয়েকদিনের তীব্র গরম ও ভ্যাপসা আবহাওয়ার পর অবশেষে কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রাম উপজেলায় নেমেছে কাঙ্ক্ষিত বৃষ্টি। বৃহস্পতিবার (৪ জুন) দুপুর প্রায় ১২টার দিকে আকাশ মেঘাচ্ছন্ন হয়ে বৃষ্টি শুরু হলে স্বস্তি ফিরে আসে জনজীবনে। বৃষ্টির পরপরই উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় আনন্দ ও স্বস্তির অনুভূতি ছড়িয়ে পড়ে।

    ‎স্থানীয়দের মতে, গত ২৮ মে পবিত্র ঈদুল আজহার দিন বৃষ্টিপাতের পর আর কোনো উল্লেখযোগ্য বৃষ্টি হয়নি। এরপর থেকেই প্রচণ্ড রোদ, তাপদাহ এবং ভ্যাপসা গরমে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েন সাধারণ মানুষ। শিশু, কিশোর-কিশোরী, নারী-পুরুষ এবং বিশেষ করে বয়স্করা চরম দুর্ভোগের মধ্যে দিন কাটাচ্ছিলেন।

    ‎দীর্ঘ সময় ধরে বৃষ্টির দেখা না মেলায় কৃষকসহ সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ বাড়তে থাকে। অনেকেই আল্লাহর দরবারে বৃষ্টির জন্য প্রার্থনা করছিলেন। অবশেষে বৃহস্পতিবার দুপুরে বৃষ্টি নামলে মানুষের মুখে ফিরে আসে হাসি।

    ‎বৃষ্টিতে শিশু-কিশোরদের উচ্ছ্বাস ছিল চোখে পড়ার মতো। অনেককে বৃষ্টিতে ভিজে আনন্দ করতে দেখা যায়। অন্যদিকে বয়স্করাও স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেন। স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, আল্লাহ আমাদের প্রার্থনা কবুল করেছেন। এই প্রচণ্ড গরমের মধ্যে তিনি আমাদের ওপর রহমতের বৃষ্টি বর্ষণ করেছেন। এজন্য আমরা মহান আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করছি।

    ‎স্থানীয়দের আশা, এই বৃষ্টির ফলে আবহাওয়া কিছুটা সহনীয় হবে এবং জনজীবনে স্বস্তি ফিরে আসবে।

  • কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রামে অবস্থিত ঐতিহাসিক কুতুব শাহী মসজিদ

    অষ্টগ্রাম উপজেলা প্রতিনিধি:
    কিশোরগঞ্জ জেলার অষ্টগ্রাম থানার সদর ইউনিয়নে অবস্থিত পাঁচ গম্বুজ বিশিষ্ট কতুব শাহী মসজিদ। বাংলা সুলতানিয় ও মোগল স্থাপনায় নির্মিত মসজিদ টির নির্মাণ কাল নিয়ে এলাকার লোকজনদের মাঝে বিরত লক্ষ্য করা যায়। কেউ কেউ এটাকে ১৬০০ শতাব্দীর নির্মিত বলে মনে করেন। অধিকাংশ ঐতিহাসিকগণ এটাকে ১৭০০ শতাব্দীর নির্মিত বলে মনে করেন।

    নির্মাণে ব্যবহৃত হয়েছে পোড়ামাটির ইট, চুন-সুরকি ও পাথর। দেয়ালগুলো অত্যন্ত পুরু ও দৃঢ়, যা সুলতানি আমলের স্থাপত্যের পরিচয় বহন করে।ভিতরে রয়েছে সুন্দরভাবে অলঙ্কৃত মিহরাব।

    বাহিরের দেয়ালে এখনো কিছু পোড়ামাটির কারুকাজ টিকে আছে। এই মসজিদটির সুলতানি ও মোঘল পরিলক্ষিত হয় মসজিদের পাশেই রয়েছে বিখ্যাত দরবেশ হযরত শাহ কুতুব (রা.) এর মাজার শরীফ।

    কুতুব শাহ্ এর নাম অনুসারে এই মসজিদটির নামকরণ করা হয় কুতুব শাহী মসজিদ। ১৯০৯ ইং সালে বাংলাদেশ সরকার মসজিদটিকে সংরক্ষিত পুরাকৃত্তি হিসেবে ঘোষণা করেন।

    স্থানীয় মুসল্লিরা এখনো এই মসজিদে প্রতিদিন নামাজ আদায় করেন পাশাপাশি দূর-দূরান্ত থেকে ইতিহাসপ্রেমী মানুষ ও পর্যটকেরা মসজিদ টিকে দেখতে আসেন। যদিও সময়ের সাথে সাথে কিছু অংশ ক্ষয়ে গেছে, তবুও এটি প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে রয়েছে।

    ইতিহাসবিদ ও প্রত্নতত্ত্ব বিশেষজ্ঞদের মতে, যথাযথ সংরক্ষণ ব্যবস্থা না নিলে সময়ের সাথে সাথে এই অমূল্য স্থাপত্য হারিয়ে যেতে পারে। নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ ও পর্যটন সুবিধা বাড়ানো গেলে কুতুব শাহী মসজিদ শুধু ধর্মীয় নয়, একটি ঐতিহাসিক পর্যটন কেন্দ্র হিসেবেও বিশেষ ভূমিকা রাখতে পারবে।

    বাংলার ইতিহাস ও স্থাপত্য ঐতিহ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হলো কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রামে কুতুব শাহী মসজিদ। প্রাচীন স্থাপত্যের এই নিদর্শন আমাদের ঐতিহ্য বহন করছে এবং ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য রেখে যাচ্ছে এক গৌরবময় ইতিহাস।

  • রহম আলীর পরিকল্পিত মামলার হাত থেকে রেহাই পেতে চায় খাইরুল ইসলাম

    নেত্রকোনা প্রতিনিধি:
    নেত্রকোনা জেলার দূর্গাপুর উপজেলাধীন উওর গুজিরকোনা গ্রামের মৃত ওমর আলী মন্ডলের ছেলে মোঃ রহম আলীর প্ররিকলপিত মামলার হাতে থেকে রেহাই পেতে চায় খাইরুল ইসলাম। সূত্রে জানা যায় গত ২৯/৫/২৬ ইং তারিখ ৮ টার দিকে খাইরুল ইসলাম কে বিভিন্ন বিষয় আদি নিয়ে প্রায় সময় অশ্লীন ভাষার গালিগালাজ করে রহম আলী। এই বিষয়টি খাইরুল ইসলাম জিজ্ঞাসা করার জন্য দোকান সামনে গেলে, উভয়ই কথা কাটাকাটি মধ্যেমে এক জন আরেক জন কে ঘুষা ঘুষি মেরে।এ সময় রহম আলী হাতে ব্যাতা পায়। পরে থাকে দূর্গাপুর উপজেলা হাসপাতালে নিয়ে যায়। সে খান কার কর্মরত ডাঃ রোগী কে চিকিৎসা করিয়া সুস্থ করে। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে ঘটনার ৩ দিন পর রহম আলী বাদী হয়ে দূর্গাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন প্রতিপক্ষ মোঃ খাইরুল ইসলাম ( ৪০) কে আসামি করে। যাহার মামলা নং ৩ ধারা৩২৩/৩২৫/৩০৭/৫০৬রুজ করা হয়।এ দিকে পূর্বে বিরুদ্ধের একটি পক্ষ এই ঘটনা কে কেন্দ্র করে খাইরুল ইসলাম ভাবমুর্তি ক্ষুন্ন করার লক্ষ্য উদ্দেশ্যে একটি মানব বন্ধন করে। এই নিয়ে পুরো এলাকায় আলোচনা সমালোচনা ঝড় উঠে ঢাকা থেকে প্রকাশিত জাতীয় দৈনিক পত্রিকার সাংবাদিক গন ও মানবাধিকার কর্মীগণ তথ্য সংগ্রহ করতে সরজমিনে গেলে গ্রাম ও এলাকাবাসী কাছে জানতে চাইলে তারা সত্যতা স্বীকার করে বলেন এই ঘটনা নিয়ে মানব বন্ধন করতে হয় না। এ ব্যাপারে মামলার বাদী কে খুঁজে তার বাড়িতে গেলে থাকে পাওয়া যায়নি।তাছাড়া খাইরুল ইসলাম এক জন ভাল লোক সে বিএনপির রাজনীতি সাথে জড়িত এবং তার ভাই জুলাই আন্দোলনে মারা যায়। তার পরিবারবর্গ লোকজন কে অর্থ ও রাজনৈতিক, পরিবার বর্গের মান সম্মান ক্ষুন্ন/ ক্ষতিগ্রস্থ করার জন্য কিছু সংখ্যক অসাধু নেতাকর্মী কু পরামর্শে এই কাজ টি হয়েছে।এ ব্যাপারে জেলার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও জেলা পুলিশ সুপার সহ স্থানীয় প্রশাসন এর সুদৃষ্টি কামনা করছে। ভোক্তভোগী খাইরুল ইসলাম পরিবার বর্গ ও সচেতন মহল। প্রকাশ থাকে যে উল্লেখিত ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে যে কোন সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা আশঙ্কা… চলবে।

  • ঢাকায় গোপনে বিয়ে, অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী বাড়িতে আসতেই তালা ঝুলিয়ে স্বামী উধাও

    কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:
    কুড়িগ্রাম জেলার ফুলবাড়ী উপজেলায় ঢাকায় গোপনে বিয়ে করে স্ত্রীকে প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে এক যুবকের বিরুদ্ধে। স্বামীর স্বীকৃতি ও আশ্রয়ের দাবিতে অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী স্বামীর বাড়িতে এলে বাড়িতে তালা ঝুলিয়ে স্বামী ও তার পরিবারের সদস্যরা আত্মগোপনে গেছেন বলে অভিযোগ করেছেন ওই নারী। ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।

    অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, কুড়িগ্রাম জেলার ফুলবাড়ী উপজেলার ভাঙামোড় ইউনিয়নের উত্তর রাবাইটারী এলাকার বাসিন্দা মোঃ দুলাল মিয়া ঢাকায় রাজমিস্ত্রীর কাজ করার সময় বরিশালের এক বিধবা নারীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। পরে প্রায় ছয় মাস আগে তারা ঢাকায় গোপনে বিয়ে করেন। বিয়ের পর থেকে তারা একসঙ্গে বসবাস করে আসছিলেন।

    ওই নারী মোছাঃ রাশিদা আক্তার সাথী ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে পরিচ্ছন্নতাকর্মী হিসেবে কর্মরত। তিনি বরিশাল জেলার গৌরনদী উপজেলার কান্ডবাসা ইউনিয়নের নোলছিড়া এলাকার মৃত নুর হোসেনের স্ত্রী।

    সাথীর অভিযোগ, বিয়ের পর বিভিন্ন সময়ে মোঃ দুলাল মিয়া তার কাছ থেকে টাকা নিয়েছেন। বর্তমানে তিনি চার মাসের অন্তঃসত্ত্বা।

    তিনি আরও জানান, সম্প্রতি তিনি জানতে পারেন মোঃ দুলাল মিয়ার আগে থেকেই স্ত্রী ও সন্তান রয়েছে। প্রায় এক মাস ধরে দুলালের কোনো খোঁজ না পেয়ে গতকাল মঙ্গলবার সকালে তিনি কুড়িগ্রাম জেলার ফুলবাড়ী উপজেলায় স্বামীর বাড়িতে আসেন। তাকে দেখতে পেয়ে মোঃ দুলাল মিয়া বাড়ি থেকে পালিয়ে যান বলে অভিযোগ করেন তিনি।

    মোছাঃ সাথী আক্তার বলেন, দুলাল আমাকে মিষ্টি কথায় বিশ্বাস করিয়ে বিয়ে করেছে। আমি এখন চার মাসের অন্তঃসত্ত্বা। সারাদিন বাড়ির সামনে থেকেও স্ত্রী হিসেবে কোনো স্বীকৃতি পাইনি। পরে গভীর রাতে বাধ্য হয়ে ৯৯৯ নম্বরে ফোন করি।

    স্থানীয়রা জানান, স্বামীর পরিবারের সদস্যরাও ওই নারীকে বাড়িতে প্রবেশ করতে দেননি। গতকাল মঙ্গলবার সারাদিন অপেক্ষার পরও কোনো সমাধান না হওয়ায় তিনি চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েন।

    খবর পেয়ে রাত দেড়টার দিকে ফুলবাড়ী থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে ওই নারীকে উদ্ধার করে। পরে স্থানীয় শতাধিক মানুষের উপস্থিতিতে তাকে একই এলাকার মোঃ আমিনুল ইসলামের বাড়িতে নিরাপদে রাখার ব্যবস্থা করা হয়।

    তবে অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত মোঃ দুলাল মিয়ার মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও ফোন বন্ধ থাকায় তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

    ফুলবাড়ী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মোঃ ইয়াছিন আলী বলেন, মোঃ দুলাল মিয়াকে বাড়িতে পাওয়া যায়নি। আমরা ওই নারীকে উদ্ধার করে স্থানীয় এক ব্যক্তির জিম্মায় রেখেছি। আজ বুধবার স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করা হবে। সমাধান না হলে এবং ভুক্তভোগী নারী আইনগত ব্যবস্থা নিতে চাইলে পুলিশ প্রয়োজনীয় সহায়তা দেবে।

    এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ঘটনার কোনো চূড়ান্ত সমাধান হয়নি। তবে স্থানীয়ভাবে বিষয়টি নিষ্পত্তির উদ্যোগ চলছে বলে জানা গেছে।