Blog

  • খেলাধুলায় মনোযোগী তরুণ কখনো মাদক ও জুয়ার অন্ধকারে হারিয়ে যায় না নাজনীন আহমেদ

    বিশেষ প্রতিনিধি:

    পবিত্র ঈদুল আযহার আনন্দকে আরও উৎসবমুখর ও অর্থবহ করে তুলতে কুমিল্লার বরুড়া উপজেলার দক্ষিণ লক্ষ্মীপুর মাঠে আয়োজন করা হলো এক বিশাল ও প্রাণবন্ত ফুটবল টুর্নামেন্ট। ঈদের খুশির আমেজে মাঠজুড়ে নেমে আসে হাজারো মানুষের ঢল। শিশু, কিশোর, তরুণ থেকে শুরু করে সকল বয়সের দর্শকের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতিতে দক্ষিণ লক্ষ্মীপুর মাঠ পরিণত হয় এক অভূতপূর্ব জনসমুদ্রে। এই টুর্নামেন্ট শুধু ক্রীড়া প্রতিযোগিতার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকেনি এটি হয়ে উঠেছে মাদক, জুয়া ও অন্ধকারের বিরুদ্ধে তারুণ্যের এক দৃপ্ত প্রতিবাদ এবং সুস্থ সমাজ গড়ার এক অনুপ্রেরণামূলক বার্তা।

    পুরস্কার বিতরণ ও বিজয়ীদের সম্মাননা,

    উত্তেজনাপূর্ণ ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ খেলা শেষে বিজয়ী দলের হাতে পুরস্কার তুলে দেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমনের সহধর্মিণী এবং ন্যাশনাল ব্যাংকের পরিচালক নাজনীন আহমেদ। বরুড়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি কায়সার আলম সেলিম এর হাত থেকে পুরস্কার গ্রহণ করেন বিজয়ী দলের খেলোয়াড়েরা। পুরস্কার বিতরণের এই মুহূর্তটি উপস্থিত দর্শকদের মধ্যে তৈরি করে এক আনন্দঘন আবহ।

    উপস্থিত বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ,

    অনুষ্ঠানে বিশেষভাবে উপস্থিত ছিলেন বরুড়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি কায়সার আলম সেলিম ও গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রীর সুযোগ্য কন্যা নিশি তাহের এবং পূর্বাচল গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রায়ান তাহের । এ ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিএনপি, ছাত্রদল, স্বেচ্ছাসেবক দলসহ দলের বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের স্থানীয় নেতৃবৃন্দ এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার বিপুলসংখ্যক সাধারণ দর্শক।

    নাজনীন আহমেদের অনুপ্রেরণামূলক বক্তব্য, তরুণদের আলোর পথ দেখালেন:

    অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ন্যাশনাল ব্যাংকের পরিচালক নাজনীন আহমেদ উপস্থিত তরুণ ও যুবসমাজের উদ্দেশে আন্তরিক ও দিকনির্দেশনামূলক ভাষায় বলেন,
    “খেলাধুলা একজন তরুণের জীবনকে শুধু সুস্থ ও সবল করে না, এটি তার মনকেও শক্তিশালী করে তোলে। যে তরুণ মাঠে নামে, সে মাদক ও জুয়ার মতো অন্ধকার পথে হাঁটার সময় পায় না, সুযোগও পায় না। খেলাধুলায় মনোযোগী একজন তরুণ কখনো মাদক ও জুয়ার অন্ধকারে হারিয়ে যায় না। তাই আমি আমাদের তরুণ প্রজন্মকে বলতে চাই, মাঠকে ভালোবাসো, খেলাকে ভালোবাসো এবং নিজেকে ভালোবাসো।”

    তিনি আরও বলেন, “ফুটবলের মাঠে একজন খেলোয়াড় যা শেখে শৃঙ্খলা, পরিশ্রম, দলগত মনোভাব ও হার না মানার মানসিকতা এই গুণগুলোই জীবনের মাঠেও তাকে বিজয়ী করে তোলে। আমাদের অভিভাবকদের প্রতি আমার আহ্বান, আপনাদের সন্তানদের মাঠে পাঠান, তাদের হাতে বল তুলে দিন। মাঠের ঘাস যদি তাদের পায়ের নিচে থাকে, তাহলে মাদকের জাল কখনো তাদের ঘিরে ধরতে পারবে না।”

    পিতার আদর্শে মন্ত্রীর পথচলা, নাজনীন আহমেদের প্রত্যাশা,
    বক্তব্যের এক পর্যায়ে নাজনীন আহমেদ গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমনের প্রসঙ্গে আবেগঘন কণ্ঠে বলেন,”আমাদের মাননীয় মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমন তাঁর পিতা, বরুড়ার কৃতী সন্তান ও আজীবন জনসেবক এ কে এম আবু তাহেরের স্বপ্ন ও আদর্শ বুকে ধারণ করে রাজনীতিতে এসেছেন। একজন পিতার সারাজীবনের সংগ্রাম, ত্যাগ ও বরুড়াবাসীর প্রতি গভীর ভালোবাসা এই উত্তরাধিকার বহন করার দায়িত্ব তাঁর কাঁধে। আমি বিশ্বাস করি, তিনি তাঁর পিতার আদর্শকে সমুন্নত রেখে বরুড়াবাসীর উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাবেন।”

    তিনি আরও বলেন, “এ কে এম আবু তাহের সাহেব সারাজীবন বরুড়ার মানুষের জন্য নিজেকে বিলিয়ে দিয়েছেন। তাঁর সেই অসমাপ্ত স্বপ্নকে পূরণ করার প্রতিশ্রুতি নিয়েই মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমন এগিয়ে চলুন, এটাই বরুড়াবাসীর প্রত্যাশা, এটাই আমাদের প্রার্থনা।”

    ঈদের আনন্দে ক্রীড়ার মেলবন্ধন, বরুড়ায় নতুন প্রভাতের সূচনা,

    ঈদুল আযহার এই আনন্দঘন আয়োজন গোটা বরুড়াবাসীর কাছে হয়ে উঠেছে একটি অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত। খেলাধুলার মাধ্যমে মাদক ও অসামাজিক কার্যকলাপ থেকে তরুণ প্রজন্মকে দূরে রাখার এই মহতী উদ্যোগ ইতোমধ্যে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে। আয়োজকরা জানান, ভবিষ্যতেও নিয়মিতভাবে এ ধরনের ক্রীড়া আয়োজন অব্যাহত রাখা হবে, যাতে বরুড়ার তরুণ প্রজন্ম সুস্থ, সুন্দর ও আলোকিত ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে পারে।

    দক্ষিণ লক্ষ্মীপুর মাঠের সবুজ ঘাসে আজ যে স্বপ্নের বীজ বপন করা হলো, তা একদিন পরিণত হবে একটি মাদকমুক্ত, সুস্থ ও সমৃদ্ধ বরুড়ার মহীরুহে।
    “মাঠে ঘাম ঝরাও, জীবনে আলো জ্বালাও মাদককে না বলো, খেলাধুলাকে বুকে তুলে নাও।”

  • অষ্টগ্রামে বড় শিন্নী উতযাপিত

    1. অষ্টগ্রাম উপজেলা প্রতিনিধি: (১ জুন) আল্লাহ পাকের অশেষ শুকরিয়া আদায় এবং হযরত বড়পীর আব্দুল কাদির জিলানী (রহ.)-এর রুহানী ফয়েজ লাভের আশায় কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রাম উপজেলার ঐতিহ্যবাহী হাবেলি বাড়িতে অনুষ্ঠিত হয়েছে প্রায় দুইশত বছরের পুরোনো চিড়া শিন্নী উৎসব, যা স্থানীয়ভাবে বড় শিন্নী নামে পরিচিত।

    ভাটি অঞ্চলের অলী হিসেবে খ্যাত, নয় কোষা জমিদারি ত্যাগী সিপাহসালার সৈয়দ নাসির উদ্দিন (রহ.)-এর বংশধর হযরত সৈয়দ আবদুল করিম আল-হোসাইনী (রহ.) এ রেওয়াজের প্রবর্তন করেন। সেই থেকে যুগের পর যুগ ধরে অত্যন্ত ভাবগাম্ভীর্যের সঙ্গে এ আয়োজন পালিত হয়ে আসছে। প্রতি বছর বোরো ধান কাটার পর অষ্টগ্রাম, পূর্ব অষ্টগ্রাম, দেওঘর ও কাস্তুল এলাকার গাউসে পাকের আশেকানরা সম্মিলিতভাবে হাবেলি বাড়ি আল-হোসাইনী দরবার শরীফে এই বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন।

    এ বছরও সকাল ১০টা থেকে দরবার শরীফের মাজার প্রাঙ্গণে শিন্নী তৈরির প্রস্তুতি শুরু হয়। প্রায় ১০ মণ চিড়া, গুড় ও খাঁটি কাঁচা দুধের মিশ্রণে তৈরি করা হয় বিশাল এই তাবারক। ভাটি অঞ্চলের হাজারো ধর্মপ্রাণ মুসল্লি ও ভক্তের উপস্থিতিতে মুখরিত হয়ে ওঠে দরবার শরীফ প্রাঙ্গণ।

    বিকেলে মিলাদ, কিয়াম ও বিশেষ দোয়ার মাধ্যমে অনুষ্ঠানমালার সমাপ্তি ঘটে। মিলাদ ও দোয়া পরিচালনা করেন আল-হোসাইনী দরবার শরীফের বর্তমান সাজ্জাদানেশীন মাওলানা সৈয়দ মোমতাজ হাসান আল-হোসাইনী, আল-হোসাইনী জামে মসজিদের খতিব হাফেজ মাওলানা মুহিবুল হাসান এবং মাওলানা মুফতি মো. আদনান।

    অনুষ্ঠানের সার্বিক তদারকি করেন সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক সৈয়দ ফাইয়াজ হাসান বাবু এবং সৈয়দ আহমেদুল কবির প্রিন্স।

    সবশেষে দেশ, জাতি ও বিশ্বমানবতার কল্যাণ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। মোনাজাত শেষে আগত ভক্ত ও এলাকাবাসীর মাঝে তাবারক বিতরণের মাধ্যমে বিকেল ৫ টায় উৎসবের সমাপ্তি ঘটে।

  • প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের পশুখাদ্য টেন্ডারে সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য, ১৭ বছর ধরে নিয়ন্ত্রণের অভিযোগ

    প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের পশুখাদ্য টেন্ডারে সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য, ১৭ বছর ধরে নিয়ন্ত্রণের অভিযোগ

    নিজস্ব প্রতিনিধি:

    প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের পশুখাদ্য টেন্ডারে ‘ফ্যাসিবাদী সিন্ডিকেট’ অভিযোগ,পিপিআর-২০২৫ এর প্রতিযোগিতামূলক নীতিকে পাশ কাটিয়ে পছন্দের ঠিকাদারদের কাজ পাইয়ে দেওয়ার অভিযোগ।
    দেশের বিভিন্ন জেলায় অবস্থিত হাঁস-মুরগির খামার, গরু ও ছাগল উন্নয়ন কেন্দ্রে চলতি বছরের পশুখাদ্য সরবরাহের জন্য দরপত্র আহ্বান করেছে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর ও মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়। তবে এসব দরপত্রকে ঘিরে ব্যাপক অনিয়ম ও সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণের অভিযোগ উঠেছে।
    একাধিক ঠিকাদার নাম প্রকাশ না করার শর্তে অভিযোগ করেছেন, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের প্রায় ১৭ বছর ধরে প্রাণিসম্পদ খাতের পশুখাদ্য সরবরাহ ব্যবস্থা একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেটের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। সরকার পরিবর্তন হলেও সেই ‘ফ্যাসিবাদী সিন্ডিকেট’ এখনো বহাল রয়েছে বলে দাবি তাদের।
    অভিযোগ অনুযায়ী, সাবেক মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী আব্দুল লতিফ বিশ্বাস-এর সাবেক এপিএস হিল্টন কুমার সাহার নেতৃত্বে গড়ে ওঠা এ সিন্ডিকেটে রয়েছেন সাভারের ঠিকাদার হাফিজুর রহমান ও ঢাকার মিরপুর এলাকার বিমল কুমার। অভিযোগকারীরা জানান, হিল্টন কুমার সাহা প্রতিবছর একাই প্রায় ২৫ থেকে ২৬ জেলার পশুখাদ্য সরবরাহ কাজ নিয়ন্ত্রণ করেন। একইভাবে গত ১৭ বছর ধরে হাফিজুর রহমান বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএলআরআই) সাভারসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কাজ এককভাবে নিয়ন্ত্রণ করে আসছেন। অন্যদিকে বিমল কুমারও একই কায়দায় নিয়মিত সরকারি কাজ পেয়ে আসছেন।
    সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, এই সিন্ডিকেট ব্যবস্থার কারণে একদিকে সরকারি ক্রয়ে কোটি কোটি টাকা অতিরিক্ত ব্যয় হচ্ছে, অন্যদিকে নিম্নমানের পশুখাদ্য সরবরাহের ফলে প্রাণিসম্পদ খাতের বিভিন্ন প্রকল্প হুমকির মুখে পড়ছে।
    অভিযোগকারীরা আরও বলেন, বিষয়টি নিয়ে গত বছর বিভিন্ন জাতীয় গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হলেও তৎকালীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের দায়িত্বশীল কোনো পক্ষ কার্যকর ব্যবস্থা নেয়নি। ফলে ‘ম্যানেজ প্রক্রিয়ায়’ আওয়ামী আমলের মতোই নিজেদের আধিপত্য ধরে রেখেছেন সংশ্লিষ্ট সিন্ডিকেট সদস্যরা।
    খোঁজ নিয়ে জানা যায়, চলতি বছর কেন্দ্রীয় হাঁস প্রজনন খামার নারায়ণগঞ্জ-এর পশুখাদ্য সরবরাহ দরপত্রে মোট চাহিদাকে দুইটি লটে বিভক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে একটি লট ছোট হওয়ায় সেখানে তুলনামূলক প্রতিযোগিতার সুযোগ থাকলেও বড় লটটিতে এমন বাস্তব অভিজ্ঞতার শর্ত যুক্ত করা হয়েছে, যাতে কার্যত হিল্টন কুমার সাহা ছাড়া অন্য কোনো ঠিকাদার অংশ নিতে না পারেন।
    স্থানীয় সূত্র জানায়, গত প্রায় পাঁচ বছর ধরে একাধারে এই খামারের কাজ পেয়ে আসছেন হিল্টন কুমার এবং চলতি বছরও তিনিই কাজ পাচ্ছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
    একই ধরনের অভিযোগ উঠেছে মুরগী প্রজনন ও উন্নয়ন খামার জয়পুরহাট, মুরগী প্রজনন ও উন্নয়ন খামার পাবনা, মুরগী প্রজনন ও উন্নয়ন খামার বগুড়া, মুরগী প্রজনন ও উন্নয়ন খামার রংপুর, মুরগী প্রজনন ও উন্নয়ন খামার সিরাজগঞ্জ, মুরগী প্রজনন ও উন্নয়ন খামার বরিশাল এবং মুরগী প্রজনন ও উন্নয়ন খামার পাহাড়তলী-এর দরপত্র নিয়েও।
    অভিযোগ রয়েছে, এসব দরপত্রে পশুখাদ্যের বিভিন্ন আইটেমের যে স্পেসিফিকেশন নির্ধারণ করা হয়েছে, তা কেবলমাত্র আরিফস্ বাংলাদেশ নামের একটি কোম্পানির উৎপাদিত পণ্যের সঙ্গে মিলে যায়। ফলে যেসব ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওই কোম্পানির চুক্তি রয়েছে, তারাই কেবল টেন্ডারে অংশ নিতে পারছে।
    সংশ্লিষ্টদের দাবি, “আরিফস্ বাংলাদেশ” শুধুমাত্র হিল্টন কুমারের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ প্রতিষ্ঠানগুলোকেই পণ্য সরবরাহ করে। এ কারণে হিল্টনের নিয়ন্ত্রণাধীন এইচ এন এন্টারপ্রাইজ, অঙ্কিতা এন্টারপ্রাইজ, এফ এম ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল ও লুৎফা এন্ড সন্স নামের চারটি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে বিভিন্ন স্থানে দরপত্রে অংশ নেওয়া হচ্ছে।
    অভিযোগকারীরা বলেন, গোপন সমঝোতার কারণে অন্য কোনো প্রতিষ্ঠান “আরিফস্ বাংলাদেশ”-এর পণ্য সংগ্রহ করতে পারে না। ফলে কার্যত প্রতিযোগিতাহীন পরিবেশে এসব কাজ হাতিয়ে নিচ্ছে সিন্ডিকেটটি। আর এতে সহযোগিতা করছেন এখনো বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে বহাল থাকা আওয়ামী লীগের ‘দোসর’ কর্মকর্তারা।
    এদিকে গোপ্রজনন ও দুগ্ধ খামার সাভার, গোপ্রজনন ও দুগ্ধ খামার বরিশাল, গোপ্রজনন ও দুগ্ধ খামার সিলেট, গোপ্রজনন ও দুগ্ধ খামার ফরিদপুর, গোপ্রজনন ও দুগ্ধ খামার রাজশাহী এবং ছাগল উন্নয়ন খামার বরিশাল, ছাগল উন্নয়ন খামার ফরিদপুর ও ছাগল উন্নয়ন খামার রাজশাহী-এর পশুখাদ্য সরবরাহ টেন্ডার নিয়েও একই ধরনের অভিযোগ উঠেছে।
    সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, এসব টেন্ডারেও এমন স্পেসিফিকেশন দেওয়া হয়েছে যা নির্দিষ্ট কিছু কোম্পানির উৎপাদিত পণ্যের সঙ্গে মিলে যায়। আর ওইস…

  • আশুলিয়ায় বাড়িতে হামলা, স্বর্ণ ও নগদ টাকা লুটের অভিযোগ

    আশুলিয়ায় বাড়িতে হামলা, স্বর্ণ ও নগদ টাকা লুটের অভিযোগ

    রিয়া মনি : স্টাফ রিপোর্টার
    ঢাকার আশুলিয়ায় বাড়িতে ঢুকে মারধর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে একদল দুর্বৃত্তের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী এক গৃহবধূ।

    অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, আশুলিয়ার আউকপাড়া আদর্শগ্রাম সি-ব্লকের বাসিন্দা শাহানা হাসান (৩৫) গত ১৮ মে সন্ধ্যা ৭টার দিকে নিজ বাড়িতে অবস্থানকালে পূর্ব শত্রুতার জেরে একদল লোক সংঘবদ্ধ হয়ে তার বাড়িতে প্রবেশ করে। এ সময় অভিযুক্তরা লাঠি, লোহার রড, চাপাতিসহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে অতর্কিত হামলা চালায়।
    ভুক্তভোগীর অভিযোগ, হামলাকারীরা তাকে বেধড়ক মারধর করে শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে গুরুতর জখম করে। তার চিৎকারে এগিয়ে আসা তার মেয়ে বেলি পারভীনকেও মারধর করা হয়। এতে মা-মেয়ে উভয়েই আহত হন।

    অভিযুক্তরা হলেন,রয়মন মোস্তফা, ফারহান,রমজান কাইলা,শাকিল ও চোর শাকিল, মতিউর রহমান কসাই মতি,রাশেদ, মেহেদী ও মো. নুর ইসলাম সহ অজ্ঞাত আরো ১০-১২ জন। অভিযুক্ত সবাই আউকপাড়া আদর্শগ্রামের বাসিন্দা।

    এছাড়া অভিযুক্তরা ভুক্তভোগী গৃহবধূর গলায় থাকা প্রায় ৮ আনা ওজনের একটি স্বর্ণের চেইন (মূল্য আনুমানিক ১ লাখ ১০ হাজার টাকা) এবং ঘরে থাকা নগদ ৫০ হাজার টাকা নিয়ে যায় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
    হামলার সময় অভিযুক্তরা ভুক্তভোগী ও তার পরিবারের সদস্যদের প্রাণনাশের হুমকিও দেয় বলে অভিযোগে বলা হয়।

    পরে স্থানীয়দের সহায়তায় আহতদের উদ্ধার করে সাভার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসা নেওয়ার পর পরিবারের সঙ্গে পরামর্শ করে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন ভুক্তভোগী।

    এ বিষয়ে আশুলিয়া থানা পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

  • আশুলিয়ায় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণের অভিযানে জরিমানা, ফার্মেসি সিলগালা

    আশুলিয়ায় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণের অভিযানে জরিমানা, ফার্মেসি সিলগালা

    আলমাস হোসাইন , আশুলিয়া:
    ঢাকার আশুলিয়ায় জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের অভিযানে একটি ফার্মেসিসহ দুইটি হোটেলের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

    নকল কনডম বিক্রি, অনুমোদনহীন যৌন উত্তেজক ওষুধ সংরক্ষণ এবং অস্বাস্থ্যকর খাদ্য পরিবেশনের অভিযোগে জরিমানা ও একটি প্রতিষ্ঠান সিলগালা করা হয়।

    সোমবার (১৮ মে) বিকেলে আশুলিয়ার বাইপাইল এলাকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে অধিদপ্তর। অভিযানে নেতৃত্ব দেন সংস্থাটির সহকারী পরিচালক মুহাম্মদ হাসানুজ্জামান।

    অভিযানকালে রাজধানী সার্জিক্যাল ফার্মেসিতে নকল কনডম ও অনুমোদনহীন যৌন উত্তেজক ওষুধ পাওয়া যায়। এ কারণে প্রতিষ্ঠানটিকে ২ লাখ টাকা জরিমানা করা হয় এবং ফার্মেসিটি সিলগালা করা হয়।

    একই অভিযানের অংশ হিসেবে বাইপাইল এলাকার রূপসা হোটেল ও খান হোটেলে তদারকি চালানো হয়। এ সময় খাবারে ক্ষতিকর রং ব্যবহার এবং রান্না করা খাবারের সঙ্গে কাঁচা মাংস একই ফ্রিজে সংরক্ষণের প্রমাণ পাওয়া যায়। এসব অপরাধে রুপসা হোটেলকে ২০ হাজার টাকা এবং খান হোটেলকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

    অভিযান শেষে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মুহাম্মদ হাসানুজ্জামান বলেন, জনস্বাস্থ্য ও ভোক্তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে পরিচালনা করা হবে।

  • আশুলিয়ায় ৭তলা বাড়ি দখলের অভিযোগ, জাল দলিলে প্রতারণার দাবি

    আশুলিয়ায় ৭তলা বাড়ি দখলের অভিযোগ, জাল দলিলে প্রতারণার দাবি

    আশুলিয়া প্রতিনিধি:
    ঢাকার আশুলিয়ার বাইপাইল বুড়িরবাজার এলাকায় পৈত্রিক সম্পত্তি দখলের অভিযোগ উঠেছে একটি সংঘবদ্ধ চক্রের বিরুদ্ধে। জাল দলিল তৈরি করে ৭তলা ভবনসহ সম্পত্তি আত্মসাতের অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী পরিবার।

    অভিযোগকারী মো. আবির হোসেন মিয়া জানান, তার পিতা মরহুম আনোয়ার হোসেন মিয়া পৈত্রিক সূত্রে অর্জিত প্রায় ৫ শতাংশ জমির ওপর নির্মিত ৭তলা ভবনের মালিক ছিলেন। জীবদ্দশায় তিনি পরিবারসহ ওই ভবনের বিভিন্ন ফ্ল্যাটে বসবাস করতেন। তবে পিতার মৃত্যুর পর থেকেই তার সৎমা কল্পনা আক্তার নিজেকে একক মালিক দাবি করে সম্পত্তি বিক্রির চেষ্টা করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

    ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, গত ৩ মে আশুলিয়া সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে গিয়ে তারা একটি দলিলের সন্ধান পান। ওই দলিলে কল্পনা আক্তারকে সম্পত্তির গ্রহীতা এবং মৃত আনোয়ার হোসেনকে দাতা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে দলিলে সংযুক্ত ছবিতে আনোয়ার হোসেনের পরিবর্তে অন্য একজনের ছবি ব্যবহার করা হয়েছে বলে তাদের অভিযোগ।

    এ ঘটনায় স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি, সাব-রেজিস্ট্রি অফিস সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি এবং সাক্ষীদের জড়িত করে অভিযোগ করা হয়েছে। ভুক্তভোগীদের দাবি, একটি সংঘবদ্ধ চক্র পরিকল্পিতভাবে ভুয়া পরিচয়ে দলিল তৈরি করে সম্পত্তি দখলের চেষ্টা চালাচ্ছে।

    এ বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
    ভুক্তভোগী আবির হোসেন মিয়া বলেন, আমার পিতার নামে জাল দলিল তৈরি করে অন্য ব্যক্তিকে দাতা দেখানো হয়েছে। আমরা এর সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচার চাই।

    এ ঘটনায় তিনি আশুলিয়া থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

    পুলিশ জানিয়েছে,অভিযোগটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা মাঈদুল ইসলামকে ঘিরে ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা কোটায় নিয়োগের অভিযোগে মানববন্ধন

    পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা মাঈদুল ইসলামকে ঘিরে ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা কোটায় নিয়োগের অভিযোগে মানববন্ধন

    স্টাফ রিপোর্টার:

    মৌলভীবাজার জেলার পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মোঃ মাঈদুল ইসলামকে ঘিরে ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা সনদ ব্যবহার করে সরকারি চাকরি নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ অভিযোগের তদন্ত ও বিচারের দাবিতে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    আজ বিকেল ৪টায় বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড প্রেস সোসাইটির উদ্যোগে এ মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়। এতে বক্তারা অভিযোগ করেন, মাঈদুল ইসলাম মুক্তিযোদ্ধা কোটায় চাকরি পেলেও তার পরিবার বা পিতার প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা সনদ নিয়ে সন্দেহ রয়েছে।

    অভিযোগকারীদের দাবি, তার পিতার নামে কোনো বৈধ মুক্তিযোদ্ধা স্বীকৃতি বা গেজেট তালিকায় নাম পাওয়া যায়নি। এছাড়া সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের তালিকা যাচাই করেও তার পিতার নাম অনুপস্থিত রয়েছে বলে তারা উল্লেখ করেন।

    মানববন্ধনে আরও বলা হয়, মুক্তিযোদ্ধা সনদে ব্যবহৃত ঠিকানা নিয়েও অসংগতি রয়েছে। অভিযোগকারীদের মতে, জাতীয় পরিচয়পত্রসহ বিভিন্ন নথিপত্র যাচাই করলে প্রকৃত তথ্য বেরিয়ে আসবে।

    অন্যদিকে, ২০২৪ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর তাকে মুক্তিযোদ্ধা সন্তানের প্রমাণপত্র দেখাতে বলা হলে তিনি তা উপস্থাপন করতে ব্যর্থ হন বলেও দাবি করা হয়।

    বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) থেকে প্রকাশিত নিয়োগ সংক্রান্ত নথি পর্যালোচনায় দেখা যায়, পরিবেশ অধিদপ্তরের “পরিদর্শক/ইন্সপেক্টর” পদে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় তার নাম রয়েছে বলে অভিযোগকারীরা উল্লেখ করেন।

    এ বিষয়ে জানতে মুঠোফোনে অভিযুক্ত কর্মকর্তা মোঃ মাঈদুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি সাংবাদিক পরিচয় পাওয়ার পর কোনো মন্তব্য না করে বিষয়টি এড়িয়ে যান এবং পরে এ নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ না করার অনুরোধ জানান বলে দাবি করা হয়।

    অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, তার শ্বশুরবাড়ি কুড়িগ্রাম জেলার উলিপুর উপজেলার কাশিয়াগাড়ী গ্রামে অবস্থিত। একইসঙ্গে তার পিতার নামে ইস্যুকৃত মুক্তিযোদ্ধা সনদ (নং–১৯০৭০৪, তারিখ–১৯/০৫/২০১৩) অনুযায়ী ঠিকানা ধামশ্রেণী, উলিপুর, কুড়িগ্রাম উল্লেখ থাকলেও তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

    মানববন্ধনে বক্তারা এসব অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত, সত্য উদঘাটন এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড প্রেস সোসাইটির চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন আকাশ, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ আবুল কালাম আজাদ, সাংবাদিক এইচ এম হাকিম, সাংবাদিক হাসান, সাংবাদিক টুটুল, সাংবাদিক সুমাইয়া, সাংবাদিক আব্দুর রহমান, মানবাধিকার কর্মী কালু পাটোয়ারী, সাংবাদিক পনির, সাংবাদিক আনজার শাহসহ অনেকে।

  • গুণীজন সংবর্ধনা পেলেন জীবননগর মানবিক সংগঠনের পরিচালক এইচ এম হাকিম

    গুণীজন সংবর্ধনা পেলেন জীবননগর মানবিক সংগঠনের পরিচালক এইচ এম হাকিম

    স্টাফ রিপোর্টার:


    রাজধানীর জাতীয় কচি-কাঁচার মিলন মেলার হলরুমে এক আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে সমাজসেবায় বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ সংবর্ধিত হলেন জীবননগর মানবিক সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক এইচ এম হাকিম। মঙ্গলবার বিকেল ৫টায় দৈনিক স্বাধীন সংবাদ আয়োজিত ‘সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ ও মাদকমুক্ত সমাজ গঠনের লক্ষ্যে গুণীজন সংবর্ধনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান’-এ তাকে এই বিশেষ সম্মাননা প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান আকর্ষণ হিসেবে উপস্থিত থেকে এইচ এম হাকিমের হাতে সংবর্ধনা ক্রেস্ট তুলে দেন অনুষ্ঠানের সম্মানিত উদ্বোধক, জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দলের সাধারণ সম্পাদক নুর আহম্মেদ এবং দৈনিক স্বাধীন সংবাদ পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক আনোয়ার হোসেন আকাশ।

    আলোচনা সভায় বক্তারা একটি সুস্থ ও মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে তরুণ প্রজন্মের ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং এইচ এম হাকিমের মতো নিবেদিতপ্রাণ সমাজসেবীদের মাঠপর্যায়ের কাজের প্রশংসা করেন। সম্মাননা গ্রহণের পর এক আবেগঘন প্রতিক্রিয়ায় এইচ এম হাকিম এই অর্জনকে নিজের একান্ত প্রাপ্তি হিসেবে না দেখে সবার সঙ্গে ভাগ করে নেন এবং প্রাপ্ত সংবর্ধনা ক্রেস্টটি জীবননগর মানবিক সংগঠনের সকল উপদেষ্টা, সদস্য ও সংগঠনের সঙ্গে জড়িত প্রতিটি কর্মীকে উৎসর্গ করেন।

    তিনি জানান, এই সম্মাননা মূলত পুরো টিমের অক্লান্ত পরিশ্রমের ফল এবং জীবননগরকে একটি মানবিক ও মাদকমুক্ত উপজেলা হিসেবে গড়ে তুলতে তাদের এই প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে। সংবর্ধনা পর্ব শেষে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে সুস্থ সংস্কৃতির বিকাশের মাধ্যমে যুবসমাজকে মাদক ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে রাখার আহ্বান জানানো হয়।

    এইচ এম হাকিমের নেতৃত্বে জীবননগর মানবিক সংগঠনটি দীর্ঘদিন ধরে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোসহ বিভিন্ন সামাজিক সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে, যার স্বীকৃতিস্বরূপ আজকের এই আয়োজন সংগঠনের গতিশীলতাকে আরও বাড়িয়ে তুলবে বলে বিশিষ্টজনেরা আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।

  • ধামসোনা ইউনিয়নের আলেম সমাজের সঙ্গে চেয়ারম্যান প্রার্থী ইসরাফিল হোসেনের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

    ধামসোনা ইউনিয়নের আলেম সমাজের সঙ্গে চেয়ারম্যান প্রার্থী ইসরাফিল হোসেনের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

    আলমাস হসাইন | স্টাফ রিপোর্টার
    ধামসোনা ইউনিয়নকে একটি সমৃদ্ধ, আধুনিক ও ঐক্যবদ্ধ জনপদ হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করে আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে আলেম সমাজের সঙ্গে মতবিনিময় সভা করেছেন চেয়ারম্যান প্রার্থী আলহাজ্ব মো. ইসরাফিল হোসেন।
    মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) সকাল ১০টায় বাইপাইল এলাকার একটি কমিউনিটি সেন্টারে আয়োজিত এ সভায় স্থানীয় আলেম-ওলামা, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন। সভায় ধর্মীয় মূল্যবোধ, সুশাসন এবং স্থানীয় উন্নয়নকে কেন্দ্র করে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা উঠে আসে, যা উপস্থিতদের মাঝে ব্যাপক আগ্রহ সৃষ্টি করে।
    সভায় প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন আল্লামা নূরুল ইসলাম ওলিপুরী (দা. বা.)। তিনি বলেন, একটি সমাজের সার্বিক উন্নয়ন অনেকাংশে নির্ভর করে নেতৃত্বের সততা ও নৈতিকতার ওপর। নৈতিকতা থেকে বিচ্যুত ব্যক্তির মাধ্যমে কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন সম্ভব নয়। তাই তিনি জনগণকে সৎ, দায়িত্বশীল ও আদর্শবান প্রার্থী নির্বাচনের আহ্বান জানান। পাশাপাশি তিনি উল্লেখ করেন, নেতৃত্ব এমন ব্যক্তির হাতে থাকা উচিত, যিনি মানুষের কল্যাণে নিবেদিত এবং আল্লাহভীরু।
    অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আলহাজ্ব মো. ইসরাফিল হোসেন এবং সঞ্চালনা করেন মুফতি আল আমীন খন্দকার আমীনী।
    এ সময় বক্তব্য রাখেন মাওলানা তাজুল ইসলাম, মাওলানা ইলিয়াস, মাওলানা আজহারুল ইসলাম, মাওলানা আবু বক্কর, মাওলানা আবু সালেহ, মাওলানা আলমগীর, মাওলানা নাসির উদ্দীন, মাওলানা আলমগীর হোসেন জাফরী, মাওলানা আমীর হোসেন ও মাওলানা সাইফুল্লাহ প্রমুখ। বক্তারা ধামসোনা ইউনিয়নের সার্বিক উন্নয়ন, সামাজিক সম্প্রীতি এবং ন্যায়ভিত্তিক নেতৃত্বের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
    সভাপতির বক্তব্যে চেয়ারম্যান প্রার্থী আলহাজ্ব মো. ইসরাফিল হোসেন বলেন, তিনি কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত নন; বরং একজন সাধারণ মানুষ হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে এলাকার উন্নয়ন এবং আলেম-ওলামাদের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছেন।
    তিনি আরও বলেন, জনগণের আস্থা অর্জনের মাধ্যমে একটি আদর্শ ইউনিয়ন গড়ে তুলতে তিনি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। নির্বাচিত হলে ধামসোনা ইউনিয়নের প্রতিটি সড়ক উন্নয়নের আওতায় আনার পাশাপাশি শিক্ষা, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, নিরাপত্তা ও সামাজিক উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
    মতবিনিময় সভাটি স্থানীয় জনগণের মাঝে ইতিবাচক সাড়া ফেলে। উপস্থিত অনেকেই উন্নয়ন পরিকল্পনা ও সুশাসনের প্রতিশ্রুতিকে স্বাগত জানান। সংশ্লিষ্টদের মতে, আসন্ন নির্বাচনকে ঘিরে এ ধরনের সভা এলাকার রাজনৈতিক পরিবেশে নতুন মাত্রা যোগ করবে।

  • ফায়ার সার্ভিস ডিজির বিরুদ্ধে অপপ্রচারে প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান, ফায়ার ফাইটারের বিরুদ্ধে হত্যার হুমকির অভিযোগ

    ফায়ার সার্ভিস ডিজির বিরুদ্ধে অপপ্রচারে প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান, ফায়ার ফাইটারের বিরুদ্ধে হত্যার হুমকির অভিযোগ

    নিজস্ব প্রতিবেদক :
    রাজধানীর মিরপুরে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরকে ঘিরে চাঞ্চল্যকর এক ঘটনার অভিযোগ উঠেছে। ফায়ার সার্ভিসের মহাপরিচালকের বিরুদ্ধে অপপ্রচারমূলক পোস্টার লাগানোর প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় এক ফায়ার ফাইটারকে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী। এ ঘটনায় প্রভাব বিস্তার, ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং ষড়যন্ত্রের অভিযোগ এনে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) দায়ের করা হয়েছে।

    ভুক্তভোগী আবদুল হান্নান (৪৩) বুধবার (২২ এপ্রিল ২০২৬) মিরপুর মডেল থানায় একটি জিডি দায়ের করেন। জিডি নং-২৭০৪ (ট্র্যাকিং: F8PXG3)। জিডিতে অভিযুক্ত হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে মোঃ কামাল (৪২), যিনি ডেমরা ফায়ার স্টেশনের ফায়ার ফাইটার হিসেবে কর্মরত, এবং মোঃ খায়রুল আলম (৩৬), যিনি কালীগঞ্জ ফায়ার স্টেশনের স্টেশন অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

    জিডিতে উল্লেখ করা হয়, অভিযুক্ত কামাল ভুক্তভোগীকে ফায়ার সার্ভিস অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের বিরুদ্ধে অপপ্রচারমূলক ব্যানার ও পোস্টার লাগানোর প্রস্তাব দেন। এ কাজের জন্য মোবাইল ব্যাংকিং সেবা বিকাশের মাধ্যমে অর্থ প্রদানের আশ্বাসও দেন তিনি। তবে ভুক্তভোগী এ ধরনের বেআইনি ও অনৈতিক প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলে অভিযুক্ত ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন।

    অভিযোগ অনুযায়ী, প্রস্তাব প্রত্যাখ্যানের পর কামাল একাধিকবার হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে কল করে ভুক্তভোগীকে ভয়ভীতি দেখান এবং প্রাণনাশের হুমকি দেন। জিডিতে উল্লেখ রয়েছে, গত ১৭ এপ্রিল সন্ধ্যা আনুমানিক ৭টা ১০ মিনিটে সরাসরি হত্যার হুমকি দেওয়া হয়। বিষয়টি নিয়ে ভুক্তভোগী আতঙ্কিত হয়ে পড়েন এবং নিজের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেন।

    এদিকে অপর অভিযুক্ত খায়রুল আলমের বিরুদ্ধেও গুরুতর অভিযোগ আনা হয়েছে। জিডিতে বলা হয়, তিনি ঘটনাটি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে না জানানোর জন্য ভুক্তভোগীর ওপর চাপ প্রয়োগ করেন এবং বিষয়টি প্রকাশ পেলে বিভিন্ন ধরনের ক্ষতির হুমকি দেন। এতে করে ভুক্তভোগী আরও বেশি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগতে থাকেন।

    ভুক্তভোগী আরও জানান, পরবর্তীতে অপরিচিত একটি নম্বর থেকেও তাকে হুমকি দেওয়া হয় এবং অশোভন ভাষায় কথা বলা হয়। এতে তার ও তার পরিবারের সদস্যদের মধ্যে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। তিনি বলেন, বর্তমানে তারা স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারছেন না এবং প্রতিনিয়ত উদ্বেগের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন।

    জিডিতে আরও উল্লেখ করা হয়, অভিযুক্ত কামাল দীর্ঘদিন ধরে নিজেকে প্রভাবশালী মহলের ঘনিষ্ঠ ব্যক্তি হিসেবে পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন ধরনের প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। ভুক্তভোগীর দাবি, কামাল নিজেকে সাবেক রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদের ঘনিষ্ঠ বলে দাবি করতেন এবং তাকে ‘দাদা’ বলে সম্বোধন করতেন। একইসঙ্গে সাবেক জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেনের স্ত্রী মোনালিসা রহমানের সঙ্গে ব্যক্তিগত সম্পর্ক থাকার কথাও প্রচার করতেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

    এছাড়াও অভিযুক্ত কামালের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে নানা অনিয়ম, প্রভাব বিস্তার এবং বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের অভিযোগ রয়েছে বলে বিভিন্ন সূত্র জানিয়েছে। সংশ্লিষ্ট মহলের কেউ কেউ তাকে ‘ফায়ার সার্ভিসের ক্যান্সার’ বলেও অভিহিত করেছেন। অভিযোগ রয়েছে, তিনি প্রভাব খাটিয়ে প্রশাসনিক বিভিন্ন কাজে হস্তক্ষেপ করতেন এবং ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিলের চেষ্টা চালাতেন।

    অভিযোগ অনুযায়ী, কামাল বঙ্গভবনের প্রভাব ব্যবহার করে মন্ত্রণালয়ের এক প্রশাসনিক কর্মকর্তার মাধ্যমে এক লাখ টাকার বিনিময়ে পদক গ্রহণ করেছেন। একইসঙ্গে তিনি বিভিন্ন সময় ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স নিয়ে উদ্দেশ্যমূলক লেখালেখি করে বিভ্রান্তি ছড়ানোর অভিযোগেও অভিযুক্ত।

    আরও জানা গেছে, তিনি নিয়মিত দায়িত্বস্থলে উপস্থিত না থেকে বিভিন্ন স্থানে ঘোরাফেরা করেন এবং নিজেকে তথাকথিত ‘ম্যাচ ম্যানেজার’ হিসেবে পরিচয় দিয়ে প্রভাব বিস্তারে লিপ্ত থাকেন। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন তদবির বাণিজ্যে জড়িয়ে পড়ার অভিযোগও রয়েছে।

    সরেজমিন অনুসন্ধানে জানা যায়, ফায়ার সার্ভিসের মহাপরিচালক ও পরিচালক পর্যায়ের কর্মকর্তাদের অপসারণের ষড়যন্ত্রের সঙ্গেও তার সম্পৃক্ততার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, সম্প্রতি ফায়ার সার্ভিসে নিয়োগ সংক্রান্ত একটি সিন্ডিকেটের কাছ থেকে প্রায় ৬৫ লাখ টাকা গ্রহণ করেছেন তিনি, এই মর্মে যে তিনি ডিজি ও পরিচালকদের পরিবর্তন করাতে সক্ষম হবেন। তবে পরে সেই অর্থ ফেরত না দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

    এছাড়াও ফায়ার সার্ভিসের ৩৩ জন ড্রাইভার, ফায়ার ফাইটার ও লিডারদের বদলি করিয়ে দেওয়ার কথা বলে প্রায় ৪ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। বর্তমানে সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, তিনি এসব অর্থ ফেরত দিচ্ছেন না এবং বিভিন্ন অজুহাত দেখাচ্ছেন।

    অভিযোগ রয়েছে, তার এসব কর্মকাণ্ডের কারণে ফায়ার সার্ভিসের অভ্যন্তরে অস্থিরতা সৃষ্টি হচ্ছে এবং শৃঙ্খলা বিনষ্ট হচ্ছে। তিনি নিয়মিত বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছেন এবং বর্তমান মহাপরিচালক ও প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে নানা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছেন বলেও অভিযোগ উঠেছে।

    এর আগে তার বিরুদ্ধে একাধিকবার বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হলেও তিনি প্রভাব খাটিয়ে তা এড়িয়ে গেছেন বলে জানা গেছে। এমনকি তাকে দূরবর্তী স্থানে বদলি করা হলেও তিনি ঢাকায় অবস্থান বজায় রাখতে সক্ষম হন।

    তথ্য অনুযায়ী, ২০ আগস্ট ২০২৪ তারিখে তাকে কক্সবাজার জেলার কুতুবদিয়া ফায়ার স্টেশনে বদলি করা হয়। তবে তিনি সেখানে যোগদান করেননি। পরবর্তীতে ২৫ আগস্ট ২০২৪ তারিখে সেই বদলি আদেশ বাতিল করা হয় এবং তিনি পুনরায় পূর্বের স্থানে বহাল থাকেন।

    আরও অভিযোগ রয়েছে, পূর্ববর্তী সরকারের আমলে তিনি নিয়মিত বঙ্গভবনে যাতায়াত করতেন এবং সেই প্রভাব ব্যবহার করে নিজের অবস্থান শক্তিশালী করেন। এমনকি তার ছোট ভাইকেও রাষ্ট্রপতির প্রভাব খাটিয়ে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষা ছাড়াই চাকরিতে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। বর্তমানে ওই ব্যক্তি গাজীপুরে কর্মরত রয়েছেন।

    এছাড়াও তার বিরুদ্ধে নিষিদ্ধ ছাত্ররাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগ রয়েছে। জানা গেছে, তার বাড়ি কিশোরগঞ্জের ইটনা উপজেলায় হলেও তিনি ভুয়া কোটার মাধ্যমে বগুড়া থেকে চাকরিতে যোগদান করেছেন।

    ভুক্তভোগীর অভিযোগ, সাবেক সরকার প্রধান দেশ ত্যাগের পরও অভিযুক্তরা নতুন পরিস্থিতিতেও পুরনো রাজনৈতিক প্রভাব খাটানোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। এমনকি রাষ্ট্রপতির মাধ্যমে তৎকালীন মহাপরিচালককে ফোন করিয়ে ভুক্তভোগীকে চাকরিচ্যুত করার অভিযোগও তুলেছেন তিনি।

    বর্তমানে চাকরি হারানো ভুক্তভোগী আবদুল হান্নান তার চাকরি পুনর্বহালের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন জানিয়েছেন। তিনি বলেন, তিনি ও তার পরিবার চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন এবং যেকোনো সময় বড় ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন।

    তিনি দ্রুত অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং তার ও তার পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য প্রশাসনের কাছে জোর দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে অভিযুক্ত কামালের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি সংক্ষিপ্ত প্রতিক্রিয়ায় বলেন, “আপনি নিউজ করেন, তাতে আমার কিছু যায় আসে না।”