Blog

  • রনি–আমেনা চক্রের বিরুদ্ধে জনমতের ঝড়: মাদক দমনের নামে সৃষ্টি হয়েছে দুর্নীতির শিল্প!

    ময়মনসিংহ প্রতিনিধি:
    মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের (ডিএনসি) ময়মনসিংহ বিভাগীয় গোয়েন্দা কার্যালয় কি সত্যিই মাদক দমন করছে—নাকি মাদক ব্যবসায়ীদের সঙ্গে গোপন আঁতাত, মাসোয়ারা বাণিজ্য এবং “সেফ জোন” সৃষ্টির অন্ধকার চক্রে পরিণত হয়েছে? বহুদিন ধরে স্থানীয়দের মুখে মুখে ঘুরে বেড়ানো অভিযোগ এবার ভয়ংকর বাস্তবে রূপ নিয়েছে। ২০ নভেম্বর ফাঁস হওয়া এক ভয়েস রেকর্ডে ডিএনসির এএসআই আমেনা বেগম নিজ মুখে স্বীকার করেছেন—পরানগঞ্জের অবৈধ মদপল্লী থেকে তিনি নিয়মিত মাসোয়ারা নেন! কথোপকথনের অপর প্রান্তে থাকা মদ ব্যবসায়ী অমলকে গালাগালি, হুমকি, মাসোয়ারা আদায় এবং অপকর্মের বর্ণনা—সবকিছুই উঠে এসেছে অডিওটিতে। শোনা যায়—“আগে যা দিছস, এবারও তাই দিবি! আমার লাইনে চলবি—না হলে মামলা হইব!” ফাঁস হওয়া অডিও জনমনে তীব্র ক্ষোভ সৃষ্টি করেছে। প্রশ্ন—“যে বাহিনী দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে মাদক থেকে রক্ষা করার কথা, সেই কর্মকর্তারাই যদি মদপল্লীর মাসোয়ারা খেয়ে বাঁচেন—তাহলে রাষ্ট্রকে রক্ষা করবে কে?”

    অডিও ফাঁসের পর উন্মোচিত আরেক ভয়ংকর সত্যঃ রনির ডিজি অফিসে ‘অদৃশ্য ক্ষমতার ছাতা’! এএসআই আমেনা অডিওতে ভয় পেয়ে মিনতি করতে করতে বলেন—“ভাই, রনি শুনলে আমার চাকরি চলে যাবে। রনির ডিজি অফিসে বড় কর্মকর্তার সঙ্গে খুব সখ্যতা আছে! যে কাউকে বদলি করে দিতে পারে। ইতিমধ্যেই নিরপরাধ একজনকে খাগড়াছড়ি বদলি করাইছে। ভাই, আমার চাকরি খাইয়েন না…” এই কথাগুলো থেকেই স্পষ্ট—মাদক দমনকারী বাহিনীর অভ্যন্তরে একটি অদৃশ্য শক্তিশালী সিন্ডিকেট বহুদিন ধরেই সক্রিয়। ডিজি অফিস পর্যন্ত প্রভাব বিস্তারকারী এই সিন্ডিকেট—শাস্তির ভয় দূর করে অধীনস্থদের দিয়ে মাসোয়ারা কালেকশন করায়! নিজ জেলার গডফাদারদের সুরক্ষা দেয়! যাকে খুশি বদলি করার ক্ষমতা দেখায়! এএসআই আমেনার ভয়, কাঁপা কণ্ঠে মিনতি—এই সিন্ডিকেটের ভয়ংকর ক্ষমতার নির্মম প্রমাণ।

    অভিযোগের কেন্দ্রে সহকারী পরিচালক কাওসারুল হাসান রনি! রনির বাড়ি—ময়মনসিংহের ত্রিশাল! এএসআই আমেনার বাড়ি—ঈশ্বরগঞ্জ! এএসআই ফারুকের বাড়ি—নান্দাইল! একই জেলার তিন কর্মকর্তা–কর্মচারী বছরের পর বছর একই জেলায় থেকে একটি ‘সিন্ডিকেট’ তৈরি করেছেন—এমন অভিযোগ স্থানীয়দের মুখে মুখে। স্থানীয়দের প্রশ্ন—“নিজ জেলায় পোস্টিং পেয়ে কি তারা মাদক গডফাদারদের সঙ্গে যোগসাজশে দুর্নীতির সাম্রাজ্য বানিয়েছেন?” অনেকে বলছেন—“এত বিপুল দুর্নীতি একদিনে হয়নি। তাহলে কর্তৃপক্ষ এতদিন কোথায় ছিল? দেখেও কি না দেখার ভান করা হয়েছে?”

    ১. গডফাদারদের সুরক্ষা—‘মাসোয়ারা নিলেই সেফ জোন’ ঘোষণা! ময়মনসিংহ শহর ও আশপাশের এলাকায় প্রায় ২০ জন কুখ্যাত মাদক গডফাদারকে মাসোয়ারার বিনিময়ে “নিরাপদ এলাকা” ঘোষণা করা হয়েছে—এমন অভিযোগ স্থানীয়দের। তালিকায় রয়েছে—ময়না–বুচি, নজরুল–নাজু, ডালিয়া, রুমা, রুজি, স্মৃতি, কুদু, হামে, রেহেনা, দুখিনী, সুরমা, সুবর্ণা–দেলু, মোখলেস, আনু, হাফিজুল, মোফাজ্জল, আহাদ, কাইয়ুমসহ আরও অনেকে। মাসোয়ারার টাকা ভাগ হতো—এএসআই ফারুক, এএসআই মাহাবুব, সিপাহি পাবেল, সিপাহি সোহেলের মধ্যে।

    ২. নিজ জেলার মাদক ব্যবসায় অন্ধত্ব—বাইরের জেলায় ‘সাফল্যের নাটক’! রনি নিজের জেলায় থেকে গডফাদারদের সম্পূর্ণ সুরক্ষা দিয়েছেন—এমন অভিযোগ পুরনো। বেশিরভাগ মামলাই করা হয়েছে বাইরের জেলায়—যাকে বলা হচ্ছে “ফাইল সাফল্যের নাটক”।

    ৩. উদ্ধার ও মামলার অমিল—‘উদ্ধারের বড় অংশ কোথায় যায়?’ উদাহরণ: উদ্ধার ২০ কেজি গাঁজা—মামলায় ১৮ কেজি! উদ্ধার ২,০০০ ইয়াবা—মামলায় ১,৯৫০টি! নগদ টাকাও কম দেখানোর অভিযোগ! জনমনে প্রশ্ন—“বাকি অংশ কার পকেটে গেল?”

    ৪. অধীনস্থদের হঠাৎ সম্পদবৃদ্ধি—“বেতনে কীভাবে সম্ভব?” বিশেষ করে এএসআই ফারুকের—শম্ভুগঞ্জে জমি, গোয়ালকান্দিতে ১৬ শতক, সানকিপাড়ায় বাড়ি, নিজ গ্রামে আলিশান ভবন! সচেতন মহলের মন্তব্য—“এএসআইয়ের বেতনে এসব হয় না—এটাই দুর্নীতির বড় প্রমাণ।”

    ৫. রনির ব্যক্তিজীবনেও ঝড়—স্ত্রীর মামলা ও বিচ্ছেদ! পারিবারিক সূত্র বলছে—রনির ব্যক্তিজীবনে নানা অভিযোগ ও অস্থিতিশীলতা ছিল। কথা উঠছে—“নিজ পরিবারই যখন সামলাতে পারেননি—রাষ্ট্রের তরুণ সমাজকে কীভাবে রক্ষা করবেন?”

    ৬. দীপ পুনর্বাসন কেন্দ্র বন্ধ—পরিচালকের বিস্ফোরক অভিযোগ। জেলা পুরস্কারপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান দীপ পুনর্বাসন কেন্দ্র বন্ধে রনির ‘মনগড়া রিপোর্ট’ দায়ী—এমন অভিযোগ করেছেন পরিচালক মো. আরিফ সিদ্দিকী (সুমন)। তিনি বলেন—“রনি আমার শত্রুদের সঙ্গে হাত মিলিয়ে কেন্দ্র বন্ধ করিয়েছে।” সরজমিনে দেখা গেছে—অন্য পুনর্বাসন কেন্দ্রগুলোতে ভয়ংকর অনিয়ম থাকলেও সেখানে কোনো অভিযান নেই। কারণ—সেখান থেকেও আসে মাসোয়ারা! নাগরিক সমাজ বলছে—“এটি রাষ্ট্রের প্রতি সরাসরি বিশ্বাসঘাতকতা।”

    এই সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে জনমনের জোর দাবি—অবিলম্বে উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত! তদন্তের দাবিসমূহঃ ১. এএসআই আমেনার ভয়েস রেকর্ডের ফরেনসিক বিশ্লেষণ। ২. রনির দায়ের করা সব মামলার রিভিউ। ৩. উদ্ধার ও জব্দ তালিকার পূর্ণ অডিট। ৪. এএসআই ফারুক–মাহাবুবসহ সংশ্লিষ্টদের সম্পদ তদন্ত। ৫. সহকারী পরিচালক রনিকে অবিলম্বে অপসারণ। ৬. পুনর্বাসন কেন্দ্রগুলোর লাইসেন্স–বেড–অনুমোদন সংক্রান্ত ঘুষ চক্রের তদন্ত।

    অভিযুক্তদের অস্বীকার—কিন্তু প্রশ্নের পাহাড়! রনি ও তার টিম সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। কিন্তু—ভয়েস রেকর্ড, উদ্ধার–মামলার অমিল, গডফাদার সুরক্ষা, হঠাৎ সম্পদবৃদ্ধি, নিজ জেলায় বছরের পর বছর পোস্টিং! ডিজি অফিসে অদৃশ্য প্রভাব! নিরপরাধকে খাগড়াছড়িতে বদলি! চুরির অভিযুক্তকে কিশোরগঞ্জে (ভৈরবে) প্রাইজ পোস্টিং! পুনর্বাসন কেন্দ্র বন্ধের প্রশ্নবিদ্ধ রিপোর্ট! এসব মিলিয়ে সাধারণ মানুষের দাবি—“মাদক দমনের নামে দুর্নীতির সাম্রাজ্য ভেঙে দিন—নইলে জনগণের আস্থা চিরতরে ধ্বংস হয়ে যাবে।”

    জাতীয় নিরাপত্তার সংকট! এটি শুধু একটি জেলার সমস্যা নয়—এটি রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ঘোষণা করা এক নীরব যুদ্ধ। জনগণের বার্তা পরিষ্কার—“মাদক দমনের নামে দুর্নীতির সিন্ডিকেট ভেঙে দিন—না হলে দেশে মাদক ব্যবসাই সরকারি লাইসেন্স পেয়ে যাবে!”

  • তাজরীনের ১৩ বছর: না–ফোটা স্বপ্ন আর দাঁড়িয়ে থাকা এক পোড়া স্মৃতি

    তাজরীনের ১৩ বছর: না–ফোটা স্বপ্ন আর দাঁড়িয়ে থাকা এক পোড়া স্মৃতি

    আলমাস হোসাইন : (ঢাকা) প্রতিনিধি
    তাজরীন ফ্যাশনস অগ্নিকাণ্ডের ১৩ বছর পেরিয়ে গেলেও বদলায়নি নিহত ও আহত শ্রমিক পরিবারের ভাগ্য। ২০১২ সালের ২৪ নভেম্বর আশুলিয়ার তাজরীন ফ্যাশনস লিমিটেডে ভয়াবহ আগুনে শতাধিক শ্রমিকের মৃত্যু হয়। কয়েকশ শ্রমিক পুড়ে ও পঙ্গুত্ব নিয়ে আজও জীবনের সঙ্গে যুদ্ধ করছেন। সময় গড়ালেও ক্ষতিপূরণ, পুনর্বাসন এবং ন্যায়বিচারের আলো তাদের দিগন্তে ফুটে ওঠেনি।

    পোড়া নয়তলা ভবনটি এখনো দাঁড়িয়ে আছে নীরব সাক্ষী হয়ে। দেয়ালের ক্ষতচিহ্ন মিলিয়ে গেলেও ধ্বংসস্তূপের ফাঁক–ফোকরে জমে থাকা কালো ছাই আর আগাছা যেন স্মরণ করিয়ে দেয় সেই দিনের আতঙ্ক—জীবন বাঁচাতে জানালা বেয়ে লাফ, সারি সারি পোড়া লাশ, আর অসহায় মানুষের কান্না।

    আহত শ্রমিক নাসিমা বলেন,
    ১৩ বছরেও কেউ খোঁজ নেয় না। পঙ্গুত্ব নিয়ে বেঁচে থাকা অসম্ভব। ভাবছি—তাজরীনের ভেতরে গিয়ে কেরোসিন ঢেলে আত্মহত্যা করবো।

    আরেক শ্রমিক ফাতেমার ভাষায়,
    বাড়িতে খাবার নেই, কাজ করার শক্তিও নেই। দুই সন্তান নিয়ে মানুষের দয়ার উপরই ভরসা।

    তাদের অভিযোগ—স্মরণ দিবসের বক্তৃতা ছাড়া সারা বছর কেউ পাশে থাকে না। চিকিৎসা, আবাসন, ক্ষতিপূরণ—সবই এখনো অস্পষ্ট প্রতিশ্রুতি।

    বিপ্লবী গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সভাপতি অরবিন্দু বেপারী বিন্দু বলেন,
    সরকার ও মালিকপক্ষের প্রতিশ্রুত সুবিধার বেশিরভাগই বাস্তবায়িত হয়নি। আন্তর্জাতিক সহায়তাই একমাত্র ভরসা।

    বাংলাদেশ লেবার ফেডারেশনের ঢাকা জেলা সভাপতি মারুফ হোসেনও একই সুরে বলেন,
    তাজরীন, রানা প্লাজাসহ বড় দুর্ঘটনার ক্ষতিপূরণ ও বিচার—সবই কাগজে–কলমে সীমাবদ্ধ।

    জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. এ কে এম রাশিদুল আলমের মতে,
    শিল্পোন্নয়ন হলেও শ্রমিক নিরাপত্তার আইন এখনো দুর্বল। সুরক্ষা নিশ্চিত না হলে তাজরীনের মতো ভয়াবহতা আবারও ঘটতে পারে।

    প্রতিবছর ২৪ নভেম্বর পোড়া ভবনটির সামনে জড়ো হন নিহত শ্রমিক পরিবারের সদস্য, আহত শ্রমিক ও শ্রমিক নেতারা। তাদের একই দাবি—ন্যায্য ক্ষতিপূরণ, পুনর্বাসন ও স্থায়ী নিরাপত্তা।

    ১৩ বছর পরও তাজরীন ট্র্যাজেডির ক্ষত শুকায়নি। পোড়া ভবনটি আজও প্রশ্ন তোলে—
    শিল্প শ্রমিকদের জীবন কি এখনো অনিরাপদ? ক্ষতিগ্রস্তদের ভবিষ্যৎ কি কোনোদিন আলো দেখবে?
    তাজরীনের শ্রমিকরা সেই উত্তরের অপেক্ষায় আজও দিন গুনে চলেছেন।

  • নূরে আলম অপু ও ফাতেমা আক্তার সেতুর পবিত্র বিবাহ সম্পন্ন

    নূরে আলম অপু ও ফাতেমা আক্তার সেতুর পবিত্র বিবাহ সম্পন্ন

    আলমাস হোসাইন: (ঢাকা) প্রতিনিধি

    ভালোবাসা, আনন্দ ও শুভ্রতার আবহে সম্পন্ন হলো নূরে আলম অপু ও ফাতেমা আক্তার সেতুর পবিত্র বিবাহ। শনিবার রাতে রাজধানীর মিরপুর গাবতলীর সৈয়দ নজরুল ইসলাম কনভেনশন সেন্টার পরিণত হয়েছিল দুই পরিবারের মিলনমেলার এক বর্ণিল উৎসবে। ঝলমলে সাজসজ্জা, মনোরম আলোকসজ্জা এবং অতিথিদের প্রাণবন্ত উপস্থিতিতে পুরো অনুষ্ঠানস্থল ছিল উৎসবমুখর পরিবেশে ভরপুর।

    বর্ণাঢ্য এ আয়োজনে বর–কনের পরিবার, আত্মীয়–স্বজন, পাড়া–প্রতিবেশী এবং অসংখ্য বন্ধু-বান্ধব উপস্থিত হয়ে নবদম্পতিকে শুভেচ্ছা জানান। অতিথিদের আনাগোনায় কনভেনশন সেন্টারের প্রতিটি কোণ যেন প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।

    বর নূরে আলম অপু—আশুলিয়ার গাজীচট এলাকার রওশন আলমের যোগ্য সন্তান। শান্ত, ভদ্র ও দায়িত্বশীল স্বভাবের জন্য তিনি সবার কাছে প্রশংসিত। অতিথিদের মন্তব্যেও ফুটে ওঠে তাঁর প্রতি আস্থা, অনুরাগ ও আশীর্বাদ।

    কনে ফাতেমা আক্তার সেতু—মিরপুর মাজার রোডের এসএম সিরাজের স্নেহের কন্যা। তাঁর কোমল স্বভাব, সৌম্য আচরণ ও হাসিখুশি উপস্থিতি পুরো অনুষ্ঠানে বাড়তি আকর্ষণ যোগ করে। সেতুর ভদ্রতা ও মধুর ব্যবহার সকলের মন ছুঁয়ে যায়।

    বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা জুড়ে দুই পরিবারের সদস্যরা আন্তরিক শুভেচ্ছা ও উপহার বিনিময় করেন। অতিথিদের জন্য ছিল সুসজ্জিত এবং সুস্বাদু খাবারের আয়োজন, যা সবাই উপভোগ করে প্রশংসা করেন। বর–কনেকে ঘিরে ছবি তোলা, শুভেচ্ছা বিনিময় ও আনন্দ-উল্লাসে পুরো পরিবেশ আরও উজ্জ্বল হয়ে ওঠে।

    নবদম্পতির উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করে দুই পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়—তাদের নতুন যাত্রা হোক শান্তি, ভালোবাসা ও সমৃদ্ধিতে পরিপূর্ণ। উপস্থিত অতিথিরাও অপু ও সেতুর দীর্ঘ, সুখী এবং সফল দাম্পত্য জীবনের আন্তরিক শুভকামনা জানান।

    হাসি–আনন্দে পরিপূর্ণ এ বিয়ের আয়োজন দুই পরিবারের মাঝে রেখে গেছে এক মধুর স্মৃতি—নতুন জীবনের রঙিন সূচনা।

  • আশুলিয়ায় শ্রমিকবাহী বাসে রহস্যজনক আগুন—বিপরীত বক্তব্য মালিক–পুলিশের

    আশুলিয়ায় শ্রমিকবাহী বাসে রহস্যজনক আগুন—বিপরীত বক্তব্য মালিক–পুলিশের

    আলমাস হোসাইন : (ঢাকা) প্রতিনিধি

    ঢাকার আশুলিয়ায় শ্রমিকবাহী একটি চলন্ত বাসে রহস্যজনক অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। দ্রুত খবর পেয়ে ডিইপিজেড ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। মঙ্গলবার (১৮ নভেম্বর) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে নবীনগর–চন্দ্রা মহাসড়কের সম্ভার ফিলিং স্টেশনের সামনে চন্দ্রাগামী লেনে সিমা–সিমলা এন্টারপ্রাইজ এর বাসটিতে এ ঘটনা ঘটে।

    বাসটি ডিইপিজেড শ্রমিক পরিবহনের কাজে নিয়োজিত ছিল বলে জানা গেছে।

    মালিকের বক্তব্য

    বাস মালিক সেলিম খান জানান, ডিইপিজেডের ছুটির সময় শ্রমিক আনতে পলাশবাড়ী থেকে বাসটি রওনা হয়। পেট্রলপাম্পের সামনে আসতেই হঠাৎ পেছনের সিটে আগুন দেখা যায়।
    তার দাবি—দুর্বৃত্তরা হয়তো আগুন ধরিয়ে দিয়েছে। কীভাবে আগুন দিল বুঝতে পারিনি।
    তিনি আরও বলেন, আগুনে প্রায় এক লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।

    চালকের দাবি

    বাস চালক রেজাউল জানান, আগুনের তাপ অনুভব করে তিনি পেছনে তাকিয়ে দেখেন ছয়টি সিট জ্বলছে।
    তার কথায়—এমনিই আগুন লাগার কথা নয়, তবে কাউকে আগুন দিতে দেখিনি।

    পুলিশের ভিন্ন ব্যাখ্যা

    আশুলিয়া থানার ওসি মো. আব্দুল হান্নান ভিন্ন তথ্য দেন।
    তার দাবি—বাসের চালকের সহকারী অসচেতনভাবে জ্বলন্ত দেশলাই বাসের ভেতর ফেলে দেন, যা গ্যাসকিটে আগুন ধরে পেছনের সিটে ছড়িয়ে পড়ে।
    ঘটনার পর চালক থাকলেও সহকারী পালিয়ে যান বলে জানান তিনি।

    ফায়ার সার্ভিসের তথ্য

    ডিইপিজেড ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন কর্মকর্তা প্রণব চৌধুরী বলেন—
    খবর পেয়ে একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। বাসের পেছনের অংশের বেশ কিছু আসন পুড়ে গেছে।

  • আশুলিয়ায় দুই গাড়ির মাঝে চাপা পড়ে শ্রমিকের মৃত্যু

    আশুলিয়ায় দুই গাড়ির মাঝে চাপা পড়ে শ্রমিকের মৃত্যু

    আলমাস হোসাইন : (ঢাকা) প্রতিনিধি:

    আশুলিয়ায় কারখানা ছুটির পর বাসায় ফেরার পথে দুই গাড়ির মাঝে চাপা পড়ে মিজানুর রহমান (৩০) নামে এক পোশাক শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে।

    রবিবার (১৬ নভেম্বর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে নবীনগর–চন্দ্রা মহাসড়কের বাইপাইল এলাকায় ফাউন্টেন ম্যানুফ্যাকচারিং কারখানার সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

    নিহত মিজানুর রহমান গাইবান্ধা জেলার স্থায়ী বাসিন্দা। তিনি আশুলিয়ার কাইচাবাড়ী এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন এবং ডিইপিজেডের হপইক (বাংলাদেশ) কারখানায় সিনিয়র কার্ডিং অপারেটর হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

    প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে জানা যায়, ফাউন্টেন গার্মেন্টসের সামনে ময়লা বোঝাই একটি পিকআপ হঠাৎ সামনে থাকা ফাউন্টেন কারখানার কাভার্ড ভ্যানকে ধাক্কা দিলে মিজানুর দুই গাড়ির মাঝখানে চাপা পড়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান।

    তবে ডিইপিজেডের শ্রমিকদের একটি অংশের দাবি, ঘটনা শুধু দুর্ঘটনা নয়—ফাউন্টেন গার্মেন্টসের কাভার্ড ভ্যানটি ইচ্ছাকৃতভাবেই মিজানুর রহমানকে চাপা দিয়েছে। এ ঘটনায় শ্রমিকদের মাঝে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

    নাইম নামে এক শ্রমিক বলেন, আমরা ঘটনাস্থলের কাছেই ছিলাম। ভ্যানটি যেভাবে মিজানকে চাপা দিয়েছে, সেটি আমাদের কাছে সাধারণ দুর্ঘটনা মনে হয়নি। বিষয়টি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলেই সন্দেহ হচ্ছে।

    নিহতের এক স্বজন জানান, মিজানই ছিল পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারী। কীভাবে এমন মর্মান্তিক ঘটনা ঘটল বুঝতে পারছি না। আমরা এর সঠিক তদন্ত ও বিচার চাই।

    এ বিষয়ে সাভার হাইওয়ে থানার ওসি বলেন, দুটি গাড়িই জব্দ করা হয়েছে। এটি সড়ক দুর্ঘটনা নাকি অন্য কোনো বিষয়—তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। দায়ী প্রমাণিত হলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • বিভিন্ন মামলায় আশুলিয়ায় আ.লীগের ৭ নেতা-কর্মী আটক

    বিভিন্ন মামলায় আশুলিয়ায় আ.লীগের ৭ নেতা-কর্মী আটক

    আলমাস হোসাইন : ঢাকা জেলা প্রতিনিধি

    ঢাকার আশুলিয়ায় বিশেষ অভিযানে নাশকতা ও বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে হতাহতের ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের সাতজন সক্রিয় নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

    গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- আশুলিয়ার শিমুলিয়া এলাকার গঙ্গা প্রসাদ ঘোষের ছেলে শক্তি প্রসাদ ঘোষ (৪৮), তিনি শিমুলিয়া ইউনিয়ন যুবলীগের সদস্য, আশুলিয়ার নিশ্চিন্তপুর এলাকার আঃ সাত্তার দেওয়ানের ছেলে মোঃ মামুন দেওয়ান (৩৬), তিনি ইয়ারপুর ইউনিয়ন যুবলীগের ৬নং ওয়ার্ডের তথ্য বিষয়ক সম্পাদক, আশুলিয়ার শিমুলিয়া এলাকার গঙ্গা প্রসাদ ঘোষের ছেলে অন্নদাস প্রসাদ ঘোষ (৬৫), তিনি শিমুলিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ৩নং ওয়ার্ডের দপ্তর সম্পাদক, আশুলিয়ার শিমুলিয়া এলাকার গোপাল সুত্রধরের ছেলে ভুলানাথ সুত্রধর (৫৮), শিমুলিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ৩নং ওয়ার্ডের সদস্য, আশুলিয়ার কুরগাঁও টাট্টিবাড়ি এলাকার মৃত মোস্তাক আহম্মেদের ছেলে আশরাফুল ইসলাম নজরুল (৩৯), তিনি পাথালিয়া ইউনিয়ন যুবলীগের ৫নং ওয়ার্ডের প্রচার সম্পাদক, আশুলিয়ার পাড়াগ্রাম এলাকার মৃত দিদার আলীর ছেলে মোঃ শরিফুল ইসলাম গফুঁর (৬০), তিনি শিমুলিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ৪নং ওয়ার্ডের সদস্য, আশুলিয়ার রনস্থল গাজীরটেক এলাকার মৃত মঙ্গল ব্যাপারীর ছেলে মোঃ হারুন অর রশিদ (৩৭), তিনি শিমুলিয়া ইউনিয়ন যুবলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক।

    গত ২৪ ঘণ্টায় তিনটি ইউনিয়নে পরিচালিত অভিযানে তাদের আটক করা হয় বলে রবিবার সকালে জানিয়েছেন আশুলিয়া থানার ওসি আব্দুল হান্নান।

    গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক থেকে শুরু করে যুবলীগের ওয়ার্ড-স্তরের একাধিক নেতা রয়েছেন।

    পুলিশ বলছে, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে তাদের চিহ্নিত করা হয়েছিল। আইনগত প্রক্রিয়া শেষে তাদেরকে আদালতে পাঠানো হয়েছে

  • আশুলিয়ায় পৃথক অভিযানে যুবলীগের দুই সাবেক নেতা গ্রেপ্তার

    আশুলিয়ায় পৃথক অভিযানে যুবলীগের দুই সাবেক নেতা গ্রেপ্তার

    আলমাস হোসাইন : ( ঢাকা) প্রতিনিধি

    সাভারের আশুলিয়ায় পৃথকস্থানে অভিযান চালিয়ে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের অঙ্গসংগঠন যুবলীগের সাবেক দুই নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

    শুক্রবার (১৪ নভেম্বর) রাত ১১টার দিকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন আশুলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল হান্নান।

    এর আগে রাত ৮টার দিকে আশুলিয়ার ইউনিক এলাকা এবং রাত ৯টার দিকে শিমুলিয়ার কোনাপাড়া এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়।

    গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিরা হলেন—

    আশুলিয়ার মধ্য গাজীরচট এলাকার মৃত ওসমান আলীর ছেলে মো. আলী আজগর ওরফে জামাল হোসেন, যিনি আশুলিয়া থানা যুবলীগের সাবেক সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক।

    শিমুলিয়া ইউনিয়নের কোনাপাড়া এলাকার মৃত মোবারক আলীর ছেলে মো. জাকির হোসেন (৪০), যিনি শিমুলিয়া ইউনিয়ন যুবলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।

    পুলিশ জানায়, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে প্রথমে ইউনিক এলাকায় অভিযান চালিয়ে আলী আজগরকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে শিমুলিয়া কোনাপাড়ায় আরেকটি অভিযান পরিচালনা করে জাকির হোসেনকে আটক করা হয়।

    আশুলিয়া থানার ওসি আব্দুল হান্নান বলেন, গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন। শনিবার সকালে তাদেরকে আদালতে পাঠানো হবে।

  • আশুলিয়ায় ভুল চিকিৎসায় নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগ

    আশুলিয়ায় ভুল চিকিৎসায় নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগ

    আলমাস হোসান  (ঢাকা) প্রতিনিধি:

    ঢাকার আশুলিয়ার বেসরকারি আবুল হোসেন হাসপাতালে ভুল চিকিৎসা ও দায়িত্বে অবহেলার কারণে নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে।
    এ ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে নবজাতকের পরিবারে, এলাকায় নেমেছে তীব্র ক্ষোভ।

    পরিবারের অভিযোগ অনুযায়ী, গর্ভবতী নারীকে হাসপাতালে ভর্তি করার পর চিকিৎসকরা জানান— দ্রুত সিজার করতে হবে। পরে ২০ হাজার টাকায় চুক্তি করে অস্ত্রোপচার সম্পন্ন করা হয়। কিন্তু সিজারের পর থেকেই নবজাতকের শারীরিক জটিলতা দেখা দেয়। শিশুটির মাথায় আঘাতের চিহ্ন এবং শ্বাসকষ্ট থাকা সত্ত্বেও চিকিৎসকরা বিষয়টিকে অবহেলা করেন বলে অভিযোগ পরিবারের।

    পরিবার জানায়, গত ১১ নভেম্বর প্রসূতিকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয় এবং সিজারের মাধ্যমে এক পুত্রসন্তানের জন্ম হয়। জন্মের পর থেকেই নবজাতকের অবস্থা খারাপ হতে থাকে। অভিযোগ, কর্তব্যরত চিকিৎসকরা যথাসময়ে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা বা বিশেষায়িত সেবার ব্যবস্থা না নেওয়ায় শিশুটি ১২ নভেম্বর রাতে মারা যায়।

    শিশুটির বাবা শাহীন ইমতিয়াজ কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন,

    ছেলের জন্মের পর থেকেই তার মাথায় আঘাতের দাগ ছিল। বুকের ভেতর অস্বাভাবিক শব্দ হচ্ছিল। আমি ডাক্তারদের অনুরোধ করেও কোনো সাড়া পাইনি। পরে এক হাসপাতাল থেকে আরেক হাসপাতালে ঘুরতে ঘুরতেই আমার ছেলেটা মারা যায়। আমি আবুল হোসেন হাসপাতালের অবহেলার বিচার চাই।

    অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে আবুল হোসেন হাসপাতালের উপ-মহাব্যবস্থাপক সুমন দাস বলেন,

    আমাদের হাসপাতালে কোনো গাফিলতি বা ভুল চিকিৎসা হয়নি। শিশুটি জন্মের এক দিন পর অন্য হাসপাতালে রেফার করা হয়েছিল। আমাদের এখানে তার মৃত্যু হয়নি।

    এদিকে, স্থানীয়রা জানিয়েছেন— হাসপাতালটিতে প্রায়ই চিকিৎসা অনিয়ম ও অবহেলার অভিযোগ ওঠে। তারা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে বিষয়টি তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।

    এবিষয়ে জানতে চাইলে আশুলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল হান্নান বলেন

    লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    অন্যদিকে, স্থানীয় এক চিকিৎসা বিশেষজ্ঞ (নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক) বলেন,

    নবজাতকের জন্মের সময় আঘাত বা শ্বাসজনিত সমস্যা হলে তাৎক্ষণিক নিবিড় পরিচর্যা (NICU) প্রয়োজন হয়। সময়মতো পদক্ষেপ না নিলে এমন মৃত্যু ঘটতে পারে। সঠিক তদন্ত হলে বিষয়টি স্পষ্ট হবে।

    নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় শোকে ভেঙে পড়েছে পরিবার। তারা এর সুষ্ঠু তদন্ত ও দায়ীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন।

  • আশুলিয়ায় আলিফ পরিবহনের পার্কিং বাসে আগুন, চালক আহত

    আশুলিয়ায় আলিফ পরিবহনের পার্কিং বাসে আগুন, চালক আহত

    আলমাস হোসাইন (ঢাকা) প্রতিনিধি:

    ঢাকার আশুলিয়ায় সড়কের পাশে পার্কিং করে রাখা আলিফ পরিবহনের একটি বাসে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় বাসের ভেতরে ঘুমিয়ে থাকা চালক সাত্তার আহত হয়েছেন।

    ঘটনাস্থল ও সময়

    বুধবার (১২ নভেম্বর) ভোর পৌনে ৫টার দিকে আশুলিয়ার সরকার মার্কেট এলাকার নারী ও শিশু হাসপাতালের সামনে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

    প্রত্যক্ষদর্শীর বর্ণনা

    স্থানীয়দের বরাতে জানা যায়, ভোরে দুই মোটরসাইকেলে করে দুইজন হেলমেট পরা ব্যক্তি এসে বাসে আগুন ধরিয়ে দিয়ে দ্রুত পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা ফায়ার সার্ভিসে খবর দিলে তারা এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

    চালকের বক্তব্য

    আহত চালক সাত্তার বলেন,

    আমি বাসের ভেতরে ঘুমাচ্ছিলাম। হঠাৎ আগুন দেখে জানালা দিয়ে লাফিয়ে নামি। নিচে নেমে দেখি চারজন লোক দুইটি মোটরসাইকেলে দাঁড়িয়ে আছে। আমি চিৎকার করলে তারা ফাঁকা মাঠে গুলি ছুড়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করে পালিয়ে যায়। এতে আমার হাঁটুতে আঘাত পাই।

     

    ফায়ার সার্ভিসের তথ্য

    ডিইপিজেড ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার প্রণব চৌধুরী জানান,

    খবর পেয়ে আমাদের একটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মাত্র ১০ মিনিটের মধ্যে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে বাসের ভেতরের সবকিছু পুড়ে যায়। হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি।

     

    বাসমালিকের আবেদন

    বাসের মালিক মো. সোহেল বলেন,

    এই বাসটাই ছিল আমার একমাত্র উপার্জনের উৎস। কে বা কারা আমার এই ক্ষতি করল জানি না। আমি তাদের বিচার চাই। মাননীয় প্রধান উপদেষ্টার কাছে অনুরোধ, যেন ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা করা হয়।

    পুলিশের বক্তব্য

    এ বিষয়ে আশুলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল হান্নান বলেন,

    ঘটনার তদন্ত চলছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • দলের শৃঙ্খলা পরিপন্থী কাজ করায় কবিরহাট উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা বহিষ্কার।

    দলের শৃঙ্খলা পরিপন্থী কাজ করায় কবিরহাট উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা বহিষ্কার।

    কবিরহাট উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সোহেল রানা বহিষ্কার।
    বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দল নোয়াখালী জেলা শাখার অধীনস্ত কবিরহাট উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সোহেল রানা দলের শৃঙ্খলা পরিপন্থী বিভিন্ন কর্মকান্ডের সাথে জড়িত থাকায় জেলা স্বেচ্ছাসেবক দল তাকে বহিষ্কার করে। বিষয়ে জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি সাবের আহমেদ ও সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান মিজান এর নির্দেশক্রমে দপ্তর সম্পাদক মাহবুব আহমেদ তাকে বহিষ্কার করেন।