Blog

  • আশুলিয়ায় বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীকে দলবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় গ্রেপ্তার ৪

    আশুলিয়ায় বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীকে দলবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় গ্রেপ্তার ৪

     

    আলমাস হোসাইন (ঢাকা) প্রতিনিধি :

     

    ঢাকার আশুলিয়ায় বেসরকারি গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের এক শিক্ষার্থীকে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
    বুধবার (০৩ ডিসেম্বর) রাত সাড়ে ৭টার দিকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন আশুলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল হান্নান।

    এর আগে বুধবার সকাল ১১টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত আশুলিয়ার ফুলেরটেক, বাইশমাইলসহ বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। এর পূর্বে গত ২ ডিসেম্বর ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী আশুলিয়া থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

    গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলো—গণবিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী দেলোয়ার ভূইয়া (২২), তাজুল ইসলাম তাজ (২০), শ্রাবণ সাহা উৎস (২১) এবং একই বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষার্থী অন্তু দেওয়ান (২৪)।

    মামলার এজাহার অনুযায়ী, গত ৭ এপ্রিল সকাল ১১টার দিকে পিকনিকে নেওয়ার কথা বলে আসামিরা ভুক্তভোগীকে আশুলিয়ার ফুলেরটেক এলাকায় নিয়ে যায়। পথিমধ্যে কোমল পানীয়ের সঙ্গে চেতনানাশক মিশিয়ে পান করালে তিনি অচেতন হয়ে পড়েন। বিকেল ৫টার দিকে জ্ঞান ফিরলে নিজেকে একটি মেসের ভেতরে দেখতে পান এবং বুঝতে পারেন যে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করা হয়েছে।

    এসময় ভুক্তভোগী প্রতিবাদ করলে আসামিরা ধারণকৃত ভিডিও ও অশ্লীল ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেয়। সেই সাথে এসিড নিক্ষেপ, প্রাণনাশসহ নানাভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে একাধিক ধাপে মোট ৯৬ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়।

    গত ৪ নভেম্বর এবং ৬ নভেম্বর ভুক্তভোগীকে আবারও শারীরিক সম্পর্কের জন্য চাপ সৃষ্টি করা হয়। রাজি না হলে মারধর ও জোরপূর্বক নেশাজাতীয় পানীয় খাওয়ানো হয়। গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় তিনি কোনোমতে ক্যাম্পাসে প্রবেশ করলে সহপাঠী ও শিক্ষকরা গণস্বাস্থ্য সমাজভিত্তিক মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। পরবর্তীতে অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

    চিকিৎসা শেষে গত ২৬ নভেম্বর দুপুরে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ে গেলে আইন বিভাগের একাডেমিক কক্ষে আটকে রেখে আগের অভিযোগ তুলে নিতে চাপ প্রয়োগ করা হয়। প্রায় তিন ঘণ্টা আটকে রাখার পর তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ায় শেষে তিনি থানায় মামলা করতে বাধ্য হন।

    এ বিষয়ে ওসি আব্দুল হান্নান বলেন, শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের ঘটনায় ভুক্তভোগীর অভিযোগের ভিত্তিতে চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ১৭ ঘণ্টার অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা সম্ভব হয়েছে। আসামিদের আগামীকাল আদালতে প্রেরণ করা হবে।

  • বেগম খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় দোয়া মাহফিল ও পরিবহন শ্রমিকদের বিনামূল্যে চক্ষু সেবা প্রদান

    বেগম খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় দোয়া মাহফিল ও পরিবহন শ্রমিকদের বিনামূল্যে চক্ষু সেবা প্রদান

    হাসান আলী:
    তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আশু রোগমুক্তি কামনায় দোয়া মাহফিল এবং পরিবহন শ্রমিকদের জন্য বিনামূল্যে চক্ষু পরীক্ষা ও চশমা প্রদান কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়েছে। রাজধানীর সায়েদাবাদ বাস স্ট্যান্ডের পরিবহন ভবন প্রাঙ্গণে আজ মঙ্গলবার সকাল ১১টায় এ আয়োজন শুরু হয়। দিনব্যাপী এ কর্মসূচিতে বিপুলসংখ্যক পরিবহন শ্রমিক অংশগ্রহণ করেন।

    অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সড়ক পরিবহন সংগঠনের সভাপতি এম এ বাতেন, সাধারণ সম্পাদক সাইফুল আলম, সাংগঠনিক সম্পাদক জাহিদ আল লতিফ (খোকা), সায়েদাবাদ শ্রমিক পরিবহন কমিটির আহ্বায়ক আলমগীর হোসেন, সদস্য সচিব জামশেদুল আলম শ্যামল, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মুকিদুল ইসলাম রঞ্জু এবং পরিবহন মালিক–শ্রমিক সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ। তারা শ্রমিকদের কর্মপরিবেশ, স্বাস্থ্যসেবা প্রাপ্তি, সড়কে নিয়ম–শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা বিষয়ে বিভিন্ন দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য রাখেন।

    বক্তারা বলেন, শ্রমিকদের নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা অত্যন্ত জরুরি। বিশেষ করে চক্ষু সমস্যার কারণে অনেক চালক ও সহকারীর দৈনন্দিন কাজ ব্যাহত হয়, যা সড়কে দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ায়। তাই এমন উদ্যোগ প্রশংসনীয় ও প্রয়োজনীয়। তারা আরও বলেন, একজন সুস্থ শ্রমিকই সড়কে নিরাপদ সেবা দিতে পারে। শ্রমিকদের প্রতি সম্মান ও যত্ন নেওয়া সমাজের দায়বদ্ধতা।

    এসময় দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দ্রুত রোগমুক্তি ও সুস্থতা কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়। নেতৃবৃন্দ বলেন, খালেদা জিয়া দেশের গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে আজও অনুপ্রেরণা। তার সুস্থতা শুধু দলের নয়, সমগ্র জাতির কামনা।

    দিনব্যাপী অনুষ্ঠানে শ্রমিকদের চোখ পরীক্ষা করে প্রয়োজন অনুযায়ী চশমা সরবরাহ করা হয়। আয়োজকেরা জানান, ভবিষ্যতেও শ্রমিকদের জন্য এমন জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে

  • ইমারত পরিদর্শক আবুল কালাম আজাদের বিরুদ্ধে ঘুষ বাণিজ্যের বিস্তর অভিযোগ

    ইমারত পরিদর্শক আবুল কালাম আজাদের বিরুদ্ধে ঘুষ বাণিজ্যের বিস্তর অভিযোগ

    স্টাফ রিপোর্টার: 

    রাজউক কর্তৃপক্ষের বিভিন্ন জোনে দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালন করা ইমারত পরিদর্শক আবুল কালাম আজাদের বিরুদ্ধে ঘুষ লেনদেন, অনিয়ম ও দুর্নীতির বিস্তৃত অভিযোগ উঠেছে। পূর্বে রাজউকের জোন ৩/২–এ দায়িত্ব পালন করলেও বর্তমানে তিনি দায়িত্ব পালন করছেন জোন ৪/২–এ। জোন স্থানান্তর হলেও তার বিরুদ্ধে অভিযোগের ধারা থামেনি বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।

    অভিযোগ অনুযায়ী, রাজধানীর কল্যাণপুর লেকপাড় এলাকার মিনার প্রোপার্টিজ নামের একটি প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে আবুল কালাম আজাদ তিন লক্ষ টাকা ঘুষ নেন। লেনদেনে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করেন ইয়াছিন নামের একজন ব্যক্তি। অভিযোগকারীরা জানান, ভবন অনুমোদন ও নির্মাণসংক্রান্ত কাগজপত্র দ্রুত এগিয়ে দিতে এবং পরিদর্শনে ‘সমস্যা না দেখানোর’ আশ্বাস দিয়ে কালাম এ অর্থ গ্রহণ করেন।

    এছাড়া মিরপুর এলাকার বাসিন্দা শামিমা রশিদের কাছ থেকেও তিনি দুই লক্ষ টাকা ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। তার দাবি, নির্মাণাধীন ভবনের নথিপত্রে কোন ত্রুটি না ধরার প্রতিশ্রুতির বিনিময়ে পরিদর্শক কালাম এই অর্থ দাবি করেন এবং পরে গ্রহণও করেন। একইভাবে কল্যাণপুর এলাকায় আরেকটি নির্মাণাধীন ভবনের মালিকের কাছ থেকে অতিরিক্ত এক লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেন তিনি। একাধিক ভুক্তভোগীর বক্তব্যে উঠে এসেছে—অবৈধ অর্থ নেওয়াকে আবুল কালাম নিয়মিত ‘প্রক্রিয়ার অংশ’ বলেই দাবি করেন।

    রাজউকের ভেতরে ও বাইরে আলোচিত আরেক পরিদর্শক সুলাইমানের বিরুদ্ধে সম্প্রতি সাংবাদিকদের সঙ্গে দুর্ব্যবহারের অভিযোগে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধন ও প্রতিবাদের মুখে সুলাইমানকে দ্রুত চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হলেও একই ধরনের অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও আবুল কালাম আজাদ বহাল তবিয়তে দায়িত্ব পালন করছেন। এতে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সাধারণ মানুষসহ ভুক্তভোগীরা।

    রাজউকের অভ্যন্তরীণ সূত্র বলছে, আবুল কালাম আজাদ দীর্ঘদিন ধরে ‘প্রভাবশালী মহলের’ সহায়তা পেয়ে আসছেন। যার কারণে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠলেও কোন বিভাগীয় তদন্ত শুরু হয়নি। এমনকি ভুক্তভোগীরা লিখিত অভিযোগ দেওয়ার আগেই তাদের ‘সমাধানের আশ্বাস’ দেখিয়ে নিরব থাকতে বাধ্য করা হয়।

    এলাকাবাসীর অভিযোগ, ঘুষ–দুর্নীতির মাধ্যমে ভবন নির্মাণে অনিয়মকে উৎসাহিত করছেন এই কর্মকর্তা। আবুল কালামের মতো পরিদর্শকরা দুর্নীতি করলে নিয়মবহির্ভূত ভবন নির্মাণ বেড়ে যায়, যা ভবিষ্যতে ভয়াবহ দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করেন।

    এ প্রসঙ্গে ভুক্তভোগীরা দ্রুত তদন্ত ও দায়িত্বশীলদের জবাবদিহির আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন। তারা বলেন, “একজন পরিদর্শকের দুর্নীতির কারণে পুরো এলাকার নিরাপত্তা ঝুঁকিতে পড়ে। সুলাইমানকে বরখাস্ত করা হয়েছে, কিন্তু আবুল কালাম আজাদের বিরুদ্ধে কেন ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না—এটাই আমাদের প্রশ্ন।”

    রাজউক প্রশাসনের প্রতি দাবি—ঘুষ ও অনিয়মের সঙ্গে জড়িত কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক এবং নির্মাণশিল্পে স্বচ্ছতা ফিরিয়ে আনা হোক।

  • আশুলিয়ায় নাসা গ্রুপের শ্রমিকদের মানববন্ধন: পূর্ণ পাওনা পরিশোধের আল্টিমেটাম

    আশুলিয়ায় নাসা গ্রুপের শ্রমিকদের মানববন্ধন: পূর্ণ পাওনা পরিশোধের আল্টিমেটাম

    আলমাস হোসাইন (ঢাকা) প্রতিনিধি

    শিল্পাঞ্চল আশুলিয়ায় বন্ধ হয়ে যাওয়া নাসা গ্রুপের এ জে গার্মেন্টসের শ্রমিকরা বকেয়া বেতন–মজুরি ও অন্যান্য পাওনাদি দ্রুত পরিশোধের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন। মঙ্গলবার (০২ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে নিশ্চিন্তপুর এলাকায় কারখানার সামনে এই কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

    মানববন্ধনে শতাধিক শ্রমিক অংশ নিয়ে মালিকপক্ষের বিরুদ্ধে প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের অভিযোগ এনে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তারা জানান, গত ৩০ নভেম্বরের মধ্যে সকল বকেয়া পরিশোধের কথা থাকলেও তাদের মাত্র ২৫ শতাংশ অর্থ প্রদান করা হয়েছে, যা শ্রমিকদের প্রতি চরম অবহেলা ও প্রতারণার শামিল বলে দাবি করেছেন শ্রমিকরা।

    শ্রমিকদের অভিযোগ—

    ‘২৫% পাওনা নয়, পূর্ণ পাওনা চাই’

    মানববন্ধনে অংশ নেওয়া একাধিক শ্রমিক বলেন,
    মালিকপক্ষ আমাদের সাথে পূর্ব প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ৩০ নভেম্বরের মধ্যে সব পাওনা পরিশোধের কথা বলেছিল। কিন্তু তার পরিবর্তে মাত্র ২৫ শতাংশ দেওয়া হয়েছে, যা আমরা মেনে নিতে পারি না। দ্রুত সময়ের মধ্যে আমাদের সম্পূর্ণ পাওনাদি পরিশোধ করতে হবে।

    চুক্তি ভঙ্গের অভিযোগ

    নাসা গ্রুপের কোয়ালিটি ইনচার্জ মো. ঈব্রাহিম জানান,
    গত ২৩ সেপ্টেম্বর কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর (DIFE), পুলিশ প্রশাসন, বিজিএমইএ প্রতিনিধি, শ্রমিক ও মালিকপক্ষের উপস্থিতিতে একটি চুক্তি হয়। সেই চুক্তিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ ছিল— ৩০ নভেম্বরের মধ্যে সকল বেতন-বোনাস ও পাওনাদি পরিশোধ করতে হবে।

    তিনি বলেন,
    চুক্তি থাকা সত্ত্বেও আমাদের মোট পাওনার মাত্র ২৫% দেওয়া হয়েছে। কেন এই প্রতারণা? আমরা দ্রুততম সময়ের মধ্যে বাকি সব পাওনা চাই।

    অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন

    মানববন্ধনকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কায় নিশ্চিন্তপুর এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। উপস্থিত পুলিশ সদস্যরা পরিস্থিতি শান্ত রাখতে শ্রমিকদের সাথে কথা বলেন এবং শান্তিপূর্ণভাবে কর্মসূচি শেষ করতে সহায়তা করেন।

    শ্রমিকদের দাবি—

    ‘পরিবার-সন্তানের মুখের দিকে তাকিয়ে দ্রুত পাওনা দিন’

    মানববন্ধনে অংশ নেওয়া শ্রমিকরা জানান, কারখানা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় তারা কঠিন অর্থনৈতিক সংকটের মধ্য দিয়ে দিন কাটাচ্ছেন। বাড়ি ভাড়া, খাবার, সন্তানের লেখাপড়া—সবকিছুই অনিশ্চয়তায় পড়ে গেছে। তাই দ্রুত তাদের পুরো পাওনা পরিশোধ না হলে পরিবার নিয়ে তারা বিপদে পড়বেন।

    শ্রমিকরা ঘোষণা দেন, দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত তারা ধারাবাহিক কর্মসূচি পালন করবেন।

  • বিএনপি চেয়ারপার্সন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আশু রোগ মুক্তি ও দোয়া মাহফিল কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সহ-সাধারণ সম্পাদক রাসেল খানের উদ্যোগে।

    বিএনপি চেয়ারপার্সন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আশু রোগ মুক্তি ও দোয়া মাহফিল কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সহ-সাধারণ সম্পাদক রাসেল খানের উদ্যোগে।

    বিএনপির চেয়ারপার্সন সাবেক তিনবারের সফল প্রধানমন্ত্রী আবসহীন দেশনেত্রী গুরুতর অসুস্থ বেগম খালেদা জিয়ার জন্য আশু রোগ মুক্তি ও তার সুস্থতা কামনায় কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সহ-সাধারণ সম্পাদক রাসেল খানের সার্বিক সহযোগিতায় ও আয়োজনে পটুয়াখালী বাউফল উপজেলার ১ নং কাছি পাড়া ইউনিয়নে কারখানা গ্রামে এলাকার মুরুব্বী এবং তরুণদের নিয়ে দোয়ার আয়োজন করা হয়। দোয়া মাহফিলে বেগম খালেদা জিয়ার জন্য মহান আল্লাহতালার দরবারে উনার সুস্থতা কামনায় দোয়া করা হয়। যাতে বেগম খালেদা জিয়া দ্রুত সুস্থ হয়ে আবার নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারে এবং সাধারণ জনগণের মাঝে ফিরে আসতে পারে।

  • আশুলিয়ায় বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় কোরআন খতম ও দোয়া মাহফিল

    আশুলিয়ায় বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় কোরআন খতম ও দোয়া মাহফিল

    আলমাস হোসাইন (ঢাকা) প্রতিনিধি

    বিএনপির চেয়ারপারসন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দ্রুত সুস্থতা কামনা করে আশুলিয়ায় কোরআন খতম ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (১ ডিসেম্বর ২০২৫ ইং) বাদ আছর পাথালিয়া ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডের গেড়ুয়া দারুল উলুম মাবিয়া ইসলামিয়া মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে এ আয়োজন সম্পন্ন হয়।

    অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আইয়ুব খান। তিনি দেশবাসীর কাছে বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা ও দীর্ঘায়ুর জন্য বিশেষ দোয়া প্রার্থনা করেন। দোয়া-মাহফিলে মাদ্রাসার শিক্ষক–শিক্ষার্থী, স্থানীয় মুসল্লি ও এলাকাবাসী অংশগ্রহণ করেন।

    কোরআন খতম ও দোয়া মাহফিল শেষে ছাত্র ও উপস্থিত এলাকাবাসীর মাঝে তবারক বিতরণ করা হয়। আয়োজকরা জানান, দেশনেত্রীর সুস্থতা কামনায় এ ধরনের ধর্মীয় আয়োজন সামনে আরও অব্যাহত থাকবে।

  • ধামরাইয়ে নকল খেজুর গুড় তৈরির কারখানায় র‍্যাব–৪ এর অভিযান

    ধামরাইয়ে নকল খেজুর গুড় তৈরির কারখানায় র‍্যাব–৪ এর অভিযান

    কাপড়ের রং–কেমিক্যালে তৈরি হতো খেজুর গুড়’!

     

    আলমাস হোসাইন ( ঢাকা) প্রতিনিধি

     

    ঢাকার ধামরাইয়ের কুল্লা ইউনিয়নের চাউলাইল এলাকায় কাপড়ের রং ও নানান ক্ষতিকর রাসায়নিক মিশিয়ে নকল খেজুর গুড় তৈরির একটি কারখানায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেছে র‍্যাব–৪। সোমবার (১ ডিসেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে র‍্যাব-৪ এর নবীনগর ক্যাম্পের একটি অভিযানিক দল এ কার্যক্রম পরিচালনা করে।

    স্থানীয় সূত্র ও র‍্যাবের তথ্য অনুযায়ী, দীর্ঘদিন ধরে কারখানাটিতে কাপড়ের রং, বিভিন্ন শিল্প–কেমিক্যাল, ফিটকিরি, চিনি, আটা, আখের গুড় এবং কৃত্রিম খেজুর গুড়ের ফ্লেভার ব্যবহার করে বাজারে ‘খাঁটি খেজুর গুড়’ নামে ভেজাল গুড় সরবরাহ করা হচ্ছিল। এসব নকল গুড় প্রতিদিনই জেলায়-উপজেলায় ছড়িয়ে পড়ছিল, যা নিয়ে ভোক্তাদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে অসন্তোষ ও অভিযোগ ছিল।

    অভিযানে বিপুল পরিমাণ ক্ষতিকর কাঁচামাল, রাসায়নিক পদার্থ, গুড় তৈরির সরঞ্জাম, ব্যবহৃত মেশিনারি এবং প্রস্তুত অবস্থায় থাকা উল্লেখযোগ্য পরিমাণ নকল গুড় জব্দ করা হয়। কারখানার ভেতরে কাজ করা কয়েকজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে র‍্যাব।

    র‍্যাব-৪, সিপিসি-২ এর কোম্পানি কমান্ডার স্কোয়াড্রন লিডার নাজমুল ইসলাম বলেন,
    কাপড়ের রং ও ক্ষতিকর কেমিক্যাল মিশিয়ে এ ধরনের ভেজাল গুড় তৈরি করা অত্যন্ত স্বাস্থ্যঝুঁকিপূর্ণ। এসব গুড় খেলে শরীরে মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে। প্রাথমিক তদন্তে গুরুতর অনিয়ম পাওয়া গেছে। কারখানার মালিক ও সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

    তিনি আরও জানান, নকল গুড় উৎপাদনকারীরা বাজারে ‘খাঁটি খেজুর গুড়’ নাম ব্যবহার করে সাধারণ ভোক্তাদের প্রতারণা করছিল। বিশেষত শীতকাল সামনে রেখে গুড়ের চাহিদা বাড়ায় ভেজালকারীরা সক্রিয় হয়ে উঠেছে।

    অভিযান শেষে পুরো কারখানাটি সিলগালা করে দেয় র‍্যাব। পাশাপাশি ভোক্তাদের নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

  • আশুলিয়ায় গরুবোঝাই ট্রাক ডাকাতি

    আশুলিয়ায় গরুবোঝাই ট্রাক ডাকাতি

    আলমাস হোসাইন (ঢাকা) প্রতিনিধি:

    ঢাকার আশুলিয়ায় ৩০টি গরু বহনকারী একটি ট্রাক ডাকাতির ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনার পরদিন ময়মনসিংহ বাইপাস সড়ক থেকে লুট হওয়া ট্রাকটি উদ্ধার করেছে পুলিশ। তবে ট্রাকের ভেতর পাওয়া যায় পাঁচটি মৃত গরু, যা ব‍্যবসায়ীদের মাঝে আরও উদ্বেগ তৈরি করেছে। বাকি গরু উদ্ধারে এবং ডাকাতচক্রকে শনাক্ত করে গ্রেপ্তারে পুলিশ জোরদার অভিযান চালাচ্ছে।

    রবিবার সন্ধ্যায় মৃত গরুসহ উদ্ধার করা ট্রাকটি আশুলিয়া থানায় নিয়ে আসে পুলিশ। কর্মকর্তারা জানান, ঘটনাটি পরিকল্পিত ও সংগঠিত ডাকাতচক্রের কাজ বলে মনে করা হচ্ছে।

    ঘটনার সূত্রপাত শনিবার গভীর রাতে নবীনগর–চন্দ্রা মহাসড়কের বাইপাইল এলাকায়। পুলিশ ও গরুব্যাপারীদের বরাতে জানা যায়, জয়পুরহাট থেকে ৩০টি গরু নিয়ে কুমিল্লার হোমনার উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছিল ট্রাকটি। ভোররাতের দিকে বাইপাইল এলাকায় পৌঁছালে তিনটি মাইক্রোবাসে থাকা ডাকাতদের একটি দল ট্রাকের গতিরোধ করে। মুহূর্তেই তারা ট্রাকে থাকা পাঁচ গরুব্যাপারী, চালক ও সহকারীকে মারধর করে হাত-পা বেঁধে রাস্তার পাশে ফেলে রেখে গরুবোঝাই ট্রাকটি নিয়ে পালিয়ে যায়।

    খবর পেয়ে আশুলিয়া থানা পুলিশ দ্রুত অভিযান শুরু করে এবং আশপাশের বিভিন্ন সড়কে চেকপোস্ট বসানো হয়। পরে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ময়মনসিংহ বাইপাসের পাশে ফেলে রাখা অবস্থায় ট্রাকটি পাওয়া যায়। তবে ট্রাকের ভেতরের পাঁচটি গরুর মৃত্যু–ঘটনা তদন্তকে আরও জটিল করে তুলেছে।

    গরুব্যাপারী আব্দুর রহিম জানান, আমরা পাঁচজন মিলে মোট ৩০টি গরু কিনে কুমিল্লার উদ্দেশে যাচ্ছিলাম। ডিইপিজেড এলাকার আল-আমীন মাদ্রাসার কাছে পৌঁছাতেই ডাকাতরা আমাদের ওপর হামলা চালায়। হাত-পা বেঁধে রাস্তার পাশে ফেলে রেখে সব গরুসহ ট্রাক নিয়ে যায়। আমার সাতটি গরুর সঙ্গে নগদ এক লাখ ৩০ হাজার টাকাও ছিল। সবাই মিলে বড় ক্ষতির মুখে পড়েছি।

    লুট হওয়া গরুর মধ্যে আব্দুর রহিমের ৭টি, মোশারফের ১০টি, রহমানের ৬টি এবং রহিমের ৭টি গরু ছিল বলে নিশ্চিত করেন ব্যবসায়ীরা।

    আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল হান্নান বলেন, ডাকাতচক্রকে শনাক্তে আমরা প্রাথমিকভাবে কিছু তথ্য পেয়েছি। বাকি গরু উদ্ধারের পাশাপাশি মূল চক্রকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

  • সাভারে ডিবির অভিযানে ৪০০ ইয়াবাসহ দুই কারবারি আটক

    সাভারে ডিবির অভিযানে ৪০০ ইয়াবাসহ দুই কারবারি আটক

    আলমাস হোসাইন (ঢাকা) প্রতিনিধি:

    রাজধানীর উপকণ্ঠ সাভারে গোয়েন্দা পুলিশের তৎপরতায় ব্যর্থ হলো মাদক কারবারিদের ইয়াবা বিস্তার পরিকল্পনা। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত সফল অভিযানে ইয়াবাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে ঢাকা জেলা উত্তর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের একটি আভিযানিক দল। এ সময় তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয় মোট ৪০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট।

    শনিবার (২৯ নভেম্বর) সকাল ৮টার দিকে সাভারের রেডিও কলোনি এলাকায় সন্দেহভাজন অবস্থানে থাকা ওই দুই ব্যক্তিকে ঘিরে অভিযান পরিচালনা করা হয়। দীর্ঘদিন ধরে এলাকাটিতে মাদক কারবারিদের বিচরণ বেড়ে যাওয়ার অভিযোগের পর বিশেষ নজরদারি বাড়ানো হয়েছিল বলে ডিবি সূত্র জানায়।

    আটককৃতরা হলেন—ফরিদপুর জেলার আলফাডাঙ্গা থানার উথুলি এলাকার মৃত আ. ওয়াহাবের ছেলে মো. সোহরাব (৪১) এবং কক্সবাজার জেলার চকরিয়া থানার শান্তিনগর হারবাং এলাকার আনোয়ার হোসেনের ছেলে মোহাম্মদ হাসান (২৪)। তাদের মধ্যে সোহরাব দীর্ঘদিন ধরে সাভারের উত্তরপাড়া এলাকার একটি ভাড়া বাসায় অবস্থান করছিলেন। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, তারা দুজনই বিভিন্ন এলাকায় ইয়াবা সরবরাহ ও বেচাকেনার সঙ্গে জড়িত।

    ঢাকা জেলা উত্তর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ জানায়, ভোরে পাওয়া একটি গোপন খবরে জানা যায়—সাভার রেডিও কলোনি এলাকায় কয়েকজন মাদক ব্যবসায়ী ইয়াবা ট্যাবলেট ক্রয়–বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে জড়ো হয়েছে। তথ্যের সত্যতা যাচাই শেষে ডিবির বিশেষ টিম দ্রুত অভিযান চালিয়ে ঘটনাস্থল থেকে দুই কারবারিকে আটক করে। পরে তাদের দেহ তল্লাশি করে ৪০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।

    ডিবির অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. জালাল উদ্দিন বলেন, এ ধরনের মাদকবিরোধী অভিযান নিয়মিতভাবে চালানো হচ্ছে এবং মাদক চক্রের মূল হোতাদের শনাক্ত করতে গোয়েন্দা নজরদারি আরও বৃদ্ধি করা হয়েছে। আটককৃতদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে সাভার মডেল থানায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।

    তিনি আরও বলেন, মাদক নির্মূলে আমরা জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছি। এলাকায় শান্তি–শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।

    স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সাম্প্রতিক সময়ে রেডিও কলোনি এলাকায় মাদক ব্যবসার বিস্তার নিয়ে উদ্বেগ ছিল। ডিবি পুলিশের এই সফল অভিযান এলাকার বাসিন্দাদের মাঝে স্বস্তি ফিরিয়ে এনেছে।

  • সাভারে ডিবি পুলিশের অভিযানে চোলাই মদসহ এক ব্যক্তি আটক

    সাভারে ডিবি পুলিশের অভিযানে চোলাই মদসহ এক ব্যক্তি আটক

    আলমাস হোসাইন (ঢাকা) প্রতিনিধি:

    ঢাকার সাভারে বিশেষ অভিযানে চোলাই মদসহ দুদু মিয়া (৬৫) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করেছে ঢাকা জেলা উত্তর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে সাভার মডেল থানার ফিরিঙ্গিকান্দা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। তার হেফাজত থেকে ৬০ লিটার চোলাই মদ জব্দ করা হয়েছে।

    বুধবার সকালে এ তথ্য নিশ্চিত করেন ঢাকা জেলা উত্তর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ জালাল উদ্দিন।

    ডিবি পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে যে ফিরিঙ্গিকান্দা এলাকায় কিছু ব্যক্তি চোলাই মদ ক্রয়–বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে জড়ো হয়েছে। পরে সেখানে অভিযান পরিচালনা করে দুদু মিয়াকে আটক করা হয়।

    আটক দুদু মিয়া সাভারের ফিরিঙ্গিকান্দা এলাকার মৃত আব্দুল হাসিমের ছেলে।

    ওসি মোঃ জালাল উদ্দিন জানান, মাদক নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত রয়েছে। আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে সাভার মডেল থানায় নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।