Author: DBC

  • আমতলীতে শুভ সন্ধ্যা সমুদ্র সৈকতে নিখোঁজ দাখিল ফলপ্রার্থীর মরদেহ উদ্ধার দুই জেলে নিখোঁজ

    আমতলী (বরগুনা) প্রতিবেদন:
    তালতলী শুভ সন্ধ্যা সমুদ্র সৈকতে নিখোঁজ পর্যটক দাখিল ফলপ্রার্থী আসাদুলের মরদেহ চারদিন পর উদ্ধার করা হয়েছে। শুক্রবার দুপুরে তালতলী নিন্দ্রা সকিনা নৌ-পুলিশ তাদের উদ্ধার করে ফাড়িতে আনে। ওইদিন সন্ধ্যায় তার মরদেহ ময়না তদন্তের জন্য বরগুনা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

    ময়না তদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে বলে জানান নিন্দ্রা সকিনা নৌ-ফাড়ির ইনচার্জ সাগর ভদ্র। এমন ঘটনায় তিন পরিবারের স্বজনদের মধ্যে শোকের মাতম বইছে। একমাত্র ছেলে আসাদুলকে হারিয়ে দিশেহারা মা মরিয়ম বেগম। জানাগেছে, আমতলী উপজেলার মানিকঝুড়ি গ্রামের সৌদি প্রবাসী মুছা হাওলাদারের একমাত্র ছেলে দাখিল ফলপ্রার্থী মো. আসাদুল। গত সোমবার তালতলীতে তার এক ভগ্নিপতির বাড়ীতে বেড়াতে যায় আসাদুল।

    পরের দিন মঙ্গলবার বেলা ১১ টার দিকে আসাদুল, জাকারিয়া, আতাউল্লাহ,শাওন ও সাগর পাঁচ বন্ধু মিলে তালতলী উপজেলার শুভ সন্ধ্যা সমুদ্র সৈকতে ভ্রমনে যায়। ওইদিন দুপুরে তারা সাগরে সাতার কাটতে নামে। এ সময় তারা সাগরের ঢেউয়ে তলিয়ে যায়। স্থানীয়রা দেখে চারজনকে উদ্ধার করে কিন্তু আসাদুলকে উদ্ধার করতে পারেনি। ঘটনার চারদিন পর শুক্রবার দুপুরে নিখোঁজ আসাদুলের মরদেহ ডিসি পয়েন্টের চরে পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা।

    পরে তারা নৌ পুলিশে খবর দেয়। পুলিশ গিয়ে তার মরদেহ উদ্ধার করে নিন্দ্রা সকিনা নৌ-পুলিশ ফাড়িতে নিয়ে আসে। ওইদিন সন্ধ্যায় তার মরদেহ ময়না তদন্তের জন্য বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় অপমৃত্যু মামলা হয়। আসাদুল আমতলী উপজেলার মানিকঝুড়ি মোহাম্মাদিয়া দাখিল মাদ্রাসা থেকে এ বছর দাখিল পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন।

    আগামী ২০ জুলাই তার ফল প্রকাশিত হবে। অপর দিকে একই দিনে বৈরি আবহাওয়া উপেক্ষা করে তালতলী উপজেলার মধ্য আমখোলা গ্রামের তপন জোমাদ্দার ও ফুল মিয়ার দুইটি ট্রলার ১৮ জন জেলেসহ সাগরে ইলিশ শিকার করতে যায়। ওইদিন বিকেলে ট্রলার দুইটি সাগরে ডুবে যায়। পরের দিন অর্থ্যাৎ বুধবার সকালে ডুবে যাওয়া ১৮ জেলের মধ্যে ১৬ জনকে একটি ফিসিং ট্রলার উদ্ধার করে কিনারে নিয়ে আসে।

    কিন্তু কালাম পাইকার ও শহীদুল খাঁন নামের দুই জেলেকে উদ্ধার করতে পারেনি।শুক্রবার সন্ধ্যা পর্যন্ত চার দিন পেরিয়ে গেলেও তাদের এখন খোজ মিলেনি বলে জানান নিন্দ্রা সকিনা কোষ্টগার্ট কন্টিনেন্ট কমান্ডার আশরাফুল আলম। তালতলী নিন্দ্রা সকিনা কোষ্টগার্ড কন্টিজেন্ট কমান্ডার আশরাফুল আলম বলেন, চারদিন ধরে নিখোঁজ দুই জেলের উদ্ধারে অভিযান চালাচ্ছি। কিন্তু এখনো তাদের কোন খোঁজ মিলেনি। তালতলী নিন্দ্রা সকিনা নৌ-পুলিশ ফাড়ির ইনচার্জ সাগর ভদ্র বলেন, নিখোঁজ পর্যটকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

    মরদেহ ময়না তদন্তের জন্য বরগুনা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। তিনি আরো বলেন, এ ঘটনায় ফাড়িতে অপমৃত্যু মামলা হয়েছে। ময়না তদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

  • চারদিন পর তালতলী শুভ সন্ধ্যা সমুদ্র সৈকতে নিখোঁজ দাখিল ফলপ্রার্থীর মরদেহ উদ্ধার। এখনো দুই জেলে নিখোঁজ

    আমতলী (বরগুনা) প্রতিবেদন :

    তালতলী শুভ সন্ধ্যা সমুদ্র সৈকতে নিখোঁজ পর্যটক দাখিল ফলপ্রার্থী আসাদুলের মরদেহ চারদিন পর উদ্ধার করা হয়েছে। শুক্রবার দুপুরে তালতলী নিন্দ্রা সকিনা নৌ-পুলিশ তাদের উদ্ধার করে ফাড়িতে আনে। ওইদিন সন্ধ্যায় তার মরদেহ ময়না তদন্তের জন্য বরগুনা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়না তদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে বলে জানান নিন্দ্রা সকিনা নৌ-ফাড়ির ইনচার্জ সাগর ভদ্র। এমন ঘটনায় তিন পরিবারের স্বজনদের মধ্যে শোকের মাতম বইছে। একমাত্র ছেলে আসাদুলকে হারিয়ে দিশেহারা মা মরিয়ম বেগম। জানাগেছে, আমতলী উপজেলার মানিকঝুড়ি গ্রামের সৌদি প্রবাসী মুছা হাওলাদারের একমাত্র ছেলে দাখিল ফলপ্রার্থী মো. আসাদুল। গত সোমবার তালতলীতে তার এক ভগ্নিপতির বাড়ীতে বেড়াতে যায় আসাদুল। পরের দিন মঙ্গলবার বেলা ১১ টার দিকে আসাদুল, জাকারিয়া, আতাউল্লাহ,শাওন ও সাগর পাঁচ বন্ধু মিলে তালতলী উপজেলার শুভ সন্ধ্যা সমুদ্র সৈকতে ভ্রমনে যায়। ওইদিন দুপুরে তারা সাগরে সাতার কাটতে নামে। এ সময় তারা সাগরের ঢেউয়ে তলিয়ে যায়। স্থানীয়রা দেখে চারজনকে উদ্ধার করে কিন্তু আসাদুলকে উদ্ধার করতে পারেনি। ঘটনার চারদিন পর শুক্রবার দুপুরে নিখোঁজ আসাদুলের মরদেহ ডিসি পয়েন্টের চরে পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা। পরে তারা নৌ পুলিশে খবর দেয়। পুলিশ গিয়ে তার মরদেহ উদ্ধার করে নিন্দ্রা সকিনা নৌ-পুলিশ ফাড়িতে নিয়ে আসে। ওইদিন সন্ধ্যায় তার মরদেহ ময়না তদন্তের জন্য বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় অপমৃত্যু মামলা হয়। আসাদুল আমতলী উপজেলার মানিকঝুড়ি মোহাম্মাদিয়া দাখিল মাদ্রাসা থেকে এ বছর দাখিল পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন। আগামী ২০ জুলাই তার ফল প্রকাশিত হবে। অপর দিকে একই দিনে বৈরি আবহাওয়া উপেক্ষা করে তালতলী উপজেলার মধ্য আমখোলা গ্রামের তপন জোমাদ্দার ও ফুল মিয়ার দুইটি ট্রলার ১৮ জন জেলেসহ সাগরে ইলিশ শিকার করতে যায়। ওইদিন বিকেলে ট্রলার দুইটি সাগরে ডুবে যায়। পরের দিন অর্থ্যাৎ বুধবার সকালে ডুবে যাওয়া ১৮ জেলের মধ্যে ১৬ জনকে একটি ফিসিং ট্রলার উদ্ধার করে কিনারে নিয়ে আসে। কিন্তু কালাম পাইকার ও শহীদুল খাঁন নামের দুই জেলেকে উদ্ধার করতে পারেনি।শুক্রবার সন্ধ্যা পর্যন্ত চার দিন পেরিয়ে গেলেও তাদের এখন খোজ মিলেনি বলে জানান নিন্দ্রা সকিনা কোষ্টগার্ট কন্টিনেন্ট কমান্ডার আশরাফুল আলম। তালতলী নিন্দ্রা সকিনা কোষ্টগার্ড কন্টিজেন্ট কমান্ডার আশরাফুল আলম বলেন, চারদিন ধরে নিখোঁজ দুই জেলের উদ্ধারে অভিযান চালাচ্ছি। কিন্তু এখনো তাদের কোন খোঁজ মিলেনি। তালতলী নিন্দ্রা সকিনা নৌ-পুলিশ ফাড়ির ইনচার্জ সাগর ভদ্র বলেন, নিখোঁজ পর্যটকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মরদেহ ময়না তদন্তের জন্য বরগুনা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। তিনি আরো বলেন, এ ঘটনায় ফাড়িতে অপমৃত্যু মামলা হয়েছে। ময়না তদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

  • খাদ্য বর্জ্য থেকেই মাছের খাদ্য, কুবি শিক্ষার্থীদের ব্যতিক্রমী উদ্যোগ

    কুবি প্রতিনিধি:
    হোটেল, রেস্তোরাঁ ও বাসাবাড়ির খাবারের উচ্ছিষ্ট আর শুধু বর্জ্য নয়। সেই খাদ্য বর্জ্যই এখন রূপ নিচ্ছে উচ্চ প্রোটিনসমৃদ্ধ ও পরিবেশবান্ধব মাছের খাদ্যে। ব্ল্যাক সোলজার ফ্লাই (বিএসএফ) লার্ভা ব্যবহার করে এমনই একটি উদ্ভাবনী উদ্যোগ বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল শিক্ষার্থী। পরিবেশ দূষণ কমানো, খাদ্য বর্জ্যের কার্যকর ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা এবং স্বল্প ব্যয়ে বিকল্প মাছের খাদ্য উৎপাদনের লক্ষ্যেই তাদের এ উদ্যোগ।

    উদ্যোগটি নিয়েছেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের নৃবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী আবেদ হোসেন, শাকিল আহমেদ, মুক্তিব হাসান জনি, নাজমুল হাসান চৌধুরী। ফাইন্যান্স বিভাগের কাওছার আহমেদ শাহীন এবং পরিসংখ্যান বিভাগের জয়া ভৌমিক এবং কুমিল্লা সরকারি ভিক্টোরিয়া কলেজের শিক্ষার্থী ফখরুল ইসলাম এবং আদেল হোসাইন।

    উদ্যোক্তারা জানান, বিভিন্ন উৎস থেকে সংগ্রহ করা খাবারের উচ্ছিষ্ট নির্দিষ্ট প্রক্রিয়ায় ব্ল্যাক সোলজার ফ্লাই লার্ভার খাদ্য হিসেবে ব্যবহার করা হয়। কয়েক দিনের মধ্যেই লার্ভাগুলো উচ্চ প্রোটিনসমৃদ্ধ জৈব উপাদানে পরিণত হয়। পরে সেগুলো প্রক্রিয়াজাত করে মাছের জন্য মানসম্মত খাদ্য উৎপাদন করা হয়। এতে একদিকে খাদ্য বর্জ্যের পুনর্ব্যবহার নিশ্চিত হচ্ছে, অন্যদিকে মাছের খাদ্য উৎপাদনের ব্যয়ও কমানো সম্ভব হচ্ছে।

    উদ্যোক্তাদের মতে, দেশে মাছের খাদ্য উৎপাদনে প্রচলিত কাঁচামালের ওপর নির্ভরশীলতা কমাতে এই উদ্যোগ কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। পাশাপাশি খাদ্য বর্জ্যের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং টেকসই কৃষি ও মৎস্য খাতের উন্নয়নেও এটি নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন তারা।

    এবিষয়ে উদ্যোক্তা শাকিল আহমেদ বলেন, “আমরা এমন একটি প্রযুক্তিনির্ভর পদ্ধতি ব্যবহার করছি, যেখানে খাদ্য বর্জ্যকে সম্পদে রূপান্তর করা হচ্ছে। এতে পরিবেশের ওপর চাপ কমার পাশাপাশি কম খরচে পুষ্টিকর মাছের খাদ্য উৎপাদন সম্ভব হচ্ছে।”

    আরেক উদ্যোক্তা আবেদ হোসেন বলেন, “আমাদের উদ্যোগের মূল লক্ষ্য শুধু বিকল্প মাছের খাদ্য উৎপাদন নয়। বরং খাদ্য অপচয় কমানো, জৈব বর্জ্যের কার্যকর ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা, পরিবেশ দূষণ হ্রাস এবং টেকসই মৎস্যচাষে অবদান রাখা। একই সঙ্গে প্রচলিত ফিশমিলের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে পরিবেশবান্ধব উৎপাদন ব্যবস্থা গড়ে তোলাও আমাদের উদ্দেশ্য।

  • মাদককে না বলি স্লোগানে ফুলসূতীতে মাদকবিরোধী পদযাত্রা

    ফরিদপুর প্রতিনিধি:
    “মাদককে না বলি”-এই স্লোগানকে সামনে রেখে ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার ফুলসূতী ইউনিয়নে মাদকবিরোধী পদযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    শুক্রবার (১০ জুলাই) বিকেলে ফুলসূতী ফুটবল একাডেমির উদ্যোগে ফুলসূতী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ থেকে পদযাত্রাটি শুরু হয়ে ইউনিয়নের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

    পদযাত্রায় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ, শিক্ষার্থী, যুবসমাজ, ক্রীড়াপ্রেমী এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা অংশগ্রহণ করেন। এ সময় অংশগ্রহণকারীরা মাদকের ভয়াবহতা সম্পর্কে জনসচেতনতা তৈরিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন এবং সমাজ থেকে মাদক নির্মূলে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান।

    আয়োজকদের বক্তব্যে বলা হয়, মাদক একটি পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রের জন্য ভয়াবহ অভিশাপ। তরুণ প্রজন্মকে মাদকের করাল গ্রাস থেকে রক্ষা করতে খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক চর্চা এবং সচেতনতামূলক কার্যক্রমের কোনো বিকল্প নেই। সেই লক্ষ্যেই ফুলসূতী ফুটবল একাডেমি এ কর্মসূচির আয়োজন করেছে।

    স্থানীয় বাসিন্দারা এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, নিয়মিত এ ধরনের সচেতনতামূলক কর্মসূচি আয়োজন করা হলে তরুণদের মধ্যে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে এবং একটি সুস্থ, সুন্দর ও মাদকমুক্ত সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব হবে।

  • পদুয়ায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের মাঝে ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষে ত্রাণ সহায়তা প্রদান।


    লোহাগাড়ার চট্টগ্রাম জেলা প্রতিনিধি :

    বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ লোহাগাড়ার বিভিন্ন এলাকার মানুষ।তারই ধারাবাহিকতায় লোহাগাড়া উপজেলার পদুয়া ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষ থেকে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের মাঝে ত্রাণ সহায়তা বিতরণ করা হয়েছে।

    ১০জুলাই বেলা ৩টার দিকে ইউপির ৪নাম্বার ওয়ার্ডের বিভিন্ন এলাকায় দরিদ্র পরিবারের মাঝে ত্রাণ সহায়তা প্রদান করা হয়।

    এসময় পদুয়া ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান লেয়াকত আলী, ইউপি সদস্য শব্বির আহমদ ও আমানুল হক আমানসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

    এর পুর্বে পদুয়ার বিভিন্ন ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের মাঝে ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষ থেকে ত্রাণ সহায়তা প্রদান করা হয়েছে।

  • খাগড়াছড়ির মহালছড়িতে এক নারীর অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার


    খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি:
    খাগড়াছড়ির মহালছড়ি উপজেলায় জঙ্গল থেকে এক অজ্ঞাতনামা নারীর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
    (১০ জুলাই) শুক্রবার উপজেলা ২৪ মাইল এলাকার একটি গভীর জঙ্গল থেকে এই মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় বাসিন্দাদের মাঝে তীব্র আতঙ্ক ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায় , ২৪ মাইল এলাকায় অবস্থিত কলেজের ঠিক বিপরীত পাশে এবং মূড়া পাড়ার একটি জঙ্গল থেকে গত কয়েকদিন ধরে তীব্র দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছিল। দুর্গন্ধের উৎস খুঁজতে গিয়ে স্থানীয় লোকজন জঙ্গলের ভেতরে একটি অর্ধ গলিত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে মহালছড়ি থানা পুলিশকে জানানো হলে, পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহটি উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে।

    মরদেহটি সম্পূর্ণ বিকৃত ও অর্ধগলিত হয়ে যাওয়ায় তাৎক্ষণিকভাবে তার নাম-পরিচয় নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি। তবে স্থানীয়দের প্রাথমিক ধারণা, মৃত নারী একজন পাহাড়ি এবং সম্ভবত তিনি মারমা সম্প্রদায় হতে পারে। পুলিশে ধারণা নিহতের বয়স আনুমানিক ৩৫ বছর।

    মহালছড়ি থানা পুলিশ জানায়, মরদেহের পরিচয় শনাক্ত করাটাই এখন তাদের প্রধান চ্যালেঞ্জ। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এটি হত্যাকাণ্ড নাকি অন্য কিছু তা উদঘাটনে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য খাগড়াছড়ি আধুনিক জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হচ্ছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলেই মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।
    এদিকে, লোকালয়ের কাছাকাছি জঙ্গল থেকে এভাবে নারীর লাশ উদ্ধারের ঘটনায় স্থানীয়দের মনে নানা প্রশ্নের উঠেছে । এলাকাবাসী এই ঘটনার একটি সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ এবং দ্রুত তদন্ত দাবি জানিয়েছেন।

  • খাগড়াছড়িতে বৃষ্টি ও উজানের ঢলে কারণে তিনটি সড়কে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন

    খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি:
    খাগড়াছড়িতে থেমে থেমে প্রচুর বৃষ্টি ও উজানের ঢলে কারণে জেলার তিনটি গুরুত্বপূর্ণ সড়কে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন আছে । জেলা প্রশাসন জানান, খাগড়াছড়ির সঙ্গে রাঙামাটি ও মহালছড়ির যোগাযোগ ও দীঘিনালার সঙ্গে সাজেক লংগদু উপজেলার যোগাযোগ এখনও বিচ্ছিন্ন রয়েছে । এছাড়াও আশ্রয় কেন্দ্রগুলো থেকে খাগড়াছড়ি বাড়িঘরে ফিরলেও দুর্ভোগে পড়ছে স্থানীয় লোকজন।

    কৃষি বিভাগের উপপরিচালক নাসির উদ্দিন চৌধুরী জানান, দীঘিনালায় মাইনি নদীর পানি এখনো অপরিবর্তিত থাকলেও চেংগী নদীর পানি নামতে শুরু করেছে। ভারী বৃষ্টিপাতে আউশ ধান ১৩৮ হেক্টর আমান বীজ তলা ২০২ ও ১৪৩ হেক্টর সবজি ক্ষতি হয়েছে।

    খাগড়াছড়ির সঙ্গে রাঙামাটি ও মহালছড়ির যোগাযোগ ও দীঘিনালার সঙ্গে সাজেক লংগদু উপজেলার যোগাযোগ এখনও বিচ্ছিন্ন আছে।
    এদিকে থেমে থেমে বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকায় আবারও বাড়তে পারে চেঙ্গী ও মাইনি নদীর পানি। খাগড়াছড়ি সদরে গঞ্জপাড়া, গোলাবাড়ি, কলেজগেইট, শব্দ মিয়া পাড়াসহ ও দীঘিনালা উপজেলার নিম্নাঞ্চলের বেশ কয়েকটি গ্রামে এখনও পানি জমে রয়েছে। এখনো আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান করছে অনেক পরিবার। প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাদের খাবারসহ প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।

    এরই মধ্যে খাগড়াছড়ির শালবন, সবুজবাগ, কুমিল্লা টিলাসহ বিভিন্ন এলাকায় পাহাড় ধসের ঘটনা ঘটেছে। তবে এখন পর্যন্ত কোথাও হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
    জেলা প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, খাগড়াছড়িতে মোট ১৩৫টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী সেগুলোতে দুর্গত মানুষকে আশ্রয় দেওয়া হচ্ছে।
    খাগড়াছড়ি সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারিয়া সুলতানা জানিয়েছেন, প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিভিন্ন স্থানে ত্রাণ দেওয়া হচ্ছে। একইভাবে জেলা পরিষদ ও জেলা বিএনপি, সামাজিক সংগঠন বাংলাদেশ মারমা ঐক্য পরিষদসহ পৃথক পৃথকভাবে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করছে।

  • অবৈধ বালি উত্তোলন বন্ধ করেছি, এবার পাহাড় কাটাও বন্ধ করব – হুমাম কাদের চৌধুরী এমপি…

    , রাঙ্গুনিয়া প্রতিনিধিঃ

    রাঙ্গুনিয়ায় বন্যাদুর্গত এলাকা ও পাহাড় ধস পরিদর্শনে এসে রাঙ্গুনিয়ার সাংসদ হুমাম কাদের চৌধুরী বলেন অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ করেছি, এবার পাহাড় কাটাও বন্ধ করব।

    শুক্রবার ১০ জুলাই সকালে রাঙ্গুনিয়া পৌরসভার ১ ও ৩ নং ওয়ার্ড পাহাড় ধসে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের খুঁজ ও তাদের মাঝে ত্রাণ সামগ্রি উপহার দেন।

    এসময় পাহাড় ধসে নিহত ৩ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা রেনু আকতারের পরিবারের সাথে দেখা করে তাদের সমবেদনা জানান এবং তাদের পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস প্রদান করেন।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন রাঙ্গুনিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার জনাব নাজমুল হাসান, পৌরসভা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক হেলাল উদ্দিন শাহ,রাঙ্গুনিয়া উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক হাজী ইলিয়াস, ভিপি আনসুর উদ্দিন সহ উপজেলা ও পৌরসভা বিএনপির অসংখ্য নেতাকর্মী ও স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

    এসময় রাঙ্গুনিয়ার সাংসদ হুমাম কাদের চৌধুরীর পক্ষ হতে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে ত্রাণ সামগ্রি উপহার দেওয়া হয়।

  • রাজশাহীতে দেড় মাসেই ভেঙে গেল নতুন কালভার্ট


    রাজশাহী জেলা প্রতিনিধি:
    রাজশাহীর কেশরহাট পৌর বাজার থেকে কামারগাঁগামী সড়কের দর্শনপাড়া এলাকায় নির্মিত নতুন একটি কালভার্ট নির্মাণের মাত্র দেড় মাসের মধ্যেই ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে ভেঙে পড়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এতে স্থানীয়দের মধ্যে চরম ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে।
    স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দর্শনপাড়া মহল্লায় সড়কের ওপর নির্মিত কালভার্টটির একটি অংশ অল্প সময়ের মধ্যেই ভেঙে যায়। বর্তমানে ওই অংশ দিয়ে যানবাহন চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। প্রতিদিন এ সড়ক ব্যবহার করে বিপুল সংখ্যক মানুষ যাতায়াত করলেও এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনো সংস্কার উদ্যোগ দেখা যায়নি বলে অভিযোগ এলাকাবাসীর।

    স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করে বলেন, এত অল্প সময়ের মধ্যে একটি নতুন নির্মাণকাজ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। তাদের ধারণা, নির্মাণকাজে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার অথবা যথাযথ তদারকির অভাবের কারণেই এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।
    এলাকাবাসী দ্রুত বিষয়টি তদন্ত করে প্রকৃত কারণ উদঘাটন, দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ক্ষতিগ্রস্ত কালভার্টটি দ্রুত পুনর্নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন।
    এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তীতে যুক্ত করা হবে । ভাঙ্গা অংশে এলাকাবাসী গাছের ডাল পুতে রাখে । যাতে যানবাহন চলাচলের সময় ভাঙ্গা অংশ দিয়ে চলাচল না করে ।

  • চট্টগ্রামের রাউজানে নালার স্রোতে ভেসে গিয়ে তিন বছর বয়সী এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় উপজেলার ডাবুয়া ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে এ ঘটনা ঘটে। শিশুটি দাদার পেছনে পেছনে একটি দোকানে যাচ্ছিল।


    লোহাগাড়ার চট্টগ্রাম জেলা প্রতিনিধি:

    শিশুর নাম মোহাম্মদ মোস্তাকিম। সে ওই এলাকার মোহাম্মদ পারভেজ হোসেনের ছেলে। গত চার দিনের টানা বর্ষণে নালার স্রোত বেশি থাকায় সে ভেসে যায়।

    স্থানীয় লোকজন ও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গতকাল শিশু মোস্তাকিম দাদা আনোয়ার হোসেনের সঙ্গে দোকানে যাওয়ার জন্য ঘর থেকে বের হয়েছিল। দাদার পেছনে পেছনে যাওয়ার এক পর্যায়ে সড়কের পাশে পানি চলাচলের নালার স্রোতে পড়ে কিছুদূর ভেসে যায় সে। পরে স্থানীয় এক সিএনজিচালিত অটোরিকশাচালক তাকে দেখতে পান। এরপর শিশুটিকে উদ্ধার করে স্থানীয় একটি বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

    ডাবুয়া ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ইয়াছমিন আকতার শিশুর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, ‘শিশুটি তার দাদার পেছনে পেছনে একটি দোকানের দিকে যাচ্ছিল। বৃষ্টির কারণে নালায় স্রোত থাকায় পড়ে গিয়ে শিশুটি ভেসে যায়। পরে আমার গাড়িতে করেই শিশুটিকে হাসপাতালে নিয়ে যাই। তবে তাকে বাঁচানো যায়নি।’