Author: DBC

  • ‎মির্জাপুরে সরকারি রাস্তার কার্পেটিং কাজে অনিয়ম করার অপরাধে শোকজ ‎

    মির্জাপুর, টাঙ্গাইল প্রতিনিধি:
    ‎টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে রাস্তার কাজে অনিয়মের অভিযোগে বিল আটকে দিলেন উপজেলা প্রকৌশলী মনিরুল সাজ রিজন। রবিবার (৫ জুলাই ২৬) তিনি সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারকে লিখিত ভাবে বিল আটকে দেওয়া সহ কাজের তদারকির সাথে জড়িত উপ-সহকারী প্রকৌশলী ও কার্যসহকারীকে লিখিত ভাবে শোকজ করেন।
    ‎
    ‎সরেজমিনে দেখা যায় যে, ঢাকা টাংগাইল মহাসড়ক থেকে নেমে আসা বৃষ্টির পানির ঢলে রাস্তার পুরাতন ড্রেন ওভারফ্লো হয়ে রাস্তায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়ে কার্পেটিং নষ্ট হয়ে গেছে।
    ‎
    ‎স্থানীয়দের অভিযোগ ছিল, বৃষ্টির পর সড়কের বিভিন্ন স্থানে পিচ আলগা হয়ে যায়। কোথাও হাত দিয়েই তুলে ফেলা যাচ্ছে, আবার যানবাহন চলাচলের সময় গাড়ির চাকার সঙ্গে উঠে আসছে পিচ। এতে একদিকে যেমন জনদুর্ভোগ বাড়ছে, অন্যদিকে সরকারের উন্নয়ন ব্যয় নিয়েও প্রশ্ন তুলেছিলেন স্থানীয়রা। তাদের দাবি, নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার এবং কাজে অনিয়মের কারণেই নতুন সড়কের এমন বেহাল অবস্থার সৃষ্টি হয়। কাদার উপর সামান্য খোয়া ও বালি দিয়ে তড়িঘড়ি করে কার্পেটিং করা হয়েছিল। ফলে সামান্য বৃষ্টিতেই সেই কার্পেটিং নষ্ট হয়ে গেছে। উক্ত রাস্তার কাজে ৪৬০ মিটার সড়কটির পুনর্নির্মাণে ব্যয় ধরা হয়েছে ১৫ লক্ষ টাকা। কাজটি বাস্তবায়ন করেছে বিসমিল্লাহ এন্টারপ্রাইজ।
    ‎
    ‎তথ্য মতে জানা যায়, উপজেলার ইউনিয়নের গোড়াই থেকে রাকের টেকি পর্যন্ত সড়কের পুন-র্নির্মাণ কাজ শেষ হওয়ার মাত্র সাত দিনের মাথায় বৃষ্টিতেই উঠে যেতে শুরু করেছে নতুন পিচ। কোথাও হাত দিলেই উঠে আসছে কার্পেটিং, আবার যানবাহন চলাচলের সময় গাড়ির চাকার সঙ্গে উঠে যাচ্ছিল পিচ। এতে নতুন সড়ক দ্রুত ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছিল। স্থানীয়দের অভিযোগ, নিম্নমানের কাজের কারণেই এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছিল।
    ‎
    ‎অনিয়ম এর বিষয় জানতে পেরে উপজেলা প্রকৌশলী মনিরুল সাজ রিজন উক্ত সাইট পরিদর্শন করেন এবং ঠিকাদার এর সকল বিল আটকে দেন। এছাড়া উক্ত কাজের তদারকির কাজে নিয়োজিত উপ-সহকারী প্রকৌশলী ও কার্যসহকারীকে লিখিত ভাবে শোকজ করেন।
    ‎
    ‎এব্যাপারে মির্জাপুর উপজেলা প্রকৌশলী আরো জানান যে, ঠিকাদারকে কোনভাবেই কোন বিল প্রদান করা হবেনা এবং উক্ত রাস্তার সম্পূর্ণ কার্পেটিং ঠিকাদারকে করে দিতে হবে। ঠিকাদার কার্পেটিং পুনরায় না করলে তাকে আর্থিকভাবে জরিমানা করা সহ তাকে কালো তালিকা ভুক্ত করা হবে। সরকারি রাস্তার কাজে কোন অনিয়ম সহ্য করা হবে না বলেও জানান উপজেলা প্রকৌশলী।

  • ‎মির্জাপুরে সরকারি রাস্তার কার্পেটিং কাজে অনিয়ম করার অপরাধে শোকজ ‎


    মির্জাপুর, টাঙ্গাইল প্রতিনিধি:
    ‎
    ‎টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে রাস্তার কাজে অনিয়মের অভিযোগে বিল আটকে দিলেন উপজেলা প্রকৌশলী মনিরুল সাজ রিজন। রবিবার (৫ জুলাই ২৬) তিনি সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারকে লিখিত ভাবে বিল আটকে দেওয়া সহ কাজের তদারকির সাথে জড়িত উপ-সহকারী প্রকৌশলী ও কার্যসহকারীকে লিখিত ভাবে শোকজ করেন।
    ‎
    ‎সরেজমিনে দেখা যায় যে, ঢাকা টাংগাইল মহাসড়ক থেকে নেমে আসা বৃষ্টির পানির ঢলে রাস্তার পুরাতন ড্রেন ওভারফ্লো হয়ে রাস্তায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়ে কার্পেটিং নষ্ট হয়ে গেছে।
    ‎
    ‎স্থানীয়দের অভিযোগ ছিল, বৃষ্টির পর সড়কের বিভিন্ন স্থানে পিচ আলগা হয়ে যায়। কোথাও হাত দিয়েই তুলে ফেলা যাচ্ছে, আবার যানবাহন চলাচলের সময় গাড়ির চাকার সঙ্গে উঠে আসছে পিচ। এতে একদিকে যেমন জনদুর্ভোগ বাড়ছে, অন্যদিকে সরকারের উন্নয়ন ব্যয় নিয়েও প্রশ্ন তুলেছিলেন স্থানীয়রা। তাদের দাবি, নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার এবং কাজে অনিয়মের কারণেই নতুন সড়কের এমন বেহাল অবস্থার সৃষ্টি হয়। কাদার উপর সামান্য খোয়া ও বালি দিয়ে তড়িঘড়ি করে কার্পেটিং করা হয়েছিল। ফলে সামান্য বৃষ্টিতেই সেই কার্পেটিং নষ্ট হয়ে গেছে। উক্ত রাস্তার কাজে ৪৬০ মিটার সড়কটির পুনর্নির্মাণে ব্যয় ধরা হয়েছে ১৫ লক্ষ টাকা। কাজটি বাস্তবায়ন করেছে বিসমিল্লাহ এন্টারপ্রাইজ।
    ‎
    ‎তথ্য মতে জানা যায়, উপজেলার ইউনিয়নের গোড়াই থেকে রাকের টেকি পর্যন্ত সড়কের পুন-র্নির্মাণ কাজ শেষ হওয়ার মাত্র সাত দিনের মাথায় বৃষ্টিতেই উঠে যেতে শুরু করেছে নতুন পিচ। কোথাও হাত দিলেই উঠে আসছে কার্পেটিং, আবার যানবাহন চলাচলের সময় গাড়ির চাকার সঙ্গে উঠে যাচ্ছিল পিচ। এতে নতুন সড়ক দ্রুত ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছিল। স্থানীয়দের অভিযোগ, নিম্নমানের কাজের কারণেই এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছিল।
    ‎
    ‎অনিয়ম এর বিষয় জানতে পেরে উপজেলা প্রকৌশলী মনিরুল সাজ রিজন উক্ত সাইট পরিদর্শন করেন এবং ঠিকাদার এর সকল বিল আটকে দেন। এছাড়া উক্ত কাজের তদারকির কাজে নিয়োজিত উপ-সহকারী প্রকৌশলী ও কার্যসহকারীকে লিখিত ভাবে শোকজ করেন।
    ‎
    ‎এব্যাপারে মির্জাপুর উপজেলা প্রকৌশলী আরো জানান যে, ঠিকাদারকে কোনভাবেই কোন বিল প্রদান করা হবেনা এবং উক্ত রাস্তার সম্পূর্ণ কার্পেটিং ঠিকাদারকে করে দিতে হবে। ঠিকাদার কার্পেটিং পুনরায় না করলে তাকে আর্থিকভাবে জরিমানা করা সহ তাকে কালো তালিকা ভুক্ত করা হবে। সরকারি রাস্তার কাজে কোন অনিয়ম সহ্য করা হবে না বলেও জানান উপজেলা প্রকৌশলী।

  • চট্টগ্রামে বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান এমপি


    লোহাগাড়ার প্রতিনিধি:
    টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলের কারণে চট্টগ্রাম ও পার্শ্ববর্তী পাহাড়ি অঞ্চলে সৃষ্ট ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন মাননীয় বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান এমপি।

    শুক্রবার (১০ জুলাই) সকাল ৮টায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বিমানযোগে চট্টগ্রামে পৌঁছে তিনি সরাসরি বন্যাকবলিত বাঁশখালী উপজেলার বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি পানিবন্দি ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে সার্বিক পরিস্থিতি সম্পর্কে অবগত হন। পরিদর্শনকালে তিনি দেখেন, অনেক ঘরবাড়ি এখনো পানিতে তলিয়ে রয়েছে এবং অসংখ্য পরিবার চরম দুর্ভোগের মধ্যে মানবেতর জীবনযাপন করছে।

    ডা. শফিকুর রহমান বলেন, এই দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো মানবিক ও নৈতিক দায়িত্ব। তিনি সমাজের বিত্তবান ব্যক্তি, বিভিন্ন সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন এবং দেশের সর্বস্তরের মানুষকে নিজ নিজ সামর্থ্য অনুযায়ী বন্যাদুর্গত মানুষের সহায়তায় এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

    পরিদর্শন শেষে তিনি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর মাঝে শুকনো খাবার ও আর্থিক সহায়তা বিতরণ করেন এবং দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আশ্বাস প্রদান করেন।

    উল্লেখ্য, টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলের ফলে চট্টগ্রাম জেলার বিভিন্ন এলাকায় আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসের সৃষ্টি হয়েছে। এতে প্রাণহানির পাশাপাশি বহু পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে এবং ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির কারণে জনজীবন মারাত্মকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে উঠেছে।

    এছাড়াও মাননীয় বিরোধীদলীয় নেতা সাতকানিয়া এবং চট্টগ্রাম মহানগরীর বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করবেন এবং বন্যা কবলিত মানুষের মাঝে শুকনো খাবারসহ বিভিন্ন প্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করবেন।

    আমীরে জামায়াতের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও চট্টগ্রাম অঞ্চল পরিচালক মাওলানা মুহাম্মদ শাহজাহান, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী এমপি, চট্টগ্রাম মহানগরী আমীর মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলার আমীর জনাব আনোয়ারুল আলম চৌধুরী ও চট্টগ্রাম-১৬ আসনের সংসদ সদস্য মাওলানা জহিরুল ইসলাম এমপিসহ মহানগরী ও স্থানীয় বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী।

  • গাজীপুরের শ্রীপুরে দুই শিশু সন্তানকে বিষপান করানোর পর মায়ের বিষপানে আত্মহত্যা চেষ্টা


    গাজীপুর জেলা প্রতিনিধি :

    গাজীপুরের শ্রীপুরে পারিবারিক কলহের জেরে দুই শিশুসন্তানকে বিষ পান করানোর পর নিজে বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন এক নারী। স্বজনেরা টের পেয়ে দ্রুত মা ও শিশুসন্তানদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে দুই শিশুসন্তানের অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়।

    আজ বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলার টেপিরবাড়ি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

    বিষপানে অসুস্থ মনি আক্তার (৩০) নেত্রকোনা জেলার সদর উপজেলার মো. মোবারক হোসেনের স্ত্রী এবং তাঁদের দুই শিশুসন্তান আব্দুল্লাহ (৪) ও মাইশা (২)। তাদের মধ্যে দুই শিশুর অবস্থা আশঙ্কাজনক।

    শিশুর বাবা মোবারক হোসেন জানান, তিনি টেপিরবাড়ি এলাকার স্মার্ট গার্মেন্টসের সামনে জনৈক রতন মিয়ার বাড়িতে ভাড়া থেকে স্থানীয় একটি পোশাক কারখানায় শ্রমিকের কাজ করেন। আজ কর্মস্থল থেকে বাসায় ফিরে এসে দেখতে পান, দুই শিশুসন্তানসহ স্ত্রী বাসার ফ্লোরে গড়াগড়ি করছে। এরপর কীটনাশকের গন্ধ পান। এ সময় দুই শিশুসন্তানের মুখ দিয়ে ফেনা বের হতে দেখেন। এরপর দ্রুত তাদের শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেন। সেখানে দুই শিশুসন্তানের অবস্থার অবনতি হলে মমেক হাসপাতালে রওনা হন।

    বাড়ির মালিকের স্ত্রী বিউটি আক্তার জানান, দুই মাস ধরে তাঁরা ভাড়া থাকেন। এক ছেলে প্রতিবন্ধী। তাঁদের স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়াঝাঁটি হয়। ধারণা করা হচ্ছে, এ কারণে দুই শিশুসন্তানকে বিষ পান করানোর পর নিজেও বিষ পান করেন। শিশু দুটির অবস্থা খুবই খারাপ। মায়ের চিকিৎসা হচ্ছে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে। দুই শিশুকে অ্যাম্বুলেন্সে ময়মনসিংহ পাঠানো হয়েছে।

    শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক বলরাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, মা ও দুই শিশুসন্তানকে হাসপাতালে নিয়ে আসেন তাদের স্বজনেরা। শিশু দুটির অবস্থা আশঙ্কাজনক। দুই শিশুকে মমেক হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। মায়ের চিকিৎসা চলছে।

    শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শাহীনুর আলম বলেন, এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত কেউ অবহিত করেনি। খোঁজ নেওয়া হচ্ছে

  • চুনতি ইউনিয়ন বিএনপি পরিবারের পক্ষ থেকে মানবিক সহায়তা

    লোহাগাড়ার প্রতিনিধি:

    টানা বৃষ্টিতে সৃষ্ট বন্যা পরিস্থিতির মধ্যেও চুনতি ইউনিয়ন অন্তর্গত ৮নং ওয়ার্ডে বন্য হাতির আক্রমণে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে মানবিক সহায়তা নিয়ে ছুটে গেছেন চুনতি ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক জননেতা নুর মোহাম্মদ শহিদুল্লাহ।

     

    দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেওয়া, তাদের দুঃখ-কষ্টে পাশে দাঁড়ানো এবং প্রয়োজনীয় সহযোগিতা পৌঁছে দেওয়ার মাধ্যমে তিনি মানবিকতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।

     

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন দক্ষিণ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা Md Shoaibul Islam , লোহাগাড়া উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা মোঃ তৈয়বুর রহমান ছাত্রদল নেতা Javed Hussain সহ অন্যান্য ব্যক্তিবর্গ। সকলেই দুর্গত মানুষের পাশে থেকে মানবিক সহায়তা কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করেন।

     

    মানুষের দুঃসময়ে মানুষের পাশে দাঁড়ানোই আমাদের অঙ্গীকার। চুনতি ইউনিয়ন বিএনপি পরিবার অতীতের মতো আজও অসহায় ও দুর্গত মানুষের পাশে রয়েছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে, ইনশাআল্লাহ।

  • টানা বৃষ্টিতে হাটহাজারীর বিভিন্ন এলাকা প্লাবিত, বিএনপির নেতাকর্মীদের মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান

     

    হাটহাজারী (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি:

    টানা ভারী বৃষ্টিতে হাটহাজারী উপজেলার বিভিন্ন এলাকা জলাবদ্ধতা ও প্লাবনের কবলে পড়েছে। এতে অনেক পরিবার দুর্ভোগের মুখে পড়েছে এবং স্বাভাবিক জনজীবন ব্যাহত হচ্ছে।

    এ পরিস্থিতিতে হাটহাজারী উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সদস্য, নাঙ্গলমোড়া ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক, নাঙ্গলমোড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি এবং চমেক হাসপাতালের এডহক কমিটির সদস্য লায়ন সালাউদ্দিন আলী বিএনপির সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন।
    তিনি বলেন, “এই দুর্যোগে হাটহাজারীবাসীর পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। অসহায় ও ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সহযোগিতায় সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে এগিয়ে আসতে হবে।”
    তিনি আরও বলেন, “বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) সবসময় জনগণের সুখ-দুঃখে পাশে ছিল এবং ভবিষ্যতেও থাকবে। দলের প্রতিটি নেতাকর্মীকে মানবিক দায়িত্ববোধ থেকে দুর্গত মানুষের খোঁজখবর নেওয়া, প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান এবং স্থানীয়ভাবে ত্রাণ ও সহযোগিতা কার্যক্রমে অংশগ্রহণের আহ্বান জানাই।”

  • বিশ্বনাথে প্রবাসী ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশনের কমিটি গঠন।


    বিশ্বনাথ প্রতিনিধি :

    সিলেটের বিশ্বনাথে উপজেলার লামাকাজী ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের ভূরকী, ইশবপুর ও মিরপুর গ্রামের রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের নিয়ে ‘প্রবাসী ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশন’র কমিটি গঠন করা হয়েছে।

    সম্প্রতি প্রবাসী দিলোয়ার হোসেনকে সভাপতি ও কামাল হোসেনকে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত করে ‘প্রবাসী ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশন’ ২০২৬-২৭ ইংরেজি সনের কার্যকরী কমিটি গঠন করা হয়।

    এসোসিয়েশনের উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্যবৃন্দ হলেন, মকবুল আলম, কবি হাবিব ফয়েজি, গোলাম হোসেন, আব্দুল করিম বাবুল, শহিদুল ইসলাম ইশকার ও অলিউর রহমান অলি।
    কার্যকরী কমিটির অন‍্যান‍্য সদস্যবৃন্দঃ
    সহ সভাপতি ইরশাদ হোসাইন, সহ সাধারণ সম্পাদক কয়েছ আহমদ, সাংগঠনিক সম্পাদক জাকারিয়া রহমান সবুজ, অর্থ সম্পাদক কাওছার আহমদ, সহ অর্থ সম্পাদক নোমান আহমদ, প্রচার সম্পাদক আলী আহমদ।

  • ম্যাক্স হাসপাতালের মালিকানা নেই, অভিযোগের জবাব দিতে প্রস্তুত ডা. ইসমাইল


    চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি:
    ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হাসপাতালের জুনিয়র কনসালটেন্ট (অর্থোপেডিক্স) ডা. মো. ইসমাইল হোসেন দাবি করেছেন, সরকারি হাসপাতালে চাকরির পাশাপাশি বেসরকারি ম্যাক্স হাসপাতালের মালিকানা থাকার অভিযোগ সঠিক নয়। তিনি জানান, ২০২৫ সালের ৩০ আগস্ট থেকেই তিনি ম্যাক্স হাসপাতালের সব শেয়ার ও মালিকানা তাঁর বন্ধু মো. রবিউল ইসলাম (রবি)-এর কাছে হস্তান্তর করেছেন। তাই বর্তমানে হাসপাতালটির সঙ্গে তাঁর কোনো মালিকানা বা শেয়ার নেই।

    এর আগে সরকারি হাসপাতালে কর্মরত অবস্থায় বেসরকারি হাসপাতালের মালিকানা থাকার অভিযোগের প্রেক্ষিতে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় ডা. ইসমাইল হোসেনের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা দায়ের করে।

    গত ৫ জুলাই ২০২৬ জারি করা প্রজ্ঞাপনে তাঁকে পত্রপ্রাপ্তির ১০ কর্মদিবসের মধ্যে অভিযোগের ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা অনুযায়ী কেন তাঁর বিরুদ্ধে উপযুক্ত শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না, সে বিষয়ে কারণ দর্শাতে বলা হয়েছে। জানা যায়, কয়েকজন ব্যক্তি জেলা পরিষদের প্রশাসক ও বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা হারুনুর রশীদের কাছে লিখিত অভিযোগ দেন যে, ডা. ইসমাইল সরকারি হাসপাতালে চাকরি করেও হাসপাতালের বিপরীতে অবস্থিত ম্যাক্স হাসপাতালের অংশীদার। অভিযোগটি সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠানো হলে স্বাস্থ্য বিভাগের তদন্ত কমিটি সরেজমিনে তদন্ত করে এবং তাদের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে বিভাগীয় কার্যক্রম শুরু হয়।

    তবে ডা. ইসমাইল হোসেন বলেন, সরকারি চাকরির বিধিমালা সম্পর্কে অবগত হওয়ার পরই তিনি নিজের মালিকানাধীন পাঁচটি প্রাইমারি শেয়ার বন্ধু মো. রবিউল ইসলাম (রবি)-এর কাছে হেবা (দানপত্র) দলিলের মাধ্যমে হস্তান্তর করেন। তিনি বলেন, “চাকরি বিধির প্রতি সম্মান দেখিয়েই গত বছরের আগস্টে আমার সব শেয়ার বন্ধুর কাছে দিয়ে দিই। বর্তমানে ম্যাক্স হাসপাতালে আমার কোনো মালিকানা বা আর্থিক স্বার্থ নেই।” হেবা দলিল সূত্রে জানা গেছে, সরকারি চিকিৎসক হিসেবে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে অংশীদার থাকা আইনগতভাবে নিষিদ্ধ হওয়ায় কোনো প্রকার আর্থিক প্রতিদান ছাড়াই তিনি তাঁর সব শেয়ার বন্ধুর কাছে স্থায়ীভাবে হস্তান্তর করেন।

    দলিলে উল্লেখ রয়েছে, ২০২৫ সালের ৩০ আগস্ট থেকে এই হস্তান্তর কার্যকর বলে গণ্য হবে এবং এরপর থেকে ওই শেয়ার থেকে প্রাপ্ত সব ধরনের অধিকার, লভ্যাংশ ও সুবিধা গ্রহীতা ভোগ করবেন। দলিলটি চলতি বছরের জানুয়ারিতে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জজ আদালতের নোটারি পাবলিক কার্যালয়ে সম্পাদিত ও সত্যায়িত হয়। ডা. ইসমাইল আরও বলেন, গত ৩ জুন তদন্ত কমিটি পরিদর্শনে এলেও তাঁর কাছে কোনো কাগজপত্র চাওয়া হয়নি। ফলে তদন্তে পুরোনো নথির ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে তিনি মনে করেন।

    তিনি নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই প্রয়োজনীয় দলিল-দস্তাবেজসহ লিখিত জবাব স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে জমা দেবেন বলে জানিয়েছেন।
    তিনি বলেন, “আমি নির্দোষ। প্রয়োজনীয় সব কাগজপত্রসহ অভিযোগের জবাব দেওয়ার জন্য প্রস্তুত আছি। আশা করি প্রকৃত তথ্য বিবেচনায় ন্যায়সঙ্গত সিদ্ধান্ত হবে।”

  • আধুনগর গুণ চৌকিদার পাড়ায় পাহাড়ি ঢলে বন্যা: সড়ক ভেঙে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন

    লোহাগাড়ার প্রতিনিধি ;
    আধুনগর,লোহাগাড়া,চট্টগ্রাম: অবিরাম বর্ষণ ও ওপর থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের তোড়ে লোহাগাড়ার আধুনগর ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ড সিকদার পাড়ায় ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। ঢলের পানির তীব্র স্রোতে এলাকার প্রধান সড়কের একটি অংশ ভেঙে গিয়ে যাতায়াত সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।

    সরেজমিনে ধারণ করা ভিডিও চিত্রে দেখা যায়, পুরো সিকদার পাড়া এলাকা বর্তমানে পানির নিচে তলিয়ে আছে। ফসলি জমি, রাস্তাঘাট এবং ঘরবাড়ির আঙিনায় থৈ থৈ করছে বন্যার ঘোলা পানি। পানির প্রবল বেগে সড়কের গুরুত্বপূর্ণ অংশ ভেঙে যাওয়ায় সাধারণ মানুষের চলাচল চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

    উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে স্থানীয় বাসিন্দাদের ক্ষয়ক্ষতি হবার কারণে আধুনগর স্টেশনের পূর্ব পাশে ৮ নং ওয়ার্ডে হাসান মেম্বার তাদের খোঁজ খবর নিতে এসেছে কাজ । পানির গতিপথ পরিবর্তন ও ভাঙন ঠেকাতে অনেকে কোদাল নিয়ে চেষ্টা চালাচ্ছেন। এছাড়া বসতবাড়িতে পানি ঢোকা আটকাতে ঘরের প্রবেশদ্বারে বালুর বস্তা দিয়ে বাঁধ তৈরি করছেন উপদ্রুত এলাকার মানুষ। পাহাড়ি ঢলের পানি ক্রমেই বাড়তে থাকায় পুরো এলাকায় এখন চরম আতঙ্ক ও দুর্ভোগ ।

  • রাঙ্গুনিয়া কর্ণফুলী নদী থেকে অজ্ঞাত যুবকের মরাদেহ উদ্ধার


    রাঙ্গুনিয়া প্রতিনিধিঃ
    রাঙ্গুনিয়ায় কর্ণফুলী নদীতে পাহাড়ী ঢলের পানিতে  ভেসে এসেছে অজ্ঞাত এক যুবকের লাশ।
    বৃহস্পতিবার(৯ জুলাই) দুপুর ১.৩০ টায় শিলক ইউনিয়নের বুচুক্রহাটের স্কুলঘাটে স্থানীয়রা লাশটি উদ্ধার করে পুলিশে খবর দেয়।
    ‎
    ‎শিলক বুচুক্রহাট স্থানীয় যুবক আরিফ জানান, দুপুরে পাহাড়ী ঢলে উপর থেকে ভেসে আসা উপুড়করা লাশটি স্থানীয়রা কর্ণফুলী নদীতে ভেসে আসতে দেখে পেয়ে নৌকা নিয়ে লাশটি টেনে নিয়ে কূলে উঠায়। এবং দক্ষিন রাঙ্গুনিয়া থানা পুলিশকে খবর দেয়।
    ‎
    দক্ষিণ রাঙ্গুনিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ হিলাল উদ্দিন আহমদ জানান পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করেছি। সন্ধা ছয়টায় লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।
    ‎
    ‎ওসি আরো জানান, লাশটি পাহাড়ি উপজাতি হবার সম্ভাবনা রয়েছে। লাশটি ফুলে গিয়ে চেহারা বিকৃত হয়েছে।  তবে তার নাম ও পরিচয় সনাক্ত করা যায়নি। এবিষয়ে থানায় অপমৃত্যু মামলা রেকর্ড করা হয়েছে।
    ‎