Author: DBC

  • মাদকবিরোধী দিবসে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের যুব র‌্যালি সমাবেশঅনুষ্ঠিত

    স্টাফ রিপোর্টার-ঢাকা
    আন্তর্জাতিক মাদকবিরোধী দিবস উপলক্ষে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের যুব ও ক্রীড়া বিভাগের উদ্যোগে নগরীতে বর্ণাঢ্য র‌্যালি ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    ২৬ জুন আন্তর্জাতিক মাদকবিরোধী দিবস উপলক্ষে রাজধানীতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আমীর জননেতা মো. নূরুল ইসলাম বুলবুল এমপির নেতৃত্বে মহানগরী দক্ষিণের যুব বিভাগের উদ্যোগে আয়োজিত র‌্যালি আজ শুক্রবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে থেকে শুরু হয়ে হাইকোর্ট চত্বর প্রদক্ষিণ করে মৎস্য ভবনে গিয়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।

    এ সময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের অন্যতম সদস্য ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আমির জনাব নুরুল ইসলাম বুলবুল এমপি, আরো উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সহকারী সেক্রেটারি ও মহানগরী যুব-ক্রিড়া বিভাহগর সভাপতি মোহাম্মদ কামাল হোসেন এমপি(ঢাকা-৫),

    পাশাপাশি আরো উপস্থিত ছিলেন, মহানগরীর কর্মপরিষদ সদস্য যথাক্রমে ড. মোবারক হোসেন, শাহীন আহমেদ খান, ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি মো: মঞ্জুরুল ইসলাম । এছাড়াও মহানগরী ও সকল সাংগঠনিক থানার দায়িত্বশীল ও যুব বিভাগের জনশক্তিরা র‌্যালিতে অংশগ্রহণ করেন।

    আলোচনায় নেতৃবিন্দ বলেন, “যুবকরাই জাতির ভবিষ্যৎ। একটি জাতির উন্নয়ন, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধি অনেকাংশে যুবসমাজের ওপর নির্ভরশীল। তাই যুবকদেরকে সব ধরনের মাদকের ভয়াবহ ছোবল থেকে রক্ষা করতে হবে। মাদক শুধু একজন ব্যক্তিকেই ধ্বংস করে না, এটি একটি পরিবার, সমাজ এবং রাষ্ট্রের জন্যও মারাত্মক হুমকি সৃষ্টি করে।”

    নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, “যুবসমাজকে মাদকমুক্ত রাখতে হলে তাদের নৈতিক ও আদর্শিক ভিত্তিকে শক্তিশালী করতে হবে। কারণ যুবকদের নৈতিক অবক্ষয় মানেই জাতির ভবিষ্যৎকে বিপদের মুখে ঠেলে দেওয়া। কুরআন ও হাদিসের আলোকে জীবন পরিচালনা করলে একটি ইনসাফভিত্তিক, মানবিক, কল্যাণরাষ্ট্র ও মাদকমুক্ত জীবন গঠন করা সম্ভব।

    বক্তারা মাদক প্রতিরোধে পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সামাজিক সংগঠন এবং রাষ্ট্রীয় উদ্যোগের সমন্বিত ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

  • শার্শায় সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিকের উপর হামলা


    বেনাপোল প্রতিনিধি: সংবাদ প্রকাশের জেরে যশোরের শার্শায় সাংবাদিক আতিকুজ্জামানের উপর হামলা চালিয়ে আহত করেছে আরিকুল ইসলাম নামে এক মাদক ও অস্ত্র ব্যবসায়ী। সোমবার (২৫জুন) সন্ধ্যায় শার্শা রেজিস্ট্রি অফিসের সামনে এই হামলা চালায় সন্ত্রাসী আরিকুল।

    আহত সাংবাদিক আতিকুজ্জামানকে উদ্ধার করে শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় আতিকুজ্জামান বাদি হয়ে শার্শা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

    আহত আতিকুজ্জামান দৈনিক যশোর বার্তা ও দৈনিক বাংলাদেশ রয়টার্সের পত্রিকার শার্শা উপজেলা প্রতিনিধি।

    হামলার শিকার সাংবাদিক আতিকুজ্জামান জানান, দুপুর ১.৩০ টার দিকে শার্শা রেজিস্ট্রি অফিসের সামনের অবস্থান করছিলেন তিনি। এমন সময় হঠাৎ করে মাদক ও অস্ত্র ব্যবসায়ী আরিকুল ইসলাম পুর্ব শত্রুতার জেরে তাকে গালিগালাজ করতে থাকে। এসময় তাকে গালিগালাজ করতে নিষেধ করলে সে তার উপর চড়াও হয়ে মারধর করে আহত করে। একপর্যায়ে স্থানীয়রা এগিয়ে আসলে পালিয়ে যায় হামলাকারী আরিকুল। 

    হামলাকারী আরিকুল শার্শার চটকাপোতা গ্রামের বাসিন্দা। আরিকুল ইসলাম পুলিশের তালিকাভুক্ত মাদক ও অস্ত্র ব্যবসায়ী। মাদক ও অস্ত্রসহ তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। বিগত ক্ষমতাসীন দলের সময় ছাত্রসংগঠন ছাত্রলীগের নাম ভাঙিয়ে দীর্ঘদিন ধরে মাদক ও অস্ত্রের ব্যবসা করে আসছিলো এখনও চলছে বহাল তবিয়তে । তাকে একাধিকবার গ্রেপ্তার হওয়া নিয়ে ইতোপূর্বে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হয়েছে। এতে স্থানীয় সাংবাদ কর্মীদের উপর ক্ষিপ্ত ছিলো আরিকুল ইসলাম।

    শার্শা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মারুফ হোসেন বলেন, “ঘটনার বিষয়ে একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) গ্রহণ করা হয়েছে। অভিযোগটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে।

    এদিকে সাংবাদিকের উপর হামলার ঘটনায় প্রতিবাদ জানিয়েছেন শার্শার বিভিন্ন গণমাধ্যম কর্মীরা। তারা অবিলম্বে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারের দাবী জানান।

  • কারবালার চেতনায় অষ্টগ্রাম (১৯১) বছরের ঐতিহ্যে পালিত হলো পবিত্র আশুরা ‎


    ‎মোঃ আল-আমিন, বিশেষ প্রতিনিধি:
    কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রাম উপজেলায় যথাযোগ্য ধর্মীয় মর্যাদা, শোকাবহ পরিবেশ ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে পালিত হয়েছে পবিত্র আশুরা। শুক্রবার (১০ মহররম) দিনব্যাপী নফল রোজা, নামাজ, জিকির-আসকার, দোয়া, দান-সদকা এবং বিভিন্ন ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দিনটি পালন করেন ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা।
    ‎
    ‎ইসলামের ইতিহাসে আশুরা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ একটি দিন। আরবি ‘আশারা’ শব্দের অর্থ দশ এবং ‘আশুরা’ অর্থ দশম। হিজরি ৬১ সালের ১০ মহররম কারবালার ময়দানে মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর দৌহিত্র হজরত ইমাম হোসেন (রা.) ও তাঁর পরিবার-পরিজন এবং সঙ্গীরা সত্য ও ন্যায় প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে শাহাদত বরণ করেন। তাঁদের এই আত্মত্যাগ আজও মানবতার জন্য অনন্য প্রেরণা হয়ে রয়েছে।
    ‎
    ‎এ উপলক্ষে ৩ নম্বর অষ্টগ্রাম সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সৈয়দ ফাইয়াজ হাসান বাবু জানান, হযরত শাহজালাল ইয়ামেনী (রহ.)-এর অন্যতম প্রধান সহচর সিপাহসালার সৈয়দ নাসির উদ্দিন (রহ.)-এর বংশধর এবং ‘ভাটির অলী’ হিসেবে পরিচিত হযরত সৈয়দ আবদুল করিম আল-হোসাইনী (রহ.), ওরফে সৈয়দ আলাই মিয়া সাহেব, আহলে বাইতের প্রতি গভীর ভালোবাসা থেকে অষ্টগ্রামে মহররমের এই ঐতিহ্যের সূচনা করেন।
    ‎
    ‎তিনি বলেন, পার্থিব ভোগ-বিলাস ও ‘নয় কোষা’ জমিদারি ত্যাগ করে সৈয়দ আলাই মিয়া সাহেব অত্যন্ত সাধারণ জীবনযাপন করতেন। ১৮৩৪ সালে তিনি নিজ বাড়িতে একটি হোসাইনী মোকাম (ইমামবাড়া) প্রতিষ্ঠা করেন এবং ১৮৩৫ সাল থেকে মহররমের আনুষ্ঠানিক কর্মসূচি শুরু হয়। সেই ধারাবাহিকতায় টানা ১৯১ বছর ধরে বংশপরম্পরায় এই ঐতিহ্য অক্ষুণ্ণ রয়েছে।
    ‎
    ‎তিনি আরও জানান, মহররমের চাঁদ দেখা যাওয়ার পর থেকেই বিশেষ নিয়ম মেনে কর্মসূচি শুরু হয়। মোকামে লাল ও কালো নিশান উত্তোলন, টানা ১০ দিন রোজা পালন, মাটিতে শয়ন, সাধারণ পোশাক পরিধান, নিরামিষ ও সাধারণ খাবার গ্রহণ এবং খালি মাথা ও খালি পায়ে চলাফেরা ছিল সৈয়দ আলাই মিয়া সাহেবের অনুসৃত নিয়ম।
    ‎
    ‎প্রতিদিন ফজরের নামাজের পর মিলাদ শরিফ, কারবালার ইতিহাস আলোচনা ও জারি গান পরিবেশিত হয়। সকালবেলায় নারীরাও আলাদাভাবে জারি পরিবেশন করেন। একই সঙ্গে পুরুষরা বাঁশ, বেত, রঙিন কাগজ ও কাপড় দিয়ে কারবালার স্মৃতিবিজড়িত তাজিয়া নির্মাণে অংশ নেন। আসরের পর মাতম ও মার্সিয়া, মাগরিবের আগে ফাতেহা এবং ইফতারের জন্য তাবারক বিতরণের মধ্য দিয়ে প্রতিদিনের আয়োজন শেষ হয়।
    ‎
    ‎মহররমের কর্মসূচির অংশ হিসেবে ৫ মহররমে ‘পাঁচ গায়েলা’ নামে ২২ মৌজার মাতাব্বর ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়া ৯ মহররমে নিশান গাস্ত ও তাজিয়া গাস্তের মাধ্যমে ১০ মহররমের সার্বিক প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়।
    ‎
    ‎আশুরার দিন বিকেলে উপজেলার বিভিন্ন মোকাম থেকে তাজিয়া মিছিল বের হয়ে মধ্য অষ্টগ্রামের কারবালা প্রাঙ্গণে একত্রিত হয়। সেখানে তাজিয়া স্থাপনের মাধ্যমে ১০ দিনের শোকানুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটে। প্রতিবছরের মতো এবারও বিপুলসংখ্যক মানুষ এতে অংশ নেন। অনেক সনাতন ধর্মাবলম্বীকেও শোকানুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করতে দেখা যায়, যা অষ্টগ্রামের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।
    ‎
    ‎সৈয়দ ফাইয়াজ হাসান বাবু বলেন, সৈয়দ আলাই মিয়া সাহেবের ইন্তেকালের পর পর্যায়ক্রমে হযরত মাওলানা সৈয়দ আবদুল হেকীম আল-হোসাইনী (রহ.) এবং মাওলানা সৈয়দ কুতুব উদ্দিন আহমেদ আল-হোসাইনী চিশতী (রহ.) এই ঐতিহ্য রক্ষা করেন। বর্তমানে সৈয়দ আহমেদুল কবির প্রিন্স নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন। এ আয়োজন সফল করতে হাবেলির সদস্য, স্থানীয় বাসিন্দা এবং ২২ মৌজার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা সার্বিক সহযোগিতা করে আসছেন।
    ‎
    ‎তিনি আরও বলেন, পবিত্র আশুরা মুসলমানদের কাছে শুধু শোকের দিন নয়; এটি সত্য, ন্যায়, ত্যাগ, ধৈর্য, সহমর্মিতা ও মানবকল্যাণের শিক্ষায় অনুপ্রাণিত হওয়ারও দিন। কারবালার আত্মত্যাগ অন্যায় ও জুলুমের বিরুদ্ধে মাথা উঁচু করে দাঁড়ানোর এবং ন্যায়ের পথে অবিচল থাকার শিক্ষা দেয়, যা যুগে যুগে মানুষের জন্য প্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।
    ‎

  • সংগঠনকে শক্তিশালী করতে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে : লোহাগাড়ায় কেন্দ্রীয় যুবদল নেতা জিয়াউর রহমান জিয়া

    চট্টগ্রাম লোহাগাড়ার প্রতিনিধি:

    জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলা যুবদলের নেতাকর্মীদের এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) দুপুরে সাংগঠনিক সফরে কক্সবাজার যাওয়ার পথে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান উপজেলা যুবদলের নেতাকর্মীরা।পরে মাশাবী রেস্টুরেন্টে নেতাকর্মীদের নিয়ে মতবিনিময় করেন কেন্দ্রীয় যুবদলের নেতারা।

    উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক শাব্বির আহমদের সভাপতিত্বে এবং সদস্য সচিব রাশেদুল হকের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জাতীয়তাবাদী যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সভাপতি জিয়াউর রহমান জিয়া।

    প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, “যুবদলকে একটি শক্তিশালী, সুসংগঠিত ও জনমুখী সংগঠনে পরিণত করতে হলে নেতাকর্মীদের মধ্যে ঐক্যের কোনো বিকল্প নেই। দলের স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে সকল ভেদাভেদ ভুলে তৃণমূল থেকে কেন্দ্র পর্যন্ত সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে।”

    তিনি আরও বলেন, দেশের বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় যুবদলের নেতাকর্মীদের দায়িত্ব অনেক বেড়েছে। যুবদল সবসময় জনগণের পাশে ছিল এবং ভবিষ্যতেও থাকবে। সংগঠনকে গতিশীল করতে ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতাকর্মীদের মূল্যায়নের পাশাপাশি নতুন প্রজন্মের কর্মীদেরও সম্পৃক্ত করতে হবে। ঐক্যবদ্ধ যুবদলই আগামী দিনের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে।

    সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় যুবদলের সহ-সভাপতি মাহফুজুর রহমান মাহফুজ, সহ-সভাপতি ফেরদৌস আহমেদ মুন্না, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা যুবদলের যুগ্ম সম্পাদক শাহনেওয়াজ, চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সহ-দপ্তর সম্পাদক মো. শাহেদুল ইসলাম।

    এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা যুবদলের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আরফাত হোসেন, লোহাগাড়া উপজেলা সাবেক সদস্য সচিব আবু তালেব রুবেল, উপজেলা যুবদলের সাবেক সহ-সভাপতি তাজউদ্দীন আল নাজির,, সাবেক গণবিষয়ক সম্পাদক মোরশেদ আলম, উপজেলা যুবদলের সাবেক সদস্য ডা. শাহ আলম যুবদল নেতা নাছির উদ্দীন, আব্দুল করিম , মোহাম্মদ দেলোয়ার ,ফোরকান উদ্দীন, সাইফুল ইসলাম, শুক্কুর, শহিদ,মামুন, শাহাজাহান, কামাল,মো. রাসেলসহ উপজেলা যুবদল ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

    মতবিনিময় সভায় সংগঠনের বর্তমান কার্যক্রম, তৃণমূল পর্যায়ে সাংগঠনিক ভিত্তি শক্তিশালীকরণ, নতুন সদস্য সংগ্রহ এবং ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক কর্মসূচি বাস্তবায়নের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়। এ সময় নেতাকর্মীরা স্থানীয় সাংগঠনিক বিভিন্ন বিষয় কেন্দ্রীয় নেতাদের কাছে তুলে ধরেন এবং সংগঠনকে আরও গতিশীল ও শক্তিশালী করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

  • কুমিল্লা থেকে চাঁপাইনবাবগঞ্জে আনা ১৪ কেজি গাঁজাসহ ২ মাদক কারবারি গ্রেফতার

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি:মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি), চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা কার্যালয় এক সফল অভিযান পরিচালনা করে কুমিল্লা থেকে আনা বিপুল পরিমাণ গাঁজাসহ দুই মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে। জব্দকৃত মাদকের পরিমাণ ১৪ (চৌদ্দ) কেজি।
    অভিযানসূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ডিএনসির একটি বিশেষ টিম ২৬ জুন ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ দিবাগত রাত ১:৪০ মিনিট থেকে ২:২০ মিনিট পর্যন্ত চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানাধীন দ্বারিয়াপুর হাতাপাড়া দোতলা জামে মসজিদের পশ্চিম পাশের এলাকায় এই অভিযান চালায়।
    মোঃ নাসির (৪৬), পিতা- মৃত আব্দুল ওহাব, সাং- চর ইসলামপুর, সদর,চাঁপাইনবাবগঞ্জ।
    মোঃ মতিন (২০), পিতা- মোঃ আব্দুল জব্বার, সাং- নতুন বাররশিয়া, শিবগঞ্জ,
    চাঁপাইনবাবগঞ্জ।
    ডিএনসি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, গ্রেফতারকৃতদের কাছ থেকে ১৪ কেজি গাঁজা এবং মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত ২টি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, তারা মাদকের এই চালানটি কুমিল্লা থেকে নিয়ে এসেছিল এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জ এলাকায় বিক্রির পরিকল্পনা করছিল। ডিএনসির সময়োচিত তৎপরতায় বড় এই চালানটি জনসাধারণের কাছে পৌঁছানোর আগেই জব্দ করা সম্ভব হলো।
    এ ঘটনায় জড়িত দুই আসামির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানায় একটি নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। মামলার বাদী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপ-পরিদর্শক মুস্তাফিজুর রহমান।
    মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে যে, মাদকের উৎস, পরিবহন, মজুত ও বিপণনের সাথে জড়িত যেকোনো চক্র বা ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণে তাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে। জনগণকে সাথে নিয়ে মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে তারা দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।

  • মানিকছড়িতে ১০৬ জন কৃষকের মাঝে ১২৭২০ টি বিভিন্ন জাতের আম চারা বিতরণ

    খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি:দেশের জলবায়ু সহনশীল জীবিকা নিমার্ণের লক্ষ্যে কৃষক/ কৃষাণীদের মাঝে ১২ হাজার ৭শত২০ টি বিভিন্ন জাতের আমের চারা ১০৬ জন কৃষক/কৃষাণীদের মাঝে বিতরণ করা হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার (২৫ জুন ২০২৬) বিকেলে মানিকছড়ি উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কার্যালয় পুরনো ভবনে মাঠের কৃষকদের হাতে তুলে দেয়া হয়।

    মানিকছড়ি কৃষি সম্প্রসারণ উদ্যোগে বিল্ডিং ক্লাইমেট রেজিলিয়েন্টস লাইভলিহুডস ভালনারেবল ল্যান্ডসক্যাপস ইন বাংলাদেশ (বিসিআরএল) প্রকল্পের কৃষক মাঠ স্কুল (এফএফএস) আওতায় ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে বিভিন্ন জাতের আমের চারা বিতরণ করা হয়।

    বিতরণ সময় উপস্থিত ছিলেন, বিসিআরএল প্রকল্পের কম্পোনেন্ট ডিরেক্টর ড. মোহাম্মদ লোকমান হোসেন মজুমদার, মানিকছড়ি উপজেলায় কৃষি কর্মকর্তা জহির রায়হান, উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার মোঃ রিপন হোসেন, বিসিআরএল প্রকল্পের রাংগামাটি অঞ্চলের রিজিওনাল কো-অরডিনেটর ড. মো: আবদুল্লাহ আল-ফারুক, মানিকছড়ি উপজেলায় প্রকল্পের কনসালটেন্ট মংসাথোয়াই চৌধুরী, উপজেলা কৃষকদলে সভাপতি মোঃ আল ফারুক, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ শাহিন হোসেন, মানিকছড়ি সদর ইউনিয়ন সভাপতি মোঃ আব্দুল রাজ্জাক প্রমূখ।

  • বিশ্বনাথের পল্লীতে বালু ও পাথর দিয়ে সরকারি রাস্তা বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ মসজিদ ও স্কুলে যেতে বিঘ্ন ঘটছে এলাকাবাসীর

    বিশ্বনাথ প্রতিনিধি:সিলেটের বিশ্বনাথের পল্লীতে বালু, পাথর ও ইট দিয়ে সরকারি রাস্তা বন্ধ করে দেওয়ার এক গুরুতর অবিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার দৌলতপুর ইউনিয়নের দৌলতপুর গ্রামে। এ বিষয়ে ৫ জনকে অভিযুক্ত করে বিশ্বনাথ থানায় অভিযোগ দায়ের করেন একই গ্রামের মৃত: আফতাব মিয়ার পুত্র কামাল মিয়া। এর সত্যতা নিশ্চিত করে থানার অফিসার ইনচার্জ গাজী মো. মাহবুবুর রহমান।
    গত ১৬ জুন বিশ্বনাথ থানায় দায়ের করা লিখিত অভিযোগে বিশ্বনাথ উপজেলার দৌলতপুর ইউনিয়নের দৌলতপুর গ্রামের মৃত: আফতাব মিয়ার পুত্র কামাল মিয়া দাবী করেন, অভিযুক্তরা উশৃঙ্খল ও খারাপ প্রকৃতির লোক। তারা এলাকায় গায়ের জোরে চলাফেরা করে এবং আইন কানুনের কোন তোয়াক্কা করে না। আমাদের পরিবারের লোকজনসহ আমাদের এলাকার ১০/১২ টি পরিবারের লোকজন স্থানীয় দৌলতপুর ইউনিয়নের দৌলতপুর গ্রামের অভিযুক্তদের বসতবাড়ির পাশে সরকারী রাস্তা দিয়া দৌলতপুর জামে মসজিদ, স্কুল ও মাদ্রাসায় যাওয়া আসা করি। গত ১৬ জুন অভিযুক্ত দৌলতপুর গ্রামের মৃত: ছইল মিয়ার পুত্র আবুল খয়ের (৬৫), একই গ্রামের মৃত: চান মিয়ার পুত্র বাবুল মিয়া (৫৫), ফখরুল মিয়া (৪৫), মৃত: আব্দুল মনাফের পুত্র কুদ্দুছ মিয়া (৫৫) ও ফাহাদ মিয়া (২৮)। উল্লেখিত রাস্তাটি বন্ধ করে ঘর নির্মাণ করার জন্য বালু, পাথর, ইট আনিয়া রাখে। তখন আমরা এলাকার লোকজন অভিযুক্তদেরকে কারণ জিজ্ঞাসা করিলে তারা আমাদের সাথে কথা কাটাকাটি ও তর্ক বিতর্ক করিতে থাকে। কথা কাটাকাটি ও তর্ক বিতর্কের একপর্যায়ে অভিযুক্তরা হুমকী ধামকী প্রদান করে বলে যে, পুনরায় উক্ত বিষয়ে কেউ কথা বললে এ বিষয়ে কিছু জিজ্ঞাসা করিলে মারপিটসহ জানমালের ক্ষতিসাধণ করিবে। অভিযোগে কামাল মিয়া দাবী করেন, উক্ত রাস্তা দিয়ে এলাকারপ্রায় ৭০/৮০জন লোকসহ মসজিদের মুসল্লী, স্কুল ও মাদ্রাসার ছাত্ররা যাতায়াত করে। অভিযুক্তরা সরকারী রাস্তাটি বন্ধ করার ফলে তারা মসজিদ, স্কুল ও মাদ্রাসায় যেতে পারছেন না।

  • খাগড়াছড়ির মানিকছড়িতে ৬০০ জন কৃষক/ কৃষাণীদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ


    খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি:
    খাগড়াছড়ি মানিকছড়ি উপজেলায় ২০২৫-২৬ অর্থ বছরের খরিফ-২ মৌসুমে আমন ধানের আবাদ ও উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক ৬০০ জন কৃষক/ কৃষাণীদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ করা হয়েছে।
    উপজেলা প্রতি কৃষকের মাঝে উফশী আমন ধান বীজ ৫ কেজি, ডিএপি সার ১০ কেজি, এমওপি সার ১০ কেজি বিতরণ করা হয়।
    বৃহস্পতিবার (২৫ জুন ২০২৬) বিকেলে মানিকছড়ি উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কার্যালয় সম্মেলন কক্ষে মানিকছড়ি কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর আয়োজনে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষক/ কৃষাণীদের মাঝে বিনামূল্যে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে উপজেলার বিভিন্ন এলাকার কৃষক/ কৃষাণীরা অংশগ্রহণ করেন।

    আলোচনা সভা মানিকছড়ি উপজেলা কৃষি অফিসার মোঃ জহির রায়হান সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, মানিকছড়ি উপজেলা প্রশাসনের নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তাহমিনা আফরোজ ভুঁইয়া। স্বাগত বক্তব্য প্রদান রাখেন, মানিকছড়ি উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো: মাহমুদুল হাসান।
    এসময় অন্যান্য মধ্যে আরোও উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা কৃষি উপ-সহকারী মোঃ ইয়াছিন, উপজেলা জাতীয়তাবাদী কৃষকদলে সভাপতি মোঃ আল ফারুক, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ শাহিন হোসেন, মানিকছড়ি সদর ইউনিয়ন সভাপতি মোঃ আব্দুল রাজ্জাক প্রমূখ।

    আলোচনা সভা বক্তারা বলেন, পাহাড়ের কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের সহায়তা প্রদানে সরকারের কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

  • হালুয়াঘাটে পারিবারিক কলহের জেরে স্ত্রীকে পিটিয়ে হত্যা, ঘাতক স্বামী পলাতক


    ময়মনসিংহ হালুয়াঘাট প্রতিনিধি:
    ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট উপজেলায় পারিবারিক কলহের জেরে শিরিনা (২৫) নামের এক গৃহবধূকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার স্বামীর বিরুদ্ধে। আজ দুপুরে উপজেলার ৩ নং কৈচাপুর ইউনিয়নের বড় খালের পাড় এলাকার একটি ফসলি জমিতে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।

    ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত স্বামী হাবিবুর রহমান হাবিব (৩৮) পলাতক রয়েছেন।

    ফসলের মাঠে কথাকাটাকাটি ও হত্যাকাণ্ড স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, আজ দুপুরে বড় খানের পাড় এলাকার একটি ফসলি জমিতে কাজ করছিলেন হাবিবুর রহমান। ওই সময় তার দ্বিতীয় স্ত্রী শিরিনা বেগম সেখানে যান। একপর্যায়ে উভয়ের মধ্যে পারিবারিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তীব্র কথাকাটাকাটি ও কলহ শুরু হয়। বাগবিতণ্ডার একপর্যায়ে ক্ষিপ্ত হয়ে হাবিবুর তার স্ত্রী শিরিনার মাথার পেছনে সজোরে আঘাত করেন। এতে ঘটনাস্থলেই মাটির ওপর লুটিয়ে পড়েন শিরিনা এবং অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে সেখানেই তার মৃত্যু হয়। ঘটনার পরপরই ঘাতক স্বামী হাবিবুর দ্রুত এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যান।

    স্থানীয়দের বিবরণ অনুযায়ী, ঘাতক মোঃ হাবিবুর রহমান হাবিব দুটি বিয়ে করেছিলেন। নিহত শিরিনা আক্তার ছিলেন তার দ্বিতীয় স্ত্রী। তাদের মধ্যে প্রায়ই পারিবারিক বিষয় নিয়ে মনোমালিন্য চলত বলে জানা গেছে।

    ঘটনার খবর পেয়ে হালুয়াঘাট থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পুলিশ ফসলি জমি থেকে রক্তাক্ত মরদেহটি উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি স্থানীয় হাসপাতাল মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।

    হালুয়াঘাট থানার পুলিশ জানায়, ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত স্বামী পলাতক রয়েছে। তাকে গ্রেফতারের জন্য পুলিশের অভিযান চলছে। এই ঘটনায় থানায় একটি হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলেও নিশ্চিত করেছে পুলিশ।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে পুলিশের অভিযানে গাঁজাসহ গ্রেফতার ১

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি:
    চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলায় মাদকবিরোধী অভিযানে ৪৫০ গ্রাম গাঁজাসহ এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বুধবার (২৪ জুন ২০২৬) রাত ৯টা ১৫ মিনিটে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর থানাধীন নবাবগঞ্জ পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের চন্ডিতলা এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি হলেন তপন দাস (৩৮)।

    তিনি চন্ডিতলা গ্রামের মৃত সুকুমার দাস ও মৃত নন্দ রানীর ছেলে। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানের অংশ হিসেবে তপন দাসের বসতবাড়িতে অভিযান চালানো হয়।

    এ সময় তার হেফাজত থেকে ৪৫০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়। পরে তাকে ঘটনাস্থল থেকে গ্রেফতার করা হয়। এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর থানায় একটি মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। পুলিশের পক্ষ হতে সদর মডেল থানার ইনচার্জ একরামুল হোসাইন জানিয়েছে, মাদক নির্মূল ও মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।