Author: DBC

  • ঝালকাঠি সদরে বিনামূল্যে কৃষকদের মাঝে বীজ-সার ও ১২ হাজার বৃক্ষের চারা বিতরণ


    ঝালকাঠি প্রতিনিধি:
    ঝালকাঠি সদর উপজেলায় ২০২৫-২৬ অর্থবছরের খরিফ-২ মৌসুমে কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় ১ হাজার ৫০০ ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকের মাঝে বিনামূল্যে উফশী আমন ধানের বীজ ও সার বিতরণ এবং কৃষি পুনর্বাসন সহায়তা খাত থেকে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আওতায় বিনামূল্যে ১২ হাজার ৭৫টি বৃক্ষের চারা ও উপকরণ বিতরণ কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    মঙ্গলবার সকালে উপজেলা পরিষদ চত্বরে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ কর্মসূচিতে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আলী আহম্মদের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে উদ্বোধন ঘোষণা করেন ঝালকাঠি সদর উপজেলার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সেগুফতা মেহনাজ।

    কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, উফশী আমন প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় ১ হাজার ৫০০ কৃষক প্রত্যেকে বিনামূল্যে ৫ কেজি ধানের বীজ, ১০ কেজি ডিএপি সার এবং ১০ কেজি এমওপি সার পাবেন।

    এ ছাড়া কৃষি পুনর্বাসন খাত থেকে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আওতায় মোট ১২ হাজার ৭৫টি চারা বিনামূল্যে বিতরণ করা হবে। এর মধ্যে রয়েছে ৭ হাজার ৮০০টি নারিকেল চারা, ১ হাজার ৪৭৫টি আম, লিচু, সফেদা, শরিফা, তাল, কাঁঠাল, আতা, তেঁতুল ও বাতাবি লেবুর চারা, ১ হাজার ৮৫০টি অর্জুন, মেহগনি, সুপারি, আমড়া, আমলকি, নিম, বহেরা, বেল, রেইনট্রি ও খেজুরের চারা এবং ৩৫০টি মাল্টা, জলপাই ও কদবেলের চারা। এসব কর্মসূচির আওতায় একজন কৃষক বিনামূল্যে ৫টি করে চারা, ১৫০ কেজি গোবর সার ও ৫টি বাঁশের খুঁটি পাবেন। এছাড়া লেবু চারা বিতরণ কর্মসূচির আওতায় ৬০০টি লেবুর চারা বিনামূল্যে বিতরণ করা হবে। এ কর্মসূচিতে একজন কৃষক ৫টি লেবুর চারা ও ৩০ কেজি গোবর সার পাবেন।

    অনুষ্ঠানে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মো. রিফাত হোসেন, সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সাইয়্যেদা, অতিরিক্ত কৃষি কর্মকর্তা খাদিজা, উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মো. মাহমুদ আলম জোমাদ্দার, উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা মো. কাইয়ুম, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা নাইমুন্নাহারসহ উপজেলা পর্যায়ের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তাবৃন্দ এবং শতাধিক কৃষক-কৃষাণী উপস্থিত ছিলেন।

    অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আলী আহম্মদ। তিনি তাঁর বক্তব্যে বিভিন্ন কর্মসূচির আওতায় কৃষকের সংখ্যা, বিতরণযোগ্য বৃক্ষের চারা ও উপকরণের পরিমাণ তুলে ধরেন। পাশাপাশি প্রণোদনা ও পুনর্বাসন কার্যক্রমের উদ্দেশ্য ও বাস্তবায়ন পরিকল্পনা সম্পর্কে আলোচনা করেন।

    তিনি বর্তমান সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকার ‘পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি’ বাস্তবায়নের উদ্যোগকে সময়োপযোগী উল্লেখ করে সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান এবং উপস্থিত কৃষক ও উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের বিতরণ করা চারাগুলোর যথাযথ পরিচর্যার আহ্বান জানান।

    প্রধান অতিথি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সেগুফতা মেহনাজ তাঁর বক্তব্যে বলেন, কৃষি প্রণোদনা ও কৃষি পুনর্বাসন কর্মসূচি সরকারের অগ্রাধিকারভিত্তিক কর্মসূচিগুলোর অন্যতম। এসব কর্মসূচির সফল বাস্তবায়নে কর্মকর্তা ও কৃষকদের আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করতে হবে। একই সঙ্গে সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকার ‘পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ’ কর্মসূচি বাস্তবায়নে সবাইকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

    অনুষ্ঠান শেষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সেগুফতা মেহনাজ উপজেলা পরিষদ চত্বরে অন্যান্য কর্মকর্তাদের সঙ্গে ফলদ ও ঔষধি গাছের চারা রোপণ করেন এবং উপস্থিত সবাইকে বৃক্ষরোপণে উদ্বুদ্ধ করেন।

  • জেলা স্বেচ্ছাসেবক দল মোটরসাইকেল শোডাউন দিয়ে প্রতিরোধ ও বিক্ষোভ মিছিল


    চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি:দেশবিরোধী সকল ষড়যন্ত্র রুখে দেওয়া এবং নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের অপতৎপরতা প্রতিহত করার দাবিতে চাঁপাইনবাবগঞ্জে মটরসাইকেল শোডাউন দিয়ে প্রতিরোধ ও বিক্ষোভ মিছিল করেছে জেলা স্বেচ্ছাসেবক দল। মঙ্গলবার (২৩ জুন) সকাল ১১ টায় বাতেন খাঁর মোড় থেকে বের হয়ে শান্তি মোড়, আরামবাগ হয়ে বিশ্বরোড, বিশ্বরোড হয়ে নিউমার্কেট হয়ে আবার বাতেন খাঁর মোড়ে শেষ হয়। কর্মসূচিতে জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকর্মীরা অংশ নিয়ে বিভিন্ন স্লোগান দেন এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির আহ্বান জানান।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন চাঁপাইননবাবগঞ্জ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক মোঃ জামিউল হক সোহেল, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র যুগ্ন আহবায়ক অকিলুর রহমান, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব বাবর আলী রোমান, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের দপ্তর সম্পাদক বদিউজ্জামান, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদর উপজেলা সদস্যসচিব মেজর ডালিমসহ বিভিন্ন ইউনিটের নেতাকর্মীরা কর্মসূচিতে অংশ নেন। বক্তারা বলেন, দেশের অগ্রযাত্রা ও গণতান্ত্রিক পরিবেশকে বাধাগ্রস্ত করার জন্য একটি মহল বিভিন্ন ধরনের ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। তারা এসব অপতৎপরতার বিরুদ্ধে সকলকে সতর্ক ও ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান।

    জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতারা আরও বলেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া এবং দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্ব ও দিকনির্দেশনায় একটি সমৃদ্ধ ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনগুলো কাজ করে যাচ্ছে। এ সময় তারা দেশের স্থিতিশীলতা ও গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতা রক্ষায় সকলকে সচেতন ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান।

    কর্মসূচি শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে এবং শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হয়।

  • কু্বিতে সেশনজট নিরসনের দাবিতে আইন বিভাগে শিক্ষার্থীদের তালা, সমাধানের আশ্বাস


    কুবি প্রতিনিধি:
    সেশনজটের কারণে পরীক্ষা পিছিয়ে যাওয়ার প্রতিবাদে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) আইন বিভাগের শিক্ষার্থীরা প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করেছেন। একপর্যায়ে বিভাগের কক্ষগুলো তালাবদ্ধ করেন শিক্ষার্থীরা।

    সোমবার সকাল ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুষদের প্রবেশপথে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

    শিক্ষার্থীরা জানান, সেশনজটের কারণে ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা প্রায় আট মাস পিছিয়ে গেছে। দীর্ঘ এ বিলম্বে অ্যাকাডেমিক কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ায় তারা ক্ষোভ প্রকাশ করেন। বিক্ষোভ চলাকালে অনুষদ ভবনের কয়েকটি শ্রেণিকক্ষে তালা ঝুলিয়ে দেন শিক্ষার্থীরা।

    বিক্ষোভকারীদের দাবি, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পরীক্ষা সম্পন্ন করতে হবে এবং চলমান সেশনজট দ্রুত নিরসনে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। এই সংক্রান্ত ছয়টি দাবি উত্থাপন করেন শিক্ষার্থীরা। দাবিগুলো হলো– আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সকল কোর্সের ইনকোর্স রেজাল্ট প্রকাশ করতে হবে, ছয় মাসের মধ্যে বাকি ২ সেমিস্টার শেষ করতে হবে, ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে বাকি দুই সেমিস্টারের রোডম্যাপ প্রকাশ করতে হবে, পরীক্ষা শেষের ৮ সপ্তাহের মধ্যে ফলাফল প্রকাশ করতে হবে, শিক্ষক সংকট থাকলে গেস্ট টিচার নিয়ে কোর্স শেষ করতে হবে এবং উপর্যুক্ত বিষয়ে কর্তৃপক্ষকে লিখিত মুচলেকা দিতে হবে ইত্যাদি।

    সর্বশেষ, যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার নিমিত্তে মৌখিক আশ্বাস দেওয়ায় শিক্ষার্থীরা তাদের কর্মসূচি প্রত্যাহার করে নিয়েছে।

    এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য ড. মাসুদা কামাল ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলেন। তিনি তাদের দাবিগুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনার আশ্বাস দেন।

    ড. মাসুদা কামাল বলেন, শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক দাবিগুলো বাস্তবায়নের জন্য প্রশাসন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের লিখিত অভিযোগ পেলে অ্যাকাডেমিক কার্যক্রমে বিলম্বের জন্য দায়ী অভিযুক্ত শিক্ষকদের বিরুদ্ধে যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলেও তিনি জানান।

  • বুড়িচংয়ে ফকির আবদুস সালাম (রহ.)-এর ৫০তম বার্ষিক ওরুছ মাহফিল অনুষ্ঠিত


    বুড়িচং (কুমিল্লা) প্রতিনিধি:
    কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার আনন্দপুর পশ্চিমপাড়ায় শায়িত হযরত শাহসূফী ফকির আবদুস সালাম (রহ.)-এর স্মরণে ৫০তম বার্ষিক ওরুছ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    সোমবার (২২ জুন) দিবাগত রাতে আনন্দপুর পশ্চিমপাড়া শাহ সালাম জামে মসজিদ মাঠ (মাজার শরীফ) সংলগ্ন স্থানে অনুষ্ঠিত এ মাহফিলে দেশ, জাতি ও বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি এবং কল্যাণ কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।

    মাহফিলে প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন শাসন কদমতলা গাউছিয়া করিমিয়া দরবার শরীফ, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজারের হাফেজ কারী মাওলানা মুহিবুর রহমান আশেকী, নজরুলিয়া দরবার শরীফের গদ্দিনিশীন পীরজাদা মাওলানা শেখ সাদী আবদুল্লাহ সাদকপুরী, হাফেজ মুফতি ইউসুফ রেজা, মাওলানা মুফতি মো. মজিবুল বাশার, আনন্দপুর পশ্চিমপাড়া শাহ সালাম জামে মসজিদের খতিব মাওলানা মোহাম্মদ মিজানুর রহমান, কারী মাওলানা বশির আহমদ ফারুকী ও হাফেজ মো. ইকরাম উদ্দিনসহ স্থানীয় আলেম-ওলামাগণ।

    আনন্দপুর পশ্চিমপাড়া শাহ সালাম জামে মসজিদের সভাপতি হাজী মো. আবদুল মান্নানের সভাপতিত্বে এবং মাজার ও খানকা শরীফ পরিচালনা কমিটির সভাপতি গাজী মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম জাবিরের সার্বিক তত্ত্বাবধানে অনুষ্ঠিত মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন বুড়িচং প্রেস ক্লাবের সভাপতি কাজী খোরশেদ আলম, মসজিদ কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো. জামশেদুল আলম, সহ-সভাপতি আমিনুল ইসলাম, কোষাধ্যক্ষ মো. জহিরুল ইসলাম, খাদেম মো. আলী মিয়া, মো. আবুল হোসেন বাচ্চু, শহিদুল ইসলাম, আবুল খায়ের আর্মি, আয়েত আলী, মো. লিটন রেজা মেম্বার, প্রভাষক মাহবুব আলম, রেজাউল করিম, খলিলুর রহমান, বুড়িচং প্রেস ক্লাবের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আক্কাস আল মাহমুদ হৃদয়, অর্থ সম্পাদক ফয়েজ আহমদ, প্রচার সম্পাদক শরীফুল ইসলাম সুমন, মহসিন আলম, হুমায়ুন কবির, মো. হোসেনসহ স্থানীয় পীর-মাশায়েখ, ওলামায়ে কেরাম, সামাজিক ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ।

    মাহফিল উপলক্ষে কোরআনখানি, খতমে গাউছিয়া শরীফ পাঠ, মাজার জিয়ারত, ধর্মীয় আলোচনা, মিলাদ মাহফিল এবং বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। শেষে মাহফিল কমিটির পক্ষ থেকে গাজী মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম জাবির উপস্থিত সকল মুসল্লি ও অতিথিদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে নারী ও কন্যাশিশুর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে ব্র্যাকের অ্যাডভোকেসি ডায়ালগ অনুষ্ঠিত


    চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি
    নারী ও কন্যাশিশুর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব জোরদারকরণের লক্ষ্যে চাঁপাইনবাবগঞ্জে একটি অ্যাডভোকেসি ডায়ালগ অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (২৩ জুন) সকাল ১১ টায় ব্র্যাক জেন্ডার জাস্টিস অ্যান্ড ডাইভারসিটির উদ্যোগে এই ডায়ালগের আয়োজন করা হয়। ​চাঁপাইনবাবগঞ্জ উপজেলা পরিষদ মিনি কনফারেন্স রুমে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন, সদর উপজেলার নির্বাহী অফিসার মারুফ আফজাল রাজন।

    অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক সিদ্দিকা সোহেলী রশীদ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মোসাঃ সাহিদা আখতার, চাঁপাইনবাবগঞ্জ যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক স্বপন কুমার কর্মকার, ব্র্যাক চাঁপাইনবাবগঞ্জের রিজিওনাল ম্যানেজার মরমিতাজ ইসলাম, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ব্র্যাক ডিস্ট্রিক্ট করডিনেটর মোমেনা খাতুন, সদর উপজেলার সমাজসেবা অফিসার কাঞ্চন কুমার দাস, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সিসিডিবির এরিয়া ম্যানেজার পিটার সরকার ও বিভিন্ন প্রোগ্রামের ম্যানেজমেন্ট কর্মীসহ কমিউনিটির সদস্য এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার প্রতিনিধি, সুশীল সমাজের ব্যক্তিবর্গ এবং স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

    ​ডায়ালগে বক্তারা বলেন, “নারী ও কন্যাশিশুর প্রতি সহিংসতা দূর করতে কেবল সরকারি উদ্যোগই যথেষ্ট নয়, এর জন্য সরকারি ও বেসরকারি উভয় খাতের সমন্বিত অংশীদারিত্ব অত্যন্ত জরুরি।” সমাজে সচেতনতা বৃদ্ধি, আইনি সহায়তার সহজলভ্যতা এবং অপরাধীদের দ্রুত শাস্তির আওতায় আনার মাধ্যমে একটি নিরাপদ পরিবেশ গড়ে তোলার ওপর জোর দেন তারা।

    অনুষ্ঠানে ব্র্যাকের স্লোগান—“নারী ও কন্যাশিশুর প্রতি সহিংসতার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করি, প্রতিরোধ গড়ি, প্রতিকার করি”—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা এবং করণীয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। উপস্থিত অতিথিরা প্রত্যেকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে এই সহিংসতা প্রতিরোধে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

  • আওয়ামী সন্ত্রাসীর বিচারের দাবিতে যাত্রাবাড়ীতে জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত


    স্টাফ রিপোর্টার:
    আওয়ামী লীগের শাসনামলে সংঘটিত বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড, জুলুম ও নির্যাতনের বিচারের দাবিতে বিশাল বিক্ষোভ মিছিল ও সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের যাত্রাবাড়ি জোন।

    আজ (মঙ্গলবার) সকাল ১১ টায় যাত্রাবাড়ী ও ডেমরা থানা জামায়াতে ইসলামীর যৌথ উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল ও সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। বিক্ষোভ মিছিলে প্রধান হিসবে নেতৃত্ব দেন ঢাকা-৫ আসনের সংসদ সদস্য এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কেন্দ্রীয় শুরা সদস্য জনাব কামাল হোসেন।

    মিছিলটি শহিদ ফারুখ রোড থেকে শুরু হয়ে যাত্রাবাড়ীর গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে। উক্ত মিছিলে জামায়াত-শিবিরের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মীসহ সর্বস্তরের সাধারণ মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করে। মিছিল থেকে আওয়ামী সন্ত্রাসীদের অনতিবিলম্বে গ্রেফতার এবং বিচারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেওয়া হয়।

    বিক্ষোভ মিছিল শেষে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য জনাব কামাল হোসেন বলেন, “বিগত ১৬ বছর ধরে আওয়ামী সন্ত্রাসীরা দেশের মানুষের ওপর যে নির্মম নির্যাতন, খুন ও গুমের রাজত্ব কায়েম করেছিল, তার সুষ্ঠু বিচার নিশ্চিত করতে হবে।গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করতে হবে। মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত ও জুলাই শহীদদের খুনিদের বিচার করতে হবে এবং কোনো অবস্থায় আওয়ামী লীগকে বাংলাদেশের রাজনীতিতে আর সুযোগ দেওয়া যাবে না।

    সমাবেশে যাত্রাবাড়ি ও ডেমরার জামায়াতের স্থানিয় নেতারা বলেন, জনগণের অধিকার হরণকারী ও গণহত্যাকারীদের আইনের আওতায় এনে শাস্তি না দেওয়া পর্যন্ত দেশের মানুষ রাজপথ ছাড়বেনা। দেশের শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে হলে সকল অপরাধী ও ফ্যাসিবাদীদের দ্রুত বিচারের মুখোমুখি করতে হবে। এ বিষয়ে প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে।

  • নেত্রকোনায় মাদক,সন্ত্রাস,চাঁদাবাজমুক্ত পৌরসভা গড়তে চান জনপ্রিয় মেয়র প্রার্থী কে আর খান পাঠান সাহের


    নেত্রকোনা প্রতিনিধি : আসন্ন পৌরসভা নির্বাচনকে ঘিরে ইতোমধ্যে ব্যাপক আলোচনা ও জনমত তৈরি হয়েছে। এরই মধ্যে নেত্রকোনা পৌরসভায় জনপ্রিয়তার দিক থেকে শীর্ষে উঠে এসেছেন মেয়র প্রার্থী কে আর খান পাঠান সাহের।মাদক,সন্ত্রাস চাঁদাবাজমুক্ত ও যুবকদের কর্মসংস্থান যুক্ত নেত্রকোনা পৌরসভা গড়ার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন নেত্রকোনা পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী কে আর খান পাঠান সাহের। পৌরসভা নির্বাচনের দিনক্ষন চূড়ান্ত না হলেও নেত্রকোনা পৌরসভায় বইছে আগাম নির্বাচনী হাওয়া। নেত্রকোনা পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র প্রার্থীরা আগাম প্রার্থী হওয়ার জানান দিচ্ছেন। নির্বাচনে বেশ কয়েকজন মেয়র প্রার্থীর নাম শোনা গেলেও বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম ময়মনসিংহ বিভাগীয় শাখার সহ সাংগঠনিক সম্পাদক বিশিষ্ট সমাজসেবক কে আর খান পাঠান সাহেরের নাম আলোচিত হচ্ছে। তিনি সম্প্রতি অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষের পক্ষে দিন রাত অবিরাম গনগংযোগ করেছেন। তিনি ভোটারদের আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছেন।

    মেয়র প্রার্থী কে আর খান পাঠান সাহের বলেন, জনতার অকুন্ঠ সমর্থন নিয়ে সন্ত্রাস মাদকমুক্ত বেকার নারী ও পুরুষের কর্মসংস্থান যুক্ত একটি পৌরসভা গড়তে চাই। এবার নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী হিসেবে কে আর খান পাঠান সাহের সাধারন মানুষের কাছে জনপ্রিয় মেয়র প্রার্থী হিসাবে যোগ্যতা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে বলে পৌরসভার একাধিক নাগরিক ভোটাররা জানান।

    এদিকে নেত্রকোনা পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা মো. জসিম নামে এক ভোটার বলেন, শান্তশিষ্ট ভদ্র মেয়র প্রার্থী হিসেবে জনপ্রিয়তার দিক দিয়ে কে আর খান পাঠান সাহের এগিয়ে রয়েছেন। তিনি তার বিবৃতিতে নেত্রকোনা পৌরবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।নেত্রকোনা পৌরসভার স্থানীয় বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে জনসেবামূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জন করেছেন তিনি। এলাকার উন্নয়ন, শিক্ষাব্যবস্থার প্রসার, সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণসহ নানা ক্ষেত্রে তার ভূমিকা প্রশংসিত হয়েছে। স্থানীয় ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে আরও জানা গেছে,কে আর খান পাঠান সাহেরকে একজন সৎ, যোগ্য ও জনবান্ধব প্রার্থী হিসেবে দেখছেন তারা। তরুণ সমাজের মধ্যেও তার ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। বিভিন্ন সভা-সমাবেশে তার উপস্থিতি এবং জনসম্পৃক্ততা অন্য প্রার্থীদের তুলনায় বেশি বলেও মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

    এদিকে নেত্রকোনা পৌরসভার একাধিক ভোটার বলেন, “আমরা এমন একজন প্রার্থী চাই, যিনি আমাদের সমস্যার কথা বুঝবেন এবং সমাধানে কাজ করবেন।কে আর খান পাঠান সাহের সেই যোগ্যতা রাখেন।”রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান প্রেক্ষাপটে কে আর খান পাঠান সাহেরের জনপ্রিয়তা নির্বাচনের ফলাফলে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।

    বিএনপির তৃণমূলের দলীয় নেতাকর্মীরা বলেন তিনি নির্বাচিত হলে দলের জন্য ভালো হবে।নেত্রকোনা পৌরসভার নির্বাচনকে ঘিরে বিএনপির তৃণমূলের নেতাকর্মীরা আরও বলেন,কে আর খান পাঠান সাহেরের যোগ্য নেতৃত্বই দলকে এগিয়ে নেবে। তিনি একজন যোগ্য, সৎ ও গ্রহণযোগ্য নেতা। কে আর খান পাঠান সাহের নির্বাচিত হলে দল আরও শক্তিশালী হবে এবং জনগণের আস্থা বৃদ্ধি পাবে।এদিকে নেত্রকোনা পৌরসভার স্থানীয় পর্যায়ের ব্যবসায়ীরা বলেন, “আমরা চাই এমন নেতৃত্ব, যিনি ব্যবসায়ীদের ঐক্যবদ্ধ রাখতে পারবেন এবং সাধারণ ব্যবসায়ীদের পাশে থাকবেন সেটা কে আর খান পাঠান সাহেরের ভেতর আছে।

    এদিকে, কে আর খান পাঠান সাহের তার নির্বাচনী প্রচারণায় উন্নয়ন ও সেবার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছেন। তিনি বলেন, “জনগণের ভালোবাসাই আমার শক্তি। নির্বাচিত হলে এই ভালোবাসার প্রতিদান দিতে মানুষের পাশে থেকে কাজ করে যাব ইনশাআল্লাহ।

    ২২/০৬/২০২৬ ইং

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে অবৈধ করাত-কলের বিরুদ্ধে বন বিভাগের অভিযান, ৪ জনকে জরিমানা


    চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি:
    চাঁপাইনবাবগঞ্জে অবৈধ করাত-কলের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে বন বিভাগ। রাজশাহী সামাজিক বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও)-এর নির্দেশনায় এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলা প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে সোমবার (২২ জুন) বিকেল ৫টায় সদর উপজেলার সুন্দরপুর ইউনিয়নের বাগচর গ্রামের মোল্লান মোড়ে একটি মোবাইল কোর্ট অভিযান পরিচালিত হয়।

    অভিযান চলাকালে করাত-কল বিধিমালা-২০১২ লঙ্ঘন করে লাইসেন্স ছাড়াই কয়েকটি করাত-কল পরিচালনার প্রমাণ পাওয়া যায়। এ সময় আইন অমান্য করে করাত-কল পরিচালনার দায়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত চার ব্যক্তিকে মোট ১৮ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা করেন।

    জরিমানাপ্রাপ্তরা হলেন— সদর উপজেলার সুন্দরপুর ইউনিয়নের বাগচর গ্রামের আমির হোসেনের ছেলে মো. মোক্তার হোসেন (৩ হাজার টাকা), মুনসুর আলীর ছেলে মো. আত্তাব উদ্দিন (৫ হাজার টাকা), আব্দুল লতিবের ছেলে শুকুরুদ্দীন (৫০০ টাকা) এবং মো. দাউদ আলীর ছেলে আবু বাক্কার (১০ হাজার টাকা)।
    ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. ইকরামুল হক নাহিদ।

    অভিযানে সহকারী বন সংরক্ষক নায়েমা আক্তারসহ বন বিভাগ ও প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। বন বিভাগের সহকারী বনসংরক্ষক নায়েমা আক্তার জানান, পরিবেশ সংরক্ষণ, বনজ সম্পদের সুরক্ষা এবং সরকারি বিধিমালা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে অবৈধ করাত-কলের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, বনজ সম্পদের অবৈধ ব্যবহার ও পরিবেশের ক্ষতি রোধে আইন প্রয়োগের পাশাপাশি সচেতনতামূলক কার্যক্রমও জোরদার করা হবে। অবৈধ করাত-কল পরিচালনার বিরুদ্ধে নিয়মিত নজরদারি ও অভিযান পরিচালনা করা হবে বলেও তারা উল্লেখ করেন।

  • পলাশী দিবসকে রাষ্ট্রীয়ভাবে পালনের দাবি বিপ্লবী পরিষদের


    ঢাকা প্রতিনিধি:
    ১৭৫৭ সালের ২৩শে জুন পলাশীর যুদ্ধে বাংলার স্বাধীনতা হরণের ঘটনাকে জাতির ইতিহাসে সবচেয়ে বড় বিপর্যয় আখ্যা দিয়ে দিনটিকে রাষ্ট্রীয়ভাবে পালন করার দাবি জানিয়েছে জাতীয় বিপ্লবী পরিষদ।

    আজ সোমবার সন্ধ্যায় জাতীয় বিপ্লবী পরিষদের আহবায়ক খোমেনী ইহসান ও সদস্য সচিব ডা. নাবিল আহমদ পলাশি দিবস উপলক্ষে জাতীয় বিপ্লবী পরিষদ কর্তৃক আয়োজিত এক আলোচনা সভায় এ কথা বলেন।

    তারা বলেন ১৭৫৭ সালের ২৩শে জুন পলাশীর আম্রকাননে বাংলার স্বাধীনতার সূর্য অস্তমিত হয়েছিল। একটি প্রহসনমূলক যুদ্ধের মাধ্যমে বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব সিরাজউদ্দৌলার পতন হয় এবং এর ফলশ্রুতিতে শুরু হয় ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির প্রায় দুশো বছরের ঔপনিবেশিক শাসন। এই পরাধীনতার শৃঙ্খলে আবদ্ধ হওয়ার পর এ অঞ্চলের জনগণের উপর নেমে আসে অবর্ণনীয় শোষণ ও নির্যাতন। বিশেষ করে মুসলিম জনগোষ্ঠীর ভূমি ও অধিকার হরণ করে তাদের প্রান্তিক অবস্থানে ঠেলে দেওয়া হয় এবং কৃষিনির্ভর অর্থনীতিকে ধ্বংস করে সম্পদ লুণ্ঠন করা হয়।

    আলোচনা সভায় উপস্থিত আলোচকবৃন্দ বলেন, ঔপনিবেশিক শাসনামলে বারবার কৃত্রিম দুর্ভিক্ষ সৃষ্টি করে কোটি কোটি মানুষের জীবন কেড়ে নেওয়া হয়েছে, যা ছিল গণহত্যার নামান্তর। ১৭৭০ সালের ছিয়াত্তরের মন্বন্তর এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকালীন ১৯৪৩ সালের দুর্ভিক্ষ ছিল এর নির্মম উদাহরণ। এই দুর্ভিক্ষগুলো ঔপনিবেশিক শাসনের ভয়াবহ পরিণতি এবং মানবতাবিরোধী অপরাধের নিকৃষ্ট দৃষ্টান্ত।

    জাতীয় বিপ্লবী পরিষদের নেতৃবৃন্দ বলেন, ২৩শে জুন শুধুমাত্র একটি তারিখ নয়, এটি আমাদের জাতির জীবনে আত্মমর্যাদা, সার্বভৌমত্ব এবং স্বাধীনতার গুরুত্ব স্মরণ করিয়ে দেওয়ার একটি প্রতীক। এই দিনে আমাদের পূর্বপুরুষদের সংগ্রাম, আত্মত্যাগ এবং ঔপনিবেশিক শাসনের বিরুদ্ধে প্রতিরোধকে স্মরণ করা অত্যন্ত জরুরি।

    ১৭৫৭ সালের ২৩শে জুনের এই ঐতিহাসিক এবং শোকাবহ দিনটিকে ‘পলাশী দিবস’ হিসেবে রাষ্ট্রীয়ভাবে পালন করার জোর দাবি জানান বিপ্লবী পরিষদের আহবায়ক ও সদস্য সচিব। তারা বলেন, এই দাবি বাস্তবায়নের মাধ্যমে জাতি তার অতীত ইতিহাসকে সম্মান জানাবে এবং ভবিষ্যৎ পথচলায় সঠিক দিকনির্দেশনা লাভ করবে।

  • নিষিদ্ধ গোষ্ঠীর অপতৎপরতা রোধে সতর্ক থাকার আহ্বান: নুর-বীন আব্দুর রহমান রাহাত


    নিজস্ব প্রতিবেদক:
    ঢাকা মহানগর পূর্ব ছাত্রদলের গণমাধ্যম বিষয়ক সম্পাদক মোঃ নুর-বীন আব্দুর রহমান রাহাত বলেছেন, দেশে কোনো নিষিদ্ধ বা সহিংস গোষ্ঠী যেন কোনো ধরনের বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে না পারে, সে বিষয়ে প্রশাসনের পাশাপাশি সচেতন নাগরিক ও রাজনৈতিক কর্মীদেরও সতর্ক থাকতে হবে।

    সোমবার এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, “দেশের শান্তি, স্থিতিশীলতা ও জননিরাপত্তা বিঘ্নিত করার যেকোনো অপচেষ্টা প্রতিহত করতে সবাইকে সজাগ থাকতে হবে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি জনগণের সচেতন ভূমিকাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

    তিনি আরও বলেন, “যারা দেশের স্বাভাবিক পরিবেশ নষ্ট করতে চায় কিংবা অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করার চেষ্টা করে, তাদের ব্যাপারে কোনো ধরনের উদাসীনতার সুযোগ নেই। এ বিষয়ে আমাদের অবস্থান অত্যন্ত স্পষ্ট।”
    রাহাত বলেন, “ম্যাসেজ ক্লিয়ার— দেশের শান্তি-শৃঙ্খলা বিনষ্টের কোনো অপচেষ্টাকে একচুলও ছাড় দেওয়া হবে না। আইন ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেকোনো অপতৎপরতার মোকাবিলা করতে হবে।

    তিনি সংশ্লিষ্ট সকল নেতাকর্মী ও সাধারণ জনগণের প্রতি সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সন্দেহজনক বা উসকানিমূলক কোনো কার্যক্রম পরিলক্ষিত হলে তা দ্রুত প্রশাসনের নজরে আনা উচিত।

    বিবৃতিতে তিনি দেশের শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের সহযোগিতা কামনা করেন।