Author: DBC

  • ​কিশোরগঞ্জ জেলা কারাগার পরিদর্শনে ডিসি, দিলেন একগুচ্ছ নির্দেশনা

    কটিয়াদী(​কিশোরগঞ্জ)প্রতিনিধি:
    কিশোরগঞ্জ জেলা কারাগারের সার্বিক ব্যবস্থাপনা, বন্দিদের সুযোগ-সুবিধা ও কল্যাণমূলক কার্যক্রম সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন জেলার মান্যবর জেলা প্রশাসক জনাব সোহানা নাসরিন।

    ​আজ (২২জুন) জেলা কারাগার প্রাঙ্গণে পৌঁছালে জেলা প্রশাসককে কারা কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করা হয়।

    ​গার্ড অব অনার গ্রহণ শেষে জেলা প্রশাসক কারাগারের সার্বিক পরিবেশ, বন্দিদের আবাসন ব্যবস্থা, চিকিৎসাসেবা এবং অন্যান্য কল্যাণমূলক কার্যক্রম ঘুরে দেখেন। এ সময় তিনি বন্দিদের জন্য প্রস্তুতকৃত খাদ্যের মান ও রান্নাঘরের পরিচ্ছন্নতা যাচাই করেন।

    ​পরিদর্শনকালে জেলা প্রশাসক কারাবন্দিদের সাথে সরাসরি মতবিনিময় করেন এবং তাদের বিভিন্ন অভিযোগ, সমস্যা ও প্রত্যাশার কথা মনোযোগ সহকারে শোনেন। বন্দিদের উত্থাপিত বিভিন্ন প্রতিকারযোগ্য বিষয়সমূহ দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের তাৎক্ষণিক প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করেন।

    ​জেলা প্রশাসকের বিশেষ নির্দেশনাসমূহ:
    *​খাদ্যের মান নিয়ন্ত্রণ: বন্দিদের জন্য সরবরাহকৃত খাদ্যের গুণগত মান বজায় রাখা এবং কারা ক্যান্টিনে বিক্রিত পণ্যের মূল্য ও মান নিয়মিত তদারকি করা।

    *​চিকিৎসা নিশ্চিতকরণ: অসুস্থ বন্দিদের যথাযথ চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা, প্রয়োজনীয় ওষুধের পর্যাপ্ত সরবরাহ বজায় রাখা এবং নিয়ম অনুযায়ী পুষ্টিকর খাদ্য সরবরাহ করা।

    *​মানবিক পরিবেশ: বন্দিদের মানবিক মর্যাদা রক্ষা এবং সংশোধনমুখী পরিবেশ বজায় রাখা।

    ​”কারাগার হোক কার্যকর শোধনাগার”
    ​পরিদর্শন শেষে জেলা প্রশাসক কারা কর্তৃপক্ষকে বন্দিদের পুনর্বাসনমূলক কার্যক্রম আরও জোরদার করার আহ্বান জানান। তিনি প্রত্যাশা ব্যক্ত করে বলেন
    ​”কারাগার কেবল শাস্তি কার্যকরের স্থান নয়, বরং একজন মানুষকে সৎ ও দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে সমাজে ফিরিয়ে দেওয়ার একটি কার্যকর শোধনাগার। এই লক্ষ্য অর্জনে কারা কর্তৃপক্ষের আন্তরিকতা, দায়িত্বশীলতা ও মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি অব্যাহত রাখতে হবে।”
    ​কারাগার পরিদর্শনের সময় জেলা প্রশাসন ও কারা কর্তৃপক্ষের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

  • যশোরে সম্পন্ন হলো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও ফ্যাক্ট চেকিং বিষয়ক ৩ দিনের প্রশিক্ষণ


    যশোর প্রতিনিধি:প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশের আয়োজনে যশোরে তিন দিনব্যাপী ‘মাল্টিমিডিয়া, এআই ও ফ্যাক্ট চেকিং’ বিষয়ক সাংবাদিকতা প্রশিক্ষণ কর্মশালা শেষ হয়েছে।

    সোমবার (২২ জুন) বিকালে যশোর প্রেসক্লাব মিলনায়তনে এই সমাপনী ও সনদপত্র বিতরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন ন্যাশনাল এডিটর কাউন্সিলের সদস্য শান্তনু ইসলাম সুমিত।

    তিনি বলেন, তথ্যপ্রযুক্তির যুগে ভুল তথ্য ও গুজব প্রতিরোধে সাংবাদিকদের জন্য মাল্টিমিডিয়া, এআই এবং ফ্যাক্ট চেকিংয়ের কৌশল জানা অত্যন্ত জরুরি।

    এই প্রশিক্ষণ সাংবাদিকদের পেশাগত মানোন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলেও অভিমত ব্যক্ত করেন তিনি। এসময় তিনি ভুয়া ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচারণা মোকাবিলায় গণমাধ্যমকে আরও দায়িত্বশীল ও সতর্ক থাকার আহ্বান জানান।

    অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালী যুক্ত হয়ে বক্তব্য রাখেন পিআইবির মহাপরিচালক ফারুক ওয়াসিফ। প্রেস ক্লাব যশোরের সাধারণ সম্পাদক তৌহিদুর রহমানের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন পিআইবির প্রশিক্ষক সাহানোয়ার সাইদ শাহীন, যশোরের সাংবাদিক সাইফুল ইসলাম সজল, মহসিন মিলন প্রমুখ। তিন দিনের প্রশিক্ষণ কর্মশালায় দুটি ব্যাচে জেলা ও উপজেলার ৭০ জন গণমাধ্যমকর্মী অংশ নেন।

    এর আগে, গত শনিবার তিন দিনব্যাপী এই গুরুত্বপূর্ণ প্রশিক্ষণ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছিলেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।

  • সেনাবাহিনী পিক-আপ ভ্যানের সাথে ঔষধ কোম্পানী কাভার ভ্যানের সংঘর্ষ

    খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি:
    খাগড়াছড়ি-চট্টগ্রাম সড়কের মানিকছড়ি উপজেলার মহামুনি টিলায় সেনাবাহিনীর একটি পিক-আপ ভ্যানের সাথে অ্যারিস্টো ফার্মা ঔষধ কোম্পানির একটি দ্রুতগতির কাভার ভ্যানের সংঘর্ষের ঘটনায় ঘটেছে।

    সোমবার (২২ জুন) সকালে এ দূর্ঘটনা ঘটে। এতে দুটির গাড়ি সামনের অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

    জানা গেছে, সেনাবাহিনীর পিকআপ ভ্যানটি (নম্বর ৯০৩৯) নয়াবাজার আর্মি ক্যাম্পের উদ্দেশ্যে রওনা হয়ে মহামুনি টিলা এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা খাগড়াছড়ি গামী অ্যারিস্টোফার্মা ওষুধ কোম্পানির দ্রুতগতির পিকআপ ভ্যান (ঢাকা মেট্রো-ম-১১-৭৭৩৬) নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে এবং সেনাবাহিনীর গাড়িটিকে সরাসরি সামনে থেকে সজোরে ধাক্কা দেয়।

    এ দুর্ঘটনায় সেনাবাহিনীর পিকআপে থাকা একজন আনসার সদস্য এবং অ্যারিস্টোফার্মা কোম্পানির একজন এসআর (সেলস রিপ্রেজেন্টেটিভ) সামান্য আহত হয়েছে। ঘটনার পরপরই স্থানীয় লোকজন ও নিরাপত্তা রক্ষী বাহিনীর সদস্যরা দ্রুত এগিয়ে এসে আহতদের উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন। দুর্ঘটনার কারণে মহাসড়কে কিছুক্ষণ যানবাহন চলাচলে বিঘ্ন ঘটলেও পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।

  • কুবির বাংলা বিভাগ ও বাংলা একাডেমির আয়োজনে দুই দিনব্যাপী সেমিনার শুরু 


    কুবি প্রতিনিধি: 
    কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগ ও বাংলা একাডেমির যৌথ আয়োজনে ঔপন্যাসিক ও গল্পকার হাসান আজিজুল হক এবং সাহিত্যিক ও সম্পাদক মোহাম্মদ লুৎফর রহমান স্মরণে দুই দিনব্যাপী সেমিনার শুরু হয়েছে।

    সোমবার (২২ জুন) সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ও মানবিক অনুষদের সম্মেলন কক্ষে প্রথম দিনের সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।

    প্রথম দিনের সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সোলায়মান। আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মহীবুল আজীজ। এছাড়াও আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুবির বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. কামরুন নাহার, বাংলা একাডেমির অফিসার শাহ্ মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান এবং বিভাগের অন্যান্য শিক্ষকবৃন্দ।

    সেমিনারে বক্তারা হাসান আজিজুল হকের সাহিত্যকর্ম, দর্শন, মানবতাবোধ ও বাংলা সাহিত্যে তাঁর অবদান নিয়ে আলোচনা করেন। 

    সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক  ড. মোহাম্মদ সোলায়মান বলেন, “হাসান আজিজুল হক বাংলা সাহিত্যের এমন একজন শক্তিমান লেখক, যিনি মানুষের জীবনসংগ্রাম ও সামাজিক বৈষম্য তাঁর গল্প-উপন্যাসে ফুটিয়ে তুলেছেন। তিনি কখনো সস্তা জনপ্রিয়তার জন্য লেখেননি, বরং সত্যকে প্রতিষ্ঠা করার জন্য লিখেছেন।”

    সেমিনারের আলোচক চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. মহীবুল আজিজ বলেন, “আমি বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র ছিলাম। পরবর্তীতে ভালো লাগা ও আগ্রহ থেকেই বাংলা সাহিত্য নিয়ে পড়াশোনা শুরু করি। আমার বিশ্বাস, কোনো বিষয়ে আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে অধ্যয়ন করলে এবং সেই বিষয়ে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনের লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে গেলে সফল হওয়া সম্ভব।”

    বাংলা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ গোলাম মাওলা বলেন, “এম.এ. শ্রেণিতে অধ্যয়নকালে আমার থিসিসের বিষয় ছিল হাসান আজিজুল হকের গল্প। তাঁর প্রথম প্রকাশিত ‘পাতালে হাসপাতালে’ গ্রন্থটির প্রথম সংস্করণের একটি কপি এখনও আমার ব্যক্তিগত সংগ্রহে সংরক্ষিত রয়েছে। একজন পাঠক ও গবেষক হিসেবে এটি আমার জন্য অত্যন্ত মূল্যবান সম্পদ।”

    তিনি আরো বলেন, “হাসান আজিজুল হক তাঁর অসাধারণ গল্প শৈলী, মানবজীবনের গভীর উপলব্ধি এবং সমাজবাস্তবতার অনন্য উপস্থাপনার মাধ্যমে বাংলা সাহিত্যে স্থায়ী আসন লাভ করেছেন। তাঁর সাহিত্যকর্মই তাঁকে আজ সর্বজন পরিচিত ও অনুকরণীয় ব্যক্তিত্বে পরিণত করেছে।”

    প্রথম দিনের সেমিনারের সভাপতি বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. জি. এম. মনিরুজ্জামান বলেন, “দুই দিনব্যাপী এই আয়োজনের উদ্দেশ্য শুধু হাসান আজিজুল হককে স্মরণ করা নয়, বরং তাঁর জীবন ও সাহিত্যকর্ম থেকে শিক্ষা গ্রহণ করা। তিনি জীবনসংগ্রাম, সামাজিক বৈষম্য ও মানবিক সংকটকে সাহিত্যে অসাধারণভাবে তুলে ধরেছেন।”

  • ঢাকা বিমানবন্দর মহাসড়কের ব্যস্ততম সড়ক দখল করে গড়ে উঠেছে অবৈধ টিকিট কাউন্টার


    মোঃ আল আমিন, বিশেষ প্রতিনিধি: রাজধানীর ঢাকা বিমানবন্দর মহাসড়কের ব্যস্ততম অংশে বিভিন্ন পরিবহনের অবৈধ টিকিট কাউন্টার স্থাপনের অভিযোগ উঠেছে। সড়কের একাংশ দখল করে এসব কাউন্টার পরিচালিত হওয়ায় প্রতিনিয়ত যানজট সৃষ্টি হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও যাত্রীরা।

    স্থানীয়দের দাবি, সড়কের পাশে ও কিছু ক্ষেত্রে সড়কের অংশবিশেষ দখল করে টিকিট বিক্রির কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। ফলে বাস থামানো, যাত্রী ওঠানামা এবং টিকিট সংগ্রহের সময় যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে। এতে সাধারণ যাত্রী ও পথচারীদের দুর্ভোগ বাড়ছে।

    অভিযোগ রয়েছে, একটি প্রভাবশালী মহলের ছত্রচ্ছায়ায় এসব অবৈধ টিকিট কাউন্টার পরিচালিত হচ্ছে। স্থানীয়দের ভাষ্য, রাস্তা দখল করে কাউন্টার বসানোর মাধ্যমে অর্থ আদায় করা হলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কার্যকর ব্যবস্থা নিচ্ছে না। তবে এ অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

    এদিকে, এলাকাবাসী দ্রুত অবৈধ টিকিট কাউন্টার অপসারণ এবং সড়কের স্বাভাবিক যান চলাচল নিশ্চিত করতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

    অভিযোগের বিষয়ে বাংলাদেশ পুলিশ, ট্রাফিক পুলিশ অথবা বিমানবন্দর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তী প্রতিবেদনে প্রকাশ করা হবে।

  • বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ জয়ে প্রস্তুত হচ্ছে নেত্রকোণার শিক্ষার্থীরা: দুই বিদ্যালয়ে ৮ ক্লাবের উদ্বোধন


    নেত্রকোনা প্রতিনিধি: জেলা শহরের ঐতিহ্যবাহী দুটি সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের মেধা, সৃজনশীলতা ও মননশীলতার বিকাশে পৃথকভাবে মোট ৮টি ক্লাবের শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে। সোমবার নেত্রকোণার জেলা প্রশাসক ম্যাজিস্ট্রেট খন্দকার মুশফিকুর রহমান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বিদ্যালয় দুটিতে এই ক্লাবগুলোর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। দুপুর ১২টায় প্রথমে নেত্রকোণা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়টির বিজ্ঞান, ভাষা, বিতর্ক ও সাংস্কৃতিক ক্লাবের উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক। পরবর্তীতে, দুপুর ১টায় তিনি আঞ্জুমান আদর্শ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে উপস্থিত হয়ে সেখানে আরও ৪টি নবগঠিত ক্লাবের উদ্বোধন ঘোষণা করেন।

    নেত্রকোণা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষক স্বপ্না রানী সরকারের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মুন মুন জাহান লিজা, জেলা শিক্ষা অফিসার জাহাঙ্গীর কবীর আহাম্মদ এবং জেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল কিবরিয়া চৌধুরী হেলিম।

    প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট খন্দকার মুশফিকুর রহমান বলেন, “শুধুমাত্র প্রাতিষ্ঠানিক বা পুথিগত শিক্ষাই একজন শিক্ষার্থীকে পরিপূর্ণ মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে পারে না। বিজ্ঞানমনস্ক ও মেধাভিত্তিক সমাজ গঠনে সহ-শিক্ষা কার্যক্রমের বিকল্প নেই।” তিনি জোর দিয়ে আরও বলেন, “বর্তমান বৈশ্বিক বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে হলে মেধার কোনো বিকল্প নেই। এজন্যই পড়াশোনার পাশাপাশি এসকল ক্লাবে যুক্ত থেকে শিক্ষার্থীরা নিজেদের মেধাকে আরও শাণিত করতে পারবে।”

    ক্লাবগুলোর নিয়মিত কার্যকারিতা নিশ্চিত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করে জেলা প্রশাসক বলেন, “আজকে আমি এখানে শুধুমাত্র ক্লাবগুলোর উদ্বোধন করে গেলাম আর আজকেই শেষ—তা কিন্তু হবে না। আমি নিজে এগুলো নিয়মিত মনিটরিং করবো, প্রতি মাসে আসবো এবং শিক্ষার্থীদের কার্যক্রম স্বচক্ষে দেখবো।

    তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, “এখান থেকে অনেক শিক্ষার্থী পরবর্তীতে জেলা, বিভাগ ও সারাদেশের বিভিন্ন প্রতিযোগিতায়কন অংশ নিয়ে নিজেদের যোগ্যতার শ্রেষ্ঠত্বের প্রমাণ রাখবে। একসময় তারা বৈশ্বিক প্রতিযোগিতাতেও অংশ নিয়ে বিজয়ী হবে এবং দেশকে বিশ্ব দরবারে সম্মানিত করবে।”বিশেষ অতিথির বক্তব্যে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মুন মুন জাহান লিজা ক্লাবের কার্যক্রমে প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহারের ওপর জোর দেন।

    জেলা শিক্ষা অফিসার জাহাঙ্গীর কবীর আহাম্মদ শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পাশাপাশি এই সহ-শিক্ষা কার্যক্রমে সক্রিয় অংশগ্রহণের আহ্বান জানান এবং জেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল কিবরিয়া চৌধুরী হেলিম জেলা প্রশাসনের এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেন।

    অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের পক্ষে নিজেদের অনুভূতি ও আশাবাদ ব্যক্ত করে বক্তব্য রাখেন সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী রওশন খান তুবা এবং পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী আরিশা জানিন মাহা। তারা বিদ্যালয়ে এমন নান্দনিক ও শিক্ষণীয় ক্লাব গঠনের উদ্যোগ নেওয়ায় জেলা প্রশাসক ও বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানগুলোতে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা আমন্ত্রিত অতিথিদের ফুল ও করতালির মাধ্যমে বরণ করে নেয়। ক্লাবগুলোর যাত্রা শুরু উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় দুই বিদ্যালয়ের বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক ও স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

  • সদরপুর সরকারি কলেজে এইচএসসি পরীক্ষার্থী- ২০২৬ এর বিদায় ও দু’আ মাহফিল


    ফরিদপুর জেলা প্রতিনিধি : ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও আন্তরিক পরিবেশে ফরিদপুরের সদরপুর সরকারি কলেজে এইচএসসি পরীক্ষার্থী-২০২৬ এর বিদায় উপলক্ষে মিলাদ ও দু’আ মাহফিল- ২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    সোমবার (২২ জুন) বেলা ১১টায় কলেজের ১০৫ নম্বর কক্ষে ছাত্ররা এবং ১০৩ নম্বর কক্ষে ছাত্রীবৃন্দ আসন গ্রহণ করেন। পবিত্র কুরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা করা হয়।

    অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সদরপুর সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. এনামুল হক। বার্ষিক মিলাদ ও দু’আ মাহফিল পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক মো. আফসার উদ্দিন অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন।

    এসময় বক্তব্য রাখেন ইংরেজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক মো. ইসমাইল হোসেন, হিসাববিজ্ঞান বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম আনোয়ারী এবং ছাত্র প্রতিনিধি হিসেবে কলেজ শাখা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মো. হাসান সরদার। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন দর্শন বিভাগের প্রভাষক বেলায়েত হোসেন ইমরোজ।

    সদরপুর সরকারি কলেজ মসজিদের পেশ ইমাম মুফতী মুহাম্মাদ জাকির হুসাইন ফরিদী দু’আ ও মোনাজাত পরিচালনা করেন। এ সময় তিনি পরীক্ষার্থীদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ ও আসন্ন এইচএসসি পরীক্ষায় সাফল্য কামনার পাশাপাশি দেশ, জাতি এবং বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করেন।

    অনুষ্ঠানে কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। বিদায়ী শিক্ষার্থীদের প্রতি শুভকামনা ও আন্তরিক দু’আর মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।

  • নেত্রকোনায় মাদ্রাসা ফাঁকি দিয়ে অনুদান হাতানোর অভিযোগ খালিয়াজুরী প্রেসক্লাব আহবায়কের বিরুদ্ধে


    নেত্রকোনা প্রতিনিধি: নেত্রকোনার খালিয়াজুরী উপজেলা প্রেসক্লাবের আহ্বায়ক মো. হাবিবুল্লাহর বিরুদ্ধে প্রেসক্লাবের অনুদানের অর্থ ব্যবস্থাপনায় অনিয়ম এবং কর্মস্থল নূরপুর বোয়ালী দাখিল মাদ্রাসায় নিয়মিত অনুপস্থিত থাকার অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)সহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত দাবি উঠেছে। প্রেসক্লাবের একাধিক সদস্য ও স্থানীয় সচেতন মহল এসব অভিযোগের নিরপেক্ষ অনুসন্ধানের আহ্বান জানিয়েছেন।

    অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, প্রেসক্লাবের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী আহ্বায়ক কমিটির মেয়াদ তিন মাস হলেও মো. হাবিবুল্লাহ প্রায় দুই বছর ধরে আহ্বায়কের দায়িত্ব আঁকড়ে ধরে আছেন। পদে থেকে ক্লাবের সাধারণ সভা কিংবা নির্বাচন দিচ্ছেন না বলে অভিযোগ রয়েছে। ফলে সংগঠনের নিয়মিত কার্যক্রম, আর্থিক জবাবদিহিতা ও সাংগঠনিক স্বচ্ছতা বাধাগ্রস্ত হয়েছে বলে দাবি সদস্যদের।

    প্রেসক্লাবের একাধিক সদস্যের অভিযোগ, গত দুই বছরে বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি উৎস থেকে প্রায় পাঁচ লাখ টাকা অনুদান সংগ্রহ করা হলেও এর আয়-ব্যয়ের কোনো পূর্ণাঙ্গ হিসাব সদস্যদের সামনে উপস্থাপন করা হয়নি। তারা অনুদানের অর্থের উৎস, ব্যয় ও ব্যবস্থাপনা বিষয়ে দুদকের অনুসন্ধান দাবি করেছেন।

    প্রেসক্লাব সদস্য মামুন ইয়ার চৌধুরী বলেন, ‘প্রেসক্লাবের অর্থ ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা থাকা জরুরি। নিরপেক্ষ তদন্ত হলে প্রকৃত তথ্য বেরিয়ে আসবে।’ স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মো. হাবিবুল্লাহ নূরপুর বোয়ালী দাখিল মাদ্রাসার এমপিওভুক্ত কর্মচারী। পাশাপাশি তিনি ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনা থেকে প্রকাশিত একাধিক দৈনিক পত্রিকার খালিয়াজুরী উপজেলা প্রতিনিধি এবং উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর নেতা হিসেবে পরিচয় বহন করেন। অভিযোগ রয়েছে, সাংবাদিকতা ও বিভিন্ন সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে ব্যস্ত থাকার কারণে তিনি নিয়মিতভাবে মাদ্রাসায় দায়িত্ব পালন করেন না।

    উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি আলী হাসান চৌধুরী পিন্টুসহ স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি ও শিক্ষক তার কর্মস্থলে অনুপস্থিতির অভিযোগ তুলেছেন।নূরপুর বোয়ালী দাখিল মাদ্রাসার সুপার হারুন অর রশিদ বলেন, ‘হাবিবুল্লাহ সপ্তাহের কয়েকটি কর্মদিবসে মাদ্রাসায় অনুপস্থিত থাকেন। বিষয়টি সদ্য বিদায়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাদির হোসেন শামীমকে অবহিত করা হয়েছিল।

    তবে সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মো. হাবিবুল্লাহ। তিনি বলেন, ‘আমি প্রায় ২১ মাস ধরে প্রেসক্লাবের দায়িত্ব পালন করছি। খুব শিগগিরই সাধারণ সভা আহ্বান করা হবে। অনুদানের অর্থ ব্যবহারে কোনো অনিয়ম হয়নি। সাংবাদিকতা বা প্রেসক্লাব থেকে আমি কোনো আর্থিক সুবিধাও গ্রহণ করি না।’ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. শফিকুল বারী বলেন, ‘এমপিওভুক্ত কোনো কর্মচারীর সাংবাদিকতা বা সাংবাদিক সংগঠনের দায়িত্ব পালনের বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে আমার জানা নেই।

    এদিকে অভিযোগের বিষয়ে এখনো কোনো সরকারি সংস্থা আনুষ্ঠানিক তদন্ত শুরু করেনি। তবে প্রেসক্লাবের অনুদানের অর্থের হিসাব প্রকাশ, মাদ্রাসায় অনুপস্থিতির অভিযোগ যাচাই এবং প্রেসক্লাবের সাংগঠনিক কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ফিরিয়ে আনতে দুদকসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন সদস্যরা ও স্থানীয় সচেতন মহল।

  • দীঘিনালার দুর্গম অবহেলিত এলাকায় সুপেয় পানির ব্যবস্থা করলেন সেনাবাহিনী


    খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি:
    দীঘিনালা উপজেলার বাবুছড়া ইউনিয়নের দুর্গম এলাকায় বসবাসরত জনগণের দীর্ঘদিনের সুপেয় পানির সংকট নিরসনে উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী খাগড়াছড়ি রিজিয়ন।
    গতকাল বিন্দু কুমার কার্বারী পাড়ায় ১৯০ ফুট গভীর ডিপ টিউবওয়েল স্থাপন করে পানি সরবরাহ উদ্বোধন করেন দীঘিনালা জোন কমান্ডার লেপটেন্যাল কর্ণেল মো: আল- আমিল পিএসসি।

    উদ্বোধনী অনুষ্টানে আরো উপস্তিত ছিলেন ৫নং বাবুছড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান গগন বিকাশ চাকমা, ৪নং ওয়ার্ডের মেম্বার সুরেশ চাকমাসহ এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্তিত ছিলেন।

    সেনাবাহিনীর সুত্রে জানা গেছে , দূর্গম অবহেলিত পাহাড়ি এলাকায় বসবাসরত পরিবারে লোকজন বছরের পর বছর পানি জলের জন্য দূরবর্তী ঝিরি ও প্রাকৃতিক পানির উৎসের ওপর নির্ভরশীল থাকত। বিশেষ করে শুষ্ক মৌসুমে পানির সংকট চরম আকার ধারণ করায় স্থানীয়দের নিত্যদিনের জীবনযাত্রা ব্যাহত হতো।

    এ পরিস্থিতিতে মানবিক সহায়তার অংশ হিসেবে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দীঘিনালা জোন প্রয়োজনীয় জরিপ ও পরিকল্পনার মাধ্যমে এলাকায় সুপেয় পানির ব্যবস্থা উদ্যোগ গ্রহন করে।

    এর ফলে স্থানীয় ১০৫টি পরিবারের ৩৫০জন নিরাপদ পানির সুবিধা পাবে এবং তাদের দীর্ঘদিনের ভোগান্তির অবসান হয়েছে।

  • বিমানবন্দরে রেলওয়ে স্টেশনে বন্ধহচ্ছে না টিকিট রিসেলিং সরকার হারাচ্ছে কোটি টাকার রাজস্ব


    মোঃ আল আমিন বিশেষ প্রতিনিধি:
    ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর রেলওয়ে স্টেশন-এ যাত্রীসেবার মান উন্নত হলেও টিকিট সংক্রান্ত অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উদ্বেগজনকভাবে বেড়েছে। বিশেষ করে টিকিট রিসেলিং এবং অবৈধ অর্থ আদায়ের ঘটনা নিয়মিত ঘটছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

    অভিযোগ অনুযায়ী, কিছু নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য ট্রেনে যাত্রীদের টিকিট চেক করে বৈধ টিকিট সংগ্রহ করে তা ট্রেনের এটেনডেন্টদের কাছে বিক্রি করছেন। পরে সেই টিকিট অন্য যাত্রীদের কাছে সরবরাহ করা হচ্ছে, যাতে তারা কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন-এ নির্বিঘ্নে বের হতে পারে। এতে সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব হারাচ্ছে।

    যদিও নিয়ম অনুযায়ী নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের টিকিট চেক করার এখতিয়ার নেই, অতীতে টিকিট চেকার (টিসি) সংকটের কারণে তারা এ কাজে যুক্ত ছিলেন। বর্তমানে পর্যাপ্ত টিসি থাকা সত্ত্বেও অভিযোগ রয়েছে, তাদের একটি অংশও নানা অনিয়মে জড়িত।

    যাত্রীদের অভিযোগ, অনলাইন টিকিট দেখালে অনেক সময় টিসিরা ক্রেতার জাতীয় পরিচয়পত্রের কপি দাবি করেন। তা দেখাতে না পারলে জরিমানার ভয় দেখিয়ে অর্থ আদায় করা হয়। বিশেষ করে বিদেশগামী যাত্রীদের কাছ থেকে বেশি অর্থ আদায়ের অভিযোগ রয়েছে। এমনকি শিশুদের জন্য অতিরিক্ত টিকিটের অজুহাতেও টাকা নেওয়া হচ্ছে।

    এছাড়া, কিছু ক্ষেত্রে টিকিট ছাড়াই যাত্রীদের কাছ থেকে অর্থ নিয়ে তাদের গেট পার করে দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। আবার টিকিট না কেটেই অর্থ নেওয়ার ঘটনাও ঘটছে বলে দাবি করেছেন ভুক্তভোগীরা।

    এ বিষয়ে বাংলাদেশ রেলওয়ে-এর ঢাকা বিভাগের ডিভিশনাল কমার্শিয়াল অফিসার মো. মহব্বতজান জানান, অভিযোগ পাওয়ার পর কিছু টিসিকে বদলি করা হয়েছে। তবে হেড টিসি মো. মনির দাবি করেন, টিকিট রিসেলিংয়ে টিসিরা নয়, বরং নিরাপত্তা বাহিনী (আরএনবি) সদস্যরা জড়িত।

    তিনি আরও বলেন, অনেক সময় ভুয়া বা ফটোকপি টিকিট ধরা পড়লে জরিমানা করা হয়। তবে অভিযোগ রয়েছে, এই নিয়মের আড়ালে বৈধ যাত্রীদেরও হয়রানি করা হচ্ছে।

    সংশ্লিষ্টদের মতে, টিকিটবিহীন যাত্রীদের কাছ থেকে অর্থ নিয়ে পরে কয়েকজনকে একত্র করে একটি টিকিট করা হয়—এমন ব্যাখ্যা কতটা বাস্তবসম্মত, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।

    ভুক্তভোগী যাত্রী ও প্রত্যক্ষদর্শীরা দ্রুত তদন্ত ও কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।