Category: অন্যান্য

  • ঝালকাঠি সদরে বিনামূল্যে কৃষকদের মাঝে বীজ-সার ও ১২ হাজার বৃক্ষের চারা বিতরণ


    ঝালকাঠি প্রতিনিধি:
    ঝালকাঠি সদর উপজেলায় ২০২৫-২৬ অর্থবছরের খরিফ-২ মৌসুমে কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় ১ হাজার ৫০০ ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকের মাঝে বিনামূল্যে উফশী আমন ধানের বীজ ও সার বিতরণ এবং কৃষি পুনর্বাসন সহায়তা খাত থেকে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আওতায় বিনামূল্যে ১২ হাজার ৭৫টি বৃক্ষের চারা ও উপকরণ বিতরণ কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    মঙ্গলবার সকালে উপজেলা পরিষদ চত্বরে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ কর্মসূচিতে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আলী আহম্মদের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে উদ্বোধন ঘোষণা করেন ঝালকাঠি সদর উপজেলার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সেগুফতা মেহনাজ।

    কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, উফশী আমন প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় ১ হাজার ৫০০ কৃষক প্রত্যেকে বিনামূল্যে ৫ কেজি ধানের বীজ, ১০ কেজি ডিএপি সার এবং ১০ কেজি এমওপি সার পাবেন।

    এ ছাড়া কৃষি পুনর্বাসন খাত থেকে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আওতায় মোট ১২ হাজার ৭৫টি চারা বিনামূল্যে বিতরণ করা হবে। এর মধ্যে রয়েছে ৭ হাজার ৮০০টি নারিকেল চারা, ১ হাজার ৪৭৫টি আম, লিচু, সফেদা, শরিফা, তাল, কাঁঠাল, আতা, তেঁতুল ও বাতাবি লেবুর চারা, ১ হাজার ৮৫০টি অর্জুন, মেহগনি, সুপারি, আমড়া, আমলকি, নিম, বহেরা, বেল, রেইনট্রি ও খেজুরের চারা এবং ৩৫০টি মাল্টা, জলপাই ও কদবেলের চারা। এসব কর্মসূচির আওতায় একজন কৃষক বিনামূল্যে ৫টি করে চারা, ১৫০ কেজি গোবর সার ও ৫টি বাঁশের খুঁটি পাবেন। এছাড়া লেবু চারা বিতরণ কর্মসূচির আওতায় ৬০০টি লেবুর চারা বিনামূল্যে বিতরণ করা হবে। এ কর্মসূচিতে একজন কৃষক ৫টি লেবুর চারা ও ৩০ কেজি গোবর সার পাবেন।

    অনুষ্ঠানে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মো. রিফাত হোসেন, সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সাইয়্যেদা, অতিরিক্ত কৃষি কর্মকর্তা খাদিজা, উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মো. মাহমুদ আলম জোমাদ্দার, উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা মো. কাইয়ুম, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা নাইমুন্নাহারসহ উপজেলা পর্যায়ের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তাবৃন্দ এবং শতাধিক কৃষক-কৃষাণী উপস্থিত ছিলেন।

    অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আলী আহম্মদ। তিনি তাঁর বক্তব্যে বিভিন্ন কর্মসূচির আওতায় কৃষকের সংখ্যা, বিতরণযোগ্য বৃক্ষের চারা ও উপকরণের পরিমাণ তুলে ধরেন। পাশাপাশি প্রণোদনা ও পুনর্বাসন কার্যক্রমের উদ্দেশ্য ও বাস্তবায়ন পরিকল্পনা সম্পর্কে আলোচনা করেন।

    তিনি বর্তমান সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকার ‘পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি’ বাস্তবায়নের উদ্যোগকে সময়োপযোগী উল্লেখ করে সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান এবং উপস্থিত কৃষক ও উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের বিতরণ করা চারাগুলোর যথাযথ পরিচর্যার আহ্বান জানান।

    প্রধান অতিথি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সেগুফতা মেহনাজ তাঁর বক্তব্যে বলেন, কৃষি প্রণোদনা ও কৃষি পুনর্বাসন কর্মসূচি সরকারের অগ্রাধিকারভিত্তিক কর্মসূচিগুলোর অন্যতম। এসব কর্মসূচির সফল বাস্তবায়নে কর্মকর্তা ও কৃষকদের আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করতে হবে। একই সঙ্গে সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকার ‘পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ’ কর্মসূচি বাস্তবায়নে সবাইকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

    অনুষ্ঠান শেষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সেগুফতা মেহনাজ উপজেলা পরিষদ চত্বরে অন্যান্য কর্মকর্তাদের সঙ্গে ফলদ ও ঔষধি গাছের চারা রোপণ করেন এবং উপস্থিত সবাইকে বৃক্ষরোপণে উদ্বুদ্ধ করেন।

  • কু্বিতে সেশনজট নিরসনের দাবিতে আইন বিভাগে শিক্ষার্থীদের তালা, সমাধানের আশ্বাস


    কুবি প্রতিনিধি:
    সেশনজটের কারণে পরীক্ষা পিছিয়ে যাওয়ার প্রতিবাদে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) আইন বিভাগের শিক্ষার্থীরা প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করেছেন। একপর্যায়ে বিভাগের কক্ষগুলো তালাবদ্ধ করেন শিক্ষার্থীরা।

    সোমবার সকাল ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুষদের প্রবেশপথে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

    শিক্ষার্থীরা জানান, সেশনজটের কারণে ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা প্রায় আট মাস পিছিয়ে গেছে। দীর্ঘ এ বিলম্বে অ্যাকাডেমিক কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ায় তারা ক্ষোভ প্রকাশ করেন। বিক্ষোভ চলাকালে অনুষদ ভবনের কয়েকটি শ্রেণিকক্ষে তালা ঝুলিয়ে দেন শিক্ষার্থীরা।

    বিক্ষোভকারীদের দাবি, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পরীক্ষা সম্পন্ন করতে হবে এবং চলমান সেশনজট দ্রুত নিরসনে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। এই সংক্রান্ত ছয়টি দাবি উত্থাপন করেন শিক্ষার্থীরা। দাবিগুলো হলো– আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সকল কোর্সের ইনকোর্স রেজাল্ট প্রকাশ করতে হবে, ছয় মাসের মধ্যে বাকি ২ সেমিস্টার শেষ করতে হবে, ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে বাকি দুই সেমিস্টারের রোডম্যাপ প্রকাশ করতে হবে, পরীক্ষা শেষের ৮ সপ্তাহের মধ্যে ফলাফল প্রকাশ করতে হবে, শিক্ষক সংকট থাকলে গেস্ট টিচার নিয়ে কোর্স শেষ করতে হবে এবং উপর্যুক্ত বিষয়ে কর্তৃপক্ষকে লিখিত মুচলেকা দিতে হবে ইত্যাদি।

    সর্বশেষ, যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার নিমিত্তে মৌখিক আশ্বাস দেওয়ায় শিক্ষার্থীরা তাদের কর্মসূচি প্রত্যাহার করে নিয়েছে।

    এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য ড. মাসুদা কামাল ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলেন। তিনি তাদের দাবিগুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনার আশ্বাস দেন।

    ড. মাসুদা কামাল বলেন, শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক দাবিগুলো বাস্তবায়নের জন্য প্রশাসন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের লিখিত অভিযোগ পেলে অ্যাকাডেমিক কার্যক্রমে বিলম্বের জন্য দায়ী অভিযুক্ত শিক্ষকদের বিরুদ্ধে যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলেও তিনি জানান।

  • বুড়িচংয়ে ফকির আবদুস সালাম (রহ.)-এর ৫০তম বার্ষিক ওরুছ মাহফিল অনুষ্ঠিত


    বুড়িচং (কুমিল্লা) প্রতিনিধি:
    কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার আনন্দপুর পশ্চিমপাড়ায় শায়িত হযরত শাহসূফী ফকির আবদুস সালাম (রহ.)-এর স্মরণে ৫০তম বার্ষিক ওরুছ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    সোমবার (২২ জুন) দিবাগত রাতে আনন্দপুর পশ্চিমপাড়া শাহ সালাম জামে মসজিদ মাঠ (মাজার শরীফ) সংলগ্ন স্থানে অনুষ্ঠিত এ মাহফিলে দেশ, জাতি ও বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি এবং কল্যাণ কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।

    মাহফিলে প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন শাসন কদমতলা গাউছিয়া করিমিয়া দরবার শরীফ, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজারের হাফেজ কারী মাওলানা মুহিবুর রহমান আশেকী, নজরুলিয়া দরবার শরীফের গদ্দিনিশীন পীরজাদা মাওলানা শেখ সাদী আবদুল্লাহ সাদকপুরী, হাফেজ মুফতি ইউসুফ রেজা, মাওলানা মুফতি মো. মজিবুল বাশার, আনন্দপুর পশ্চিমপাড়া শাহ সালাম জামে মসজিদের খতিব মাওলানা মোহাম্মদ মিজানুর রহমান, কারী মাওলানা বশির আহমদ ফারুকী ও হাফেজ মো. ইকরাম উদ্দিনসহ স্থানীয় আলেম-ওলামাগণ।

    আনন্দপুর পশ্চিমপাড়া শাহ সালাম জামে মসজিদের সভাপতি হাজী মো. আবদুল মান্নানের সভাপতিত্বে এবং মাজার ও খানকা শরীফ পরিচালনা কমিটির সভাপতি গাজী মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম জাবিরের সার্বিক তত্ত্বাবধানে অনুষ্ঠিত মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন বুড়িচং প্রেস ক্লাবের সভাপতি কাজী খোরশেদ আলম, মসজিদ কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো. জামশেদুল আলম, সহ-সভাপতি আমিনুল ইসলাম, কোষাধ্যক্ষ মো. জহিরুল ইসলাম, খাদেম মো. আলী মিয়া, মো. আবুল হোসেন বাচ্চু, শহিদুল ইসলাম, আবুল খায়ের আর্মি, আয়েত আলী, মো. লিটন রেজা মেম্বার, প্রভাষক মাহবুব আলম, রেজাউল করিম, খলিলুর রহমান, বুড়িচং প্রেস ক্লাবের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আক্কাস আল মাহমুদ হৃদয়, অর্থ সম্পাদক ফয়েজ আহমদ, প্রচার সম্পাদক শরীফুল ইসলাম সুমন, মহসিন আলম, হুমায়ুন কবির, মো. হোসেনসহ স্থানীয় পীর-মাশায়েখ, ওলামায়ে কেরাম, সামাজিক ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ।

    মাহফিল উপলক্ষে কোরআনখানি, খতমে গাউছিয়া শরীফ পাঠ, মাজার জিয়ারত, ধর্মীয় আলোচনা, মিলাদ মাহফিল এবং বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। শেষে মাহফিল কমিটির পক্ষ থেকে গাজী মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম জাবির উপস্থিত সকল মুসল্লি ও অতিথিদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে নারী ও কন্যাশিশুর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে ব্র্যাকের অ্যাডভোকেসি ডায়ালগ অনুষ্ঠিত


    চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি
    নারী ও কন্যাশিশুর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব জোরদারকরণের লক্ষ্যে চাঁপাইনবাবগঞ্জে একটি অ্যাডভোকেসি ডায়ালগ অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (২৩ জুন) সকাল ১১ টায় ব্র্যাক জেন্ডার জাস্টিস অ্যান্ড ডাইভারসিটির উদ্যোগে এই ডায়ালগের আয়োজন করা হয়। ​চাঁপাইনবাবগঞ্জ উপজেলা পরিষদ মিনি কনফারেন্স রুমে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন, সদর উপজেলার নির্বাহী অফিসার মারুফ আফজাল রাজন।

    অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক সিদ্দিকা সোহেলী রশীদ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মোসাঃ সাহিদা আখতার, চাঁপাইনবাবগঞ্জ যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক স্বপন কুমার কর্মকার, ব্র্যাক চাঁপাইনবাবগঞ্জের রিজিওনাল ম্যানেজার মরমিতাজ ইসলাম, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ব্র্যাক ডিস্ট্রিক্ট করডিনেটর মোমেনা খাতুন, সদর উপজেলার সমাজসেবা অফিসার কাঞ্চন কুমার দাস, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সিসিডিবির এরিয়া ম্যানেজার পিটার সরকার ও বিভিন্ন প্রোগ্রামের ম্যানেজমেন্ট কর্মীসহ কমিউনিটির সদস্য এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার প্রতিনিধি, সুশীল সমাজের ব্যক্তিবর্গ এবং স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

    ​ডায়ালগে বক্তারা বলেন, “নারী ও কন্যাশিশুর প্রতি সহিংসতা দূর করতে কেবল সরকারি উদ্যোগই যথেষ্ট নয়, এর জন্য সরকারি ও বেসরকারি উভয় খাতের সমন্বিত অংশীদারিত্ব অত্যন্ত জরুরি।” সমাজে সচেতনতা বৃদ্ধি, আইনি সহায়তার সহজলভ্যতা এবং অপরাধীদের দ্রুত শাস্তির আওতায় আনার মাধ্যমে একটি নিরাপদ পরিবেশ গড়ে তোলার ওপর জোর দেন তারা।

    অনুষ্ঠানে ব্র্যাকের স্লোগান—“নারী ও কন্যাশিশুর প্রতি সহিংসতার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করি, প্রতিরোধ গড়ি, প্রতিকার করি”—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা এবং করণীয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। উপস্থিত অতিথিরা প্রত্যেকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে এই সহিংসতা প্রতিরোধে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

  • যশোরে সম্পন্ন হলো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও ফ্যাক্ট চেকিং বিষয়ক ৩ দিনের প্রশিক্ষণ


    যশোর প্রতিনিধি:প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশের আয়োজনে যশোরে তিন দিনব্যাপী ‘মাল্টিমিডিয়া, এআই ও ফ্যাক্ট চেকিং’ বিষয়ক সাংবাদিকতা প্রশিক্ষণ কর্মশালা শেষ হয়েছে।

    সোমবার (২২ জুন) বিকালে যশোর প্রেসক্লাব মিলনায়তনে এই সমাপনী ও সনদপত্র বিতরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন ন্যাশনাল এডিটর কাউন্সিলের সদস্য শান্তনু ইসলাম সুমিত।

    তিনি বলেন, তথ্যপ্রযুক্তির যুগে ভুল তথ্য ও গুজব প্রতিরোধে সাংবাদিকদের জন্য মাল্টিমিডিয়া, এআই এবং ফ্যাক্ট চেকিংয়ের কৌশল জানা অত্যন্ত জরুরি।

    এই প্রশিক্ষণ সাংবাদিকদের পেশাগত মানোন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলেও অভিমত ব্যক্ত করেন তিনি। এসময় তিনি ভুয়া ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচারণা মোকাবিলায় গণমাধ্যমকে আরও দায়িত্বশীল ও সতর্ক থাকার আহ্বান জানান।

    অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালী যুক্ত হয়ে বক্তব্য রাখেন পিআইবির মহাপরিচালক ফারুক ওয়াসিফ। প্রেস ক্লাব যশোরের সাধারণ সম্পাদক তৌহিদুর রহমানের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন পিআইবির প্রশিক্ষক সাহানোয়ার সাইদ শাহীন, যশোরের সাংবাদিক সাইফুল ইসলাম সজল, মহসিন মিলন প্রমুখ। তিন দিনের প্রশিক্ষণ কর্মশালায় দুটি ব্যাচে জেলা ও উপজেলার ৭০ জন গণমাধ্যমকর্মী অংশ নেন।

    এর আগে, গত শনিবার তিন দিনব্যাপী এই গুরুত্বপূর্ণ প্রশিক্ষণ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছিলেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।

  • সেনাবাহিনী পিক-আপ ভ্যানের সাথে ঔষধ কোম্পানী কাভার ভ্যানের সংঘর্ষ

    খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি:
    খাগড়াছড়ি-চট্টগ্রাম সড়কের মানিকছড়ি উপজেলার মহামুনি টিলায় সেনাবাহিনীর একটি পিক-আপ ভ্যানের সাথে অ্যারিস্টো ফার্মা ঔষধ কোম্পানির একটি দ্রুতগতির কাভার ভ্যানের সংঘর্ষের ঘটনায় ঘটেছে।

    সোমবার (২২ জুন) সকালে এ দূর্ঘটনা ঘটে। এতে দুটির গাড়ি সামনের অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

    জানা গেছে, সেনাবাহিনীর পিকআপ ভ্যানটি (নম্বর ৯০৩৯) নয়াবাজার আর্মি ক্যাম্পের উদ্দেশ্যে রওনা হয়ে মহামুনি টিলা এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা খাগড়াছড়ি গামী অ্যারিস্টোফার্মা ওষুধ কোম্পানির দ্রুতগতির পিকআপ ভ্যান (ঢাকা মেট্রো-ম-১১-৭৭৩৬) নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে এবং সেনাবাহিনীর গাড়িটিকে সরাসরি সামনে থেকে সজোরে ধাক্কা দেয়।

    এ দুর্ঘটনায় সেনাবাহিনীর পিকআপে থাকা একজন আনসার সদস্য এবং অ্যারিস্টোফার্মা কোম্পানির একজন এসআর (সেলস রিপ্রেজেন্টেটিভ) সামান্য আহত হয়েছে। ঘটনার পরপরই স্থানীয় লোকজন ও নিরাপত্তা রক্ষী বাহিনীর সদস্যরা দ্রুত এগিয়ে এসে আহতদের উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন। দুর্ঘটনার কারণে মহাসড়কে কিছুক্ষণ যানবাহন চলাচলে বিঘ্ন ঘটলেও পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।

  • কুবির বাংলা বিভাগ ও বাংলা একাডেমির আয়োজনে দুই দিনব্যাপী সেমিনার শুরু 


    কুবি প্রতিনিধি: 
    কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগ ও বাংলা একাডেমির যৌথ আয়োজনে ঔপন্যাসিক ও গল্পকার হাসান আজিজুল হক এবং সাহিত্যিক ও সম্পাদক মোহাম্মদ লুৎফর রহমান স্মরণে দুই দিনব্যাপী সেমিনার শুরু হয়েছে।

    সোমবার (২২ জুন) সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ও মানবিক অনুষদের সম্মেলন কক্ষে প্রথম দিনের সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।

    প্রথম দিনের সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সোলায়মান। আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মহীবুল আজীজ। এছাড়াও আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুবির বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. কামরুন নাহার, বাংলা একাডেমির অফিসার শাহ্ মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান এবং বিভাগের অন্যান্য শিক্ষকবৃন্দ।

    সেমিনারে বক্তারা হাসান আজিজুল হকের সাহিত্যকর্ম, দর্শন, মানবতাবোধ ও বাংলা সাহিত্যে তাঁর অবদান নিয়ে আলোচনা করেন। 

    সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক  ড. মোহাম্মদ সোলায়মান বলেন, “হাসান আজিজুল হক বাংলা সাহিত্যের এমন একজন শক্তিমান লেখক, যিনি মানুষের জীবনসংগ্রাম ও সামাজিক বৈষম্য তাঁর গল্প-উপন্যাসে ফুটিয়ে তুলেছেন। তিনি কখনো সস্তা জনপ্রিয়তার জন্য লেখেননি, বরং সত্যকে প্রতিষ্ঠা করার জন্য লিখেছেন।”

    সেমিনারের আলোচক চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. মহীবুল আজিজ বলেন, “আমি বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র ছিলাম। পরবর্তীতে ভালো লাগা ও আগ্রহ থেকেই বাংলা সাহিত্য নিয়ে পড়াশোনা শুরু করি। আমার বিশ্বাস, কোনো বিষয়ে আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে অধ্যয়ন করলে এবং সেই বিষয়ে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনের লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে গেলে সফল হওয়া সম্ভব।”

    বাংলা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ গোলাম মাওলা বলেন, “এম.এ. শ্রেণিতে অধ্যয়নকালে আমার থিসিসের বিষয় ছিল হাসান আজিজুল হকের গল্প। তাঁর প্রথম প্রকাশিত ‘পাতালে হাসপাতালে’ গ্রন্থটির প্রথম সংস্করণের একটি কপি এখনও আমার ব্যক্তিগত সংগ্রহে সংরক্ষিত রয়েছে। একজন পাঠক ও গবেষক হিসেবে এটি আমার জন্য অত্যন্ত মূল্যবান সম্পদ।”

    তিনি আরো বলেন, “হাসান আজিজুল হক তাঁর অসাধারণ গল্প শৈলী, মানবজীবনের গভীর উপলব্ধি এবং সমাজবাস্তবতার অনন্য উপস্থাপনার মাধ্যমে বাংলা সাহিত্যে স্থায়ী আসন লাভ করেছেন। তাঁর সাহিত্যকর্মই তাঁকে আজ সর্বজন পরিচিত ও অনুকরণীয় ব্যক্তিত্বে পরিণত করেছে।”

    প্রথম দিনের সেমিনারের সভাপতি বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. জি. এম. মনিরুজ্জামান বলেন, “দুই দিনব্যাপী এই আয়োজনের উদ্দেশ্য শুধু হাসান আজিজুল হককে স্মরণ করা নয়, বরং তাঁর জীবন ও সাহিত্যকর্ম থেকে শিক্ষা গ্রহণ করা। তিনি জীবনসংগ্রাম, সামাজিক বৈষম্য ও মানবিক সংকটকে সাহিত্যে অসাধারণভাবে তুলে ধরেছেন।”

  • ঢাকা বিমানবন্দর মহাসড়কের ব্যস্ততম সড়ক দখল করে গড়ে উঠেছে অবৈধ টিকিট কাউন্টার


    মোঃ আল আমিন, বিশেষ প্রতিনিধি: রাজধানীর ঢাকা বিমানবন্দর মহাসড়কের ব্যস্ততম অংশে বিভিন্ন পরিবহনের অবৈধ টিকিট কাউন্টার স্থাপনের অভিযোগ উঠেছে। সড়কের একাংশ দখল করে এসব কাউন্টার পরিচালিত হওয়ায় প্রতিনিয়ত যানজট সৃষ্টি হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও যাত্রীরা।

    স্থানীয়দের দাবি, সড়কের পাশে ও কিছু ক্ষেত্রে সড়কের অংশবিশেষ দখল করে টিকিট বিক্রির কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। ফলে বাস থামানো, যাত্রী ওঠানামা এবং টিকিট সংগ্রহের সময় যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে। এতে সাধারণ যাত্রী ও পথচারীদের দুর্ভোগ বাড়ছে।

    অভিযোগ রয়েছে, একটি প্রভাবশালী মহলের ছত্রচ্ছায়ায় এসব অবৈধ টিকিট কাউন্টার পরিচালিত হচ্ছে। স্থানীয়দের ভাষ্য, রাস্তা দখল করে কাউন্টার বসানোর মাধ্যমে অর্থ আদায় করা হলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কার্যকর ব্যবস্থা নিচ্ছে না। তবে এ অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

    এদিকে, এলাকাবাসী দ্রুত অবৈধ টিকিট কাউন্টার অপসারণ এবং সড়কের স্বাভাবিক যান চলাচল নিশ্চিত করতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

    অভিযোগের বিষয়ে বাংলাদেশ পুলিশ, ট্রাফিক পুলিশ অথবা বিমানবন্দর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তী প্রতিবেদনে প্রকাশ করা হবে।

  • বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ জয়ে প্রস্তুত হচ্ছে নেত্রকোণার শিক্ষার্থীরা: দুই বিদ্যালয়ে ৮ ক্লাবের উদ্বোধন


    নেত্রকোনা প্রতিনিধি: জেলা শহরের ঐতিহ্যবাহী দুটি সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের মেধা, সৃজনশীলতা ও মননশীলতার বিকাশে পৃথকভাবে মোট ৮টি ক্লাবের শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে। সোমবার নেত্রকোণার জেলা প্রশাসক ম্যাজিস্ট্রেট খন্দকার মুশফিকুর রহমান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বিদ্যালয় দুটিতে এই ক্লাবগুলোর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। দুপুর ১২টায় প্রথমে নেত্রকোণা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়টির বিজ্ঞান, ভাষা, বিতর্ক ও সাংস্কৃতিক ক্লাবের উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক। পরবর্তীতে, দুপুর ১টায় তিনি আঞ্জুমান আদর্শ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে উপস্থিত হয়ে সেখানে আরও ৪টি নবগঠিত ক্লাবের উদ্বোধন ঘোষণা করেন।

    নেত্রকোণা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষক স্বপ্না রানী সরকারের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মুন মুন জাহান লিজা, জেলা শিক্ষা অফিসার জাহাঙ্গীর কবীর আহাম্মদ এবং জেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল কিবরিয়া চৌধুরী হেলিম।

    প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট খন্দকার মুশফিকুর রহমান বলেন, “শুধুমাত্র প্রাতিষ্ঠানিক বা পুথিগত শিক্ষাই একজন শিক্ষার্থীকে পরিপূর্ণ মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে পারে না। বিজ্ঞানমনস্ক ও মেধাভিত্তিক সমাজ গঠনে সহ-শিক্ষা কার্যক্রমের বিকল্প নেই।” তিনি জোর দিয়ে আরও বলেন, “বর্তমান বৈশ্বিক বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে হলে মেধার কোনো বিকল্প নেই। এজন্যই পড়াশোনার পাশাপাশি এসকল ক্লাবে যুক্ত থেকে শিক্ষার্থীরা নিজেদের মেধাকে আরও শাণিত করতে পারবে।”

    ক্লাবগুলোর নিয়মিত কার্যকারিতা নিশ্চিত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করে জেলা প্রশাসক বলেন, “আজকে আমি এখানে শুধুমাত্র ক্লাবগুলোর উদ্বোধন করে গেলাম আর আজকেই শেষ—তা কিন্তু হবে না। আমি নিজে এগুলো নিয়মিত মনিটরিং করবো, প্রতি মাসে আসবো এবং শিক্ষার্থীদের কার্যক্রম স্বচক্ষে দেখবো।

    তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, “এখান থেকে অনেক শিক্ষার্থী পরবর্তীতে জেলা, বিভাগ ও সারাদেশের বিভিন্ন প্রতিযোগিতায়কন অংশ নিয়ে নিজেদের যোগ্যতার শ্রেষ্ঠত্বের প্রমাণ রাখবে। একসময় তারা বৈশ্বিক প্রতিযোগিতাতেও অংশ নিয়ে বিজয়ী হবে এবং দেশকে বিশ্ব দরবারে সম্মানিত করবে।”বিশেষ অতিথির বক্তব্যে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মুন মুন জাহান লিজা ক্লাবের কার্যক্রমে প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহারের ওপর জোর দেন।

    জেলা শিক্ষা অফিসার জাহাঙ্গীর কবীর আহাম্মদ শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পাশাপাশি এই সহ-শিক্ষা কার্যক্রমে সক্রিয় অংশগ্রহণের আহ্বান জানান এবং জেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল কিবরিয়া চৌধুরী হেলিম জেলা প্রশাসনের এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেন।

    অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের পক্ষে নিজেদের অনুভূতি ও আশাবাদ ব্যক্ত করে বক্তব্য রাখেন সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী রওশন খান তুবা এবং পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী আরিশা জানিন মাহা। তারা বিদ্যালয়ে এমন নান্দনিক ও শিক্ষণীয় ক্লাব গঠনের উদ্যোগ নেওয়ায় জেলা প্রশাসক ও বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানগুলোতে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা আমন্ত্রিত অতিথিদের ফুল ও করতালির মাধ্যমে বরণ করে নেয়। ক্লাবগুলোর যাত্রা শুরু উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় দুই বিদ্যালয়ের বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক ও স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

  • সদরপুর সরকারি কলেজে এইচএসসি পরীক্ষার্থী- ২০২৬ এর বিদায় ও দু’আ মাহফিল


    ফরিদপুর জেলা প্রতিনিধি : ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও আন্তরিক পরিবেশে ফরিদপুরের সদরপুর সরকারি কলেজে এইচএসসি পরীক্ষার্থী-২০২৬ এর বিদায় উপলক্ষে মিলাদ ও দু’আ মাহফিল- ২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    সোমবার (২২ জুন) বেলা ১১টায় কলেজের ১০৫ নম্বর কক্ষে ছাত্ররা এবং ১০৩ নম্বর কক্ষে ছাত্রীবৃন্দ আসন গ্রহণ করেন। পবিত্র কুরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা করা হয়।

    অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সদরপুর সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. এনামুল হক। বার্ষিক মিলাদ ও দু’আ মাহফিল পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক মো. আফসার উদ্দিন অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন।

    এসময় বক্তব্য রাখেন ইংরেজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক মো. ইসমাইল হোসেন, হিসাববিজ্ঞান বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম আনোয়ারী এবং ছাত্র প্রতিনিধি হিসেবে কলেজ শাখা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মো. হাসান সরদার। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন দর্শন বিভাগের প্রভাষক বেলায়েত হোসেন ইমরোজ।

    সদরপুর সরকারি কলেজ মসজিদের পেশ ইমাম মুফতী মুহাম্মাদ জাকির হুসাইন ফরিদী দু’আ ও মোনাজাত পরিচালনা করেন। এ সময় তিনি পরীক্ষার্থীদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ ও আসন্ন এইচএসসি পরীক্ষায় সাফল্য কামনার পাশাপাশি দেশ, জাতি এবং বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করেন।

    অনুষ্ঠানে কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। বিদায়ী শিক্ষার্থীদের প্রতি শুভকামনা ও আন্তরিক দু’আর মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।