Category: অন্যান্য

  • ক্ষিরতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অর্ধ-বার্ষিক পরীক্ষার ফল প্রকাশ ও পুরস্কার বিতরণ

    রায়গঞ্জ সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার ক্ষিরতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অর্ধ- বার্ষিক পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান সুষ্ঠু ও আনন্দঘন পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

     

    অত্র বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) শেখ নজরুল ইসলামের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ধামাইনগড় ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি ও সাবেক ইউপি সদস্য মোঃ কাজী মুদ্দীন কাজী, গণমাধ্যম কর্মী রায়গঞ্জ -সলংগা মডেল প্রেসক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক হাজী মোঃ জাকি উল্লাহ।

     

    এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অত্র বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক শিক্ষিকা, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। অতিথিবৃন্দ তাঁদের বক্তব্যে শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পড়াশোনা, নৈতিক শিক্ষা ও মানবিক গুণাবলি অর্জনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

     

    গণমাধ্যম কর্মী হাজী মোঃ জাকি উল্লাহ বলেন ক্ষিরতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা করেন মরহুম ফতুহুর রহমান। তিনি শালিয়াগাড়ী উচ্চ বিদ্যালয়ের একজন প্রধান শিক্ষক ছিলেন, শিক্ষা বিস্তারে তাঁর এই উদ্যোগ অত্র এলাকায় প্রশংসিত হচ্ছে, তার অক্লান্ত পরিশ্রমের ফল ক্ষিরতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি,

     

    আলোচনা পর্বে প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) শেখ নজরুল ইসলাম শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, নিয়মিত অধ্যয়ন, শৃঙ্খলা ও নৈতিক শিক্ষাই একজন শিক্ষার্থীর সফল জীবনের প্রধান ভিত্তি। তিনি আরও বলেন, বর্তমান প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে টিকে থাকতে হলে শিক্ষার পাশাপাশি মানবিক মূল্যবোধ অর্জন অত্যন্ত জরুরি। এ ধরনের পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান শিক্ষার্থীদের মধ্যে পড়াশোনার প্রতি আগ্রহ বাড়াতে এবং ভবিষ্যতে আরও ভালো ফলাফল অর্জনে অনুপ্রেরণা জোগাবে।

     

    অনুষ্ঠান শেষে প্রথম হতে পঞ্চম শ্রেণী পর্যন্ত অর্ধ-বার্ষিক পরীক্ষায় কৃতিত্ব অর্জনকারী শিক্ষার্থীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।

     

    অনুষ্ঠানটি সুশৃঙ্খল ও আনন্দঘন পরিবেশে সম্পন্ন হয়। শিক্ষার্থীদের মুখে ছিল উচ্ছ্বাস আর অভিভাবকদের চোখে ছিল সন্তুষ্টির হাসি। স্থানীয়দের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানটি একটি স্মরণীয় আয়োজনে পরিণত হয়। কর্তৃপক্ষ শিক্ষার্থীদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করেন এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের শিক্ষাবান্ধব কার্যক্রম অব্যাহত রাখার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

  • পাহাড়ি অঞ্চলের কৃষিতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হয়েছে আলুবোখারা (বারি ১)

    খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি:খাগড়াছড়িতে পাহাড়ি মাটিতে আলুবোখারা চাষে সফলতা অর্জন করেছে পাহাড়াঞ্চল কৃষি গবেষণা কেন্দ্র। দীর্ঘ দিনের গবেষণা আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং ধারাবাহিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে এ সাফল্য অর্জিত হওয়ায় পাহাড়ি অঞ্চলের কৃষিতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হয়েছে।

     

    কৃষি গবেষণা কেন্দ্র সূত্রে জানা গেছে, রামগড় পাহাড়াঞ্চল কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোঃ এমদাদুল হকের নেতৃত্বে কয়েক বছর ধরে পাহাড়ি মাটিতে আলুবোখারা চাষ নিয়ে গবেষণা কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে আসছে। শুরুতে বিষয়টি গবেষকদের জন্য বেশ চ্যালেঞ্জিং ছিল। কারণ পাহাড়ি অঞ্চলের মাটি, আবহাওয়া ও পরিবেশ সমতল এলাকার তুলনায় ভিন্ন হওয়ায় এ ফলের চাষ উপযোগী করা সহজ ছিল না।

     

    তবে নিরলস ভাবে গবেষণা, সঠিক পরিচর্যা এবং উপযোগী জাত নির্বাচন করে গবেষকরা ধীরে ধীরে সফলতা অর্জন করেন। বর্তমানে গবেষণা কেন্দ্রের পরীক্ষায় মূলক বাগানে উৎপাদিত আলুবোখারা গাছে ভালো ফলন দেখা যাচ্ছে, যা স্থানীয় কৃষকদের মাঝেও ব্যাপক আগ্রহ সৃষ্টি করেছে।

     

    পাহাড়ি এলাকায় প্রচলিত ফসলের পাশাপাশি নতুন ও লাভজনক ফল চাষ সম্প্রসারণে কাজ করছে গবেষণা কেন্দ্র। আলুবোখারা চাষ সফল হওয়ায় পাহাড়ি কৃষকদের জন্য এটি একটি সম্ভাবনাময় অর্থকরী ফল হিসেবে বিবেচিত হবে।

     

    রামগড় পাহাড়াঞ্চল কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোঃ এমদাদুল হক বলেন, পাহাড়ি মাটিতে আলুবোখারা (বারি ১) চাষ একসময় বড় চ্যালেঞ্জ ছিল। দীর্ঘ গবেষণা ও ধারাবাহিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে আমরা সফলতা পেয়েছি। এখন পাহাড়ি এলাকার কৃষকরাও এ ফল চাষে আগ্রহ দেখাচ্ছেন। তিনি আরোও বলেন, বাণিজ্যিক ভাবে আলুবোখারা চাষ সম্প্রসারণ করা গেলে পাহাড়ি অঞ্চলের কৃষকদের আয় বৃদ্ধি পাবে এবং স্থানীয় অর্থনীতিতেও ইতিবাচক হবে। পাশাপাশি পাহাড়ি এলাকায় বহুমুখী ফল চাষের সম্ভাবনাও আরও বিস্তৃত হবে।

    ২০.০৬.২০২৬ইং

  • ফরিদপুরের চরভদ্রাসনে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান: মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য বিক্রির দায়ে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা

    জেলা প্রতিনিধি, ফরিদপুর: ফরিদপুরের চরভদ্রাসন উপজেলায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে মেয়াদোত্তীর্ণ ও অস্বাস্থ্যকর খাদ্যপণ্য বিক্রির দায়ে দুই ব্যবসায়ীকে মোট ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

    বুধবার বিকেলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুরাইয়া মমতাজের নেতৃত্বে গাজীরটেক ইউনিয়নের চরহাজীগঞ্জ বাজারের বিভিন্ন মুদি ও মনোহারি দোকানে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

    ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯-এর ৫১ ধারায় বাজারের মুজিবর রহমানের দোকানে মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্যপণ্য ও কোমল পানীয় বিক্রির দায়ে ৫ হাজার টাকা এবং মিহির কুমার রায়ের দোকানে একই ধরনের অপরাধে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। আদায়কৃত জরিমানার অর্থ নগদ পরিশোধের মাধ্যমে মামলার নিষ্পত্তি করা হয়।

    অভিযানকালে চরভদ্রাসন থানার এসআই কাজী রিপন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সিএ উজ্জ্বল হোসেন এবং পুলিশের তিনজন কনস্টেবল উপস্থিত ছিলেন।

    এ সময় ভ্রাম্যমাণ আদালত বাজারের অন্যান্য ব্যবসায়ীদের মেয়াদোত্তীর্ণ ও অস্বাস্থ্যকর খাদ্যপণ্য বিক্রি থেকে বিরত থাকার জন্য সতর্ক করেন এবং নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানান।

  • একুশে পদকপ্রাপ্ত কবি আল মুজাহিদের ইন্তেকাল

    ঢাকা – প্রতিনিধি:একুশে পদকপ্রাপ্ত বিশিষ্ট কবি, গবেষক ও সাহিত্যপ্রেমী কবি আল মুজাহিদী আর নেই। শুক্রবার (১৯ জুন) দুপুরে রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি ইন্তেকাল করেন। ইন্না-লিল্লাহ ও ইন্না ইলাহি রাজিয়্যুন।

    ১৯৪৩ সালের ১ জানুয়ারি জন্ম নেওয়া আল মুজাহিদী ষাটের দশকের বাংলা কবিতার অন্যতম ব্যক্তিত্ব। তার কবিতায় বাংলাদেশের মাটি, মানুষ, ইতিহাস, সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও ধর্মিয় নৈতিক মূল্যবোধ ফুটে উঠতো।

    সাহিত্যজীবনে তিনি কবিতার পাশাপাশি গল্প, উপন্যাস, নাটক ও প্রবন্ধ রচনা করেছেন। তিনি দীর্ঘদিন দৈনিক ইত্তেফাকের সাহিত্য সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং বাংলা সাহিত্য অঙ্গন সহ কবিতা বাংলাদেশের দায়িত্বশীল পর্যায়ে ভূমিকা পালন করেছেন।

    তিনি বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০০৩ সালে একুশে পদক পান । তরুন লেখক জসিম উদ্দিন বিজয় ও শাহাদাৎ সরকার বলেন, তার মৃত্যু বাংলা সাহিত্যে অঙ্গনের জন্য অপূরণীয় ক্ষতি।

  • দিওড় ইউনিয়নে কৃষকদের মাঝে বীজ ও সার বিতরণ, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধিতে কৃষক দলের উদ্যোগ

    বিরামপুর (দিনাজপুর)প্রতিনিধি: দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলার ৪ নম্বর দিওড় ইউনিয়নে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের সহায়তা এবং গ্রামীণ অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে কৃষকদের মাঝে বীজ ও সার বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী কৃষক দল, দিওড় ইউনিয়ন শাখার উদ্যোগে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে কৃষি উপকরণ বিতরণ করা হয়।অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন দিওড় ইউনিয়ন কৃষক দলের সভাপতি মোঃ রেজওয়ান আলী।

    প্রধান উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত থেকে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন বিরামপুর উপজেলা কৃষক দলের সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ রফিকুল ইসলাম মাস্টার।এসময় উপস্থিত ছিলেন দিওড় ইউনিয়ন কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক মোঃ সাখাওয়াত হোসেন, দিওড় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ আব্দুল মালেক মণ্ডলসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, কৃষক দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং বিপুলসংখ্যক কৃষক।কর্মসূচির আওতায় প্রতিটি কৃষককে ৫ কেজি উন্নতমানের বীজ, ১০ কেজি ডিএপি সার এবং ১০ কেজি পটাশ সার বিতরণ করা হয়। আয়োজকদের মতে, কৃষি উপকরণের মূল্যবৃদ্ধির কারণে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের উৎপাদন ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় তারা নানা সংকটে পড়ছেন।

    সেই ব্যয় কিছুটা কমানো এবং কৃষকদের উৎপাদনে উৎসাহিত করাই এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।বক্তারা বলেন, দেশের খাদ্য নিরাপত্তা, কর্মসংস্থান এবং গ্রামীণ অর্থনীতির বিকাশে কৃষির ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কৃষকদের প্রয়োজনীয় সহায়তা, উন্নত জাতের বীজ, কৃষি প্রশিক্ষণ এবং সহজ শর্তে কৃষিঋণের সুযোগ নিশ্চিত করা গেলে কৃষি খাত আরও সমৃদ্ধ হবে।সভাপতির বক্তব্যে মোঃ রেজওয়ান আলী বলেন, “কৃষক বাঁচলে দেশ বাঁচবে। কৃষকদের উৎপাদনমুখী কর্মকাণ্ডে সহায়তা এবং তাদের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠায় আমাদের এ ধরনের উদ্যোগ ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

    প্রধান অতিথির বক্তব্যে মোঃ রফিকুল ইসলাম মাস্টার বলেন, “বাংলাদেশের উন্নয়নের অন্যতম চালিকাশক্তি কৃষি। কৃষকদের স্বার্থ রক্ষা ও উৎপাদন বৃদ্ধি নিশ্চিত করতে সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগ আরও জোরদার করা প্রয়োজন।”অনুষ্ঠানে উপস্থিত কৃষকরা এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, কৃষি উপকরণের ক্রমবর্ধমান দামের কারণে চাষাবাদ পরিচালনা কঠিন হয়ে পড়েছে।

    সময়মতো বীজ ও সার সহায়তা পাওয়ায় তারা আসন্ন মৌসুমে ভালো ফলনের আশা করছেন।স্থানীয়দের প্রত্যাশা, কৃষকদের উৎপাদন সক্ষমতা বৃদ্ধি, আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন এবং টেকসই কৃষি ব্যবস্থা গড়ে তুলতে এ ধরনের কৃষকবান্ধব কর্মসূচি ভবিষ্যতেও ধারাবাহিকভাবে পরিচালিত হবে।

     

    তাং ১৮/০৬/২০২৬

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জ  বালুগ্রাম  সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সচেতনতামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত 

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি: চাঁপাইনবাবগঞ্জে বুধবার সকালে  ২৬ নং বালুগ্রাম  সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সড়ক দুর্ঘটনা হ্রাসকল্পে সড়ক নিরাপত্তা বিষয়ক সচেতনতামূলক সেমিনার ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    “গতিসীমা মেনে চলি, সড়ক দুর্ঘটনা রোধ করি” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আয়োজিত অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকদের মধ্যে সড়ক নিরাপত্তা সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন  সহকারী পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) বিআরটিএ চাঁপাইনবাবগঞ্জ,এর শাহ জামাল হক।  সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে ট্রাফিক আইন মেনে চলা, রাস্তা পারাপারে সতর্ক থাকা এবং শিশুদের ছোটবেলা থেকেই সড়ক নিরাপত্তা বিষয়ে শিক্ষা দেওয়া অত্যন্ত জরুরি। এইসব আলোচনা করেন

    অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন, বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকা, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। নিরাপদ সড়ক গড়ে তুলতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানভিত্তিক এ ধরনের সচেতনতামূলক কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। বাংলাদেশে স্কুলভিত্তিক সড়ক নিরাপত্তা সচেতনতা কার্যক্রমকে দুর্ঘটনা প্রতিরোধের কার্যকর উদ্যোগ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।এই কথাগুলো উল্লেখ করা হয়

  • আমতলীতে ৪০৮০ শিশুর অংশগ্রহণে বর্ণাঢ্য জন্মদিন উদযাপন

    আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি:
    বরগুনার আমতলীতে নিবন্ধিত শিশুদের নিয়ে আনন্দঘন পরিবেশে জন্মদিন উদযাপন করা হয়েছে। বুধবার সকালে আমতলী উপজেলার সোনালী কমিউনিটি সেন্টারে আমতলী এডিপি, ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ এবং এনএসএস-এর আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়।

    অনুষ্ঠানে উপজেলার নিবন্ধিত ৪ হাজার ৮০ জন কোমলমতি শিশুর জন্য বিভিন্ন উপহার সামগ্রী বিতরণ করা হয়। প্রতিটি শিশুকে একটি করে মশারি, একটি গোসলের সাবান এবং এক প্যাকেট হুইল ওয়াশিং পাউডার প্রদান করা হয়।

    এনএসএস-এর প্রোগ্রাম ম্যানেজার মৃদুল দাসের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের আমতলী এডিপির এরিয়া প্রোগ্রাম ম্যানেজার বিভুদান বিশ্বাস। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আমতলী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবু শাহাদাৎ মো. হাসনাইন পারভেজ।

    বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মিডিয়া অ্যান্ড কমিউনিকেশন অফিসার ও সিনিয়র সাংবাদিক জাকির হোসেন, গণমাধ্যম ও মানবাধিকার কর্মী আবু জিহাদ, চাইল্ড প্রোটেকশন ও এপি স্পন্সরশিপ অফিসার চার্চিল দাস, জুনিয়র প্রোগ্রাম অফিসার অতিদাস ও প্রতিভা মণ্ডল, ফিল্ড অপারেশন অফিসার মো. জহির, কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট অফিসার জ্যাকলিন টুম্পা মণ্ডল, খোকন দাস ও রাধারাণী মণ্ডলসহ ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ ও এনএসএস-এর কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

    অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত শিশু ও তাদের অভিভাবকদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। শিশুদের পরিবেশনায় গান, নৃত্য ও আবৃত্তি অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। পরে বিশাল আকৃতির একটি জন্মদিনের কেক কেটে শিশুদের মাঝে আনন্দ ভাগাভাগি করা হয়।
    প্রধান অতিথির বক্তব্যে ওসি আবু শাহাদাৎ মো. হাসনাইন পারভেজ বলেন, “আজকের শিশুরাই আগামী দিনের ভবিষ্যৎ।

    তাদের সুন্দরভাবে বেড়ে ওঠার সুযোগ করে দিতে হবে। শিশুদের ওপর অযথা মানসিক চাপ সৃষ্টি না করে তাদের মানবিক ও নৈতিক মূল্যবোধসম্পন্ন ভালো মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে অভিভাবকদের সচেতন হতে হবে।”বক্তারা বলেন, ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরে শিশুদের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছে।

    সংস্থাটি শিক্ষা উপকরণ বিতরণ, খাদ্য সহায়তা, পুষ্টি চাহিদা পূরণে হাঁস বিতরণ, বাড়ির আঙিনায় সবজি চাষের জন্য বীজ সরবরাহ, শীতকালে কম্বল বিতরণ এবং শিশুদের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতকরণসহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে। এসব কার্যক্রমের মাধ্যমে শিশুদের সার্বিক বিকাশ ও পরিবারের জীবনমান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে প্রতিষ্ঠানটি।

  • রায়গঞ্জে কাজী ফার্মস এর উদ্যোগে শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ

    রায়গঞ্জ (সিরাজগঞ্জ) উপজেলা সংবাদদাতা: সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলায় কাজী ফার্মস এর উদ্যোগে ৪টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ৪২৩ জন শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ করেন।

    বুধবার (১৭ জুন) সকালে ক্ষিরতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ১০৯ জন, ফরিদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ১০৬ জন, প্রতাপ দীঘি কওমী মাদ্রাসায় ৫৫ জন এবং ক্ষিরতলা কিন্ডারগার্টেনে ১৫৩ মোটা ৪টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ৪২৩ জন শিক্ষার্থীদের মাঝে এই শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

    শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন করেন শঙ্কর সরকার প্লান্ট ইন চার্জ কাজী ফার্মস লিঃ ক্ষিরতলা শাখা।

    এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মোঃ হানিফ মিয়া সিনিয়র অফিসার কাজী ফার্মস লিঃ ক্ষিরতলা শাখা, শেখ নজরুল ইসলাম প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) ক্ষিরতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে, নিপেন্দ্র নাথ মাহাতো ইউ পি সদস্য ৭নং ওয়ার্ড ধামাইনগর ইউনিয়ন, মোঃ কাজী মুদ্দীন কাজী সাবেক সভাপতি ধামাইনগর ইউনিয়ন বিএনপি, গণমাধ্যম কর্মী মোঃ জাকি উল্লাহ সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকবৃন্দ।

    শিক্ষাসামগ্রী পেয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে শিক্ষার্থীরা। তাদের অভিভাবকরাও কাজী ফার্মসের এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন। অভিভাবকরা বলেন, “আমাদের এলাকার অনেক পরিবারই আর্থিকভাবে অসচ্ছল। সন্তানদের পড়াশোনার খরচ চালাতে কষ্ট হয় তাই এ সহায়তা আমাদের জন্য অনেক উপকারে এসেছে। আমরা তাদের প্রতি কৃতজ্ঞ।

    বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) শেখ নজরুল ইসলাম বলেন, “শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ বিতরণের এই উদ্যোগ নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়। এতে শিশুদের পড়াশোনার প্রতি আগ্রহ বাড়বে এবং তারা আরও উৎসাহ পাবে।

    ‎শিক্ষা সামগ্রী বিতরণকালে শঙ্কর সরকার প্লান্ট ইন চার্জ বলেন, কাজী ফার্মস লিঃ সব সময় সামাজিক ও মানবিক কাজে অঙ্গীকারবদ্ধ। এলাকার পিছিয়ে পড়া শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় উৎসাহিত করতে এবং তাদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতেই আমাদের এই ক্ষুদ্র প্রয়াস।

  • উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রায় অনন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া: ঐক্যবদ্ধ প্রয়াসে সমৃদ্ধির নতুন দিগন্ত বলেন কবীর ভূঁঞা

    ব্যুরো চিফ ব্রাহ্মণবাড়িয়া: একটি আধুনিক, উন্নত ও সমৃদ্ধ জনপদ গড়ে তোলার স্বপ্ন নিয়ে বদলে যাচ্ছে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা। টেকসই অবকাঠামো নির্মাণ, যাতায়াত ব্যবস্থার আধুনিকায়ন এবং গ্রামীণ জনপদের জীবনমান উন্নয়নের লক্ষ্য নিয়ে জেলায় এখন চলছে ব্যাপক কর্মযজ্ঞ। স্থানীয় প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি এবং জনগণের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া আজ এক নতুন রূপ ধারণ করছে।

    একটি অঞ্চলের অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নের মূল চাবিকাঠি হলো উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা। এই সত্যকে ধারণ করেই ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার যোগাযোগ ব্যবস্থায় এক বৈপ্লবিক পরিবর্তনের সূচনা হয়েছে। বিশিষ্ট সমাজসেবক ও উন্নয়ন ব্যক্তিত্ব কবীর আহমেদ ভূঁইয়ার বিশেষ উদ্যোগে এবং আন্তরিক হস্তক্ষেপে জেলায় বিভিন্ন মেগা ও মাঝারি উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ সফলভাবে এগিয়ে চলছে।

    পরিকল্পনা অনুযায়ী, পর্যায়ক্রমে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার প্রতিটি ইউনিয়নের প্রতিটি গ্রামীণ ও সংযোগ সড়ককে আধুনিক সড়ক যোগাযোগের আওতায় আনা হবে। কোনো এলাকা যেন মূল উন্নয়ন ধারা থেকে পিছিয়ে না থাকে, তা নিশ্চিত করাই এই মহাপরিকল্পনার মূল উদ্দেশ্য। রাস্তাঘাটের এই আধুনিকায়ন সম্পন্ন হলে স্থানীয় ব্যবসা-বাণিজ্য, কৃষিপণ্য পরিবহন এবং শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার ক্ষেত্রে এক অভূতপূর্ব গতি সঞ্চারিত হবে।

    আমাদের লক্ষ্য কেবল রাস্তাঘাট নির্মাণ নয়; আমাদের মূল লক্ষ্য একটি আধুনিক, উন্নত ও সমৃদ্ধ ব্রাহ্মণবাড়িয়া গড়ে তোলা—যে জেলাকে নিয়ে আমরা দেশ ও বিদেশের বুকে গর্ব করতে পারব এবং যার গর্বিত অংশীদার হতে পারব আমরা সবাই।

    উন্নয়নের এই বিশাল ও মহৎ উদ্যোগ কোনো একক প্রচেষ্টায় পুরোপুরি সফল হওয়া সম্ভব নয়। এর জন্য প্রয়োজন সর্বস্তরের মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ। রাজনৈতিক বা ব্যক্তিগত সকল ভেদাভেদ ভুলে জেলার সামগ্রিক স্বার্থে সবাইকে একে অপরের পাশে দাঁড়াতে হবে। একটি সমৃদ্ধ জেলা গঠনে দল-মত নির্বিশেষে সকলের আন্তরিক সহযোগিতা, সমর্থন এবং সম্মিলিত কাজের কোনো বিকল্প নেই।

    ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলাকে একটি আদর্শ ও আধুনিক মডেল জেলায় রূপান্তর করার স্বপ্ন এখন আর শুধু কাগজে-কলমে সীমাবদ্ধ নয়, বরং তা বাস্তব রূপ নিতে শুরু করেছে। চলমান এই অগ্রযাত্রাকে আরও বেগবান করতে হলে সুশীল সমাজ, প্রবাসী রেমিট্যান্স যোদ্ধা এবং স্থানীয় তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে আসতে হবে।

    আসুন, ব্যক্তিগত ও সংকীর্ণ স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে ঐক্যবদ্ধভাবে আমরা সামনের দিকে এগিয়ে যাই। আমাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টাই পারবে ব্রাহ্মণবাড়িয়াকে একটি স্বনির্ভর ও উন্নত জেলা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি সুন্দর ও সম্ভাবনাময় ব্রাহ্মণবাড়িয়া উপহার দিতে আজই হোক আমাদের নতুন শপথ।

  • পবিত্র আশুরা কুল কায়েনাতের মহাশোক দিবস

    বিশেষ প্রতিনিধি: বজ্রকঠিন প্রত্যয়ে অবিচল থেকে অসত্য ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে সংগ্রাম, শোষিত ও নিপীড়িত মানবতার মুক্তি ও স্বাধীনতার লক্ষ্যে জান্নাতের যুবকদের সর্দার ইমাম হোসাইন এবং তাঁর প্রিয় আহলে বাইত ও বিশ্বস্ত সঙ্গীগণ যে মহান আত্মত্যাগের কালজয়ী দৃষ্টান্ত স্থাপন করে গেছেন, সেই অবিনাশী চেতনার স্মারক হয়ে আবারও আমাদের মাঝে ফিরে এসেছে পবিত্র মহররম—মহাশোকের মাস।

     

    এই শোকাবহ মহররমের চিরন্তন হোসাইনি আদর্শ ও আত্মত্যাগের শিক্ষা প্রতিটি মানবহৃদয়ে জাগ্রত হোক—এই প্রার্থনা নিয়ে শোকসন্তপ্ত হৃদয়ে আপনাদের প্রতি জানাই গভীর সমবেদনা ও আন্তরিক শোকবার্তা।

     

    আশুরার শোক ও মাতমের প্রকৃত তাৎপর্য হলো ন্যায় ও সত্যের পথে অটল থাকা, জালিমের জুলুম ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থান গ্রহণ করা এবং কারবালার শহীদদের পবিত্র স্মৃতির প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা নিবেদন করা। তাদের আত্মত্যাগ মানবজাতিকে যুগে যুগে সত্য, ন্যায় ও মানবতার পক্ষে দাঁড়ানোর অনুপ্রেরণা জুগিয়ে যাবে।

     

    আল্লাহ তাআলা আমাদের সকলকে কারবালার মহান শিক্ষা হৃদয়ে ধারণ করে ন্যায়, ইনসাফ ও মানবকল্যাণের পথে চলার তাওফিক দান করুন।

    শোক নিবেদনে,

     

    সৈয়দ ফাইয়াজ হাসান বাবু

    হাবেলি বাড়ী

    অষ্টগ্রাম, কিশোরগঞ্জ।