Blog

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে শিক্ষার্থীদের নিয়ে ট্রাফিক ও আইনবিষয়ক সচেতনতামূলক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি:
    চাঁপাইনবাবগঞ্জের কালেক্টরেট গ্রিন ভিউ উচ্চবিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ট্রাফিক আইন ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ আইন সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে এক বিশেষ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সকাল ১০ ঘটিকায় জেলা ট্রাফিক পুলিশের উদ্যোগে আয়োজিত এ কর্মশালায় আয়োজন করা হয়। এই কর্মশালায় শিক্ষার্থীদের নিরাপদ সড়ক ব্যবহার, আইন মেনে চলা এবং সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধ বিষয়ে বিভিন্ন দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়। কর্মশালায় প্রধান অতিথি ও আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপার গৌতম কুমার বিশ্বাস। তিনি বলেন, “আজকের কোমলমতি শিক্ষার্থীরাই আগামী দিনের সচেতন নাগরিক। আইন জানা প্রত্যেক নাগরিকের দায়িত্ব। ছোটবেলা থেকেই ট্রাফিক আইন মেনে চলার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। জেব্রা ক্রসিং, ফুটওভার ব্রিজ, ট্রাফিক সিগন্যালের সঠিক ব্যবহার এবং যানবাহন পরিচালনায় আইন মেনে চলার মাধ্যমে আমরা নিজেরা নিরাপদ থাকব, অন্যকেও নিরাপদ রাখতে পারব।” এ সময় শিক্ষার্থীদের মাদক, যৌতুক, বাল্যবিবাহ, ইভটিজিং ও ব্যাড টাচ প্রতিরোধে করণীয় বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

    কর্মশালায় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন প্রশ্নের মাধ্যমে তাদের জিজ্ঞাসা তুলে ধরে এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়ে উত্তর পান। পরে কুইজ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হলে সঠিক উত্তরদাতা শিক্ষার্থীদের পুরস্কৃত করা হয়। কর্মশালায় আরও উপস্থিত ছিলেন ট্রাফিক ইন্সপেক্টর-১ (শহর ও যানবাহন) পুলিশ পরিদর্শক মো. সফিকুল আলম, ট্রাফিক ইন্সপেক্টর-২ সদর ট্রাফিক শাখার মো. আজিজ ফেরদৌস, বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. রফিকুল ইসলাম এবং বিদ্যালয়ের অন্যান্য শিক্ষকবৃন্দ।

  • নওগাঁ পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহনের দাবি


    তৌফিক তাপস নওগাঁ :
    নওগাঁয় পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের উপ পরিচালক গোলাম মো: আযমের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহনের দাবি জানিয়ে স্মারকলিপি দিয়েছেন সাংবাদিকরা। আজ বিকেলে জেলা টেলিভিশন জার্নালিস্ট আ্যাসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দ জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম ও জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বরাবর এই লিখিত অভিযোগ দেন।
    অভিযোগে তারা উল্লেখ করেন, দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকা হাঁসাইগাড়ি ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ কেন্দ্র নিয়ে প্রতিবেদন তৈরী করছিলেন স্থানীয় সাংবাদিকরা। তারই অংশ হিসেবে গত ১৯ জুলাই দুপুরে তথ্য চিত্র সংগ্রহ এবং বক্তব্য নিতে গেলে উপ পরিচালক গোলাম মো: আজম সহযোগিতার বিপরীতে সাংবাদিকদের সাথে অ-শোভন আচর করেন এবং প্রকাশ্যে মামলার হুমকি দেন। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় সাংবাদিকদের মাঝে ক্ষোভ ছড়িয়ে পরেছে। এ ঘটনায় তারা উপ পরিচালক গোলাম মোহাম্মদ আজমের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহনের দাবি করে বিভিন্ন কর্মসূচী ঘোষনা করেছে।

    স্মারকলিপি প্রদানকালে নওগাঁ জেলা টেলিভিশন জার্নালিস্ট আ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ফরিদুল করিম তরফদার, কার্যকরি সদস্য ও জৈষ্ঠ সাংবাদিক মো: কায়েস উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক শফিক ছোটন, যুগ্ম সম্পাদক হারুন-অর-রশিদ চৌধুরী, একে সাজু ও অন্যান্য সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

    এ বিষয়ে নওগাঁর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন, অ-শোভন আচরন করার অভিযোগে সাংবাদিকদের দেয়া স্মারকলিপি গ্রহন করা হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে। অন্যদিকে পরিবার পরিবল্পনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বরাবর দেয়া অভিযোগটি যথাযথভাবে প্রেরণ করা হবে।

  • রায়গঞ্জে এলজিইডির রাস্তা নির্মানে অনিয়মের অভিযোগ


    সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
    সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জে ভূইয়াগাঁতী থেকে ধানগড়া সেন্টার পয়েন্ট পর্যন্ত ৫.৩৪৫ কিলোমিটার এলজিইডির রাস্তা নির্মানে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, রাস্তা সম্প্রসারণ করণে শুধু মাত্র এজিং ধরে রাখতে মাটির পরিবর্তে বালির বস্তা চাপা দেওয়া হচ্ছে।

    চুক্তি মূল্য প্রায় ১০ কোটি টাকার মধ্যে সম্প্রসারণের জন্য প্রায় ২০ লক্ষ টাকা মাটির কথা উল্লেখ থাকলেও কাজে তা ব্যবহার করা হয়নি। নানা মুখী অনিয়মের মধ্যে দুই ও তিন নং ইট ও ইটের খোয়ার ব্যবহার। চুক্তিতে ২০২৫ সালের মধ্যে রাস্তার কাজ শেষ করার তারিখ থাকলেও ১ বছরের মেয়াদ বাড়িয়েও কাজ সমাপ্ত হয় নাই। স্থানীয়রা জানান, কিছুদিন পরে বস্তুা পচে সামান্য বৃষ্টিতে রাস্তা ভেঙ্গে যাবে। উপজেলা মুখী যোগাযোগের একমাত্র রাস্তাটি এভাবে অনিয়মের মধ্যে শেষ করা হচ্ছে।

    এই বিষয়ে সাব ঠিকাদার আব্দুল কাদেরের মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়। রায়গঞ্জ উপজেলা প্রকৌশলী রবিউল আলম বলেন, এখন মাটি পাওয়া যাচ্ছে না,আপাতত বৃষ্টির পানি ঠেকানোর জন্য বালি ভর্তি বস্তুা দিয়ে এজিং ঠিক রাখা হচ্ছে।

  • রাঙ্গামাটির লংগদুতে অস্ত্র-চাঁদার টাকাসহ (জেএসএস) কালেক্টর আটক

    লংগদু (রাঙ্গামাটি) প্রতিনিধি:
    রাঙ্গামাটির লংগদু উপজেলায় চাঁদা আদায়ের সময় অস্ত্র, নগদ টাকা ও চাঁদা আদায়ের রশিদসহ সন্তু লারমা-সমর্থিত জনসংহতি সমিতির (জেএসএস) এক কথিত কালেক্টরকে আটক করে স্থানীয় জনতা। পরে তাকে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)-এর কাছে হস্তান্তর করা হয়।

    বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সকালে উপজেলার বগাচতর ইউনিয়নের মারিশ্যারচর শিবারেগা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

    স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আটক ব্যক্তি ছিপন চাকমা (২৬) দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় কৃষক ও স্থানীয় বাসিন্দাদের ভয়ভীতি দেখিয়ে চাঁদা আদায় করছিল। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে কৃষকদের সবজি বাগান নষ্ট করা, হুমকি দেওয়া এবং কৃষিকাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

    বৃহস্পতিবার সকালে তিনি আবারও কৃষকদের কাছ থেকে চাঁদা আদায়ের চেষ্টা করলে ক্ষুব্ধ স্থানীয়রা তাকে হাতেনাতে আটক করেন। পরে তার কাছ থেকে একটি অস্ত্র, চাঁদা আদায়ের রশিদ ও নগদ টাকা উদ্ধার করে বিজিবির কাছে সোপর্দ করা হয়।

    এ বিষয়ে বিজিবির পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে বলে স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে।

  • গাজীপুরের শ্রীপুরে পাকা সড়কে গর্তে পানি, দুর্ভোগে হাজারো যাত্রী


    গাজীপুর জেলা প্রতিনিধি:
    গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার মাওনা ইউনিয়নের সলিং মোড় থেকে আনন্দবাজার পর্যন্ত প্রায় চার কিলোমিটার সড়ক দীর্ঘ দুই বছর ধরে বেহাল অবস্থায় পড়ে আছে। পিচ ও খোয়া উঠে বিভিন্ন স্থানে বড় বড় গর্ত সৃষ্টি হয়েছে। বর্ষার বৃষ্টিতে এসব গর্ত পানিতে ভরে যাওয়ায় সড়কটি প্রায় চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। ফলে প্রতিদিন সীমাহীন দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে এই পথে চলাচলকারী হাজারো মানুষকে।

    স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে সড়কটির সংস্কার না হওয়ায় জনদুর্ভোগ চরম আকার ধারণ করেছে। গাজীপুর ও মাওনা ইউনিয়নের কয়েকটি গ্রাম ছাড়াও টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার কালমেঘা এবং ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার কাচিনা এলাকার হাজারো মানুষের জন্য মাওনা চৌরাস্তার সঙ্গে যোগাযোগের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সড়ক এটি।

    বর্ষায় সড়কের বিভিন্ন অংশ কাদায় পরিণত হয়। গর্তে জমে থাকা পানির নিচে রাস্তার গভীরতা বোঝা না যাওয়ায় প্রায়ই ছোট-বড় দুর্ঘটনা ঘটছে। প্রায় প্রতিদিনই অটোরিকশা, মোটরসাইকেল ও ভ্যান উল্টে আহত হচ্ছেন চালক ও যাত্রীরা। সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়ছেন স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী, রোগী, ব্যবসায়ী এবং বিভিন্ন কারখানায় কর্মরত শ্রমিকরা।

    আনন্দবাজার এলাকার বাসিন্দা রতন মিয়া বলেন, “জনস্বার্থে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কটি দ্রুত সংস্কার না হলে চলমান বর্ষা মৌসুমে দুর্ভোগ আরও ভয়াবহ হবে। নানা শ্রেণি-পেশার মানুষের চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। তাই আর আশ্বাস নয়, দ্রুত স্থায়ী সংস্কারকাজ শুরুর দাবি জানাচ্ছি।”

    চকপাড়া গ্রামের বাসিন্দা মাহফুজুর রহমান ইকবাল বলেন, “হাজারো মানুষের জীবন-জীবিকার সঙ্গে এই সড়কটি জড়িত। প্রতিদিন বহু মানুষ কারখানায় কাজে যান, কেউ অটোরিকশা বা রিকশা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করেন, আবার ব্যবসায়ীদেরও নিয়মিত এই পথ ব্যবহার করতে হয়। ফলে সবাইকে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।”

    অটোরিকশাচালক নাসির উদ্দীন বলেন, “সড়কের কয়েকটি অংশের অবস্থা এতটাই খারাপ যে প্রায়ই গাড়ি উল্টে যায়। সপ্তাহে অন্তত দুবার গাড়ি গ্যারেজে নিয়ে মেরামত করতে হয়।”

    কলেজ শিক্ষার্থী মাহির বলেন, “প্রায়ই অটোরিকশা উল্টে যায়। এতে জামাকাপড় কাদা-পানিতে নষ্ট হয়ে যায়। মাঝেমধ্যে ভাঙা অংশে ইট ফেলে দায়সারা মেরামত করা হলেও তাতে কোনো স্থায়ী সমাধান হয়নি।”

    এ বিষয়ে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) শ্রীপুর উপজেলা প্রকৌশলী মোহাম্মদ তৌহিদ আহমেদ বলেন, “সড়কটির স্থায়ী সংস্কারের জন্য একটি প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। বরাদ্দ পাওয়া গেলে দ্রুত কাজ শুরু করা হবে।”

  • মৌলভীবাজারে আকস্মিক বন্যায় কৃষকের স্বপ্ন মূহুর্তেই তছনছ


    মৌলভীবাজার প্রতিনিধি:
    অল্প কয়েকদিন আগেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার বিস্তীর্ণ মাঠজুড়ে ছিল ফসল ও সবজি খেতের সবুজ সমারোহ। আউশ ধান, আমনের বীজতলা আর মৌসুমি সবজির ফলন দেখে কৃষকের চোখে মুখে ছিল স্বস্তির হাসি। ব্যাংক ঋণ ও ধারদেনা করে ফলানো সেই ফসল ঘরে তুলে ঋণ শোধের পাশাপাশি পরিবারের মুখে হাসি ফোটানোর স্বপ্ন ছিল তাদের। তবে আকস্মিক বন্যা মুহূর্তেই সব স্বপ্ন তছনছ করে দিয়েছে।

    বন্যার পানি নেমে গেলেও রেখে গেছে শুধুই কাদামাটিতে চাপা পড়ে থাকা কৃষকের ঘাম, শ্রম ও নিঃশ্বাসের নির্মম চিহ্ন। বিস্তীর্ণ মাঠজুড়ে এখন ক্ষত-বিক্ষত জমি আর হতাশ কৃষকের দীর্ঘশ্বাস। তবুও বুকভরা কষ্ট চেপে নতুন করে ঘুরে দাঁড়ানোর সংগ্রামে মাঠে নেমেছেন ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা।

    সাম্প্রতিক এ বন্যায় উপজেলার আউশ ধান, আমনের বীজতলা ও মৌসুমি সবজি ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অনেক জমিতে বানের জলে সঙ্গে ভেসে আসা পলি ও বালু জমে থাকায় নতুন করে আবাদ শুরু করতে অতিরিক্ত খরচ গুনতে হচ্ছে। তবুও ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে কেউ বীজতলা প্রস্তুত করছেন, কেউ জমি পরিষ্কার করছেন, আবার কেউবা রোপা আমনের জন্য জমি তৈরি করছেন। তাদের একটাই লক্ষ্য আমন মৌসুমের মাধ্যমে অন্তত আউশের ক্ষতি কিছুটা পুষিয়ে নেওয়া।

    উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রের বরাতে জানা গেছে, সাম্প্রতিক বন্যায় উপজেলায় প্রায় ৭০ হেক্টর আউশ ধানের জমি, ৩০ হেক্টর আমনের বীজতলা এবং ২৬ হেক্টর সবজি খেত ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

    উপজেলার মখাবিল এলাকার টমেটো চাষি আব্দুর রহিম আকুতি জানিয়ে বলেন, ঋণ করে দুই কিয়ার জমিতে টমেটো চাষ করেছিলাম। বানের পানিতে সব শেষ হয়ে গেছে। ঋণের টাকা কীভাবে পরিশোধ করব, সেই চিন্তায় রাতে ঘুম আসে না। একই এলাকার কৃষক তোফায়েল আহমেদ ও মজিদ খান জানান, তারা তিনজন মিলে ১০ কিয়ার জমিতে টমেটো চাষের জন্য জমি প্রস্তুত, সার প্রয়োগ এবং চারা রোপণ করেছিলেন। কিন্তু বন্যায় পুরো খেত নষ্ট হয়ে তাদের প্রায় দুই লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। পতনউষার ইউনিয়ন এলাকার কৃষক শাহাজাহান মিয়া বলেন, আমাদের এলাকা সরাসরি নদীভাঙনের শিকার না হলেও নিচু হওয়ায় ধানের জমি তলিয়ে যায়। এখন ফসল আদৌ হবে কি না, তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছি।

    বীজতলা হারানো কৃষক আব্দুল মন্না আক্ষেপ করে বলেন, বানের পানিতে আমার আমনের বীজতলা পুরো নষ্ট হয়ে গেছে। এখন কীভাবে রোপা আমনের আবাদ করব বুঝতে পারছি না।

    কৃষক মরম আলী ক্ষোভ ও কষ্টে বলেন, ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে টমেটো চাষ করেছিলাম। এখন সংসার চালানো আর ঋণ শোধ করা নিয়ে চরম বিপাকে পড়েছি।

    এ বিষয়ে কমলগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জয়ন্ত কুমার রায় জানান, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা ও ক্ষয়ক্ষতির তথ্য সংগ্রহের কাজ দ্রুতগতিতে চলছে। সঠিক তথ্য যাচাই-বাছাই শেষে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সহায়তার জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে।

    উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আসাদুজ্জামান বলেন, ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা প্রস্তুতের কাজ চলমান রয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে যত দ্রুত সম্ভব ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের মাঝে বীজ ও সারসহ প্রয়োজনীয় কৃষি উপকরণ বিতরণের ব্যবস্থা করা হবে।

    বন্যার আঘাতে স্বপ্ন চুরমার হলেও থেমে নেই কমলগঞ্জের কৃষকরা। ক্ষতি সামলে নতুন আশায় নতুন উদ্যমে আবারও মাঠে ফিরেছেন তারা। প্রান্তিক এ চাষিদের এখন একটাই প্রত্যাশা সরকারি কৃষি সহায়তা যেন দ্রুত তাদের হাতে পৌঁছায়, যাতে আমন মৌসুমে নতুন করে স্বপ্ন বুনতে পারেন তারা। অন্তত পরিবার নিয়ে একবেলা হলেও ভাত তুলে দিতে পারি।

  • মানবতার ঐক্য, মানবসেবায় লক্ষ্য: সমাজসেবায় নিরলস কাজ করে যাচ্ছে স্টুডেন্ট মানব কল্যাণ ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ


    বিশেষ প্রতিনিধি:
    মানবতার সেবাই মানুষের সর্বোচ্চ ধর্ম—এই বিশ্বাসকে ধারণ করে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ধারাবাহিকভাবে মানবিক কার্যক্রম পরিচালনা করে যাচ্ছে স্টুডেন্ট মানব কল্যাণ ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ। সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক ও স্বেচ্ছাসেবী এই সংগঠনটি প্রতিষ্ঠার পর থেকেই অসহায়, সুবিধাবঞ্চিত এবং দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে মানবতার সেবায় অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করছে।

    সংগঠনটির মূল স্লোগান “মানবতার ঐক্য, মানবসেবায় লক্ষ্য”। এই স্লোগানকে সামনে রেখে শত শত তরুণ স্বেচ্ছাসেবক দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলায় মানবিক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছেন। তাদের লক্ষ্য একটাই—মানুষের দুঃসময়ে পাশে দাঁড়ানো এবং সমাজে সহমর্মিতা, ভালোবাসা ও মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠা করা।

    প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে সংগঠনটি রক্তদান কর্মসূচি, বিনামূল্যে রক্তের গ্রুপ নির্ণয়, অসহায় রোগীদের জন্য রক্ত সংগ্রহ, বন্যা, অগ্নিকাণ্ড ও অন্যান্য প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের মাঝে নগদ অর্থ, খাদ্যসামগ্রী ও ত্রাণ বিতরণ, এতিম ও দরিদ্র পরিবারের সহযোগিতা, শীতবস্ত্র বিতরণ, ইফতার ও খাদ্য বিতরণ, বৃক্ষরোপণ, শিক্ষার্থীদের শিক্ষা উপকরণ প্রদান এবং বিভিন্ন সামাজিক সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।

    সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে সংগঠনটির প্রতিনিধি দল দুর্গম এলাকায় পৌঁছে ত্রাণ ও নগদ অর্থ বিতরণ করছে। পাশাপাশি বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য খাতা, কলম, পেন্সিল, জ্যামিতি বক্স, ফাইলসহ প্রয়োজনীয় শিক্ষা উপকরণ বিতরণের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে, যাতে কোনো শিক্ষার্থীর শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত না হয়।
    সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মানবিক কার্যক্রম পরিচালনার পাশাপাশি দেশের প্রতিটি জেলা ও উপজেলায় শক্তিশালী স্বেচ্ছাসেবক নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তরুণদের সমাজসেবায় সম্পৃক্ত করে একটি মানবিক, সচেতন ও দায়িত্বশীল প্রজন্ম গড়ে তোলাই সংগঠনের অন্যতম লক্ষ্য।

    স্টুডেন্ট মানব কল্যাণ ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান শরিফুল ইসলাম বলেন, “মানুষের মুখে হাসি ফোটানোই আমাদের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি। আমরা বিশ্বাস করি, সমাজের প্রতিটি মানুষ যদি নিজের অবস্থান থেকে সামান্য সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেয়, তাহলে অসহায় মানুষের কষ্ট অনেকটাই লাঘব করা সম্ভব। আমাদের সংগঠন সব সময় মানবতার কল্যাণে কাজ করে যাবে এবং মানুষের বিপদে-আপদে পাশে থাকবে।

    তিনি আরও বলেন, “আমরা কোনো ব্যক্তিগত স্বার্থে নয়, শুধুমাত্র মানবতার সেবার উদ্দেশ্যে কাজ করছি। দেশের প্রতিটি তরুণকে মানবিক কাজে এগিয়ে আসার আহ্বান জানাই। সবাই মিলে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করলে একটি সুন্দর, মানবিক ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব।

    সংগঠনের নেতৃবৃন্দ জানান, ভবিষ্যতে স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা, পরিবেশ সংরক্ষণ, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, কর্মসংস্থানমুখী প্রশিক্ষণ এবং দরিদ্র মানুষের জীবনমান উন্নয়নে আরও বৃহৎ পরিসরে বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি সমাজের বিত্তবান, দাতা প্রতিষ্ঠান এবং মানবিক ব্যক্তিদের এসব উদ্যোগে অংশগ্রহণের আহ্বান জানানো হয়েছে।

    মানবতার কল্যাণে একসঙ্গে কাজ করার অঙ্গীকার নিয়ে এগিয়ে চলেছে স্টুডেন্ট মানব কল্যাণ ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ। তাদের বিশ্বাস—”মানবতার ঐক্য, মানবসেবায় লক্ষ্য” শুধু একটি স্লোগান নয়, বরং একটি মানবিক আন্দোলন, যা মানুষের জন্য, মানবতার জন্য এবং একটি সুন্দর বাংলাদেশের জন্য।

  • সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জে নিমগাছীতে ট্রাকচাপায় এক মাছ ব্যবসায়ীর মৃত্যু


    রায়গঞ্জ (সিরাজগঞ্জ) উপজেলা সংবাদদাতা:
    সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার নিমগাছী মৎস্য আড়তের সামনে ট্রাকচাপায় আবুবক্কর (৪৭) নামে এক মাছ ব্যবসায়ীর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সকাল ৯টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

    নিহত আবুবক্কর তাড়াশ উপজেলার আড়ংগাইল গ্রামের মহির উদ্দিনের ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে নিমগাছী বাজারে মাছের ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন।

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিনের মতো বৃহস্পতিবার সকালে নিমগাছী মৎস্য আড়ত থেকে মাছ কিনে বাজারে বিক্রির উদ্দেশ্যে ফিরছিলেন আবুবক্কর। এ সময় তার বহন করা একটি পাঙাশ মাছ সড়কে পড়ে যায়। মাছটি তুলতে তিনি সড়কে নামলে পেছন দিক থেকে আসা একটি দ্রুতগতির ট্রাক তাকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

    দুর্ঘটনার পর স্থানীয়রা ঘাতক ট্রাকটিকেআটক করলেও চালক পালিয়ে যেতে সক্ষম হন।

    রায়গঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আহসানুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, নিহতের লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করা হয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। পাশাপাশি দুর্ঘটনার বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।

  • রায়গঞ্জ (সিরাজগঞ্জ) উপজেলা সংবাদদাতা:
    সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার নিমগাছী মৎস্য আড়তের সামনে ট্রাকচাপায় আবুবক্কর (৪৭) নামে এক মাছ ব্যবসায়ীর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সকাল ৯টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

    নিহত আবুবক্কর তাড়াশ উপজেলার আড়ংগাইল গ্রামের মহির উদ্দিনের ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে নিমগাছী বাজারে মাছের ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন।

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিনের মতো বৃহস্পতিবার সকালে নিমগাছী মৎস্য আড়ত থেকে মাছ কিনে বাজারে বিক্রির উদ্দেশ্যে ফিরছিলেন আবুবক্কর। এ সময় তার বহন করা একটি পাঙাশ মাছ সড়কে পড়ে যায়। মাছটি তুলতে তিনি সড়কে নামলে পেছন দিক থেকে আসা একটি দ্রুতগতির ট্রাক তাকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

    দুর্ঘটনার পর স্থানীয়রা ঘাতক ট্রাকটিকেআটক করলেও চালক পালিয়ে যেতে সক্ষম হন।

    রায়গঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আহসানুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, নিহতের লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করা হয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। পাশাপাশি দুর্ঘটনার বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।

  • টেকনাফের নয়াপাড়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় পিকআপের চাপায় গুরুতর আহত ৯ বছরের শিশুকন্যা, চালক পলাতক

    টেকনাফের নয়াপাড়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় পিকআপের চাপায় গুরুতর আহত ৯ বছরের শিশুকন্যা, চালক পলাতক

    টেকনাফ,কক্সবাজার প্রতিনিধি:
    কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নের নয়াপাড়া এলাকায় পিকআপ ভ্যানের চাপায় প্রায় ৯ বছর বয়সী এক শিশুকন্যা গুরুতর আহত হয়েছে। দুর্ঘটনার পর চালক গাড়িসহ দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা শিশুটিকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠান। বর্তমানে সে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে অচেতন অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছে বলে পরিবার জানিয়েছে।

    বুধবার (২২ জুলাই ২০২৬) সকাল আনুমানিক ১০টা ৮ মিনিটের দিকে শাহজালাল চেয়ারম্যানের বাড়ির উত্তর পাশে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

    প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শিশুটি রাস্তা পার হওয়ার সময় দ্রুতগতির একটি পিকআপ ভ্যান তাকে চাপা দেয়। দুর্ঘটনার সঙ্গে সঙ্গে আশপাশের লোকজন ছুটে এলেও চালক গাড়িটি না থামিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। এতে শিশুটি গুরুতর আহত হয় এবং ঘটনাস্থলে আতঙ্ক ও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

    স্থানীয়রা দ্রুত আহত শিশুটিকে উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় একটি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরিবারের সদস্যরা জানান, সর্বশেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত শিশুটি অজ্ঞান অবস্থায় চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রয়েছে।

    এদিকে দুর্ঘটনার পর আশপাশের একটি সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়েছে। ফুটেজে দুর্ঘটনার সঙ্গে জড়িত বলে সন্দেহ করা একটি পিকআপ ভ্যানের ছবি দেখা গেছে। সেই ফুটেজের ভিত্তিতে গাড়িটি শনাক্তের চেষ্টা চলছে।

    ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দুর্ঘটনায় জড়িত পিকআপ বা চালকের পরিচয় সম্পর্কে কেউ তথ্য দিতে পারলে তাকে উপযুক্ত পুরস্কার দেওয়া হবে। একই সঙ্গে প্রত্যক্ষদর্শী বা তথ্যদাতাদের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে যোগাযোগ করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

    এ ঘটনায় এলাকাবাসী গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে পিকআপ ভ্যানটি শনাক্ত, চালককে গ্রেপ্তার এবং তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। তাদের অভিযোগ, বেপরোয়া গতিতে যানবাহন চলাচলের কারণে নয়াপাড়া এলাকায় প্রায়ই দুর্ঘটনার ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে। তাই সড়কে নজরদারি বৃদ্ধি, গতিনিয়ন্ত্রণ এবং আইন প্রয়োগের ওপর জোর দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

    ঘটনার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অভিযোগ পাওয়ার পর বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হবে। সিসিটিভি ফুটেজসহ অন্যান্য তথ্য-প্রমাণ বিশ্লেষণ করে দুর্ঘটনায় জড়িত গাড়ি ও চালককে শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে।