Blog

  • ওয়ারহাউজ ইন্সপেক্টর মহিউদ্দিনের বিরুদ্ধে নিয়োগ–বদলি বাণিজ্যের অভিযোগ, ব্যবস্থা চায় একাংশ

    ওয়ারহাউজ ইন্সপেক্টর মহিউদ্দিনের বিরুদ্ধে নিয়োগ–বদলি বাণিজ্যের অভিযোগ, ব্যবস্থা চায় একাংশ

    স্টাফ রিপোর্টার:

    বাংলাদেশ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের এক সাময়িক বরখাস্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে নিয়োগ বাণিজ্য, বদলি–বাণিজ্যসহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ তুলে দ্রুত তদন্ত ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন প্রতিষ্ঠানটির একাংশের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

    অভিযোগে বলা হয়েছে, সাময়িক বরখাস্ত ওয়ারহাউজ ইন্সপেক্টর মহিউদ্দিনের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ নিয়োগ ও বদলি–বাণিজ্যের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগকারীদের দাবি, তিনি ফায়ার সার্ভিসের বর্তমান প্রশাসনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন মাধ্যমে অপপ্রচার চালিয়ে প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করছেন।

    তাদের ভাষ্য, ফায়ার সার্ভিসে স্বচ্ছ ও মেধাভিত্তিক নিয়োগ কার্যক্রম পরিচালিত হওয়ায় কথিত স্বার্থসংশ্লিষ্ট একটি চক্র অসন্তুষ্ট হয়ে বিভিন্ন ধরনের অভিযোগ ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়াচ্ছে।

    অভিযোগকারীরা আরও দাবি করেন, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অতীতে শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে তাঁর বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগও তদন্তের দাবি জানান তারা।

    ফায়ার সার্ভিসের একাধিক কর্মকর্তা-কর্মচারী নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, অভিযোগগুলো নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে সত্যতা পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। এতে প্রতিষ্ঠানের স্বচ্ছতা ও জনআস্থা আরও সুদৃঢ় হবে।

    এ বিষয়ে অভিযুক্ত কর্মকর্তা মহিউদ্দিনের বক্তব্য জানার জন্য তাঁর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁর কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তাঁর বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রকাশ করা হবে।

    এ বিষয়ে বাংলাদেশ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের পক্ষ থেকেও আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

  • সদরপুরে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে যুবকের মৃত্যু, আহত ৩

    ফরিদপুর প্রতিনিধি : ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলার কৃষ্ণপুর ইউনিয়নের পূর্ব শৌলডুবী গ্রামে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মিলন মাতুব্বর (২৭) নামে এক যুবকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় তাকে উদ্ধার করতে গিয়ে আরও তিনজন আহত হন। মঙ্গলবার (২১ জুলাই ২০২৬) দুপুর আনুমানিক ২টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
    জানা যায়, গ্রামের বিদ্যুতের মূল খুঁটি থেকে একটি তার ছিঁড়ে গোয়ালঘরের ওপর পড়ে বিদ্যুৎ ছড়িয়ে পড়ে। এতে বাড়ির আশপাশের এলাকাও বিদ্যুতায়িত হয়ে যায়। এ সময় গোসল শেষে ভেজা কাপড় শুকাতে বাড়ির উঠানের টানানো জিআই তারে কাপড় দিতে গেলে মিলন মাতুব্বর বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। তাকে উদ্ধার করতে এগিয়ে এসে মিঠু মাতুব্বর (৩০), হেনা বেগম (২৪) ও ওবায়দুর শেখ (৩০) বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে আহত হন।
    স্থানীয়রা দ্রুত কাটাখালী বিদ্যুৎ অফিসে খবর দিলে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়। পরে চারজনকে উদ্ধার করে সদরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মিলন মাতুব্বরকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত তিনজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
    খবর পেয়ে সদরপুর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে এবং মরদেহ পুলিশ হেফাজতে নেয়।
    পুলিশ জানায়, এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। দুর্ঘটনার পর এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে এবং স্থানীয়দের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে।

  • গাজীপুরের টঙ্গীতে স্বামী হত্যার অভিযোগে স্ত্রী পিপাসা আক্তার গ্রেপ্তার

    স্টাফ রিপোর্টার:
    গাজীপুরের টঙ্গীর মাছিমপুর কলাবাগান এলাকায় স্বামীকে হত্যার অভিযোগে স্ত্রী পিপাসা আক্তার (২২)-কে গ্রেপ্তার করেছে টঙ্গী পশ্চিম থানা পুলিশ। সোমবার দিবাগত রাত পৌনে ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

    নিহত আবুল কালাম জামালপুর জেলার মেলান্দহ উপজেলার টগারচর গ্রামের আফছার আলীর ছেলে। গ্রেপ্তার পিপাসা আক্তার একই উপজেলার আব্দুল করিমের মেয়ে।

    স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, জীবিকার তাগিদে প্রায় এক মাস আগে সপরিবারে টঙ্গীতে আসেন আবুল কালাম। তিনি টঙ্গী পশ্চিম থানাধীন কলাবাগান বস্তিতে বাসা ভাড়া নিয়ে অটোরিকশা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতেন।

    সোমবার রাতে পারিবারিক বিষয় নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে পিপাসা আক্তার ওড়না দিয়ে স্বামীর গলায় পেঁচিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

    ঘটনার খবর পেয়ে স্থানীয় লোকজন পিপাসা আক্তারকে আটক করে পুলিশে খবর দেয়। পরে টঙ্গী পশ্চিম থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে এবং আবুল কালামের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।

    টঙ্গী পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আরিফুর রহমান বাংলাদেশ ক্রাইম কে জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। নিহতের ভাই বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। গ্রেপ্তার পিপাসা আক্তারকে মঙ্গলবার গাজীপুরের বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে।

  • চট্টগ্রামের দক্ষিন রাঙ্গুনিয়ায় ২টি বন্দুক ও কার্তুজসহ গ্রেপ্তার ৩ ‎


    ‎রাঙ্গুনিয়া প্রতিনিধিঃ
    ‎‎চট্টগ্রামের দক্ষিণ রাঙ্গুনিয়া পুলিশের বিশেষ অভিযানে দুইটি দেশীয় তৈরি একনলা বন্দুক, দুইটি তাজা ১২ বোর কার্তুজ ও দুইটি খালি কার্তুজসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় দক্ষিণ রাঙ্গুনিয়া থানায় অস্ত্র আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

    ‎পুলিশ সূত্রে জানা যায়, দক্ষিণ রাঙ্গুনিয়া থানার মামলা নং-০৫, তারিখ ২১ জুলাই ২০২৬, অস্ত্র আইনের ধারায় মামলাটি রুজু করা হয়েছে।

    ‎গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন— মো. আরিফ (২৬) সরফভাটা ইউনিয়নের ওয়ার্ড সৈয়দুরখীল এজাহার মিয়া ফকিরের বাড়ির মৃত সুলতান আহাম্মদের ছেলে।  মো. মনির হোসেন (২৩) সরফভাটা ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ড বড়খোলা মিরেরখীল মৃত মোঃ কামালের ছেলে ও কিশোর মো.  রাকিব (১৫)  সরফভাটা ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ড বড়খোলা মিরেরখীল – মোঃ হোসেনের ছেলে।

    ‎মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, সোমবার (২০ জুলাই) বিকেলে দক্ষিণ রাঙ্গুনিয়া থানার বিশেষ অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার, মাদকবিরোধী ও গ্রেপ্তারি পরোয়ানা তামিলের উদ্দেশ্যে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করছিল। এ সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ জানতে পারে, সরফভাটা ইউনিয়নের ছৈয়দুরখীল এলাকায় ইউসুফের চায়ের দোকানের পেছনে কয়েকজন অস্ত্রধারী অবস্থান করছে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার (২০ জুলাই) সন্ধ্যা ৬টা ১০ মিনিটে ঘটনাস্থলে অভিযান চালালে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে সন্দেহভাজনরা পালানোর চেষ্টা করে। পরে স্থানীয় লোকজনের সহযোগিতায় তিনজনকে আটক করা হয়।

    ‎তল্লাশিকালে আরিফের কাছ থেকে একটি দেশীয় তৈরি একনলা বন্দুক, মনির হোসেনের কাছ থেকে আরও একটি দেশীয় তৈরি একনলা বন্দুক এবং রাকিবের কাছ থেকে দুইটি তাজা ১২ বোর কার্তুজ ও দুইটি ব্যবহৃত (খালি) ১২ বোর কার্তুজ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে উপস্থিত সাক্ষীদের সামনে এসব আলামত জব্দ করা হয়।

    ‎প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক ব্যক্তিরা পরস্পরের যোগসাজশে পাহাড়ি এলাকা থেকে অবৈধ অস্ত্র সংগ্রহ করে দক্ষিণ রাঙ্গুনিয়াসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ও নাশকতার উদ্দেশ্যে নিজেদের কাছে রেখেছিল বলে স্বীকার করেছে বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।


    ‎এবিষয়ে দক্ষিণ রাঙ্গুনিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মোঃ হিলাল উদ্দিন আহমদ জানায়, প্রাথমিক তদন্তে গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার যথেষ্ট তথ্য-প্রমাণ পাওয়া গেছে। মামলার সুষ্ঠু তদন্ত এবং ন্যায়বিচারের স্বার্থে তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে বিজিবির মানবিক উদ্যোগ, ২ হাজার মানুষের হাতে পৌঁছাল বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি:
    সীমান্তের অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকায় আয়োজিত একটি বিশেষ মেডিকেল ক্যাম্পে প্রায় দুই হাজার মানুষকে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা ও প্রয়োজনীয় ওষুধ প্রদান করা হয়েছে।

    মঙ্গলবার (২১ জুলাই) নারায়ণপুর মাহমুদা মতিউল্লাহ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে দিনব্যাপী এই মেডিকেল ক্যাম্পের আয়োজন করা হয়। বন্যাপ্রবণ ও দুর্গম সীমান্ত এলাকার চিকিৎসাবঞ্চিত মানুষ সকাল থেকেই ক্যাম্পে ভিড় করেন। নারী, শিশু ও বয়োবৃদ্ধদের অগ্রাধিকার দিয়ে স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করা হয়।

    ক্যাম্পে বিজিবির আট সদস্যের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দল রোগীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা, চিকিৎসা পরামর্শ এবং প্রয়োজনীয় ওষুধ বিনামূল্যে বিতরণ করেন। সীমান্ত নিরাপত্তার পাশাপাশি জনকল্যাণমূলক কার্যক্রমের অংশ হিসেবেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানায় বিজিবি।

    রাজশাহী সেক্টর সদর দপ্তরের মেজর আরুফা মৌসুমী বলেন, সীমান্তবর্তী এলাকার মানুষ যোগাযোগ ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে অনেক সময় প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত হন।

    সেই বাস্তবতা বিবেচনায় তাদের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতেই এই বিশেষ মেডিকেল ক্যাম্পের আয়োজন করা হয়েছে। তিনি জানান, ভবিষ্যতেও এ ধরনের মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

    মেডিকেল ক্যাম্পটি পরিদর্শন করেন ৫৩ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল কাজী মুস্তাফিজুর রহমান এবং উপ-অধিনায়ক সাজ্জাদুল ইসলাম। এ সময় স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও বিজিবির অন্যান্য কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।

    বিনামূল্যে চিকিৎসা ও ওষুধ পেয়ে উপকৃত মানুষ বিজিবির এই উদ্যোগের প্রশংসা করেন এবং এ ধরনের সেবামূলক কার্যক্রম নিয়মিত চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।

  • ভোলাহাটে এনজিও কর্মীর বিরুদ্ধে ৬ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ, গ্রেপ্তার ১

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি
    চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোলাহাটে নিজ বাড়িতে একা পেয়ে ছয় বছরের এক কন্যাসন্তানকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে এক এনজিও কর্মীর বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় অভিযুক্ত যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার (২০ জুলাই ) বেলা ১১:৩০ ঘটিকার সময় ভোলাহাট থানার রাধানগর কলোনী এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। ​

    গ্রেপ্তারকৃত আসামির নাম মোঃ রাকিবুল ইসলাম (২৩)। সে পিরোজপুর সদর উপজেলার কালিটাটি বটতলা (পশ্চিম ডুবুরি তলা, পোঃ শাড়িকতলা) গ্রামের মোঃ দেলোয়ার তালুকদারের ছেলে এবং ভোলাহাটে ‘রিক’ (RIC) নামক একটি এনজিওর মাঠ কর্মী হিসেবে কর্মরত ছিল। ​পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আজ সকালে রাধানগর কলোনীর বাসিন্দা মোঃ জুয়েল মিয়া ও মোসাঃ সুলতানা বেগমের ছয় বছরের শিশুকন্যা বাড়িতে একা ছিল। এ সময় এনজিওর কিস্তির টাকা তুলতে ওই বাড়িতে যান মাঠ কর্মী রাকিবুল ইসলাম। বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে সে শিশুটিকে ধর্ষণ করে।

    ​পরবর্তীতে ঘটনার জানাজানি হলে দ্রুত অভিযান চালিয়ে ভিকটিম শিশুকে উদ্ধার করা হয় এবং অভিযুক্ত আসামি রাকিবুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। ​ভোলাহাট থানার ইনচার্জ মোঃ আব্দুল বারিক জানান, ভিকটিম উদ্ধারসহ আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এই বিষয়ে থানায় একটি মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে এবং পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

  • সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে নিহত মুজিবুরের পরিবারের পাশে; প্রধানমন্ত্রী

    মৌলভীবাজার প্রতিনিধি:

    মৌলভীবাজারের কুলাউড়ার শরীফপুর সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে নিহত মুজিবুর রহমান মুজিবের পরিবারকে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে সরকারের তরফ থেকে আর্থিক সহায়তা পৌঁছে দিলেন মৌলভীবাজার-২ আসনের সংসদ সদস্য শওকতুল ইসলাম শকু। সোমবার (২০শে জুলাই) বিকেলে নিহত মুজিবের বাড়িতে উপস্থিত হয়ে আর্থিক সহায়তার চেক পৌঁছে দেন ও নিহতের কবর জিয়ারত করেন সংসদ সদস্যসহ বিএনপি’র নেতৃবৃন্দরা।

    জানা যায়, সম্প্রতি মনু নদীর ভারতের সীমান্তবর্তী এলাকায় মাছ শিকারের সময় ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ এর গুলিতে দত্তগ্রাম সীমান্তের মনু নদীর চরে প্রাণ হারান শরীফপুর ইউনিয়নের লাখাইরচরের বাসিন্দা দিনমজুর মুজিবুর রহমান। তিনি দত্তগ্রাম এলাকার আজিজুর রহমান অজিবের ছেলে। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্রম ব্যক্তি মুজিবুরের মৃত্যুর পর ছোট দুই শিশু সন্তান, স্ত্রী ও মায়ের পরিবারে নেমে আসে আর্থিক অস্বচ্ছলতা। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় সংসদ সদস্য সরকারের উচ্চ মহলকে অবগত করলে প্রধামন্ত্রীর পক্ষে সরকারের তরফ থেকে পঞ্চাশ হাজার টাকার চেক ইস্যু হয়। উক্ত চেক ও স্পেন বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক রমিজ উদ্দিন ও কুলাউড়া সরকারি ডিগ্রি কলেজের সাবেক এজিএস শফি আহমদ দিনারের পক্ষ থেকে নগদ চৌদ্দ হাজার টাকা নিহত মুজিবুরের পরিবারের কাছে তুলে দেন সংসদ সদস্য শওকতুল ইসলাম শকু।

    সংসদ সদস্য শওকতুল ইসলাম শকু বলেন, পাশ্ববর্তী দেশ যাতে আমাদের সাথে সংযম বজায় রাখে। নিরীহ লোকদের সীমান্তে হত্যা অমানবিক। আমরা ছোট দেশ হতে পারি কিন্তু ঐক্যবদ্ধ। সরকার এবং বিএনপি’র নেতাকর্মীরা নিহত পরিবারের পাশে আছে।

    আর্থিক সহায়তা প্রদানকালে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক বদরুজ্জামান সজল, সাবেক আহ্বায়ক রেদওয়ান খান, উপজেলা বিএনপি’র সহ-সভাপতি আব্দুল জলিল জামাল, বিএনপি নেতা আলমগীর ভূইয়া, শরীফপুর ইউনিয়ন বিএনপি’র সভাপতি হারুন আহমদ, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক কাওছার আহমদ নিপার প্রমুখ।

  • শারীরিক প্রতিবন্ধকতাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে বিসিএসের স্বপ্নে প্রিয়ন্তী

    মৌলভীবাজার প্রতিনিধি:

    শারীরিক প্রতিবন্ধকতা ও আর্থিক সংকটকে সঙ্গী করেই এগিয়ে চলেছেন মৌলভীবাজারের কুলাউড়া পৌরসভার উত্তর মাগুরা এলাকার দুই বোন সুপ্রিয়া সিনহা ও প্রিয়ন্তী সিনহা। শত প্রতিকূলতার মধ্যেও বিসিএস ক্যাডার হয়ে দেশের সেবায় আত্মনিয়োগ করার স্বপ্ন লালন করছেন ছোট বোন প্রিয়ন্তী সিনহা।

    সোমবার (২০ জুলাই) জানা যায়, সুরেন্দ্র কুমার সিনহা ও সুশীলা রাণী সিনহা দম্পতির দুই মেয়েই শারীরিক প্রতিবন্ধী। পরিবারের আর্থিক অস্বচ্ছলতার কারণে বড় বোন সুপ্রিয়া সিনহা নিজের পড়াশোনা কাঙ্খিত পর্যায়ে এগিয়ে নিতে পারেননি। তবে নিজের স্বপ্নকে বিসর্জন দিয়ে ছোট বোন প্রিয়ন্তীকে বিসিএস ক্যাডার হওয়ার জন্য প্রতিনিয়ত উৎসাহ ও অনুপ্রেরণা দিয়ে যাচ্ছেন।

    প্রিয়ন্তী সিনহা মৌলভীবাজার সরকারি কলেজ থেকে অনার্স সম্পন্ন করে বর্তমানে বিসিএস পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। কিন্তু আর্থিক সংকটের কারণে তার এই স্বপ্ন বাস্তবায়ন অনিশ্চয়তার চোরাবালি সামনে এসে পড়েছে।

    এমন পরিস্থিতিতে টিম জার্নালিস্টের উদ্যোগে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে মাওলানা শাহ সৈয়দ রাশিদ আলী ফাউন্ডেশন এবং মরহুম ডিআইজি জালাল আহমদের পরিবার। তাদের এই মানবিক সহায়তা প্রিয়ন্তীর স্বপ্নপূরণের পথে নতুন আশার সঞ্চার করেছে।

    জানা যায়, তাদের বাবা একজন সাবেক ভূমি অফিস সহকারী। বর্তমানে চার সদস্যের পরিবারটি চরম আর্থিক সংকটের মধ্য দিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে। নানা অভাব-অনটনের মধ্যেও দুই বোন তাদের শিক্ষা ও স্বপ্নের পথ থেকে পথভ্রষ্ট হয়ে সরে দাঁড়াননি।

    প্রিয়ন্তীর একমাত্র লক্ষ্য বিসিএসের শিক্ষা ক্যাডারে যোগ দিয়ে সমাজে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দেওয়া। তার এই স্বপ্ন বাস্তবায়নে সমাজের বিত্তবান, দানশীল ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানগুলোর সহযোগিতা কামনা করেছেন পরিবারের সদস্যরা।

    শারীরিক প্রতিবন্ধকতা কখনোই মেধা, ইচ্ছাশক্তি ও স্বপ্নকে থামিয়ে রাখতে পারে না। সুপ্রিয়া ও প্রিয়ন্তী সিনহার সংগ্রামী জীবন সেই সত্যেরই এক অনুপ্রেরণাদায়ক উদাহরণ হয়ে থাকবে প্রতিটি তরুণ সমাজের মধ্যে।

  • লাইসেন্স বাতিলের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে স্থগিতাদেশেও পরাজয়

    মৌলভীবাজার প্রতিনিধি:

    মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার ৫ নং ব্রাহ্মণবাজার ইউনিয়নের নিকাহ রেজিস্ট্রার মোঃ মঈন উদ্দিন চৌধুরীর বিরুদ্ধে নানান অনিয়ম ও দূর্নীতির অভিযোগ প্রমাণিত হলে সম্প্রতি তাঁর লাইসেন্স বাতিল করে আইন মন্ত্রণালয়। এরপর তিনি লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে স্থগিতাদেশ চেয়ে রিট করলেও আদালত স্থগিতাদেশেও আমলে নেননি। ফলে আইন মন্ত্রণালয় কর্তৃক তাঁর লাইসেন্স বাতিল থাকায় পাশ্ববর্তী ১ নং বরমচাল ইউনিয়নের নিকাহ রেজিস্টার কাজী এ কে এম বদরুল হককে ব্রাহ্মণবাজার ইউনিয়নে নিকাহ রেজিস্ট্রারের অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

    জানা যায়, গত ৯ই জুলাই আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের সিনিয়র সহকারী সচিব মোঃ আব্দুল ওয়াহাব স্বাক্ষরিত পত্রে উপজেলার ব্রাহ্মণবাজার ইউনিয়নের নিকাহ রেজিস্ট্রার মোঃ মঈন উদ্দিন চৌধুরী এর বিরুদ্ধে মুসলিম বিবাহ ও তালাক (নিবন্ধন) বিধিমালা, ২০০৯ এর ১৩ (ঙ) বিধি লঙ্ঘন করে নিজ অধিক্ষেত্রের বাহিরে পাশ্ববর্তী কাদিপুর ইউনিয়নে বিবাহ নিবন্ধন কার্যক্রম পরিচালনা করার অভিযোগ তদন্তে প্রমাণিত হওয়ায় ও তা একই বিধিমালার বিধি ১১ অনুযায়ী গুরুতর অসদাচরণ করায় তার লাইসেন্স বাতিল করা হয়। এর আগে গত বছরের ৮ই ডিসেম্বর আইন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব মোঃ আবদুল ওয়াহাব স্বাক্ষরিত এক পত্রে কাজী মঈন উদ্দিনকে ১৫ দিনের মধ্যে কারণ দর্শানোর চিঠি দেয়া হলে তিনি কোন জবাব দাখিল না করায় তাঁর নামে উক্ত বিভাগ থেকে গত ০৩/০৮/২০০২ খ্রি. তারিখের বিচার ৭/২ এন ৩৯/৮৩-৮০৫ নং স্মারকে ইস্যুকৃত নিকাহ্ রেজিস্ট্রার লাইসেন্স বাতিল করা হয়। এরপর কাজী মঈন উচ্চ আদালতে আইন মন্ত্রণালয়ের সচিব, মহা-পরিদর্শক নিবন্ধন, সিনিয়র সহকারী সচিব, জেলা রেজিস্ট্রার, উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সাব রেজিস্ট্রারকে বিবাদী করে রিট পিটিশন (নং-৯২৩৩/২০২৬) দায়ের করেন। যারপ্রেক্ষিতে আইন মন্ত্রণালয় কর্তৃক লাইসেন্স বাতিলের উপর স্থগিতাদেশ জারি করা হয়। তবে রাষ্ট্রপক্ষের আপত্তির পর কাজী মঈন উদ্দিনের স্থগিতাদেশের আবেদন আদালত নামঞ্জুর করে রুল নিশি জারি করেন। তিন মাসের ভিতরে স্থায়ী নিয়োগ না দেয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশনা প্রদান করেন। গত ১৫ই জুলাই আদালতে বিচারপতি রাজিক আল জালিল ও দেবাশীষ রায় চৌধুরীর যৌথ বেঞ্চে মামলাটি শুনানি হয়। আবেদনকারীর পক্ষে অ্যাডভোকেট জুলহাজ উদ্দিন আহমেদ ও মোঃ সুহেল ইসলাম খান শুনানি করেন।

    রাষ্টপক্ষের আইনজীবী হিসেবে আদালতে শুনানিতে উপস্থিত ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল জামিলা মমতাজ, মো. জাসিদুল ইসলাম (জনি), মো. হুমায়ুন করিম সিদ্দিকী, সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মো. তানভীর প্রধান কাজী রহমান, মাহফুজা আউয়াল। তারা আপত্তি দিলে ওইদিন আদালত সিদ্ধান্ত না দিয়ে একদিন পর শুনানি হয়। গত ১৬ই জুলাই আদালত দীর্ঘ শুনানির পরে রায় প্রদান করেন। এরআগে আইন মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী গত ১৩ই জুলাই মৌলভীবাজার জেলা রেজিস্ট্রার মফিজুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক পত্রে বরমচাল ইউনিয়নের নিকাহ রেজিস্ট্রার কাজী একেএম বদরুল হককে ৫ নং ব্রাহ্মণবাজার ইউনিয়নের অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করার জন্য নির্দেশ প্রদান করেন। এছাড়া ব্রাহ্মণবাজার ইউনিয়নের সাবেক নিকাহ রেজিস্ট্রারকে যাবতীয় রেকর্ড পত্র অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত নিকাহ রেজিস্ট্রারের নিকট হস্তান্তরের জন্য নির্দেশ প্রদান করেন।

    জনগুরুত্বপূর্ণ ও সরকারী যাবতীয় রেকর্ড পত্রাদি উদ্ধারের স্বার্থে আইনগত সহায়তা করার জন্য অফিসার ইনচার্জ কুলাউড়া থানাকে অনুরোধ করেন।

    উল্লেখ্য; এদিকে ২০২৫ সালের ১১ই নভেম্বর জেলা রেজিস্ট্রার মফিজুল ইসলাম নিকাহ রেজিস্ট্রার মঈন উদ্দিনের অফিস পরিদর্শন করে দৈবচয়ন প্রক্রিয়ায় বালাম যাচাইয়ের সময় অনিয়মের অভিযোগসহ বাল্যবিয়ের সত্যতা পান। যার কারণে বাল্য বিবাহ নিরোধ আইন ২০১৭ এবং মুসলিম বিবাহ ও তালাক (নিবন্ধন) বিধিমালা ২০০৯ এর লঙ্ঘন হওয়ায় নিকাহ রেজিস্ট্রার মঈন উদ্দিনের বিরুদ্ধে তাঁর লাইসেন্স বাতিলসহ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য গত বছরের ১৭ই নভেম্বর কারণ দর্শানো নোটিশ প্রেরণ করেন জেলা রেজিস্ট্রার মফিজুল ইসলাম। পরবর্তীতে কাজী মঈন উদ্দিন ২৩শে নভেম্বর জেলা রেজিস্ট্রারের কাছে নোটিশের জবাব দাখিল করেন। কিন্তু বাল্যবিয়ে ও অন্যান্য অসংগতির বিষয়ে কাজী মঈনের দেয়া নোটিশের ব্যাখ্যা সন্তোষজনক হয়নি। পরবর্তীতে চলতি বছরের ২৬শে জানুয়ারি কাজী মঈনের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আইন মন্ত্রণালয়ের সচিব বরাবরে আবেদন করেন জেলা রেজিস্ট্রার মফিজুল ইসলাম।

  • স্পেনের জয় উদযাপনে সেজদা দেওয়ায় শারিরীক ও মানসিক প্রতিবন্ধী যুবককে মারধরের অভিযোগ

    নবীনগর উপজেলা প্রতিনিধি:

    ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলায় ফুটবল খেলা চলাকালে স্পেনের জয় উদযাপন করে আল্লাহর দরবারে সেজদা দেওয়াকে কেন্দ্র করে এক শারিরীক ও মানসিক প্রতিবন্ধী যুবককে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। আহত ওই যুবকের নাম আকবর হোসেন ওরফে জানি (২৩)। তিনি উপজেলার শিবপুর ইউনিয়নের কণিকাড়া গ্রামের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের শাহনূর মিয়ার ছেলে।

    স্থানীয় সূত্র ও পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ, গত ১৯ জুলাই দিবাগত রাত প্রায় ৪টার দিকে ফুটবল ম্যাচ শেষে স্পেনের জয় উদযাপন করে আকবর সেজদাকে কেন্দ্র করে গাংকুলহাটি স্কুল মাঠে একই গামের আব্দুল্লাহ (২৭), পিতা- আব্দুল বাতেন এবং রিফাত (২৩), পিতা- আব্দুল আওয়াল দ্বয় মারধর করে।

    গুরুতর আহত অবস্থায় আকবরকে উদ্ধার করে নবীনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা করা হয়।

    আকবরের পালক দাদি সেলিনা বেগম (৮০) কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, “আকবরের মা নেই। ছোটবেলা থেকে আমি তাকে লালন-পালন করেছি। সে শারীরিক ও মানসিক প্রতিবন্ধী। শুধু একটি সেজদা দেওয়ার কারণে তাকে এভাবে মারধর করা হবে, তা কখনো ভাবিনি। আমি এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই।”

    আকবরের চাচাতো ভাই ও সহপাঠী মো. ওবায়দুল্লাহ ওবা বলেন, “আকবর যে প্রতিবন্ধী, তা গ্রামের সবাই জানে। তারপরও তাকে ফেলে এভাবে মারধর করা হয়েছে। ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক। আমরা দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।”

    এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, প্রতিবন্ধী একজন যুবকের ওপর এমন হামলার সুষ্ঠু তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

    পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, চিকিৎসা শেষে তারা এ ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

    তবে এ বিষয়ে অভিযুক্তদের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তারা ফোন রিসিভ করেনি।