Blog

  • টঙ্গীর হাজী মাজার বস্তিতে আবারও মাদক কারবারের অভিযোগ

    টঙ্গীর হাজী মাজার বস্তিতে আবারও মাদক কারবারের অভিযোগ

    নিজস্ব প্রতিবেদক:

    গাজীপুর মহানগরের টঙ্গী পশ্চিম থানার ভরান হাজী মাজার বস্তিতে আবারও মাদক কারবার সক্রিয় হয়ে উঠেছে বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাদের দাবি, যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত এক আসামিসহ কয়েকজন চিহ্নিত ব্যক্তি এলাকায় আধিপত্য বিস্তার করে হেরোইন, ইয়াবা, ফেনসিডিল, গাঁজা ও দেশীয় মদের ব্যবসা পরিচালনা করছেন। পাশাপাশি ঘর দখল, চাঁদাবাজি এবং সাধারণ মানুষকে ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগও রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে।

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর মো. সাহাবুদ্দিন ওরফে ‘দাবারু’ নামে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত এক আসামি পুনরায় হাজী মাজার বস্তিতে ফিরে আসেন। এলাকাবাসীর অভিযোগ, তিনি সহযোগী রবিউল ইসলাম বাবু ওরফে **‘কিং বাবু’**কে সঙ্গে নিয়ে এলাকায় প্রভাব বিস্তার করেন এবং মাদক ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে অর্থের বিনিময়ে ব্যবসা পরিচালনার সুযোগ করে দেন।

    স্থানীয়দের ভাষ্য, রবিউল ইসলাম বাবুর বিরুদ্ধেও একাধিক মাদক মামলা রয়েছে। তারা অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিনের মাদক ব্যবসার মাধ্যমে তিনি নামে-বেনামে বিপুল সম্পদের মালিক হয়েছেন। বর্তমানে একটি সংঘবদ্ধ সিন্ডিকেটের মাধ্যমে নারী সদস্যদের ব্যবহার করে প্রকাশ্যে মাদক বিক্রি করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তারা।

    এলাকাবাসীর দাবি, হেলেনা নামে এক নারী বস্তির একটি বাড়ির সামনে প্রকাশ্যে হেরোইন বিক্রি করেন। এছাড়া ডাবলু নামে আরেক ব্যক্তি ওই সিন্ডিকেটকে নিয়মিত অর্থ দিয়ে মাদক ব্যবসা পরিচালনা করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।

    স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, অভিযুক্তরা নিজেদের একটি রাজনৈতিক দলের প্রভাবশালী নেতা হিরনের ঘনিষ্ঠ পরিচয় দিয়ে এলাকায় প্রভাব বিস্তার করছেন। এ কারণে অনেকেই ভয়ে তাদের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে কথা বলতে সাহস পান না।

    এলাকাবাসী বলেন, দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ না করা হলে এলাকার যুবসমাজ আরও বেশি মাদকের ভয়াবহতার মধ্যে পড়ে যাবে এবং সামাজিক অবক্ষয় বাড়বে।

    তবে প্রতিবেদনে উল্লিখিত অভিযোগের বিষয়ে মো. সাহাবুদ্দিন ওরফে দাবারু, রবিউল ইসলাম বাবু (কিং বাবু), হেলেনা ও ডাবলুর বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। তাদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রকাশ করা হবে।

    এ বিষয়ে টঙ্গী পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এবং গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের এক দায়িত্বশীল কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “মাদকবিরোধী অভিযান চলমান রয়েছে। কোনো অপরাধীই আইনের হাত থেকে রেহাই পাবে না। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

  • ৯৯৯-এ ফোনে ১০ পর্যটক ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী উদ্ধার

    মৌলভীবাজার প্রতিনিধি:

    মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার রাজকান্দি সংরক্ষিত বনাঞ্চলের ভিতর হামহাম জলপ্রপাতে আটকে পড়া ১০ জন পর্যটককে কমলগঞ্জ থানা পুলিশ, ট্যুরিস্ট পুলিশ এবং ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় নিরাপদে উদ্ধার করেছে। সোমবার সকালে ঢাকা থেকে ১০ সদস্যের একটি পর্যটক দল হামহাম জলপ্রপাত ভ্রমণে আসে। তারা সবাই ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী বলে জানা যায়। জলপ্রপাতে যাওয়ার পথে তাদের মধ্যে একজন পিছলে পড়ে হাতে আঘাত পান। দুর্গম পাহাড়ি পথ এবং আহত সহযাত্রীকে নিয়ে ফিরে আসা সম্ভব না হওয়ায় তারা জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করে সহায়তা চান।

    জাতীয় জরুরি সেবা (৯৯৯)-এর মাধ্যমে বিকেল ৩ টার দিকে কমলগঞ্জ থানা পুলিশ বিষয়টি জানতে পারে। সংবাদ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কমলগঞ্জ থানা পুলিশ, ট্যুরিস্ট পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স এবং স্থানীয় লোকজনের সমন্বয়ে দ্রুত উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযান শেষে বিকেল পৌনে ৫ টায় আটকে পড়া ১০ জন পর্যটককে নিরাপদে উদ্ধার করতে সক্ষম হয় উদ্ধারকারী দল। উদ্ধার শেষে আহত পর্যটককে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত অপর সহপাঠীরা পর্যটকরা সুস্থ রয়েছেন বলে জানান, কমলগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কমর উদ্দিন।

  • দুবাই প্রবাসী দেশে ফিরেই নিঃস্ব, বিমানবন্দর থেকে হারাল মূল্যবান ব্যাগ

    স্টাফ রিপোর্টার:
    দুবাই প্রবাসী মেহেরপুর জেলার ১৬ টাকা গ্রামের মোঃ আমিনুল ইসলাম (পিতা: মেছের আলী) প্রায় দুই বছর পর দুই মাসের ছুটিতে আজ, ২০ জুলাই ২০২৬, বাংলাদেশে আসেন।

    তাকে বিমানবন্দর থেকে রিসিভ করতে তার বোনের স্বামী মোঃ শহিদুল ইসলাম হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে উপস্থিত হন। বিমানবন্দরের টার্মিনাল থেকে তারা একটি সিএনজি অটোরিকশা ভাড়া করে বিমানবন্দর বাস টিকিট কাউন্টারের সামনে যান।

    সেখানে সিএনজির ভাড়া পরিশোধ করে খুলনাগামী বাসের টিকিট কাটতে যাওয়ার সময় আমিনুল ইসলাম লক্ষ্য করেন, তার সঙ্গে থাকা একটি সাইড ব্যাগ নেই। পরে তার মনে পড়ে, ব্যাগটি সম্ভবত সিএনজির ভেতরেই রেখে নেমে গেছেন।

    তাৎক্ষণিকভাবে তিনি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে দায়িত্বরত এপিবিএন (APBN) পুলিশের কাছে বিষয়টি জানান। পুলিশের সহায়তায় সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে তিনি যে সিএনজিতে উঠেছিলেন, সেটির নম্বর শনাক্ত করা হয়।

    সিএনজির নম্বর: ঢাকা মেট্রো-থ ১৬-১৩২৪
    পরিবহন: পারভিন পরিবহন
    কান্নাজড়িত কণ্ঠে আমিনুল ইসলাম বলেন, “আমার আর কোনো সহায়-সম্বল রইল না। আমি একেবারে নিঃস্ব হয়ে গেছি।”

    তিনি জানান, হারিয়ে যাওয়া ব্যাগে তার পাসপোর্ট, ফিরতি বিমানের টিকিট, দুটি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন, প্রায় এক ভরি স্বর্ণ এবং উল্লেখযোগ্য পরিমাণ সংযুক্ত আরব আমিরাতের দিরহাম ছিল।

    তিনি আরও বলেন, “এখন আমি না পারছি নিজের বাড়িতে যেতে, না পারছি দুবাই ফিরে যেতে। পরিবারের কাছে কীভাবে এই খবর জানাব, বুঝতে পারছি না।”

    এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট সিএনজি ও ব্যাগ উদ্ধারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দ্রুত পদক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগী ও তার স্বজনরা।

  • আইশিন ফুডস কোম্পানিকে ৩ লাখ টাকা জরিমানা করল কালীগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন

    ​গাজীপুর জেলা প্রতিনিধি:
    গাজীপুরের কালীগঞ্জে অনিয়ম ও নিরাপদ খাদ্য আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে ‘আইশিন ফুডস কোম্পানি লিমিটেড’ নামের একটি প্রতিষ্ঠানকে তিন লাখ টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
    ​আজ ২০ জুলাই (সোমবার) দুপুরে উপজেলার নাগরী ইউনিয়নের নগরভেলা এলাকায় অবস্থিত ওই কারখানাটিতে এই অভিযান চালানো হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন কালীগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জাকিয়া সরওয়ার লিমা।

    ​অভিযান সূত্র জানায়, কারখানাটিতে উৎপাদিত পাউরুটির মেয়াদ ২০ দিন থেকে এক মাস উল্লেখ করা হলেও এর সপক্ষে তারা কোনো ল্যাব টেস্ট রিপোর্ট দেখাতে পারেনি। এ ছাড়া বিএসটিআই লাইসেন্সে উল্লেখিত পণ্যের উপকরণের সঙ্গে উৎপাদিত পাউরুটির মিল ছিল না। পাউরুটিতে ব্যবহৃত জ্যাম ফিলিংসের কোনো সঠিক ব্যাখ্যা বা বিএসটিআই অনুমোদন পাওয়া যায়নি। পাশাপাশি কারখানার সব ধরনের উপকরণের গায়ে নির্দেশিকা নিরাপদ খাদ্য আইন পরিপন্থীভাবে কেবল চাইনিজ ভাষায় লেখা ছিল এবং প্রতিষ্ঠানটির কোনো হালনাগাদ ট্রেড লাইসেন্সও ছিল না।

    ​অভিযানে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের জেলা কর্মকর্তা ও প্রসিকিউটর ফারজানা ইয়াসমিন সোনিয়া উপস্থিত থেকে প্রসিকিউশন দাখিল করেন।
    ​এ সময় নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩-এর ৩২(ক) এবং ৩৮ ধারায় অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় কারখানার ইন্টারপ্রিটার মো. রিফাতকে (২৪) তিন লাখ টাকা জরিমানা করা হয় এবং তা তাৎক্ষণিকভাবে আদায় করা হয়।

    ​অভিযান পরিচালনাকালে বেঞ্চ সহকারী মাহবুবুল ইসলামসহ স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।


  • স্টাফ রিপোর্টার:
    ছাত্র-জনতার রক্তাক্ত জুলাই বিপ্লবে নির্বিচারে গুলি চালিয়ে গণহত্যা সংঘটিত করার সরাসরি অভিযোগ রয়েছে বিতর্কিত পুলিশ কর্মকর্তা এসপি আলমগীর হোসেনের (বিপি নং- ৭৯০৬১১১১৪৩) বিরুদ্ধে। পূর্বতন ফ্যাসিবাদী সরকারের আমলে একের পর এক পৈশাচিক অপরাধের দায়ে সরকারি তদন্তে চাকরি থেকে চূড়ান্ত বরখাস্তের সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েও এই কর্মকর্তা এখনও বহাল তবিয়তে রাষ্ট্রীয় দায়িত্বে নিয়োজিত রয়েছেন।

    গণহত্যাকারী ও অপরাধের বরপুত্র হিসেবে পরিচিত এই কর্মকর্তার এমন অজেয় অবস্থান বর্তমান সরকারের সংস্কার ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার প্রতিশ্রুতিকে জনমনে প্রশ্নবিদ্ধ করছে।

    জুলাই গণহত্যার মাঠে ফ্রন্টলাইন শুটার

    ২০২৪ সালের জুলাই মাসে যখন স্বৈরাচারী সরকার পতনের দাবিতে ছাত্র-জনতা রাজপথে নেমে আসে, তখন ডিএমপির ডিসি (হেডকোয়ার্টার্স) হিসেবে নেপথ্যে থেকে দমন-পীড়নের মূল সমন্বয়কারীদের একজন ছিলেন আলমগীর হোসেন। প্রত্যক্ষদর্শী ও নথিপত্রের তথ্য অনুযায়ী, তিনি কেবল নির্দেশদাতাই ছিলেন না; বরং স্বহস্তে আগ্নেয়াস্ত্র তুলে নিয়ে রাজধানী ঢাকাকে রক্তাক্ত করতে ফ্রন্টলাইনে থেকে নির্বিচারে গুলি চালিয়েছেন। ছাত্র-জনতার রক্তে রঞ্জিত এই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে জুলাই গণহত্যার একাধিক সুনির্দিষ্ট অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও কোনো এক অদৃশ্য খুঁটির জোরে তিনি এখনও পার পেয়ে যাচ্ছেন।

    ধর্ষণ ও চোখ অন্ধ করার বর্বরতা

    অনুসন্ধানে জানা যায়, জুলাই গণহত্যার অনেক আগেই আলমগীর হোসেনের অপরাধের খতিয়ান দীর্ঘ রূপ নিয়েছিল। ২০১১ সালে মৌলভীবাজার জেলায় কর্মরত থাকাকালীন এক ব্যবসায়ীকে অপহরণ, গুমের চেষ্টা এবং রিমান্ডে নিয়ে অমানবিক নির্যাতন চালান তিনি।

    সবচেয়ে পৈশাচিক ঘটনা ঘটে তাঁর দাপ্তরিক এলাকায়, যেখানে এক নারীকে পাশবিক ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে তাঁর বিরুদ্ধে। এই জঘন্যতম অপরাধের প্রতিবাদ করায় ভুক্তভোগীর স্বামীর চোখে কলম দিয়ে খুঁচিয়ে অন্ধ করে দেওয়ার মতো মধ্যযুগীয় বর্বরতা চালান তিনি।

    এসব চাঞ্চল্যকর ও লোমহর্ষক অপরাধের পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং পাবলিক সার্ভিস কমিশন (পিএসসি) পৃথকভাবে উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করে। প্রতিটি তদন্তেই আলমগীর হোসেনের বিরুদ্ধে অপরাধ প্রমাণিত হয় এবং তাঁকে চাকরি থেকে চূড়ান্ত বরখাস্তের (Dismissal from Service) আনুষ্ঠানিক সুপারিশ করা হয়।

    পিএসসি এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মতো সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের বরখাস্তের চূড়ান্ত সুপারিশকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে পার পেয়ে যান এই কর্মকর্তা। তৎকালীন প্রভাবশালী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, সাবেক ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমান এবং বিতর্কিত ডিবি প্রধান হারুন অর রশীদের সমন্বয়ে গঠিত অপরাধী সিন্ডিকেটের অন্যতম বিশ্বস্ত সহযোগী ছিলেন আলমগীর। ছাত্রলীগের সাবেক নেতা এবং পুলিশ ক্যাডারের (২৫তম ব্যাচ) কোটার প্রভাব খাটিয়ে তিনি একের পর এক গুরুতর অপরাধ করেও পদোন্নতি এবং গুরুত্বপূর্ণ পদায়ন বাগিয়ে নেন।

    ফ্যাসিবাদ পতনের পর বিগত অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এবং বর্তমান সরকারের আমলে পুলিশ বাহিনীতে শুদ্ধি অভিযান চালানো হলেও ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে গেছেন এসপি আলমগীর। বর্তমানে তিনি রংপুর রেঞ্জের প্রশাসন ও অর্থ বিভাগে বীরদর্পে দায়িত্ব পালন করছেন।

    তদন্তে প্রমাণিত একজন ধর্ষক, অপহরণকারী এবং জুলাই গণহত্যার সরাসরি মাঠপর্যায়ের ঘাতক কীভাবে এখনও পুলিশের মতো সংবেদনশীল বাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে বহাল থাকেন—তা নিয়ে জনমনে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষের সৃষ্টি হয়েছে।

    জনসাধারণ ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের দাবি—পুলিশ বাহিনীর ভাবমূর্তি রক্ষা এবং জুলাই বিপ্লবের শহীদদের রক্তের প্রতি সুবিচার নিশ্চিত করতে এই কুখ্যাত অপরাধীকে অবিলম্বে গ্রেপ্তার করে দ্রুততম সময়ের মধ্যে বিচারের মুখোমুখি করা হোক।

  • তলিয়ে যাওয়া সড়কে বাঁশের সাঁকো নির্মাণে বিএনপি নেতা জাকির সরকারের উদ্যোগ

    তলিয়ে যাওয়া সড়কে বাঁশের সাঁকো নির্মাণে বিএনপি নেতা জাকির সরকারের উদ্যোগ

    খসরু মৃধা

    সাম্প্রতিক টানা বৃষ্টিতে গাজীপুর মহানগরীর পুবাইল থানাধীন ৪২ নম্বর ওয়ার্ডের পদ হারবাইদ কালু মার্কেট থেকে মারুকা যাওয়ার সড়কটি পানিতে তলিয়ে চরম বেহাল অবস্থায় পরিণত হয়েছে। ৬০০ ফুট দীর্ঘ এই সড়কের প্রায় ৫৫০ ফুট অংশ বৃষ্টির পানিতে ডুবে থাকায় পদ হারবাইদ ও মারুকা উত্তরপাড়ার বাসিন্দাদের যাতায়াত প্রায় সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে পড়ার উপক্রম হয়।

    এলাকাবাসীর এই ভোগান্তি ও মানবিক দুর্ভোগের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে এগিয়ে আসেন পুবাইল থানা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাকির সরকার। তাঁর অর্থায়নে এবং স্থানীয় এলাকাবাসীর উদ্যোগে পদ হারবাইদ ও মারুকা উত্তরপাড়ার সংযোগস্থলে পানির ওপর দিয়ে চলাচলের জন্য একটি দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়।

    সাঁকোটি নির্মাণের ফলে সাময়িকভাবে হলেও যাতায়াতের সুব্যবস্থা হওয়ায় স্বস্তি ফিরে এসেছে পদ হারবাইদ ও মারুকা উত্তরপাড়ার বাসিন্দাদের মধ্যে। স্থানটিতে চলাচলের বিকল্প ব্যবস্থা হওয়ায় জাকির সরকারের এই জনকল্যাণমূলক কাজের ভূয়সী প্রশংসা করছেন স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।

    স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, “সড়কটি দীর্ঘদিন ধরে বেহাল অবস্থায় থাকলেও সাম্প্রতিক বৃষ্টিতে প্রায় পুরো অংশই পানিতে তলিয়ে যায়। বাঁশের সাঁকোটি তৈরি হওয়ায় এখন আমরা অন্তত নিরাপদে হেঁটে চলাচল করতে পারছি। এই কঠিন সময়ে পাশে দাঁড়ানোর জন্য আমরা জাকির সরকার ও সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি কৃতজ্ঞ।”

  • গাজীপুর বিআরটিএ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার

    গাজীপুর বিআরটিএ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার

    স্টাফ রিপোর্টার:

    গাজীপুর জেলা বিআরটিএর কয়েকজন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, সাংবাদিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন ব্যক্তি ড্রাইভিং লাইসেন্সসহ নানা ধরনের কাজের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছে সুপারিশ করেন। তবে বিধি-বিধান অনুসরণ করে কাজ করায় এবং অনিয়মে সহযোগিতা না করায় পরবর্তীতে ওই কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন গণমাধ্যমে ভিত্তিহীন ও বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রকাশ করা হয়।

    সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গাজীপুর বিআরটিএর সহকারী পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) এস. এম. মাহফুজুর রহমান, মোটরযান পরিদর্শক মো. নাসিরুল আরিফিনসহ একাধিক কর্মকর্তার কাছে বিভিন্ন সময়ে ড্রাইভিং লাইসেন্সের আবেদনকারী এবং অন্যান্য সেবাগ্রহীতাদের বিষয়ে সুপারিশ করা হয়। অভিযোগ রয়েছে, সুপারিশকৃত কয়েকজন আবেদনকারী নির্ধারিত লিখিত, মৌখিক কিংবা ব্যবহারিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ না করেই অথবা প্রয়োজনীয় যোগ্যতা অর্জন ছাড়াই লাইসেন্স পেতে আগ্রহী ছিলেন।

    কিন্তু বিআরটিএর দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা সরকারি বিধিমালা অনুসরণ করে নিয়মের বাইরে কোনো সুবিধা দিতে অস্বীকৃতি জানান। নির্ধারিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণ না করা বা প্রয়োজনীয় মানদণ্ড পূরণ করতে ব্যর্থ হওয়ায় সংশ্লিষ্ট আবেদনকারীদের অনুত্তীর্ণ (ফেইল) দেখানো হয়।

    এরপর থেকেই অসন্তুষ্ট একটি পক্ষ ওই কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন পত্র-পত্রিকা ও অনলাইন মাধ্যমে নানা অভিযোগ তুলে সংবাদ প্রকাশ শুরু করে বলে অভিযোগ রয়েছে। সংশ্লিষ্টদের দাবি, এসব সংবাদের অধিকাংশই যাচাই-বাছাই ছাড়া প্রকাশ করা হয়েছে এবং এর মাধ্যমে দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের ওপর চাপ সৃষ্টি ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের চেষ্টা করা হয়েছে।

    সূত্র আরও জানায়, গাজীপুর জেলা বিআরটিএ বর্তমানে ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রদানসহ বিভিন্ন সেবা কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে কঠোর অবস্থানে রয়েছে। ফলে অনিয়মের মাধ্যমে সুবিধা আদায়ের সুযোগ না পেয়ে একটি স্বার্থান্বেষী মহল অপপ্রচার চালাচ্ছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

    এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বক্তব্য, সরকারি নিয়মনীতি মেনেই সব কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের সুপারিশের ভিত্তিতে নয়, বরং আবেদনকারীর যোগ্যতা, পরীক্ষার ফলাফল এবং প্রচলিত বিধিমালা অনুসারেই সেবা প্রদান করা হয়। দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের অনিয়ম বা প্রভাবের কাছে নতি স্বীকার করা হবে না বলেও তারা জানান।

    তবে অভিযুক্ত পক্ষের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা গুরুত্বসহকারে প্রকাশ করা হবে।

  • নদীর পাড় দখল ও দূষণের দায়ে ‘ইউরিনকো বাংলাদেশ’কে জরিমানা, কারখানা স্থানান্তরের নির্দেশ

    গাজীপুর জেলা প্রতিনিধি:
    গাজীপুরের কালীগঞ্জে নদীর পাড় দখল এবং পরিবেশ দূষণের দায়ে ‘ইউরিনকো বাংলাদেশ’ নামক একটি স্ক্র্যাপ টায়ার ও রাবার রিসাইক্লিং কারখানাকে ১ লক্ষ টাকা জরিমানা করেছে মোবাইল কোর্ট। একই সাথে পরিবেশ অধিদপ্তরের অনুমতি সাপেক্ষে দ্রুততম সময়ের মধ্যে কারখানাটি অন্যত্র সরিয়ে নিয়ে নদীর পাড় সম্পূর্ণ দখলমুক্ত করার কঠোর নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।

    আজ ১৯ জুলাই ২০২৬ তারিখে কালীগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তর, গাজীপুর জেলা কার্যালয়ের যৌথ উদ্যোগে এই অভিযান পরিচালিত হয়।
    অভিযান সূত্রে জানা যায়, শীতলক্ষ্যা নদীর তীরবর্তী এলাকায় গড়ে ওঠা এই কারখানাটি দীর্ঘদিন ধরে কোনো প্রকার যথাযথ পরিবেশগত ছাড়পত্র ও বর্জ্য শোধন ব্যবস্থা ছাড়াই স্ক্র্যাপ টায়ার পুড়িয়ে এবং রাবার গলিয়ে তরল ফুয়েল উৎপাদন করে আসছিল।

    কারখানার বিষাক্ত কালো ধোঁয়া, স্তূপীকৃত টায়ারের বর্জ্য এবং অপরিশোধিত কেমিক্যাল সরাসরি নদীতে পড়ে আশপাশের পরিবেশ ও নদীর পানি মারাত্মকভাবে দূষিত করছিল। এছাড়া কারখানার কাঁচামাল ও বর্জ্য নদীর পাড়ে স্তূপ করে রেখে নদীর স্বাভাবিক গতিপ্রবাহ ব্যাহত ও পাড় দখল করা হয়েছিল।

    মোবাইল কোর্ট পরিচালনাকালে পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ (সংশোধিত ২০১০) এর সংশ্লিষ্ট ধারা লঙ্ঘনের দায়ে কারখানার দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি সোহেল রানাকে দোষী সাব্যস্ত করে ১,০০,০০০/- (এক লক্ষ) টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। অনাদায়ে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়। মামলাটির প্রসিকিউটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন গাজীপুর পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিদর্শক মো: মকবুল হোসেন।

    অভিযান শেষে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানান, নদী দখল ও পরিবেশ দূষণকারীদের বিরুদ্ধে প্রশাসনের এই ধরনের কঠোর নজরদারি ও মোবাইল কোর্ট অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

  • কমলগঞ্জে মনিপুরি গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার


    মৌলভীবাজার প্রতিনিধি:
    মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার সদর ইউনিয়নের উত্তর বালিগাঁও গ্রামে এক গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধারকে কেন্দ্র করে এলাকায় শোকের পাশাপাশি নানান প্রশ্নেরও জন্ম দিয়েছে। শনিবার (১৯শে জুলাই) রাত প্রায় ৯টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

    নিহত দিপালী সিনহা (৩৩) উপজেলার মাধবপুর ইউনিয়নের গকুল সিংহের গাঁও এলাকার বিমানন্দ সিনহার মেয়ে এবং উত্তর বালিগাঁও গ্রামের রাজিব কুমার সিংহের স্ত্রী।

    স্থানীয় সূত্রের বরাতে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক নানান বিষয় নিয়ে দিপালী সিনহার দাম্পত্য জীবনে বিভিন্ন বিষয়ে অশান্তি চলছিল। প্রতিবেশীদের দাবি, স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে মতবিরোধের পাশাপাশি শ্বশুরবাড়ির পরিবেশ নিয়েও তিনি মানসিক চাপে ছিলেন। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে যাচাই করা হয়নি।

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দা জানান, দিপালী ছিলেন শান্ত ও স্বল্পভাষী স্বভাবের মানুষ। সাম্প্রতিক সময়ে তাকে বেশ উদ্বিগ্ন ও মানসিকভাবে বিপর্যস্ত মনে হয়েছে বলে তারা দাবি করেন।

    নিহতের ছোট ভাই দিপক সিংহ বলেন, ঘটনার আগে তার বোনের সঙ্গে কথা হয়েছিল। সে সিলেটে রথযাত্রা দেখতে যাওয়ার ইচ্ছার কথা জানিয়েছিল। পরে আবার জানায়, স্বামী যেতে নিষেধ করেছেন। তবে মৃত্যুর পেছনের প্রকৃত কারণ সম্পর্কে তিনি নিশ্চিত করে বলতে পারেন নি।

    অন্যদিকে স্বামী রাজিব কুমার সিংহ বলেন, তার স্ত্রী বিভিন্ন বিষয় নিয়ে অভিমান করতেন এবং মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন। এ কারণে চিকিৎসাও করানো হয়েছিল বলে দাবি করেন তিনি। রাজিব বলেন, “আমাদের দুটি সন্তান রয়েছে। এমন ঘটনা ঘটবে কখনো কল্পনাতেও মনে হয়নি।”

    খবর পেয়ে কমলগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে। পরে আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।

    কমলগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কমর উদ্দিন জানান, ঘটনাটির প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত চলছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর পরই মৃত্যুর বিষয়ে বিস্তারিত জানা যাবে। অভিযোগ পাওয়া গেলে বা তদন্তে কারও সম্পৃক্ততার প্রমাণ মিললে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    ঘটনাটি ঘিরে এলাকায় শোকের আবহ বিরাজ করছে। একই সঙ্গে একটি অকাল মৃত্যুর পেছনের প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনের অপেক্ষায় রয়েছেন স্বজনসহ স্থানীয়রা।

  • হত্যা মামলার ১০ বছর পর আসামি র‍্যাবের জালে


    মৌলভীবাজার প্রতিনিধি:
    মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে প্রায় ১০ বছর আগে দায়ের হওয়া একটি হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)-৯।

    র‍্যাব জানায়, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে র‍্যাব-৯-এর সিপিসি-২, শ্রীমঙ্গল ক্যাম্পের একটি আভিযানিক দল শনিবার (১৯শে জুলাই) দুপুর সোয়া ১টার দিকে শ্রীমঙ্গল উপজেলার মতিগঞ্জ বাজার এলাকায় অভিযান চালায়। এ সময় শ্রীমঙ্গল থানার ২০১৬ সালের একটি হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামি গিয়াস মিয়া (২৫)কে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি শ্রীমঙ্গল উপজেলার পূর্ব লইয়ারকুল গ্রামের ফারুক মিয়ার ছেলে।

    র‍্যাব সূত্রের বরাতে জানা যায়, শ্রীমঙ্গল থানায় দায়ের হওয়া হত্যা মামলার (মামলা নং-০৮, তারিখ ৭ এপ্রিল ২০১৬) ওয়ারেন্টের ভিত্তিতে দীর্ঘদিন ধরে গিয়াস মিয়াকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছিল। গোপন তথ্যের ভিত্তিতে তার অবস্থান নিশ্চিত হয়ে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়।

    গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য শ্রীমঙ্গল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

    র‍্যাব-৯, সিলেটের মিডিয়া অফিসার ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কে এম শহিদুল ইসলাম সোহাগ এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, সন্ত্রাস, হত্যা, মাদক, অবৈধ অস্ত্র ও অন্যান্য অপরাধ দমনে র‍্যাবের গোয়েন্দা তৎপরতা এবং বিশেষ অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থকবে।