Blog

  • সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জে বাল্যবিবাহ ও মাদক প্রতিরোধে জন সচেতনতামূলক চলচ্চিত্র প্রদর্শন


    রায়গঞ্জ (সিরাজগঞ্জ) উপজেলা সংবাদদাতা:
    সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার ক্ষিরতলায় বাল্য বিবাহ ও মাদক প্রতিরোধে সচেতনতামূলক চলচ্চিত্র প্রদর্শন অনুষ্ঠিত হয়।

    ১৪ জুলাই মঙ্গলবার বিকাল পাঁচটায় উপজেলার ক্ষিরতলায় জেলা তথ্য, গণযোগাযোগ অধিদপ্তর ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায়, জেলা তথ্য অফিসের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ আলীর আয়োজনে এই চলচ্চিত্র প্রদর্শন অনুষ্ঠিত হয়।

    স্থানীয় সাবেক ইউপি সদস্য মোঃ কাজী মুদ্দীন কাজীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন ঘোষক জেলা তথ্য অফিস মোঃ বাবুল হোসেন, সিনে অপারেটর রেজাউল করিম, এপি প্রোগ্রাম অপারেটর আব্দুর রউফসহ জেলা তথ্য অফিসের কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ।

    উক্ত চলচ্চিত্রের মাধ্যমে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে আমাদের সকলকে সচেতন হয়ে একসাথে একযোগে কাজ করাসহ বাল্য বিবাহ ও অল্প বয়সে বিয়ের কুফল সম্পর্কে জানতে পারে।

    ‘আমার গ্রাম, আমার দায়িত্ব, শিশুর জীবন হোক বাল্যবিবাহ মুক্ত’- শ্লোগানকে ধারণ করে বাল্য বিবাহ প্রতিরোধে সকলকে একসাথে কাজ করার আহ্বান জানানো হয় চলচ্চিত্রের মাধ্যমে

    স্থানীয় লোকজনসহ বিভিন্ন মসজিদের ইমাম, খতিব, বিভিন্ন মন্দিরের পুরোহিত, শিক্ষার্থীবৃন্দ ও স্থানীয়রা উপস্থিত থেকে চলচিত্রটি উপভোগ করেন।

  • আমতলীতে হামের প্রার্দুভাব। হাসপাতালে এন্টিবায়েটিক ও ডিএনএস স্যালাইন সঙ্কট

    আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি:

    আমতলী উপজেলায় হামের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। গত ১৩ দিনে ৩০ জন শিশু হামে আক্রান্ত হয়ে আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে হাসপাতাল ভর্তি হয়েছে। মঙ্গলবার পর্যন্ত ১৫ শিশু চিকিৎসা শেষে সুস্থ্য হয়ে হাসপাতাল ছাড়লেও ১৫ শিশু এখনো হাসপাতালে ভর্তি আছে। কিন্তু হাসপাতালে এন্টিবায়োটিক ও ডিএনএস স্যালাইন সংঙ্কট রয়েছে। সঙ্কট থাকায় বাহির থেকে স্বজনদের এন্টিবায়োটিক ও স্যালাইন ক্রয় করতে হচ্ছে। দ্রুত হাসপাতালে এন্টিবায়োটিক ও স্যালাইন সরবরাহের দাবী শিশুর স্বজনদের।
    জানাগেছে, সারা দেশে হামের প্রাদুর্ভাব দেখা দিলেও আমতলী উপজেলায় ছিল ভিন্ন চিত্র। জুন মাস পর্যন্ত তেমন শিশু হামে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়নি। কিন্তু সেই চিত্র জুলাই মাসে ভেঙ্গে গেছে। গত ১৩ দিনে আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৩০ জন শিশু হামে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। ইতিমধ্যে ১৫ জন শিশু চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ্য হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছে। তবে এখনও ১৫ শিশু হাসপাতালে ভর্তি আছে। এদিকে হাসপাতালে এন্টিবায়োটিক ও ডিএনএস স্যালাইনের সঙ্কট রয়েছে। এন্টিবায়োটিক ও স্যালাইন সঙ্কট থাকায় শিশুদের সরবরাহ করতে পারছে না হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বলে জানান শিশুর স্বজন রাবেয়া ও তাজিনুর। ফলে স্বজনদের বাহির থেকে এন্টিবায়োটিক ও স্যালাইন ক্রয় করতে হচ্ছে। এতে হামে আক্রান্ত শিশুর স্বজনদের আর্থি ক সমস্যা হচ্ছে। দ্রুত হাসপাতাল এন্টিবায়োটিক ও স্যালাইন সরবরাহের দাবী হামে আক্রান্ত শিশুর স্বজনদের। অপর দিকে হামে আক্রান্ত শিশুদের আলাদা ইউনিটে রেখেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। ওই ইউনিটে বেড না থাকায় ফ্লোরে বিছানা পেতে শিশু ও শিশুর স্বজনদের থাকতে হচ্ছে। এতেও তাদের ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। মঙ্গলবার দুপুরে হাসপাতাল ঘুরে দেখা গেছে, হাসপাতালের আলাদা ফ্লোরে হাতে আক্রান্ত শিশু ও শিশুর স্বজনরা বিছানা পেতে থাকছেন। িএ ইউনিটে আলাদা কোন বেড নেই। শিশুর স্বজন রাবেয়া ও তাজিনুর বলেন, হাসপাতাল থেকে এন্টিবায়োটিক ও ডিএনএস স্যালাইন দিচ্ছে না। এগুলো বাহির থেকে কিনতে হচ্ছে। এতে আমাদের আর্থিক সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। দ্রুত হাসপাতালে এন্টিবায়েটিক ও ডিএনএস স্যালাইন সরবরাহের দাবী তাদের। আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাঃ হুমায়ুন আহমেদ সুমন বলেন, হাসপাতালে হামে আক্রান্ত শিশুদের যথাযথ চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। তবে এন্টিবায়োটিক ও ডিএনএস স্যালাইনের সঙ্কট রয়েছে। তিনি আরো বলেন, হতদরিদ্র শিশুদের এন্টিবায়োটিক ও ডিএনএস স্যালাইন সরবরাহ করা হচ্ছে। আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ চিন্ময় হাওলাদার বলেন, নতুন অর্থ বছরের কারনে এন্টিবায়োটিক ও ডিএনএস স্যালাইনের কিছুটা সঙ্কট থাকলেও কিছুদিনের মধ্যে সেই সঙ্কট কেটে যাবে।

  • একবার নয়, দুইবার নয়—তৃতীয়বারের মতো এবারো নেত্রকোনা জেলার শ্রেষ্ঠ ট্রাফিক পুলিশ অফিসার হিসেবে, সম্মাননা অর্জন করেছেন

    নেত্রকোনা প্রতিনিধি:

    সর্বশেষ জুলাই ২০২৬ মাসে জেলার শ্রেষ্ঠ ট্রাফিক টিএসআই হিসেবে এই সম্মান লাভ করেছেন।

    এই ধারাবাহিক সাফল্য প্রমাণ করে যে সততা, নিষ্ঠা, কর্মদক্ষতা এবং জনসেবার প্রতি আন্তরিকতা থাকলে সাফল্য বারবার ধরা দেয় এটাই তার বিশ্বাস। তাই তো এবারে ও
    *নেত্রকোণা জেলার জুন মাসের শ্রেষ্ঠ টিএসআই নির্বাচিত হলেন ত্রিশসালের জন্ম মুহাম্মদ আসাদুজ্জামান*

    *বিশ্ব কুমার প্রতিনিধি*
    কর্মদক্ষতা ও দায়িত্বনিষ্ঠার স্বীকৃতি হিসেবে জুন-২০২৬ মাসে নেত্রকোণা জেলার শ্রেষ্ঠ টিএসআই নির্বাচিত হয়েছেন সদর ট্রাফিকের জনাব মুহাম্মদ আসাদুজ্জামান।

    অদ্য আজ ১৪ জুলাই সকাল ১০ ঘটিকার সময় ২০২৬ তারিখে জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়, সম্মেলন কক্ষ নেত্রকোণা থেকে তাকে সম্মাননা ক্রেস্ট ও সার্টিফিকেট প্রদান করা হয়। “শৃঙ্খলা, নিরাপত্তা, প্রগতি” – এই মূলমন্ত্রকে সামনে রেখে কাজ করে তিনি নেত্রকোনা জেলার ট্রাফিক পুলিশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করেছেন বলে জানিয়েছেন জেলা ট্রাফিক কর্তৃপক্ষ।

    নেত্রকোণা জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে পুলিশ সুপার মোঃ তারিকুল ইসলাম, বিপি-৭৮০৮১১৮২১৫ সার্টিফিকেটে স্বাক্ষর করে তাকে অভিনন্দন জানান। এ সময় তিনি আরো জানান”আপনার এই কর্মদক্ষতা নেত্রকোনা জেলার সকল ট্রাফিক পুলিশের ভাবমূর্তি আরো উজ্জ্বল করবে এই প্রত্যাশা করি।”

    সম্মাননা, গ্রহণের সময় শ্রেষ্ঠ টিএসআই আসাদুজ্জামান তার অনুভূতি প্রকাশ করে বলেন, জনগণের সেবা করাই জেলা ট্রাফিক পুলিশের মূল দায়িত্ব। এই স্বীকৃতি ভবিষ্যতে আমাকে আরও ভালোভাবে দায়িত্ব পালনের অনুপ্রেরণা যোগাবে
    সকলেই আমার জন্য দোয়া করবেন,
    যেন এভাবে দেশ ও মানুষের সেবায়
    সর্বদায় নিয়োজিত থাকতে পারি সেই প্রত্যাশা।

    উল্লেখ্য, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা ফিরেয়ে আনা এবং সড়কে নিরাপত্তা নিশ্চিতে তার ভূমিকা বিশেষভাবে প্রশংসিত হয়েছে।

  • দক্ষিন রাঙ্গুনিয়া সরফভাটা ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শনে হুমাম কাদের চৌধুরী

    রাঙ্গুনিয়া প্রতিনিধিঃ
    রাঙ্গুনিয়া উপজেলার সরফভাটা ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কর্ণফুলী নদীর পাড়, রাস্তা, মাদ্রাসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও ইউনিয়ন হেলথ কমপ্লেক্স পরিদর্শন করেন রাঙ্গুনিয়ার সাংসদ হুমাম কাদের চৌধুরী এমপি।
    ১৩ জুলাই মঙ্গলবার রাঙ্গুনিয়া উপজেলার সরফভাটা ইউনিয়নে ভয়াবহ বন্যার কবলে পড়া অসহায় পরিবারগুলোর মাঝে ত্রাণ ও আর্থিক সহায়তা প্রদান কার্যক্রম সম্পন্ন করেন। সারাদিনব্যাপী আয়োজিত এই কর্মসূচিতে ইউনিয়নের প্রতিটি ওয়ার্ডে গিয়ে ক্ষতিগ্রস্তদের হাতে খাদ্যসামগ্রী ও নগদ অর্থ তুলে দেওয়া হয়। বন্যায় ঘরবাড়ি ও সহায়-সম্বল হারানো মানুষের পাশে দাঁড়ানোর লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। ত্রাণ বিতরণের পাশাপাশি তিনি সরফভাটা ইউনিয়নের পাশ দিয়ে বহমান কর্ণফুলী নদীর পাশে সড়ক সরেজমিনে পরিদর্শন করেন। বন্যার তোড়ে ক্ষতিগ্রস্ত নদীর পাড়ের বাড়ি যর বর্তমান অবস্থা এবং চলাচলের ঝুঁকি পর্যবেক্ষণ করে তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অনতিবিলম্বে কার্যকর ও টেকসই সংস্কার ব্যবস্থা গ্রহণের কঠোর নির্দেশনা প্রদান করেন। এই পরিদর্শনের মাধ্যমে যোগাযোগ ব্যবস্থার স্বাভাবিকতা ফিরিয়ে আনার বিষয়টি স্থানীয় প্রশাসনের কাছে অগ্রাধিকার হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।

    ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম চলাকালে ভুক্তভোগী স্থানীয় বাসিন্দাদের পক্ষ থেকে তাদের করুণ বাস্তবতার চিত্র তুলে ধরা হয়। আকস্মিক বন্যায় ফসলি জমি ও বসতভিটা তলিয়ে যাওয়ায় সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা চরম বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, পাহাড়ি ঢল ও বন্যার কারণে সৃষ্ট জলাবদ্ধতায় তাদের দৈনন্দিন আয়-রোজগারের পথ বন্ধ হয়ে গেছে এবং অধিকাংশ পরিবার এখন মানবেতর জীবনযাপন করছে। ভুক্তভোগীদের মতে, ব্রিজঘাট ব্রিজের বর্তমান জরাজীর্ণ দশা তাদের যাতায়াতকে আরও বেশি ঝুঁকিপূর্ণ করে তুলেছে, যা দ্রুত মেরামত না করলে বৃহত্তর দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে। ত্রাণ গ্রহণকালে ক্ষতিগ্রস্তরা জানান, সরকারি এই সহায়তা তাদের সাময়িক সংকট মোকাবিলায় কিছুটা স্বস্তি দিলেও দীর্ঘমেয়াদী পুনর্বাসনের জন্য স্থানীয় অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও কৃষি সহায়তার ওপর তারা বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করছেন।

    ঘটনাটির পরিপ্রেক্ষিতে রাঙ্গুনিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাজমুল হাসান জানিয়েছেন যে, প্রশাসনের পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা প্রণয়ন করা হয়েছে এবং পর্যায়ক্রমে সকল পরিবারকে সহায়তার আওতায় আনা হবে।এসময় উপস্থিত ছিলেন রাঙ্গুনিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার নাজমুল হাসান,রাঙ্গুনিয়া উপজেলা বিআরডিএর চেয়ারম্যান ইউছুফ চৌধুরী, উত্তর জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মুরাদ চৌধুরী, সরফভাটা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, আলমগীর চৌধুরী, আব্দুল করিম চৌধুরী, সৈয়দ নুর,রফিকুল ইসলাম,আকতার হোসেন,দিদার আলম,জসিম উদ্দিন,খাইরুল ইসলাম,সরোয়ার উদ্দিন,সালাউদ্দিন চৌধুরী,মাওলানা ইউসুফ,মাহবুব মেম্বার,দেলোয়ার হোসেন সহ বিএনপি অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের অসংখ্য নেতাকর্মী।

  • রথযাত্রা উপলক্ষে চাঁপাইনবাবগঞ্জে জেলা পুলিশের মতবিনিময় সভা

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি :

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব রথযাত্রা সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খলভাবে উদযাপনের লক্ষ্যে জেলা পুলিশের উদ্যোগে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। জেলা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত এ সভায় সভাপতিত্ব করেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপার গৌতম কুমার বিশ্বাস।
    সভায় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) ওয়াসিম ফিরোজ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) ইয়াসির আরাফাত, বাংলাদেশ পূজা উদযাপন কমিটির চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা শাখার সভাপতি ডাবলু কুমার ঘোষ, সাধারণ সম্পাদক ধরঞ্জয় চ্যাটাজী, দিলীপ রায়সহ জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এবং রথযাত্রা উদযাপন কমিটির বিভিন্ন নেতা। মতবিনিময় সভায় পুলিশ সুপার রথযাত্রা উপলক্ষে সার্বিক নিরাপত্তা, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা, শোভাযাত্রার সুষ্ঠু পরিচালনা এবং শান্তিপূর্ণ পরিবেশে উৎসব উদযাপনের বিষয়ে সনাতন ধর্মাবলম্বী নেতৃবৃন্দের মতামত শোনেন। পরে তাদের মতামতের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ ও সংশ্লিষ্টদের দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। সভায় বক্তারা বলেন, প্রশাসন ও আয়োজকদের সমন্বিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে রথযাত্রা উৎসব নিরাপদ ও উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন করা সম্ভব হবে। জেলা পুলিশও উৎসবকে ঘিরে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

  • ডিএসসিসি প্রশাসকের সাথে ঢাকা ৪ ও ৫ আসনের এমপির মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত


    যাত্রাবাড়ি,ঢাকা:
    ঢাকা মহানগরীর দখলকৃত খাল ও খেলার মাঠ উদ্ধার, জলাবদ্ধতা নিরসন এবং মশক নিধনসহ বিভিন্ন নাগরিক সমস্যা সমাধানে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সালামের সাথে এক যৌথ মতবিনিময় সভা করেছেন ঢাকা-৫ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ কামাল হোসেন ও ঢাকা-৪ আসনের সংসদ সদস্য সৈয়দ জয়নুল আবেদীন।
    আজ মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) নগর ভবনে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়। সভায় ডিএসসিসি’র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী প্রকৌশলীসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

    সভায় রাজধানীর যানজট ও নাগরিক ভোগান্তি দূর করতে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা হয়। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো:দখলকৃত খাল ও খেলার মাঠ দ্রুত উদ্ধার করা।জলাবদ্ধতা, ড্রেনেজ ও পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থার স্থায়ী উন্নয়ন।বাসা-বাড়ির ময়লার অতিরিক্ত বিল সংক্রান্ত সমস্যার সমাধান।আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও পরিবেশ রক্ষা।রাস্তাঘাট পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করা এবং ফুটপাত দখলমুক্ত করা।

    ডেঙ্গু প্রতিরোধে কার্যকর মশক নিধন কর্মসূচি জোরদার।এলাকাভিত্তিক মাদকবিরোধী কর্মসূচি বাস্তবায়ন।রকাজের জবাবদিহিতা নিশ্চিত। ডিএসসিসি প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সালাম বলেন, “নাগরিকদের বিদ্যমান সকল সমস্যা সমাধান এবং উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নে আমরা যৌথভাবে কাজ করব। মতবিনিময় সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন ডিএসসিসির বিভিন্ন কর্মকর্তা ও ঢাকা-৪ ও ৫ আসনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে ৫৯ বিজিবির অভিযান, ৭৫ বোতল ভারতীয় Eskuf সিরাপ জব্দ

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি:
    চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার শাহবাজপুর সীমান্তে মাদক ও চোরাচালানবিরোধী অভিযানে ৭৫ বোতল ভারতীয় নেশাজাতীয় Eskuf সিরাপ জব্দ করেছে মহানন্দা ব্যাটালিয়ন (৫৯ বিজিবি)। জব্দকৃত সিরাপের কোনো দাবিদার না থাকায় এগুলো মালিকবিহীন হিসেবে উদ্ধার করা হয়।

    মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) ভোর আনুমানিক ৪টা ৪০ মিনিটে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মহানন্দা ব্যাটালিয়নের অধীনস্থ চকপাড়া বিওপির একটি বিশেষ টহল দল অভিযান পরিচালনা করে। নায়েক মো. আব্দুর রহমানের নেতৃত্বে পরিচালিত এ অভিযানে সীমান্ত পিলার ১৮২/৩-এস থেকে প্রায় ৬০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে শিবগঞ্জ উপজেলার শাহবাজপুর ইউনিয়নের উনিশদীঘি এলাকায় তল্লাশি চালানো হয়।

    অভিযান চলাকালে পরিত্যক্ত অবস্থায় ৭৫ বোতল ভারতীয় নেশাজাতীয় Eskuf সিরাপ উদ্ধার করে বিজিবি। তবে ঘটনাস্থল থেকে কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

    বিজিবি জানায়, জব্দ করা সিরাপগুলো প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করে শিবগঞ্জ থানায় হস্তান্তরের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

    মহানন্দা ব্যাটালিয়ন (৫৯ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম চৌধুরী, এসজিপি, বিএফএম, পিএসসি অভিযানের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

    তিনি বলেন, মাদক ও চোরাচালান নির্মূলে বিজিবি জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে। দেশের যুবসমাজকে মাদকের ভয়াবহতা থেকে রক্ষা এবং সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান প্রতিরোধে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও নিয়মিতভাবে পরিচালিত হবে।

  • সরফভাটায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে ত্রাণ সামগ্রি বিতরণ

    রাঙ্গুনিয়া প্রতিনিধিঃ
    রাঙ্গুনিয়া উপজেলার দক্ষিণ রাঙ্গুনিয়া থানার সরফভাটা ইউনিয়নের ভারী বর্ষন ও পাহাড়ি ঢলে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে ত্রাণ সামগ্রি বিতরন করা হয়।

    ১৪ জুলাই মঙ্গলবার সকালে সরফভাটা ইউনিয়নের ইত্যাদি চত্বরে সরফভাটার ৯ ওয়ার্ডের প্রায় ৫ শত পরিবারকে এই ত্রাণ সামগ্রি প্রদান করা হয়।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, আলমগীর চৌধুরী, আব্দুল করিম চৌধুরী, সৈয়দ নুর,রফিকুল ইসলাম,আকতার হোসেন,আবসার মেম্বার,ফরিদুল আবসার,দিদার আলম,জসিম উদ্দিন,খাইরুল ইসলাম,সরোয়ার উদ্দিন,সালাউদ্দিন চৌধুরী,মাওলানা ইউসুফ,মাহবুব মেম্বার,দেলোয়ার হোসেন সহ বিএনপি অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের অসংখ্য নেতাকর্মী।

  • শতাধিক কোমলমতি শিক্ষার্থীর জীবনের ঝুঁকি নওগাঁর রাতোয়াল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় যেন এক মরণফাঁদ


    নওগাঁ প্রতিনিধি:
    নওগাঁ জেলার রানীনগর উপজেলার রাতোয়াল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় বর্তমানে চরম ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করছে। বিদ্যালয়ের ভবনের বিভিন্ন অংশে বড় বড় ফাটল, দেয়াল ও কাঠামোর নাজুক অবস্থা এবং দীর্ঘদিনের অবহেলায় প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়েই পাঠদান করছেন শিক্ষক-শিক্ষিকারা। একই সঙ্গে শত শত কোমলমতি শিক্ষার্থীও নিরাপত্তাহীন পরিবেশে শ্রেণিকক্ষে পাঠ গ্রহণ করতে বাধ্য হচ্ছে।

    স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যালয়টির ভবন সংস্কারের দাবি জানানো হলেও এখনো কার্যকর কোনো উদ্যোগ দৃশ্যমান হয়নি। ভবনের বিভিন্ন স্থানে ফাটল ক্রমেই বড় হচ্ছে। বর্ষা মৌসুমে ভবনের অবস্থা আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে। এতে যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা করছেন শিক্ষক, অভিভাবক ও এলাকাবাসী।

    একসময় এ বিদ্যালয় থেকে অসংখ্য শিক্ষার্থী লেখাপড়া করে দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন। মানুষ গড়ার এই বিদ্যাপীঠ আজ নিজেই অবহেলা ও অনিশ্চয়তার প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিদ্যালয়ের বর্তমান বেহাল চিত্র দেখে হতাশা প্রকাশ করেছেন স্থানীয় সচেতন মহল। তাদের ভাষায়, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের এমন করুণ অবস্থা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।

    অভিভাবকদের দাবি, সন্তানদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রতিদিন উৎকণ্ঠার মধ্যে থাকতে হয়। তারা চান, দুর্ঘটনা ঘটার পর নয়, বরং তার আগেই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করুক। কারণ একটি অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনা মুহূর্তেই বহু পরিবারের স্বপ্ন ভেঙে দিতে পারে।

    স্থানীয় বাসিন্দারা প্রশ্ন তুলেছেন, বিদ্যালয়টির ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থা কি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরে আসেনি? যদি এসে থাকে, তাহলে প্রয়োজনীয় সংস্কারকাজ এখনো শুরু হয়নি কেন? বিষয়টি নিয়ে এলাকাজুড়ে নানা প্রশ্ন ও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

    শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের অন্যতম দায়িত্ব। তাই রাতোয়াল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে দ্রুত পরিপূর্ণ সংস্কার অথবা প্রয়োজন হলে নতুন ভবন নির্মাণের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের নিরাপদ শিক্ষা পরিবেশ নিশ্চিত করার জোর দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী, অভিভাবক ও সচেতন নাগরিকরা।

    এ বিষয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস, স্থানীয় প্রশাসন এবং সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী। তাদের প্রত্যাশা, আর কোনো দুর্ঘটনার অপেক্ষা নয়—অবিলম্বে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে, যাতে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা নিরাপদ পরিবেশে লেখাপড়া করতে পারে।

  • ‎সুন্দরবনে ছোট জাহাঙ্গীর বাহিনীর প্রধানসহ ২৭ বনদস্যুর আত্মসমর্পণ ‎


    ‎বাগেরহাট প্রতিনিধি:
    ‎সুন্দরবনে দীর্ঘদিন ধরে ত্রাস সৃষ্টি করা কুখ্যাত ছোট জাহাঙ্গীর বাহিনীর প্রধান জাহাঙ্গীর শেখসহ ২৭ জন বনদস্যু অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের কাছে আত্মসমর্পণ করেছেন। আত্মসমর্পণের সময় তারা বিপুল পরিমাণ আগ্নেয়াস্ত্র ও গোলাবারুদ জমা দেন।

    ‎সোমবার বিকেল পাঁচটার দিকে বাগেরহাটের মোংলা উপজেলার সুন্দরবনের চরপুটিয়া খালসংলগ্ন এলাকায় আনুষ্ঠানিকভাবে ছোট জাহাঙ্গীর বাহিনীর প্রধান জাহাঙ্গীর শেখসহ ২৭ জন সক্রিয় সদস্য কোস্ট গার্ডের কাছে আত্মসমর্পণ করেন। মঙ্গলবার সকাল ১১টায় কোস্ট গার্ড পশ্চিম জোনের সদর দপ্তর মোংলায় আয়োজিত সংবাদ ব্রিফিংয়ে জোনাল কমান্ডার ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ মেসবাউল ইসলাম এ তথ্য জানান।

    ‎কোস্ট গার্ড জানায়, সুন্দরবনের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত এবং বনদস্যুদের নির্মূল করতে বর্তমান সরকারের নির্দেশনায় তাদের নেতৃত্বে ‘অপারেশন রিস্টোর পিস ইন সুন্দরবন’ ও ‘অপারেশন ম্যানগ্রোভ শিল্ড’ নামে দুটি বিশেষ অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। এসব অভিযানে ইতিমধ্যে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়েছে। একই সঙ্গে ৪৫ জন বনদস্যুকে আটক করা হয়েছে। দস্যুদের হাতে জিম্মি থাকা ৪২ জন জেলে ও বনজীবীকে জীবিত উদ্ধার করে চিকিৎসা শেষে তাদের পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে।

    ‎টানা অভিযানের কারণে সুন্দরবনে সক্রিয় বিভিন্ন দস্যু চক্রের কর্মকাণ্ড মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে। ফলে একের পর এক বাহিনীর সদস্যরা আত্মসমর্পণের পথ বেছে নিচ্ছেন। এর আগে ছোট সুমন বাহিনীর সাত সদস্য এবং বড় জাহাঙ্গীর বাহিনীর তিন সদস্য অস্ত্রসহ আত্মসমর্পণ করেছিলেন। এরই ধারাবাহিকতায় এবার ছোট জাহাঙ্গীর বাহিনীর প্রধান জাহাঙ্গীর শেখসহ ২৭ সদস্য আত্মসমর্পণের সিদ্ধান্ত নেন।


    ‎আত্মসমর্পণের সময় দস্যুরা কোস্ট গার্ডের কাছে তিনটি বিদেশি বন্দুক, একটি এইট শুটার, একটি ফোর শুটার, পাঁচটি দেশীয় একনলা বন্দুক, ১৫টি দেশীয় পাইপগান, দুটি চায়না পাইপগান, ৩৪০ রাউন্ড তাজা কার্তুজ এবং ৫৫ রাউন্ড ফাঁকা কার্তুজ জমা দেন।

    ‎আত্মসমর্পণকারী ব্যক্তিরা হলেন-জাহাঙ্গীর শেখ (৪৫), মুজাহিদ গাজী (২৭), বিল্লাল শেখ (৩৫), জাহিদ হাসান (২৮), সুমন ঢালী (৩০), এরশাদ শিকারী (৪২), ওয়াহিদুজ্জামান (৩০), আইয়ুব শেখ (৪২), রাফসান ঢালী (৩০), পারভেজ শেখ (২৭), কামরুল শেখ (২৫), জহুরুল গাজী (৩৮), সিরাজুল তরফদার (৩৮), আমিনুল ইসলাম (৪০), আসাদুল ইসলাম (৪২), বাবুল শেখ (৪৫), শাহজাহান শেখ (৪২) ও হেলাল (৩৮)। তারা খুলনা জেলার দাকোপ, কয়রা ও বটিয়াঘাটা উপজেলার বাসিন্দা।

    ‎এ ছাড়া আত্মসমর্পণকারীদের মধ্যে রয়েছেন বাগেরহাট জেলার রামপাল, ফকিরহাট, কচুয়া, মোড়েলগঞ্জ ও শরণখোলা উপজেলার বাসিন্দা আকরাম শেখ (৪৫), নূরুল ইজারদার (৫০), হাসান শেখ (২৭), কামরুল শেখ (২৮), জিয়া শেখ (৩৮), কবির সুলতান (৫৫), কাইয়ুম জমাদ্দার (৪০) ও শরিফুল ইসলাম বয়াতি (২১)। অপর সদস্য মো. জয়নাল আবেদীন (৩৮) পিরোজপুর জেলার মঠবাড়িয়া উপজেলার বাসিন্দা।

    ‎কোস্ট গার্ড জানায়, ছোট জাহাঙ্গীর বাহিনীর সদস্যরা দীর্ঘদিন ধরে সুন্দরবনে ডাকাতি, জেলে ও বাওয়ালিদের জিম্মি করে মুক্তিপণ আদায়সহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন। বর্তমানে আত্মসমর্পণকারী দস্যুদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম, জব্দ করা অস্ত্র ও গোলাবারুদের প্রক্রিয়া এবং সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী তাদের পুনর্বাসনের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

    ‎কোস্ট গার্ড সুন্দরবনে সক্রিয় অন্য সব বনদস্যুকেও আত্মসমর্পণ করে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার আহ্বান জানিয়েছে। বাহিনীটি বলেছে, যারা আত্মসমর্পণ করবে, তাদের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে পুনর্বাসনের সুযোগ দেওয়া হবে। তবে যারা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাবে, তাদের বিরুদ্ধে সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির আলোকে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    ‎কোস্ট গার্ড আরও জানিয়েছে, সুন্দরবনকে সম্পূর্ণ দস্যুমুক্ত ও নিরাপদ রাখতে নিয়মিত অভিযান, গোয়েন্দা নজরদারি এবং অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সমন্বিত কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। সরকারের নির্দেশনা ও সবার সহযোগিতায় অচিরেই সুন্দরবনকে সম্পূর্ণ দস্যুমুক্ত করা সম্ভব হবে বলে আশা করছে বাহিনীটি।