Blog

  • পরিবহন উন্নয়নে নিবেদিত এক আস্থার নাম: আলমগীর মুরাদ রেজা

    স্টাফ রিপোর্টার:

    কিশোরগঞ্জ জেলার সড়ক পরিবহন খাতে দীর্ঘদিনের পরিচিত, দক্ষ ও অভিজ্ঞ সংগঠক হিসেবে সুপরিচিত আলমগীর মুরাদ রেজা। পরিবহন মালিকদের অধিকার সংরক্ষণ, সংগঠনের ঐক্য সুদৃঢ় করা এবং যাত্রীসেবার মানোন্নয়নে তাঁর নিরলস প্রচেষ্টা তাকে পরিবহন অঙ্গনের একজন আস্থাভাজন ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
    দীর্ঘ সাংগঠনিক জীবনে তিনি কিশোরগঞ্জ জেলা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে সততা, দক্ষতা ও বিচক্ষণতার পরিচয় দিয়েছেন। বিভিন্ন সংকটময় পরিস্থিতিতে দূরদর্শী নেতৃত্ব দিয়ে তিনি শুধু সংগঠনকেই শক্তিশালী করেননি, বরং মালিকদের স্বার্থ রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।
    পরিবহন খাতকে আধুনিক ও সেবামুখী করে গড়ে তুলতে তাঁর নানা উদ্যোগ সংশ্লিষ্ট মহলে ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে। উন্নতমানের বাস সার্ভিস চালু, সংগঠনের কার্যক্রমে গতিশীলতা বৃদ্ধি এবং যাত্রীসেবার মান উন্নয়নে তাঁর অবদান পরিবহন সংশ্লিষ্টদের কাছে বিশেষভাবে স্বীকৃত।
    সততা, কর্মনিষ্ঠা, সৌহার্দ্যপূর্ণ আচরণ এবং দায়িত্বশীল নেতৃত্বের কারণে তিনি পরিবহন মালিকদের কাছে একজন নির্ভরযোগ্য অভিভাবক হিসেবে পরিচিত। অনেকের মতে, ব্যক্তিগত স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে সংগঠনের কল্যাণে কাজ করাই তাঁর নেতৃত্বের সবচেয়ে বড় শক্তি।
    ২০২৬ সালের কিশোরগঞ্জ জেলা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির নির্বাচনে তিনি সাধারণ সম্পাদক পদে প্রার্থী হয়েছেন। পরিবহন মালিকদের একটি বড় অংশ মনে করেন, তাঁর দীর্ঘ অভিজ্ঞতা, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং উন্নয়নমুখী নেতৃত্ব আগামী দিনেও কিশোরগঞ্জের পরিবহন খাতকে আরও সমৃদ্ধ, আধুনিক ও সুসংগঠিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
    পরিবহন অঙ্গনের অনেকের প্রত্যাশা, আলমগীর মুরাদ রেজার অভিজ্ঞতা, সততা ও কর্মদক্ষতার ধারাবাহিকতায় কিশোরগঞ্জের সড়ক পরিবহন ব্যবস্থা আগামী দিনে আরও উন্নত, সুশৃঙ্খল ও যাত্রীবান্ধব হয়ে উঠবে।

  • রাঙ্গুনিয়ায় বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আলমগীর হোসেন ড্রাইভার

    রাঙ্গুনিয়া প্রতিনিধিঃ

    ভারী বর্ষণ, ভয়াবহ বন্যা ও পাহাড়ধসে বিপর্যস্ত রাঙ্গুনিয়ার ৬ নং পোমরা ইউনিয়নের দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আলমগীর হোসেন ড্রাইভার।

    রবিবার (১২ জুলাই) তিনি জঙ্গল পোমরা জিয়ানগরের দক্ষিণ পাশের আশ্রয়ণ প্রকল্পসহ ক্ষতিগ্রস্ত বিভিন্ন এলাকা সরেজমিনে পরিদর্শন করেন। এ সময় নিজের অর্থায়নে ২০টি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে খাদ্যসামগ্রী ও জরুরি সহায়তা বিতরণ করেন।

    পরিদর্শনকালে আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দারা জানান, টানা বর্ষণ ও পাহাড়ধসের কারণে রাস্তাঘাট মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ফলে শিশু, নারী ও বৃদ্ধসহ শতাধিক মানুষ চরম দুর্ভোগে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। স্থানীয়রা দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি সংসদ সদস্যের সহযোগিতা কামনা করেন।

    দুর্যোগের শুরু থেকেই আলমগীর হোসেন ড্রাইভার ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে ঘুরে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের খোঁজখবর নিচ্ছেন এবং নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী খাদ্যসামগ্রী, বিশুদ্ধ পানি ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় সহায়তা পৌঁছে দিচ্ছেন।

    আলমগীর হোসেন ড্রাইভার বলেন,”পোমরা ইউনিয়নের প্রতিটি মানুষ আমার পরিবারের সদস্য। দুর্যোগের এই সময়ে তাদের পাশে থাকা আমার দায়িত্ব। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত আমার সাধ্যমতো সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে, ইনশাআল্লাহ।”

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন মুহাম্মদ আব্দুল হামিদ, মুহাম্মদ সোলতান আহমদ, মুহাম্মদ রফিক, মুহাম্মদ সোলতান আহমদ (২), মুহাম্মদ নঈম উদ্দিন, মুহাম্মদ কাইছার হামিদ রুবেল, মুহাম্মদ ফয়েজ সাজু আকতার, সুমি বেগম সহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

  • রামিসা হত্যাকাণ্ডের ৫৪ দিন: রায় কার্যকরের অপেক্ষায় পরিবার ও জনমনের প্রশ্ন

    স্টাফ রিপোর্টার :

    ১৯ মে ২০২৬ থেকে আজ ১২ জুলাই ২০২৬ পর্যন্ত রামিসা হত্যাকাণ্ডের ৫৪ দিন অতিবাহিত হয়েছে। আদালতের রায়ের মাধ্যমে বিচারিক প্রক্রিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ শেষ হলেও, এখনো শেষ হয়নি রায় কার্যকরের অপেক্ষা।

    জনমনে এখন বড় প্রশ্ন, অতীতের অনেক আলোচিত মামলার মতো এই মামলাটিও কি দীর্ঘসূত্রতার বেড়াজালে আটকে যাবে? নাকি দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপের মাধ্যমে ন্যায়বিচারের দৃষ্টান্ত স্থাপন হবে?

    রামিসার পরিবার ও সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা, আইন অনুযায়ী সব প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করে রায় কার্যকরের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কার্যকর উদ্যোগ নেবে। কারণ একটি বিচার শুধু একটি পরিবারের ন্যায়বিচারের বিষয় নয়, এটি পুরো সমাজের আইন ও বিচার ব্যবস্থার প্রতি আস্থার প্রতীক।

    দেশে আদালতের রায়ে মৃত্যুদণ্ডসহ বিভিন্ন সাজা ঘোষিত হয়ে যেসব মামলা এখনো আইনগত প্রক্রিয়ায় অপেক্ষমাণ রয়েছে, সেগুলোরও যথাযথ ও দ্রুত নিষ্পত্তির ব্যবস্থা করা জরুরি।

    ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হোক, অপরাধীরা যেন কোনোভাবেই আইনের ঊর্ধ্বে না থাকে এবং কোনো পরিবারকে যেন বছরের পর বছর বিচারের আশায় অপেক্ষা করতে না হয়, এটাই আজ মানুষের প্রত্যাশা।

  • শার্শায় ছাত্রদল নেতা চয়নের বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্র! পৌর কৃষক দল সভাপতি জসিমের অপকর্মের পর্দা ফাঁস

    নিজস্ব প্রতিবেদক, বেনাপোল:

    যশোরের শার্শা উপজেলা ছাত্রদলের সম্মানিত আহ্বায়ক শরিফুল ইসলাম চয়নকে রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করতে একটি গভীর ও সুদূরপ্রসারী ষড়যন্ত্রের জাল বোনা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বেনাপোল পৌর কৃষক দলের সভাপতি ও স্থানীয় বাজার কমিটির সেক্রেটারি জসিম উদ্দিনের একের পর এক অপকর্ম, দখলবাজি এবং সাধারণ মানুষের ওপর নির্যাতনের ঘটনা ধামাচাপা দিতেই এই অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

    অনুসন্ধানে দেখা যায়, গত ৫ই আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর থেকেই বেনাপোল ও শার্শা এলাকায় একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তার শুরু করেন জসিম উদ্দিন। বিন্দুমাত্র কৃষকের নমুনা বা যোগ্যতা না থাকা সত্ত্বেও রাতারাতি কৃষক দলের সভাপতি এবং পরবর্তীতে বাজার কমিটির সেক্রেটারি পদটি বাগিয়ে নেন তিনি। স্থানীয়দের অভিযোগ, বাজার কমিটির সেক্রেটারি হওয়ার পর থেকেই যেন হাতে ‘আলাদিনের চেরাগ’ পেয়েছেন জসিম। এরপর থেকেই বেনাপোল চেকপোস্ট ও বাজার এলাকায় শুরু হয় তার বেপরোয়া দখলবাজি, চাঁদাবাজি ও সাধারণ মানুষের ওপর অমানুষিক নির্যাতন।

    কাস্টমস কর্মকর্তাকে সরাসরি হুমকি ও শরিফুল ইসলাম চয়নের হস্তক্ষেপ
    সর্বশেষ জসিম উদ্দিনের ক্ষমতার অপব্যবহারের শিকার হয়েছেন বেনাপোল কাস্টমসের সরকারি কর্মকর্তারা। দলীয় ক্ষমতার দাপট ও বাজার কমিটির পদের প্রভাব খাটিয়ে কাস্টমসে অবৈধ ‘লাগেজ পার্টির’ মালপত্র শুল্ক ফাঁকি দিয়ে পার করার জন্য কর্তব্যরত কর্মকর্তাদের ওপর চাপ সৃষ্টি করেন তিনি।

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কাস্টমসের এক ভুক্তভোগী কর্মকর্তা জানান,

    “ঘটনার দিন জসিম উদ্দিন সরাসরি আমাদের দপ্তরে এসে উদ্দেশ্যমূলকভাবে থ্রেট (হুমকি) দিয়ে বলেন—’যদি আমার লাগেজের মাল না ছাড়িস, তোকে কিন্তু দেখে নেব! তোদের কিন্তু খবর আছে।’ আমরা সরকারি দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগি এবং পরবর্তীতে পুরো বিষয়টি শার্শা উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক শরিফুল ইসলাম চয়ন ভাইকে অবগত করি।”

    কাস্টমস কর্মকর্তাদের মুখে এই অন্যায়ের কথা শুনে শরিফুল ইসলাম চয়ন একজন দায়িত্বশীল ছাত্রনেতা হিসেবে জসিম উদ্দিনের কাছে জবাবদিহিতা চান। তিনি জানতে চান, কেন দলীয় প্রভাব খাটিয়ে সরকারি কর্মকর্তাদের হুমকি দেওয়া হচ্ছে এবং দলের ভাবমূর্তি নষ্ট করা হচ্ছে।

    ছাত্রলীগ বাহিনী নিয়ে হামলা ও জনতার রোষানলে জসিম
    চয়নের এই ন্যায়সংগত প্রশ্নের উত্তর না দিয়ে উল্টো ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন জসিম উদ্দিন। নিজের অপকর্ম ঢাকতে এবং চয়নকে রাজনৈতিকভাবে মোকাবেলা করতে ব্যর্থ হয়ে, জসিম তার পুরোনো ও গোপন ‘ছাত্রলীগ বাহিনী’কে সক্রিয় করেন। দেশীয় অস্ত্র ও লাঠিসোটা নিয়ে জসিম উদ্দিন তার বাহিনীসহ বেনাপোল চেকপোস্টের ইজিবাইক স্ট্যান্ডে মহড়া দেন এবং পুরো বড় আঁচড়া গ্রামের সাধারণ মানুষকে উদ্দেশ্য করে অকথ্য ও নোংরা ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকেন।

    জসিমের এই উগ্র আচরণ ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে অতিষ্ঠ হয়ে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সাধারণ জনতা একজোট হয়ে প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। বিক্ষুব্ধ জনতার তীব্র রোষানলে পড়ে গণধোলাইয়ের ভয়ে ঘটনাস্থল থেকে এক পোশাকে দৌড়ে পালিয়ে আত্মরক্ষা করেন জসিম উদ্দিন।

    অপকর্ম ঢাকতে ৫ দিন পর সাজানো ‘ষড়যন্ত্রমূলক নিউজ’
    ঘটনার দিন জসিম উদ্দিন জনতার তাড়া খেয়ে পালিয়ে যাওয়ার পর পুরো বেনাপোলে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হলেও রহস্যজনকভাবে সে সময় কোনো সংবাদ মাধ্যমে তা আসেনি। কিন্তু ঘটনার দীর্ঘ ৫ দিন পর হঠাৎ করে শার্শা উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক শরিফুল ইসলাম চয়নকে জড়িয়ে কিছু পোর্টালে মিথ্যা ও বানোয়াট নিউজ প্রকাশ করা হয়।

    স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও সচেতন মহলের মতে, এটি সম্পূর্ণ সুপরিকল্পিত একটি ব্ল্যাকমেইলিং ও ষড়যন্ত্র। জসিম উদ্দিন নিজে গণপিটুনির হাত থেকে বাঁচতে পালিয়ে যাওয়ার ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে এবং কাস্টমস কর্মকর্তাকে হুমকির অডিও-ভিডিও প্রমাণ থেকে মানুষের চোখ সরাতে ৫ দিন পর এই মিথ্যা নিউজের আশ্রয় নিয়েছেন। চয়নকে অপরাধী সাজানোর এই অপচেষ্টা বেনাপোলের সাধারণ মানুষ ও দলীয় নেতাকর্মীরা ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করেছে।

    অতীতের কালো অধ্যায় ও বহিষ্কারের ইতিহাস
    খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ৫ই আগস্টের আগে আন্দোলনে জসিম উদ্দিনের কোনো ভূমিকা বা দলীয় ডকুমেন্টস না থাকলেও, বর্তমানে সে নিজেকে যশোর-বেনাপোল চেকপোস্টের ‘বড় ডন’ ও পরম প্রভাবশালী দাবি করে বেড়ায়। অথচ দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ এবং নিজের নৈতিক স্খলনের কারণে ইতিপূর্বে সে দল থেকে বহিষ্কারও হয়েছিল। এমনকি তার বিরুদ্ধে একটি গুরুতর ধর্ষণ মামলাও বিচারাধীন রয়েছে।

    দলীয় নেতাকর্মীদের পেছনে ছুরি মারা, নিজের ব্যক্তিগত স্বার্থে বিভিন্ন মহলে ষড়যন্ত্র করা এবং ক্ষমতার অপব্যবহার করে বেনাপোলে অন্যায়, অত্যাচার ও জুলুমের রাজত্ব কায়েম করাই এখন জসিম উদ্দিনের মূল কাজ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

    এই বিষয়ে শার্শা ও বেনাপোলের সর্বস্তরের জনগণ ও বিএনপির ত্যাগী নেতাকর্মীরা অবিলম্বে এই ভুঁইফোড়, দখলবাজ ও ষড়যন্ত্রকারী জসিম উদ্দিনের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ও আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।

  • *বসকৈল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্রসহ ৩ শিক্ষার্থীর মেধা বৃত্তি লাভ**


    নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি :

    নওগাঁর পত্নীতলা উপজেলায় প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় মেধার চমক দেখিয়েছে স্থানীয় শিক্ষার্থীরা। ২০২৬ সালের এই পরীক্ষায় মোট তিনজন মেধাবী শিক্ষার্থী বৃত্তি পাওয়ার গৌরব অর্জন করেছেন, যাদের তথ্য ইতিমধ্যেই সরকারি শিক্ষা পোর্টালে সফলভাবে যুক্ত করা হয়েছে। সফলদের মধ্যে একজন ট্যালেন্টপুল এবং দুইজন সাধারণ গ্রেডে বৃত্তি পেয়েছেন।
    বৃত্তিপ্রাপ্তদের মধ্যে শীর্ষে রয়েছেন বসকৈল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মেধাবী ছাত্র মোঃ আব্দুল্লাহ আল রিয়াদ। সে কৃতিত্বের সাথে ট্যালেন্টপুল বৃত্তি লাভ করেছে। রিয়াদ বসকৈল গ্রামের মোঃ আশরাফুল ইসলাম ও মোসাঃ উম্মে কুলসুম দম্পতির সন্তান। এছাড়া সাধারণ গ্রেডে বৃত্তি পেয়েছেন অষ্টমাত্রা গ্রামের মোঃ ইয়াছা রিফাত (পিতা: শরিফুল ইসলাম, মাতা: নাজমা বানু) এবং বসকৈল গ্রামের মোসাঃ সামিয়া আফসানা (পিতা: আব্দুল ছাত্তার, মাতা: ফাতেমা বেগম)। শিক্ষার্থীদের এই গৌরবময় সাফল্যে বিদ্যালয়, পরিবার ও পুরো এলাকায় আনন্দের বন্যা বইছে।

  • নাঙ্গলমোড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৫ শিক্ষার্থীর বৃত্তি অর্জনে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছআ


    হাটহাজারী (চট্টগ্রাম)প্রতিনিধি:
    চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলার ঐতিহ্যবাহী নাঙ্গলমোড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাঁচজন শিক্ষার্থী প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় কৃতিত্বের সঙ্গে বৃত্তি অর্জন করায় তাদের অভিনন্দন ও আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়েছেন হাটহাজারী উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সহ-সভাপতি ও নাঙ্গলমোড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী বখতিয়ারুল ইসলাম বাচ্ছু। একই সঙ্গে নাঙ্গলমোড়া ইউনিয়নের সর্বস্তরের জনগণও বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের এ গৌরবময় অর্জনে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন।

    এক শুভেচ্ছা বার্তায় বখতিয়ারুল ইসলাম বাচ্ছু বলেন, এই সাফল্য শুধু পাঁচজন শিক্ষার্থীর ব্যক্তিগত অর্জন নয়, বরং নাঙ্গলমোড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, শিক্ষক-শিক্ষিকা, অভিভাবক এবং সমগ্র নাঙ্গলমোড়া ইউনিয়নের জন্য অত্যন্ত গর্বের বিষয়। তিনি শিক্ষার্থীদের এই অর্জনের পেছনে যাদের অক্লান্ত পরিশ্রম ও আন্তরিক সহযোগিতা রয়েছে, তাদের প্রতিও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

    তিনি আরও বলেন, বর্তমান প্রজন্মকে সুশিক্ষায় শিক্ষিত করে গড়ে তুলতে সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে। শিক্ষার্থীদের মেধা ও প্রতিভার যথাযথ বিকাশে পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং সমাজের সম্মিলিত ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করে বলেন, তারা ভবিষ্যতে দেশ ও জাতির কল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে—এটাই সকলের প্রত্যাশা।

    এদিকে, নাঙ্গলমোড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এই গৌরবোজ্জ্বল সাফল্যে বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকা, অভিভাবক এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যেও আনন্দের আবহ সৃষ্টি হয়েছে। ইউনিয়নের সর্বস্তরের জনগণ বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের উত্তরোত্তর সাফল্য ও সুন্দর ভবিষ্যৎ কামনা করেছেন।

  • মির্জাপুরে মহেড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এর বিরুদ্ধে ভিডিওকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তোলপাড়


    মির্জাপুর, টাঙ্গাইল প্রতিনিধি:
    টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার ১ নং মহেড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বিভাস সরকার নুপুরের একটি ভিডিওকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তোলপাড় শুরু হয়েছে। ভাইরাল হওয়া ভিডিওটিতে দেখা যাচ্ছে, ইউপি চেয়ারম্যান বিভাস সরকার নুপুর একজন নারীকে অশালীন ভাষায় গালিগালাজ করছেন।

    ভিডিওর দৃশ্যপটে দেখা যায়, ওই নারী চেয়ারম্যানের অশালীন আচরণের প্রতিবাদ করছেন। এক পর্যায়ে মেজাজ হারিয়ে চেয়ারম্যান তার হাতে থাকা একটি লাঠি দিয়ে ওই নারী এবং তার সঙ্গে থাকা এক পুরুষকে মারপিট শুরু করেন। চেয়ারম্যানের আঘাতগুলো ছিল মূলত তাদের শরীর এবং মাথার লক্ষ্য করে, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক।

    প্রকাশিত ভিডিওতে সহিংস আচরণের দৃশ্য স্পষ্ট হলেও, ঠিক কী কারণে বা কোন ঘটনার জেরে জনপ্রতিনিধি হয়েও চেয়ারম্যান এমন আচরণ করলেন, তার সুনির্দিষ্ট কোনো কারণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

    এ ঘটনার পর স্থানীয় সচেতন মহলে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়া একজন জনপ্রতিনিধির এ ধরনের আচরণ কতটা যুক্তিসঙ্গতা তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন সাধারণ মানুষ। এ বিষয়ে
    চেয়ারম্যান বিভাস সরকার নুপুরের কোনো বক্তব্য এখনো পাওয়া যায়নি

  • ‌সংস্কার না হলে বিএনপি সরকারের পতন অনিবার্য- নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারী

    নিয়ামতপুর(নওগাঁ) প্রতিনিধিঃ
    বর্তমান বিএনপি সরকার সংস্কার না করলে বিএনপি সরকারের পতন অনিবার্য বলে মন্তব্য করেন জাতীয় নাগরিক পার্টির মূখ্য সমন্বয়ক নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারী।
    আজ (১২ জুলাই) সন্ধ্যায় উপজেলা পরিষদ চত্বরে জাতীয় নাগরিক পার্টির আয়োজনে জুলাই পদযাত্রা ও পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
    নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারী বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ১১ দলীয় ঐক্যজোটকে পরাজিত করে বিএনপি জোট ক্ষমতায় আসে। ক্ষমতা গ্রহনের পর থেকে জনগণকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি রাখতে ব্যর্থ হয়েছে এই সরকার। নিজেদের ৩১ দফা থেকেও তারা পিছুটান নিয়েছে।

    তিনি আরও বলেন, তলে তলে দিল্লির সাথে বন্ধুত্ব বজায় রেখে পলাতক দল আওয়ামী লীগকে ফিরিয়ে আনার যে পরিকল্পনা করছে তা কোনদিন মেনে নেওয়া হবে না। প্রয়োজনে আরও একটি অভ্যুর্থান করে এই সরকারের পতন ঘটানো হবে। এজন্য উপস্থিত জনগণকে সজাগ থাকার আহ্বান জানান।

    তিনি সরকারকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, বর্তমান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমেদ তলে তলে দিল্লির সাথে বন্ধুত্ব আর ওপরে ওপরে আওয়ামী লীগের সাথে শত্রুতা তা জনগণের সামনে পরিষ্কার হয়ে গেছে। তা পরিহার করে সঠিক ধারায় রাজনীতি না করলে এর দায় বিএনপিকেই নিতে হবে বলে জানান তিনি।

    তিনি সারাদেশে চলমান বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, সারাদেশে ৩৯ জন বন্যায় প্রাণ হারালেও এখন পর্যন্ত সরকারের উচ্চ পর্যায়ের কাউকে বন্যা পীড়িত এলাকায় দেখা যায়নি। বন্যায় নিহতের স্মরণে ও তাদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে দোয়া করেন।

    পথসভায় উপজেলা জাতীয় নাগরিক পার্টির সভাপতি সেলিম দেওয়ানের সভাপতিত্বে এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন নারী শক্তির কেন্দ্রীয় কমিটির আহ্বায়ক মনিরা শারমিন, কেন্দ্রীয় যুবশক্তির সদস্য ফরহাদ সোহেল, যুগ্ম সম্পাদক নিশাত আহমেদ, রাজশাহী বিভাগীয় এনসিপির সাংগঠনিক সম্পাদক ইমরান ইমন প্রমূখ।
    পথসভা শেষে জুলাই শহীদ রায়হানের বাবার সাথে মতবিনিময় করেন এনসিপির নেতৃবৃন্দ।

  • প্রতিমন্ত্রী নির্দেশনায় হাটহাজারীর বন্যাদুর্গতদের পাশে জেলা ছাত্রদলের সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার তকিবুল হাসান চৌধুরী

    হাটহাজারী (চট্টগ্রাম)প্রতিনিধি:
    টানা ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে সৃষ্ট ভয়াবহ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলার অসহায় ও দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন উত্তর জেলা ছাত্রদলের সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার তকিবুল হাসান চৌধুরী তকি। প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিনের নির্দেশনায় তিনি দলীয় নেতাকর্মী ও স্বেচ্ছাসেবকদের সঙ্গে নিয়ে উপজেলার বিভিন্ন প্রত্যন্ত এলাকায় গিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে খাদ্যসামগ্রী ও প্রয়োজনীয় ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করছেন।

    বন্যার কারণে অনেক পরিবার পানিবন্দি হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে। এসব পরিবারের কষ্ট লাঘবে তকিবুল হাসান চৌধুরী তকি নিজেই বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে ঘরে ঘরে ত্রাণসামগ্রী পৌঁছে দেন। ত্রাণের মধ্যে ছিল চাল, ডাল, আলু, তেল, শুকনো খাবার, বিশুদ্ধ পানি ও অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী। দুর্গত মানুষের সঙ্গে কথা বলে তাদের সার্বিক পরিস্থিতির খোঁজখবরও নেন তিনি এবং প্রয়োজন অনুযায়ী আরও সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

    ত্রাণ বিতরণকালে ইঞ্জিনিয়ার তকিবুল হাসান চৌধুরী তকি বলেন, “মাননীয় প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিনের নির্দেশনায় আমাদের এই মানবিক কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। তিনি সবসময় জনগণের কল্যাণে নিজেকে নিয়োজিত রাখেন। এই দুর্যোগেও তিনি ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সার্বিক অবস্থার নিয়মিত খোঁজখবর নিচ্ছেন এবং তাদের প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করতে দলীয় নেতাকর্মীদের সর্বোচ্চ আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করার নির্দেশ দিয়েছেন।

    তিনি আরও বলেন, “দুর্যোগে মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। এই কঠিন সময়ে অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে সামান্য ভূমিকা রাখতে পেরে নিজেকে সৌভাগ্যবান মনে করছি। মানুষের সেবা করাই আমাদের রাজনৈতিক আদর্শ এবং এটাই আমাদের সবচেয়ে বড় সফলতা। যতদিন প্রয়োজন, আমরা বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে থেকে সহযোগিতা অব্যাহত রাখব।

    ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রমে স্থানীয় বিএনপি, ছাত্রদল ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী এবং স্বেচ্ছাসেবকরা অংশ নেন। তারা দুর্গম এলাকায় গিয়ে পানিবন্দি মানুষের হাতে ত্রাণসামগ্রী পৌঁছে দেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করার চেষ্টা করেন।
    এদিকে, বন্যাকবলিত মানুষের পাশে এমন মানবিক উদ্যোগকে স্থানীয় বাসিন্দারা স্বাগত জানিয়েছেন। ত্রাণ সহায়তা পেয়ে উপকারভোগীরা প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন এবং ইঞ্জিনিয়ার তকিবুল হাসান চৌধুরী তকিসহ সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। স্থানীয়দের মতে, দুর্যোগের এই সময়ে জনপ্রতিনিধি ও রাজনৈতিক নেতাদের এমন মানবিক উদ্যোগ ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের দুর্ভোগ কিছুটা হলেও লাঘব করতে সহায়ক ভূমিকা রাখছে।

  • বাঘাইছড়িত টিন কেটে দুর্ধর্ষ চুরি, জাহাঙ্গীরের দোকান থেকে ৭০ হাজার টাকার মালামাল লুট


    বাঘাইছড়ি প্রতিনিধি:
    গভীর রাতে দোকানের টিন কেটে ভেতরে ঢুকে প্রায় ৭০ হাজার টাকার মালামাল লুট করেছে চোরের দল। ঘটনাটি ঘটেছে বাঘাইছড়ি উপজেলার দুরছড়ি মুসলিম পাড়ায়।

    ভুক্তভোগী দোকানদারের নাম জাহাঙ্গীর। তিনি দুরছড়ি মুসলিম পাড়ার বাসিন্দা।

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ১১ই জুলাই (শনিবার)রাত ১০টায় দোকানের বেচা-কেনা শেষ করে জাহাঙ্গীর দোকান বন্ধ করে বাড়িতে চলে আসেন। এরপর ওই রাতেই ঘটে এই দুর্ধর্ষ চুরি।

    সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, চোরেরা দোকানের দরজার উপরের টিন কেটে ভেতরের শিকল খুলে ভেতরে প্রবেশ করে। এরপর দোকানের সব মালামাল এলোমেলো করে প্রয়োজনীয় পণ্য নিয়ে যায়।

    জাহাঙ্গীর বলেন, রাত ৩টার দিকে নুর আলম আমাকে ফোন করে জানায় দোকানের দরজা খোলা। শুনে আমি হতবিহ্বল হয়ে যাই। এসে দেখি দোকানের ভেতর সব তছনছ। প্রায় ৭০ হাজার টাকার মালামাল চুরি হয়ে গেছে।

    কাউকে সন্দেহ করেন কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, “আমি কাউকে সন্দেহ করছি না। তবে প্রকৃত চোরকে শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার জন্য প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করছি।”

    এই ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে। স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, “আজ দোকানে চুরি হয়েছে, কাল ঘরবাড়িতে ডাকাতি হবে। এখনই অপরাধ দমন না করলে ভবিষ্যতে চরম মাশুল দিতে হবে। প্রশাসনের নজরদারি বাড়ানো জরুরি।”

    স্থানীয়দের ধারণা, চুরির সময় ইংল্যান্ড বনাম নরওয়ের ফুটবল বিশ্বকাপের ৩য় কোয়ার্টার ফাইনাল ম্যাচ চলছিল। রাস্তায় মানুষের আনাগোনা থাকায় চোরেরা বেশি সময় থাকতে পারেনি, তাই আরও বড় লুট করতে পারেনি।

    এলাকাবাসী প্রশাসনের কাছে দ্রুত তদন্ত করে অপরাধীদের গ্রেফতারের জোর দাবি জানিয়েছে।