Blog

  • লোহাগাড়ায় রাস্তার ভাঙন পরিদর্শন ও বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করলেন নাজমুল মোস্তফা আমিন


    লোহাগাড়ার প্রতিনিধি:
    অতিবর্ষণে সৃষ্ট দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-১৫ (সাতকানিয়া–লোহাগাড়া) আসনে ধানের শীষ প্রতীকের মনোনীত প্রার্থী, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য ও লোহাগাড়া উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক নাজমুল মোস্তফা আমিন।

    শনিবার লোহাগাড়া উপজেলার সদর ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় তিনি দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত সড়কের ভাঙন পরিদর্শন করেন এবং বন্যাকবলিত অসহায় পরিবারের মাঝে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করেন।

    এ সময় তিনি ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের খোঁজখবর নেন এবং দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত অবকাঠামো দ্রুত সংস্কারের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। পাশাপাশি বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে থেকে সার্বিক সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আশ্বাস দেন।

    ত্রাণ বিতরণ ও পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা যুবদলের সহ-সভাপতি আবু সেলিম চৌধুরী,
    আলহাজ্ব মোস্তফিজুর রহমান কলেজের
    প্রচার সম্পাদক ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও পদমর্যাদা,
    লোহাগাড়া উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য অ্যাডভোকেট এহেসানুল হক, লোহাগাড়া সদর ইউনিয়ন বিএনপি, লোহাগাড়া উপজেলা বিএনপি এবং দলের অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

  • রাজশাহীতে ৪১ বোতল ভারতীয় মদ জব্দ

    রাজশাহী প্রতিনিধি:
    রাজশাহীর গোদাগাড়ী সীমান্তে অভিযান চালিয়ে ৪১ বোতল ভারতীয় মদ জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। তবে এ ঘটনায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।
    রাজশাহী ব্যাটালিয়ন (১ বিজিবি) সূত্রে জানা গেছে, মহাপরিচালক, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের নির্দেশনা অনুযায়ী মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করে সীমান্ত এলাকায় বিশেষ মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় শনিবার (১১ জুলাই) ভোর আনুমানিক সাড়ে ৪টার দিকে প্রেমতলী বিওপির একটি আভিযানিক দল বিশ্বস্ত সূত্রে খবর পায় যে, গোদাগাড়ী উপজেলার ফরাদপুর পদ্মা নদীর ঘাট এলাকা দিয়ে ভারত থেকে একটি মাদকের চালান বাংলাদেশে প্রবেশ করবে।

    খবর পেয়ে বিজিবির টহল দল দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে ফাঁদ পেতে অবস্থান নেয়। দীর্ঘ সময় অপেক্ষার পর একপর্যায়ে একজন মাদক কারবারী আন্তর্জাতিক সীমান্ত অতিক্রম করে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে প্রবেশ করলে বিজিবি সদস্যরা তাকে ধাওয়া করেন। এ সময় ওই ব্যক্তি তার সঙ্গে থাকা একটি বস্তা ফেলে রাতের অন্ধকারে পালিয়ে যায়।

    পরে বস্তাটি তল্লাশি করে মালিকবিহীন ৪১ বোতল ভারতীয় মদ জব্দ করে বিজিবি। জব্দ করা মাদকদ্রব্য গোদাগাড়ী থানায় জমা দেওয়ার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

    বিজিবি জানিয়েছে, ঘটনার সঙ্গে জড়িত মাদক কারবারীদের শনাক্ত করে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণে গোয়েন্দা তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে ।

  • রাজশাহী গোদাগাড়ীতে ৪১ বোতল ভারতীয় মদ জব্দ

    রাজশাহী প্রতিনিধি:
    রাজশাহীর গোদাগাড়ী সীমান্তে অভিযান চালিয়ে ৪১ বোতল ভারতীয় মদ জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। তবে এ ঘটনায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।
    রাজশাহী ব্যাটালিয়ন (১ বিজিবি) সূত্রে জানা গেছে, মহাপরিচালক, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের নির্দেশনা অনুযায়ী মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি

    করে সীমান্ত এলাকায় বিশেষ মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় শনিবার (১১ জুলাই) ভোর আনুমানিক সাড়ে ৪টার দিকে প্রেমতলী বিওপির একটি আভিযানিক দল বিশ্বস্ত সূত্রে খবর পায় যে, গোদাগাড়ী উপজেলার ফরাদপুর পদ্মা নদীর ঘাট এলাকা দিয়ে ভারত থেকে একটি মাদকের চালান বাংলাদেশে প্রবেশ করবে।

    খবর পেয়ে বিজিবির টহল দল দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে ফাঁদ পেতে অবস্থান নেয়। দীর্ঘ সময় অপেক্ষার পর একপর্যায়ে একজন মাদক কারবারী আন্তর্জাতিক সীমান্ত অতিক্রম করে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে প্রবেশ করলে বিজিবি সদস্যরা তাকে ধাওয়া করেন। এ সময় ওই ব্যক্তি তার সঙ্গে থাকা একটি বস্তা ফেলে রাতের অন্ধকারে পালিয়ে যায়।

    পরে বস্তাটি তল্লাশি করে মালিকবিহীন ৪১ বোতল ভারতীয় মদ জব্দ করে বিজিবি। জব্দ করা মাদকদ্রব্য গোদাগাড়ী থানায় জমা দেওয়ার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

    বিজিবি জানিয়েছে, ঘটনার সঙ্গে জড়িত মাদক কারবারীদের শনাক্ত করে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণে গোয়েন্দা তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে ।

  • নজরুলের সমাজ চিন্তা তারুণ্যের আত্মপাঠ শিষর্ক সেমিনার ও পুরস্কার বিতরনী অনুষ্ঠিত

    স্টাফ রিপোর্টার-যাত্রাবাড়ি :

    ‘বিদ্রোহী কবি নজরুলের সমাজ চিন্তা: তারুণ্যের আত্মপাঠ’—এই অনন্য মূলভাবকে ধারণ করে ‘বিদ্রোহের স্বরলিপি’ নজরুল জয়ন্তী উৎসব অনুষ্ঠিত। আজ ১১ জুলাই, ২০২৬ (শনিবার) রাজধানীর বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রে এ উপলক্ষে সেমিনার ও আবৃত্তি প্রতিযোগীতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়েছে। ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির সংযুক্ত সাত কলেজের শিক্ষার্থীদের নিয়ে বর্ণাঢ্য এই আয়োজনের সমন্বয় করে ‘কবি নজরুল সরকারি কলেজ আবৃত্তি সংসদ’।

    অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে আসন অলঙ্কৃত করেন বিশিষ্ট নজরুল গবেষক এবং নজরুল ইনস্টিটিউটের ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য মোঃ জেহাদ উদ্দিন (যুগ্মসচিব, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়)। বিশেষ অতিথি ছিলেন ‘বাঁশরী’র নির্বাহী পরিচালক ড. ইঞ্জিনিয়ার খালেকুজ্জামান এবং সুপ্রিম কোর্টের প্রখ্যাত আইনজীবী ও নজরুল গবেষক নাসিম আহমেদ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কালচারাল রিসার্চ সেন্টারের নির্বাহী পরিচালক এমদাদুল হক চৌধুরী এবং স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট লেখক ও প্রকাশক এম তরিক হাসিব।

    সেমিনারে নজরুলের দর্শন নিয়ে আলোচনা করেন নর্দান ইউনিভার্সিটির সহযোগী অধ্যাপক মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন, কথশৈলি আবৃত্তি সংসদের পরিচালক রহমতুল্লাহ রাজন, বিশিষ্ট লেখক সীমান্ত আকরাম এবং প্রাবন্ধিক এনামুল হাসান মোহাম্মদ নাঈম।

    সেমিনার শেষে অনুষ্ঠানে সংগীত পরিবেশন করেন শিল্পী তাওহিদুল ইসলাম এবং কিডস কালচারাল একাডেমির পরিচালক ইমাম হোসেন। পাশাপাশি আবৃত্তি পরিবেশন করে কবি নজরুল সরকারি কলেজ আবৃত্তি সংসদের শিল্পীবৃন্দ। তাদের কণ্ঠে কবি নজরুলের কালজয়ী কবিতা ‘কাণ্ডারী হুঁশিয়ার’-এর বিশেষ দলীয় আবৃত্তি অনুষ্ঠানের অন্যতম চমক ছিল। আরো আবৃত্তি পরিবেশন করে ভয়েস আর্টিস্ট বাংলাদেশের সভাপতি লাবণ্য মল্লিক।

    সেমিনার ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান শেষে আবৃত্তি প্রতিযোগীতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়, এবং সকল প্রতিযোগীকে অংশগ্রহনকারী হিসেবে সনদপত্র প্রদান করা হয়।

    অনুষ্ঠানের আহ্বায়ক এম. সাব্বির আহমেদ জানান, তরুণদের মাঝে নজরুলের অসাম্প্রদায়িক ও দ্রোহের চেতনা ছড়িয়ে দিতেই আমাদের এই নিরলস প্রচেষ্টা।

  • হাটহাজারীতে প্রতিমন্ত্রী মীর হেলালের পক্ষ থেকে বন্যাদুর্গতদের মাঝে ৩,৫০০ কেজি চাল বিতরণ করলেন লায়ন সালাউদ্দিন আলী

    হাটহাজারী (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি:

    টানা ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে সৃষ্ট আকস্মিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলার নাঙ্গলমোড়া ইউনিয়নের পানিবন্দি ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর নির্দেশ দিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান এবং হাটহাজারী আসনের সংসদ সদস্য ও ভূমি এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন।
    এই নির্দেশনার আলোকে শনিবার (১১ জুলাই) বিকেলে উপজেলার বন্যাকবলিত বিভিন্ন এলাকায় ক্ষতিগ্রস্ত অসহায় ও দুস্থ পরিবারের মাঝে ৩,৫০০ কেজি চালসহ জরুরি ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করেন হাটহাজারী উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সদস্য, নাঙ্গলমোড়া ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক এবং নাঙ্গলমোড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের অ্যাডহক কমিটির সভাপতি আলহাজ লায়ন সালাউদ্দিন আলী।
    ত্রাণ বিতরণকালে লায়ন সালাউদ্দিন আলী বলেন, “মাননীয় প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীনের নির্দেশনায় আমরা বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর দায়িত্ব পালন করছি। দুর্যোগের এই কঠিন সময়ে মানুষের কষ্ট লাঘবে সর্বোচ্চ আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করা হচ্ছে। যতদিন প্রয়োজন, ততদিন অসহায় ও দুর্গত মানুষের পাশে থেকে তাদের প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করতে আমাদের এ মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।”
    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে হালদা নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে নাঙ্গলমোড়াসহ হাটহাজারীর কয়েকটি নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। এতে বহু পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে এবং ফসলি জমির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। দুর্যোগপূর্ণ এ পরিস্থিতিতে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের মাঝে খাদ্যসামগ্রী ও প্রয়োজনীয় ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করা হয়।
    ত্রাণ বিতরণ অনুষ্ঠানে নাঙ্গলমোড়া ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মামুনুর রশিদের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন প্যানেল চেয়ারম্যান মোহাম্মদ গিয়াস চেয়ারম্যান, ইউপি সদস্য ছগির মেম্বার, ইউপি সদস্য মোহাম্মদ আলী মেম্বার, ইউপি সদস্য মো. সেলিম উদ্দিন, হাটহাজারী উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সহ-সভাপতি ও নাঙ্গলমোড়া ইউনিয়ন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী বখতিয়ারুল ইসলাম বাচ্ছু, উত্তর জেলা মৎস্যজীবী দলের সদস্য সেলিম হাসান, প্যানেল চেয়ারম্যান ফাতেমা বেগম, ইউপি সদস্যা নিলুফার ইয়াসমিনসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ও সামাজিক ব্যক্তিবর্গ।
    ত্রাণ সহায়তা পেয়ে বন্যাদুর্গত পরিবারগুলো স্বস্তি ও সন্তোষ প্রকাশ করেন। তারা বলেন, দুর্যোগের এই কঠিন সময়ে এমন সহযোগিতা তাদের জন্য অত্যন্ত সহায়ক হয়েছে। সময়োপযোগী এই মানবিক উদ্যোগ গ্রহণ করায় তারা সংশ্লিষ্টদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানান। একই সঙ্গে ভবিষ্যতেও এ ধরনের মানবিক সহায়তা অব্যাহত থাকবে বলে আশা প্রকাশ করেন।

  • মোহনগঞ্জে জমি দখল ও নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগে বন্ধ হওয়া প্রতিবন্ধী বিদ্যালয় ফের চালু, স্থগিত চেয়ে আবেদন


    সোহেল খান দূর্জয়-নেত্রকোনা : নেত্রকোনার মোহনগঞ্জে নিয়োগ বাণিজ্য ও অন্যের জমি দখলের অভিযোগে ২০২০ সালে বন্ধ হয়ে যাওয়া একটি বুদ্ধি প্রতিবন্ধী ও অটিস্টিক বিদ্যালয়ের কার্যক্রম আবারও শুরু হয়েছে। এ অবস্থায় বিচারাধীন জমিতে বিদ্যালয়ের নির্মাণকাজ ও সব ধরনের কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিত রাখার আবেদন জানিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন এক ভুক্তভোগী।শনিবার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও বিদ্যালয়ের পদাধিকারবলে সভাপতি আমেনা খাতুন অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এর আগে গত ২৯ জুন ভুক্তভোগী মনিরা আক্তার শিল্পী এ অভিযোগ করেন। অভিযোগে মনিরা আক্তার শিল্পী উল্লেখ করেন, পৌরশহরের সাতুর এলাকায় ৩০ শতাংশ জমি তাঁর বাবা-মা বৈধভাবে ক্রয় করেন। বাবার মৃত্যুর পর তাঁর মা, চার বোন ও এক ভাই উত্তরাধিকার সূত্রে জমিটির যৌথ মালিক হিসেবে ভোগদখলে রয়েছেন। তবে বিআরএস জরিপে ভুলবশত বা সংশ্লিষ্টদের অসাবধানতায় জমিটি তাঁদের নামে রেকর্ড হয়নি। এ সুযোগে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুল হান্নান রতন ও দলিল লেখক নুরে আলম সিদ্দিকীর যোগসাজশে জাল দলিল তৈরি করে জমির মালিকানা দাবি করা হয়। পরে দলীয় প্রভাব খাটিয়ে জমিটি খারিজ করে ১৫ শতাংশ জমি মোহনগঞ্জ বুদ্ধি প্রতিবন্ধী ও অটিস্টিক বিদ্যালয়ের কাছে এবং বাকি ১৫ শতাংশ অন্যদের কাছে বিক্রি করা হয়।

    এ ঘটনায় ২০১৮ সালের ২৬ এপ্রিল নেত্রকোনার যুগ্ম জেলা জজ, দ্বিতীয় আদালতে বাটোয়ারা মামলা (নং-১২১/২০১৮) দায়ের করা হয়। মামলায় নুরে আলম সিদ্দিকী, আব্দুল হান্নান রতন, বিদ্যালয়ের সভাপতিসহ সংশ্লিষ্টদের বিবাদী করা হয়েছে। মামলাটি বর্তমানে বিচারাধীন রয়েছে।অভিযোগকারীর ভাষ্য, মামলা চলমান থাকলেও বিবাদীপক্ষ জোরপূর্বক জমির দখল নেয়। পরে জমির মূল্য ১৮ লাখ টাকা নির্ধারণ করে আদালতে ফি জমা দিয়ে স্বত্ব ঘোষণা ও বাটোয়ারা ডিক্রির আবেদনসহ সংশোধিত আরজি দাখিল করা হয়, যা আদালত গ্রহণ করেছেন। বিচারাধীন জমিতে স্থায়ী স্থাপনা নির্মাণ করা হলে মামলার নিষ্পত্তি জটিল হয়ে পড়বে এবং তাঁরা অপূরণীয় ক্ষতির মুখে পড়বেন। তাই মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ওই জমিতে বিদ্যালয়ের নির্মাণকাজ ও সব ধরনের কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিত রাখার অনুরোধ জানিয়েছেন।

    বিদ্যালয় ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০১৬ সালে প্রতিষ্ঠিত “মোহনগঞ্জ বুদ্ধি প্রতিবন্ধী ও অটিস্টিক বিদ্যালয়’ প্রথমে পৌরশহরের কলেজ রোড এলাকায় ভাড়া ভবনে পরিচালিত হতো। ২০১৯ সালে বিদ্যালয়টি সাতুর এলাকায় নিজস্ব জায়গায় স্থানান্তর করা হয়। ওই সময়ে বিদ্যালয়ের জায়গাটি অন্যের জমি দখল করে জাল দলিলের মাধ্যমে গ্রহণ করার অভিযোগ ওঠে। পাশাপাশি শিক্ষকদের কাছ থেকে নিয়োগের নামে অর্থ আদায়ের অভিযোগও ওঠে। বিদ্যালয়ের জন্য কেনা জমি তৎকালীন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের উপজেলা শাখার সহ-সভাপতি আব্দুল হান্নান রতনের নামে নিবন্ধন করা হয়েছিল। পরে তিনি জমিটি বিদ্যালয়ের নামে লিখে দিয়ে দাতা সদস্য হন এবং একপর্যায়ে ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০২০ সালে এসব অভিযোগ গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে আব্দুল হান্নান রতন এফিডেভিটের মাধ্যমে দাতা সদস্য পদ থেকে নিজের নাম প্রত্যাহার করেন এবং সভাপতির দায়িত্বও ছেড়ে দেন। একই সময় নিয়োগ বাণিজ্য ও জমি দখলের অভিযোগে বিদ্যালয়ের কার্যক্রম স্থগিত হয়ে যায়। সম্প্রতি বিদ্যালয়ের কার্যক্রম পুনরায় শুরু হওয়ায় মামলার নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত সব কার্যক্রম বন্ধ রাখার দাবি জানিয়েছেন অভিযোগকারী।

    এ বিষয়ে জানতে চাই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুর রব খান ঠাকুর বলেন, নানা ঝামেলায় দীর্ঘদিন বিদ্যালয়টি বন্ধ ছিল। সম্প্রতি কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। জমির সঠিক দলিল ও খারিজ আমাদের কাছে রয়েছে। যদিও জমি নিয়ে মামলা রয়েছে। তবে বিদ্যালয়ের কার্যক্রম চলমান থাকা জরুরি। পরে আদালতে যা রায় হবে তা আমরা মেনে নেব। প্রধান শিক্ষকের দাবি- বিদ্যালয়ে শতাধিক শিক্ষার্থী ও ২৪ জন শিক্ষক ও শিক্ষা সহকারী রয়েছে। অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত নুরে আলম সিদ্দিকী ও আব্দুল হান্নান রতনের বক্তব্যও তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিদ্যালয়ের সভাপতি ও ইউএনও আমেনা খাতুন বলেন, অভিযোগটি পেয়েছি। জমি দখল বা অন্যান্য অভিযোগের বিষয়টি জানা নেই। বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • ‎দীর্ঘ ছয় মাসের চিকিৎসা শেষে সাম্রাজ্যে ফিরছে রাণী, সুন্দরবনে উদ্ধার হওয়া সেই বাঘিনী ‎


    ‎বাগেরহাট প্রতিনিধি:
    ‎শিকারিদের ফাঁদে পড়ে আহত হওয়ার ছয় মাস পর সুস্থ হয়ে ওঠা বাঘিনীকে রোববার সুন্দরবনে অবমুক্ত করতে যাচ্ছে বন বিভাগ, তবে তার নিরাপত্তা ও বিচরণ ক্ষেত্র নিয়ে তৈরি হয়েছে নতুন ঝুঁকি।

    ‎সুন্দরবনের চাঁদপাই রেঞ্জে হরিণশিকারিদের পাতা ফাঁদে আটকা পড়ে গুরুতর আহত হওয়ার প্রায় ছয় মাস পর সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে উঠেছে সেই বাঘিনী। গত ৩ জানুয়ারি গুরুতর অবস্থায় উদ্ধারের পর খুলনা বন্য প্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের পুনর্বাসনকেন্দ্রে দীর্ঘ চিকিৎসা ও নিবিড় পরিচর্যার মধ্য দিয়ে প্রাণিটি সুস্থতা লাভ করে। বন বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, সামনের বাঁ পায়ের গভীর ক্ষত শুকিয়ে যাওয়া এবং শারীরিক সক্ষমতা ফিরে পাওয়ায় মেডিক্যাল বোর্ড তাকে বনাঞ্চলে অবমুক্ত করার চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী ১২ জুলাই বাগেরহাটের চাঁদপাই রেঞ্জের আন্ধারমানিক ইকোট্যুরিজম কেন্দ্রসংলগ্ন বনাঞ্চলে বাঘিনীটিকে পুনরায় প্রকৃতিতে ছেড়ে দেওয়া হবে, যা সুন্দরবনের বাস্তুসংস্থান পুনরুদ্ধারে বন বিভাগের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

    ‎দীর্ঘ সময় খাঁচাবন্দি থাকার পর বাঘিনীটির স্বাভাবিক জীবনে ফেরা নিয়ে বন্য প্রাণী বিশেষজ্ঞ এবং পরিবেশবাদীদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। উদ্ধারকালে অপুষ্টিতে কঙ্কালসার হয়ে পড়া বাঘিনীটির টিকে থাকার লড়াই ছিল অত্যন্ত কঠিন। বর্তমানে তার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল হলেও বনের প্রাকৃতিক পরিবেশে শিকার ধরা ও আত্মরক্ষার সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন রয়ে গেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, একটি পূর্ণবয়স্ক বাঘের নিজস্ব বিচরণ এলাকা থাকে এবং দীর্ঘদিন অনুপস্থিতির কারণে সেই এলাকায় অন্য কোনো বাঘের আধিপত্য তৈরি হওয়া অস্বাভাবিক নয়। এই বাঘিনীকে অবমুক্ত করার পর তার পুরনো এলাকায় অন্য কোনো বাঘের উপস্থিতিতে এলাকা দখল নিয়ে সংঘাতের ঝুঁকি রয়েছে, যা প্রাণিটির টিকে থাকার ক্ষেত্রে বড় ধরনের হুমকি সৃষ্টি করতে পারে বলে তারা সতর্ক করেছেন।

    ‎বন বিভাগের পক্ষ থেকে বাঘিনীটির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণের কথা জানানো হয়েছে। স্যাটেলাইট কলারের অভাব থাকায় বন বিভাগ বিচরণ এলাকায় প্রায় আট কিলোমিটারজুড়ে ২০টি ট্র্যাপ ক্যামেরা বসানোর উদ্যোগ নিয়েছে, যার মাধ্যমে বাঘিনীটির গতিবিধি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হবে। বন বিভাগের ডিএফও রেজাউল করিম চৌধুরী জানিয়েছেন, ইতোমধ্যে ১০টি ক্যামেরা বসানো সম্পন্ন হয়েছে এবং বাকিগুলো অবমুক্তির আগেই স্থাপন করা হবে। তবে বন্য প্রাণী বিশেষজ্ঞ ড. রেজা খানের মতে, কেবল ক্যামেরা ট্র্যাপ দিয়ে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যথেষ্ট নয়; অবমুক্তির আগে তার শিকারের প্রাপ্যতা এবং ওই এলাকার পরিবেশগত উপযোগিতা সম্পর্কে আরও বিস্তৃত বৈজ্ঞানিক তথ্য বিশ্লেষণ করা প্রয়োজন ছিল, যা এই প্রক্রিয়ার ঝুঁকি অনেকাংশে কমিয়ে আনতে পারত।

    ‎সুন্দরবনের মতো সংবেদনশীল বনাঞ্চলে বাঘের মতো শীর্ষ শিকারি প্রাণীর পুনঃপ্রবর্তন সামগ্রিক জীববৈচিত্র্যের জন্য ইতিবাচক হলেও, এর ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি নিয়ে সতর্ক থাকা জরুরি। এই বাঘিনীটির বিচরণ ও বেঁচে থাকার লড়াই ভবিষ্যতে বন্য প্রাণী উদ্ধার ও পুনর্বাসন প্রক্রিয়ার জন্য একটি বড় পরীক্ষা হয়ে দাঁড়িয়েছে। কেবল অবমুক্ত করাই যথেষ্ট নয়, বরং পরবর্তী কয়েক মাস ক্যামেরা ট্র্যাপের মাধ্যমে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে বাঘিনীটির অভিযোজন ক্ষমতা এবং বনের অন্যান্য প্রাণীর সাথে তার মিথস্ক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করাই হবে বন বিভাগের পরবর্তী চ্যালেঞ্জ। যদি এই পদ্ধতি সফল হয়, তবে ভবিষ্যতে সুন্দরবনের আহত বা বিপন্ন প্রাণীদের পুনর্বাসন প্রক্রিয়ায় এটি একটি যুগান্তকারী দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে।

  • শ্রীপুরে কাভার্ডভ্যানের চাপায় স্বামী -স্ত্রী নিহত বেঁচে গেল ৯ মাসের শিশু সন্তান নুর

    গাজীপুর প্রতিনিধি প্রতিনিধি :

    গাজীপুরের শ্রীপুরে কাভার্ডভ্যানের চাপায় রাকিব হাসান (৪২) ও তার স্ত্রী বিথী আক্তার (২৭) নিহত হয়েছেন। তবে ভাগ্যক্রমে বেঁচে গেছে তাদের ৯ মাস বয়সী শিশুকন্যা নূর। গুরুতর আহত অবস্থায় শিশুটিকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

    শনিবার (১১ জুলাই) দুপুরে উপজেলার ২নং সিএন্ড বি বাজারে বেড়াইদেরচালা এলাকায় ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

    বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মাওনা হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ কামরুজ্জামান।

    নিহত রাকিব হাসান পিরোজপুর সদর উপজেলার উত্তর রানীপুর গ্রামের সেকান্দার আলী বেপারীর ছেলে। তার স্ত্রী বিথী আক্তারও একই এলাকার বাসিন্দা। স্বামী-স্ত্রী দুজনই ডেনিম্যাক লিমিটেডের মানবসম্পদ (এইচআর) বিভাগে কর্মরত ছিলেন।

    নিহত রাকিবের খালাতো বোন মরিয়ম বেগম বলেন, খবর পেয়ে তিনি ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। দুর্ঘটনার সময় শিশুকন্যা নূর মায়ের কোলে ছিল। কাভার্ডভ্যানটি চাপা দেওয়ার মুহূর্তে মা শিশুটিকে ছুড়ে দেন। এতে সে প্রাণে বেঁচে গেলেও গুরুতর আহত হয়েছে। পরে তাকে শ্রীপুর থেকে ঢাকা শিশু হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

    ডেনিম্যাক লিমিটেডের মানবসম্পদ বিভাগের কর্মকর্তা শাহিনুর আলম বলেন, দুপুরের বিরতিতে রাকিব হাসান স্ত্রীকে নিয়ে বাসায় ফিরছিলেন। মহাসড়ক পার হওয়ার সময় দ্রুতগতির একটি কাভার্ডভ্যান তাদের চাপা দেয়। ঘটনাস্থলেই বিথী আক্তারের মৃত্যু হয়। গুরুতর আহত রাকিবকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তিনি জানান, রাকিব ও বিথী দুজনই একই প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ছিলেন।

    শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. সায়নী মজুমদার বলেন, রাকিব ও বিথীকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়। তাদের শিশুকন্যাকে জীবিত অবস্থায় আনা হলে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা শিশু হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

    মাওনা হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ কামরুজ্জামান বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করে এবং গুরুতর আহত এক ব্যক্তিকে হাসপাতালে পাঠায়। পরে হাসপাতালের চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত শিশুটিকে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। দুর্ঘটনার পর ঘাতক কাভার্ডভ্যানটি নিয়ে চালক পালিয়ে গেছে। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

  • নেত্রকোনায় গরুর ‘চোর চক্রের ঘাটিতে’ পুলিশের দুই দফা অভিযান, ১৭টি গরু উদ্ধার

    নেত্রকোনা প্রতিনিধি : নেত্রকোনা সদর উপজেলার মদনপুর পূর্বপাড়া এলাকায় একটি সুসংগঠিত গরু চুরির ঘাটিতে দুই দফা বিশেষ অভিযান চালিয়ে ১৭টি চোরাই গরু উদ্ধার করেছে মডেল থানা পুলিশ। এ সময় আন্তঃজেলা গরু চোর চক্রের সক্রিয় এক সদস্যকে আটক করা হয়েছে।নেত্রকোনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) হাফিজুল ইসলাম শুক্রবার (১০ জুলাই) রাতে সাংবাদিকদের কাছে প্রেরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মডেল থানা পুলিশের এসআই মিনহাজুল হক আকিল, এসআই মোশাররফ হোসেন ও এসআই শেখ তৌফিক আমীনের নেতৃত্বে একটি টিম শুক্রবার ভোররাত সাড়ে ৪টার দিকে মদনপুর পূর্বপাড়ার ওই চোরের ঘাটিতে প্রথম অভিযান চালায়। অভিযানে আব্দুছ ছালামের গোয়ালঘর থেকে ৭টি, রফিকুল ইসলামের গোয়ালঘর থেকে ৩টি এবং লুৎ মিয়ার গোয়ালঘর থেকে ৩টিসহ মোট ১৩টি চোরাই গরু উদ্ধার করা হয়। এ সময় আন্তঃজেলা গরু চোর চক্রের সদস্য আব্দুছ ছালামকে আটক করা হয়। উদ্ধার হওয়া এই ১৩টি গরুর আনুমানিক বাজার মূল্য প্রায় ১০ লাখ ২০ হাজার টাকা।

    এই ঘটনায় নেত্রকোনা মডেল থানায় পেনাল কোডের সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়েরের পর আটক আঃ ছালামকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে শুক্রবার বিকালেই আদালতে সোপর্দ করা হয়। পরবর্তীতে জেলা কন্ট্রোল রুমের মাধ্যমে উদ্ধার হওয়া গরুর বিবরণ ও তথ্য সারাদেশে প্রচার করা হলে পার্শ্ববর্তী ময়মনসিংহের গৌরীপুর থানা এলাকার কয়েকজন বাসিন্দা নেত্রকোনা মডেল থানায় এসে ৭টি গরু নিজেদের বলে শনাক্ত করেন। আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী আইনগত প্রক্রিয়া ও মালিকানা যাচাই শেষে প্রকৃত মালিকদের কাছে গরুগুলো হস্তান্তরের ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

    এদিকে গ্রেপ্তারকৃত আঃ ছালামের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে শুক্রবার রাত ৮টার দিকে মডেল থানা পুলিশের এসআই আকামল হোসেনের নেতৃত্বে একই এলাকায় দ্বিতীয় দফায় অভিযান চালানো হয়। এই অভিযানে আজিজ মিয়ার গোয়ালঘর থেকে ২টি এবং আনিক মিয়ার গোয়ালঘর থেকে ২টি গরু উদ্ধার করা হয়। দুই দফার এই বিশেষ অভিযানে সবমিলিয়ে মোট ১৭টি চোরাই গরু উদ্ধার করে থানা হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ। স্থানীয় এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে এই এলাকায় একটি শক্তিশালী চোর চক্র সক্রিয় রয়েছে। এই সিন্ডিকেটের পেছনে কারা জড়িত এবং এর গডফাদার কারা, তা খুঁজে বের করা জরুরি। অবিলম্বে তাদের সবাইকে গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা হলে সমাজে অপরাধ প্রবণতা কমার পাশাপাশি শান্তি-শৃঙ্খলা ফিরে আসবে। নেত্রকোনা মডেল থানার ওসি মো. আল মামুন সরকার জানান, গরু চুরির ঘটনার সাথে জড়িত মূল হোতাদের গ্রেপ্তার এবং পুরো সিন্ডিকেট ভাঙতে পুলিশের চিরুনি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

  • এমইপি গ্রুপের উদ্যোগে চাঁপাইনবাবগঞ্জে ইলেকট্রিশিয়ানদের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত


    চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি :

    দেশের স্বনামধন্য বৈদ্যুতিক পণ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান এমইপি গ্রুপ-এর উদ্যোগে চাঁপাইনবাবগঞ্জে ইলেকট্রিশিয়ানদের নিয়ে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে শনিবার সকাল ৯ টায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ ক্লাব সুপার মার্কেটের ৩য় তলায় অবস্থিত চাঁপাই ফুড ক্লাবে এ সভার আয়োজন করা হয়।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মো. আব্দুস সোবহান, ডিভিশনাল সেলস ম্যানেজার, রাজশাহী ডিভিশন।বিশেষ অতিথি ছিলেন মো. আমিরুল ইসলাম, পরিবেশক, এমইপি গ্রুপ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ।অনুষ্ঠানটি তত্ত্বাবধান করেন মো. শহিদ রানা, টেরিটোরি সেলস ম্যানেজার, রাজশাহী টেরিটোরি এবং মো. কামরুজ্জামান, ফিল্ড অফিসার, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর।মতবিনিময় সভায় এমইপি গ্রুপের বিভিন্ন বৈদ্যুতিক পণ্যের গুণগত মান, নিরাপদ ব্যবহার, আধুনিক প্রযুক্তি এবং ইলেকট্রিশিয়ানদের দক্ষতা উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা করা হয়। এ সময় উপস্থিত ইলেকট্রিশিয়ানরা নিজেদের মতামত, অভিজ্ঞতা ও বিভিন্ন পরামর্শ তুলে ধরেন। অনুষ্ঠান শেষে অংশগ্রহণকারী ইলেকট্রিশিয়ানদের মাঝে ব্যাগ, ইলেকট্রিক্যাল কাজের বিভিন্ন যন্ত্রাংশ এবং একটি করে টি-শার্ট বিতরণ করা হয় ও রেফেল ড্র অনুষ্ঠিত হয়।

    আয়োজকরা জানান, ইলেকট্রিশিয়ানদের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখা, পণ্যের সঠিক ব্যবহার সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং পারস্পরিক অভিজ্ঞতা বিনিময়ের লক্ষ্যেই এ ধরনের মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়েছে।