Blog

  • পদুয়ায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের মাঝে ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষে ত্রাণ সহায়তা প্রদান।


    লোহাগাড়ার চট্টগ্রাম জেলা প্রতিনিধি :

    বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ লোহাগাড়ার বিভিন্ন এলাকার মানুষ।তারই ধারাবাহিকতায় লোহাগাড়া উপজেলার পদুয়া ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষ থেকে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের মাঝে ত্রাণ সহায়তা বিতরণ করা হয়েছে।

    ১০জুলাই বেলা ৩টার দিকে ইউপির ৪নাম্বার ওয়ার্ডের বিভিন্ন এলাকায় দরিদ্র পরিবারের মাঝে ত্রাণ সহায়তা প্রদান করা হয়।

    এসময় পদুয়া ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান লেয়াকত আলী, ইউপি সদস্য শব্বির আহমদ ও আমানুল হক আমানসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

    এর পুর্বে পদুয়ার বিভিন্ন ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের মাঝে ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষ থেকে ত্রাণ সহায়তা প্রদান করা হয়েছে।

  • খাগড়াছড়ির মহালছড়িতে এক নারীর অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার


    খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি:
    খাগড়াছড়ির মহালছড়ি উপজেলায় জঙ্গল থেকে এক অজ্ঞাতনামা নারীর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
    (১০ জুলাই) শুক্রবার উপজেলা ২৪ মাইল এলাকার একটি গভীর জঙ্গল থেকে এই মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় বাসিন্দাদের মাঝে তীব্র আতঙ্ক ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায় , ২৪ মাইল এলাকায় অবস্থিত কলেজের ঠিক বিপরীত পাশে এবং মূড়া পাড়ার একটি জঙ্গল থেকে গত কয়েকদিন ধরে তীব্র দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছিল। দুর্গন্ধের উৎস খুঁজতে গিয়ে স্থানীয় লোকজন জঙ্গলের ভেতরে একটি অর্ধ গলিত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে মহালছড়ি থানা পুলিশকে জানানো হলে, পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহটি উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে।

    মরদেহটি সম্পূর্ণ বিকৃত ও অর্ধগলিত হয়ে যাওয়ায় তাৎক্ষণিকভাবে তার নাম-পরিচয় নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি। তবে স্থানীয়দের প্রাথমিক ধারণা, মৃত নারী একজন পাহাড়ি এবং সম্ভবত তিনি মারমা সম্প্রদায় হতে পারে। পুলিশে ধারণা নিহতের বয়স আনুমানিক ৩৫ বছর।

    মহালছড়ি থানা পুলিশ জানায়, মরদেহের পরিচয় শনাক্ত করাটাই এখন তাদের প্রধান চ্যালেঞ্জ। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এটি হত্যাকাণ্ড নাকি অন্য কিছু তা উদঘাটনে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য খাগড়াছড়ি আধুনিক জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হচ্ছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলেই মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।
    এদিকে, লোকালয়ের কাছাকাছি জঙ্গল থেকে এভাবে নারীর লাশ উদ্ধারের ঘটনায় স্থানীয়দের মনে নানা প্রশ্নের উঠেছে । এলাকাবাসী এই ঘটনার একটি সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ এবং দ্রুত তদন্ত দাবি জানিয়েছেন।

  • খাগড়াছড়িতে বৃষ্টি ও উজানের ঢলে কারণে তিনটি সড়কে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন

    খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি:
    খাগড়াছড়িতে থেমে থেমে প্রচুর বৃষ্টি ও উজানের ঢলে কারণে জেলার তিনটি গুরুত্বপূর্ণ সড়কে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন আছে । জেলা প্রশাসন জানান, খাগড়াছড়ির সঙ্গে রাঙামাটি ও মহালছড়ির যোগাযোগ ও দীঘিনালার সঙ্গে সাজেক লংগদু উপজেলার যোগাযোগ এখনও বিচ্ছিন্ন রয়েছে । এছাড়াও আশ্রয় কেন্দ্রগুলো থেকে খাগড়াছড়ি বাড়িঘরে ফিরলেও দুর্ভোগে পড়ছে স্থানীয় লোকজন।

    কৃষি বিভাগের উপপরিচালক নাসির উদ্দিন চৌধুরী জানান, দীঘিনালায় মাইনি নদীর পানি এখনো অপরিবর্তিত থাকলেও চেংগী নদীর পানি নামতে শুরু করেছে। ভারী বৃষ্টিপাতে আউশ ধান ১৩৮ হেক্টর আমান বীজ তলা ২০২ ও ১৪৩ হেক্টর সবজি ক্ষতি হয়েছে।

    খাগড়াছড়ির সঙ্গে রাঙামাটি ও মহালছড়ির যোগাযোগ ও দীঘিনালার সঙ্গে সাজেক লংগদু উপজেলার যোগাযোগ এখনও বিচ্ছিন্ন আছে।
    এদিকে থেমে থেমে বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকায় আবারও বাড়তে পারে চেঙ্গী ও মাইনি নদীর পানি। খাগড়াছড়ি সদরে গঞ্জপাড়া, গোলাবাড়ি, কলেজগেইট, শব্দ মিয়া পাড়াসহ ও দীঘিনালা উপজেলার নিম্নাঞ্চলের বেশ কয়েকটি গ্রামে এখনও পানি জমে রয়েছে। এখনো আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান করছে অনেক পরিবার। প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাদের খাবারসহ প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।

    এরই মধ্যে খাগড়াছড়ির শালবন, সবুজবাগ, কুমিল্লা টিলাসহ বিভিন্ন এলাকায় পাহাড় ধসের ঘটনা ঘটেছে। তবে এখন পর্যন্ত কোথাও হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
    জেলা প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, খাগড়াছড়িতে মোট ১৩৫টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী সেগুলোতে দুর্গত মানুষকে আশ্রয় দেওয়া হচ্ছে।
    খাগড়াছড়ি সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারিয়া সুলতানা জানিয়েছেন, প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিভিন্ন স্থানে ত্রাণ দেওয়া হচ্ছে। একইভাবে জেলা পরিষদ ও জেলা বিএনপি, সামাজিক সংগঠন বাংলাদেশ মারমা ঐক্য পরিষদসহ পৃথক পৃথকভাবে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করছে।

  • অবৈধ বালি উত্তোলন বন্ধ করেছি, এবার পাহাড় কাটাও বন্ধ করব – হুমাম কাদের চৌধুরী এমপি…

    , রাঙ্গুনিয়া প্রতিনিধিঃ

    রাঙ্গুনিয়ায় বন্যাদুর্গত এলাকা ও পাহাড় ধস পরিদর্শনে এসে রাঙ্গুনিয়ার সাংসদ হুমাম কাদের চৌধুরী বলেন অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ করেছি, এবার পাহাড় কাটাও বন্ধ করব।

    শুক্রবার ১০ জুলাই সকালে রাঙ্গুনিয়া পৌরসভার ১ ও ৩ নং ওয়ার্ড পাহাড় ধসে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের খুঁজ ও তাদের মাঝে ত্রাণ সামগ্রি উপহার দেন।

    এসময় পাহাড় ধসে নিহত ৩ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা রেনু আকতারের পরিবারের সাথে দেখা করে তাদের সমবেদনা জানান এবং তাদের পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস প্রদান করেন।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন রাঙ্গুনিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার জনাব নাজমুল হাসান, পৌরসভা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক হেলাল উদ্দিন শাহ,রাঙ্গুনিয়া উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক হাজী ইলিয়াস, ভিপি আনসুর উদ্দিন সহ উপজেলা ও পৌরসভা বিএনপির অসংখ্য নেতাকর্মী ও স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

    এসময় রাঙ্গুনিয়ার সাংসদ হুমাম কাদের চৌধুরীর পক্ষ হতে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে ত্রাণ সামগ্রি উপহার দেওয়া হয়।

  • রাজশাহীতে দেড় মাসেই ভেঙে গেল নতুন কালভার্ট


    রাজশাহী জেলা প্রতিনিধি:
    রাজশাহীর কেশরহাট পৌর বাজার থেকে কামারগাঁগামী সড়কের দর্শনপাড়া এলাকায় নির্মিত নতুন একটি কালভার্ট নির্মাণের মাত্র দেড় মাসের মধ্যেই ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে ভেঙে পড়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এতে স্থানীয়দের মধ্যে চরম ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে।
    স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দর্শনপাড়া মহল্লায় সড়কের ওপর নির্মিত কালভার্টটির একটি অংশ অল্প সময়ের মধ্যেই ভেঙে যায়। বর্তমানে ওই অংশ দিয়ে যানবাহন চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। প্রতিদিন এ সড়ক ব্যবহার করে বিপুল সংখ্যক মানুষ যাতায়াত করলেও এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনো সংস্কার উদ্যোগ দেখা যায়নি বলে অভিযোগ এলাকাবাসীর।

    স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করে বলেন, এত অল্প সময়ের মধ্যে একটি নতুন নির্মাণকাজ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। তাদের ধারণা, নির্মাণকাজে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার অথবা যথাযথ তদারকির অভাবের কারণেই এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।
    এলাকাবাসী দ্রুত বিষয়টি তদন্ত করে প্রকৃত কারণ উদঘাটন, দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ক্ষতিগ্রস্ত কালভার্টটি দ্রুত পুনর্নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন।
    এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তীতে যুক্ত করা হবে । ভাঙ্গা অংশে এলাকাবাসী গাছের ডাল পুতে রাখে । যাতে যানবাহন চলাচলের সময় ভাঙ্গা অংশ দিয়ে চলাচল না করে ।

  • চট্টগ্রামের রাউজানে নালার স্রোতে ভেসে গিয়ে তিন বছর বয়সী এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় উপজেলার ডাবুয়া ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে এ ঘটনা ঘটে। শিশুটি দাদার পেছনে পেছনে একটি দোকানে যাচ্ছিল।


    লোহাগাড়ার চট্টগ্রাম জেলা প্রতিনিধি:

    শিশুর নাম মোহাম্মদ মোস্তাকিম। সে ওই এলাকার মোহাম্মদ পারভেজ হোসেনের ছেলে। গত চার দিনের টানা বর্ষণে নালার স্রোত বেশি থাকায় সে ভেসে যায়।

    স্থানীয় লোকজন ও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গতকাল শিশু মোস্তাকিম দাদা আনোয়ার হোসেনের সঙ্গে দোকানে যাওয়ার জন্য ঘর থেকে বের হয়েছিল। দাদার পেছনে পেছনে যাওয়ার এক পর্যায়ে সড়কের পাশে পানি চলাচলের নালার স্রোতে পড়ে কিছুদূর ভেসে যায় সে। পরে স্থানীয় এক সিএনজিচালিত অটোরিকশাচালক তাকে দেখতে পান। এরপর শিশুটিকে উদ্ধার করে স্থানীয় একটি বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

    ডাবুয়া ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ইয়াছমিন আকতার শিশুর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, ‘শিশুটি তার দাদার পেছনে পেছনে একটি দোকানের দিকে যাচ্ছিল। বৃষ্টির কারণে নালায় স্রোত থাকায় পড়ে গিয়ে শিশুটি ভেসে যায়। পরে আমার গাড়িতে করেই শিশুটিকে হাসপাতালে নিয়ে যাই। তবে তাকে বাঁচানো যায়নি।’

  • ‎মির্জাপুরে সরকারি রাস্তার কার্পেটিং কাজে অনিয়ম করার অপরাধে শোকজ ‎

    মির্জাপুর, টাঙ্গাইল প্রতিনিধি:
    ‎টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে রাস্তার কাজে অনিয়মের অভিযোগে বিল আটকে দিলেন উপজেলা প্রকৌশলী মনিরুল সাজ রিজন। রবিবার (৫ জুলাই ২৬) তিনি সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারকে লিখিত ভাবে বিল আটকে দেওয়া সহ কাজের তদারকির সাথে জড়িত উপ-সহকারী প্রকৌশলী ও কার্যসহকারীকে লিখিত ভাবে শোকজ করেন।

    ‎সরেজমিনে দেখা যায় যে, ঢাকা টাংগাইল মহাসড়ক থেকে নেমে আসা বৃষ্টির পানির ঢলে রাস্তার পুরাতন ড্রেন ওভারফ্লো হয়ে রাস্তায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়ে কার্পেটিং নষ্ট হয়ে গেছে।

    ‎স্থানীয়দের অভিযোগ ছিল, বৃষ্টির পর সড়কের বিভিন্ন স্থানে পিচ আলগা হয়ে যায়। কোথাও হাত দিয়েই তুলে ফেলা যাচ্ছে, আবার যানবাহন চলাচলের সময় গাড়ির চাকার সঙ্গে উঠে আসছে পিচ। এতে একদিকে যেমন জনদুর্ভোগ বাড়ছে, অন্যদিকে সরকারের উন্নয়ন ব্যয় নিয়েও প্রশ্ন তুলেছিলেন স্থানীয়রা। তাদের দাবি, নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার এবং কাজে অনিয়মের কারণেই নতুন সড়কের এমন বেহাল অবস্থার সৃষ্টি হয়। কাদার উপর সামান্য খোয়া ও বালি দিয়ে তড়িঘড়ি করে কার্পেটিং করা হয়েছিল। ফলে সামান্য বৃষ্টিতেই সেই কার্পেটিং নষ্ট হয়ে গেছে। উক্ত রাস্তার কাজে ৪৬০ মিটার সড়কটির পুনর্নির্মাণে ব্যয় ধরা হয়েছে ১৫ লক্ষ টাকা। কাজটি বাস্তবায়ন করেছে বিসমিল্লাহ এন্টারপ্রাইজ।

    ‎তথ্য মতে জানা যায়, উপজেলার ইউনিয়নের গোড়াই থেকে রাকের টেকি পর্যন্ত সড়কের পুন-র্নির্মাণ কাজ শেষ হওয়ার মাত্র সাত দিনের মাথায় বৃষ্টিতেই উঠে যেতে শুরু করেছে নতুন পিচ। কোথাও হাত দিলেই উঠে আসছে কার্পেটিং, আবার যানবাহন চলাচলের সময় গাড়ির চাকার সঙ্গে উঠে যাচ্ছিল পিচ। এতে নতুন সড়ক দ্রুত ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছিল। স্থানীয়দের অভিযোগ, নিম্নমানের কাজের কারণেই এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছিল।

    ‎অনিয়ম এর বিষয় জানতে পেরে উপজেলা প্রকৌশলী মনিরুল সাজ রিজন উক্ত সাইট পরিদর্শন করেন এবং ঠিকাদার এর সকল বিল আটকে দেন। এছাড়া উক্ত কাজের তদারকির কাজে নিয়োজিত উপ-সহকারী প্রকৌশলী ও কার্যসহকারীকে লিখিত ভাবে শোকজ করেন।

    ‎এব্যাপারে মির্জাপুর উপজেলা প্রকৌশলী আরো জানান যে, ঠিকাদারকে কোনভাবেই কোন বিল প্রদান করা হবেনা এবং উক্ত রাস্তার সম্পূর্ণ কার্পেটিং ঠিকাদারকে করে দিতে হবে। ঠিকাদার কার্পেটিং পুনরায় না করলে তাকে আর্থিকভাবে জরিমানা করা সহ তাকে কালো তালিকা ভুক্ত করা হবে। সরকারি রাস্তার কাজে কোন অনিয়ম সহ্য করা হবে না বলেও জানান উপজেলা প্রকৌশলী।

  • ‎মির্জাপুরে সরকারি রাস্তার কার্পেটিং কাজে অনিয়ম করার অপরাধে শোকজ ‎


    মির্জাপুর, টাঙ্গাইল প্রতিনিধি:

    ‎টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে রাস্তার কাজে অনিয়মের অভিযোগে বিল আটকে দিলেন উপজেলা প্রকৌশলী মনিরুল সাজ রিজন। রবিবার (৫ জুলাই ২৬) তিনি সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারকে লিখিত ভাবে বিল আটকে দেওয়া সহ কাজের তদারকির সাথে জড়িত উপ-সহকারী প্রকৌশলী ও কার্যসহকারীকে লিখিত ভাবে শোকজ করেন।

    ‎সরেজমিনে দেখা যায় যে, ঢাকা টাংগাইল মহাসড়ক থেকে নেমে আসা বৃষ্টির পানির ঢলে রাস্তার পুরাতন ড্রেন ওভারফ্লো হয়ে রাস্তায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়ে কার্পেটিং নষ্ট হয়ে গেছে।

    ‎স্থানীয়দের অভিযোগ ছিল, বৃষ্টির পর সড়কের বিভিন্ন স্থানে পিচ আলগা হয়ে যায়। কোথাও হাত দিয়েই তুলে ফেলা যাচ্ছে, আবার যানবাহন চলাচলের সময় গাড়ির চাকার সঙ্গে উঠে আসছে পিচ। এতে একদিকে যেমন জনদুর্ভোগ বাড়ছে, অন্যদিকে সরকারের উন্নয়ন ব্যয় নিয়েও প্রশ্ন তুলেছিলেন স্থানীয়রা। তাদের দাবি, নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার এবং কাজে অনিয়মের কারণেই নতুন সড়কের এমন বেহাল অবস্থার সৃষ্টি হয়। কাদার উপর সামান্য খোয়া ও বালি দিয়ে তড়িঘড়ি করে কার্পেটিং করা হয়েছিল। ফলে সামান্য বৃষ্টিতেই সেই কার্পেটিং নষ্ট হয়ে গেছে। উক্ত রাস্তার কাজে ৪৬০ মিটার সড়কটির পুনর্নির্মাণে ব্যয় ধরা হয়েছে ১৫ লক্ষ টাকা। কাজটি বাস্তবায়ন করেছে বিসমিল্লাহ এন্টারপ্রাইজ।

    ‎তথ্য মতে জানা যায়, উপজেলার ইউনিয়নের গোড়াই থেকে রাকের টেকি পর্যন্ত সড়কের পুন-র্নির্মাণ কাজ শেষ হওয়ার মাত্র সাত দিনের মাথায় বৃষ্টিতেই উঠে যেতে শুরু করেছে নতুন পিচ। কোথাও হাত দিলেই উঠে আসছে কার্পেটিং, আবার যানবাহন চলাচলের সময় গাড়ির চাকার সঙ্গে উঠে যাচ্ছিল পিচ। এতে নতুন সড়ক দ্রুত ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছিল। স্থানীয়দের অভিযোগ, নিম্নমানের কাজের কারণেই এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছিল।

    ‎অনিয়ম এর বিষয় জানতে পেরে উপজেলা প্রকৌশলী মনিরুল সাজ রিজন উক্ত সাইট পরিদর্শন করেন এবং ঠিকাদার এর সকল বিল আটকে দেন। এছাড়া উক্ত কাজের তদারকির কাজে নিয়োজিত উপ-সহকারী প্রকৌশলী ও কার্যসহকারীকে লিখিত ভাবে শোকজ করেন।

    ‎এব্যাপারে মির্জাপুর উপজেলা প্রকৌশলী আরো জানান যে, ঠিকাদারকে কোনভাবেই কোন বিল প্রদান করা হবেনা এবং উক্ত রাস্তার সম্পূর্ণ কার্পেটিং ঠিকাদারকে করে দিতে হবে। ঠিকাদার কার্পেটিং পুনরায় না করলে তাকে আর্থিকভাবে জরিমানা করা সহ তাকে কালো তালিকা ভুক্ত করা হবে। সরকারি রাস্তার কাজে কোন অনিয়ম সহ্য করা হবে না বলেও জানান উপজেলা প্রকৌশলী।

  • চট্টগ্রামে বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান এমপি


    লোহাগাড়ার প্রতিনিধি:
    টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলের কারণে চট্টগ্রাম ও পার্শ্ববর্তী পাহাড়ি অঞ্চলে সৃষ্ট ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন মাননীয় বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান এমপি।

    শুক্রবার (১০ জুলাই) সকাল ৮টায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বিমানযোগে চট্টগ্রামে পৌঁছে তিনি সরাসরি বন্যাকবলিত বাঁশখালী উপজেলার বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি পানিবন্দি ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে সার্বিক পরিস্থিতি সম্পর্কে অবগত হন। পরিদর্শনকালে তিনি দেখেন, অনেক ঘরবাড়ি এখনো পানিতে তলিয়ে রয়েছে এবং অসংখ্য পরিবার চরম দুর্ভোগের মধ্যে মানবেতর জীবনযাপন করছে।

    ডা. শফিকুর রহমান বলেন, এই দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো মানবিক ও নৈতিক দায়িত্ব। তিনি সমাজের বিত্তবান ব্যক্তি, বিভিন্ন সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন এবং দেশের সর্বস্তরের মানুষকে নিজ নিজ সামর্থ্য অনুযায়ী বন্যাদুর্গত মানুষের সহায়তায় এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

    পরিদর্শন শেষে তিনি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর মাঝে শুকনো খাবার ও আর্থিক সহায়তা বিতরণ করেন এবং দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আশ্বাস প্রদান করেন।

    উল্লেখ্য, টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলের ফলে চট্টগ্রাম জেলার বিভিন্ন এলাকায় আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসের সৃষ্টি হয়েছে। এতে প্রাণহানির পাশাপাশি বহু পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে এবং ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির কারণে জনজীবন মারাত্মকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে উঠেছে।

    এছাড়াও মাননীয় বিরোধীদলীয় নেতা সাতকানিয়া এবং চট্টগ্রাম মহানগরীর বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করবেন এবং বন্যা কবলিত মানুষের মাঝে শুকনো খাবারসহ বিভিন্ন প্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করবেন।

    আমীরে জামায়াতের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও চট্টগ্রাম অঞ্চল পরিচালক মাওলানা মুহাম্মদ শাহজাহান, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী এমপি, চট্টগ্রাম মহানগরী আমীর মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলার আমীর জনাব আনোয়ারুল আলম চৌধুরী ও চট্টগ্রাম-১৬ আসনের সংসদ সদস্য মাওলানা জহিরুল ইসলাম এমপিসহ মহানগরী ও স্থানীয় বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী।

  • গাজীপুরের শ্রীপুরে দুই শিশু সন্তানকে বিষপান করানোর পর মায়ের বিষপানে আত্মহত্যা চেষ্টা


    গাজীপুর জেলা প্রতিনিধি :

    গাজীপুরের শ্রীপুরে পারিবারিক কলহের জেরে দুই শিশুসন্তানকে বিষ পান করানোর পর নিজে বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন এক নারী। স্বজনেরা টের পেয়ে দ্রুত মা ও শিশুসন্তানদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে দুই শিশুসন্তানের অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়।

    আজ বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলার টেপিরবাড়ি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

    বিষপানে অসুস্থ মনি আক্তার (৩০) নেত্রকোনা জেলার সদর উপজেলার মো. মোবারক হোসেনের স্ত্রী এবং তাঁদের দুই শিশুসন্তান আব্দুল্লাহ (৪) ও মাইশা (২)। তাদের মধ্যে দুই শিশুর অবস্থা আশঙ্কাজনক।

    শিশুর বাবা মোবারক হোসেন জানান, তিনি টেপিরবাড়ি এলাকার স্মার্ট গার্মেন্টসের সামনে জনৈক রতন মিয়ার বাড়িতে ভাড়া থেকে স্থানীয় একটি পোশাক কারখানায় শ্রমিকের কাজ করেন। আজ কর্মস্থল থেকে বাসায় ফিরে এসে দেখতে পান, দুই শিশুসন্তানসহ স্ত্রী বাসার ফ্লোরে গড়াগড়ি করছে। এরপর কীটনাশকের গন্ধ পান। এ সময় দুই শিশুসন্তানের মুখ দিয়ে ফেনা বের হতে দেখেন। এরপর দ্রুত তাদের শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেন। সেখানে দুই শিশুসন্তানের অবস্থার অবনতি হলে মমেক হাসপাতালে রওনা হন।

    বাড়ির মালিকের স্ত্রী বিউটি আক্তার জানান, দুই মাস ধরে তাঁরা ভাড়া থাকেন। এক ছেলে প্রতিবন্ধী। তাঁদের স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়াঝাঁটি হয়। ধারণা করা হচ্ছে, এ কারণে দুই শিশুসন্তানকে বিষ পান করানোর পর নিজেও বিষ পান করেন। শিশু দুটির অবস্থা খুবই খারাপ। মায়ের চিকিৎসা হচ্ছে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে। দুই শিশুকে অ্যাম্বুলেন্সে ময়মনসিংহ পাঠানো হয়েছে।

    শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক বলরাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, মা ও দুই শিশুসন্তানকে হাসপাতালে নিয়ে আসেন তাদের স্বজনেরা। শিশু দুটির অবস্থা আশঙ্কাজনক। দুই শিশুকে মমেক হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। মায়ের চিকিৎসা চলছে।

    শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শাহীনুর আলম বলেন, এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত কেউ অবহিত করেনি। খোঁজ নেওয়া হচ্ছে