Blog

  • ‎সুন্দরবনে কোস্ট গার্ডের চাপে আত্মসমর্পণ বড় জাহাঙ্গীর বাহিনীর ৩ সদস্যের ‎


    বাগেরহাট প্রতিনিধি:

    ‎সুন্দরবনে দীর্ঘদিনের ত্রাস সৃষ্টিকারী বড় জাহাঙ্গীর বাহিনীর তিন সদস্য অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের কাছে আত্মসমর্পণ করেছেন।

    ‎সুন্দরবনের গহীন অরণ্যে দীর্ঘদিন ধরে আধিপত্য বিস্তারকারী দস্যু বাহিনী বড় জাহাঙ্গীর বাহিনীর তিন সক্রিয় সদস্য অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মসমর্পণ করেছেন। বৃহস্পতিবার সকালে মোংলা কোস্ট গার্ডের সদর দপ্তরে আত্মসমর্পণ করা এই দস্যুরা হলেন আল আমিন হোসেন, তৈবুর রহমান এবং মনিরুজ্জামান ওরফে মামুন। তাদের সাথে জিম্মি থাকা একজন জেলেকেও উদ্ধার করা হয়েছে। বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের বিসিজিএস কামরুজ্জামানের নির্বাহী কর্মকর্তা কমান্ডার মো. মানসুরুন মাহ্‌দীন এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। অভিযানে তাদের কাছ থেকে দুটি দেশীয় একনলা বন্দুক, একটি দেশীয় পাইপগান এবং ৪০ রাউন্ড তাজা কার্তুজ উদ্ধার করা হয়েছে। কোস্ট গার্ডের কঠোর গোয়েন্দা নজরদারি এবং ধারাবাহিক অভিযানের মুখে কোণঠাসা হয়েই তারা এই পথ বেছে নিতে বাধ্য হয়েছেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। মূলত সুন্দরবনকে দস্যুমুক্ত করার লক্ষ্যে চলমান বিশেষ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে এটি একটি বড় সাফল্য হিসেবে দেখা হচ্ছে।

    ‎আত্মসমর্পণকারী দস্যুদের বিরুদ্ধে দীর্ঘ সময় ধরে সুন্দরবনের জেলে ও বাওয়ালীদের জিম্মি করে মুক্তিপণ আদায়ের অসংখ্য অভিযোগ রয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্যমতে, এই বাহিনীটি সুন্দরবনের বিভিন্ন এলাকায় নিয়মিত টহল দিয়ে মাছ ধরার নৌকায় আক্রমণ চালাত এবং অর্থ আদায় না হওয়া পর্যন্ত জেলেদের অমানবিক নির্যাতনের শিকার হতে হতো। ভুক্তভোগী জেলেদের দাবি অনুযায়ী, এই চক্রের সদস্যরা শুধু মুক্তিপণ আদায়ই নয়, বরং বাওয়ালীদের নিয়মিত চাঁদা দিতে বাধ্য করার মাধ্যমে অর্থনৈতিকভাবে পঙ্গু করে রেখেছিল। দস্যু বাহিনীর এমন ত্রাসের কারণে স্থানীয় বনজীবীরা চরম আতঙ্কে দিনাতিপাত করছিলেন। উদ্ধার হওয়া জিম্মি জেলের জবানবন্দি অনুযায়ী, দস্যুরা তাদের অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে গভীর বনে নিয়ে যেত এবং মুক্তিপণের জন্য পরিবারের ওপর চাপ সৃষ্টি করত। এই বাহিনীর অভ্যন্তরীণ কোন্দল এবং কোস্ট গার্ডের ক্রমাগত চাপের ফলে তাদের সাংগঠনিক কাঠামো ভেঙে পড়ায় তারা আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

    ‎এ বিষয়ে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, সুন্দরবনে দস্যুতা নির্মূলে পরিচালিত ‘অপারেশন রিস্টোর পিস ইন সুন্দরবন’ এবং ‘অপারেশন ম্যানগ্রোভ শিল্ড’ নামক দুটি বিশেষ অভিযানের সফলতা দৃশ্যমান হচ্ছে। কমান্ডার মো. মানসুরুন মাহ্‌দীন জানান, দস্যু চক্রের নেটওয়ার্ক ভাঙতে কোস্ট গার্ডের গোয়েন্দা শাখা নিরলস কাজ করে যাচ্ছে। আত্মসমর্পণকারী দস্যুদের আইনি প্রক্রিয়ায় পুলিশের কাছে হস্তান্তরের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এর আগে গত ২১ মে ছোট সুমন বাহিনীর সাত সদস্যের আত্মসমর্পণের ঘটনা সুন্দরবনে দস্যুতা দমনে কোস্ট গার্ডের সক্ষমতার বহিঃপ্রকাশ ঘটায়। প্রশাসনের পক্ষ থেকে স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়েছে যে, সুন্দরবনের নিরাপত্তা নিশ্চিতে কোনো ধরনের আপস করা হবে না এবং যারা এখনও দস্যুতার সাথে জড়িত, তাদের অতি দ্রুত স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার আহ্বান জানানো হয়েছে। অন্যথায় কঠোর সামরিক ও আইনি পদক্ষেপের মুখে পড়ার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে প্রশাসনের তরফ থেকে।

    ‎সুন্দরবনের দস্যুমুক্ত হওয়ার এই প্রক্রিয়া বননির্ভর অর্থনীতি ও সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রায় ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে আশা করা হচ্ছে। পর্যটন শিল্প এবং মৎস্য আহরণ ব্যবস্থার স্বাভাবিক গতি ফিরিয়ে আনতে এই ধরনের অভিযান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে দস্যুতা পুরোপুরি নির্মূল করতে হলে কেবল আত্মসমর্পণই যথেষ্ট নয়, বরং বনের অভ্যন্তরে নিয়মিত টহল ব্যবস্থা আরও জোরদার করতে হবে। স্থানীয়দের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার মাধ্যমে সুন্দরবনকে পুনরায় নিরাপদ আবাসস্থলে পরিণত করার যে লড়াই কোস্ট গার্ড শুরু করেছে, তার চূড়ান্ত সফলতা নির্ভর করছে দস্যু চক্রের মূল হোতাদের আইনের আওতায় আনার ওপর। দস্যুমুক্ত সুন্দরবন নিশ্চিত করা গেলে বাওয়ালী ও জেলেদের ভয়হীন জীবিকা অর্জনের পথ প্রশস্ত হবে, যা সামগ্রিকভাবে উপকূলীয় অঞ্চলের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে বড় ভূমিকা রাখবে।

  • সরকারি চাকুরি করেও প্রাইভেট হাসপাতালের মালিক, তদন্তে প্রমাণ মেলায় ডা. ইসমাইলের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি :

    সরকারি হাসপাতালে চাকুরি করেও প্রাইভেট হাসপাতালের মালিকানা থাকার অভিযোগের প্রমাণ মেলায় বিভাগীয় মামলা হয়েছে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হাসপাতালের জুনিয়র কনসালটেন্ট (অর্থোপেডিক্স) ডা. মো. ইসমাইল হোসেনের বিরুদ্ধে। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের তদন্ত কমিটি সরেজমিনে পরিদর্শন ও তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় তার বিরুদ্ধে এই বিভাগীয় মামলা করেছে।

    জানা যায়, ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হাসপাতালে চাকুরি করলেও ডা. ইসমাইল হোসেন দীর্ঘদিন ধরে সরকারি হাসপাতালের উল্টো দিকে রাস্তার ওপারেই গড়ে উঠা ম্যাক্স হাসপাতালে মালিকানা রয়েছে। এনিয়ে সম্প্রতি কয়েকজন ব্যক্তি জেলা পরিষদের প্রশাসক ও বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা হারুনুর রশীদকে লিখিত অভিযোগ দিলে তা তিনি সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে জানান। এর প্রেক্ষিতে তদন্ত কমিটি তাদের তদন্ত এর সত্যতা পেলে ডা. ইসমাইলের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা করে।

    গত ৫ জুলাই এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়। প্রজ্ঞাপনে স্বাস্থ্য সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী সাক্ষর করেছেন। প্রজ্ঞাপনে তাকে পত্রপ্রাপ্তির ১০ কর্মদিবসের মধ্যে ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে। প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা মোতাবেক তাদের বিরুদ্ধে এই মামলা দায়ের করা হয়েছে। একই সঙ্গে কেন তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত অথবা উপযুক্ত দণ্ড প্রদান করা হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়েছে।

    এদিকে, ম্যাক্স হাসপাতাল ছাড়াও জেলা হাসপাতালের বিপরীতে থাকা আরেকটি প্রাইভেট ক্লিনিকে তার শেয়ার রয়েছে, এমন অভিযোগ রয়েছে। এমনকি গর্ভমেন্ট অর্ডার (জিও) ও নো অবজেকশন সার্টিফিকেট (এনওসি) ছাড়াই তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে বিদেশ ভ্রমণের অভিযোগ রয়েছে। এনওসি ও জিও ছাড়া সরকারি কর্মকর্তা বিদেশ গেলে, তাকে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা অনুযায়ী শাস্তির মুখোমুখি হতে পারে, যার মধ্যে চাকরিচ্যুতিও অন্তর্ভুক্ত। অনুমতি ছাড়া বিদেশ যাওয়াকে সরকারকে ধোঁকা দেওয়া এবং তথ্য গোপন করে পাসপোর্ট গ্রহণের অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়, যা একটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

    জানা যায়, ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হাসপাতালের জুনিয়র কনসালটেন্ট (অর্থোপেডিক্স) ডা. মো. ইসমাইল হোসেন গতবছরের ০৩ সেপ্টেম্বর থেকে ০৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ৭ দিন অবস্থান করেছিলেন ইউরোপের দেশ স্পেনে। শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ০৩ সেপ্টেম্বর সকাল ১০টা ১৫ মিনিটে স্পেনগামী এমিরেটস এয়ারলাইন্সের একটি বিমানে স্পেন যান ডা. ইসমাইল হোসেন। ০৯ সেপ্টেম্বর মালয়েশিয়ান এয়ারলাইনসের একটি বিমানে স্পেন থেকে দুপুর ১২টায় ঢাকায় এসে পৌঁছান তিনি।

    গর্ভমেন্ট অর্ডার (জিও) ও নো অবজেকশন সার্টিফিকেট (এনওসি) ছাড়াই তিনি এই ভ্রমণ করেন। এছাড়াও ইমিগ্রেশন পুলিশের পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা হয়, ডা. ইসমাইল হোসেন ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে চীন, একই বছরের ফেব্রুয়ারীতে সংযুক্ত আরব আমিরাত, ২০২৩ সালে মিশর, ২০১৭ সাল থেকে ২০২২ সালের মধ্যে ছয় দফায় বিদেশ ভ্রমণ করেন।

  • চুনতিতে বন্যহাতির তান্ডবে ৪ বসতবাড়ি লন্ডভন্ড।

    লোহাগাড়া চট্টগ্রাম জেলা প্রতিনিধি :

    চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় চুনতিতে একদল বন্যহাতি রাতব্যাপী তান্ডব চালিয়ে চার পরিবারের বসতঘরে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষক্ষতি করেছে। হাতির আক্রমণ থেকে জানমাল রক্ষা করতে পাহাড়ঘেঁষা গ্রামের মানুষ বসতবাড়ি ছেড়ে অন্যত্র আশ্রয় নিচ্ছে। বন্যহাতির আক্রমণে দিশেহারা হয়ে পড়েছে চার পরিবারের বাসিন্দারা।

    গতকাল রাতে বন্যহাতির দল চারটি বসতঘরে তাণ্ডব চালায় বলে জানা গেছে।

    স্থানীয় চৌকিদার বাদশা জানান, গতকাল রাতে বন্যহাতির দল চুনতি চাঁন্দা এলাকার আশ্রয়ণ প্রকল্পের আবুল কাসেমের বসতঘরে তাণ্ডব চালায়। এরপরে একই এলাকার নারিশ্চা শিলটুর পাহাড়ের আবুল হাসেমের বসতঘর,চাঁন্দা আশ্রয়ণ প্রকল্পের দক্ষিণ পার্শ্বে শরীয়ত উল্যাহ`র বসতঘরে এবং একই এলাকার মোঃ রাসেলের বসতঘরে তাণ্ডব চালায়। এতে চার পরিবারের সদস্যরা কোন রকমের বসতঘর থেকে প্রানে বেঁচে যায়। হাতির তান্ডবে চারটি বসতঘরে আসবাবপত্রসহ প্রয়োজনীয় মালামাল তছনছ করে ফেলে।

  • রায়গঞ্জে পুকুরে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে স্কুলছাত্রের মৃত্যু

    রায়গঞ্জ (সিরাজগঞ্জ) উপজেলা সংবাদদাতা :

    সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলায় বজ্রপাতে রিয়াদ (১১) নামে পঞ্চম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সকালে উপজেলার পাঙ্গাসী ইউনিয়নের বৈকুণ্ঠপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

    নিহত রিয়াদ বৈকুণ্ঠপুর গ্রামের সাইদুল ইসলামের ছেলে। সে স্থানীয় বৈকুণ্ঠপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।

    স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, বৃহস্পতিবার সকালে বাড়ির পাশের একটি পুকুরে মাছ ধরছিল রিয়াদ। এ সময় হঠাৎ বৃষ্টি শুরু হলে বজ্রপাতের ঘটনা ঘটে। বজ্রাঘাতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। পরে স্বজনরা মরদেহ উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে আসেন।

    রিয়াদের আকস্মিক মৃত্যুতে পরিবারে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্বজনদের আহাজারিতে পুরো এলাকায় শোকের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। প্রতিবেশীরা জানান, রিয়াদ শান্ত স্বভাবের ও মেধাবী শিক্ষার্থী ছিল। তার এ অকাল মৃত্যুতে গ্রামের সবাই মর্মাহত।

    রায়গঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আহসানুজ্জামান বলেন, বজ্রপাতে এক শিক্ষার্থীর মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এ ঘটনার সম্পর্কে বিস্তারিক জানতে ফোর্স পাঠানো হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।

  • সলঙ্গার কুতুবের চর মৎস্য আড়ৎ খাস ইজারাভুক্তি না হওয়ায় সরকার লক্ষ লক্ষ টাকা রাজস্ব আয় থেকে বঞ্চিত

    সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি:

    সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার সলঙ্গা থানার ঘুড়কা ইউনিয়নের কুতুবের চর মৎস্য আড়ৎকে সরকারিভাবে খাস ইজারাভুক্ত করার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় মৎস্য আড়তদার সমবায় সমিতির সদস্য ও এলাকাবাসী।দীর্ঘদিন ধরে সকল শর্ত পূরণ করেও আড়ৎটি সরকারি খাস ইজারার আওতায় না আসায় তারা সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত আবেদন জানিয়েছেন।
    জানা যায়,বাসুদেবকোল মৌজার কুতুবের চর এলাকায় ২৫ জন ব্যবসায়ীকে নিয়ে “কুতুবের চর মৎস্য আড়তদার সমবায় সমিতি লিমিটেড” গঠন করা হয়।পরে ২০২৩ সালের ১০ অক্টোবর সমিতিটি নিবন্ধন লাভ করে। নিবন্ধন নম্বর-০০২৭।
    মৎস্য আড়ৎ ও হাট পরিচালনার স্বার্থে সমিতির পক্ষ থেকে সরকারকে ৩০ শতক ভূমি লিখিতভাবে প্রদান করা হয়েছে।এছাড়াও সমিতির উদ্যোগে ব্যক্তি মালিকানাধীন ২ দশমিক ০৭ একর লিজকৃত জমির ওপর আধুনিক সুযোগ-সুবিধাসম্পন্ন মৎস্য আড়ৎ গড়ে তোলা হয়েছে।
    সমিতির সদস্যরা নিজেদের অর্থায়নে প্রায় ২ কোটি টাকা ব্যয়ে মাটি ভরাট, শেড নির্মাণ,পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা, যানবাহন পার্কিং, টয়লেটসহ প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নির্মাণ করেছেন।ফলে আড়ৎটি বর্তমানে উত্তরাঞ্চলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মাছ বেচাকেনার কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে।
    প্রতিদিন দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে প্রায় ৬০ থেকে ৭০ মেট্রিক টন মাছ এখানে আসে।নিরাপদ ও সুশৃঙ্খল পরিবেশে পাইকার ও ব্যবসায়ীরা মাছ ক্রয়-বিক্রয় করতে পারায় আড়ৎটির সুনাম দিন দিন বাড়ছে।প্রতিদিন এখানে প্রায় ১ কোটি ৩০-৪০ লাখ টাকার মাছ বেচাকেনা হয় বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
    এলাকাবাসীর দাবী,এই মৎস্য আড়ৎকে কেন্দ্র করে সরাসরি ও পরোক্ষভাবে প্রায় ৪ থেকে ৫ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে।যা স্থানীয় অর্থনীতি ও মানুষের জীবিকার গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হয়ে উঠেছে।
    আড়ৎটির কার্যক্রম সম্প্রসারণের লক্ষ্যে সংশোধনী নিবন্ধন নং ০২ এর মাধ্যমে রায়গঞ্জ,সিরাজগঞ্জ সদর,কামারখন্দ, উল্লাপাড়া ও তাড়াশ এই ৫ উপজেলার সদস্য অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।বর্তমানে সমিতির সদস্য সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১০৬।

    স্থানীয়দের অভিযোগ,রহস্যজনক কারণে এখনও সরকারি খাস ইজারার আওতায় আনা হয়নি আড়ৎটি।এতে সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব আয় থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।
    এ বিষয়ে রায়গঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব আব্দুল খালেক পাটোয়ারী জানান,কুতুবের চর মৎস্য আড়তটির বিরুদ্ধে হাইকোর্টে একটি রিট-পিটিশন দায়ের করা আছে। নিষ্পত্তি হলে পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

    স্থানীয় অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং সরকারি রাজস্ব বৃদ্ধির বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে দ্রুত কুতুবের চর মৎস্য আড়ৎকে খাস ইজারাভুক্ত করার দাবী জানিয়েছেন সমিতির সদস্য ও এলাকাবাসী।

  • নেত্রকোনায় নারী শিক্ষিকাকে শ্লীলতাহানী ও যৌন হয়রানী’র অভিযোগ ওলামালীগ নেতার বিরুদ্ধে

    সোহেল খান দূর্জয়- নেত্রকোনা : নেত্রকোণায় এক নারী শিক্ষিকাকে দীর্ঘদিন ধরে কু-প্রস্তাব দেওয়া, শ্লীলতাহানির চেষ্টা, হুমকি ও বিভিন্নভাবে হয়রানির অভিযোগ উঠেছে শ্রীরামপুর দারুল আরকাম ইবতেদায়ী মাদ্রাসার শিক্ষক ও বাংলাদেশ আওয়ামী ওলামালীগের নেত্রকোণা জেলা কমিটির সদস্য সোলায়মান হোসেন এর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত আওয়ামী ওলামালীগের সদস্য মো: সোলায়মান হোসেন এর বিরুদ্ধে আইনগত ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে ইসলামী ফাউন্ডেশন নেত্রকোণা জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালকের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগী শিক্ষিকা।

    লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, অভিযোগকারী মদিনা আক্তার নোয়াগাঁও দারুল আরকাম ইবতেদায়ী মাদ্রাসার একজন নিয়মিত শিক্ষিকা।আটপাড়া উপজেলার শ্রীরামপুর দারুল আরকাম ইবতেদায়ী মাদ্রাসার শিক্ষক মো: সোলায়মান হোসেন দীর্ঘদিন ধরে তাকে বিভিন্ন সময়ে কু-প্রস্তাব দিয়ে আসছেন এবং শ্লীলতাহানির চেষ্টা করছেন।অভিযোগে বলা হয়, অভিযুক্ত শিক্ষক নোয়াগাঁও দারুল আরকাম ইবতেদায়ী মাদ্রাসায় কর্মরত থাকাকালেও অভিযোগকারীকে বিভিন্ন সময় কু-প্রস্তাব দিতেন এবং অশালীন কথাবার্তা বলতেন। একপর্যায়ে স্থানীয় লোকজন বিষয়টি জানতে পারলে তিনি সেখান থেকে চলে যান। এরপরও এই আওয়ামী ওলামালীগ নেতা অভিযোগকারীর শিক্ষিকা মদিনা আক্তারে স্বামীকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়েছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, বিষয়টি এর আগে ইসলামী ফাউন্ডেশনের জেলা কার্যালয়ে লিখিতভাবে জানানো হলেও অভিযুক্ত ব্যক্তি রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে অভিযোগটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেন। এতে অভিযোগের কার্যকর কোনো প্রতিকার মেলেনি। বরং অভিযোগ করার পর থেকে তিনি আরও ক্ষিপ্ত হয়ে অভিযোগকারীকে বিভিন্নভাবে উত্ত্যক্ত ও হয়রানি করে আসছেন।

    লিখিত অভিযোগ অনুযায়ী, গত ২১ জুন ২০২৬ নেত্রকোণা শহর থেকে বাড়ি ফেরার পথে অভিযুক্ত শিক্ষক তার পথরোধ করে পুনরায় হয়রানি ও শ্লীলতাহানির চেষ্টা করেন। এ সময় তাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজও করা হয় বলে অভিযোগে দাবি করা হয়েছে। এ বিষয়ে ইসলামী ফাউন্ডেশন নেত্রকোণা জেলা শাখার উপ-পরিচালক মো. শাহ্ আলম বলেন, “অভিযোগটি পেয়েছি। আমি সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হয়ে অসুস্থ থাকার কারণে বিষয়টির ব্যবস্থা নিতে পারিনি। কিছুটা সুস্থ হলেই অভিযোগের বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে অভিযুক্ত শিক্ষক ও আওয়ামী ওলামালীগ নেতা মো. সোলায়মান হোসেনের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন নম্বরে একাধিকবার কল দেওয়া হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। ফলে এ বিষয়ে উনার বক্তব্য পাওয়া সম্ভব হয়নি।

  • হালদার স্রোতে ভেসে গেল তিন উপজেলার সংযোগ সাঁকো, দুর্ভোগে অর্ধলক্ষাধিক মানুষের।

    হাটহাজারী(চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি:
    টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে হালদা নদীর পানি অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলার নাঙ্গলমোড়া ইউনিয়ন সংলগ্ন নদীর ওপর নির্মিত বাঁশের সাঁকোটি ভেঙে গেছে। এতে হাটহাজারী, রাউজান ও ফটিকছড়ি উপজেলার সীমান্তবর্তী কয়েকটি গ্রামের অন্তত অর্ধলক্ষাধিক মানুষের যাতায়াত মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে। সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন শিক্ষার্থী, চাকরিজীবী, কৃষক ও দিনমজুরসহ সাধারণ মানুষ।
    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে হালদা নদীর ওপর নির্মিত এই বাঁশের সাঁকোটি তিন উপজেলার মানুষের অন্যতম প্রধান যোগাযোগ মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছিল। প্রতিদিন শত শত মানুষ এ পথ দিয়ে হাটহাজারী সদর, চট্টগ্রাম শহর এবং আশপাশের বিভিন্ন এলাকায় যাতায়াত করতেন। নাঙ্গলমোড়া, নোয়াজিষপুর ও দক্ষিণ নিশ্চিন্তাপুর এলাকার শিক্ষার্থীরাও নিয়মিত এই সাঁকো ব্যবহার করে স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসায় যেতেন।
    কয়েক দিনের টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের প্রবল স্রোতে সাঁকোটি সম্পূর্ণ ভেঙে যাওয়ায় এখন স্থানীয়দের দীর্ঘ পথ ঘুরে গন্তব্যে পৌঁছাতে হচ্ছে। এতে সময়ের অপচয়ের পাশাপাশি বাড়তি যাতায়াত ব্যয়ও বহন করতে হচ্ছে।

    হাটহাজারী উপজেলা বিএনপি সিনিয়র সদস্য নাঙ্গলমোড়া ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক নাঙ্গলমোড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি ও চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পরিচালনা কমিটির সদস্য আলহাজ্ব লায়ন সালাউদ্দীন আলী বলেন, “
    হালদা নদীর ওপর নির্মিত এই সাঁকোটি শুধু একটি বাঁশের সাঁকো নয়, এটি হাটহাজারী, রাউজান ও ফটিকছড়ি—এই তিন উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকার হাজারো মানুষের দৈনন্দিন জীবনযাত্রার অন্যতম প্রধান যোগাযোগ মাধ্যম। সাঁকোটি ভেঙে যাওয়ায় শিক্ষার্থী, চাকরিজীবী, কৃষক, ব্যবসায়ী ও শ্রমজীবী মানুষ চরম দুর্ভোগের মধ্যে পড়েছেন। অনেককে কয়েক কিলোমিটার অতিরিক্ত পথ ঘুরে গন্তব্যে যেতে হচ্ছে, এতে সময় ও অর্থ—উভয় দিক থেকেই মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।
    আমি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি জোরালো আহ্বান জানাচ্ছি, জনগণের দুর্ভোগের বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দ্রুত একটি নিরাপদ বিকল্প পারাপারের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। একই সঙ্গে দীর্ঘদিনের এই জনদাবির প্রতি সম্মান জানিয়ে স্থায়ীভাবে একটি পাকা সেতু নির্মাণের কাজ দ্রুত বাস্তবায়ন করা প্রয়োজন। আশা করি, সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তর বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে অতিদ্রুত কার্যকর উদ্যোগ নেবে, যাতে তিন উপজেলার মানুষের দীর্ঘদিনের ভোগান্তির স্থায়ী অবসান ঘটে।”

    এলাকাবাসীর অভিযোগ, প্রতি বর্ষা মৌসুমেই বাঁশের সাঁকোটি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে। বছরের পর বছর অস্থায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হলেও এখনো স্থায়ী সেতু নির্মাণ না হওয়ায় দুর্ভোগ লেগেই আছে। তাই দ্রুত একটি পাকা সেতু নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন তারা।
    জানা গেছে, এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি বিবেচনায় নিয়ে ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে একটি ডিও লেটার প্রদান করেছেন।

    সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, প্রস্তাবিত স্থায়ী সেতু নির্মাণ প্রকল্পটি বর্তমানে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন প্রক্রিয়ায় রয়েছে। প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক কার্যক্রম সম্পন্ন হলে দ্রুত নির্মাণকাজ শুরু হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
    এদিকে, দ্রুত সাঁকোটি পুনঃস্থাপন অথবা নিরাপদ বিকল্প পারাপারের ব্যবস্থা না করা হলে চলমান বর্ষা মৌসুমে কয়েক হাজার পরিবারের দুর্ভোগ আরও তীব্র হবে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

  • দুর্নীতিবিরোধী সংগঠন গ্রীন ফোর্স বাংলাদেশের সদরপুর উপজেলা শাখার কমিটি অনুমোদন সভাপতি মুফতী মুহাম্মাদ জাকির হুসাইন ফরিদী, সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক মো. নুরুল ইসলাম

    ফরিদপুর প্রতিনিধি:
    দুর্নীতিবিরোধী, সামাজিক ও পরিবেশবাদী স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন গ্রীন ফোর্স বাংলাদেশ-এর ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলা শাখার ১৫ সদস্যবিশিষ্ট কার্যনির্বাহী কমিটি আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদন লাভ করেছে।

    সংগঠনের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী গত ১৮ জুন ২০২৬ তারিখে কমিটি গঠন করা হয়। পরে কেন্দ্রীয় কমিটির সম্মতিক্রমে ২৭ জুন ২০২৬ তারিখে গ্রীন ফোর্স বাংলাদেশ ফরিদপুর জেলা শাখার সভাপতি অ্যাডভোকেট পলি ও সাধারণ সম্পাদক এস এম শাহান-এর স্বাক্ষরে কমিটিটি অনুমোদিত হয়। পরবর্তীতে ৮ জুলাই ২০২৬ তারিখে অনুমোদনপত্র আনুষ্ঠানিকভাবে সদরপুর উপজেলা শাখার নবগঠিত কমিটির নেতৃবৃন্দের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

    অনুমোদিত কমিটিতে ইসলামিক স্কলার মুফতী মুহাম্মাদ জাকির হুসাইন ফরিদী সভাপতি এবং সাংবাদিক মো. নুরুল ইসলাম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে মনোনীত হয়েছেন।

    কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন— সহ-সভাপতি কাজী আব্দুস সামাদ ও মো. আব্দুস সোবহান মিয়া, যুগ্ম সম্পাদক হাফেজ আব্দুল আউয়াল, সাংগঠনিক সম্পাদক

  • দীঘিনালাতে ইয়াবা সেবনের দায়ে মাদক সম্রাট রিপনের তিন মাসের কারাদণ্ড

    খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি:
    খাগড়াছড়ির দীঘিনালা উপজেলার বোয়ালখালী পুরাতন বাজার এলাকায় ইয়াবা সেবনের দায়ে এক যুবককে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

    উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ঘটনাস্থলেই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১৮-এর ৩৬(১) ধারার সংশ্লিষ্ট বিধান অনুযায়ী তাকে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন।

    মঙ্গলবার (৭ জুলাই) রাত সাড়ে ৮টার দিকে দীঘিনালা থানা পুলিশের সহযোগিতায় পরিচালিত অভিযানে বোয়ালখালী পুরাতন বাজার এলাকার সড়ক থেকে মো. রিপন (২৫) নামে এক যুবককে আটক করা হয়। তিনি বোয়ালখালী পুরাতন বাজার এলাকার মৃত ফয়েজ আহাম্মদের ছেলে।

    দীঘিনালা থানা পুলিশ জানায়, সাজা কার্যকরের জন্য দণ্ডপ্রাপ্তকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

    দীঘিনালা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইকবাল বাহার চৌধুরী বলেন, মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে পুলিশের অভিযান নিয়মিত পরিচালিত হচ্ছে। মাদক সেবন, বহন কিংবা বিক্রির সঙ্গে জড়িত কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না। এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

  • দীঘিনালা সেনাবাহিনী উদ্যোগে বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ

    খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি:

    খাগড়াছড়ির দীঘিনালা উপজেলার বন্যাকবলিত কোবাখালী এলাকার ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর দীঘিনালা জোন।

    সাম্প্রতিক বন্যায় দুর্ভোগে পড়া স্থানীয় মানুষের মাঝে দীঘিনালা জোনের পক্ষ থেকে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।
    একই সঙ্গে বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় স্থানীয় সিভিল প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।

    বুধবার (৮ জুলাই) দীঘিনালা জোনের জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোঃ আল আমিন, এসইউপি, পিএসসি বন্যাকবলিত কোবাখালী এলাকা পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনকালে তিনি স্থানীয় জনগণের সঙ্গে কথা বলেন, তাদের দুর্ভোগ ও প্রয়োজনের কথা শোনেন এবং সার্বিক পরিস্থিতির খোঁজখবর নেন। এ সময় তিনি বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করেন এবং তাদের প্রতি সহমর্মিতা প্রকাশ করেন।

    স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, টানা বৃষ্টিপাত ও পাহাড়ি ঢলের কারণে কোবাখালী এলাকার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে অনেক পরিবার চরম ভোগান্তির মধ্যে পড়ে। এমন পরিস্থিতিতে দীঘিনালা জোনের এ মানবিক সহায়তা কার্যক্রম দুর্গত মানুষের মাঝে স্বস্তি এনে দিয়েছে।
    দুর্যোগকালীন সময়ে সেনাবাহিনীর এ ধরনের মানবিক সহায়তা কার্যক্রম স্থানীয় জনগণের মধ্যে আস্থা ও নিরাপত্তাবোধ জোরদার করেছে। বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে থেকে প্রয়োজনীয় সহায়তা অব্যাহত রাখার আশ্বাসও প্রদান করা হয়েছে।