Blog

  • বারহাট্টা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা তার উপর অর্পিত কর্মকে ধর্মের ন্যায় পালন করছেন

    নেত্রকোনা প্রতিনিধি:
    নেত্রকোনা জেলার বারহাট্টা উপজেলায় যে কয়েকজন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা সাধারণ মানুষের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছেন তাদের মধ্যে মোঃ উবায়েদ উল্লাহ খান অন্যতম। তিনি সব রকম পরিস্থিতিতে সবসময়ই প্রস্তুত থাকেন। তিনি বারহাট্টা উপজেলায় যোগদানের পর থেকেই বারহাট্টা উপজেলার একপ্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে ঘুরে বেড়িয়ে চলেছেন। প্রতিটি গ্রামে গ্রামে গিয়ে সাধারণ মানুষের দুঃখ লাগবে নিরলসভাবে কাজ করছেন।উপজেলার বিভিন্ন উন্নয়নেও রেখে চলেছেন অনন্য ভূমিকা। তাঁর স্পষ্টবাদিতা ও সততায় কিছু মুষ্টিমেয় লোকের স্বার্থ নষ্ট হলেও উপজেলার আপামর জনগণ আছেন স্বস্তিতে, এমন একজন যোগ্য প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তাকে বারহাট্টা উপজেলায় পেয়ে সাধারণ জনগণ যেনো স্বস্তি ফিরে পেয়েছেন। মোঃ উবায়েদ উল্লাহ খান এমন একজন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা যিনি তার উপর অর্পিত কর্মকে ধর্মের ন্যায় পালন করে যাচ্ছেন। তার নেই কোনো ক্লান্তি বা বিশ্রামের ভাবনা। তার চিন্তা ও চেতনায় শুধু মানুষের সেবা করা।

    বারহাট্টা উপজেলার সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, বারহাট্টা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ উবায়েদ উল্লাহ খান সততার সাথে দায়িত্ব করে যাচ্ছেন। তিনি এই উপজেলায় যোগদানের পড়েই বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ করে মানবিক প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা হিসেবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার নাম ছড়িয়ে পরেছে। মানবিক বিভিন্ন কাজের জন্য সাধারণ মানুষের মনে জায়গা করে নিয়েছেন তিনি। তিনি সাধারণ মানুষের অন্তরে আছেন।উপজেলার সাধারণ মানুষের মাধ্যমে জানা যায়, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ উবায়েদ উল্লাহ খান একজন সৎ, দক্ষ ও নিষ্ঠাবান ব্যাক্তি। যে কেউ তাদের সমস্যা নিয়ে তার কাছে গিয়ে অনায়াসেই সেবা গ্রহণ করতে পারে। এছাড়াও উপজেলার কেউ কোনো দুস্থ ও অসহায় লোককে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সাহায্যের আবেদন জানালে ও তাকে অবহিত করলে তাৎক্ষণিক তিনি তার খোঁজ-খবর নিয়ে সর্বোচ্চ সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন। তার মাধ্যমে উপজেলার সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীরা তাদের অধিকার ফিরে পেয়েছে ও সরকারি সকল সাহায্য সহযোগিতা পাচ্ছে। তার নামে, বিভিন্ন শিরোনামে বিভিন্ন পোস্ট সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে নজরে এসেছে সকলের। বারহাট্টা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সেলিনা আক্তারকে নিয়ে তিনি প্রতিদিন উপজেলার এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে ছুটে চলেছেন। এছাড়াও এই উপজেলায় অনেকেই মানবেতর জীবনযাপন করছে তাদের দেখে দেখে দেওয়া হচ্ছে সরকারের বরাদ্দকৃত খাদ্য সামগ্রী।

    এছাড়াও বারহাট্টা উপজেলার সংবাদকর্মীদের মাধ্যমে অনেক মানুষকে সহায়তা করেছেন বারহাট্টা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা। বারহাট্টায় মানসিক ভারসাম্যহীনদের মাঝে খাদ্য বিতরণসহ, অনেক ভালো কাজের মাধ্যমে তিনি মানবিক কর্মকর্তা হিসেবে উপজেলার সাধারণ মানুষের মাঝে জায়গা করে নিয়েছেন। এই বিষয়ে বারহাট্টা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ উবায়েদ উল্লাহ খান বলেন, আমরা সবসময় সরকারের দেওয়া সকল প্রকার বরাদ্দ ও খাদ্য সামগ্রী জনগণের কাছে পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করি। বারহাট্টা উপজেলায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যে মানবিক পোস্টগুলো আমাদের নজরে আসে সেগুলো আমরা সাথে সাথে খোঁজ নিয়ে সমাধান করার চেষ্টা করি। মফস্বলে অনেক মানুষের খোঁজ আমাদের অজানা তাই মফস্বলের কোনো তথ্য পেলেই সে বিষয় গুলো আমি গুরুত্ব সহকারে দেখি ও সমাধান করার চেষ্টা করি। তিনি আরও বলেন, আমরা সরকারের দায়িত্ব পালন করতে এসেছি। তাই আমি আমার সাধ্য মতো চেষ্টা করি ভালো কিছু করার। আমি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সেলিনা আক্তার স্যারকে সাথে নিয়ে উপজেলার সরেজমিনে গিয়ে সকল কাজ পরিদর্শন করি। আমি আপনাদের সকলের সহযোগিতা চাই।

  • বারহাট্টা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা তার উপর অর্পিত কর্মকে ধর্মের ন্যায় পালন করছেন


    নেত্রকোনা প্রতিনিধি:
    নেত্রকোনা জেলার বারহাট্টা উপজেলায় যে কয়েকজন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা সাধারণ মানুষের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছেন তাদের মধ্যে মোঃ উবায়েদ উল্লাহ খান অন্যতম। তিনি সব রকম পরিস্থিতিতে সবসময়ই প্রস্তুত থাকেন। তিনি বারহাট্টা উপজেলায় যোগদানের পর থেকেই বারহাট্টা উপজেলার একপ্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে ঘুরে বেড়িয়ে চলেছেন। প্রতিটি গ্রামে গ্রামে গিয়ে সাধারণ মানুষের দুঃখ লাগবে নিরলসভাবে কাজ করছেন।উপজেলার বিভিন্ন উন্নয়নেও রেখে চলেছেন অনন্য ভূমিকা। তাঁর স্পষ্টবাদিতা ও সততায় কিছু মুষ্টিমেয় লোকের স্বার্থ নষ্ট হলেও উপজেলার আপামর জনগণ আছেন স্বস্তিতে, এমন একজন যোগ্য প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তাকে বারহাট্টা উপজেলায় পেয়ে সাধারণ জনগণ যেনো স্বস্তি ফিরে পেয়েছেন। মোঃ উবায়েদ উল্লাহ খান এমন একজন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা যিনি তার উপর অর্পিত কর্মকে ধর্মের ন্যায় পালন করে যাচ্ছেন। তার নেই কোনো ক্লান্তি বা বিশ্রামের ভাবনা। তার চিন্তা ও চেতনায় শুধু মানুষের সেবা করা।

    বারহাট্টা উপজেলার সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, বারহাট্টা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ উবায়েদ উল্লাহ খান সততার সাথে দায়িত্ব করে যাচ্ছেন। তিনি এই উপজেলায় যোগদানের পড়েই বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ করে মানবিক প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা হিসেবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার নাম ছড়িয়ে পরেছে। মানবিক বিভিন্ন কাজের জন্য সাধারণ মানুষের মনে জায়গা করে নিয়েছেন তিনি। তিনি সাধারণ মানুষের অন্তরে আছেন।উপজেলার সাধারণ মানুষের মাধ্যমে জানা যায়, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ উবায়েদ উল্লাহ খান একজন সৎ, দক্ষ ও নিষ্ঠাবান ব্যাক্তি। যে কেউ তাদের সমস্যা নিয়ে তার কাছে গিয়ে অনায়াসেই সেবা গ্রহণ করতে পারে। এছাড়াও উপজেলার কেউ কোনো দুস্থ ও অসহায় লোককে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সাহায্যের আবেদন জানালে ও তাকে অবহিত করলে তাৎক্ষণিক তিনি তার খোঁজ-খবর নিয়ে সর্বোচ্চ সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন। তার মাধ্যমে উপজেলার সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীরা তাদের অধিকার ফিরে পেয়েছে ও সরকারি সকল সাহায্য সহযোগিতা পাচ্ছে। তার নামে, বিভিন্ন শিরোনামে বিভিন্ন পোস্ট সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে নজরে এসেছে সকলের। বারহাট্টা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সেলিনা আক্তারকে নিয়ে তিনি প্রতিদিন উপজেলার এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে ছুটে চলেছেন। এছাড়াও এই উপজেলায় অনেকেই মানবেতর জীবনযাপন করছে তাদের দেখে দেখে দেওয়া হচ্ছে সরকারের বরাদ্দকৃত খাদ্য সামগ্রী।

    এছাড়াও বারহাট্টা উপজেলার সংবাদকর্মীদের মাধ্যমে অনেক মানুষকে সহায়তা করেছেন বারহাট্টা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা। বারহাট্টায় মানসিক ভারসাম্যহীনদের মাঝে খাদ্য বিতরণসহ, অনেক ভালো কাজের মাধ্যমে তিনি মানবিক কর্মকর্তা হিসেবে উপজেলার সাধারণ মানুষের মাঝে জায়গা করে নিয়েছেন। এই বিষয়ে বারহাট্টা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ উবায়েদ উল্লাহ খান বলেন, আমরা সবসময় সরকারের দেওয়া সকল প্রকার বরাদ্দ ও খাদ্য সামগ্রী জনগণের কাছে পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করি। বারহাট্টা উপজেলায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যে মানবিক পোস্টগুলো আমাদের নজরে আসে সেগুলো আমরা সাথে সাথে খোঁজ নিয়ে সমাধান করার চেষ্টা করি। মফস্বলে অনেক মানুষের খোঁজ আমাদের অজানা তাই মফস্বলের কোনো তথ্য পেলেই সে বিষয় গুলো আমি গুরুত্ব সহকারে দেখি ও সমাধান করার চেষ্টা করি। তিনি আরও বলেন, আমরা সরকারের দায়িত্ব পালন করতে এসেছি। তাই আমি আমার সাধ্য মতো চেষ্টা করি ভালো কিছু করার। আমি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সেলিনা আক্তার স্যারকে সাথে নিয়ে উপজেলার সরেজমিনে গিয়ে সকল কাজ পরিদর্শন করি। আমি আপনাদের সকলের সহযোগিতা চাই।

  • ফরিদপুরের সদরপুরে শাশুড়িকে ধর্ষণের অভিযোগ, ৯৯৯-এ ফোনের পর জামাই আটক


    ফরিদপুর প্রতিনিধি:
    ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলায় পারিবারিক সম্পর্কের চরম অবক্ষয়ের একটি ঘটনায় নিজের শাশুড়িকে ধর্ষণের অভিযোগে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ভুক্তভোগী নারীর তাৎক্ষণিক ফোনকলের পর জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর সহায়তায় পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযুক্তকে আটক করে।

    পুলিশ জানায়, উপজেলার কৃষ্ণপুর ইউনিয়নের একটি গ্রামে শুক্রবার (২৬ জুন) দিবাগত রাতে এ ঘটনা ঘটে। অভিযোগ অনুযায়ী, ৪২ বছর বয়সী এক নারী ওই সময় নিজ বাড়িতে একা ছিলেন। সুযোগ বুঝে তার মেয়ের স্বামী বিপ্লব মাতুব্বর (২৫) বাড়িতে প্রবেশ করে এবং ঘরের দরজা বন্ধ করে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন।

    ঘটনার পর ভুক্তভোগী নারী আতঙ্কিত অবস্থায় জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করে সাহায্য চান। খবর পাওয়ার পর সদরপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. আশরাফুল হক সঙ্গীয় পুলিশ সদস্যদের নিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে যান। পরে ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করা হয় এবং অভিযুক্ত বিপ্লব মাতুব্বরকে আটক করা হয়।

    সদরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন শাহ্ জানান, ভুক্তভোগীর অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা নেওয়া হয়েছে। প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও ডাক্তারি পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হয়েছে এবং পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

    তিনি আরও বলেন, প্রাথমিক তদন্ত শেষে গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিকে আদালতের মাধ্যমে ফরিদপুর জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৫৩ বিজিবির অভিযানে বিপুল পরিমান ভারতীয় মাদক জব্দ

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি:
    আজ ২৭ জুন ২০২৬ তারিখ চাঁপাইনবাবগঞ্জ ব্যাটালিয়ন (৫৩ বিজিবি) এর অধীনে একটি বিশেষ মাদকবিরোধী অভিযানে ৪৪৩ বোতল ভারতীয় নেশাজাতীয় এস্কাফ সিরাপ জব্দ করা হয়েছে।

    ​ভোর আনুমানিক ৪টা ৪০ মিনিটে ৫৩ বিজিবির মাসুদপুর বিওপি এই অভিযান চালায়। শিবগঞ্জ থানার মনাকষা ইউনিয়নের চৌধুরী স্মরণী গ্রাম থেকে বিপুল পরিমান এই মাদক জব্দ করা হয়। উদ্ধারকৃত এই এস্কাফ সিরাপের আনুমানিক বাজার মূল্য ১,৭৭,২০০/- টাকা। জব্দ করা মাদকদ্রব্যগুলো প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য শিবগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।​মাদকের বিরুদ্ধে বিজিবির জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নে এটি একটি বড় সফলতা। উল্লেখ্য, ৫৩ বিজিবি চলতি জুন মাসে তাদের বিভিন্ন অভিযানে ১,১৬১ বোতল এস্কাফ সিরাপ, ১৮৭ বোতল ফেয়ারডিল সিরাপ এবং ৪০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট জব্দ করেছে। এই অভিযানগুলোতে একজন আসামীও গ্রেপ্তার হয়েছে এবং মোট মাদকদ্রব্যের আনুমানিক বাজার মূল্য ৫,৫১,২০০/- টাকা।

    ​৫৩ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল কাজী মুস্তাফিজুর রহমান, পিএসসি এই অভিযানের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেছেন, সীমান্ত সুরক্ষা এবং যে কোনো অবৈধ চোরাচালান বিশেষ করে মাদক চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবি সবসময় তৎপর রয়েছে এবং এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।

  • ইতালির রোমে নিজ বাসায় ছুরিকাঘাতে কোম্পানীগঞ্জের একই পরিবারের স্বামী-স্ত্রী ও কন্যা নিহত

    নোয়াখালী প্রতিনিধি:
    ইতালির রাজধানী রোমে নিজ বাসায় নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার একই পরিবারের তিন সদস্যকে ছুরিকাঘাতে হত্যার ঘটনা ঘটেছে।
    এ ঘটনায় পরিবারের আরও এক সদস্য আহত হয়েছেন।

    শুক্রবার (২৬ জুন) রাতে রোমের পার্শ্ববর্তী এলাকা ক্যাসালোত্তির ভিয়া মন্তিলিও এলাকায় একটি অ্যাপার্টমেন্টে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।

    নিহতরা হলেন, নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার চরকাঁকড়া ইউনিয়নের সিরাজ মিয়ার নতুন বাড়ির বাসিন্দা সিরাজুল ইসলামের ছেলে কামাল উদ্দিন বাবুল (৩৯), তার স্ত্রী (৩৮) এবং তাদের ৫ বছর বয়সী কন্যাসন্তান।

    এ ঘটনায় তাদের ২০ বছর বয়সী ছেলেও গুরুতর আহত হয়েছেন। তাকে উদ্ধার করে ইতালির স্থানীয় জেমেলি পলিক্লিনিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

    ঘটনার পর ইতালির আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং হত্যাকাণ্ডের কারণ উদঘাটনে তদন্ত কার্যক্রম শুরু করেছে।

    এদিকে একই পরিবারের ৩ সদস্যের নিহত হওয়ার খবরে কোম্পানীগঞ্জের চরকাঁকড়া এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। নিহতদের স্বজন ও এলাকাবাসীর মধ্যে গভীর শোক ও উৎকন্ঠা বিরাজ করছে।

  • দায়িত্বে ফিরলেন আলোয়া খাতুন হীরা

    রাজশাহী জেলা প্রতিনিধি:
    রাজশাহীর দাওকান্দি সরকারি কলেজের আলোচিত প্রদর্শক (সাচিবিক বিদ্যা ও অফিস ব্যবস্থাপনা) মোছা. আলোয়া খাতুন হীরার সাময়িক বরখাস্তাদেশ প্রত্যাহার করা হয়েছে। তবে তদন্তের চূড়ান্ত প্রতিবেদন ও সিদ্ধান্ত প্রকাশ না হওয়া পর্যন্ত তাকে প্রশাসনিক ও আর্থিক সংশ্লিষ্ট কমিটির কার্যক্রম থেকে বিরত থাকার নির্দেশ বহাল রয়েছে।

    রাজশাহী অঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) প্রফেসর মো. আব্দুল মান্নান স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।

    জানা যায়, গত ২৩ এপ্রিল দাওকান্দি সরকারি কলেজে সংঘটিত একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ও প্রশাসনিক কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখার স্বার্থে আলোয়া খাতুন হীরাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছিল। পরবর্তীতে বিষয়টি তদন্তে একাধিক কমিটি গঠন করা হয় এবং বিভিন্ন বিভাগের তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ শেষে তার সাময়িক বরখাস্তাদেশ প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

    তবে তদন্ত কার্যক্রম সম্পূর্ণ শেষ না হওয়া পর্যন্ত কলেজের প্রশাসনিক ও আর্থিক সংশ্লিষ্ট কমিটিগুলোর কার্যক্রম থেকে তাকে বিরত থাকার নির্দেশ বহাল থাকবে বলে অফিস আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে। একই সঙ্গে আদেশটি অবিলম্বে কার্যকর হবে বলেও জানানো হয়েছে।
    উল্লেখ্য, গত ২৩ এপ্রিল দাওকান্দি সরকারি কলেজের প্রদর্শক আলোয়া খাতুন হীরার একটি ব্যক্তিগত ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়। এরপর শিক্ষা প্রশাসনের নির্দেশনায় ঘটনাটি তদন্তের আওতায় আনা হয় এবং সাময়িক বরখাস্তের সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়।

    এ বিষয়ে রাজশাহী আঞ্চলিক মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক প্রফেসর মো. আব্দুল মান্নান বলেন, “আলোয়া খাতুন হীরার সাময়িক বরখাস্তাদেশ প্রত্যাহার করা হয়েছে। তবে তদন্তসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোর চূড়ান্ত নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত প্রশাসনিক নির্দেশনা অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

    বরখাস্তাদেশ প্রত্যাহারের খবরে কলেজ-সংশ্লিষ্টদের মধ্যে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। এখন তদন্তের চূড়ান্ত প্রতিবেদন ও পরবর্তী প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের দিকেই নজর রয়েছে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের।

  • শত বছরের ঐতিহ্য: ধামইরহাটে ঐতিহাসিক শাকই শংকরপুরের মাদারের মেলা অনুষ্ঠিত

    নওগাঁর প্রতিনিধি:
    নওগাঁ ধামইরহাটে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে ঐতিহাসিক শাকই শংকরপুরের ‘মাদারের মেলা।এলাকার প্রায় শত বছরের পুরোনো এই ঐতিহ্যবাহী মেলাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় বাসিন্দা ও দর্শনার্থীদের মাঝে বিরাজ করছে উৎসবমুখর পরিবেশ।

    শতাব্দীর প্রাচীন এই মেলাটি শুধু একটি উৎসবই নয়, বরং এটি এই অঞ্চলের লোকসংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের এক অনন্য মিলনমেলায় পরিণত হয়েছে। প্রতি বছরের মতো এবারও মেলায় দূর-দূরান্ত থেকে আসা মানুষের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। মেলা প্রাঙ্গণে বসেছে বাহারি রকমের কুটির শিল্প, কাঠের আসবাবপত্র, খেলনা এবং মুখরোচক মিষ্টি-খাবারের দোকান।

    স্থানীয়রা জানান, পূর্বপুরুষদের আমল থেকে চলে আসা এই মেলাটি তাদের প্রাণের উৎসব। এটি এলাকার সর্বস্তরের মানুষের মাঝে পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির বন্ধনকে আরও দৃঢ় করে তোলে।

  • সপ্তাহের ব্যবধানে সদরপুরে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা সমর্থকদের বিশাল বর্ণাঢ্য র‌্যালি, ফুটবল উন্মাদনায় মুখর জনপদ

    ফরিদপুর প্রতিনিধি:
    ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলায় মাত্র এক সপ্তাহের ব্যবধানে বিশ্ব ফুটবলের দুই জনপ্রিয় দল ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনার সমর্থকদের উদ্যোগে দুটি বিশাল বর্ণাঢ্য র‌্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ দুই আয়োজন ঘিরে পুরো উপজেলায় সৃষ্টি হয়েছে উৎসবমুখর পরিবেশ এবং ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে।

    গত ১৯ জুন শুক্রবার ব্রাজিল সমর্থকরা উপজেলার বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে এক বর্ণাঢ্য র‌্যালির আয়োজন করেন। সবুজ-হলুদ পতাকা, জার্সি, ব্যানার ও বাদ্যযন্ত্রের তালে তালে বিপুলসংখ্যক সমর্থকের অংশগ্রহণে র‌্যালিটি ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়।

    এর ঠিক এক সপ্তাহ পর আজ শুক্রবার (২৬ জুন) আর্জেন্টিনা সমর্থকরা আগের আয়োজনকে ছাপিয়ে আরও ব্যতিক্রমধর্মী ও চমকপ্রদ র‌্যালির আয়োজন করেন। নীল-সাদা পতাকা, বিশালাকার ব্যানার, নানা সাজসজ্জা এবং বিপুলসংখ্যক সমর্থকের অংশগ্রহণে র‌্যালিটি এক উৎসবের রূপ নেয়।

    আর্জেন্টিনা সমর্থকদের দাবি, অংশগ্রহণকারী মানুষের সংখ্যা ও আয়োজনের দিক থেকে এটি দক্ষিণবঙ্গের মধ্যে আর্জেন্টিনা সমর্থকদের সর্ববৃহৎ র‌্যালি। র‌্যালিতে বিভিন্ন বয়সী মানুষ, বিশেষ করে তরুণ ও কিশোরদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ছিল চোখে পড়ার মতো।

    স্থানীয়দের মতে, বিশ্ব ফুটবলকে ঘিরে সদরপুরে এমন প্রাণবন্ত আয়োজন কেবল খেলাপ্রেমই নয়, সামাজিক সম্প্রীতি ও উৎসবমুখর সংস্কৃতিকেও নতুন মাত্রা দিয়েছে। সপ্তাহের ব্যবধানে দুই দলের সমর্থকদের শান্তিপূর্ণ ও বর্ণাঢ্য র‌্যালি এখন সদরপুরজুড়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।

  • লোহাগাড়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেল আরোহী রুবেলের মৃত্যু


    লোহাগাড়ার প্রতিনিধি:
    চট্টগ্রাম কক্সবাজার মহাসড়কের লোহাগাড়া আমিরাবাদ পুরান বিওসি এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় রুবেল নামে এক মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হয়েছেন।

    শুক্রবার রাতে এ দুর্ঘটনা ঘটে বলে জানা গেছে।

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রুবেল উপজেলার পদুয়া এলাকার একটি কমিউনিটি সেন্টারে বিয়ের অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার পর মোটরসাইকেলযোগে বাড়ি ফিরছিলেন। ফেরার পথে পুরাতন বিওসি এলাকায় পৌঁছালে হঠাৎ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মোটরসাইকেল থেকে ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হন তিনি।

    পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

    নিহত রুবেল লোহাগাড়া উপজেলার কলাউজান ইউনিয়নের হিন্দুরহাট এলাকার সামমহজানের বাড়ির বাসিন্দা। বিষয়টি স্থানীয় বাসিন্দা মোহাম্মদ আরমান নিশ্চিত করেছেন।

  • লোহাগাড়া ল্যাবরেটরি স্কুল এন্ড কলেজে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধন

    লোহাগাড়ার প্রতিনিধি:
    লোহাগাড়া ল্যাবরেটরী স্কুল এন্ড কলেজে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধন।
    প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে লোহাগাড়া ল্যাবরেটরি স্কুল এন্ড কলেজে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে।

    ২২ জুন (সোমবার) সকালে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য, লোহাগাড়া উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব সাজ্জাদুর রহমান চৌধুরী।

    সাজ্জাদুর রহমান চৌধুরী বলেন, পরিবেশ রক্ষা আজ আর কোনো বিকল্প কর্মসূচি নয়, এটি আমাদের জাতীয় দায়িত্ব ও নৈতিক অঙ্গীকার। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বৃক্ষরোপণ ঘোষণার বাস্তবায়নে আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে আসতে হবে। একটি গাছ মানে শুধু সবুজ নয় এটি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য জীবন, নিরাপত্তা ও টেকসই পরিবেশের প্রতিশ্রুতি। তাই আসুন, আমরা প্রত্যেকে বেশি বেশি গাছ লাগাই এবং সেগুলোর যত্ন নিয়ে একটি সবুজ, সুন্দর ও বাসযোগ্য বাংলাদেশ গড়ে তুলি।

    এ সময় বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাস্টার সুনীল কুমার চৌধুরীসহ শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।