Blog

  • লোহাগাড়ায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন করা হবে, চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের প্রশাসক মাহবুবের রহমান শামীম

    লোহাগাড়ার চট্টগ্রাম জেলা প্রতিনিধি :

    চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের প্রশাসক মাহবুবের রহমান শামীম বলেছেন, বন্যার পানি নেমে গেলেও ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের দুর্ভোগ শেষ হয়নি। এখন তাদের পুনর্বাসনই সবচেয়ে বড় দায়িত্ব। তিনি বলেন, বন্যাকালে সরকার, মন্ত্রিসভার সদস্য এবং বিএনপির নেতাকর্মীরা ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে ছিলেন। সেই সহায়তার ধারাবাহিকতায় এখন কার্যক্রমকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। পুনর্বাসন

    বিকেলে চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার আধুনগর বাজার এলাকায় উপজেলা বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে ঢেউটিন ও ত্রাণসামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের হাতে ঢেউটিন ও খাদ্যসামগ্রী তুলে দেওয়া হয়।মাহবুবের রহমান শামীম বলেন, ভয়াবহ বন্যায় অনেক পরিবার বসতঘর হারিয়েছে। কৃষিজমির ফসল, গবাদিপশুর খামার, পোলট্রি খামার এবং মাছের ঘের ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েছে। এসব ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক আসহাব উদ্দীন চৌধুরী, সদস্য নাজমুল মোস্তফা আমিন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন লোহাগাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বায়েজিদ বিন আকন্দ, লোহাগাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবদুল্লাহ, মাওলানা মুজিবুর রহমান চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা ওলামা দলের সভাপতি, প্রবাসী মোহাং খোরশেদ দক্ষিণ জেলা যুবদলের সিনিয়র সহ-সহ-সভাপতি আবু সেলিম চৌধুরী চুনতি ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি নূর মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ, লোহাগাড়া উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক শব্বির আহম্মেদসহ আধুনগর যুবদল জাহেদ মোক্তার মানিক আইয়ুব আরাফাত বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

  • রায়গঞ্জে পুকুরে গোসল করতে নেমে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু

    রায়গঞ্জ, সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি:

    সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার চান্দাইকোনা শেখপাড়ায় সিয়াম (৬) নামে এক শিশু পুকুরের পানিতে ডুবে মৃত্যু হয়েছে।

    মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) দুপুর গোসল করতে গিয়ে এ ঘটনা ঘটে। সিয়াম ওই এলাকার আকরাম হোসেনের ছেলে।

    পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সিয়াম দুপুরে বাড়ির পাশে একটি পুকুরে সমবয়সী কয়েকজন শিশুর সঙ্গে গোসল করতে নামে। গোসল শেষে অন্য শিশুরা পুকুর থেকে উঠে এলেও সে আর ফিরে আসেনি। বিষয়টি বুঝতে পেরে পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন।

    পরে সিয়ামের সঙ্গে গোসল করা শিশুদের তথ্যের ভিত্তিতে পরিবারের সদস্যরা পুকুরে খোঁজ করলে পানিতে ভাসমান অবস্থায় তার মরদেহ দেখতে পান। স্থানীয়দের সহযোগিতায় মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

    রায়গঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আহসানুজ্জামান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে। আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

    সিয়ামের মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে নেমে আসে।

  • বিএমএসএফ কক্সবাজার জেলা শাখার সভাপতি জসিম সম্পাদক নাজিম

    কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধি:

    কক্সবাজার, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬ খ্রী: বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের কক্সবাজার জেলা শাখার সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন দৈনিক যুগান্তরের প্রতিনিধি জসিম উদ্দিন ও সাধারণ সম্পাদক দৈনিক মেহেদীর নির্বাহী সম্পাদক মো: নাজিম উদ্দীন। মঙ্গলবার বিকেলে পর্যটন নগরী কক্সবাজারের একটি রেষ্টুরেন্টের হলরুমে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় এ কমিটি গঠন করা হয়। আগামী সাত কার্যদিবসের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করে কেন্দ্রে পাঠাতে অনুরোধ করা হয়েছে।

    মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি ও ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান আহমেদ আবু জাফর বলেন দেশের সাংবাদিকদের স্বার্থে সুরক্ষা আইনের পাশাপাশি তালিকা প্রণয়ন জরুরী। অবিলম্বে সরকারকে এ উদ্যোগ গ্রহন করতে আহবান জানানো হয়।

    বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম, কক্সবাজার জেলা শাখার সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মো: জসিম উদ্দিনের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম, কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক লায়ন মো: আবুল হোসেন, ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য মোস্তাক আহমেদ খান, সহ-সভাপতি এম জাহেদ চৌধুরী, সহ-সভাপতি শফিকুল ইসলাম ভুঁইয়া ও যুগ্ম সম্পাদক আব্দুর রহিম।

    সভায় উপস্থিত ছিলেন উপকূলীয় সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি ইকবাল বাহার চৌধুরী, সমুদ্র কন্ঠের চীফ রিপোর্টার মহিউদ্দিন মাহি, টেকনাফ শাখার সাধারণ সম্পাদক আরাফাত সানি, মহেশখালী শাখার সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার হাফিজুর রহমান খান, পেকুয়া শাখার সদস্য রেজাউল করিম, নাজিম উদ্দীন, মো: ইলিয়াস, চকরিয়া শাখার সদস্য মো: সেলিম উদ্দিন, কক্সবাজারের সদস্য মো: আরিফ, বান্দরবান জেলা শাখার হেলাল উদ্দিন, গ্রীণ টিভির প্রতিনিধি মো: নুর হোসেন প্রমূখ।

  • ডিবি ও কোতোয়ালী থানা পুলিশের যৌথ অভিযানে সক্রিয় ছিনতাইকারী চক্রের ৬ সদস্য গ্রেফতার

    ময়মনসিংহ প্রতিনিধি:
    ময়মনসিংহ জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) ও কোতোয়ালী মডেল থানার পুলিশের যৌথ অভিযানে সক্রিয় ছিনতাইকারী চক্রের ৬ সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

    পুলিশ জানায়, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ কামরুল হাসানের সার্বিক তত্ত্বাবধানে এবং জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) দক্ষিণের অফিসার ইনচার্জ মুহাম্মাদ মাহবুবুল হক ও কোতোয়ালী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মো. শিবিরুল ইসলামের নির্দেশনায় মঙ্গলবার (২৮ জুলাই ২০২৬) ভোর থেকে সকাল পর্যন্ত ময়মনসিংহ নগরীর কোতোয়ালী থানাধীন আকুয়া, বালুর মাঠ ও ভাবখালী এলাকায় যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

    অভিযানে গ্রেফতাররা হলেন— মো. আবিজুর রহমান রাজন (৩০), মো. আমির হোসেন জয় (২৮), জুয়েল (৩০), জাহাঙ্গীর আলম (২২), মো. নাঈম (২৫) এবং মো. রাব্বি (২৬)।

    পুলিশের দাবি, গ্রেফতার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে চুরি, ছিনতাই ও মাদকসহ বিভিন্ন অভিযোগে একাধিক মামলা রয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে কোতোয়ালী মডেল থানায় মামলা রুজু করে আইনানুগ প্রক্রিয়া শেষে বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে।

    জেলা পুলিশের তথ্যমতে, সাম্প্রতিক কয়েক দিনের ধারাবাহিক অভিযানে এ পর্যন্ত মোট ৩২ জন ছিনতাইকারীর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

    পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, ডিবি ও থানা পুলিশের এই যৌথ অভিযানের ফলে নগরবাসীর মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশের কার্যক্রম আরও জোরদার হয়েছে। তবে জনমনে আস্থা বৃদ্ধির বিষয়টি পুলিশের মূল্যায়ন; এ বিষয়ে স্বাধীনভাবে যাচাই করা হয়নি।

  • ময়মনসিংহে শীর্ষ মাদক ব্যাবসায়ী হামের নেতৃত্বে কেওয়াটখালী এলাকা সয়লাব সোর্সের সহযোগিতায় ধরাছোঁয়ার বাইরে


    ময়মনসিংহ প্রতিনিধি:
    ময়মনসিংহ কোতোয়ালী মডেল থানা পুলিশ এবং জেলা ডিবি পুলিশ ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর এর যৌথ মাদক বিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকায় ইতিমধ্যেই রেকর্ড পরিমান পুরুষ মহিলা মাদক ব্যাবসায়ী গ্রেফতার সহ মাদক উদ্ধার হলেও কেওয়াটখালী এলাকায় পুলিশের সাড়াশি অভিযান না হওয়ায় ঐ এলাকার বাতাশ এখন মাদকের আগ্রাসনে আক্রান্ত হয়ে পরেছে । স্থানীয় সর্ব মহলে চিহ্নিত আদালতে বিচারাধীন বহু মাদক মামলার অভিযুক্ত আসামি শীর্ষ মাদক ব্যাবসায়ী হামের নেতৃত্বে অভিনব কায়দায় চলছে রমরমা মাদক ব্যাবসা।

    জানাগেছে হামের মেয়ে ময়না, হাপ্পি ও সীমা সহ একটি সংঘবদ্ধ দল কেওয়াটখালী বাজার এলাকা , হাক্কানী মোড় ও কেওয়াটখালী রেল ব্রীজ সংলগ্ন আম গাছের নীচে মোস্তুর দোকানের সামনে সর্ব সময়ই ইয়াবা কেনা বেচা করছে । হামের নিজস্ব সোর্স রয়েছে তারা কোন প্রকার পুলিশি উপস্থিতি বা আনাগোনা টের পেলেই আস্তে করে মোবাইলে সতর্ক করে দেয় যার ফলে চিহ্নিত মাদক ব্যাবসায়ী হামে সহ অন্যান্য সহযোগী মাদক বিক্রেতারা প্রতিনিয়ত ধরা ছোঁয়ার বাইরে থেকে যাচ্ছে ।

    উল্লেখ্য প্রায় এক বছর পূর্বে কোতোয়ালী মডেল থানার স্বনামধন্য দায়িত্ব পালনে সফল সাহসী ওসি মোহাম্মদ শিবিরুল ইসলাম নিজে সরাসরি অভিযান চালিয়ে হামেকে গ্রেফতার করে আদালতে সোপর্দ করলেও বেশকিছু হাজত বাস করার পর আইনের ফাঁকে জামিনে বেড়িয়ে আসে এবং বেশ কিছু দিন ঘাপটি মেরে থাকার পর আবার সহকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে রমরমা মাদক ব্যাবসা চালিয়ে যাচ্ছে ।

    এলাকা বাসী অভিযোগে জানিয়েছে হামের রয়েছে নিজস্ব সোর্স ও মাস্তান বাহিনী যার ফলে ইচ্ছে থাকা সত্বেও কেউ কোন প্রকার প্রতিবাদ বা মুখ খুলতে সাহস পায়না। বিষয় টি নিয়ে স্থানীয় এলাকাবাসী সচেতন মহলে নানান ধরনের মন্তব্য বয়ে বেড়াচ্ছে ।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ সীমান্তে ৫৩ বিজিবির বিশেষ অভিযানে ভারতীয় ১০ মোবাইল ফোন ও মোটরসাইকেলসহ আটক ২

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি:
    চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ সীমান্তে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ভারতীয় ১০টি মোবাইল ফোন ও একটি মোটরসাইকেলসহ দুইজনকে আটক করেছে চাঁপাইনবাবগঞ্জ ব্যাটালিয়ন (৫৩ বিজিবি)।

    মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সকাল ৯টার দিকে ব্যাটালিয়নের অধীনস্থ মনাকষা বিওপির একটি বিশেষ টহল দল শিবগঞ্জ উপজেলার মনাকষা ইউনিয়নের মনাকষা গ্রামের মাস্তানমোড় এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করে।
    আটক ব্যক্তিরা হলেন, শিবগঞ্জ উপজেলার মনাকষা ইউনিয়নের পারচৌকা গ্রামের মো. আবুল কালামের ছেলে মো. শাহিন আলম (২০) এবং একই গ্রামের মো. বেলাল উদ্দিনের ছেলে মো. মাহফুজ (১৭)।

    বিজিবি জানায়, অভিযানের সময় আটক দুইজনের কোমরে বিশেষ কৌশলে লুকিয়ে রাখা অবস্থায় ৮টি ভারতীয় মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। এছাড়া তাদের ব্যবহৃত আরও ২টি মোবাইল ফোন এবং একটি মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়েছে। সব মিলিয়ে জব্দকৃত মালামালের আনুমানিক বাজারমূল্য ৩,২৪,৪৮৯ টাকা।
    আটক দুইজন, উদ্ধারকৃত মোবাইল ফোন এবং মোটরসাইকেল পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য শিবগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ ব্যাটালিয়ন (৫৩ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল কাজী মুস্তাফিজুর রহমান, পিএসসি, বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, সীমান্ত এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার, পুশ-ইন প্রতিরোধ, মাদক ও অন্যান্য চোরাচালান দমনে বিজিবি সর্বদা সতর্ক অবস্থানে রয়েছে এবং এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

    উল্লেখ্য, চলতি জুলাই মাসে ৫৩ বিজিবির বিভিন্ন অভিযানে মোট ৬৬টি ভারতীয় মোবাইল ফোন জব্দ এবং তিনজনকে আটক করা হয়েছে। এর মধ্যে ৫৫টি মোবাইল চাঁপাইনবাবগঞ্জ কাস্টমস অফিসে এবং ১১টি সংশ্লিষ্ট থানায় জমা দেওয়া হয়েছে।

  • নওগাঁয় অসহায় ভ্যানচালককে ঘর তৈরি করে দিচ্ছেন এমপি ধলু


    নওগাঁ প্রতিনিধি :
    নওগাঁ সদর আসনের সংসদ সদস্য জাহিদুল ইসলাম ধলুর মানবিক উদ্যোগে অবশেষে মাথার ওপর স্থায়ী পাকা ঘড় পেতে যাচ্ছেন এক নিঃস্ব ভ্যানচালক।

    জানা গেছে, নওগাঁ সদর উপজেলার দুবলহাটি ইউনিয়নের ভবানী নগর গ্রামের মৃত আলী জানের ছেলে মো. আব্দুল আজিজ পেশায় একজন সাধারণ ভ্যানচালক। দুই ছেলে ও এক মেয়েকে নিয়ে অত্যন্ত মানবেতর জীবনযাপন করছিলেন তিনি। সম্বল বলতে ছিল কেবল সামান্য বসতভিটা, যেখানে জরাজীর্ণ অবস্থায় দিন কাটছিল পুরো পরিবারের।

    আব্দুল আজিজের এই অসহায়ত্বের খবর জানতে পেরে মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) বিকেলে মানবিক সহায়তার হাত বাড়িয়ে দেন সংসদ সদস্য জাহিদুল ইসলাম ধলু। তিনি আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে আব্দুল আজিজকে একটি নতুন ঘর এবং একটি উন্নত মানের পায়খানা তৈরি করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন।

    সংসদ সদস্যের এমন দ্রুত ও মানবিক পদক্ষেপে স্বস্তি ও আনন্দের বন্যা বইছে আব্দুল আজিজের পরিবারে। আবেগপ্লুত কণ্ঠে আব্দুল আজিজ বলেন, “সংসদ সদস্য মহোদয়ের এই উপহার আমার জীবনের বড় এক আশ্রয়। এবার আমরা পরিবার নিয়ে শান্তিতে থাকতে পারব।”

    এ বিষয়ে এমপি জাহিদুল ইসলাম ধলু জানান, এলাকার কোনো অসহায় মানুষ যেন মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত না হয়, সে লক্ষ্যেই তিনি কাজ করে যাচ্ছেন। ভ্যানচালক আব্দুল আজিজের ঘর ও পায়খানা তৈরির কাজ দ্রুত শুরু করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই তা হস্তান্তর করা হবে।

  • টাইমস টুডের সাংবাদিক হলেন তাজু! উচ্চ ডিগ্রিধারী সাংবাদিকেরা আজ কোথায়?


    নিজস্ব প্রতিবেদক :

    মনে পরছে তাজু যখন ভাইরাল হলো তখন সে বারবার বলছিল আমি সাংবাদিক না। আমি এমনি ভিডিও বানাই। তাকে সাংবাদিক বানিয়ে দিল একটা অনলাইন পোর্টাল।

    সরকার যখন চাচ্ছে গণমাধ্যমের শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে, সাংবাদিকদের ন্যূনতম অনার্স পর্যন্ত শিক্ষাগত যোগ্যতা নিশ্চিত করতে, ইউটিউবারদের সাংবাদিকতা থেকে বের করে দিতে, তখন তাজুকে সাংবাদিক বানানো হলো। এটা কেমন উদাহরণ হলো, জানি না।

    ব্যাখ্যা হিসেবে বলা হলো, তার সরলতা। সাংবাদিকতা মানে সমস্যা সমাধান করা। তাজু যেহেতু সমস্যা সমাধান করছে, তাহলে সে ভালো করবে, তাকে আরও উৎসাহ দেওয়া।

    জাতির একটা প্রশ্ন থেকে গেল :-
    তাহলে খাইরুল দেওয়ান কেন রাষ্ট্রপতি হতে পারবে না?

    টাইমস টুডের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, খাইরুলও সংস্কার চান, ভালোভাবে দেশ চলুক, এটাই চান। তাহলে খাইরুলকে নিয়ে কেন তামাশা করা হয়?

    মনে রাখা দরকার, তাজু নিজের পরিচয় দেবে সাংবাদিক হিসেবে। এখনও গ্রামগঞ্জে কেউ সাংবাদিক পরিচয় দিলে জিজ্ঞেস করা হয়, বুঝলাম সাংবাদিকতা করো “আর কী করো?” এই তকমা থেকে বের হওয়ার চেষ্টা না করে যখন তাজুদের সাংবাদিক বানানো হয়, তখন অজপাড়াগাঁয়ের লোকজন বলবে, ‘ও, আমাগো তাজুও তো সাংবাদিক।’

    সাংবাদিকতায় লেখাপড়া করে, সাংবাদিকতা করেও আমরা যখন নিজেকে সাংবাদিক পরিচয় দিতে কখনও কখনও থেমে যাই, ততক্ষণে তাজুরা অনেক কিছু ধ্বংস করে দেয়।

    টাইমস টুডের সম্পাদক একটি ট্রেনিং সেন্টারও পরিচালনা করেন, যেখানে স্কুল-কলেজের ছেলে-মেয়েদের প্রেজেন্টার বানানো হয় (সাংবাদিক নয়)। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির একটি পদেও ছিলেন তিনি। তার কাছ থেকে এটা আশা স্বাভাবিক না অস্বাভাবিক তাও প্রশ্ন থেকে যায়।

    যখন বাংলাদেশে সিটিজেন জার্নালিজম শুরু হলো, বিডিনিউজ ও যমুনা টিভি ভালো কিছু কাজ করেছিল। সময়ের পরিবর্তনে মাল্টিমিডিয়া সাংবাদিকতা এসেছে, যেখানে অনেকের মানও ভালো ছিল। এখনও ভালো মানের মোজো সাংবাদিক রয়েছেন। কিন্তু ইউটিউবারদের অপেশাদারিত্বের কারণে এই সেক্টরও শেষ হয়ে যাচ্ছে। কোনো জায়গায় নিয়ন্ত্রণ হচ্ছে না।

    নাগরিক সাংবাদিকতা দুর্যোগের সময় কার্যকর হয়, সব সময় নয়। নাগরিক সাংবাদিকতা কোনো পেশা নয়। বাংলাদেশে এটি অনেক ক্ষেত্রে কার্ড ব্যবসায় পরিণত হয়েছে। যাকে-তাকে কার্ড দিয়ে সাংবাদিক বানিয়ে চাঁদাবাজ তৈরি করা হচ্ছে, এটা মনে রাখা দরকার।

  • অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে একজনকে গ্রেপ্তার

    মৌলভীবাজার প্রতিনিধি:

    মৌলভীবাজার জেলা পুলিশের চলমান বিশেষ অভিযানের অংশ হিসেবে বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে সায়েক মিয়া (২৭) নামে এক জনকে গ্রেপ্তার করেছে সদর মডেল থানা পুলিশ।

    পুলিশ জানায়, গতকাল সোমবার (২৭ জুলাই) রাত আনুমানিক পৌনে ৮ টায় গোপন তথ্যের ভিত্তিতে সদর মডেল থানার এসআই (নি.) তপন চন্দ্র দাসের নেতৃত্বে সঙ্গীয় অফিসার ও ফোর্সসহ একটি দল সদর উপজেলাধীন ৬নং একাটুনা ইউনিয়নের মল্লিকসরাই এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে দিশালোক এলাকার বাসিন্দা মৃত-রাজা মিয়ার ছেলে সায়েক মিয়া (২৭)-কে গ্রেপ্তার করা হয়।

    গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তি মৌলভীবাজার শহরসহ জেলার বিভিন্ন এলাকায় সংঘটিত বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে দীর্ঘ দিন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারিতে ছিলো। তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলার তথ্যও পাওয়া গেছে বলে জানায় পুলিশ।

    সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) মো. সাইফুল ইসলাম জানান, গ্রেপ্তারকৃত আসামির বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ শেষে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

    মৌলভীবাজার জেলা পুলিশ অপরাধ দমন, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড প্রতিরোধ এবং জেলার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে নিয়মিত বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে যাচ্ছে। জননিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও চলমান থাকবে বলে জানায় পুলিশ।

  • গাজীপুরের শ্রীপুরে মাদক ব্যবসায়ী জাহাঙ্গীর আলম গ্রেফতার,১৪ হাজার ৪’শ পিছ ইয়াবা উদ্ধার


    মোঃ নাজিম উদ্দিন,গাজীপুর জেলা প্রতিনিধি:
    গাজীপুরের শ্রীপুরের কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ী মাদক সম্রাট জাহাঙ্গীর আলমকে (২৭) গ্রেফতার করেছে পুলিশ। পরে তার ভাড়া বাসার কক্ষ থেকে ১৪ হাজার ৪’শ পিছ ইয়াবা ট্যাবলেট এবং মাদক বিক্রির নগদ ৫৩ হাজার ৩’শ টাকা উদ্ধার করা হয়। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) দুপুর ১২টার দিকে তাকে গাজীপুর আদালতে পাঠানো হবে। শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শাহীনুর আলম এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

    গ্রেফতার মাদক ব্যবসায়ী জাহাঙ্গীর আলম তেলিহাটি ইউনিয়নের মুলাইদ গ্রামের নান্নু মিয়া ওরফে লাল মিয়ার ছেলে। সোমবার (২৭ জুলাই) বিকেল পৌণে ৪টার দিকে শ্রীপুর পৌরসভার কেওয়া পশ্চিম খন্ড (প্রশিকা মোড়ের) ভাড়া বাসা থেকে তাকে গ্রেফতার করে।

    স্থানীয়রা জানান, জাহাঙ্গীর আলম দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক ব্যবসা করে আসছে। সে একাধিকবার গ্রেফতার হলেও কারাভোগ শেষে জামিনে বের হয়ে এস আবার মাদক ব্যবসা শুরু করে। জাহাঙ্গীর এলাকায় মাদক সম্রাট হিসেবে পরিচিত।

    শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শাহীনুর আলম জানান, বিশ্বস্ত সোর্সের তথ্যের ভিত্তিতে কেওয়া পশ্চিম খন্ড (প্রশিকা মোড়ের) দক্ষিণ পাশে সাইজুদ্দিনের মালিকানাধীন পাঁচ তলা বিল্ডিংয়ের চতুর্থ তলায় অভিযান চালায় পুলিশ। পরে দক্ষিণ পাশের ফ্ল্যাটের উত্তর পূর্ব কোনার বেডরুম থেকে তাকে আটক করে। পরে তার ঘর তল্লাশী করে কালো রঙের ব্যাগে রাখা ১৪ হাজার ৪’শ পিছ ইয়াবা ট্যাবলেট এবং মাদক বিক্রির নগদ ৫৩ হাজার ৩’শ টাকা উদ্ধার করা হয়। সে এলাকায় চিহ্নিত মাদক সম্রাট। তার বিরুদ্ধে একাধিক মাদক মামলাসহ বিভিন্ন মামলা রয়েছে।

    তিনি আরো জানান, গেলো (২০২৫ সালের) বছরের ৩১ ডিসেম্বর দিবাগত রাতে কেওয়া পশ্চিম খন্ড (পিয়ার আলী কলেজ) এলাকায় মাদক উদ্ধার অভিযান যান পুলিশ। পরে মাদক সম্রাট জাহাঙ্গীরের নেতৃত্বে ও তার সহযোগীরা পুলিশের উপর হামলা করলে তিন পুলিশ সদস্য আহত হয়। ওই সময় হামলাকারীরা পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর করে দুই আসামিকে ছিনিয়ে নেয়। সম্প্রতি সে কারাগার থেকে জামিনে ছাড়া পেয়ে এলাকায় এসে আবার মাদক ব্যবসা শুরু করে। পরে বিশ্বস্ত সোর্সের মাধ্যমে খবর পেয়ে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে।

    অপরদিকে, শ্রীপুরের বিভিন্ন এলাকা থেকে পুলিশ আরো চারজন মাদক ব্যবসায়িকে গ্রেফতার করে। পরে একই দিন তাদেরকে ভ্রাম্যমান আদালতের (মোবাইল কোর্ট) মাধ্যমে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা ও অর্থদন্ড প্রদান করা হয়। ভ্রাম্যমান আদালতের বিচারক ও শ্রীপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো: নাহিদ নিহাদ নিয়াজ শিশির তাদেরকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা প্রদান করেন।

    সাজাপ্রাপ্ত ব্যাক্তিরা হলেন উপজেলার মাওনা উত্তর পাড়া গ্রামের লাল মিয়াে ছেলে হানিফা (৩০)। তাকে এক’শ টাকা অর্থদন্ড ও এক মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড, রাজাবাড়ী ইউনিয়নের ধলাদিয়া এলাকার মৃত ফজলুল হকের ছেলে লিখনকে (৩৩) এক’শ টাকা অর্থদন্ড ও তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড, বরমী গ্রামের আফসার মৃধার ছেলে মিজানুর রহমান শিহাবকে (২৬) এক’শ টাকা অর্থদন্ড ও এক বছরের বিনাশ্রম কারাদন্ড এবং মাওনা ইউনিয়নের বেলতলী গ্রামের আব্দুল কাদিরের ছেলে আকরামকে (৩২) এক’শ টাকা অর্থদন্ড ও তিন দিনের বিনাশ্রম কারাদন্ড প্রদান করে।