Blog

  • খাগড়াছড়িতে বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও কুইজ প্রতিযোগিতা

    খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি: বিশ্ব পরিবেশ দিবস উদযাপন উপলক্ষে সচেতন নাগরিক কমিটি (সনাক)-টিআইবি, খাগড়াছড়ির উদ্যোগে মানববন্ধন ও আলোচনা সভা এবং কুইজ প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়েছে। পরিবেশ সংরক্ষণে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং নতুন প্রজন্মকে পরিবেশবান্ধব আচরণে উদ্বুদ্ধ করার লক্ষ্যে আজ এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

    বুধবার (১০জুন) কর্মসূচির শুরুতে খাগড়াছড়ির বড়তলা বাজার এলাকায় একটি মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। টিআইবির এরিয়া কোঅর্ডিনেটর মোহাম্মদ নূরুল আলালের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন, সনাক খাগড়াছড়ির সহ-সভাপতি জনাব শরৎ কান্তি চাকমা, সনাক সদস্য জনাব মর্তুজা পলাশ সিনিয়র সাংবাদিক জহুরুল আলম। এছাড়াও খাগড়াছড়ি মিউনিসিপ্যাল মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, ইয়েস (YES) ও এসিজি (ACG) সদস্যসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার সচেতন নাগরিকবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।

    মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, পাহাড়ের পরিবেশ দূষণ, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব, বন ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্রের সমন্বিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। একই সঙ্গে পরিবেশবান্ধব সমাজ গড়ে তোলা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য নিরাপদ ও বাসযোগ্য পৃথিবী নির্মাণে সবাইকে সক্রিয় ভূমিকা পালনের আহ্বান জানানো হয়।

    মানববন্ধন শেষে খাগড়াছড়ি মিউনিসিপ্যাল মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ে বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা, কুইজ প্রতিযোগিতা এবং পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভায় পরিবেশ সংরক্ষণে শিক্ষার্থীদের ভূমিকা, প্লাস্টিক দূষণ রোধ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, বৃক্ষরোপণ এবং প্রাকৃতিক সম্পদের সুষ্ঠ ব্যবহারের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়।

    অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা উৎসাহ-উদ্দীপনার সঙ্গে কুইজ প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়। প্রতিযোগিতা শেষে বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয় এবং পরিবেশ বিষয়ে তাদের জ্ঞান ও সচেতনতা বৃদ্ধিতে এ ধরনের উদ্যোগ ভবিষ্যতেও অব্যাহত রাখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়। (more…)

  • রামগড়ে পুলিশের অভিযানে মাদক সেবনে দায়ের আটক ৯

    খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি :খাগড়াছড়ির রামগড়ে থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে মাদক সেবন দায়ের ৯ জনকে আটক করা হয়েছে। বুধবার (১০ জুন) দিবাগত রাত আনুমানিক ১২টা ৫০মিনিটে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পৌর শহরের সিনেমা হল এলাকার গ্রামীণ ব্যাংক ভবনের ছাদ এবং গর্জনতলী এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।

    পুলিশ সূত্রে জানা গেছে , দীর্ঘদিন ধরে ওইসব এলাকায় গভীর রাতে মাদকের আসর বসিয়ে মাদক সেবনে অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছিল। এরই ধারাবাহিকতায় রামগড় থানা পুলিশের একটি বিশেষ টিম অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে সিনেমাহল এলাকার গ্রামীণ ব্যাংক ভবনের ছাদ থেকে ৬ জন এবং গর্জনতলী এলাকা থেকে আরও ৩ জনকে আটক করা হয়।

    আটককৃতরা হলেন— নুর মোহাম্মদ (৩২), পিতা-নুর নবী, গ্রাম-পূর্ব সিলোনিয়া, ছনুয়া বাজার, থানা-ফেনী সদর, জেলা-ফেনী; চন্দন দেবনাথ (৩২), পিতা-মানিক চন্দ্র নাথ, গ্রাম-উত্তর গর্জনতলী; কৃষ্ণ চন্দ্র নাথ (৩৪), পিতা-মৃনাল চন্দ্র নাথ, গ্রাম-উত্তর গর্জনতলী; আকাশ দেবনাথ (২৭), পিতা-নিখিল দেবনাথ, গ্রাম-উত্তর গর্জনতলী, থানা-রামগড়, জেলা-খাগড়াছড়ি; মুন্না চন্দ্র নাথ (২৮), পিতা-শ্রীদাম নাথ, গ্রাম-মাস্টারপাড়া, আবুতরা, থানা-মীরসরাই, জেলা-চট্টগ্রাম; ছোটন বিশ্বাস (৩৫), পিতা-দোলন বিশ্বাস, সাং-পশ্চিম দলই, কবিরহাট, থানা-হাটহাজারী, জেলা-চট্টগ্রাম; মো. আলা উদ্দিন (২৯), পিতা-আবুল হোসেন, মাতা-কামরুন নাহার; মো. আবুল কাশেম (২৪), পিতা-মাহবুবুল হক, মাতা-আমেনা বেগম এবং মিঠুন নন্দি (২৫), পিতা-হারাধন নন্দি, মাতা-আবা বালা নন্দি, সাং-শ্মশানটিলা, ১নং ওয়ার্ড, রামগড়।

    রামগড় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজির আলম জানান, আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ (সংশোধনী-২০২০) এর ৩৬(১) ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে। পরে তাদের বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়।তিনি আরও বলেন, মাদক নির্মূলে রামগড় থানা পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং সমাজকে মাদকমুক্ত রাখতে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।

  • রাজাপুর-বাদুরতলা সড়কের বেহাল দশা, বৃষ্টিতে খানাখন্দে ভোগান্তিতে ক্ষোভ

    ঝালকাঠি প্রতিনিধি:
    ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলায় দীর্ঘদিন ধরে সড়ক সংস্কারের অভাবে রাজাপুর-বাদুরতলা সড়কটি এখন জনদুর্ভোগের প্রতীকে পরিণত হয়েছে। সড়কের বিভিন্ন স্থানে সৃষ্টি হয়েছে অসংখ্য ছোট-বড় খানাখন্দ। সামান্য বৃষ্টিতেই এসব গর্ত পানিতে তলিয়ে গিয়ে পুরো সড়ককে মৃত্যুফাঁদে পরিণত করছে। প্রতিদিন হাজারো মানুষ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এ সড়ক ব্যবহার করছেন। যানবাহন চলাচল ব্যাহত হওয়ায় দুর্ভোগের পাশাপাশি বাড়ছে দুর্ঘটনার আশঙ্কাও।

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাজাপুর-বাদুরতলা সড়কটি এলাকার গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ মাধ্যম। প্রতিদিন শিক্ষার্থী, চাকরিজীবী, ব্যবসায়ী, কৃষক ও সাধারণ মানুষ এ পথ দিয়ে যাতায়াত করেন। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে সড়কটির কোনো সংস্কার কাজ না হওয়ায় বিভিন্ন স্থানে পিচ উঠে গিয়ে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। বৃষ্টির সময় এসব গর্ত পানিতে ভরে যাওয়ায় চালকদের পক্ষে রাস্তার অবস্থা বুঝে চলাচল করা কঠিন হয়ে পড়ে।

    সরেজমিনে দেখা যায়, সড়কের একাধিক স্থানে পানি জমে ছোট ছোট পুকুরের মতো অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। যানবাহন চলাচলের সময় কাদাপানি ছিটকে পথচারীদের দুর্ভোগ আরও বাড়িয়ে তুলছে। বিশেষ করে স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী, নারী ও বৃদ্ধদের সবচেয়ে বেশি ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।

    অটোরিকশা চালক মো. আকাশ হোসেন বলেন, “প্রতিদিন এই রাস্তা দিয়ে কয়েকবার যাতায়াত করতে হয়। রাস্তার এত খারাপ অবস্থা যে গাড়ি চালানোই কষ্টকর হয়ে গেছে। গর্তে পড়ে প্রায়ই অটোর যন্ত্রাংশ নষ্ট হয়। আয় করার চেয়ে এখন মেরামতের খরচই বেশি হয়ে যাচ্ছে। যাত্রীদেরও নানা অভিযোগ শুনতে হয়।”

    মোটরসাইকেল চালক মো. রাকিব হোসেন বলেন, “বৃষ্টির সময় কোনটা গর্ত আর কোনটা রাস্তা বোঝা যায় না। একটু অসতর্ক হলেই দুর্ঘটনার শিকার হতে হয়। কয়েকদিন আগে আমি নিজেও গর্তে পড়ে আহত হয়েছি। প্রতিদিন অনেক মোটরসাইকেল আরোহী ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন।

    স্থানীয় বাসিন্দা মো. খোকন জানান, “বছরের পর বছর ধরে রাস্তার এই অবস্থা। জনপ্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরে বারবার জানানো হলেও কোনো স্থায়ী সমাধান হচ্ছে না। নির্বাচনের সময় অনেক প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়, কিন্তু পরে আর কেউ খোঁজ নেয় না। এলাকাবাসী এখন চরম হতাশ।

    আরেক স্থানীয় বাসিন্দা মো. সবুজ বলেন, এটি শুধু একটি রাস্তার সমস্যা নয়, পুরো এলাকার মানুষের দুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। অসুস্থ রোগী হাসপাতালে নিতে সমস্যা হয়, শিক্ষার্থীরা সময়মতো স্কুলে যেতে পারে না। ব্যবসা-বাণিজ্যেও নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। দ্রুত সংস্কার না করলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হবে।

    স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, সড়কের বেহাল অবস্থার কারণে অনেক যানবাহন এ পথে চলাচল করতে চায় না। ফলে পণ্য পরিবহনে অতিরিক্ত খরচ গুনতে হচ্ছে। বর্ষা মৌসুমে কাদা ও পানি জমে থাকায় ক্রেতাদের চলাচলও কমে যায়, যা ব্যবসার ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলছে।

    এলাকাবাসীর অভিযোগ, সাময়িকভাবে কিছু জায়গায় ইট বা খোয়া ফেলে মেরামতের চেষ্টা করা হলেও তা দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। কয়েক দিনের মধ্যেই আবার আগের অবস্থায় ফিরে যায় সড়কটি। তারা দ্রুত টেকসই সংস্কার কাজের দাবি জানিয়েছেন।

    রাজাপুর-বাদুরতলা সড়কটি এলাকার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ পথ হওয়ায় দ্রুত প্রয়োজনীয় বরাদ্দ দিয়ে সড়কটি সংস্কার করা জরুরি। অন্যথায় জনদুর্ভোগ আরও বাড়বে এবং যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।

  • খাগড়াছড়ি রামগড়ে গাঁজাসহ এক ব্যক্তিকে আটক

    খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি :
    খাগড়াছড়ির রামগড়ে থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৬ কেজি গাঁজাসহ এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। এ সময় মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত একটি সিএনজি অটোরিকশাও জব্দ করা হয়।

    বুধবার (১০জুন) রামগড় থানা পুলিশের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৯ জুন) দুপুরে পৌরসভার দারোগাপাড়া এলাকায় অভিযানটি পরিচালনা করা হয়।

    আটক ব্যক্তি মাহবুব আলম (৩৫)। তিনি চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার ১নং বাগান বাজার ইউনিয়নের বাংলাবাজার হলুদিয়া গ্রামের মো. নুরুল আলমের ছেলে।
    পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পাওয়া যায় যে, চট্টগ্রাম জেলার ভূজপুর থানাধীন বাংলাবাজার এলাকা থেকে একটি সিএনজি যোগে বিপুল পরিমাণ অবৈধ মাদকদ্রব্য রামগড়ের দিকে আনা হচ্ছে। এমন সংবাদের ভিত্তিতে রামগড় থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আব্দুল কাদের সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের আঞ্চলিক মহাসড়কে চেকপোস্ট স্থাপন করেন।

    পরে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে একটি সন্দেহভাজন সিএনজি থামিয়ে তল্লাশি চালানো হয়। এসময় সিএনজিতে থাকা দুই ব্যক্তি কৌশলে পালিয়ে গেলেও চালক মাহবুব আলমকে আটক করতে সক্ষম হয় পুলিশ। পরে সিএনজিতে থাকা একটি ব্যাগ তল্লাশি করে ৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়।

    রামগড় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজির আলম জানান, আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ (সংশোধনী/২০২০) এর ৩৬(১) সারণির ১৯(খ)/৩৮/৪১ ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে। মামলার তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে এবং বিধি মোতাবেক তাকে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হবে।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জ গোমস্তাপুরে ডিএনসির অভিযানে গাঁজাসহ আটক ১

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি:চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলায় অভিযান চালিয়ে ২০০ গ্রাম গাঁজাসহ এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর।

    বুধবার (১০ জুন) সকাল ৮টা থেকে ৮টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, জেলা কার্যালয়, চাঁপাইনবাবগঞ্জের একটি দল গোমস্তাপুর থানার বোয়ালিয়া ইউনিয়নের বড় বঙ্গেশ্বরপুর গ্রামে এ অভিযান পরিচালনা করে। গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি হলেন মো. জাইদুল আলী (৪৫)। তিনি বড় বঙ্গেশ্বরপুর গ্রামের বাসিন্দা।

    অভিযানে তার নিজ দখলীয় টিনের বেড়া ও টিনের চালাযুক্ত তিন কক্ষবিশিষ্ট বসতবাড়ির উত্তরমুখী শয়নকক্ষ থেকে ২০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়।

    মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, উদ্ধারকৃত গাঁজার ঘটনায় উপ-পরিদর্শক মামুনুর রশিদ বাদী হয়ে গোমস্তাপুর থানায় একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করেছেন। মামলাটি মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ৩৬(১) সারণির ১৯(ক) ধারায় দায়ের করা হয়েছে।

    এ বিষয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক চৌধুরী ইমরুল হাসান জানান, মাদকবিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং মাদকের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

  • বিভাগীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করে জাতীয় পর্যায়ে নবাবগঞ্জ মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি: চাঁপাইনবাবগঞ্জের নবাবগঞ্জ মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা প্রাথমিক শিক্ষা পদক বিতর্ক ও কুইজ (বাংলা) প্রতিযোগিতায় বিভাগীয় পর্যায়ে প্রথম স্থান অর্জন করে জাতীয় পর্যায়ে অংশগ্রহণের গৌরব অর্জন করেছে।

    গত মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত প্রাথমিক শিক্ষা পদক বিতর্ক প্রতিযোগিতায় বিদ্যালয়ের পাঁচ সদস্যের একটি দল বিভাগীয় পর্যায়ে প্রথম স্থান লাভ করে। জাতীয় পর্যায়ে অংশগ্রহণের জন্য নির্বাচিত শিক্ষার্থীরা হলো—পঞ্চম শ্রেণির জারিন আফরোজ সিফা, জারিফা মাকনুন আমিন, আইমান কানিতা, মোছা. তাফলিমা স্নেহা এবং তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী মালিহা মোস্তারি রোজা।

    এদিকে, প্রাথমিক শিক্ষা পদক কুইজ (বাংলা) প্রতিযোগিতায় পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী আইমান কানিতা বিভাগীয় পর্যায়ে প্রথম স্থান অর্জন করে জাতীয় পর্যায়ে অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছে। বিদ্যালয়টির সাফল্যের ধারাবাহিকতায় গত বছর কুইজ (ইংরেজি) প্রতিযোগিতায় পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী নুসরাত খানম জাতীয় পর্যায়ে তৃতীয় স্থান অর্জন করেছিল।

    এছাড়া দেশের গান প্রতিযোগিতায় তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী মালিহা মোস্তারি রোজা বিভাগীয় পর্যায়ে তৃতীয় স্থান লাভ করে বিদ্যালয়ের সুনাম বৃদ্ধি করেছিল। সাম্প্রতিক এ সাফল্যে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও শিক্ষক-শিক্ষিকাদের মধ্যে আনন্দের আবহ বিরাজ করছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, প্রধান শিক্ষক লতিফা হকের দক্ষ নেতৃত্ব, আন্তরিক প্রচেষ্টা এবং শিক্ষকদের নিরলস পরিশ্রমের ফলেই বিদ্যালয়টি ধারাবাহিকভাবে বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় কৃতিত্ব অর্জন করছে।

    এ সাফল্যের পেছনে বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মরিয়ম নেসা, গোলাম হামিদ, নেয়ামতুল্লাহ, তামজিমা ইলোরা ও সানজিদা খাতুনের সার্বিক সহযোগিতার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। প্রধান শিক্ষক লতিফা হক বলেন, “শিক্ষার্থীদের এই অর্জনে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত ও গর্বিত। জাতীয় পর্যায়েও তারা সেরার মুকুট অর্জন করবে বলে আমরা আশাবাদী।

    বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতায়ও সফলতা অর্জনের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন।

  • খাগড়াছড়ি দিঘীনালা জোন উদ্যোগে সুবিধা বঞ্চিতদের বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা সেবা

    খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি:
    খাগড়াছড়ির দিঘীনালা উপজেলায় মানবিক ও জনকল্যাণমূলক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে দীঘিনালা জোনে উদ্যোগে বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা সেবা ও আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়।

    বুধবার (১০জুন) সকালে দিঘীনালা জোন সদর প্রাঙ্গণে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে এলাকার অসহায়, দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জন্য বিশেষ চক্ষু চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হয়।

    চিকিৎসা কার্যক্রমে অংশগ্রহণকারী বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা রোগীদের চোখ পরীক্ষা করেন এবং প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেন। এছাড়া রোগীদের মাঝে বিনামূল্যে ওষুধ বিতরণ করা হয়।

    অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দীঘিনালা জোনের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্ণেল মো: আল- আমিন এসইউপি, পিএসসি। সাব-জোন কমান্ডার মেজর তৌকির আহমেদ, এসইউপি, পিএসসি, এবং জোন আ্যডজুট্যান্ট ক্যাপ্টেন আবদুল্লাহ আল আজমী।

    যারা সহায়তা পেয়েছেন তারা হলেন, ছোট মেরুং বাজার দারুস সুন্নাহ মাদ্রাসা এবং দারুল উলুম শাহিদা সুমাইয়া বালিকা মাদ্রাসা ও এতিমখানা-এর শিক্ষার্থী ও এতিমদের জন্য চাল, আটা, চিনি, তেল ও ডালসহ প্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী প্রদান করা হয়। খাদ্য সহায়তা পেয়ে প্রতিষ্ঠান দুটির শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্টরা আনন্দ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

    এছাড়া দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থতায় ভোগছিলেন মোঃ বাচ্চু মিয়া এবং ক্রিস ত্রিপুরা এর চিকিৎসা ব্যয় নির্বাহে ৫ হাজার টাকা করে মোট ১০ হাজার টাকা আর্থিক অনুদান প্রদান করা হয়।
    এদিকে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ও অসহায় পরিবারের পুণর্বাসনের লক্ষ্যে অন্তনিতা চাকমা, বাকী রাম ত্রিপুরা, মোছাঃ জাহেরা খাতুন, গৌরিকা বালা চাকমা, ফুলেকা চাকমা এবং মার্জিনা বেগমের বসতঘর পুনর্নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় ঢেউটিন বিতরণ করা হয়।

    এসময় জোন অধিনায়ক লে: কর্ণেল মো: আল- আমিন বলেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সবসময় জনগণের কল্যাণে কাজ করে আসছে এবং ভবিষ্যতেও জনগণের পাশে থাকবে। তিনি বলেন, দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি বজায় রাখা এবং দুর্গত মানুষের সহায়তায় সেনাবাহিনী নিরলসভাবে দায়িত্ব পালন করে যাচ্

  • ফরিদপুর জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচিত হলেন মামুন শাহ

    সদরপুর (ফরিদপুর) প্রতিনিধি: ফরিদপুর জেলার শ্রেষ্ঠ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন সদরপুর থানার ওসি মো. আব্দুল আল মামুন শাহ। পেশাগত দক্ষতা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ, অপরাধ দমন এবং সার্বিক কর্মদক্ষতায় বিশেষ অবদান রাখার স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি এ সম্মাননা অর্জন করেন।

    মঙ্গলবার (৯ জুন) সকালে ফরিদপুর পুলিশ লাইনসের শহীদ ছালাম সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভায় আনুষ্ঠানিকভাবে তাকে জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি হিসেবে সম্মাননা প্রদান করা হয়। এ সময় ফরিদপুরের পুলিশ সুপার (এসপি) মো. নজরুল ইসলাম তার হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট ও পুরস্কার তুলে দেন।

    জেলা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, থানার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, অপরাধ দমনে কার্যকর ভূমিকা পালন, গুরুত্বপূর্ণ মামলার তদন্তে সাফল্য, জনবান্ধব পুলিশিং কার্যক্রম এবং প্রশাসনিক দক্ষতার ভিত্তিতে ওসি মো. আব্দুল আল মামুন শাহকে এ সম্মাননার জন্য মনোনীত করা হয়।

    সম্মাননা গ্রহণের পর প্রতিক্রিয়ায় ওসি মো. আব্দুল আল মামুন শাহ বলেন,“এই অর্জন শুধু আমার একার নয়; সদরপুর থানার প্রতিটি কর্মকর্তা ও সদস্যের আন্তরিক পরিশ্রম,

  • নেত্রকোণায় মসজিদের জমি নিয়ে বিরোধ, সভাপতিকে

    নেত্রকোণা প্রতিনিধি : নেত্রকোণার সদর উপজেলার গাছগড়িয়া জামে মসজিদের ওয়াকফকৃত জমি নিয়ে চলমান বিরোধকে কেন্দ্র করে মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতিকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় নিরাপত্তা চেয়ে নেত্রকোণা মডেল থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করার জন্য লিখিত আবেদন দিয়েছেন মসজিদ কমিটির সভাপতি মো. সাইদুর রহমান (৪৫)। লিখিত অভিযোগে জানা যায়, গাছগড়িয়া জামে মসজিদের নামে ওয়াকফকৃত প্রায় ৪৫ শতাংশ জমি সংক্রান্ত রেকর্ড সংশোধন ও উচ্ছেদ বিষয়ে একটি দেওয়ানি মামলা বর্তমানে আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি হিসেবে সাইদুর রহমান দীর্ঘদিন ধরে মামলাটি পরিচালনা করে আসছেন।

    অভিযোগে বলা হয়েছে, মামলার বিবাদী মো. নয়ন মিয়া (৪৫), মো. লাক মিয়া (৩৫), মো. আঙ্গুর মিয়া (৪০) ও মো. হাবিবুর রহমান (৫০) দীর্ঘদিন ধরে মসজিদে প্রবেশের রাস্তা নির্মাণকাজে বাঁধা দিয়ে আসছেন। এছাড়া মসজিদের আরেকটি জায়গা অবৈধভাবে দখল করে রাখার অভিযোগও রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে। সাইদুর রহমান অভিযোগ করেন, গত ২৭ মে রাত আনুমানিক ৮টার দিকে গাছগড়িয়া বাজারের একটি চায়ের দোকানে অবস্থানকালে অভিযুক্তরা তার কাছে এসে বিচারাধীন মামলাটি পরিচালনা না করার জন্য চাপ প্রয়োগ করেন। তিনি এতে রাজি না হলে তাকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করা হয় এবং প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। তার দাবি, ঘটনাস্থলে উপস্থিত কয়েকজন ব্যক্তি এগিয়ে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন এবং তাকে রক্ষা করেন। পরে বিষয়টি মসজিদ কমিটির সাধারণ সম্পাদকসহ অন্যান্য সদস্যদের অবহিত করা হয়।

    এদিকে সাইদুর রহমান বলেন, ঘটনার পর থেকে আমি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। যেকোনো সময় অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করছি। তাই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হস্তক্ষেপ ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন জানিয়েছি। তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মামলার ১ নম্বর বিবাদী নয়ন মিয়া। তিনি বলেন, আমি কাউকে কোনো ধরনের হুমকি দিইনি। অভিযোগের সত্যতা তদন্তে প্রমাণিত হলে আইন অনুযায়ী যে শাস্তি হবে, তা মেনে নেব। এ বিষয়ে নেত্রকোণা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আল মামুন সরকার বলেন, ভুক্তভোগীর অভিযোগের বিষয়টি জেনেছি। তার সঙ্গে কথা বলে ঘটনাটি তদন্ত করা হবে। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

    ১০/০৬/২০২৬ ইং

  • কটিয়াদীর কৃতি সন্তান এডভোকেট মোঃ মুর্তজা আল কামাল (মুস্তাক) যুবদলের কেন্দ্রীয় আইন বিষয়ক সম্পাদক

    কটিয়াদী(কিশোরগঞ্জ)প্রতিনিধি:​কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলার ঐতিহ্যবাহী চান্দপুর উকিল বাড়ির কৃতি সন্তান, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ও বিএনপির অঙ্গসংগঠন যুবদলের কেন্দ্রীয় নেতা এডভোকেট মোঃ মুর্তজা আল কামাল (মুস্তাক) বর্তমানে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির এক নম্বর আইন বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

    দীর্ঘ রাজনৈতিক আন্দোলন-সংগ্রাম, পেশাগত দক্ষতা এবং পারিবারিক রাজনৈতিক ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতায় তিনি জাতীয় পর্যায়ে একজন পরিচিত মুখ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন।

    ​বর্তমানে তিনি মহানগর দায়রা জজ আদালত বিশেষ-৬ এর পিপি (পাবলিক প্রসিকিউটর) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। আইন পেশায় সততা, মেধা ও দক্ষতার মাধ্যমে তিনি ইতোমধ্যে সহকর্মী ও বিচারপ্রার্থীদের আস্থা অর্জন করেছেন।
    ​এডভোকেট মোঃ মুর্তজা আল কামাল (মুস্তাক)-এর শিক্ষাজীবনও ছিল অত্যন্ত বর্ণাঢ্য। কিশোরগঞ্জ জেলা রেলওয়ে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তাঁর শিক্ষাজীবনের সূচনা। পরে তিনি ঐতিহ্যবাহী কিশোরগঞ্জ সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিক এবং সাভার ক্যান্টনমেন্ট কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সম্পন্ন করেন। পরবর্তীতে দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাষাবিজ্ঞান বিভাগ থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের হাজী মুহাম্মদ মহসিন হলের আবাসিক ছাত্র ছিলেন।

    ​রাজনীতির সঙ্গে তাঁর সম্পৃক্ততা ছাত্রজীবন থেকেই। প্রায় ১৭ বছরের দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামে তিনি সম্মুখসারির একজন কর্মী ও সংগঠক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ছাত্রদলের রাজনীতিতে তিনি হাজী মুহাম্মদ মহসিন হল শাখা ছাত্রদলের অর্থ বিষয়ক সম্পাদক ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। পরবর্তীতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদের সদস্য ও সহ-সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। যুবদলের কেন্দ্রীয় রাজনীতিতে তিনি প্রথমে সিনিয়র সহ-আইন বিষয়ক সম্পাদক এবং বর্তমানে কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির আইন বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

    ​মোঃ মুর্তজা আল কামাল (মুস্তাক)-এর রাজনৈতিক ও সামাজিক দর্শনের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে সাধারণ মানুষের কল্যাণ। বিশেষ করে কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীসহ গ্রামীণ জনপদের অসহায়, দরিদ্র ও পিছিয়ে পড়া মানুষের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন তিনি। তাঁর মতে— শিক্ষা, কর্মসংস্থান ও আইনি সহায়তা নিশ্চিত করা গেলে সমাজের ইতিবাচক পরিবর্তন সম্ভব। গ্রামের নারীদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করে তুলতে কর্মসংস্থানের নতুন ক্ষেত্র তৈরির ওপরও তিনি গুরুত্বারোপ করেন। সুযোগ পেলে নারী উদ্যোক্তা সৃষ্টি, কারিগরি প্রশিক্ষণ এবং ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা উন্নয়নের মাধ্যমে এলাকার নারীদের এগিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন তিনি।

    ​এডভোকেট মোঃ মুর্তজা আল কামাল (মুস্তাক) একটি সমৃদ্ধ রাজনৈতিক ও আইনজীবী পরিবারের উত্তরসূরি। তাঁর দাদা মরহুম এডভোকেট মৌলভী মুসলেহউদ্দিন সুরুজ মিয়া ছিলেন কিশোরগঞ্জ জেলা বারের অন্যতম জ্যেষ্ঠ আইনজীবী, জেলা বারের সাবেক সভাপতি, ১৯৬৫ সালের সাবেক এমপিএ এবং কিশোরগঞ্জ জেলা মুসলিম লীগের সভাপতি। বড় চাচা মরহুম এডভোকেট নুরুজ্জামান চাঁন মিয়া ছিলেন কিশোরগঞ্জ-২ (কটিয়াদী) আসনের ১৯৮০ সালের সাবেক সংসদ সদস্য, জেলা বারের সভাপতি এবং কিশোরগঞ্জ পৌরসভার সাবেক চেয়ারম্যান। মেজো চাচা মরহুম শামসুল হুদা হেনা মিয়া ছিলেন কিশোরগঞ্জ জেলা শ্রমিক দলের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি। ছোট চাচা এডভোকেট নাজমুল হুদাও জেলা বারের একজন সদস্য হিসেবে আইন পেশার সঙ্গে সম্পৃক্ত। তাঁর নানা ছিলেন দেশের সাবেক প্রধান বিচারপতি সৈয়দ এ. বি. মাহমুদ হোসেন, যিনি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান (বীর উত্তম)-কে শপথ পাঠ করানোর ঐতিহাসিক গৌরবের অংশীদার ছিলেন।
    ​ব্যক্তিগত জীবনে তিনি মরহুম কামরুল হুদা ও সৈয়দা নুরুন্নাহারের সন্তান। কিশোরগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী চান্দপুর উকিল বাড়িতেই তাঁর জন্ম ও বেড়ে ওঠা।

    ​সরেজমিনে এলাকায় খোঁজ নিয়ে জানা যায়, স্থানীয় মানুষের কাছেও তিনি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও গ্রহণযোগ্য এক ব্যক্তিত্ব। চান্দপুর গ্রামের বাসিন্দা এমদাদুল হক পিকু বলেন, “মোঃ মুর্তজা আল কামাল (মুস্তাক) ছোটবেলা থেকেই নম্র, ভদ্র, সৎ ও ন্যায়পরায়ণ। মানুষের বিপদে-আপদে তিনি সবসময় পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেন। মানুষের কল্যাণে কাজ করাই তাঁর মূল লক্ষ্য।”

    ​স্থানীয়দের মতে, রাজনৈতিক ও পেশাগত ব্যস্ততার মধ্যেও নিজ এলাকার মানুষের সঙ্গে তাঁর নিবিড় যোগাযোগ রয়েছে। শিক্ষা, সামাজিক উন্নয়ন, আইনি সহায়তা এবং মানবিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে তিনি কটিয়াদীর উন্নয়নে আরও বড় ভূমিকা রাখবেন বলে তারা আশাবাদী।

    এডভোকেট মোঃ মুর্তজা আল কামাল (মুস্তাক) ভবিষ্যতে জাতীয় রাজনীতিতে আরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও স্থানীয় সচেতন মহল।