Blog

  • পুলিশের অভিযানের পরেও ভূইয়াগাঁতী বাসস্ট্যান্ডে যানজট পথচারীদের দুর্ভোগ

    রায়গঞ্জ (সিরাজগঞ্জ ) উপজেলা সংবাদদাতা:

    সিরাজগঞ্জ রায়গঞ্জের ঢাকা – রংপুর মহাসড়কেরভূইয়াগাঁতী বাসস্ট্যান্ডে অটোরিকশা সিএনজি ও ভ্রাম্যমাণ দোকানের দখলে থাকায় যানজটে পথচারীদের দুর্ভোগ বাড়ছে।

    দীর্ঘদিন ধরে এ পরিস্থিতি চললেও কার্যকর সমাধান না হওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে দিন দিন ক্ষোভ বাড়ছে।

    মঙ্গলবার (৯ জুন) সরেজমিনে দেখা যায়, ভূইয়াগাঁতী আন্ডারপাসের নিমগাছী মোড় এবং রায়গঞ্জমুখী সড়কের গ্রামীণ ব্যাংক সংলগ্ন এলাকায় অটোরিকশা ও সিএনজির অবাধ অবস্থানের কারণে প্রায়ই যানজট সৃষ্টি হচ্ছে। এছাড়া ভূইয়াগাঁতী স্কুল থেকে নিমগাছীগামী সড়কের একাংশ নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ দোকানের দখলে থাকায় পথচারীদের চলাচল অত্যন্ত কষ্টকর হয়ে পড়েছে। পুরো এলাকাটি যেন অটোরিকশা ও সিএনজির অস্থায়ী গ্যারেজে পরিণত হয়েছে।

    স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থীসহ সাধারণ পথচারীদের প্রতিদিন নানা ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে। সড়কে অবৈধভাবে যানবাহন দাঁড়িয়ে থাকা এবং দোকানপাট বসানোর কারণে দুর্ঘটনার ঝুঁকি বেড়ে চলেছে।

    বিগত কয়েকদিনে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর গত ৭ জুন সিরাজগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (রায়গঞ্জ সার্কেল) সাইফুল ইসলাম খান অভিযান পরিচালনা করেন। তবে স্থানীয় সচেতন মহলের অভিযোগ, অভিযানের সময় পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হলেও পরে আবার আগের অবস্থায় ফিরে যায়।

    একজন পথচারী বলেন, “প্রশাসন তাদের দায়িত্ব পালন করছে। তবে সমস্যা সমাধানে সবার সহযোগিতা ও সচেতনতা প্রয়োজন। অটোরিকশা ও সিএনজির জন্য নির্ধারিত গ্যারেজের ব্যবস্থা করা হলে পরিস্থিতির উন্নতি হতে পারে।”

    স্থানীয়দের অভিযোগ, সন্ধ্যার পর মহাসড়কের বড় অংশ ফল, সবজি, মাছ, ফুচকা, চটপটিসহ বিভিন্ন ভ্রাম্যমাণ দোকানের দখলে চলে যায়। এতে যানবাহন চলাচল ব্যাহত হচ্ছে।

  • ইমারত পরিদর্শক শিহাব উদ্দিনের ছত্রছায়ায় রাজউক নিয়মবহির্ভূত ভবন নির্মাণের অভিযোগ

    ইমারত পরিদর্শক শিহাব উদ্দিনের ছত্রছায়ায় রাজউক নিয়মবহির্ভূত ভবন নির্মাণের অভিযোগ

    স্টাফ রিপোর্টার:

    রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানার ধনিয়া-রসুলপুর এলাকার ফুলকুঁড়ি স্কুল গলির ভিতরে রাজউক অনুমোদন ও ইমারত বিধিমালা উপেক্ষা করে একাধিক বহুতল ভবন নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, এলাকায় গড়ে ওঠা এসব ভবনে কোনো ধরনের সেটব্যাক, খালি জায়গা কিংবা নির্মাণ বিধিমালা মানা হচ্ছে না।

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকার কুতুবখালী-ধনিয়া ৫৩৬ নম্বর এলাকায় আরিফুর রহমান নামের এক ব্যক্তি দুটি বহুতল ভবন নির্মাণ করছেন। সরু গলির ভেতরে নির্মিত এসব ভবনের কারণে আশপাশের বাসিন্দারা চরম দুর্ভোগে পড়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন তারা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক স্থানীয় বাসিন্দা জানান, “ভবন দুটির নির্মাণকাজ শুরু থেকেই নিয়মকানুন উপেক্ষা করা হচ্ছে। গলির ভেতরে এত বড় ভবন নির্মাণের কারণে আলো-বাতাসের পথ বন্ধ হয়ে যাচ্ছে, চলাচলেও সমস্যা তৈরি হয়েছে।”

    এদিকে, অভিযোগ রয়েছে রাজউকের জোন–৭ এর ইমারত পরিদর্শক মোঃ শিহাব উদ্দিনের ‘ছত্রছায়া’ বা নীরব সহযোগিতায় এসব নির্মাণকাজ চলছে। তবে এসব অভিযোগের কোনো আনুষ্ঠানিক প্রমাণ এখনো পাওয়া যায়নি। এক স্থানীয় বাসিন্দার ভাষ্য অনুযায়ী, “পরিদর্শকের সঙ্গে আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা চলছে বলেও শোনা যাচ্ছে। তবে এটি যাচাই করা যায়নি।” অন্যদিকে, এলাকাবাসীর অভিযোগ—বারবার অভিযোগ দেওয়ার পরও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেয়নি। ফলে অবৈধ নির্মাণ কার্যক্রম দিন দিন আরও বিস্তৃত হচ্ছে।

    এ বিষয়ে রাজউক বা সংশ্লিষ্ট ইমারত পরিদর্শকের পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত তদন্ত করে অনিয়মিত নির্মাণ বন্ধ করা না হলে ভবিষ্যতে বড় ধরনের দুর্ঘটনার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। এলাকাবাসী সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

  • রাস্তা সংস্কারের দাবিতে ফুঁসছে এলাকাবাসী

    পত্নীতলা নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি: নওগাঁর পত্নীতলা উপজেলার নজিপুর-গবনপুর-চণ্ডীপুর-মেছের বাজার-শিমুলিয়া হয়ে তীরমনি পর্যন্ত বিস্তৃত আঞ্চলিক সড়কটি এখন যেন এক মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে।

    দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে কোনো সংস্কার না হওয়ায়, ১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ এই সড়কের পিচ-খোয়া উঠে গিয়ে তৈরি হয়েছে ছোট-বড় অসংখ্য বিপজ্জনক গর্ত।
    স্থানীয়দের তথ্যমতে, প্রতিদিন আমাইড় ও ঘোষনগর ইউনিয়নের প্রায় ১০ থেকে ১৫ হাজার মানুষ এই সড়ক দিয়ে যাতায়াত করেন।

    অথচ দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য, দীর্ঘ এই রাস্তার মাত্র ৩ থেকে ৪ কিলোমিটার কোনোমতে চলাচলের উপযোগী থাকলেও, বাকি প্রায় ১১ কিলোমিটার অংশই এখন সম্পূর্ণ অযোগ্য হয়ে পড়েছে।

    মূল ভোগান্তি যেখানে:
    ঝুঁকিতে রোগী ও গর্ভবতী মায়েরা: খানাখন্দে ভরা এই রাস্তা দিয়ে কোনো মুমূর্ষু বা গর্ভবতী রোগীকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া চরম ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ঝাঁকুনিতে রোগীর অবস্থা আরও সংকটাপন্ন হয়ে পড়ে।
    অর্থনৈতিক ও যাতায়াত স্থবিরতা: ভাঙাচোরা রাস্তার কারণে প্রতিনিয়ত বিকল হচ্ছে যানবাহন, নষ্ট হচ্ছে মূল্যবান সময় ও অর্থ।

    এলাকাবাসীর আকুতি: “আমরা ট্যাক্স দিই, ভোট দিই, অথচ বছরের পর বছর এই ভাঙা রাস্তা দিয়ে আমাদের যাতায়াত করতে হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আমাদের বিনীত দাবি—কাগজে-কলমে নয়, দ্রুত বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ নিয়ে এই সড়কটি সংস্কার করা হোক এবং আমাদের দীর্ঘদিনের এই নরকযন্ত্রণা থেকে মুক্তি দেওয়া হোক।

    এলাকার সাধারণ মানুষের এখন একটাই দাবি, কর্তৃপক্ষ যেন আর কালক্ষেপণ না করে দ্রুত এই সড়কটির টেকসই সংস্কার নিশ্চিত করেন।

  • নেত্রকোণায় ছোট বাজারে ঘোরাঘুরির সময় রোহিঙ্গা আটক

    নেত্রকোণায় ছোট বাজার থেকে ঘোরাঘুরির সময় রোহিঙ্গা নাগরিক আট

    নেত্রকোনা প্রতিনিধি : নেত্রকোণা জেলা শহরে সোমবার রাতে ছোটবাজার এলাকা থেকে সন্দেহজনকভাবে ঘোরাঘুরির সময় এক রোহিঙ্গা নাগরিককে আটক করেছে নেত্রকোণা মডেল থানা পুলিশ। জানা যায়, সোমবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে তাঁকে আটক করা হয়।

    আটক ব্যক্তির নাম মো. কারিম (৩০)। তিনি কক্সবাজারের ওয়াইকাম এলাকার ফালনখালী গ্রামের বাসিন্দা বলে পুলিশ জানিয়েছে। বর্তমানে তিনি নেত্রকোণা মডেল থানা পুলিশের হেফাজতে রয়েছেন।

    পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নেত্রকোণা মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আমিনুলের নেতৃত্বে একটি চৌকস টিম জেলা শহরের ছোটবাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে সন্দেহজনকভাবে ঘোরাঘুরির সময় মো. কারিমকে আটক করে। পরে তাঁকে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।

    প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, গত ৬ জুন তিনি চট্টগ্রাম থেকে “সোনারতরী পরিবহন” নামের একটি বাসে করে নেত্রকোণায় আসেন। তবে কী উদ্দেশ্যে তিনি জেলায় এসেছিলেন, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

    এ ব্যাপারে নেত্রকোণা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন সরকার-এর কাছে জানতে চাইলে তিনি ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, আটক ব্যক্তির পরিচয় ও অবস্থান সংক্রান্ত তথ্য যাচাই করা হচ্ছে। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

    ০৯/০৬/২০২৬ ইং

  • সরকারি পুকুরের মাটি তুলে বিক্রি জানতে গেলে সাংবাদিককে হুমকি 

    জামালপুর প্রতিনিধ : জামালপুর জেলার মাদারগঞ্জ থানাধীন চর নাংলা আদর্শ গ্রামের দক্ষিন পাড়ের ৩৭ টি পরিবারকে অনেক দিন আগে সরকার কর্তৃক বাসস্থান ও একটি পুকুর খনন করা হয়েছিল।

    যেটা কিনা ৩৭ টি পরিবারের মাছ চাষ করে খাওয়া এবং গোসল করার জন্য। ৩৭ টি ঘরের বাসিন্দারা শুরু থেকে সবাই মিলে পুকুরে মাছ চাষ করে চলেছে এবং সময় মত সেই মাছ সকলে বন্টন করে নিয়েছে । এ যাবত ভালই চলছিল। কিন্তু গত ৫ জুন ৩৭ ঘরের কিছু লোক সকাল ৮ টা থেকে বিকাল পর্যন্ত পুকুরের মাটি কাটে এবং তা অন্য এক জায়গায় নিয়ে ফেলছে ।

    সুত্রে জানা যায় ১০ লক্ষ মাটি ৮ লক্ষ টাকায় এই পুকুর থেকে উত্তোলন করে বিক্রি করে হচ্ছে । তাই পুকুর থেকে মাটি কাটা শুরু করেছে । বিষয়টি জানতে পেরে দৈনিক আজকের প্রভাত পত্রিকার মাদারগঞ্জ প্রতিনিধি মো: হাবিবুর রহমান হাবিব সরেজমিনে যায় এবং মাটি উত্তোলনের দৃশ্য দেখতে পায় ।

    তখন সাংবাদিক হাবিব উপস্থিত লোকজন থেকে জানতে চায় কেন এই মাটা কাটা হচ্ছে এবং কোন অনুমতি আছে কিনা । কিভাবে এই মাটি বিক্রি করা হচ্ছে। তখন উপস্থিত লোকজন কেউ কেউ বলে অনুমতি আছে আবার কেউ বলে কিসের অনুমতি। তখন হাবিব বুঝে নেয় বিষয়টি এবং উপস্থিত সবাইকে বলে এটা আপনারা ঠিক করতেছেন না।

    কেন আপনারা রাষ্ট্রের সম্পদ এই পকুরের মাটি বেআইনী ভাবে কেটে বিক্রি করতেছেন। তখন কিছু লোক আমাকে নানা উল্টা পাল্টা কথা বলে এবং এক পর্যায়ে হুমকি ধামকি দিতে থাকে । হাবিব কিসের সাংবাদিক কোথাকার সাংবাদিক দেখে নেয়ারও হুমকি ধামকি দেয়। তাদেরও অনেক সাংবাদিক পরিচিত আছে তারা তো কেউ এই ব্যপারে মাথা ঘামাচ্ছে না ।

    হাবিবকে এভাবে দমাতে চেষ্টা করে। এক পর্যায়ে হাবিব স্থান ত্যাগ করে। এরপর গাত ৮ জুন হাবিব যখন বাজার করতে বান্দের মাথার বাজারে যায়। তখন হঠাৎ করে ৭/৮জন এসে হাবিবকে জিজ্ঞেস করে তুমি কিসের সাংবাদিক ভাই আর কেন আমাদের কাজে ঝামেলা পাকাচ্ছ । তুমি নাকি মাটি কাটতে হলে তোমাকে টাকা দিতে হবে বলে জানিয়েছ ।

    টাকাতো তুমি পাইবা চাঁদাবাজির মামলা দেওয়া হবে তোমার বিরুদ্ধে । তাদের সাথে ২ জন সাংবাদিকও ছিল । হাবিব বার বার শুধু একটি কথাই বলে মাটি কাটার জন্য তো অবশ্যই অনুমতি লাগবে। তাছাড়া এই মাটি আবার বিক্রি করা হচ্ছে। এটাতো অন্যায় অপরাধ । জানা যায় এই কর্মকাণ্ডের প্রধান নাটের গুরু হচ্ছে ১) আফাজ্জল ২) হানি ৩) বাবুল ৪) জুলহাস ৫) মিন্টু । এ ছাড়া আরো অনেকে রয়েছে ওদের সাথে জড়িত ।

    সাংবাদিক হাবিব উক্ত এলাকাতে বসবাস করে বিধায় জান ও মালের নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে দিনাতিপাত করতে হচ্ছে। উক্ত বিষয়ে মাদারগঞ্জের এসি ল্যন্ড সহ টিএনও সাহেবের দ্রুত হস্তক্ষেপ আাশা করছেন চর নাংলা আদর্শ গ্রামবাসী।

  • কটিয়াদীতে বিশ্বকাপ ফুটবলের তুমুল উন্মাদনা পতাকা ও জার্সি বিক্রির ধুম

    কটিয়াদী(কিশোরগঞ্জ)প্রতিনিধি:

    বিশ্বকাপ ফুটবলের আকাশছোঁয়া উন্মাদনা ছড়িয়ে পড়তে শুরু করেছে কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে।

    চলতি বছরের ১১ জুন পর্দা উঠতে যাচ্ছে বিশ্ব ফুটবলের সবচেয়ে বড় এই মহাযজ্ঞের। দিন যতই ঘনিয়ে আসছে, ততই বাড়ছে ফুটবলপ্রেমীদের উৎসাহ-উদ্দীপনা। প্রিয় দলকে সমর্থন জানাতে ইতিমধ্যেই সমর্থকরা সংগ্রহ করছেন পছন্দের দলের জার্সি ও পতাকা।

    ​সরেজমিনে দেখা যায়, কটিয়াদী বাজারসহ উপজেলার বিভিন্ন পাড়া-মহল্লার ক্রীড়াসামগ্রীর দোকানগুলোতে বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া বিভিন্ন দেশের পতাকা ও জার্সি বিক্রির হিড়িক পড়েছে। বিশেষ করে আর্জেন্টিনা, ব্রাজিল, সৌদি আরব ও বাংলাদেশের পতাকা দোকানের সামনে সারিবদ্ধভাবে টাঙিয়ে রাখা হয়েছে। ক্রেতাদের আকৃষ্ট করতে বাহারি রঙের পতাকা ও জার্সিতে সাজানো হয়েছে পুরো দোকান।

    ​ব্যবসায়ীরা জানান, বেশ কয়েকদিন আগে থেকেই পতাকা ও জার্সি বিক্রি শুরু হয়েছে। বিশ্বকাপের সময় যত এগিয়ে আসছে, বেচাকেনাও তত বাড়ছে। বাজারে বিভিন্ন আকার ও মানের পতাকা এবং নান্দনিক ডিজাইনের জার্সি পাওয়া যাচ্ছে। মান ও প্রকারভেদে এগুলোর দামেও রয়েছে ভিন্নতা।

    ​স্থানীয় একটি দোকানের কর্মচারী ইব্রাহিম বলেন, “বিশ্বকাপ ফুটবলকে সামনে রেখে পতাকার চাহিদা প্রতিনিয়ত বাড়ছে। ফুটবলপ্রেমীরা পছন্দের দলের জার্সির খোঁজে আসছেন। টুর্নামেন্ট শুরু হতে আর মাত্র ৩ দিন বাকি থাকায় এখন বিক্রি একদম তুঙ্গে।

    ​স্থানীয় ফুটবলপ্রেমীরা জানান, বিশ্বকাপকে ঘিরে কটিয়াদী উপজেলার বিভিন্ন পাড়া-মহল্লায় ইতিমধ্যেই উৎসবের আমেজ তৈরি হয়েছে। অনেকেই নিজেদের বাড়ি, দোকান ও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে প্রিয় দলের পতাকা টাঙানোর প্রস্তুতি নিচ্ছেন। মাঠের লড়াই শুরুর আগেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও চলছে পছন্দের দল নিয়ে জমজমাট আলোচনা-সমালোচনা ও সমর্থনের তুমুল প্রচারণা।

    ​কটিয়াদী সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের সামনে ভ্যানে করে জার্সি ও পতাকা বিক্রি করছিলেন আবদুল কাদির। তিনি জানান, বিশ্বকাপ এলেই তিনি এই ব্যবসায় নামেন। প্রায় দুই দশক ধরে এই মৌসুমি ব্যবসা করে আসছেন তিনি।

    ​আবদুল কাদির তাঁর পণ্যের দামের বিবরণ দিয়ে বলেন, তিনি ৩ ফুটের পতাকা ১০০ টাকা, ৫ ফুটের পতাকা ২৫০ টাকা এবং ১০ ফুটের বড় পতাকা ৮০০ টাকায় বিক্রি করছেন। এছাড়া ৫ ফুটের বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা বিক্রি করছেন ১৫০ টাকায়।

    ​বেচাকেনা নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করে আবদুল কাদির বলেন, “ঈদের আগে বিক্রি বেশ ভালো ছিল। অনেকেই বাড়ি ফেরার সময় সন্তানদের জন্য জার্সি ও পতাকা কিনে নিয়ে গেছেন। এবার ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনার পতাকা তুলনামূলক বেশি বিক্রি হচ্ছে। তবে গত বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার পতাকার চাহিদা ছিল আকাশচুম্বী।” খেলা শুরু হলে বিক্রি আরও বাড়বে বলে আশা প্রকাশ করেন এই বিক্রেতা। আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিলের পাশাপাশি স্পেন, পর্তুগাল, ফ্রান্স ও জার্মানির পতাকাও বিক্রি হচ্ছে বলে জানান তিনি।

    ​এদিকে জার্সিতে নাম ও নম্বর লেখার কাজেও ব্যস্ততা বেড়েছে কারিগরদের। নাম লেখার কারিগর রিয়াদুল ইসলাম সোহাগ বলেন, “সাধারণ জার্সিতে সাধারণ রঙ দিয়ে নাম লেখাতে ৫০ টাকা, সাদা স্টিকার দিয়ে ১০০ টাকা আর অফিশিয়াল জার্সিতে প্রিমিয়াম কোয়ালিটিতে নাম লেখাতে ১৫০ টাকা নেওয়া হচ্ছে।” তিনি আরও জানান, এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি নাম লেখা হচ্ছে আর্জেন্টিনার জার্সিতে। এরপরই রয়েছে ব্রাজিল ও পর্তুগালের অবস্থান।

    ​বোয়ালিয়া থেকে জার্সি কিনতে আসা ক্রেতা মনির হোসেন মাহিন ৮৫০ টাকা দিয়ে আর্জেন্টিনা দলের একটি জার্সি কিনেছেন। তিনি তাঁর অনুভূতি ব্যক্ত করে বলেন, “বাজারে সবকিছুর দামই এখন বাড়তি। জার্সির দাম কিছুটা বেশি হলেও ভালোবাসার দলের জন্য তা মেনে নেওয়া যায়। তবে জার্সিতে নাম লেখানোর খরচটা তুলনামূলক একটু বেশি মনে হয়েছে।”

    ​সব মিলিয়ে কটিয়াদীতে এখন মাঠের ফুটবল শুরুর আগেই যেন উৎসবের রঙিন আমেজ পূর্ণতা পেয়েছে।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে মাদকবিরোধী অভিযানে ২০ পিস ইয়াবাসহ একাধিক মামলার আসামি গ্রেফতার 

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি), জেলা কার্যালয়, চাঁপাইনবাবগঞ্জ কর্তৃক পরিচালিত একটি বিশেষ মাদকবিরোধী অভিযানে ২০ (বিশ) পিস ইয়াবাসহ এক চিহ্নিত মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করা হয়েছে।​আজ ০৭ জুন ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ তারিখ বিকেল ৪:০০টা থেকে ৪:৩০টা পর্যন্ত

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানাধীন প্রান্তিকপাড়া (রেলবস্তি) এলাকায় এই সফল অভিযানটি পরিচালিত হয়। ডিএনসি-র বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উক্ত স্থানে অভিযান চালিয়ে মোঃ হাসান তারেক ওরফে পাতান (৪১)-কে হাতেনাতে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। এ সময় তল্লাশি চালিয়ে তার হেফাজত থেকে ২০ পিস অবৈধ ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা

    মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, জেলা কার্যালয়, চাঁপাইনবাবগঞ্জ।

    ​ প্রান্তিকপাড়া (রেলবস্তি) এলাকা, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানা।​ বিকেল ০৪:০০ থেকে ০৪:৩০ ঘটিকা, ০৭ জুন ২০২৬।

    ​মোঃ হাসান তারেক ওরফে পাতান (৪১)।২০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট।

    ​মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা গেছে, গ্রেফতারকৃত হাসান তারেক ওরফে পাতান একজন পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী। সে দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে মাদক ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিল। তার বিরুদ্ধে পূর্বেরও একাধিক মাদক সংক্রান্ত মামলা রয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে সংস্থাটি।​এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিদর্শক মোঃ রফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় একটি নিয়মিত মামলা দায়েরের কার্যক্রম গ্রহণ করেছেন।

    ​মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, জেলায় মাদকের বিস্তার রোধ, যুবসমাজকে রক্ষা এবং মাদক কারবারিদের সম্পূর্ণ নির্মূল করতে চলমান এই বিশেষ আভিযানিক কার্যক্রম ভবিষ্যতেও আরও জোরদার ও গতিশীলভাবে অব্যাহত থাকবে।

  • সাঁথিয়ায় ছাত্রদলকে নিয়ে যুবদলের ভূমিকা প্রসঙ্গে বিতর্ক

    সাঁথিয়া প্রতিনিধি: পাবনার সাঁথিয়া উপজেলা ছাত্রদলের সাংগঠনিক কার্যক্রম ও নেতৃত্বের বিষয় নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে। সম্প্রতি সাঁথিয়া উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব মিজানুর রহমান বাবুল এক ফেসবুক পোস্টে দাবি করেন, উপজেলা ছাত্রদলের দীর্ঘদিন কমিটি না থাকায় অনেক মেধাবী ও পরিশ্রমী ছাত্রনেতা ছড়িয়ে-ছিটিয়ে সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। ফলে তাদের মধ্যে সমন্বয় ও নেতৃত্বের ঘাটতি দেখা দিচ্ছে।

    তিনি আরও উল্লেখ করেন, যুবদলের কেন্দ্রীয় নেতা মাসুদুল হক মাসুদের সহযোগিতায় সাঁথিয়া উপজেলা যুবদল ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সহযোগিতা ও সমন্বয়ের দায়িত্ব পালন করবে। উপজেলা ছাত্রদলের নতুন কমিটি গঠিত না হওয়া পর্যন্ত এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি জানান।

    তবে এ বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল ঢাকা মহানগর পূর্ব শাখার গণমাধ্যম বিষয়ক সম্পাদক ও ছাত্রদল নেতা মোঃ নুর-বীন আব্দুর রহমান রাহাত প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি বলেন, ছাত্রদলের উপজেলা ইউনিটকে সুসংগঠিত করা, নেতৃত্ব প্রদান এবং সাংগঠনিক তদারকি করার দায়িত্ব ছাত্রদলের জেলা কমিটির ওপর বর্তায়। এ ক্ষেত্রে যুবদলের সরাসরি মধ্যস্থতা বা নিয়ন্ত্রণমূলক ভূমিকা সংগঠনের সাংগঠনিক কাঠামোর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় বলে তিনি মত প্রকাশ করেন।

    রাহাত আরও বলেন, “ছাত্রদল একটি স্বতন্ত্র সহযোগী সংগঠন। এর সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা ও ইউনিটসমূহকে সুসংগঠিত করার জন্য দলীয় কাঠামোর মধ্যেই দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতৃবৃন্দ রয়েছেন। তাই এ দায়িত্ব ছাত্রদলের সংশ্লিষ্ট সাংগঠনিক স্তর থেকেই পালন হওয়া উচিত।”

    এদিকে বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় নেতাকর্মীদের মধ্যেও আলোচনা চলছে। অনেকেই মনে করছেন, ছাত্রদলের সাংগঠনিক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে সংশ্লিষ্ট সাংগঠনিক ইউনিটগুলোর মধ্যে সমন্বয় বৃদ্ধি প্রয়োজন।

    রাজনৈতিক মহলের মতে, উপজেলা ছাত্রদলের নতুন কমিটি গঠন হলে এ ধরনের বিতর্কের অবসান ঘটতে পারে এবং সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও সুসংগঠিত হবে।

  • শ্রীপুরের সাবেক মেয়র আনিছুর রহমান আর নেই 

    শ্রীপুর (গাজীপুর) প্রতিনিধি :গাজীপুরের শ্রীপুর পৌরসভার সাবেক মেয়র ও জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আনিছুর রহমান ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। আজ রোববার দুপুরে ঢাকার শিপ ইন্টারন্যাশনাল হাসপাতালে তাঁর মৃত্যু হয়। এদিকে ভাইয়ের মৃত্যুসংবাদ শুনে হৃদ্‌যন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে তাঁর ছোট বোন রাশিদা বেগমও মারা গেছেন।


    আনিছুর রহমানের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তাঁর ছোট ভাই মো. হাফিজুর রহমান।

    আনিছুর রহমানের বয়স হয়েছিল ৬৭ বছর। তিনি শ্রীপুর পৌরসভার মাধখলা গ্রামের মৃত হাবিবুর রহমানের ছেলে। তিনি টানা চারবার শ্রীপুর পৌরসভার মেয়র ছিলেন। এ ছাড়া জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদকসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন।

    হাফিজুর রহমান বলেন, আনিছুর রহমান দীর্ঘদিন ধরে ডায়াবেটিসসহ নানা জটিল রোগে ভুগছিলেন। কয়েক দিন ধরে তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে হাসপাতালের নিবিড় পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে (আইসিইউ) লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়। আজ দুপুরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ আনুষ্ঠানিকভাবে তাঁর মৃত্যুর বিষয়টি পরিবারের সদস্যদের নিশ্চিত করে।

    হাফিজুর রহমান আরও বলেন, বড় ভাইয়ের মৃত্যুর খবর শুনে বোনও মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন।

    নিহতের স্বজন জাহিদুল আলম রবিন বলেন, দুপুরের দিকে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। আগামীকাল সোমবার সকাল ১০টা অথবা সাড়ে ১০টার মধ্যে মরদেহ গ্রামের বাড়িতে নেওয়া হবে